✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ তুলসীদাস গোস্বামীর সংক্ষিপ্ত জীবনী ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*🙏তুলসীদাসী রামায়ণের রচয়িতা, তুলসীদাস গোস্বামীর সংক্ষিপ্ত জীবনী।*
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
*🌻প্রয়াগের কাছে বান্দা জেলায় রাজাপুর নামে একটি গ্রাম আছে। সেখানে আত্মারাম দুবে নামে একজন বিখ্যাত সরযূতীরবাসী ব্রাহ্মণ বাস করতেন।তাঁর পত্নীর নাম ছিল হুলসী। ১৫৫৪ সম্বৎ(বঙ্গাব্দ ৯০৫ সাল) শ্রাবণ শুক্লা সপ্তমী মূলা নক্ষত্রে এই ভাগ্যবান দম্পতির গৃহে বারোমাস গর্ভে থাকবার পর গোস্বামী তুলসীদাস জন্মগ্রহণ করেন।ভূমিষ্ঠ হয়ে শিশু তুলসীদাস কাঁদেননি, কিন্তু তাঁর মুখ দিয়ে "রাম" শব্দ বেড়িয়েছিল।বড় আশ্চর্য্যের,তাঁর মুখে বত্রিশটি দন্ত ছিল এবং গঠনসৌষ্ঠব ছিল পাঁচ বছরের বালকের মত।এই অদ্ভুত বালককে দেখে পিতা অমঙ্গের আশঙ্কায় ভীত হয়ে বালকের সম্বন্ধে নানারকম চিন্তাভাবনা করতে লাগলেন।এই সব লক্ষণ দেখে মা হুলসী বড়ই দুশ্চিন্তা হল।তিনি বালকের অনিষ্টের আশঙ্কায় দশমীর রাতে নবজাত শিশুকে নিজের দাসীর সঙ্গে শ্বশুড়বাড়ীতে পাঠিয়ে দিলেন এবং পরের দিন তিনি অসার সংসার ত্যাগ করলেন।দাসীর নাম ছিল "চুনিয়াঁ"। সে অত্যন্ত আদর যত্নের সহিত বালকের পরিচর্যা করতে লাগলেন।তুলসীদাসের বয়স যখন সাড়ে পাঁচ বছর,তখন চুনিয়াঁরও মৃত্যু হল।এবার বালক তুলসী দাস সত্য সত্যই অনাথ হয়ে পড়লেন।সে এখানে ওখানে ঘুরে বেড়াতে লাগলেন এবং এ বাড়ী ও বাড়ীর দরজায় দরজায় তিরস্কৃত হতে লাগলেন।এই সময় জগত জননী পার্বতী দেবীর এই প্রতিভাবান বালকের প্রতি দয়া হল। তিনি ব্রাহ্মণীর বেশ ধারণ করে প্রতিদিন এই বালকের কাছে এসে তাকে নিজের হাতে ভোজন করিয়ে যেতে লাগলেন।*
****সাড়সারিক জীবনের লেখা পড়েছে, সাংসারিক জীবনের হবে।
*🌻এদিকে মহাদেবের ইচ্ছায় রামশৈলে বসবাসকারী শ্রীঅনন্তানন্দজীর প্রিয় শিষ্য শ্রীনরহর্যানন্দজী এই বালককে খুঁজে বের করে তার নাম রাখলেন রামবোলা।তিনি তাকে অযোধ্যায় নিয়ে গেলেন এবং ১৫৬৯ সম্বতের মাঘী শুক্লা পঞ্চমী তিথিতে শুক্রবারে তার উপনয়ন সংস্কার করালেন।কেহ না শেখালেও বালক গায়ত্রী মন্ত্র উচ্চারণ করল দেখে সকলে আশ্চর্য্য হয়ে গেল।এরপর নরহরি স্বামী বৈষ্ণবের পঞ্চসংস্কার করে রামবোলাকে "রাম" মন্টে দীক্ষা দিলেন এবং অযোধ্যা থেকে তাকে বিদ্যাশিক্ষা দিতে লাগলেন।বালক রামবোলার প্রখর বুদ্ধি ছিল।একবার গুরুদেবের মুখে যা শুনতেন সাথে সাথে তাই কন্ঠস্থ হয়ে যেত। কিছুদিন বাদে গুরু-শিষ্য দুইজনেই সেখান থেকে শূকরক্ষেত্রে গমন করলেন।সেখানে শ্রীনরহরি স্বামী তুলসীদাসকে "রামচরিতমানস"শোনান।দিন কয়েকপর তুলসীদাস সেখান থেকে কাশী চলে এলেন।কাশীতে শেষে সনাতনজীর কাছে পনেরো বছর পর্যন্ত বেদ-বেদান্ত অধ্যয়ন করেন।এরপর তাঁর মনে সাড়সারিক জীবনের কিছু ইচ্ছা জাগে এবং তিনি তাঁর বিদ্যাগুরুর অনুমতি নিয়ে নিজের বাসভূমিতে ফিরে আসেন। সেখানে এসে তিনি দেখেন যে তাঁর ঘর-সংসার সব নষ্ট হয়ে গেছে।অতঃপর তিনি শাস্ত্রীয় পদ্ধতিতে নিজের পিতার শ্রাদ্ধ করলেন এবং সেখানে থেকেই সকলকে রামকথা শোনাতে লাগলেন।*
