✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ শুভ_দীপাবলি ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*🌸শুভ_দীপাবলি🌸*
দ্বারকায় একদিন সত্যভামা জিজ্ঞাসা করলেন শ্রীকৃষ্ণকে *প্রাণনাথ! মুক্তালতা শুনতে পাই, মুক্তা কি লতায় হয়?*
কৃষ্ণ বললেন- *মুক্তা ঝিনুকের ভিতরে পাওয়া যায়, এমনিতে মুক্তা লতায় হয় না, তবে তুমি যা শুনেছ তাহাও মিথ্যা নয়, মুক্তোলতার চাষ ব্রজে আমিই করেছিলাম।*
প্রাণনাথ! তাহা কি প্রকার?
প্রিয়ে! শোন বলছি,
মধুবৃন্দাবনে দীপাবলির দিন রাধা কুণ্ডের নৈঋত কোনে মাল্যহারি কুণ্ডের এক ছত্রীর উপর সসখী রাধারাণী মুক্তোর মালা গাঁথছিলেন।
বিচক্ষণ নামক শুকের মুখে খবর পেয়ে কৃষ্ণ সেখানে এসে বললেন - হে সখীগণ! আমার ক'টি মুক্তোর দরকার, আমার প্রিয় সুরভি ও কালিন্দীর শিঙ্ ও পায়ে একটি করে মালা পরাব ।
সখীগণ শুনেও না শুনার ভান করে রইল।কোন উত্তরই দিল না ।
কৃষ্ণ বললেন. সখীগণ! তোমরা যৌবন মদে মদান্ধ হয়ে আমার কথায় কর্ণপাত ও করছ না !
তত্ শ্রবনে ললিতা বললেন. কি বলছ, বল? আমরা মালা গাঁথায় ব্যস্ত আছি ।
কৃষ্ণ বললেন- গাভীর শিঙে পরানোর জন্য কটি মুক্তো দাও।
ললিতা-গাভীর শিঙে মুক্তোর মালা!
কৃষ্ণ বললেন-আমার গাভীকে তোমরা সাধারণ মনে কোরোনা।এসবই কামধেনু ,পদ্মগন্ধা।এর দুগ্ধ যে পান করবে তার দেহও পদ্ম গন্ধ যুক্ত হবে ।
ললিতা মুক্তো গুলো নিয়ে নাড়াচাড়া করতে লাগল। অনেক ক্ষন নাড়াচাড়ার পর বিদ্রূপের মুখভঙ্গি করে বলল, দেখ কানাই তোমার যে এত দামি গাভী , সেরকম. দামি মুক্তো অর্থাত্ তোমার গাভীর যোগ্য অত ভাল মুক্তো আমাদের কাছে নেই ।
কৃষ্ণ বললেন-দেখ. আমি ব্রজরাজ নন্দের রাজকুমার । আমাকে তোমরা যে ভাবে অপমান করলে এর প্রতিশোধ অবশ্যই নেব ।
আমি এই মুক্তোর. চাষ করব । করে মানুষ থেকে শুরু করে বাঁদর পর্যন্ত সকলের গলায় মালা পরাব ।
ললিতা বললেন- হ্যাঁ হ্যাঁ! দেখা যাবে । মুক্তোর আবার চাষ হয় ।
গোয়ারিয়া গোপাল ।
চরায় সদা গরুর পাল ।। হু :!!🐂🐂🐂🐂🐂🐂🐂🐂🐂🐃🐃🐃🐃🐃!!
কৃষ্ণ-কথাটা মনে থাকে যেন ।
বলেই চলে আসলেন একেবারে সোজা মায়ের কাছে । মা ! মা ! আমায় কিছু মুক্তো দাও।
কি করবি রে গোপাল?
দাও না?
আমি মুক্তোর চাষ করব ।
মুক্তোর আবার চাষ হয় নাকি?
