শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

পরম পবিত্র উৎপন্না একাদশী মাহাত্ম্য 🙇 সংগৃহীত 🙇 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/11/ekadoshi.html


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧


🆕  পরম পবিত্র উৎপন্না একাদশী মাহাত্ম্য 🙇 সংগৃহীত 🙇 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/11/ekadoshi.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧


অর্জুন বললেন হে দেব! অগ্রহায়ণের পুণ্যপ্রদায়ী কৃষ্ণপক্ষের একাদশীকে কেন ‘উৎপন্না’ বলা হয় এবং কি জন্যই বা এই একাদশী পরম পবিত্র ও দেবতাদেরও প্রিয়, তা জানতে ইচ্ছা করি। আপনি কৃপা করে আমাকে তা বলুন। শ্রীভগবান বললেন-হে পৃথাপুত্র! পূর্বে সত্যযুগে ‘মুর’ নামে এক দানব ছিল। অদ্ভুত আকৃতিবিশিষ্ট সেই দানবের স্বভাব ছিল অত্যন্ত কোপন। সে দেবতাদেরও ভীতিপ্রদ ছিল। যুদ্ধে দেবতাদের এমনকি স্বর্গরাজ ইন্দ্রকে পর্যন্ত পরাজিত করে স্বর্গ থেকে বিতারিত করেছিল।এইভাবে দেবতারাপৃথিবীতে বিচরণ করতে বাধ্য হয়েছিল।
.
তখন দেবতারা মহাদেবের কাছে গিয়ে নিজেদের সমস্ত দু:খ সবিস্তারে জানালেন। শুনে মহাদেব বললেন-হেদেবরাজ! যেখানে শরণাগত বৎসল জগন্নাথ, গরুধ্বজ বিরাজ করছেন, তোমরা সেখানে যাও। তিনি আশ্রিতদের পরিত্রাণকারী। তিনি নিশ্চয়ই তোমাদের মঙ্গল বিধান করবেন।দেবাদি দেবের কথামতো দেবরাজ ইন্দ্র দেবতাদের নিয়ে ক্ষীরসমুদ্রের তীরে গমন করলেন। জলে শায়িত শ্রীবিষ্ণুকে দর্শ করে দেবতারা হাতজোড়করে তাঁর স্তব করতে লাগলেন। স্তুতির মাধ্যমে নিজ নিজ দৈন্য ও দু:খের কথা তাঁরা ভগবানকে জানালেন। ইন্দ্রের কথা শুনে ভগবান নারায়ণ বললেন-হে ইন্দ্র! সেই মুর দানব কি রকম, সে কেমন শক্তিশালী, তা আমায় বল। ইন্দ্র বললেন- হে ভগবান! প্রাচীনকালে ব্রহ্ম বংশে তালজঙ্ঘা নামে এক অতি পরাক্রমী অসুর ছিল। তারই পুত্র সেই ‘মুর’ অত্যন্ত বলশালী, ভীষণউৎকট ও দেবতাদেরও ভয় উৎপাদনকারী। সে চন্দ্রাবতী নামে এক পুরীতে বাস করে।
.
স্বর্গ থেকে আমাদের বিতাড়িত করে তার স্বাজাতি কাউকেরাজা, কাউকে অন্যান্য দিকপালরূপে প্রতিষ্ঠিত করে এখন সে দেবলোক সম্পূর্ণ অধিকার করেছে। তার প্রবল প্রতাপে আজ আমরা প্রথিবীতেবিচরণ করছি। ইন্দ্রের কথা শুনে ভগবান দেবদ্রোহীদের প্রতি অত্যন্ত ক্রোধান্বিত হলেন। তিনি দেবতাদের সঙ্গে চন্দ্রবতী পুরীতে গেলেন। সেইদৈত্যরাজ শ্রীনারায়ণকে দর্শন করে পুন: পুন: গর্জন করতে লাগল। দেবতা ও অসুরের মধ্যে তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়ে ঘেল। তখন যুদ্ধক্ষেত্রেশ্রীনারায়ণকে একা দেখে সেই দানব তাঁকে ‘দাঁড়াও দাঁড়াও’ বলতে লাগল। শ্রীভগবানও ক্রোধে গর্জন করে অর্জুন বললেন হে দেব! অগ্রহায়ণের পুণ্যপ্রদায়ী কৃষ্ণপক্ষের একাদশীকে কেন 'উৎপন্না' বলা হয় এবং কি জন্যই বা এই একাদশী পরম পবিত্র ও দেবতাদেরও প্রিয়, তা জানতে ইচ্ছা করি। আপনি কৃপা করে আমাকে তা বলুন। শ্রীভগবান বললেন-হে পৃথাপুত্র! পূর্বে সত্যযুগে 'মুর' নামে এক দানব ছিল। অদ্ভুত আকৃতিবিশিষ্ট সেই দানবের স্বভাব ছিল অত্যন্ত কোপন। সে দেবতাদেরও ভীতিপ্রদ ছিল। যুদ্ধে দেবতাদের এমনকি স্বর্গরাজ ইন্দ্রকে পর্যন্ত পরাজিত করে স্বর্গ থেকে বিতারিত করেছিল।এইভাবে দেবতারাপৃথিবীতে বিচরণ করতে বাধ্য হয়েছিল।
