শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

৭০. অগ্রদ্বীপের গোবিন্দ ঘোষ কাহিনী 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/madhukori70.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 ꧂❀•* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৭০)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
*অগ্রদ্বীপের গোবিন্দ ঘোষের কাহিনী*
****************************************
*🌳ভক্তাধীন ভগবান তখন কহিলেন যে,"গোবিন্দ যদি কোন পিতামাতার দুইটি সন্তানের মধ্যে একটি মারা যায় তাহলে সেই পিতামাতা কি অপর সন্তানকে কখনও অভুক্ত রাখে? আমি যে তোমার দ্বিতীয় সন্তান। একজন গিয়েছে আর একজনতো আছে,সেই তোমার পুত্রের কর্তব‍্য সব করবে"। গোবিন্দ তখন বললেন আমি ওসব বিশ্বাস করি না। তুমি আমায় যথেষ্ট শোক-তাপ দিয়েছ আর মিথ‍্যা কেন ছলনা করছ! তখন গোপীনাথজী বললেন যে, গোবিন্দ আমি তোমার কাছে সত‍্যবদ্ধ রইলাম যে তোমার অপ্রকটের পর পুত্রের সব কর্তব‍্য আমি পালন করব। তুমি আমার কথায় বিশ্বাস রাখ এবং আমার সেবা করো। গোবিন্দ তখন বুকভরা বেদনা নিয়ে মহাপ্রভুর অপার করুণার কথা স্মরণ রেখে পুনরায় সেবার কাজে মনোনিবেশ করলেন এবং এই স্বপ্নাদেশের কথা অতি কাছের দুই-একজনার কাছে প্রকাশ করলেন।তারপর সেবা কার্য‍্য করতে করতে গোবিন্দ বার্দ্ধক‍্যে উপনীত হয়ে একদিন দেহত‍্যাগ করলেন এবং পরদিন সকলে দেখলেন গোপীনাথজীর নয়নদুটি অশ্রুধারায় ভেসে যাচ্ছে এবং তিনি পিতৃহারা সন্তানের মত ধড়া এবং নববস্ত্র পরিহিত রয়েছেন।সমবেত গ্রামবাসীগণ শ্রীবিগ্রহের এই অশৌচদশা দেখে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গেলেন, গোবিন্দের গোপীনাথ সেবার মহিমা কীর্তন করতে লাগলেন।ভক্তের প্রতি ভগবানের অপার করুণার এইরকম চাক্ষুষ উদাহরণ বৈষ্ণব জগতে বিরল।ভক্তি জগতে ভগবান বহুভাবে ভক্তের মহিমা প্রকাশ করেছেন কিন্তু এইভাবে বিগ্রহের অশৌচ পালন কখনোই দেখা যায় না।এতসব দেখে শুনে কত পাঠ করেও আমরা সেই অন্ধকারে সেই অন্ধকারেই পড়ে আছি।না আছে বিশ্বাস না আছে সেই সেবা নিষ্ঠা সবই যেন লোক দেখানো বাহ‍্যিক প্রকাশ মাত্র।*
