শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

বৈষ্ণব বন্দনা 🙏 দেবকী নন্দন দাস 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/03/blog-post_27.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                        ꧁ বৈষ্ণব বন্দনা꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
              ꧁ স্তত্রম- বন্দনা- গীত- আরতি ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
বৃন্দাবন বাসী যত বৈষ্ণবের গণ।
প্রথমে বন্দনা করি সবার চরণ ।।
নীলাচল বাস যত মহাপ্রভুর গণ ।
ভূমিতে পড়িয়া বন্দোঁ সবার চরণ।।
নবদ্দীপ বাসী যত মহাপ্রভুর ভক্ত।
সবার চরণ বন্দোঁ হঞা অনুরক্ত।।
মহাপ্রভু ভক্ত যত গৌড় দেশে স্থিতি।
সবার চরণ বন্দোঁ করিয়া প্রণতি।।
যে দেশে যে দেশে বৈসে গৌরাঙ্গের গণ।
ঊর্ধ্ব বাহু করি বন্দোঁ সবার চরণ।।
হইয়াছেন হবেন প্রভুর যত দাস।
সবারো চরণ বন্দোঁ দন্তে করি ঘাস।।
ব্রহ্মাণ্ড তারিতে শক্তি ধরে জনে জনে।
এ বেদ পুরানে গুন গায় যেবা শুনে।।
মহাপ্রভুর গণ সব পতিত পাবন।
তাই লোভে মুঞি পাপী লইনু শরণ।
বন্ধন করিতে মুঞি কত শক্তি ধরি। 
তমো বুদ্ধি দোষে মুঞি দম্ভ মাত্র করি।।
তথাপি মূকের ভাগ্য মনের  উল্লাস।
দোষ ক্ষমা মো অধমে কর নিজ দাস।।
সর্ব বাঞ্ছা সিদ্ধি হয় যম বন্ধ ছুটে।
জগতে দুর্লভ হঞা প্রেম-ধন লটে।।
মনের বাসনা পূর্ণ অচিরাতে হয়।
দেবকী নন্দন দাস এই লোভে কয়।।
ইতি শ্রীশ্রী বৈষ্ণব শরণ সমাপ্ত।।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



বৈষ্ণব বন্দনা 🙏 দেবকী নন্দন দাস 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/03/blog-post_27.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                        ꧁ বৈষ্ণব বন্দনা꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
              ꧁ স্তত্রম- বন্দনা- গীত- আরতি ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
বৃন্দাবন বাসী যত বৈষ্ণবের গণ।
প্রথমে বন্দনা করি সবার চরণ ।।
নীলাচল বাস যত মহাপ্রভুর গণ ।
ভূমিতে পড়িয়া বন্দোঁ সবার চরণ।।
নবদ্দীপ বাসী যত মহাপ্রভুর ভক্ত।
সবার চরণ বন্দোঁ হঞা অনুরক্ত।।
মহাপ্রভু ভক্ত যত গৌড় দেশে স্থিতি।
সবার চরণ বন্দোঁ করিয়া প্রণতি।।
যে দেশে যে দেশে বৈসে গৌরাঙ্গের গণ।
ঊর্ধ্ব বাহু করি বন্দোঁ সবার চরণ।।
হইয়াছেন হবেন প্রভুর যত দাস।
সবারো চরণ বন্দোঁ দন্তে করি ঘাস।।
ব্রহ্মাণ্ড তারিতে শক্তি ধরে জনে জনে।
এ বেদ পুরানে গুন গায় যেবা শুনে।।
মহাপ্রভুর গণ সব পতিত পাবন।
তাই লোভে মুঞি পাপী লইনু শরণ।
বন্ধন করিতে মুঞি কত শক্তি ধরি। 
তমো বুদ্ধি দোষে মুঞি দম্ভ মাত্র করি।।
তথাপি মূকের ভাগ্য মনের  উল্লাস।
দোষ ক্ষমা মো অধমে কর নিজ দাস।।
সর্ব বাঞ্ছা সিদ্ধি হয় যম বন্ধ ছুটে।
জগতে দুর্লভ হঞা প্রেম-ধন লটে।।
মনের বাসনা পূর্ণ অচিরাতে হয়।
দেবকী নন্দন দাস এই লোভে কয়।।
ইতি শ্রীশ্রী বৈষ্ণব শরণ সমাপ্ত।।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



শ্রীশ্রীগুরু বন্দনা ✍️ শ্রীল সনাতন দাস গোস্বামী 🙏 আশ্রয় করিয়া বন্দো শ্রী গুরু চরণ 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/03/blog-post_31.html


  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                      ꧁ শ্রীশ্রীগুরু বন্দনা꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
              ꧁ স্তত্রম- বন্দনা- গীত- আরতি ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
আশ্রয় করিয়া বন্দো শ্রীগুরু চরণ।
যাহা হইতে মিলে ভাই কৃষ্ণ প্রেমধন।।
জীবের নিস্তার লাগি নন্দসুত হরি।
ভুবনে প্রকাশ হন গুরু-রুপ ধরি।।
মহিমায় গুরু-কৃষ্ণ এক করি জান।
গুরু অজ্ঞা হৃদে সব সত্য করি মান।।
সত্য জ্ঞানে গুরু বাক্যে যাহার বিশ্বাস।
অবশ্য তাহার হয় ব্রজ ভুমে বাস।।
যার প্রতি গুরুদেব হন পরসন্ন।
কোন বিঘ্নে সেহ নাহি হয় অবসন্ন।।
কৃষ্ণ রুষ্ট হৈলে গুরু রাখিবারে পারে।
গুরু রুষ্ট হৈলে কৃষ্ণ রাখিবারে নারে।।
গুরু মাতা গুরু পিতা গুরু হন পতি।
গুরু বিনা এ সংসারে নাহি আর গতি।।
গুরুকে মনুস্য জ্ঞান না কর কখন।
গুরু নিন্দা কভু কর্নে না কর শ্রাবণ।।
গুরু নিন্দুকের মুখ কভু না হেরিবে।
যথা হয় গুরু নিন্দা তথা ন যাইবে।।
গুরুর বিক্রিয়া যদি দেখহ কখন।
তথাপি অবজ্ঞা নাহি কর কাদাচন।।
গুরু পাদ পদ্মে যার রহে নিষ্ঠা ভক্তি।
জগৎ তারিতে সেই ধরে মহা শক্তি।।
হেন গুরু পাদ পদ্ম করহ বন্দনা।
যাহা হৈতে ঘুচে ভাই সকল যন্ত্রণা।।
গুরু পাদ পদ্ম নিত্য যে করে বন্দন।
শিরে ধরি বন্দি আমি তাহার চরণ।।
শ্রীগুরু চরণ পদ্ম হৃদে করি আশ।
শ্রীগুরু বন্দনা করে সনাতন দাস।।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



Sri Guru Bandona

Asroyo Koriya Bando Sri Guru Charan 






শ্রীশ্রীগুরু বন্দনা ✍️ শ্রীল সনাতন দাস গোস্বামী 🙏 আশ্রয় করিয়া বন্দো শ্রী গুরু চরণ 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/03/blog-post_31.html


  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                      ꧁ শ্রীশ্রীগুরু বন্দনা꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
              ꧁ স্তত্রম- বন্দনা- গীত- আরতি ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
আশ্রয় করিয়া বন্দো শ্রীগুরু চরণ।
যাহা হইতে মিলে ভাই কৃষ্ণ প্রেমধন।।
জীবের নিস্তার লাগি নন্দসুত হরি।
ভুবনে প্রকাশ হন গুরু-রুপ ধরি।।
মহিমায় গুরু-কৃষ্ণ এক করি জান।
গুরু অজ্ঞা হৃদে সব সত্য করি মান।।
সত্য জ্ঞানে গুরু বাক্যে যাহার বিশ্বাস।
অবশ্য তাহার হয় ব্রজ ভুমে বাস।।
যার প্রতি গুরুদেব হন পরসন্ন।
কোন বিঘ্নে সেহ নাহি হয় অবসন্ন।।
কৃষ্ণ রুষ্ট হৈলে গুরু রাখিবারে পারে।
গুরু রুষ্ট হৈলে কৃষ্ণ রাখিবারে নারে।।
গুরু মাতা গুরু পিতা গুরু হন পতি।
গুরু বিনা এ সংসারে নাহি আর গতি।।
গুরুকে মনুস্য জ্ঞান না কর কখন।
গুরু নিন্দা কভু কর্নে না কর শ্রাবণ।।
গুরু নিন্দুকের মুখ কভু না হেরিবে।
যথা হয় গুরু নিন্দা তথা ন যাইবে।।
গুরুর বিক্রিয়া যদি দেখহ কখন।
তথাপি অবজ্ঞা নাহি কর কাদাচন।।
গুরু পাদ পদ্মে যার রহে নিষ্ঠা ভক্তি।
জগৎ তারিতে সেই ধরে মহা শক্তি।।
হেন গুরু পাদ পদ্ম করহ বন্দনা।
যাহা হৈতে ঘুচে ভাই সকল যন্ত্রণা।।
গুরু পাদ পদ্ম নিত্য যে করে বন্দন।
শিরে ধরি বন্দি আমি তাহার চরণ।।
শ্রীগুরু চরণ পদ্ম হৃদে করি আশ।
শ্রীগুরু বন্দনা করে সনাতন দাস।।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