.
তখন দেবতারা মহাদেবের কাছে গিয়ে নিজেদের সমস্ত দু:খ সবিস্তারে জানালেন। শুনে মহাদেব বললেন-হেদেবরাজ! যেখানে শরণাগত বৎসল জগন্নাথ, গরুধ্বজ বিরাজ করছেন, তোমরা সেখানে যাও। তিনি আশ্রিতদের পরিত্রাণকারী। তিনি নিশ্চয়ই তোমাদের মঙ্গল বিধান করবেন।দেবাদি দেবের কথামতো দেবরাজ ইন্দ্র দেবতাদের নিয়ে ক্ষীরসমুদ্রের তীরে গমন করলেন। জলে শায়িত শ্রীবিষ্ণুকে দর্শ করে দেবতারা হাতজোড়করে তাঁর স্তব করতে লাগলেন। স্তুতির মাধ্যমে নিজ নিজ দৈন্য ও দু:খের কথা তাঁরা ভগবানকে জানালেন। ইন্দ্রের কথা শুনে ভগবান নারায়ণ বললেন-হে ইন্দ্র! সেই মুর দানব কি রকম, সে কেমন শক্তিশালী, তা আমায় বল। ইন্দ্র বললেন- হে ভগবান! প্রাচীনকালে ব্রহ্ম বংশে তালজঙ্ঘা নামে এক অতি পরাক্রমী অসুর ছিল। তারই পুত্র সেই 'মুর' অত্যন্ত বলশালী, ভীষণউৎকট ও দেবতাদেরও ভয় উৎপাদনকারী। সে চন্দ্রাবতী নামে এক পুরীতে বাস করে।
.
স্বর্গ থেকে আমাদের বিতাড়িত করে তার স্বাজাতি কাউকেরাজা, কাউকে অন্যান্য দিকপালরূপে প্রতিষ্ঠিত করে এখন সে দেবলোক সম্পূর্ণ অধিকার করেছে। তার প্রবল প্রতাপে আজ আমরা প্রথিবীতেবিচরণ করছি। ইন্দ্রের কথা শুনে ভগবান দেবদ্রোহীদের প্রতি অত্যন্ত ক্রোধান্বিত হলেন। তিনি দেবতাদের সঙ্গে চন্দ্রবতী পুরীতে গেলেন। সেইদৈত্যরাজ শ্রীনারায়ণকে দর্শন করে পুন: পুন: গর্জন করতে লাগল। দেবতা ও অসুরের মধ্যে তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়ে ঘেল। তখন যুদ্ধক্ষেত্রেশ্রীনারায়ণকে একা দেখে সেই দানব তাঁকে 'দাঁড়াও দাঁড়াও' বলতে লাগল। শ্রীভগবানও ক্রোধে গর্জন করে বললেন-রে দুরাচার দানব আমারবাহুবল দেখ। এই বলে অসুরপক্ষীয় সমস্ত যোদ্ধাদের দিব্য বাণের আঘাতে নিহত করতে লাগলেন। তখন তারা প্রাণভয়ে নানা দিকে পালাতে লাগল।সেই সময় নারায়ণ দৈত্য সৈন্যদের মধ্যে সুদর্শন চক্র নিক্ষেপ করলেন। ফলে সমস্ত সৈন্য ধ্বংসপ্রাপ্ত হল। একমাত্র মুর অসুরই জীবিত ছিল।
.
সেঅস্ত্রযুদ্ধে নারায়ণকেও পরাজিত করল। তখন নারায়ণ দৈত্যের সাথে বাহুযুদ্ধে লিপ্ত হলেন। এইভাবে দেবতাদের হিসাবে এক হাজার বছর যুদ্ধ করেও ভগবান তাকে পরাজিত করতে পাররেন না। তখন শ্রীহরি বিশেষ চিন্তান্বিত হয়ে বদরিকাআশ্রমে গমন করলেন। সেখানে সিংহাবতী নামে একটি গুহা আছে। এই গুহাটি এক-দ্বার বিশিষ্ট এবং বারোযোজন অর্থাৎ ৮৬ মাইল বিস্তিৃত।ভগবান বিষ্ণু সেই গুহার মধ্যে শয়ন করলেন। সেই দৈত্যও তার পিছন পিছন ধাবিত হয়ে গুহার ভিতরে প্রবেশ করল। সে বিষ্ণুকে নিদ্রিত বুঝতেপারল। অত্যন্ত আনন্দিত হয়ে ভাবতে লাগল-আমার সাথে যুদ্ধে পরাজিত হয়ে বিষ্ণু এখানে গোপনে শুয়ে আছে। এখন আমি তাকে অবশ্যই বধকরব। দানবের এইরকম চিন্তার সঙ্গে সঙ্গে শ্রীবিষ্ণুর শরীর থেকে একটি কন্যা উৎপন্ন হল।এই কন্যাই 'উৎপন্না' একাদশী। তিনি রূপবতী, সৌভাগ্যশালিনী, দিব্য অস্ত্র-শস্ত্রধারিনী ও বিষ্ণু তেজসম্ভুতা বলে মহাপরাক্রমশালী ছিলেন। দৈত্যরাজসেই স্ত্রীরূপিনী দেবীর সাথে তুমুল যুদ্ধ শুরু করল। কিছুকাল যুদ্ধের পর দেবীর দিব্য তেজে অসুর ভস্মীভূত হয়ে গেল।