*🌹তারপর গোবিন্দের দেহ সৎকার সাধিত হলে সেবক শ্রদ্ধাদি সম্পন্নের পর বিগ্রহের শ্রীঅঙ্গ হতে তা খুলে দিলেন এবং সেই ঘটনার পর হতে অগ্রদ্বীপের গোপীনাথ মহিমা এবং সেবক গোবিন্দের মহিমা চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ল।অদ‍্যাপি সেই হতে গোবিন্দের তিরোভাব তিথিতে গোপীনাথজীকে নববস্ত্রের ধড়া পরিয়ে বাৎসরিক তিরোভাব তিথি পালিত হয়। দলে দলে ভক্তগণ তাতে যোগদান করে গোবিন্দের সেবা মাধুর্য‍্য এবং সেবা নিষ্ঠার প্রশস্তি করেন।সর্বোপরি গোপীনাথজীর অপার করুণার কথা স্মরণ করে শ্রদ্ধার্ঘ‍্য নিবেদন করেন।*
*⭐ভক্তাধীন ভগবান,ভক্ত অপেক্ষা যে তিনি আর কাউকেও বেশী ভালবাসেন না এই ঘটনা তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।ভক্তের মনোকষ্টে ব‍্যথিত হয়ে ভগবান বাৎসল‍্য সেবার যে দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন তার পরেও বিগ্রহ যে সদা প্রকট এই ব‍্যাপারে কারও কি কোন সন্দেহ থাকতে পারে? আশাকরি গৌর ভক্তগণ অগ্রদ্বীপে গমন করে গোবিন্দ ও গোপীনাথজীকে তাঁদের শ্রদ্ধার্ঘ‍্য নিবেদন করবেন। কেন যে মহাপ্রভু তাঁকে পরিত‍্যাগ করেছিলেন তা হৃদয়ঙ্গম করতে পারবেন। অর্থ‍্যাৎ সন্তান বিয়োগের মাধ‍্যমেই গোবিন্দের যে কৃষ্ণপ্রাপ্তি হয়েছিল তা সম্পূর্ণরূপে বিশ্বাস করতে পারবেন।এই প্রসঙ্গে কিছু তত্ত্বকথার নিদর্শন প্রয়োজন।*
*🌷মায়াময় এই সংসারে ভগবানকে বাদ দিয়ে আমরা যে কোন বস্তুকে সুখ বলে ধরতে যাই না কেন, তাতে সুখ পাওয়া যায় না।জীব মনে করে সে বড় বুদ্ধিমান কিছু আসলে সে প্রকৃত মূর্খ।এ জগতে কোন কিছুর মধ্যেই নিরবচ্ছিন্ন (নিরন্তর বা সবসময় )সুখ ভোগ নাই।মিছরির সরবতে কাঁচের টুকরা মিশান থাকলে যেমন তা দুঃখদায়ক হয়  সেইরকম এই জগতে আমরা আপাত দৃষ্টিতে যাকে সুখ বলে মনে করি তার সবকিছুরই মধ্যে দুঃখের কাঁটা মিশান আছে। অর্থ‍্যাৎ এ জগৎ,সুখের কল্পনা দিয়ে তৈরী,সুখ দিয়ে নয়।জীব সুখ খোঁজে পুত্র সন্তান লাভের আশায় যদিও সে নিশ্চিত জানে যে পুত্র চিরস্থায়ী নয়। তবুও সে পুত্রকে কতই না ভালবাসে, কি ভীষণ মায়ার বন্ধনে সে আবদ্ধ হয়, যেমনটি হয়েছিল গোবিন্দের জীবনে।জীব একা আসে একা যায় কিন্তু তবুও ভগবানের ইচ্ছায় তার মধ্যে সম্বন্ধ বোধ জাগরিত হয় যথা মাতা পিতা, স্ত্রী পুত্র ইত‍্যাদি। ভগবান এই যে সম্বন্ধ বোধ দান করেছেন তা কিন্তু এই পতি পুত্রের মধ্যেই  সীমাবদ্ধ রাখবার জন্য নহে।অর্থ‍্যাৎ সাংসারিক জগতের পতি পুত্রের ভালবাসায় আবদ্ধ হবার জন্য পতি পুত্রের সৃষ্টি নয়।কারণ এই বিরাট বিশাল বিশ্বব্রহ্মান্ড যিনি সৃষ্টি করেছেন তিনি কি তাকে শাশ্বত নিত‍্য করতে পারতেন না?পারতেন,নিশ্চয়ই পারতেন, কিন্তু তিনি তা করেননি।সেজন‍্য জগতের সব সুখের মধ্যেই কাঁটা ফুটিয়ে রেখেছেন।