*🌻সম্বৎ ১৫৮৬ (বঙ্গাব্দ ৯৩৭ সাল) জ্যৈষ্ঠ শুক্লা ত্রয়োদশী বৃহস্পতিবারে ভরদ্বাজগোত্রীয় এক সুন্দরী কন্যার সঙ্গে তাঁর বিবাহ হয় এবং তিনি নববধূর সাথে সুখে দিনাতিপাত করতে থাকেন।একবার তাঁর স্ত্রী তাঁর ভাইয়ের সাথে নিজের মাতৃলয়ে যান।তুলসীদাসও পেছন পেছন সেখানে গিয়ে পৌঁছলেন।ওঁর স্ত্রী এর জন্য তাঁকে ভীষণভাবে ভৎসনা করেন এবং বলেন, "আমার এই রক্তমাংস শরীরে তোমার যে এত আসক্তি এর অর্ধেকও যদি তুমি ভগবানকে দিতে,তাহলে তোমার বন্ধন মুক্তি হয়ে যেত। কথাগুলি তুলসীদাসের মনে লেগে গেল,একমুহূর্ত্যও বিলম্ব না করে তিনি তৎক্ষণাৎ সেখান থেকে চলে গেলেন।*
*ক্রমশ*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ তুলসীদাস গোস্বামীর সংক্ষিপ্ত জীবনী ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*সেখান থেকে তুলসীদাস প্রয়াগে আসেন এবং গৃহস্থবেশ ত্যাগ করে সাধুবেশ ধারণ করেন। তারপর তিনি নানা তীর্থ পর্যটন করে আবার কাশীতে ফিরে আসেন।তীর্থ ভ্রমণকালে মানসসরোবরের তীরে তাঁর কাকভূশুন্ডীর দর্শন লাভ হয়। কাশীতে থেকেই তুলসীদাসজী রামকথা গান করতে লাগলেন। সেখানে একদিন এক প্রেতের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হয়,সে তাঁকে হনুমানজীর সন্ধান দিয়ে দেয়।হনুমানজীকে দর্শন করে তুলসীদাস তাঁর কাছে রঘুনাথের দর্শন প্রার্থনা করেন।হনুমানজী বলেন, "চিত্রকূটে তোমার সঙ্গে তাঁর দেখা হবে "।তখন তুলসীদাস চিত্রকূটে যাত্রা করেন।চিত্রকূট পৌঁছে তিনি রামঘাটে তাঁর আসর বসালেন।একদিন তিনি পরিক্রমা করতে বেরুলেন। পথে তাঁর শ্রীরামের দর্শন হয়।তিনি দেখেন যে অতি সুন্দর দুই রাজকুমার ধনুর্বাণ হাতে ঘোড়ায় চড়ে যাচ্ছেন। তিনি তাঁদের দেখে মুগ্ধ হয়ে যান এবং তাঁদের চিনতে পারেননি।পেছন থেকে হনুমানজী এসে তাঁকে সব ব্যাপার বুঝিয়ে বললেন, তখন তাঁর আর অনুতাপের সীমা রইল না।হনুমান তাঁকে সান্ত্বনা দিয়ে বললেন যে প্রাতঃকালে আবার শ্রীরামচন্দ্রের দর্শন হবে। ১৬০৭ সম্বিৎ (৯৫৮ বঙ্গাব্দ) মৌনী অমাবস্যার বুধবারে ভগবান শ্রীরাম আবার তুলসীদাসের সামনে আবির্ভূত হন। তিনি বালকরূপে তুলসীদাসকে বললেন, বাবা আমায়একটু চন্দন দাও তো!হনুমান ভাবলেন যে তুলসীদাস এবার আর ভুল না করে।তাই তোতাপাখীর রূপ ধরে তিনি এই দোহাটি গাইলেন।*
*চিত্রকূট কে ঘাট পর ভই সন্তন কে ভীর।*
*তুলসীদাস চন্দন ঘিসেঁ তিলক দেত রঘুবীর।।*