তারপর বিষ্ণু জেগে উঠেসেই ভস্মীভূত দানবকে দেখে বিস্মিত হলেন। এক দিব্যকন্যাকে তাঁর পাশে হাত জোর করে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলেন। বিষ্ণু বললেন-হে মহাপরাক্রান্ত উগ্রমূর্তি! এই মুর দানবকে কে বধ করল? যিনি একে হত্যা করেছে তিনি নিশ্চয়ই প্রশংসনীয় কর্ম করেছে।সেই কন্যা বললেন-হে প্রভু! আমি আপনার শরীর থেকে উৎপন্ন হয়েছি। আপনি যখন ঘুমিয়ে ছিলেন, তখন এই দানব আপনাকে বধ করতেচেয়েছিল। তা দেখে আমি তাকে বধ করেছি। আপনাদের কৃপাতেই আমি তাকে বধ করতে পেরেছি। একথা শুনে ভগবান বললেন-আমার পরাশক্তি তুমি একাদশীতে উৎপন্ন হয়েছ। তাই তোমার নাম হবে একাদশী। আমি এই ত্রিলোকে দেবতা ওঋষিদের অনেক বর প্রদান করেছি। হে ভদ্রে! তুমিও তোমার মনমতো বর প্রার্থনা কর, আমি তোমাকে তা প্রদান করব। একাদশী বললেন-হে দেবেশ! ত্রিভুবনের সর্বত্র আপনার কৃপায় সর্ববিঘ্ননাশিনী ও সর্বদায়িনী রূপে যেন পরম পুজ্য হতে পারি, এ বিধান করুন।
.
আপনার প্রতি ভক্তিবশত: যারা শ্রদ্ধাসহকারে আমার ব্রত-উপবাস করবে, তাদের সর্বসিদ্ভি লাভ হবে-এই বর প্রদান করুন। বিষ্ণু বললেন-হে কল্যাণী! তাই হোক। 'উৎপন্না' নামে প্রসিদ্ধ তোমার ব্রত পালনকারীর সমস্ত ইচ্ছা পূর্ণ হবে। তুমি তাদের সকল মনোবাসনা পূর্ণকরবে, এতে কোন সন্দেহ নেই। তোমাকে আমার শক্তি বলে মনে করি। তাই তোমার ব্রত পালনকারী সকলে আমারই পূজা করবে। এর ফলে তারামুক্তি লাভ করবে। তুমি হরিপ্রিয়া নামে জগতে বিখ্যাত হবে। তুমি ব্রতপালনকারীর শ্রত্রুবিনাশ, পরমগতি দান এবং সর্বসিদ্ধি প্রদান করতে সমর্থহবে। ভগবান বিষ্ণু এইভাবে 'উৎপন্না' একাদশীকে বরদান করে অন্তর্হিত হলেন। সমস্ত ব্রতকারী দিবারাত্রি ভক্তিপরায়ণ হয়ে এই উৎপন্না একদশীর উৎপত্তির কথা শ্রবণ-কীর্তন করলে শ্রীহরির আশীর্বাদ লাভে ধন্য হবেন।