Sri Guru Bandona

Asroyo Koriya Bando Sri Guru Charan 






শ্রীশ্রীরাধাকান্ত দেবের সংক্ষিপ্ত পরিচয় 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/03/blog-post_85.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ꧁ শ্রীশ্রী রাধাকান্ত দেবের সংক্ষিপ্ত পরিচয় ꧂
                        👇👇👇🙏👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
সকল কিছু লিখনী👇👇🙏👇👇📚 *PDF গ্রন্থ* 📚 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভু তেনার জীবনের প্রায় আঠারোটি বছর কাটিয়েছেন শ্রীক্ষেত্র পুরী ধামে কাশি মিশ্রর বাড়িতে যা বর্তমানে শ্রীরাধাকান্ত মঠ বা শ্রীগম্ভীরা নামে পরিচিত ।।

 তৎকালীন সময়ে উড়িষ্যার রাজা প্রতাপ রুদ্রের পিতা পুরুষোত্তম দেব দক্ষিণ ভারতের একটি রাজ্য কাঞ্চি, সেখানে কাঞ্চি রাজার বাগান বাড়িতে বেড়াতে যান এবং কাঞ্চি রাজার কন্যাকে দেখে ভালো লাগে এবং বিবাহের প্রস্তাব দেন।

 কাঞ্চি রাজা তার প্রস্তাবে সম্মতি দিয়ে তার এক মন্ত্রী কে পাঠান উড়িষ্যা রাজ্যে কিন্তু পূর্ব হইতেই নিয়ম ছিল শ্রীজগন্নাথের রথের সামনে উড়িষ্যার রাজা ধীরাজ ঝাড়ু দেবেন, এই দৃশ্য কাঞ্চি রাজার মন্ত্রী দেখে গিয়ে রাজাকে শোনান, কাঞ্চিরাজ সব শুনে তিনি ঠিক করলেন কোন ঝাড়ুদার এর সাথে তার মেয়ের বিবাহ দেবেন না।।

পুরুষোত্তম দেব এই কথা শুনে তিনি কাঞ্চি রাজ্য জয়ের উদ্দেশ্য যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নেন কিন্তু যুদ্ধে পুরুষোত্তম দেব পরাস্ত হন।।

 আবারো পুরুষোত্তম দেব কাঞ্চি রাজ্যের উদ্দেশ্যে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নেন আবারো তিনি পরাস্ত হন এবং কাঞ্চি রাজা পুরুষোত্তম দেব কে শুনিয়ে দেন যদি আবারো যুদ্ধ করতে আসলে স্বয়ং জগন্নাথ-সুদর্শন-সুভদ্রা-বলরাম কে তেনার রাজ্যে অবস্থিত বড় গণেশের পশ্চাৎ দিকে প্রতিষ্ঠা করবেন।।

 পুরুষোত্তম দেব কাঞ্চি রাজার কথা জগন্নাথের কাছে এসে শোনালেন তখন স্বয়ং জগন্নাথ কালো  ঘোড়ায় এবং বলরাম সাদা ঘোড়ায় যুদ্ধের জন্য রওনা দেন পুরুষোত্তম দেবের সহিত(যা বর্তমানে শ্রী শ্রী জগন্নাথ মন্দিরের দক্ষিণ প্রবেশ দ্বারে এই রুপ বিগ্রহ দর্শন করে থাকেন ভক্তগন)।।

 জগন্নাথ এবং বলরাম পুরুষোত্তম দেবের সহিত থাকার কারণে এবারে তিনি যুদ্ধে জয়লাভ করেন এবং যুদ্ধে জয় লাভ করার জন্য পুরুষোত্তম দেব কাঞ্চি রাজার কন্যাকে, শ্রী শ্রী রাধাকান্ত দেব, সাক্ষীগোপাল এবং বড় গণেশ কে উড়িষ্যায় নিয়ে আসেন।

পুরুষোত্তম দেব সাক্ষী গোপাল ও বড় গণেশ কে প্রতিষ্ঠা করলেন শ্রীজগন্নাথ মন্দিরের পশ্চাৎ দিকে।।

শ্রীশ্রীরাধাকান্তদেব কে প্রতিষ্ঠা করলেন শ্রী বিগ্রহের সামনে কিন্তু যখনই শ্রীজগন্নাথদেবের সেবা দেওয়া হয় তখনই জগন্নাথের সেবার পূর্বে সকল সুস্বাদু সেবার সামগ্রী রাধাকান্তদেব সেবা পেয়ে নেন এই কারণে শ্রীজগন্নাথদেবকে বেশকিছুদিন অভুক্ত থাকতে হয়।।

স্বয়ং জগন্নাথ একদিন পুরুষোত্তম দেবকে স্বপ্ন দিয়ে বললেন অতি শীঘ্র সম্ভব শ্রীরাধাকান্তদেবকে অন্যত্র স্থানান্তর করার কথা কারণ সকল মহাপ্রসাদ রাধাকান্ত আমার পূর্বেই সেবা পেয়ে নেন এই কারণে আমি বেশ কিছুদিন অভুক্ত আছি ।।

জগন্নাথের এই আদেশের পর পুরুষোত্তমদেব তার শ্রীগুরু কাশি মিশ্রকে (যিনি দ্বাপর যুগে কৃষ্ণ লীলায় মথুরা নগরীতে কুব্জা নামে খ্যাত) এই বিগ্রহ দিয়ে দেন এবং পুরুষোত্তম দেব এই রাধাকান্ত দেব কে রাখবার জন্য তেনার বাগানবাড়ি ও অনেক সম্পত্তি কাশি মিশ্রকে দিয়ে দেন তা মহাপ্রভুর সময়ে এই বাগানবাড়ি কাশি মিশ্রর বাড়ি নামে পরিচিত ছিল।।

পরবর্তীকালে শ্রীমন্ মহাপ্রভু এই রাধাকান্ত দেবের পাশের ঘর যা শ্রীগম্ভীরা( গোপন কক্ষ  বা গম্ভীর লীলা স্থল) নামে পরিচিত, তিনি জীবনের প্রায় শেষ আঠারোটি বছর উচ্চ ভাবের শেষ পর্যায়ে প্রভু তার লীলা প্রকাশ করেছেন।।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 👇👇👇
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






মালায় 'হরিনাম' জপ 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/03/blog-post_28.html

   

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                *꧁মালায় 'হরিনাম' জপ ꧂*
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧   
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
কলিযুগ পাবন অবতার শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভু কলির জীবকে উদ্ধার করার জন্য গোলকের সম্পত্তি ভূলোকে  সকলের মধ্যে বিতরণ করে দিলেন, যা গোলক বৃন্দাবনে  অতিগুপ্ত  ভাবে  ছিল, তা জগৎপিতা দেখলেন কলির জীব নিতান্তই পাপাচারী অন্য যুগের তুলনায় ।  
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧     
○সত্য যুগে এই ধরাধামে মানুষের পুণ্য ছিল 4 ভাগ এবং পাপ ছিলনা।
○ ত্রেতাযুগে মানুষের পুণ্য ছিল  তিন ভাগ এবং পাপ ছিল 1 ভাগ।
○ দ্বাপর যুগে তাহলো  দুই ভাগ পুণ্য এবং দুইভাগ পাপ।
○ আর এই কলি কালে  এক ভাগ পুণ্য আর তিন ভাগ পাপ।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧     
তাই গোলক বিহারী ভগবান ভাবলেন এই কলিযুগে একমাত্র নামের দাঁড়াই উদ্ধার পাওয়া সম্ভব, এই কলির জীবের,  তাই তিনি নিজে অবতার রূপে  এই ধরায়, বাহিরে রাধারানী ও ভিতরে কৃষ্ণ রুপে অবতার হয়ে জন্মনেন শ্রীধাম নবদ্বীপে শ্রীশচী মায়ের গর্ভে, জন্মের পর তার দাদু শ্রীনীলাম্বর চক্রবর্তী কুষ্টি করতে গিয়ে দেখতে পান এই পুত্র সাধারণ পুত্র  নন, তাই তার নাম রাখেন বিশ্বম্ভর মিশ্র।

ভগবানের মধুর নাম নানাভাবে করা যায় কিন্তু মালা জপের  দ্বারা অধিক সংখ্যক ভগবানের নাম করা সম্ভব তাই মালা জপ হলো ভজনের একটি অঙ্গ।

ভগবানের মধুর নাম মালা জপের মাধ্যমে করার ইচ্ছা প্রকাশ হলে শ্রীগুরুর কাছে শরণাপন্ন হতে হয় যদি সাক্ষাৎ শ্রীগুরুদেব এই মালার ভজন দেয় তবেই আমরা এই মালা জপের অধিকার লাভ করবো এবং নিরামিষভোজী  হতে হবে তবেই তিনি মালা জপের অধিকারী।

