শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর অপ্রকট লীলায় শ্রীগম্ভীরা মন্দিরে দ্বিতীয় পীঠাচার্য্য শ্রীপাদ ধ্যানচন্দ্র গোস্বামী, শ্রীগম্ভীরা, শ্রীধাম পুরী 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 🔀 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/dhyan-chandra.html


  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ শ্রীপাদ ধ্যানচন্দ্র গোস্বামী, শ্রীগম্ভীরা, শ্রীধাম পুরী ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧   
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
শ্রীমন্মহাপ্রভুর পরম কৃপাপাত্র শ্রীগোপালগুরু গোস্বামী প্রভুপাদ যখন বার্দ্ধক্যদশাকে অঙ্গীকার করেন তখন শ্রীরাধাকান্তের সেবা রক্ষা করিতে একজন উপযুক্ত
সেবকলাভের জন্য শ্রীমন্মহাপ্রভুর শ্রীচরণে মানসী প্রার্থনা করেন।  একদিন স্বপ্নযোগে শ্রীমন্মহাপ্রভু শ্রীপাদ গোপালকে বলিলেন—“গোপাল! আগামী কাল প্রাতঃকালে প্রথমে যাহাকে দেখিবে তাহাকে অবিচারিত ভাবেই স্বীয় সেবকরূপে গ্রহণ করিবে।
সে তোমার অনুরূপই পরম শাস্ত্রজ্ঞ হইবে এবং শ্রীরাধাকান্তেরর সেবাসুরক্ষা করিয়া আমার মহিমা জগতে প্রকাশ করিবে।” স্বপ্নে এইরূপ শ্রীমন্মহাপ্রভুর আদেশ বাক্য শ্রবণ করিয়া শ্রীগোপালগুরু প্রভু পরানন্দ হইলেন, প্রাতঃকালে প্রাতঃকৃত্যান্তে দ্বারদেশে গিয়া প্রথমে দেখেন একপরম শান্ত মূর্ত্তি ব্রাহ্মণ যুবক তাঁহার দর্শনাকাঙ্ক্ষায় দণ্ডায়মান হইয়াছেন। ঐ যুবক শ্রীপ্রভুকে দর্শন করিয়াই তাঁহার শ্রীচরণে সাষ্টাঙ্গ প্রণাম করিলেন। শ্রীপ্রভুপাদ তাঁহাকে দেখিয়া স্বপ্নবৃত্তান্ত স্মরণ পূর্ব্বক আনন্দ সহকারে ঐ যুবককে আশীর্ব্বাদ দিলেন। যুবকের কৃষ্ণভক্তি বিভাবিত সৌম্যপ্রকৃতি দেখিয়া তাঁহাকে মন্ত্র দীক্ষাদিদান পূৰ্ব্বকআত্মসাৎ করিলেন। শ্রীপ্রভুপাদ ঐ যুবকের নাম রাখিলেন— “শ্রীধ্যানচন্দ্র”। “ধ্যানেন যঃ চন্দ্রবৎ” ইতি স ধ্যানচন্দ্রঃ। অর্থাৎ সংসারতাপে তপ্তব্যক্তিগণের পক্ষে ধ্যান দ্বারা যিনি শ্রীগৌরচন্দ্রবৎ তাপনাশকরূপে অনুভূত হন। যাঁহার ধ্যানে সংসারতাপ শান্তি হয় তিনিই ধ্যানচন্দ্র, ইহাই তাৎপর্য। অথবা “যস্য ধ্যানমেব চন্দ্রঃ চন্দ্রবৎ আহ্লাদকঃ স ধ্যানচন্দ্রঃ। অর্থাৎ যাঁহার ধ্যানই চন্দ্রবৎ আহ্লাদক। এরূপে অর্থেও তিনি ধ্যানচন্দ্র। অথবা “যো গৌরচন্দ্রস্য ধ্যানেন চন্দ্রঃ চন্দ্রবৎ স