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

   📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝
     ꧁👇📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী📖👇



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   🌷❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🌷
   🏵️❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🏵️
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧








সৌভরি মুনির কিছু কথন ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/11/souvari.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

🆕 👉 সৌভরি মুনির কিছু কথন ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/11/souvari.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*🙏সৌভরি মুনির কিছু কথন।*

*🌻চতুর্বিশ চতুর্যুগের ত্রেতাযুগে যখন সূর্য‍্যবংশাবতংশ মহারাজা মান্ধাতা পৃথিবী পালন করেন,সেই সময় সৌভরি নামক একজন মহাতপা এবং মহাতেজঃশালী ও অশেষ যোগসিদ্ধি সম্পন্ন মুনি যমুনাহ্রদে তপস‍্যা করতেন। (শ্রীমদ্ভাগবতের নবম স্কন্ধে এই সৌভরি মুনির কথা বর্ণিত আছে যে-- "যমুনান্তর্জ্জলে মগ্নস্তপ‍্যমানঃ পরংতপঃ" সৌভরিমুনি যমুনাজল মধ্যে নিমগ্ন থেকে তীব্র তপস‍্যা করতেন)। যেসময় মহামুনি সৌভরি,যমুনায় তপস‍্যা করেন,সেই সময়ে একদিন পক্ষিরাজ গরুড় ক্ষুধিত হয়ে যমুনাতীরে আগমন করেন এবং অনেকগুলি মাছের মধ্যে যেটি অনেক বড় মাছটিকে আক্রমণ করতে চেষ্টা করেন।মহামুনি সৌভরি গরুড়ের অভিপ্রায় বুঝতে পেরে গরুড়কে বললেন, হে পক্ষিরাজ!তুমি আমার সামনে আমারই আশ্রিতপ্রায় মীনগণের কোন অনিষ্ট করিও না ; তুমি এখান থেকে অন‍্য কোথাও চলে যাও।তখন কিন্তু গরুড় অত‍্যন্ত ক্ষুধিত হয়েছিলেন।সেজন‍্য তিনি মুনিবাক‍্য পালন না করে তৎক্ষণাৎ যমুনা জল হতে সেই বৃহৎকায় মাছটিকে চঞ্চুপুটে ধারণ করে যমুনাতীরের কোন বৃক্ষশাখায় বসে সেই মাছটিকে ভক্ষণ করলেন।*
*🍀এখানে বিবেচ‍্য এই যে, গরুড় শ্রীভগবানের ভক্তচূড়ামণি এবং বাহন হলেও তিনি পক্ষিদেহধারী বলে তাঁর আহার ব‍্যবহারাদি সমস্তই পক্ষির ন‍্যায় ছিল এবং তাঁর পক্ষে তা দোষাবহ নয়।মহামুনির আদেশ লঙ্ঘন করে পক্ষিরাজ গরুড় যখন যমুনাহ্রদ হতে সেই বৃহৎকায় (বিরাট আকারের) মৎস‍্যটিকে চঞ্চুপুটে বা ঠোঁটে ধরে নিয়ে গেলেন, তখন যমুনার মধ্যে ছোট মাছগুলি ভীত ও ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়িল।তা দেখে সৌভরির হৃদয়ে কৃপার সঞ্চার হল এবং তিনি যমুনাহ্রদবাসী জীবগণের মঙ্গলবিধান করবার জন্য গরুড়কে অভিশাপ করলেন যে,গরুড় যদি কখনও এই যমুনায় এসে কোনও মৎস‍্যের অনিষ্ট করে,তাহলে তার তৎক্ষণাৎ মৃত্যু হবে।মহামুনি সৌভরির অভিপ্রায় এই যে,কেবলমাত্র যমুনার মাছ ভক্ষণেই যে গরুড়ের মৃত্যু হবে এমন নয়,যমুনার মধ্যে কোনও জীবের প্রতি অত‍্যাচার করলেই গরুড়ের মৃত্যু হবে।*