*🌻তুলসীদাস সেই মনোহর রূপ দেখে আত্মবিস্মৃত হয়ে গেলেন। ভগবান শ্রীরাম নিজের হাতে চন্দন নিয়ে নিজের কপালে এবং পরে তুলসীদাসের কপালে ফোঁটা দিয়ে অন্তর্ধান করলেন।*
*🌻১৬২৮ সম্বৎ (৯৭৯ বঙ্গাব্দ) হনুমানজীর নির্দেশে তিনি অযোধ্যায় পাড়ি দেন।তখন প্রয়াগে মেঘলা চলছিল।তিনি কয়েকদিন সেখানে থেকে গেলেন।উৎসবের ছয়দিন পরে একটি বটবৃক্ষের নিচে তিনি ভরদ্বাজ ও যাজ্ঞবাল্ক্য মুনির দর্শন লাভ করেন।শূকরক্ষেত্রে নিজের গুরুর মুখে যে কাহিনী শুনেছিলেন সেদিন সেইসময় সেখানে সেই রামচরিতমানসের আলোচনা হচ্ছিল, তা শুনে তিনি মুগ্ধ হয়ে যান। অতঃপর তিনি কাশী চলে যান এবং প্রহ্লাদ ঘাটে এক ব্রাহ্মণের গৃহে বসবাস করতে থাকেন। সেখানে তাঁর ভেতরকার কবিশক্তি প্রকাশ হয় এবং তিনি সংস্কৃত ভাষায় পদ্য লিখতে থাকেন। কিন্তু দিনের বেলা যেসব কবিতা লিখতেন রাত্রিবেলা সেগুলি মুছে যেত। এই ঘটনা রোজ ঘটত। অষ্টমদিনে তুলসীদাস এক স্বপ্ন দেখেন যে দেবাদিদেব মহাদেব তাঁকে নিজের ভাষায় (অবধি ভাষায় )কাব্য রচনার নির্দেশ দেন। তাঁর স্বপ্ন ভঙ্গ হলে তিনি উঠে বসলেন। সেই মুহূর্তে হর-পার্বতী তাঁর সম্মুখে আবির্ভূত হলেন।তিনি তাঁদের সাষ্ঠাঙ্গে প্রণাম করলেন, মহাদেব বললেন, "তুমি অযোধ্যায় গিয়ে বাস এবং গ্রাম্যভাষায় কাব্য রচনা কর, আমার আশীর্বাদে তোমার কাব্য সামবেদের সমান ফলবতী হবে "। এইকথাগুলি বলিয়া হর-গৌরী অন্তর্ধান করলেন।এই নির্দেশ অনুসারে তুলসীদাস কাশী থেকে অযোধ্যায় চলে আসেন।*
*🌻১৬৩১ সম্বিৎ (৯৮২ বঙ্গাব্দ) শুরুতে রামনবমীর দিন প্রায় সেইরকমই গ্রহনক্ষত্রের সমাবেশ ছিল যেমন ছিল ত্রেতাযুগে রামচন্দ্র আবির্ভাবের দিনে।সেইদিন সকালবেলা তুলসীদাস ""রামচরিতমানস"" গ্রন্থের রচনা শুভারম্ভ করেন।(দুই বৎসর সাত মাস ছাব্বিশ দিনে গ্রন্থ লেখা সম্পূর্ণ হয়। ১৬৩৩ সম্বতের (৯৮৪ বঙ্গাব্দে) অগ্রহায়ণ মাসের শুক্লপক্ষে রামবিবাহের দিন সাতটি কান্ড সমাপ্ত হয়।*
*🌻এরপর ভগবানের নির্দেশে তুলসীদাস কাশী চলে এলেন।সেখানে বাবা বিশ্বনাথ ও মা অন্নপূর্ণাকে রামচরিতমানস শোনান।রাত্রিবেলা গ্রন্থটি বিশ্বনাথের মন্দিরে রেখে দিলেন, সকালবেলা যখন গ্রন্থের আবরণ খোলা হয় তখন দেখা গেল গ্রন্থের উপরে লেখা রয়েছে ""সত্যম্ শিবম্ সুন্দরম্,আর নিচে বাবা বিশ্বনাথের স্বাক্ষর।সেই সময় উপস্থিত ভক্তগণ "সত্যম্ শিবম্ সুন্দরম্" এই ধ্বনিও শোনেন।*
*ক্রমশ*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ তুলসীদাস গোস্বামীর সংক্ষিপ্ত জীবনী ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*🌻কাশীর পন্ডিতগণ যখন এ ঘটনা শুনলেন তখন তাঁদের মধ্যে ঈর্ষার উৎপত্তি হল, তাঁরা সমবেতভাবে তুলসীদাসের নিন্দা প্রচারে তৎপর হলেন এবং গ্রন্থটি নষ্ট করবারও চেষ্টা করতে লাগলেন।গ্রন্থটি চুরি করবার জন্য তাঁরা দুটো তস্করকেও (চোরকেও) নিযুক্ত করলেন।