ধ্যানচন্দ্রঃ। অর্থাৎ যিনি গৌরচন্দ্রকে ধ্যান করিতে করিতে চন্দ্রের ন্যায় সমুজ্জ্বালাঙ্গ হইয়াছেন এরূপ অর্থেও তিনি ধ্যানচন্দ্র। শ্রীপাদ ধ্যানচন্দ্র মন্ত্রদীক্ষাদি গ্রহণ করিয়া সুভক্তি সহকারে শ্রীগুরুসেবা করিতে লাগিলেন। শ্রীপাদ গোপালগুরু প্রভু তাঁহাকে শ্রীরাধাকান্তসেবায় নিযুক্ত করেন। শ্রীপাদ ধ্যানচন্দ্র শ্রীগোবিন্দসেবায় কিয়ৎকাল অতিবাহিত করিলে শ্রীগুরুপাদপদ্ম (শ্রীপাদ গোপালগুরু) তাঁহাকে বৈষ্ণব বেষ (ভেক) দান করেন এবং শ্রীবৃন্দাবন ধাম দর্শন করিতে আদেশ করেন। শ্রীগুরুপাদপদ্মের আদেশে শ্রীপাদ ধ্যানচন্দ্র শ্রীবৃন্দাবন ধাম দর্শনে যাত্রা করেন। শ্রীপদ্ধতিত্রয়ের ভূমিকায় ও শ্রীগম্ভীরামাহাত্ম্যগ্রন্থে উক্ত আছে—যে পথে শ্রীমন্মহাপ্রভু শ্রীবৃন্দবান যাত্রা করিয়াছিলেন সেই ঝাড়িখণ্ডপথ দিয়া শ্রীপাদ ধ্যানচন্দ্র গোস্বামী শ্রীবৃন্দাবন যাত্রা করেন। তৎকালে সেই ঝাড়িখণ্ড পথ পূর্ব্ববৎ মহারণ্য পথই ছিল। শ্রীমন্মহাপ্রভুর পদ সঞ্চরিত সেই পথে গমন করিতে করিতে শ্রীপাদ ধ্যানচন্দ্রের হৃদয়ে শ্রীচৈতন্যের ঝাড়িখণ্ড মার্গের লীলা স্ফুরিত হইয়াছিল। সেই লীলা স্ফুরণানন্দে তিনি হা গৌরাঙ্গ! বলিয়া উচ্চ কীর্ত্তন সহ নৃত্য করিতে করিতে ঐ পথে চলিতে থাকেন। ভাবাবেশে কখন রোদন, কখন চীৎকার কখন বা মূৰ্চ্ছাপ্রাপ্তি, ইত্যাদি রূপে প্রেমাচেষ্টা প্রকাশ করিতে করিতে শ্রীপাদ চলিতেছেন, একস্থানে ঐ বন হইতে কতকগুলি দুর্বৃত্ত ব্যক্তি বাহির হইয়া তাঁহার হস্তপদ বান্ধিয়া ঐ প্রদেশে স্থিত কালীমন্দিরে তাঁহাকে লইয়া যায়। ঐ সকল দুর্বৃত্ত ব্যক্তিরা তত্রত্য রাজার পরিকর। রাজার আদেশে তাহারা পথচারী একটি নরকে প্রত্যহ দেবীর সমীপে বলিদান করিত। শ্রীপাদ ধ্যানচন্দ্রকেও সেই প্রকার করিতে দুষ্ট রাজপুরুষেরা লইয়া যায়, দেবীর সম্মুখে তাঁহাকে পরদিন প্রাতঃকালে বলি দেওয়ারজন্য ঐ মন্দিরে তাঁহার হস্তপদ বন্ধন খুলিয়া রাত্রিতে দ্বারনিরোধ করিয়া তাঁহাকে আবদ্ধ করিয়া রাখে। শ্রীপাদ ধ্যানচন্দ্রের বৈষ্ণবীয় তেজ দর্শন করিয়া দেবী পরানন্দ প্রাপ্ত হইলেন এবং পরম সৌম্যাকৃতি প্রকট করিয়া মহাবৈষ্ণব শ্রীপাদ ধ্যানচন্দ্রের নিকট কৃষ্ণমন্ত্রোপদেশ গ্রহণ করিতে ইচ্ছা করিলেন। মহাবৈষ্ণবের নিকট মন্ত্রোপদেশ গ্রহণ করিতে দেবীর ইচ্ছা উদয় হওয়া অসম্ভব নহে। কারণ শ্রীকৃষ্ণের নামপ্রেমে লুব্ধ হইয়া জগৎ মোহিনী মায়াও সাধুর নিকট উপদেশ গ্রহণ করিয়াছেন।