সমস্যা জর্জরিত এই কলি যুগে মহামন্ত্র জপ, কীর্ত্তন করাই মুক্তির সবচেয়ে সহজ পন্থা। জপ অনেক ভাবেই করা যায়। কেউ মোনে মোনে জপ করেন, আবার কেউ করে শব্দ তৈরি করে। শব্দ তৈরি করে নাম জপ করলে দুটি কাজ হয়। প্রথমত এই মহামন্ত্র বার বার আমাদের কর্নে দিয়ে প্রবেশ করছে আর দ্বিতীয়ত বাইরের কোনো বাজে শব্দ জপে বিগ্ন ঘটাতে অসমর্থ। 
শ্রবণ করে জপ করাই হচ্ছে কৃষ্ণের প্রতি মতিস্থির করার মূল পন্থা। আমরা যখন জপ করবো তখন আমাদেরকে শুধু শব্দ তরঙ্গগুলো শ্রবণ করতে হবে। যদি আমরা ভালোভাবে শ্রবণ করি তাহলে মহামন্ত্রটি আমাদের কর্ণ দিয়ে হৃদয়ে প্রবেশ করে অনবরত সুধা বর্ষণ করবে। এই সুধা সিন্ধুতে হারিয়ে গিয়েই আমরা শ্রীকৃষ্ণকে দর্শন করতে পারবো। কিন্তু অনেক বছর পরেও যদি আমরা নামের প্রতি কোনো স্বাদ আস্বাদন করতে না পারি, তাহলে হয় মহামন্ত্র শ্রবণে আমাদের সমস্যা রয়েছে, নইলে আমাদের আত্ম সমর্পণের স্তরে সমস্যা রয়েছে।

 মালায় নাম জপের নিয়ম বর্ণনা:-

মালা গোপনে রেখে ভজনের জন্য নতুন কাপড়ের একটি থলি প্রস্তুত করে সেই থলেতে মালা রাখতে হয়। ঐ থলির মধ্যে দক্ষিণ হস্ত বা ডান হাত প্রবেশ করিয়ে তর্জ্জনী অঙ্গুলিকে ছিদ্র দিয়ে থলির বাইরে রাখতে হবে। কারন তর্জ্জনী দ্বারা স্পর্শ করতে নেই এবং মালা জপের সময় মালায় নখ লাগাতে নাই। 
 
মালা জপ আরম্ভের মন্ত্র:-

 অবিঘ্ন করু মালে, ত্বং হরি নাম-জপেষু চ।
শ্রীরাধা কৃষ্ণয়োর্দাস্যং দেহি মালে, তু প্রার্থয়ে।।
 অর্থাৎ, হে মালে তোমাতে হরি নাম জপ করিতেছি আমার সর্ব্ব বিঘ্ন দূরকর এবং শ্রীরাধা কৃষ্ণের দাস্য দান কর, এই প্রার্থনা করছি। মালা জপান্তে নিন্মরুপ জপ সমর্পণ করতে হয়।

নাম চিন্তামণি-রুপং নামৈব পরমা গতিঃ।
নাম্নঃ পরতরং নাস্তি তস্মান্নাম উপাস্মহে।।
অর্থাৎ, শ্রীহরি নাম চিন্তামণি ও পরমা গতি, নাম হইতে শ্রেষ্ঠ(উপাস্য) বস্তু আর কিছুই নাই। তাই শ্রী নামের স্মরণ নিলাম।

  এবার মালা জপের শুরুতে, মালার বড় দিক থেকে জপ আরম্ভ করতে হবে এবং সমস্ত মালা একবার জপ শেষ হলে ঘুরিয়ে নিয়ে সরু দিক থেকে পুনরায় জপ করতে করতে হয় এবং প্রতি গুটিতে একবার পূর্ণ মহামন্ত্র নাম বলতে হবে

"হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে"

যেহেতু মেরুলঙ্ঘন করে জপ করতে নেই, করলে সেটা বিফল হয়। মধ্যমা অঙ্গুলির মধ্য ভাগের উপর মালা রেখে বৃদ্ধা অঙ্গুষ্ঠ দ্বারা এক একটি মালা আকর্ষণ পূর্ব্বক এক একবার শ্রীহরির মহানাম মহামন্ত্র জপ করতে হয়। এই ভাবে ১০৮ টি নাম মালার গুটি সম্পূর্ণ জপ হলে তাহাকে এক ফেরা বা পরিক্রমা বলা হয়। এরুপ ৪ ফেরায় এক গ্রন্থি হয়। ১৬ গ্রন্থিতে লক্ষ নাম জপ হয়। লক্ষ নাম জপের নিয়ম করা পরম সৌভাগ্যের বিষয়।

থলির বাইরে চারটি ক্ষুদ্র মালা বেঁধে ফেরার সংখ্যা রাখতে হয় এবং এক গ্রন্থির অধিক জপ করতে ইচ্ছে হলে প্রয়োজ অনুযায়ী আরও গোটাকতক ক্ষুদ্র মালা পৃথক বেঁধে গ্রন্থির সংখ্যা করতে হয়। এক গ্রন্থির ৪ বার নিচে নাম জপের নিয়ম করতে নেই। দীক্ষিত জন বীজ মন্ত্র বা গায়ত্রী দ্বাদশবার হস্তের পর্বে বা মালায় জপ করে, মহামন্ত্র ষোড়শী হরি নাম ১০৮ বার মালায় জপ করবে।

 প্রতি চার বার মালা জপের সময় নাম স্মরণ মন্ত্র:-
""নামযজ্ঞ মহাযজ্ঞ কলৌ কলপনাসন্
 শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য পিতর্থে নামযজ্ঞ  সমার্পণম্""।। 

নামের মধ্যে দিয়াই শ্রীকৃষ্ণের ধ্যান:-

ত্রিভঙ্গ-ভঙ্গিম-রুপং বেনুরন্ধ্র-করাঞ্চিতং।
গো, গোপ, গোপী মণ্ডল-মধ্যস্থং শোভিতং নন্দ নন্দনং।।
অর্থাৎ, গো, গোপ, গোপীগণ মধ্যস্থ বেনুরন্ধ্রে করে যুক্ত, বাদনরত ত্রিভুজঙ্গ ভঙ্গিম শ্রীনন্দের নন্দন শ্রীকৃষ্ণকে ধ্যান করছি।

 নাম জপের প্রথমে ও শেষে শ্রীকৃষ্ণকে প্রণাম করবে।

মালার স্বরুপ:-
শতাষ্ট গোপিকা মালা সূএঞ্চ রাধিকা পরা।
সাক্ষী চ্ ললিতা দেবী মেরু কৃষ্ণ স্বয়ং প্রভু।।
সুমেরুর্দ্কিভাগে চ্ বসতি প্রেম-মঞ্জরী।
বিগ্রহে শ্যামলা গোপী মালা নির্ণয় উচ্যতে।।
শ্রীকৃষ্ণকে প্রণাম মন্ত্র:-

নমো নলিন-নেত্রায় বেণু বাদ্য-বিনোদিনে।
রাধা ধর সুধা পান শালিনে বন মালিনে।।

গুহাতিগুহ গোপ্তা ত্বং গৃহাণাস্মং কৃতং জপং।
সিদ্বি ভবতু-মে দেব ত্বৎ প্রসাদাৎ জনার্দ্দন।।
অর্থাৎ, হে পরম দেব, পরম অভিষ্পরমপ্রিয় শ্রীকৃষ্ণ তুমি গুহ্য ও অতি গুহ্য বস্তুকে রক্ষা কর। অতএব আমার এই নাম জপ তুমি গ্রহন কর। হে দেব তোমার প্রসাদে আমার সর্বসিন্ধ লাভ।
ক্ষমা প্রার্থনা মন্ত্র:-

ওঁ যদক্ষরং পরিভ্রষ্টং মাত্রা হিনঞ্চ যদ্ ভবেৎ।
তৎ সর্বং ভবতু পূর্ণং ত্বৎ প্রসাদাৎ সুরেশ্বর॥
অর্থাৎ, আমার উক্ত কার্যে যদি কোন আচার বাদ যাইয়া থাকে বা মাত্রা বিবর্তিত থাকে হে ভগবান তোমার অনুগ্রহে তা পূর্নত্ব প্রাপ্ত হোক।
 ভ্রমক্রমে বা কোনও অনিবার্য কারণবশতঃ কোনো দিন মালা জপ বন্ধ থাকলে, তৎপর দিন তার প্রায়শ্চিত্ত স্বরুপ চতুর্গুণ জপ করে পরে দৈনিক নিয়মের জপ করবে।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






সময়ের হিসেব দেখুন 🙏 সংগৃহীত 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/03/blog-post_41.html



  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                  ꧁সময়ের হিসেব দেখুন꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧   
সত্যযুগ=১৭,২৮,০০০ বছর
ত্রেতাযুগ= ১২,৯৬,০০০ বছর
দ্বাপরযুগ= ৮,৬৪,০০০ বছর
কলিযুগ= ৪,৩২,০০০ বছর

