✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀━┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀━┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁👇📖 সূচীপত্র 🙏 শ্রী গোপীশরণ দাস 📖👇꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
পুরুষোত্তম মাসস্য দৈবতং পুরুষোত্তম
তস্মাৎ সম্পজয়োদ্ভতক্ত্যা শ্রদ্ধয়া পুরুষোত্তমম্ ||
অনুবাদ : হে দৃঢ়ধন্ধা! পুরুষোত্তম শ্রীকৃষ্ণই পুরুষোত্তম মাসের অধিদেবতা। অতএব এই মাসে প্রতিদিন ভক্তি শ্রদ্ধাপূর্বক পুরুষোত্তম কৃষ্ণকে ষোড়শাপচারে পূজা করবে।
পুরুষোত্তম মাস কি :-
------------------------------
গৌরাব্দের বৈষ্ণব পঞ্জিকা আসলে চান্দ্র এবং সৌর বর্ষগণনা পদ্ধতির মিশ্রণ। কিন্তু সৌরমাস ও চান্দ্রমাসের দৈর্ঘ্য এক নয়। যেমন, চন্দ্র পঞ্জিকা অনুযায়ী একটি বছরের ১২ মাস ৩৫৫ দিনের মধ্য দিয়ে অতিক্রান্ত হয়, কিন্তু সৌর পঞ্জিকা অনুসারে সেটি সম্পূর্ণ হয় ৩৬৫ দিনে। এখানে ১০ দিনের পার্থক্য হয়। সুতরাং প্রতি তিন বছরে একটি অতিরিক্ত মাস যুক্ত হয়, যার নাম পুরুষোত্তম মাস। পুরুষোত্তম মাসকে 'মলমাস' বা 'মলিনমাস' বলা হয়ে থাকে। সংস্কৃত ভাষায় এই মাসকে বলা হয় 'অধিক মাস'।
পুরুষোত্তম নামের মহিমাঃ-
--------------------------------------
'পুরুষোত্তম' পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের একটি নাম। পুরুষ অর্থাৎ ভোক্তা বা ভগবান এবং উত্তম মানে আধ্যাত্মিক বা শ্রেষ্ঠ। সুতরাং, পুরুষোত্তম মানে "আধ্যাত্মিক পরম ভগবান।" উল্লেখ্য যে, ভগবদ্গীতার ১৫তম অধ্যায়কে পুরুষোত্তম যোগ বলা হয়। ভগবদ্গীতায় পুরুষোত্তম নামের বর্ণনায় বলা হয়েছে-- ১. যিনি সর্বশ্রেষ্ঠ পুরুষ, ২. যিনি সমস্ত মুক্ত ও বদ্ধ চিৎ-সত্তার মধ্যে শ্রেষ্ঠতম।(ভঃগীঃ ৮/১, ১০/১৫, ১১/৩, ১৫/১৮, ১৯)
সময়সূচিঃ-
---------------
পুরুষোত্তম মাসের সূচনা তিথি হল অমাবস্যা এবং সমাপ্তি তিথি হচ্ছে কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথি। সেই হিসাবে এ বছর পুুরুষোত্তম মাসের সময়সূচি *আগামী ১৭ই জুলাই সোমবার রাত্রি ১০:৫৫ গতে মল মাস আরম্ভ। ১৬ই আগষ্ট বুধবার দিবা ২:১৪ গতে মলমাস নিবৃত্তি।*
পুরুষোত্তম মাসে করণীয়ঃ-
-------------------------------------
১. ব্রাহ্মমুহূর্তের পূর্বে গাত্রোত্থান করে স্নান ও মঙ্গল আরতিতে অংশগ্রহণ করা।
২. প্রতিদিন নির্ধারিত সংখ্যামালার অতিরিক্ত জপ এবং যত বেশি সম্ভব নাম কীর্তনে অংশগ্রহণ করা।
৩. প্রতিদিন চৌরাগ্রগণ্য পুরুষাষ্টকম, জগন্নাথাষ্টকম্, নন্দনন্দনাষ্টকম্, রাধা-কৃষ্ণ কৃপাকটাক্ষস্তোত্রম প্রভৃতি নিজাভীষ্ট স্তোত্রাবলি পাঠ ও পূর্বতন আচার্যকৃত ভজন কীর্তন করা উচিত।
৪. এ মাসে ৩৩ সংখ্যাটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। তাই রাধা-কৃষ্ণের উদ্দেশ্যে ৩৩ বার দন্ডবৎ প্রণাম, ৩৩ সংখ্যক প্রদীপ দান, ৩৩ সংখ্যক ফল ও পুষ্প প্রদান প্রভৃতি যেকোনো সেবায় ৩৩ সংখ্যার ব্যবহার।
৫. পরম পুরুষোত্তম ভগবান শ্রীকৃষ্ণের সন্তুষ্টির জন্য প্রতি সন্ধ্যায় প্রদীপ প্রদান করা কর্তব্য। সামর্থ্য থাকলে ঘৃত প্রদীপ নতুবা তিল তৈল প্রদীপ দেওয়া উচিত।
৬. প্রতিদিন শ্রীমদ্ভাগবত ও অন্যান্য সদ্গ্রন্থাদি অধ্যয়ন করা উচিত। (বিশেষ করে শ্রীমদ্ভাগবতের দশম স্কন্দে বর্ণিত ব্রহ্মস্তুতি ও শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার পঞ্চদশ অধ্যায়)।
৭. পুরুষোত্তম মাসে ভক্তিপূর্বক শ্রীমদ্ভাগবত গ্রন্থ শ্রবণ করা উচিত।
৮. ভক্তগণ শ্রীশালগ্রাম শিলার অর্চন করবেন।
৯. পুরুষোত্তম ব্রতী হবিষ্যান্ন ভোজন করবেন।
(গম, আতপ চাল, মুগডাল, যব, তিল, মটর, কাঙ্গলী তণ্ডুল, উড়ি তন্ডুল, বেতোশাক, হেলেঞ্চা শাক, আদা, কালশাক, মুলক, কন্দমূল, কাঁকুড়, কলা, সৈন্ধব ও সামুদ্রিক লবণ, দধি, ঘৃত, অনুদ্বৃত দুগ্ধসার, কাঁঠাল, আম, হরিতকি, পিপ্পল, জিরা, সোঁঠ, তেঁতুল, ক্রমুক, আতা, আমলকি, ইক্ষুজাত চিনি, মিশ্র অতৈলপক্ব ব্যঞ্জনাদি দ্রব্য সমস্তই হবিষ্যান্ন। ছোলা ডাল, তিল তৈল, কাঁকরযুক্ত অন্ন, ভাবদুষ্ট-ক্রিয়াদুষ্ট-শব্দদুষ্ট দ্রব্যসকল পরিত্যাগ করা উচিত)
১০. পরান্ন ভোজন, পরদ্রোহ, পরদার গমন পরিত্যাগ করা উচিত।
১১. পুরুষোত্তম মাসে দেবতা, বেদ, গুরু, গো, ব্রতী, স্ত্রীলোক, রাজা ও মহাজনদের নিন্দা পরিত্যাগ করা উচিত।
পুুরুষোত্তম মাসের গুরুত্ব দামোদর মাসের চাইতে এক হাজার গুণ বেশি। যিনি এই পুুরুষোত্তম ব্রত পালন করেন তার মাঝে সকল পবিত্র ধাম ও দেবতারা বাস করেন।
*জয় নিতাই 🙏🙏🙏।।*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ।
➡️
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