যথা শ্রীচৈতন্যচরিতামৃতে------
উপদেশ লঞা মায়া চলিলা পাঞা প্রীতি।
*******************************
মায়া দাসী প্রেমমর্গে ইথে কি বিস্ময়।
সাধুকৃপা নাম বিনা প্রেম নাহি হয়। (অন্ত্য ৩)
তদনন্তর দেবী ঐ রাত্রিতে দুষ্ট রাজার প্রতি স্বপ্নে ক্রোধ সহকারে বলিলেন—
আমার সম্মুখে বলি দিতে তোর দুর্বৃত্ত পরিকরগণ যে মহাপুরুষকে ধরিয়া আনিয়াছে সেই মহাপুরুষের নিকট আমি শ্রীকৃষ্ণমন্ত্র দীক্ষা গ্রহণ করিয়াছি, তিনি আমার শ্রীগুরুদেব। তাঁহার প্রতি অনিষ্ট আচরণ করিতে উদ্যত হইলেই পরিকর সহিত তোকে আমি সংহার করিব। সম্প্রতি তাঁহার নিকট তোর যে যে অপরাধ ঘটিয়াছে, তার ফলে তোর ভবিষ্যতে সৰ্ব্বনাশও ঘটিবে। যদি বাঁচিতে ও ভবিষ্যৎ মঙ্গললাভে তোর ইচ্ছা থাকে তাহা হইলে তুই পরিকরসহ আমার শ্রীগুরুদেবের চরণে আত্মসমর্পণ কর। স্বপ্নে এইরূপ দেবীর ক্রোধাক্তি শ্রবণ করিয়া ঐ দুষ্ট রাজা সাতিশয় ভীত হইয়া পড়ে এবং পরিকরদিগকেও স্বপ্ন বৃত্তান্ত বলে, তাহারাও মহাভয়ে ব্যাকুলিত হইয়া পড়ে। তাহাদের সহিত রাজা দেবীর মন্দিরে আসিয়া শ্রীপাদ ধ্যানচন্দ্রের শ্রীচরণে
সাষ্টাঙ্গ দণ্ডবং পূর্ব্বক আত্মসমর্পণ করে। শ্রীপাদ তাহাদেরপ্রতি কৃপা প্রকাশ করিয়া তাহাদিগকে মন্ত্র দীক্ষাদি দিয়া নিজের শিষ্যরূপে অঙ্গীকার করেন। শ্রীমন্মহাপ্রভুর
সাক্ষাৎ পার্ষদ শ্রীগোপালগুরু তাঁহার শিষ্য শ্রীধ্যানচন্দ্রের এতাদৃশ প্রভাব অসম্ভব নহে। শ্রীপাদ ধ্যানচন্দ্রের এতাদৃশ প্রভাবের বার্তা উৎকল দেশে সর্ব্বত্র প্রকাশ পায়। তৎকালে
বহু বুদ্ধিমান ব্যক্তি শ্রীপাদ ধ্যানচন্দ্রের অনুগত হইয়াছিলেন। শ্রীপাদ ধ্যানচন্দ্র গোস্বমী প্রভুর সবিশেষ চরিত শ্রীগম্ভীরামাহাত্ম্য নামক গ্রন্থে দেখা যায়।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧




শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর অপ্রকট লীলায় শ্রীগম্ভীরা মন্দিরে দ্বিতীয় পীঠাচার্য্য শ্রীপাদ ধ্যানচন্দ্র গোস্বামী, শ্রীগম্ভীরা, শ্রীধাম পুরী 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 🔀 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/dhyan-chandra.html


  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ শ্রীপাদ ধ্যানচন্দ্র গোস্বামী, শ্রীগম্ভীরা, শ্রীধাম পুরী ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧   