চারযুগ মিলে এক চতুর্যুগ= ৪.৩২ মিলিয়ন বছর।

১০০০ চতুর্যুগ= এক “কল্প”= ব্রহ্মার একদিন= ব্রহ্মার একরাত= ৪.৩২ বিলিয়ন বছর।

১০০ বছর হল ব্রহ্মার আয়ু= আমাদের এই ব্রহ্মান্ডের আয়ু= ৩১১.০৪ ট্রিলিয়ন বছর।

আবার এক “কল্প” সময়ের মধ্যেই ১৪ জন মনু আসেন। প্রথম মনুকে বলা হয় স্বায়ম্ভুব মনু এবং তাঁর স্ত্রী হলেন স্বতরুপা(এই ব্রহ্মান্ডের প্রথম নারী ও পুরুষ)। প্রত্যেক মনুর সময়কালকে বলা হয় মন্বন্তর।

১ মন্বন্তর= ৭১ চতুর্যুগ= ৩০৬.৭২ মিলিয়ন বছর ছয়জন মনু গত হয়েছেন, মানে ৬টি মন্বন্তর চলে গিয়েছে। আমরা আছি সপ্তম মনুর অধীনে যাঁর নাম “বিবস্বত মনু”। তার মানে, এই মনুর পরে আরও ৭ জন মনু আসবেন, আরও ৭ টি মন্বন্তর অতিবাহিত হবে। তারপর পূর্ণ হবে ব্রহ্মার একদিন!! তারপর হবে রাতের শুরু!!

গীতা কি বলে দেখি-“মনুষ্যমানের সহস্র চতুর্যুগে ব্রহ্মার একদিন হয় এবং সহস্র চতুর্যুগে তাঁর এক রাত হয়।

ব্রহ্মার দিনের সমাগমে সমস্ত জীব অব্যক্ত থেকে অভিব্যক্ত হয় এবং ব্রহ্মার রাত্রির সমাগমে সমস্ত জীব আবার অব্যক্তে লয়প্রাপ্ত হয়।”গীতা-৮/১৭-১৮

“কল্পের শেষে সমস্ত জড় সৃষ্টি আমারই প্রকৃতিতে প্রবেশ করে এবং পুনরায় কল্পের শুরুতে প্রকৃতির দ্বারা আমি তাদের সৃষ্টি করি।”গীতা-৯/৭

“আমার অধ্যক্ষতার দ্বারা(পরিচালনায়) জড়া প্রকৃতি এই চরাচর বিশ্ব সৃষ্টি করে। প্রকৃতির নিয়মে এই জগৎ পুনঃ পুনঃ সৃষ্টি হয় এবং ধ্বংস হয়।”

বিঃ দ্রঃ হিন্দুদের প্রচার বিমুখতার জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক বিষয়গুলো আজও শুধু ধর্মগ্রন্থের পাতায় সীমাবদ্ধ! অন্যের প্রশ্নের সামনে আমরা নুয়ে পড়ি, না জানার লজ্জায়, অথচ কতো সমৃদ্ধ আমাদের ইতিহাস। সারা জীবন আমরা অন্যের উপহাসের পাত্রই রয়ে গেলাম, শুধু নিজেদের সম্বন্ধে না জানার জন্য। তাই সত্যকে জানুন, জানিয়ে দিন সকলকেই।

হিন্দুধর্ম বা সনাতন ধর্মের ইতিহাস:-
অনেকেই বলে সনাতন ধর্মের ইতিহাস নেই, আবার অনেকেই নানা রকম যুক্তি দিয়ে আসল জিনিসটা এড়িয়ে যায় না জানার কারণে, সনাতন ধর্মের ইতিহাস আছে কিনা, আমাদের এই ব্রহ্মান্ডের জীব সৃষ্টির দায়িত্বে নিয়োজিত দেবতা প্রজাপতি ব্রহ্মার(চতুর্মুখ ব্রহ্মার) আয়ু তথা এই ব্রহ্মান্ডের আয়ু হল ১০০ বছর(মহাভারত অনুযায়ী এক বছর= ৩৬০ দিন) মানে আমাদের সময় অনুযায়ী ৩১১.০৪ ট্রিলিয়ন বছর। ব্রহ্মার আয়ু তথা ১০০ বছর শেষ হলে ঘটবে মহাপ্রলয় বা প্রাকৃতিক প্রলয়, এই পুরা ব্রহ্মান্ড(স্থাবর জঙ্গম যা কিছু আছে) ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে।
ব্রহ্মার ১ মাস= ৩০ দিন, এই ৩০ দিনে ৩০ টি কল্প গত হয়, কল্প বলতে প্রধানত কেবল দিবাভাগকে ফোকাস করা হয়, রাত নয়। ৩০ টি কল্পের ৩০ টি নাম আছে। প্রথম কল্পের নাম শ্বেত-বরাহ কল্প বা অনেক জায়গায় আছে শ্বেত কল্প।
এই কল্পের ১৪ জন মনুর নাম হলঃ স্বায়ম্ভুব, স্বরোচিষ, উত্তম, তামস, রৈবত, চাক্ষুস, বৈবস্বত বা সত্যব্রত, সাবর্ণি, দক্ষসাবর্ণি, ব্রহ্মসাবর্ণি, ধর্মসাবর্ণি, রুদ্রসাবর্ণি, দেবতাসাবর্ণি ও ইন্দ্রসাবর্ণি। কল্প হল ব্রহ্মার দিন বা দিবাভাগ, আরও জানুন, ২ কল্পের সমান সমাম সময়= ব্রহ্মার ১ দিন + ১ রাত; কিন্তু কল্প বলতে কেবল দিবাভাগকেই ফোকাস করা হয়। এখানে মনে রাখা দরকার, প্রত্যেক মন্বন্তর শেষে একটি করে খন্ড প্রলয় ঘটে, এই সময়ে পৃথিবী এবং জীবসমুহ অব্যক্ত বা লয়প্রাপ্ত হয়। আর ব্রহ্মার দিন বা কল্পের শেষে ঘটে নৈমিত্তিক প্রলয়। এক্ষেত্রে গীতা বলে কল্পের শেষে সমস্ত জড় সৃষ্টি আমারই প্রকৃতিতে প্রবেশ করে এবং পুনরায় কল্পের শুরুতে প্রকৃতির দ্বারা আমি তাদের সৃষ্টি করি।”গীতা-৯/৭

তাহলে ব্রহ্মার এক বছরে আসেন ৫০৪০ জন মনু, এবং ব্রহ্মার আয়ুষ্কাল তথা এই ব্রহ্মান্ডের আয়ুষ্কাল জুড়ে মোট ৫০৪,০০০ জন মনু আসেন এবং তাঁরা আসেন ভিন্ন ভিন্ন নামে। একেকজন মনুর আয়ুষ্কাল হল ৩০৬.৭২ মিলিয়ন বছর এবং এই সময় হল মহাবিষ্ণুর এক নিঃশ্বাস নিতে যেটুকু সময় লাগে সেইটুকু!!! মহাবিষ্ণুর প্রত্যেকটি শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে সাথে একজন করে মনু আসে আর যায় তথা একটি করে মন্বন্তর শেষ হয়।
আমি বলেছিলাম, এটা সপ্তম মন্বন্তর চলছে আর আমরা সপ্তম মনু “বৈবস্বত মনু” এর অধীনে আছি। তাঁর আরেক নাম সত্যব্রত। তিনি সূর্যদেব বিবস্বানের পুত্র। এ প্রসঙ্গে আমরা গীতার জ্ঞানযোগ নামক ৪র্থ অধ্যায়ের প্রথম শ্লোকে দেখতে পাই,
“আমি পূর্বে সূর্যদেব বিবস্বানকে এই অব্যয় নিষ্কাম কর্মসাধ্য জ্ঞানযোগ বলেছিলাম। তিনি তা মানবজাতির জনক বৈবস্বত মনুকে বলেছিলেন। মনু আবার তা নিজ সন্তান ইক্ষাকুকে বলেছিলেন।”
অর্থাৎ অবতার হিসেবে শ্রীকৃষ্ণের জন্মের আগেও সর্বশেষ প্রায় ১২০.৫৩ মিলিয়ন বছর আগে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ সূর্যদেব বিবস্বানকে গীতাজ্ঞান দান করেছিলেন। কিন্তু কালের প্রবাহে তা ধীরে ধীরে নষ্ট বা বিলুপ্ত হয়, মানুষ ভুলে যায়, তাই ৫০০০ বছর আগে জন্মগ্রহণ করে আবার অর্জুনকে তিনি এই জ্ঞান দান করেন, এবং ঋষি ব্যাসদেব তা লিপিবদ্ধ করায় একই সাথে সারা পৃথিবীর মানবজাতিও আবার এই পবিত্র গীতা জ্ঞানের সান্নিধ্য লাভ করে।