*গরুড়ের যমুনাহ্রদে এসে মৎস‍্য ভক্ষণ এবং সৌভরির গরুড়কে অভিশাপ প্রদান সম্বন্ধে বিচার করলে মনে হয় যে,গরুড়ের সৌভরিমুনির আজ্ঞা লঙ্ঘন এবং প্রাণী হিংসা এই দুই অপরাধ হয়েছে। সৌভরিমুনির গরুড়কে আজ্ঞা প্রদান এবং তাঁর ভোজনে বাধা দেওয়া এই দুই অপরাধ হয়েছে।তার মধ্যে গরুড় এবং সৌভরির মহত্ব বিচার করলে দেখা যায় যে,গরুড় সিদ্ধভক্ত ও সৌভরিমুনি সাধক, সুতরাং সৌভরির আজ্ঞা লঙ্ঘনে গরুড়ের অপরাধ হয় নাই, কিন্তু গরুড়কে আজ্ঞা প্রদানে সৌভরি মুনির অপরাধ হয়েছে।গরুড় পক্ষীদেহধারী এবং ক্ষুধিত, সুতরাং মৎস‍্য ভক্ষণে প্রাণিহিংসা হলেও তাতে তাঁর অপরাধ হয় নাই ; কিন্তু ক্ষুধিত গরুড়ের ভোজনে বাধা দেওয়ায় সৌভরি মুনি মহাতপঃ প্রভাবসম্পন্ন এবং ব্রহ্মনিষ্ঠ হয়েও মীনসঙ্গী হয়ে পড়লেন এবং তাদের দুঃখ দূর করবার জন্য কৃতসঙ্কল্প হয়ে বৈষ্ণবচূড়ামণি গরুড়কে অভিশাপ প্রদান করলেন এবং তাতেও আরও মহাঅপরাধজালে জড়িত হয়ে তপো ভ্রষ্ট হয়ে গেলেন। 🌹স্কন্দ পুরাণে বর্ণিত আছে যে,বৈষ্ণবকে হনন,নিন্দন,দ্বেষ বা হিংসা করা,যথাযোগ‍্য সম্মান না করা, বৈষ্ণবের উপর ক্রুদ্ধ হওয়া এবং বৈষ্ণব দর্শনে আনন্দিত না হওয়া এই ছয়টি পতনের কারণ🌹।*
*🌻সৌভরিমুনি বৈষ্ণবচূড়ামণি গরুড়ের উপর ক্রুদ্ধ হয়েছিলেন, দ্বেষ করেছিলেন এবং তাঁর যথাযোগ্য সম্মান করে নাই,এ জন্য তিনি তপোভ্রষ্ট হয়ে গেলেন। (সাধন-ভজনে মায়া প্রবেশ করিলে সাধন-ভজন থেকে ভ্রষ্ট হতে হয়)।তার পর বিয়ে করে সংসারধর্ম পালনের জন্য উৎসুক হয়ে মহারাজ মান্ধাতার পঞ্চাশটি কন‍্যার পাণিগ্রহণ করলেন এবং তাদের সঙ্গে কিছুকাল নানারকম বিষয় ভোগ করে শেষে আবার বানপ্রস্থ আশ্রম অবলম্বন করলেন ও যথাসময়ে দেহত‍্যাগ করলেন।*
*🌷যদি বৈষ্ণব স্থানে হয় ক্ষুদ্র অপরাধ।*
*🌷মহা মহা ভজনেতে প'ড়ে যায় বাধ।।চৈঃচঃ।।*
*🌻সৌভরিমুনি যে পক্ষিরাজ গরুড়কে অভিশাপ দিয়েছিলেন,তা কালিয়নাগ জানতে পেরে ছিল। রমণক দ্বীপের অন‍্য কোনও সর্পই এই বৃত্তান্ত জানত না।কালিয় যখন গরুড়ের সঙ্গে বিরোধ করে জানতে পারল যে তার মত শত সহস্র কালিয়নাগ একত্র মিলিত হলেও গরুড়ের এক কোণা পক্ষবলেরও সমান হতে পারবে না,তখন সে প্রাণভয়ে পালিয়ে যমুনাহ্রদে এসে আশ্রয় গ্রহণ করিল।*
*কালিয় যখন গরুড়ের ভয়ে ভীত হয়ে যমুনাহ্রদে আশ্রয় নিল,তখন গরুড় আর কালিয়র পেছনে গেলেন না।সেইজন‍্য গরুড় আর কখনও যমুনাহ্রদে আগমন করতেন না, এই সুযোগে কালিয় যমুনাহ‍্রদে বাস করতে লাগল।*
*🌹কালিয়দমন লীলায় এই তত্ত্বটি পরিবেশন করা যাবে।*

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

    📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝
    ꧁👇📖 সূচীপত্র ✍️ শ্রী জয়দেব দাঁ 📖👇



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   🌷❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🌷
   🏵️❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🏵️
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧


adds