পুত্রশোকে পিতামাতা মুহ‍্যমান হয়ে পড়েন যদিও তাঁরা প্রকৃতই জানেন যে সন্তান চিরস্থায়ী নয় কিন্তু তবুও মায়ার বন্ধন এমনই জিনিস যে মানুষ তা বুঝেও বুঝে না।🌷কিন্তু এই সম্বন্ধ যদি কেবল একবার ভগবানের সঙ্গে স্থাপনা করা যায় তাহলে দেখা যাবে  যে সে সন্তান অজর,অমর,অক্ষয়, অব‍্যয়। শুধু সন্তান কেন ভগবানের সঙ্গে মানুষ পুত্র,সখা,পতি,সুহৃদ সবরকম সম্বন্ধই স্থাপনা করতে পারে এবং একবার যদি মানুষ তা করতে পারে তাহলে সে সম্বন্ধের বিনাশ নাই। সে পুত্রের মৃত‍্যু নেই,যেমনটি দেখা যায় গোবিন্দ ঘোষের জীবনে।নিজের পুত্রের মৃত‍্যু হলেও সন্তানরূপী গোপীনাথ বাৎসল‍্য সেবায় তুষ্ট হয়ে চির অমর হয়ে রইলেন এবং সে সন্তানের আর মৃত‍্যু নেই।আশাকরি সুধী পাঠকবৃন্দ বাস্তব জগতে এই সম্বন্ধ সৃষ্টির পেছনে ভগবানের যে কি গূঢ় উদ্দেশ্য নিহিত আছে তা কিঞ্চিৎ উপলব্ধি করতে পারবেন।অর্থ‍্যাৎ এই ভালবাসা,এই সম্বন্ধ,সব গোবিন্দ শ্রীপাদপদ্মে সমর্পণ করাই জীবের মুখ‍্য উদ্দেশ্য হওয়া উচিৎ।যাঁরা তা করতে পারবেন তাঁরাই গোবিন্দের মতন জীবনকে মহিমান্বিত করে তুলতে পারবেন।*
*➡বিঃ দ্রঃ=এই অগ্রদ্বীপ কৃষ্ণনগনের অতি কাছে।*
🔷🔷🔷🔷🔷🔷🙌🔶🔶🔶🔶🔶🔶
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






৬৯. অগ্রদ্বীপের গোবিন্দ ঘোষ কাহিনী 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/madhukori69.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 ꧂❀•* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৬৯)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
*অগ্রদ্বীপের গোবিন্দ ঘোষ কাহিনী*
🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷
*🍀শ্রীমন্মহাপ্রভু যখন শ্রীধাম নীলাচল হতে বৃন্দাবন যাত্রা  করেন তখন গোবিন্দ ঘোষ নামক একজন তাঁর সঙ্গী ছিলেন।এই গোবিন্দ ঘোষ কিন্তু তাঁর অঙ্গসেবক গোবিন্দ না, তিনি হচ্ছেন প্রসিদ্ধ পদকর্তা শ্রীবাসুদেব ঘোষের ভাই গোবিন্দ ঘোষ।সুস্পষ্টভাবে বুঝা যাবে শ্রীপাদ কৃষ্ণদাস গোস্বামীর এক পদাবলীর মাধ‍্যমে, যথা=*
*🌷গোবিন্দ মাধব বাসুদেব তিন ভাই।*
*🌷যা সবার কীর্তনে নাচে চৈতন‍্য গোঁসাই।।*