এখন ব্রহ্মান্ডের বয়স তথা সনাতন ধর্মের বয়স জানুন:-
ব্রহ্মার ৫০ বছর গত হয়েছে। বর্তমানে তাঁর ৫১ তম বছরের প্রথম দিন বা প্রথম কল্প চলছে। তাই বর্তমান কল্পের নাম শ্বেত-বরাহ কল্প। এই কল্পের আবার ৭ম মন্বন্তর বা বৈবস্বত মন্বন্তর চলছে। এই মন্বন্তরের ২৭ টি চতুর্যুগ বা মহাযুগ গত হয়েছে এবং ২৮ তম চতুর্যুগ বা মহাযুগের সত্য, ত্রেতা এবং দ্বাপরযুগ শেষ হয়েছে। সুতরাং এখন ২৮ তম মহাযুগের কলিযুগ চলমান, যার ৫১১৫ বছর পার হয়ে গিয়েছে, অর্থাৎ এই কলিযুগ শুরু হয়েছে মোটামুটি খ্রিস্টপূর্ব ৩২০১ অব্দের ১৭-১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যরাতে বা সন্ধিক্ষণে! সুতরাং সনাতন ধর্মের হিসাব মতে আমাদের এই ব্রহ্মান্ডের বয়স হল ১৫৫,৫২১,৯৭১,৯৪৯,১২০বছর (২০১৮ সাল পর্যন্ত)।

বর্তমানে সময়ের গণনা:-
১ পলক- ২৪ সেকেন্ড
১ ক্ষণ- ৪ মিনিট
১ নিমেষ- ১৬ মিনিট (৪ ক্ষণ)
১ দন্ড- ২৪ মিনিট (৬ ক্ষণ)
১ মুহূর্ত- ৪৮ মিনিট (২ দন্ড)
১ প্রহর- ৩ ঘন্টা
১ দিন- ৮ প্রহর (২৪ ঘন্টা)
১ সপ্তাহ- ৭ দিন
১ পক্ষ- ১৫ দিন
১ মাস- ২ পক্ষ (৩০ দিন)
১ বছর- ১২ মাস
১ যুগ- ১২ বছর
১ প্রজন্ম- ২৫ বছর
১ শতাব্দী- ১০০ বছর

🙏কিছু ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমা করবেন কিছু তথ্য সংগৃহীত🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



শ্রীশ্রীগম্ভীরা মহাপীঠের আচার্য্য পরম্পরা 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/03/blog-post_26.html



  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ꧁ শ্রীশ্রীগম্ভীরা মহাপীঠের আচার্য্য পরম্পরা꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🏠Home Page🏠👇👇🙏👇👇📚PDF গ্রন্থ📚
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



শ্রীশ্রীরাধাকান্ত দেব (শ্রীগম্ভীরা) শ্রীধাম পুরী 


                                        শ্রীগম্ভীরা মন্দির 


শ্রীগম্ভীরা মন্দির 


শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভু কর্ত্তৃক 
                           অখণ্ড দ্বীপ , শ্রীগম্ভীরা মন্দির 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর ভজন স্থলী(শ্রীশ্রীগম্ভীরা, শ্রীধাম পুরী) মহাপীঠের আচার্য্য পরম্পরা:-

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

১. শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভু


 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


২. শ্রীল বক্রেশ্বর পণ্ডিত গোস্বামী----আষাঢ় শুক্লাপঞ্চমী(হেরা পঞ্চমী)

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

৩. শ্রীল গোপালগুরু গোস্বামী -- কার্তিক শুক্লা নবমী(অক্ষয় নবমী) 

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

৪. শ্রীল ধ্যান চন্দ্র মহন্ত গোস্বামী---------- চৈত্র পূর্ণিমা

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

৫. শ্রীল বলভদ্র মহন্ত গোস্বামী------------ শ্রবণ কৃষ্ণাষ্টমী

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

৬. শ্রীল দয়ানিধি মহন্ত গোস্বামী ------- বৈশাখ কৃষ্ণাদশমী

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

৭. শ্রীল দামোদর মহন্ত গোস্বামী ------- মাঘ শুক্লা দ্বাদশী

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

৮. শ্রীল গোবিন্দশরন মহন্ত গোস্বামী----- মাঘ শুক্লা দ্বাদশী

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

৯. শ্রীল রামকৃষ্ণ মহন্ত গোস্বামী --------শ্রাবণ কৃষ্ণা দশমী

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

১০. শ্রীল হরেকৃষ্ণ মহন্ত গোস্বামী ------ কার্তিক কৃষ্ণা দশমী

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

১১. শ্রীল রাধাকৃষ্ণ মহন্ত গোস্বামী ------ ভাদ্র কৃষ্ণা তৃতীয়া

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

১২. শ্রীল কৃষ্ণচরণ মহন্ত গোস্বামী ------ চৈত্র কৃষ্ণা দ্বিতীয়া

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

১৩. শ্রীল রাধাচরণ মহন্ত গোস্বামী ------ আষাঢ় কৃষ্ণা প্রতিপদ

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

১৪. শ্রীল হরেকৃষ্ণ মহন্ত গোস্বামী ------- চৈত্র কৃষ্ণা প্রতিপদ

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

১৫. শ্রীল গোবিন্দচরণ মহন্ত গোস্বামী-------ভাদ্র শুক্লা দ্বিতীয়া

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

১৬. শ্রীল বলভদ্র মহন্ত গোস্বামী -------- মার্গশীর্ষ শুক্লা নবমী

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

১৭. শ্রীল রাধাকৃষ্ণ মহন্ত গোস্বামী---------- চৈত্র কৃষ্ণা নবমী



 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

১৮. শ্রীল বিশ্বম্ভর মহন্ত গোস্বামী------------ ভাদ্র কৃষ্ণা পঞ্চমী



 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

১৯. শ্রীল গৌড়গোবিন্দ মহন্ত গোস্বামী ---- কার্তিক শুক্লা দ্বাদশী


 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

২০. শ্রীল ধ্যানচন্দ্র মহন্ত গোস্বামী ------- চৈত্র শুক্লা প্রতিপদ ( ১৪২৭ বঙ্গাব্দ)

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

২১. শ্রীল কৃষ্ণগোপাল মহন্ত গোস্বামী - বর্তমান আচার্য্য 



  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧




ভগবানের নামের মাহাত্ম 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/03/blog-post_25.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                ꧁ ভগবানের নামের মাহাত্ম ꧂ 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
ঈশ্বরঃ পরমঃ কৃষ্ণঃ সচ্চিদানন্দবিগ্রহঃ ।
অনাদিরাদির্গোবিন্দঃ সর্ব্বকারণকারণম্।।

হরের্নাম হরের্নাম হরের্নামৈব কেবলম্ ।
কলৌ নাস্ত্যেব নাস্ত্যেব নাস্ত্যেব গতিরন্যথা ।।
(বৃহন্নারদীয় পুরাণ)

কলিকালে নামরূপে কৃষ্ণ অবতার ।
নাম হৈতে হয় সর্বজগৎ-নিস্তার ।।
দার্ঢ্য লাগি ‘হরে র্নাম-উক্তি তিনবার ।
জড় লোক বুঝাইতে পুনঃ ‘এব’-কার ।।
‘কেবল’ শব্দে পুনরপি নিশ্চয়-করণ ।
জ্ঞান-যোগ-তপ-কর্ম-আদি নিবারণ ।।
অন্যথা যে মানে, তার নাহিক নিস্তার ।
নাহি, নাহি, নাহি-তিন উক্ত ‘এব’-কার ।।
(চৈঃ চঃ আ ১৭/২১-২৫)

এই মহামন্ত্র জপ্য ও কীর্তনীয়
আপনে সবারে প্রভু করে উপদেশে ।
কৃষ্ণ-নাম মহা-মন্ত্র শুনহ হরিষে- ।।
‘হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে ।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ।।
প্রভু বলে, - “কহিলাম এই মহামন্ত্র ।
ইহা জপ’ গিয়া সবে করিয়া নির্বন্ধ ।।
ইহা হৈতে সর্ব-সিদ্ধি হইবে সবার ।
সর্বক্ষণ বল’ ইথে বিধি নাহি আর ।।
কি ভোজনে, কি শয়নে, কিবা জাগরণে ।
অহর্নিশি চিন্ত কৃষ্ণ বলহ বদনে ।।
দশ-পাঁচ মিলি’ নিজে দ্বারেতে বসিয়া ।
কীর্তন করহ সবে হাতে তালি দিয়া ।।
সন্ধ্যা হৈলে আপনার দ্বারে সবে মিলি’ ।
কীর্তন করেন সবে দিয়া করতালি ।।
এই মত নগরে নগরে সংকীর্তন ।
করাইতে লাগিলেন শচীর নন্দন।।
(চৈঃ ভাঃ মধ্যঃ)
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                ꧁ ভগবানের নামের মাহাত্ম ꧂ 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
সর্বদা শ্রীমুখে ‘হরে কৃষ্ণ হরে হরে’ ।
বলিতে আনন্দ ধারা নিরবধি ঝরে ।।
(চৈঃ ভাঃ আ ১/১৯৯)