দাও না মা তুমি আমায় ।মায়ের আঁচল ধরে টানতে লাগলেন ।
মা দেখলেন গোপাল বড় জেদি ।যা বলবে তাই করবে ।
তাই মা কিছু মুক্তো এনে গোপাল কে দিলেন । যা নিয়ে খেলা করগে ।
কৃষ্ণ এবার সমস্ত সখাদের ডেকে , যে ঘাটে সকলে স্নান করে , সেই ঘাটে পার হয়ে ওপারে গিয়ে ভাল করে জমি চাষ করে কেয়ারি তৈরি করে মুক্তো লাগালেন।
অতঃপর সখাদের বললেন. সখীদের কাছথেকে দুধ আনতে।
সখাগন গিয়ে বললেন- আমাদের প্রাণসখা কৃষ্ণ মুক্তো চাষ করছে । তার সিঞ্চনের জন্য দুধ প্রয়োজন ।তাই তোমরা দুধ দাও।
সখীগণ বললেন-যে গাভীর শিঙে মালা পরাবে সেই গাভীর দুধ নিয়ে মাঠে ঢাল ।
আমাদের দুধ এত সস্তা হয় নাই যে আমরা জমিতে দুধ ঢালতে দিব।
সখাগন -আমাদের সখার আজ্ঞা অমান্য করার ফল কখনও ভাল হবেনা, জেনে রাখ ।
সখাগন ফিরে এসে সব জানাল কৃষ্ণকে ।
কৃষ্ণ বললেন-ঠিক আছে। সবাই নিজ নিজ বাড়ি থেকে দুধ নিয়ে এসো ।
নিয়মিত দুধ ঢালা চলতে লাগল।দুতিন দিন পরেই অঙ্কুরোদ্গম হতে লাগল।এই মোটা মোটা পাতা। অপূর্বশোভা ধারণ করল ।
কৃষ্ণ মায়ের আঁচল ধরে টেনে আনল ।দেখ মা ! কেমন মুক্তোর চারা হয়েছে । এরকম চারা মা কখনও দেখেন নাই । মা বললেন - আচ্ছা দেখা যাক. ফল ধরলে জানা যাবে ।
দেখতে দেখতে লতা দ্রুত বেড়ে চলল । অবলম্বন দিয়ে লতা গুলো কে বড় গাছে তুলে দিল । কদিন পরেই ফুল ফুটল, ফুলের যেমনি শোভা তেমনই সুগন্ধ । সারা ব্রজমণ্ডল আমোদে আমোদিত হয়ে উঠল । কদিনের ভেতরেই বড় বড় মনমোহক মুক্তো ফলল । মুক্তো প্রথমে গাভীদের তারপর মানুষ, ছাগল, ভেড়া ,বাঁদর, সকলকে মালা পরালেন। মুক্তোগুলো বড় বড় আমলকির মত । প্রত্যেকটি মুক্তোর ভেতরে কৃষ্ণের ছবি দেখা যায় ও মাঝে ফুটো করা আছে । ঘরে যত হাঁড়ি-কুড়ি সিন্দুক আলমারি সমস্ত ভর্তি করে ফেললেন।
সখাগন সঙ্গে কৃষ্ণ সারা ব্রজমণ্ডলে হৈ হৈ করে বেড়াতে লাগলেন ।
এদিকে রাধারাণী সখীদের সঙ্গে পরামর্শ করলেন. কৃষ্ণের দাপটে ব্রজে থাকা দায় ।কোন মন্ত্রসিদ্ধি করে এই সব করছে , আমরা দেবী পৌর্ণমাসীর নিকট থেকে মন্ত্র শিখে আমরাও মুক্তো চাষ করব ।
এই প্রকার যুক্তি করে সকলে মিলে পৌর্ণমাসীর কাছে গেলেন । পৌর্ণমাসী ছিলেন না , তাঁর পালিতা কন্যা গার্গী ছিলেন ।
সব শুনে গার্গী বললেন, দেখ! মন্ত্র তন্ত্র কিছু নয় , এই ব্রজধাম চিন্ময় , চিন্তাময় ভূমি । এখানে যা লাগাবে তাই হবে ।
তাঁর কথামত সকলে বাড়ি এসে ঘরে যত ছিল মুক্তো সব জমিতে লাগালেন । সখীগন বললেন কৃষ্ণ দুগ্ধ সিঞ্চন করেছে আমরা ঘৃতসিঞ্চন করব ।
এই বলে সবাই ঘর থেকে ঘি নিয়ে ঢালতে লাগল।গোপগন বলছে মা ! আজকাল ঘি বাজারে যায় না কেন?
মা-কৃষ্ণ মুক্তোর চাষ করে অনেক লাভ করেছে, তাই বৌমারাও মুক্তো লাগিয়ে ঘি সিঞ্চন করছে ।মুক্তোর অনেক দাম!!