তস্কররা চুরি করতে গিয়ে দেখে যে তুলসীদাসের গৃহের চারিপাশে দুই বীরপুরুষ ধনুর্বাণ নিয়ে পাহাড়া দিচ্ছে। এই পুরুষ দুটি হলেন, সুদর্শন শ্যাম ও গৌরবর্ণ।এঁদের দর্শনে চোরেদের বুদ্ধিও শুদ্ধ হয়ে গেল।সেইদিন থেকে তারা চুরি করা ত্যাগ করল এবং ভজন কীর্তনে মনোনিবেশ করল।তাঁর গ্রন্থটি রক্ষার জন্য ভগবান স্বয়ং পাহাড়া দিচ্ছেন বুঝতে পেরে তুলসীদাস তাঁর সব জিনিসপত্র বিলিয়ে দিলেন এবং গ্রন্থ টি তাঁর বন্ধু টোডরমলের কাছে রেখে দিলেন।এরপর তিনি একটি দ্বিতীয় গ্রন্থ লিখলেন।সেই প্রতিলিপির পশ্চাৎপটের উপর অন্যান্য প্রতিলিপি তৈরী হতে লাগল।গ্রন্থের প্রচার দিনের পর দিন বাড়তেই লাগল।*
*🌻এদিকে পন্ডিতেরা কোন উপায় না দেখে সেই গ্রন্থটি শ্রীমধুসূদন সরস্বতীর কাছে পাঠালেন তাঁর মতামতের জন্য।মধুসূদন সরস্বতী গ্রন্থটি অধ্যয়ন করে অত্যন্তই আনন্দ প্রকাশ করলেন এবং লিখলেন=*
*আনন্দকাননে হ্রস্মিঞ্জঙ্গমস্তুলসীতরুঃ।*
*কবিতামঞ্জরী ভাতি রামভ্রমরভূষিতা।।*
*🌻"এই কাশীরূপী আনন্দকাননে তুলসীদাস হলেন চলমান তুলসীবৃক্ষের চারা।তাঁর কবিতারূপী মঞ্জরী অতীব সুন্দর,যার উপর শ্রীরামরূপী ভ্রমর সর্বদা গুঞ্জন করেন"।*
*🌻এতেও পন্ডিতগণ খুশী হলেন না,তখন এই গ্রন্থের পরীক্ষার আর এক উপায় স্থির করা হল।বাবা বিশ্বনাথের সামনে সবার উপরে বেদ,তার নিচে শাস্ত্র,শাস্ত্রের নিচে পুরাণ, এবং সকলের নিচে রামচরিতমানস রেখে মন্দিরের দরজা তালা-বন্ধ করে রাখা হল। ভোরবেলা মন্দির খুলে দেখা গেল যে রামচরিতমানস বেদেরও উপরে রাখা আছে।এতে পন্ডিতগণ বড়ই লজ্জায় পরলেন, তাঁরা গিয়ে তুলসীদাসের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করলেন এবং ভক্তিভরে তাঁর চরণামৃত পান করলেন।*
*🌻তারপর থেকে তুলসীদাসজী অসীঘাটে বাস করতে লাগলেন।একদিন রাত্রে কলিযুগ ভয়ংকর মূর্তি ধারণ করে এলো এবং ভয় দেখাতে থাকল। গোস্বামিজী হনুমানকে স্মরণ করলেন, হনুমানজী তাঁকে বিনয়ের পদ রচনা করতে বললেন। অতঃপর গোস্বামিজী বিনয়-পত্রিকা রচনা করলেন এবং ঈশ্বরের শ্রীচরণে সমর্পণ করলেন।শ্রীরামচন্দ্র সেই গ্রন্থের উপর নিজে স্বাক্ষর করে দিলেন এবং তুলসীদাসকে অভয় দান করলেন। ১৬৮০ সম্বতে (১০৩১ বঙ্গাব্দে) শ্রাবণ কৃষ্ণ তৃতীয়া তিথিতে শনিবারে অসীঘাটের উপর রামনাম জপ করতে করতে তুলসীদাসজী এই মরদেহ ত্যাগ করলেন*
*🙏বানান, ভুল ভ্রান্তি মার্জনীয়🙏*
*সম্বৎ=বিক্রমাদিত্য রাজ বৎসর, প্রাচীন ভারতে প্রত্যেক নরপতিই আপনার রাজ্যলাভের সময় হতে একটি সম্বৎ বা কাল প্রবর্তন করতেন। ৩খ্রীষ্ট জন্মের ৫৭ বৎসর পূর্ব হতে রাজা বিক্রমাদিত্য কর্তৃক প্রবর্তিত অব্দ, অব্দ পেতে হলে খৃষ্টাব্দ +৫৭ বৎসরের যোগফল নিতে হবে।*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ📱7001138871꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧





