কৃষ্ণনাম-মহামন্ত্রের এই ত’ স্বভাব ।
যেই জপে, তার কৃষ্ণে উপজয়ে ভাব ।।
(চৈঃ ভাঃ আ ৭/৮৩)

 ব্রহ্মা কর্তৃক হরে কৃষ্ণ নাম মাহাত্ম্য বর্ণন:-
পদ্মপুরাণে উত্তরখন্ডের ৭১ তম অধ্যায়ে পরমেশ্বর ভগবানের দিব্য নামের মহিমা খুব সুন্দরভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। একসময় নারদ মুনি পিতা ব্রহ্মার সঙ্গে সাক্ষাৎ করার লক্ষ্যৈ সিদ্ধ-চারণ-সেবিত মেরু পর্বতের শিখরে গমন করেন। সেখানে গিয়ে নারদ মুনি ব্রহ্মাকে নকস্কারপূর্বক বললেন- হে প্রভু, পরমেশ্বর ভগবানের নামের যেরূপ শক্তি আছে, আপনি তা কৃপাপূর্বক বলুন। তাঁর নাম মহিমা কী প্রকার? যিনি সেই অব্যয় পুরুষ, তিনিই সাক্ষাৎ বিশ্বেশ্বর নারায়ণ, হরি, পরমাত্মা ও সর্বজীবের অন্তর্যামী হৃষিকেশ। এই অসার কলিযুগে মূঢ় নরগণ মায়ামোহিত হয়েই ভগবান অধোক্ষজকে জানতে পারে না। 

অস্মিন্ কলৌ বিশেষণ নামোচ্চারণপূর্ব্বকম্। 
ভক্তিঃ কার্য্যা যথা বৎস তথা ত্বং শ্রোতুমর্হসি।।৯।।
দৃষ্টং পরেষাং পাপানামনুক্তানাং বিশোধনম্।
বিষ্ণোর্জিষ্ণোঃ প্রযত্নেন স্মরণং পাপনাশনম্।।১০।।
মিথ্যা জ্ঞাত্বা ততঃ সর্ব্বং হরের্নাম পঠন্ জপন্।
সর্ব্বপাপবিনির্ম্মুক্তো যাতি বিষ্ণোঃ পরং পদম্।।১১।।
যে বদন্তি নরা নিত্যং হরিরিত্যক্ষরদ্বয়ম্।
তস্যোচ্চারণমাত্রেণ বিমুক্তাস্তে ন সংশয়ঃ।।১২।।
প্রায়শ্চিত্তানি সর্ব্বাণি কৃষ্ণানুস্মরণং পরম। 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                ꧁ ভগবানের নামের মাহাত্ম ꧂ 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
ব্রহ্মা বললেন, হে বৎস, এই কলিযুগে নামোচ্চারণপূর্বক ভগবানে যাতে বিশেষভাবে ভক্তি স্থাপন করতে হয়, তুমি তা শ্রবণ করো। দেখা যায়, যত্নপূর্বক জয়শীল বিষ্ণুর স্মরণ মাত্রই অন্য অনুক্ত পাপসকলও ক্ষয় প্রাপ্ত হয়। যে ব্যক্তি মিথ্যা বুঝিয়াও হরির নাম পাঠ ও জপ করে, সেও সর্বপাপ হতে মুক্ত হয়ে বিষ্ণুর পরম পদে উপনীত হয়ে থাকে। যেসকল নর “হরি-এই অক্ষরদ্বয় নিত্য উচ্চারণ করে, সেই উচ্চারণ মাত্রই সে মুক্ত হয়, সন্দেহ নেই। কৃষ্ণানুস্মরণই পরম প্রায়শ্চিত্তস্বরূপ। মানব প্রাতে, মধ্যাহ্নে ও সায়াহ্নে নারায়ণ স্মরণ করে তৎক্ষাৎ পাপমুক্ত হয়ে থাকে। 

বিষ্ণুর স্মরণমাত্রই সমস্ত ক্লেশ দুরীভূত হয়। বিষ্ণুর নাম কীর্তনে স্বর্গপ্রাপ্তি এবং মুক্তিপ্রাপ্তিও হয়ে থাকে। জপ, হোম ও অর্চনাদি ব্যাপারে বাসুদেবেই যার মন নিবিষ্ট, তার অনুষ্ঠিত জপাদি চতুর্দশ ইন্দ্রের অধিকারকাল পর্যন্ত অক্ষয় বলে জানবে। কোথায় পুনরাবৃত্তি লক্ষণ স্বর্গগমন আর কোথায়ই বা মুক্তিমূলক বাসুদেবনাম-জপ! যেখানে ‘নমো নারায়ণায়’ বলে আবর্তবিস্তারপূর্বক প্রাচী সরস্বতী প্রতিভাত হচ্ছেন, সেই মুখই পরম তীর্থ। 

অতএব, দিবারাত্র বিষ্ণুস্মরণেই নর ক্ষীণকলিকল্মষ হয়ে নরকে প্রয়াণ করে না। হে সুব্রত, এটি আমি ত্রিসত্য করেই বলছি। 
নামোচ্চারণমাত্রেণ মহাপাপাৎ প্রমুচ্যতে। 
রাম রামেতি রামেতি রামেতি চ পুনর্জপন।।২০।।

নর নামোচ্চারণ মাত্রই মহাপাপ হতে মুক্ত হয়। বারবার রাম রাম জপ করলে চন্ডাল ব্যক্তিও শুদ্ধচিত্ত হয়ে থাকে। নামোচ্চারণ মাত্রই মানবের কুরুক্ষেত্র, গয়া, কাশী ও দ্বারকা প্রভৃতি সবতীর্থের সেবা করা হয়। 

কৃষ্ণ কৃষ্ণেতি কৃষ্ণেতি ইতি বা যো জপন্ পঠন
ইহ লোকং পরিত্যজ্য মোদতে বিষ্ণুসন্নিধৌ।

যিনি কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ এই নাম জপ ও কীর্তন করেন তিনি অন্তে ইহলোক পরিহারপূর্বক কৃষ্ণসন্নিধানে বিহার করে থাকেন। হে বিপ্র, যে জন সর্বদা সহর্ষে ‘নৃসিংহ’ এই নাম জপ ও পাঠ করেম সেই মহাভাগবত পুরুষ মহাপাপ হতেও মুক্ত হয়ে থাকেন। 

ধ্যায়ন্ কৃতে যজন্ যজ্ঞৈস্ত্রেতায়াং দ্বাপরেহর্চ্চয়ন
যদাপ্নোতি তদাপ্নোতি কলৌ সঙ্কীর্ত্ত্য কেশবম্
এতজজ্ঞাত্বা নিমগ্নাশ্চ জগদাত্মনি কেশবে।।২৫।।

সত্য যুগে ধ্যান, ত্রেতায় যজ্ঞানুষ্ঠান ও দ্বাপরে অর্চনা করে নর যে ফল প্রাপ্ত হয়, কলিকালে কেবল কেশবনামোচ্চারণেই সেই ফল হয়ে থাকে। এটি বুঝতে পেরে জনগণ বিশ্বাত্মা কেশবে চিত্ত নিবেশ করবে; এতেই তারা সর্ব পাপ হতে মুক্ত হয়ে বিষ্ণুর পরম পদে উপনীত হবে। মৎস, কূর্ম, বরাহ, নৃসিংহ, বামন, পরশুরাম, রামচন্দ্র, কৃষ্ণ, বুদ্ধ এবং কল্কি পৃথিবীতে ভগবানের এই দশাবতার কীর্তিত, তাঁদের নামোচ্চারণমাত্র ব্রহ্মহত্যাকারীও শুদ্ধিলাভ করে। প্রভাতে যে কোনোরূপে বিষ্ণুর নাম পাঠ, জপ ও ধ্যান করলে নর মুক্তি প্রাপ্ত হয়, এতে সন্দেহ মাত্র নাই। উইকিপিডিয়াতে এই সম্বন্ধে বর্ণনা করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, কলিসন্তরণ উপনিষদে ব্রহ্মা নারদকে বলেন, পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের দিব্য নামসমন্বিত যে হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র- 

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে। 
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে। 

এই মহামন্ত্র নিত্য জপকীর্তন করাই এই কলিযুগের যুগধর্ম। হরি শব্দের অর্থ ‘যিনি হরণ করেণ’ অর্থাৎ ভগবান আমাদের সকল জড়-জাগতিক কামনা বাসনা হরণ করে শুদ্ধ ভক্তি দান করেন।
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                ꧁ ভগবানের নামের মাহাত্ম ꧂ 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 শ্রীশিবজি শ্রীনারদমুনির কাছে হরিনাম মাহাত্ম্য বর্ণন
একসময়, স্বর্গের মন্দাকিনীর তীরে শ্রীনারদমুনি মহাদেবের কাছে শ্রীকৃষ্ণমন্ত্র লাভ করলেন। তারপর নারদ ও মহাদেব শিব এব স্থানে এসে পৌছলেন যেখানে পার্বতীদেবী, কার্ত্তিক ও গণেশ বসেছিলেন। সেখানে মহাকাল, নন্দী, বীরভদ্র, সিদ্ধ মহর্ষিগণ ও সনকাদি মুনিগণ এসে বসলেন। বাক্যালাপে প্রসঙ্গ ক্রমে নারদমুনি মহাদেবকে বললেন, হে ভগবান, যে জ্ঞান কর্মফলচক্তে আবদ্ধ করায় না, যে জ্ঞান সর্ববেদের সার, সেই বিষয়ে আমার প্রতি প্রসন্ন হয়ে আমাকে বলুন।