গোপগন- ওসব জানিনা যদি মুক্তো না
হয় তবে কাউকে বাড়ি তে ঢুকতে দিব না।
এদিকে সখীদের জমিতে দু তিন দিন পর অঙ্কুর দেখা দিল । সখীদের মনে আনন্দের শিহরণ জাগল । কিন্তু অঙ্কুর গুলো কৃষ্ণের মত নয় , সরু সরু । গভীর আগ্রহে সকলে প্রতিক্ষা করতে লাগল । কদিন পরে দেখা গেল সেগুলো হিংস্রালতা, মানে কাঁটার গাছ । সখীদের দুঃখের শেষ থাকল না । শেষে সব রাগ গিয়ে পড়ল গার্গীর উপর ।
সবাই মিলে গেল গার্গীর কাছে ও. গার্গী কে গালাগালি শুরু করল । সব শুনে গার্গী বলল. দেখ! তোমরা এত দামি মুক্তোর চাষ করলে, ঘি সিচঁলে কিন্তু পাহারা দিয়ে ছিলে? রাতের বেলায় কৃষ্ণ সখা সঙ্গে এসে সমস্ত কেয়ারি থেকে মুক্তো তুলে নিয়ে কাঁটার বীজ পুতে দিয়েছে ।
সখীগণ ক্রোধে ফেটে পড়ল,
যত সব নষ্টের গোড়া তুই,
আমরা বললাম মন্ত্রের জন্য, আর তুই আমাদের কথার গুরুত্ব দিলি না,
তোর জন্যই আমাদের এই বিপদ হল ।
কিন্তু আর কি করবে! খানিকক্ষণ গালাগালি করে সকলে ঘরে ফিরে এল ।
এদিকে কৃষ্ণের এত মুক্তো ফলল, ঘরে রাখার জায়গা নাই । তাই ভাবল বিক্রি করতে হবে।
সখাগন সঙ্গে কৃষ্ণ রাধাকুণ্ড তীরে বিশাল স্তুপাকৃতি করে মুক্তোর দোকান দিল ।
সখীগণ শুনল কৃষ্ণ মুক্তোর দোকান দিয়েছে।
এবার নিরুপায় হয়ে সখীগণ মুক্তো কেনার মনস্থ করল ।কিন্তু কেউ যেতে রাজি নয় । সখাগনের পরিহাসের ভয়ে।
অনেক বুঝিয়ে সুঝিয়ে চন্দ্রমুখী ও কাঞ্চনলতাকে রাজি করানো হল।
তারা অত্যন্ত সংকোচের সহিত ধিরে ধিরে রাধাকুণ্ড তটে এসে উপস্থিত হল।
দুর থেকেই তারা দেখতে পেল মধ্যাসনে ময়ূরমুকুটধারী শ্রীকৃষ্ণ, দক্ষিনে মধুমঙ্গল, বামে সুবল আর সব সখাগন বড় বড় পাগড়ি পরে বসেছেন। সকলের সামনে মুক্তোর পসার । ঢের লাগানো রয়েছে ।
দুই সখী গিয়ে বলল. রাধারাণী ও সখীগণ আমাদের কে পাঠিয়েছেন মুক্তো ক্রয়ের জন্য । উচিত মুল্যে আমাদের কে মুক্তো দাও ।
সখাগন- কি দিয়ে মুক্তো কিনবে?
চন্দ্রমুখী- আমাদের কাছে সোনা আছে । সোনা নিয়ে আমাদের মুক্তো দাও ।
সখাগন- কোথায় সোনা আর কোথায় মুক্তো ।কি দিয়ে কি নিতে এসেছ? হ্যাঁ! যদি এক সখী আমাদের সখার কাছে বন্ধক রেখে যাও তাহলে হতে পারে ।
সখাগন সকলে হা হা করে হাসতে লাগল।
এমনি বিষম পরিহাসে সখী দ্বয় লজ্জায় ম্রিয়মান হয়ে গেল ।
বলছিলাম না ! যাব না।তাও জোর করে পাঠালো! এখন দেখ কি অবস্থা!
আর এক মুহূর্ত ও এখানে থাকব না।
বলেই উভয়েই চলে গেল । গিয়ে সব ঘটনা খুলে বলল । যার দরকার সে নিজে আসবে , তবেই মুক্তো পাবে। নিরুপায় হয়ে সখীগণ আসলেন । রাধারাণী বললেন তোমরা আগে গিয়ে দাম দর কর আমি পেছনে থাকব।
সখীগণ আসলে দাম দর নিয়ে বিচিত্র পরিহাস রসের সৃষ্টি করলেন সখাগন সহ শ্রীকৃষ্ণ ।
পরিহাস রস যখন চরমে পৌঁছাল তখন রাধারাণী সামনে এলেন ।
এসে বললেন.