*🌹পথিমধ‍্যে আহারান্তে একদিন মহাপ্রভু গোবিন্দের কাছে একটু মুখশুদ্ধি হরিতকি চাহেন এবং গোবিন্দ তখুনি কাছের গ্রাম হতে তা সংগ্রহ করে মহাপ্রভুকে সমর্পণ করেন।সেইদিন কিন্তু গোবিন্দ একটি নয় বেশ কয়েকটি হরিতকি ভিক্ষা করেছিলেন এই ভেবেই যে যদি আগামীদিন মহাপ্রভু মুখশুদ্ধি চাহেন তবে যেন সঙ্গে সঙ্গে দিতে পারি এই চিন্তা করে। পরিদিনও মহাপ্রভু মুখশুদ্ধি চাহিলে গোবিন্দ সঙ্গে সঙ্গে মহাপ্রভুকে সমর্পণ করেন, মহাপ্রভুকে প্রদান করলে মহাপ্রভু বেশ বুঝতে পারলেন যে নিশ্চিত এটি পূর্বদিনের সঞ্চিত এবং মহাপ্রভু তাতে খুব অসুস্থ বোধ করলেন কারণ বৈষ্ণব জগতে সঞ্চয় শাস্ত্র বিরুদ্ধ।মহাপ্রভু তখন গোবিন্দকে উপলক্ষ্য করে বললেন "গোবিন্দ" তোমার সঞ্চয়বুদ্ধি এখনও যায়নি, অতএব তোমাকে আমার সঙ্গ পরিত‍্যাগ করতে হবে এবং তুমি এই অগ্রদ্বীপে থেকে গোপীনাথ সেবা প্রকাশ করো।গোবিন্দ মহাপ্রভুর এই আদেশে বিচলিত হলেন এবং অনেক অনুনয় বিনয় করে কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা ভিক্ষা করলেন কিন্তু মহাপ্রভু তাঁর সঙ্কল্পে অনড়।আপাত দৃষ্টিতে মনে হয় মহাপ্রভুর এই আচরণ যেন বড়ই কঠোর কিন্তু মহাপুরুষগণের সর্বকর্মের মধ্যেই একটা না একটা মহত বা গূঢ় রহস‍্য লুকিয়ে থাকে, তা গোবিন্দ ঘোষের পরবর্তী জীবন পর্য‍্যালোচনা করলেই বুঝা যাবে।(এই প্রসঙ্গে বলতে চাই যে গৌরলীলার বেদব‍্যাস শ্রীপাদ বৃন্দাবন দাস ঠাকুরের জীবনী প্রসঙ্গেও দেখা যায় যে অনুরূপ একটি হরিতকি প্রদানের জন্য নিত‍্যানন্দ প্রভুও তাঁকে দেনুড়ে পরিত‍্যাগ করেন যার ফলে তাঁর ভক্তিময় জীবনের পরিপূর্ণ বিকাশ সাধিত হয় এবং গোবিন্দ ঘোষের জীবনেও অনুরূপ ঘটনার সন্নিবেশ দেখা যায় )।*
*এইভাবে গোবিন্দ মহাপ্রভুর কাছ হতে দূরে সরে গেলেন এবং মনের দুঃখ মনে রেখে দিনযাপন করতে লাগলেন।অবশেষে একদিন গঙ্গাস্নান করবার সময়ে একটি ভারী জিনিস তাঁর পিঠে এসে ঠেকিল, গোবিন্দ তা সরিয়ে দিলেন, স্নান সমাপণান্তে নিজ গৃহে চলে আসিলেন।পরদিনেও অনুরূপ ভাবেসেই ভারী জিনিসটি গঙ্গাস্নান সময়ে তাঁর কাছে ভেসে আসিল এবং দৈববাণীর মাধ‍্যমে আজ্ঞাপ্রাপ্ত হলেন সেই কাষ্ঠখানি সযত্নে গৃহে নিয়ে আসবার জন্য। অতঃপর মহাপ্রভু তাঁকে স্বপ্নের মাধ‍্যমে আদেশ করেন যে, গোবিন্দ! তুমি এই দারুব্রহ্ম হতে গোপীনাথ সেবা প্রকাশ করো, তোমার সর্ব বাসনা সিদ্ধ হবে।তারপর তিনি কোন ভাস্কর দ্বারা গোপীনাথ বিগ্রহ প্রকাশ করেন এবং সেই গোপীনাথ সেবায় নিজের দেহমন সমর্পণ করেন। এটিই হল শ্রীবিগ্রহ প্রকাশের আদি কথা। এই প্রসঙ্গে জানা দরকার যে মহাপ্রভু কর্তৃক পরিত‍্যক্ত হয়ে গোবিন্দ বিয়ে করে সংসারী জীবন যাপন করেন এবং ক্রমে তাঁর একটি পুত্রসন্তান জন্মগ্রহণ করে।