মহাদেব বললেন, হে নারদ, পঞ্চরাত্র নামে এক অনুপম জ্ঞান পূর্বে গোলেকে বিরজার তটে পরমেশ্বর শ্রীকৃষ্ণ ব্রহ্মাকে প্রদান করেছিলেন, তারপর নিরাময় ব্রহ্মলোকে ব্রহ্মা আমাকে সেই জ্ঞান প্রদান করেন, সেই সর্ব-অভীষ্ট সর্বজ্ঞানপ্রদ পবিত্র জ্ঞান আমি তোমাকে দান করছি, পরে তুমি ব্যাসদেবকে প্রদান করবে। আর সেই ব্যাসদেব তার পুত্র শুকদেবকে দান করবে।

হে নারদ, এই জ্ঞান সবার আদি, সর্ববেদের সার, অতি মনোহর। জগৎ সংসারে যত মত আছে, যত মন্ত্র আছে, যত কর্ম আছে, যত কর্মচক্র আছে, সেই সমস্ত কিছুর সারাৎসার, সর্বকর্মচক্রের মুক্তির পন্থা হচ্ছে একমাত্র পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের পাদপদ্মসেবা। নিখিল মহাবিশ্বে একমাত্র শ্রীকৃষ্ণই নিত্য বিদ্যমান। আর অন্য সমস্ত কিছুই তাঁর প্রয়োজন সিদ্ধির জন্যই উৎপন্ন হয়েছে। বিশ্বের সবাই তাঁরই মায়ায় মোহিত। এক কৃষ্ণ তাঁর অনন্ত রূপ, তাঁর অনন্ত গুণ, তাঁর অনন্ত কীর্তি এবং তাঁর অনন্ত জ্ঞান।

হে নারদ, তাঁর সৃষ্ট জড় বিচিত্র বিশ্বও অনন্ত। এই বিশ্বের সব জায়গা ক্ষুদ্র, বৃহৎ, মধ্যম শ্রেণীর নানা জাতীয় জীবে পরিপূর্ণ। সেই জীবগুলি কর্মশীল। কর্মের ফলস্বরূপ তারা সুখ-দুঃখ ভোগ করছে। সবান্তরাত্মা ভগবান প্রত্যেক জীবের সাক্ষীরূপে বিদ্যমান। জীবের বুদ্ধি আছে। সেই বুদ্ধিশক্তি নিদ্রা, তন্দ্রা, দয়া, শ্রদ্ধা, তুষ্টি, পুষ্টি, ক্ষমা,ক্ষুধা, লজ্জা, তৃষ্ণা, ইচ্ছা, চিন্তা, জরা, প্রভৃতি নাম ধারণ করে।

অনুচরেরা যেমন রাজার অনুগামী হয়, সেরকম এই সব শক্তি জীবের অনুগামী হয়ে থাকে। চিন্তা ও জরা সর্বদা জীবের শোভা ও পুষ্টির ব্যাঘাত করে। ব্রহ্মান্ডমধ্যে জীব যে স্থুল দেহ ধারণ করে কর্ম করছে সেই দেহটি পাঞ্চভৌতিক অর্থাৎ মাটি, জল, আগুন, বাতস ও আকাশ দিয়ে তৈরি। এই দেহ ধ্বংস হলে দেহটি পঞ্চভূতের মধ্যে মিশে যায়। প্রায় জীবই এই জগৎ সংসারে ভ্রান্তিবশে মায়ামোহিত হয়ে রোদন করতে থাকে। কিন্তু যারা সাধু ব্যক্তি, তাঁরা নিত্য সত্য অভয়প্রদ এবং জন্মমৃত্যুজরা-অপহারী শ্রীকৃষ্ণের চরণকমল সেবা করেন।

হে নারদ, এই বিশ্ব স্বপ্নের মতো অনিত্য। অতএব এতে বিমোহিত না হয়ে আনন্দের সঙ্গে শ্রীকৃষ্ণের পাদপদ্ম ভজনা করো। এই হচ্ছে প্রথম জ্ঞান।

এবার দ্বিতীয় জ্ঞানের কথা শ্রবণ করো। জ্ঞানী ব্যাক্তিরা মুক্তি বাসনা করেন। সাধূ পন্ডিত ব্যক্তিদের পরামামুক্তি সততেই বাঞ্চিত। কিন্তু সমস্ত মুক্তি শ্রীকৃষ্ণভক্তির কাছে অত্যন্ত তুচ্ছ বিষয়। মুক্তি কৃষ্ণভক্তির ষোলভাগের একভাগও আকর্ষণীয় নয়। কৃষ্ণভক্ত-সংসর্গের ফলে কারও হৃদয়ে ঐকান্তিক কৃষ্ণভক্তি জাগ্রত হয়।

মাঠের মাঝে বৃক্ষের বীজ যেমন অঙ্কুরিত হয় জল পেলে, তেমনই হৃদয় মধ্যে ভক্তিবৃক্ষের অঙ্কুর প্রকাশিত হয় ভক্তসঙ্গ পেলে। ভক্তসঙ্গে কৃষ্ণকথা আলাপে ভক্তি জাগ্রত হয়। আবার রৌদ্র মধ্যে অঙ্কুর যেমন শুকিয়ে যায়, তেমনই অভক্তজনের সঙ্গে সর্বদা সংলাপে ভক্তি শুষ্কতা প্রাপ্ত হয়। এই জন্যে বুদ্ধিমান ব্যক্তিরা সর্বদা ভক্তজনের সঙ্গে আলাপ করেন।

হে নারদ, সোনা যেমন নিকৃষ্ট ধাতুর সংযোগে মলিনতা প্রাপ্ত হয়, তেমনই সৎ ব্যক্তিও সংসারের দুর্বুদ্ধি লোকের সংস্পর্শে মন্দ হয়ে যায়। এজন্য সর্বদা নিরন্তর ভক্তিপূর্বক শ্রীকৃষ্ণভজনে ‍যুক্ত থাকাই কর্তব্য।

ভক্তিপূর্বক কৃষ্ণভক্ত বৈষ্ণবের কাছ থেকে তার কৃষ্ণমন্ত্র গ্রহণ করা উচিত। কখনও অভক্ত অবৈষ্ণবের কাছ থেকে নয়। সংসারে যারা কৃষ্ণনিন্দুক, কৃষ্ণবিমুখ, কৃষ্ণভক্ত নিন্দুক, তারা অশুচি ও পাপিষ্ঠ। কৃষ্ণমন্ত্রে দীক্ষিত ব্যক্তি শত পুরুষ সহ নেজেকে উদ্ধার করে।
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                ꧁ ভগবানের নামের মাহাত্ম ꧂ 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
হে নারদ, পূর্বে কৃষ্ণের আলয় গোলোকে বিরজাতীরে ক্ষীরের মতো অমল জলে আমি শ্রীকৃষ্ণ মন্ত্র জপ করেছি। নিত্য আমি কৃষ্ণমত্র জপ করি। পার্বতী, কার্তিক গনেশ সবসময়ই কৃষ্ণনাম কীর্তন করে থাকে।

হে নারদ, লোকে দুর্দিনের অভিজ্ঞতার কথা বলে ও স্মরণ করে। মেঘে আচ্ছন্ন অন্ধকার দিনকে আমি দুর্দিন বলি না। যেই দিন কৃষ্ণকথা হয় না, আমি সেই দিনকে দুর্দিন বলে থাকি। লোকে কোনও কর্মে অসফল হলে দুঃখিত হয়, হাহুতাশ করে। কিন্তু হে নারদ, যেই দিন ক্ষণকালও অমৃত্যতুল্য কৃষ্ণকথা হয় না, শ্রীকৃষ্ণের কীর্তনবিহীন সেই দিনটিকে নিষ্ফল বলে মানি এবং কাল সেদিনের অনর্থক আয়ু হরণ করে। কৃষ্ণকথাই আনন্দময়, কৃষ্ণকথাই মঙ্গলময়।

হে নারদ, সাপেরা গরুড়কে দেখলে যেমন পালিয়ে যায়, পাপরাশিও তেমনই কৃষ্ণতীর্তনকারীর কাছ থেকে পালিয়ে যায়। পূর্বে ব্রহ্মা শ্রীকৃষ্ণের কাছ থেকে কৃষ্ণমন্ত্র লাভ করেন, তাতে সৃষ্টির কারণভূত নির্মল জ্ঞান প্রাপ্ত হন। বিধাতা নাম প্রাপ্ত হন। কৃষ্ণমন্ত্র কোটিবার জপ করতে করতে অনন্দদেবের সহস্র মস্তক হয়।