এই বৃন্দাবন কার?
সখাগন-কৃষ্ণের।
সখীগণ- কিভাবে?কি প্রমাণ আছে?
সখাগণ- *কৃষ্ণবনবনমিতি* ।গোপালতাপনি শ্রুতি ।
সখীগণ- না।স্মৃতি তে প্রমাণ আছে ।
*রাধাবৃন্দাবনেবনে* । বৃন্দাবনেশ্বরী রাধারাণী ।
সমস্ত দেবতা গন এসে কৃষ্ণের সামনেই রাধা রাণীর রাজ্যাভিষেক করে বৃন্দাবনেশ্বরী পদে অভিষিক্ত করেন ।
আরও কি প্রমাণ চাও?
কৃষ্ণ বৃন্দাবনের অধিশ্বর ।
আচ্ছা ! বলত! কৃষ্ণবনবনমিতি কি সমাস?
কেন?
ষষ্ঠীতত্পুরুষ?
সখী- না , এটা রূপক কর্মধারয় ।
কৃষ্ণ রূপ বনম্-কৃষ্ণবনম্ । কৃষ্ণ মানে কাল।অতিঘোর সবুজ ।দেখেন না কোন সব্জি গাঢ় সবুজ হলে বলে কালো হসহসে । গাঢ় সবুজ বনটি কেমন দেখাচ্ছে , না কালো।
শ্রুতি হইতে স্মৃতি প্রমাণ অধিক মহত্ত্বপূর্ণ।
সখীগণ বলছেন. তুমি এত কর্ম ধারণ করলে এই পুতনাবধ, তৃনাবর্ত বধ, গোবর্ধন ধারণ আদি আদি , আর এই কর্মধারয় টা বুঝতে পারলে না!!
ললিতা- আরে ও কর্মধারয় কি বুঝবে ও শুধু ষষ্ঠীতত্পুরুষ ই বুঝে কেননা সে ত নিজেই ষষ্ঠীতত্পুরুষ।
সে আবার কেমন! সখী!!
জাননা? এই একনম্বর গোবর্ধন মল্ল, ২)ভারুণ্ডী ৩) করালা ৪) পদ্মা ৫) শৈব্যা ৬).ঐ বটতল নিবাসিনী ষষ্ঠীদেবী ঐ চন্দ্রাবলী তৎ পুরুষ অর্থাত্ পতি ।
সব সখীগণ উচ্চৈঃস্বরে হাস্য করতে লাগলেন।
কৃষ্ণ ভাবছেন বাপ্ রে ! এদের এত ব্যাকরণ জ্ঞান!!
বলি এত সমাস কোথায় শিখলে?
ললিতা- আমরা কি তোমার মত গরু নিয়ে দিনরাত হৈ হৈ করে বেড়াই?
আমরা নিয়মিত পৌর্ণমাসীর নিকটে অধ্যয়ন করি ।
কৃষ্ণ দেখলেন. এদের সঙ্গে পেরে উঠা যাবে না।
তাই সসখী রাধারাণীকে নিয়ে গেলেন যেখানে ভাল ভাল মুক্তো পেটারি ভর্তি করে নাম লিখা ছিল, রাধা ললিতা, বিশাখা , ইন্দুরেখা ইত্যাদি ।।
*শ্রীরাধাকুণ্ডতটে মধুর মিলন হল সসখী যুগলের।মহানন্দের ঢেউ উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠল।*
*লিখলেন শ্রীলরঘুনাথ দাস গোস্বামী তাঁর মুক্তা চরিত গ্রন্থে।দ্বারকা লীলায় শ্রীকৃষ্ণ সত্যভামা প্রসঙ্গ।।*
*সর্ব বৈষ্ণবের চরণে করি নমস্কার।*
*সবে পদধুলি দেহ মস্তকে আমার।।*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ।
FACEBOOK LINK 👉 https://www.facebook.com/profile.php?id=100023723408003
DEMOCRATIC NITYANANDA (Facebook Group) 👉 https://www.facebook.com/groups/1370545549769377/?ref=share
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