মহাপ্রভুর আদেশ অনুযায়ী গোবিন্দ সংসারী জীবনযাপন করলেও মনের ষোলআনা আর্তি নিয়ে গোপীনাথের সেবা করে যেতে লাগলেন। কিন্তু হঠাৎ এই নাবালক শিশু সন্তানটিকে রেখে গোবিন্দের পত্নী ইহলোক ত‍্যাগ করলেন।শোকে দুঃখে গোবিন্দ একেবারে ভেঙ্গে পড়লেন কিন্তু তথাপি নাবালক সন্তানের মুখপানে চেয়ে আত্মসম্বরণ করতে বাধ‍্য হলেন এবং পুনরায় গোপীনাথকে বাৎসল‍্য সেবার মাধ‍্যমে সেবাপূজা করে যেতে লাগলেন। কিন্তু অদৃষ্টের এমনই নির্মম পরিহাস যে কিছুদিনের মধ্যেই তাঁর নিজের সন্তানটিও চিরবিদায় নিল।শোকে দুঃখে গোবিন্দ একেবারেই ভেঙ্গে পড়লেন।আপাত দৃষ্টিতে মনে হয় এমন যে ভক্ত,গোপীনাথ তাঁর উপর এত বিরূপ কেন? গোবিন্দের পরবর্তী জীবন পর্য‍্যালোচনা করলে দেখা যাবে যে সত‍্যই এমন হওয়ারই প্রয়োজন ছিল, কারণ এই সন্তান বিয়োগের মাধ‍্যম‍েই তাঁর কৃষ্ণপ্রাপ্তি হয়েছিল।*
*🌹সন্তান বিয়োগের পর গোবিন্দ একেবারে পাগলের মত হয়ে পড়লেন এবং মনের দুঃখে আহার নিদ্রা পর্যন্ত ত‍্যাগ করলেন এবং এমনকি গোপীনাথজীর সেবাও তিনি পরিত‍্যাগ করলেন।ভোগ সেবা সব বন্ধ হয়ে গেল, গোপীনাথজী অনাহারে দিন কাটাতে লাগলেন, গোবিন্দও গোপীনাথজীর উপর অভিমান করে অনাহারে দিন যাপন করতে লাগলেন।দিনের পর দিন এইভাবে চলতে লাগল, অবশেষে অভুক্ত গোপীনাথজীর কৃপাদৃষ্টি তাঁর উপর পড়িল। তিনি স্বপ্নে দর্শন দিয়ে বললেন--, গোবিন্দ! আমি যে অনাহারে আর থাকতে পারছি না, আমি ক্ষুধার জ্বালায় বড়ই কষ্ট পাচ্ছি, তাড়াতাড়ি আমায় কিছু খাবার দাও।গোবিন্দ তখন বললেন যে,আমি আর তোমার সেবা করব না। তুমি আমার পত্নীকে কেড়ে নিলে, একটি মাত্র পুত্রসন্তানটিকেও কেড়ে নিলে? আমার তোমার প্রতি কোন করুণা নাই, এমনকি পরকালে আমার আত্মার সদগতি পর্যন্ত হবে না কারণ আমি পুত্রহারা। তোমার সেবা করার যথেষ্ট পুরস্কার আমি পেয়েছি, আমি আর তোমার সেবাপূজা করব না।*
😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭
*কুব্জার বাসনা হরি,অন্তরে বুঝিতে পারি,*
   *তার প্রতি তবে তিনি কৃপান্বিত হন।*
*রাম আর সখা হবে,উপনীত রহে যবে,*
   *কুব্জারে তখন কন করি সম্বোধন।।*
*এইবার কহি যাহা,ধীর চিত্তে শোন তাহা,*
   *তোমার নিকটে আমি না যাব এখন।*
*দুঃখ না রাখি অন্তরে,যাও তুমি ঘরে ফিরে,*
   *পশ্চাতে তোমার গৃহে করিব গমন।।*
*অগ্রে কংসে বধি প্রাণে,রক্ষা করি মিত্রগণে,*
   *অবশ‍্য বাসনা তব করিব পূরণ।*
*জেনো আমার বচন,নহে অলীক কখন,*
   *হৃষ্ট মনে কর তুমি স্বগৃহে গমন*।।
🔴🔵🌑🔴🔵🌑⚪🔷🔶🔴🔵🔶⚪
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






adds