হে নারদ, পূর্বে একসময় কৃষ্ণপ্রিয়া রাধিকার গর্ভে এক স্বর্ণময় ডিম্ব উৎপন্ন হয়, গোলোকধাম থেকে আগত সেই ডিম্ব দ্বিখন্ডিত হয়ে ভেঙ্গে যায় এবং মহার্ণবে পতিত হয়। সেই ডিম্ব থেকে মহাবিষ্ণু আবির্ভূত হয়ে মহাজলে শয়ন করলেন। মহাবিষ্ণুর লোমকূপ থেকে আলাদা আলাদা ভাবে পৃথক জলরাশি উদ্ভব হয়ে সর্বত্র পরিব্যাপ্ত হল। সেগুলি সপ্ত আবরণীযুক্ত এক-একটি ব্রহ্মান্ড।

ব্রহ্মান্ডের মধ্যে মধ্যস্থানে ভূলোক। ভূলোকের ঊর্ধ্বদিকে যথাক্রমে ভুবর্লোক, স্বর্গলোক, জনলোক, মহর্লোক, তপোলোক ও সত্যলোক। আর ভুলোকের নিম্নদিকে যথাক্রমে অতল, বিতল, সুতল, তলাতল, মহাতল, রসাতল ও পাতাললোক রয়েছে। সত্যলোকের বামদিকে ধ্রুবলোক, পাতাললোকের ডানদিকে নরক লোক রয়েছে।

হে নারদ, মধ্যস্থানের ভূলোকে ভারতবর্ষ বিখ্যাত। ভারতবর্ষের মধ্যে বৃন্দাবনে শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব হয়। ভারতবর্ষ যেরূপ মাহাত্ম্যপূর্ণ, অন্য স্থান ততটা নয়। বহু পুণ্যফলে কারও ভারতবর্ষে মনুষ্য জন্ম লাভের সৌভাগ্য হয়। মানুষদের মধ্যে তাঁরাই মহান বা বিদ্ধান, যাঁরা শ্রীকৃষ্ণ পাদপদ্ম ভজনা করেন। মানবজীবন পেয়েও জীব যদি শ্রীকৃষ্ণভজনা না করে তবে তার চেয়ে আর বিড়ম্বনা কি? শ্রীকৃষ্ণভজনহীন তার জন্ম অনর্থক, তার গর্ভযাতনা বৃথা, তার অনিত্য শরীর নিষ্ফল, তার জীবন ব্যর্থ। সে জীবম্মৃত।

হে নারদ, এই ভারতে যে ব্যক্তি প্রত্যহ শ্রীহরির পাদোদক ও নৈবদ্য ভক্ষণ করেন, কৃষ্ণমন্ত্র গ্রহণ করেন, তিনি জীবম্মুক্ত হন। তাঁর পদধুলিতে পৃথিবী পবিত্রা হন।

 
হে নারদ, এবার তৃতীয় জ্ঞানের কথা শ্রবণ করো। শ্রীকৃষ্ণের অনন্ত গুণের কথা কেউই বর্ণনা করতে সমর্থ নয়। যা তুমি শুনতে পাবে, সবই কিঞ্চিৎ কথা মাত্র। আমি শুধু এইটুকু জানি যে, শ্রীকৃষ্ণ অপেক্ষা আর কেউই আদিপুরুষ নেই, আর কেউই পরম আরাধ্য নেই। তাঁর অপেক্ষা জ্ঞানী বা যোগীও কেউ নেই। তাঁর অপেক্ষা সবার পরিপালক জনকও আর কেউ নেই। তাঁর অপেক্ষা বলবানম কীর্তিমান, দয়ালু ও ভক্তবৎসল আর কেউ নেই। যে মায়াদেবী অনন্ত কোটি ব্রহ্মান্ডকে মোহিত করেন তিনিও শ্রীকৃষ্ণের সম্মুখে স্তব করতে অক্ষম এবং অতি ভীতা হন। বাক্যের অধিষ্ঠাত্রী স্বরস্বতীদেবীও শ্রীকৃষ্ণের স্তব করতে সমর্থ না হয়ে জড়প্রায় হয়ে যান।

আরও পড়ুনঃ ভগবান শ্রীকৃষ্ণের সকল লীলা কাহিনী-শ্রীমদ্ভাগবত

হে নারদ, স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ জীবের হিত বাসনায় গুরুরূপ ধারণ করে থাকেন কিংবা কাউকে তাঁর প্রতিনিধি করে প্রেরণ করেন। গুরুদেব তুষ্ট হলে স্বয়ং ভগবানও তুষ্ট হন। ভগবান তুষ্ট হলে ত্রিজগৎ তুষ্ট হয়। গুরুই ব্রহ্মা, গুরুই বিষ্ণু, গুরুই মহাদেব। হরি রুষ্ট হলে গুরুদেব সন্তুষ্ট হয়ে তাঁর অনুগামীকে রক্ষা করতে সমর্থ হন। কিন্তু গুরুদেব রুষ্ট হলে কেউই তাকে রক্ষা করতে সমর্থ নয়।

হে নারদ, যা থেকে কৃষ্ণভক্তি জন্মে তাকেই মন্ত্র বলা যায়। কৃষ্ণই বন্ধু, কৃষ্ণই পিতা। আর কৃষ্ণভক্তিই মৈত্রী ও জননী। গুরুদেব কৃষ্ণপ্রাপ্তির পথ প্রদর্শন করান। হে নারদ, তুমি প্রকৃতির অতীত রাধানাথ শ্রীকৃষ্ণকে ভজনা করো। জগতে যে ব্যক্তি শ্রীকৃষ্ণভক্তি অনুশীলন শিক্ষা না দিয়ে অন্য পথ প্রদর্শন করেন, তিনি কখনই গুরু নন। তাঁকে পারমার্থিক গুরুরুপে কখনই গ্রহণ করা উচিত নয়। অধিকন্তু তাঁকে মহা শত্রু বলে মনে করা কর্তব্য। কৃষ্ণভক্তি পন্থা অনুসরণহীন ব্যক্তি যিনি গুরুর আসনে অধিষ্ঠিত হয়ে নিত্য আরাধিত হন, তিনি শিষ্যহত্যার ফল লাভ করেন। আর সেই তথাকথিত শিষ্যের জন্মও বিফল হয়।

এই আমি তোমাকে চতুর্থ জ্ঞানের কথা বললাম।

নারদ প্রশ্ন করলেন, হে ভগবান, ভক্তরা কৃষ্ণভক্তি করে, যোগীরা জ্যোতির ধ্যান করে, এই দুইয়ের মধ্যে কোনটি যথার্থ পথ?
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                ꧁ ভগবানের নামের মাহাত্ম ꧂ 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ করার নিয়ম

শিব বললেন, যাঁরা নিগুণ ব্রহ্মে বিলীন হতে চায়, তারাই ব্রহ্মজ্যোতির ধ্যান করে। তাঁরা ভগবানের শরীর বা আকার স্বীকার করে না। কেননা শরীর মানেই জড়, ব্রহ্ম মানেই চিন্ময়; দেহমাত্রই গুণে আসক্ত, অতএব নিগুণ চিন্ময়ত্বের সম্ভাবনা নেই- এই জ্ঞান তারা কেবল ব্রহ্মজ্যোতির ধ্যান করে। কিন্তু সনৎকুমার প্রভৃতি আমাদের দ্বারা তা আদৌ সম্মত নয়। সমস্ত ব্রহ্মজ্যোতির উৎস হচ্ছেন সনাতন পুরুষ শ্রীকৃষ্ণ। তাই ভক্তরা শ্রীকৃষ্ণের ধ্যান করেন, নিরাকার ব্রহ্মজ্যোতির ধ্যান করেন না। শ্রীকৃষ্ণের অঙ্গজ্যোতিই নিরাকার বলা যায়। সর্বদা শ্রীকৃষ্ণের ধ্যান-আরাধনা করাই যথার্থ পন্থা।
             *••••┉━❀꧁ চার যুগের মহামন্ত্র ꧂❀━┅••••*
সত্যযুগ:-
"নারায়ণ পরাবেদা নারায়ণ পরাক্ষরা। 
নারায়ণ পরামুক্তি নারায়ণ পরাগতি"॥
ত্রেতাযুগ:-
"রাম নারায়ণানন্ত মুকুন্দ মধুসূদন। 
কৃষ্ণ কেশব সংসারে হরে বৈকুণ্ঠ বামন"॥
দ্বাপরযুগ:-
"হরে মুরারে মধুকৈটভারে ।
গোপাল গোবিন্দ মুকুন্দ সৌরে।।
যজ্ঞেশ্বর নারায়ণ কৃষ্ণ বিষ্ণু।
 নিরাশ্রয়ং মাং জগদীশ রক্ষ"॥
 কলিযুগ:-
"হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে" ।।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



adds