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
শ্রীমন্মহাপ্রভুর পরম কৃপাপাত্র শ্রীগোপালগুরু গোস্বামী প্রভুপাদ যখন বার্দ্ধক্যদশাকে অঙ্গীকার করেন তখন শ্রীরাধাকান্তের সেবা রক্ষা করিতে একজন উপযুক্ত
সেবকলাভের জন্য শ্রীমন্মহাপ্রভুর শ্রীচরণে মানসী প্রার্থনা করেন।  একদিন স্বপ্নযোগে শ্রীমন্মহাপ্রভু শ্রীপাদ গোপালকে বলিলেন—“গোপাল! আগামী কাল প্রাতঃকালে প্রথমে যাহাকে দেখিবে তাহাকে অবিচারিত ভাবেই স্বীয় সেবকরূপে গ্রহণ করিবে।
সে তোমার অনুরূপই পরম শাস্ত্রজ্ঞ হইবে এবং শ্রীরাধাকান্তেরর সেবাসুরক্ষা করিয়া আমার মহিমা জগতে প্রকাশ করিবে।” স্বপ্নে এইরূপ শ্রীমন্মহাপ্রভুর আদেশ বাক্য শ্রবণ করিয়া শ্রীগোপালগুরু প্রভু পরানন্দ হইলেন, প্রাতঃকালে প্রাতঃকৃত্যান্তে দ্বারদেশে গিয়া প্রথমে দেখেন একপরম শান্ত মূর্ত্তি ব্রাহ্মণ যুবক তাঁহার দর্শনাকাঙ্ক্ষায় দণ্ডায়মান হইয়াছেন। ঐ যুবক শ্রীপ্রভুকে দর্শন করিয়াই তাঁহার শ্রীচরণে সাষ্টাঙ্গ প্রণাম করিলেন। শ্রীপ্রভুপাদ তাঁহাকে দেখিয়া স্বপ্নবৃত্তান্ত স্মরণ পূর্ব্বক আনন্দ সহকারে ঐ যুবককে আশীর্ব্বাদ দিলেন। যুবকের কৃষ্ণভক্তি বিভাবিত সৌম্যপ্রকৃতি দেখিয়া তাঁহাকে মন্ত্র দীক্ষাদিদান পূৰ্ব্বকআত্মসাৎ করিলেন। শ্রীপ্রভুপাদ ঐ যুবকের নাম রাখিলেন— “শ্রীধ্যানচন্দ্র”। “ধ্যানেন যঃ চন্দ্রবৎ” ইতি স ধ্যানচন্দ্রঃ। অর্থাৎ সংসারতাপে তপ্তব্যক্তিগণের পক্ষে ধ্যান দ্বারা যিনি শ্রীগৌরচন্দ্রবৎ তাপনাশকরূপে অনুভূত হন। যাঁহার ধ্যানে সংসারতাপ শান্তি হয় তিনিই ধ্যানচন্দ্র, ইহাই তাৎপর্য। অথবা “যস্য ধ্যানমেব চন্দ্রঃ চন্দ্রবৎ আহ্লাদকঃ স ধ্যানচন্দ্রঃ। অর্থাৎ যাঁহার ধ্যানই চন্দ্রবৎ আহ্লাদক। এরূপে অর্থেও তিনি ধ্যানচন্দ্র। অথবা “যো গৌরচন্দ্রস্য ধ্যানেন চন্দ্রঃ চন্দ্রবৎ স ধ্যানচন্দ্রঃ। অর্থাৎ যিনি গৌরচন্দ্রকে ধ্যান করিতে করিতে চন্দ্রের ন্যায় সমুজ্জ্বালাঙ্গ হইয়াছেন এরূপ অর্থেও তিনি ধ্যানচন্দ্র। শ্রীপাদ ধ্যানচন্দ্র মন্ত্রদীক্ষাদি গ্রহণ করিয়া সুভক্তি সহকারে শ্রীগুরুসেবা করিতে লাগিলেন। শ্রীপাদ গোপালগুরু প্রভু তাঁহাকে শ্রীরাধাকান্তসেবায় নিযুক্ত করেন। শ্রীপাদ ধ্যানচন্দ্র শ্রীগোবিন্দসেবায় কিয়ৎকাল অতিবাহিত করিলে শ্রীগুরুপাদপদ্ম (শ্রীপাদ গোপালগুরু) তাঁহাকে বৈষ্ণব বেষ (ভেক) দান করেন এবং শ্রীবৃন্দাবন ধাম দর্শন করিতে আদেশ করেন। শ্রীগুরুপাদপদ্মের আদেশে শ্রীপাদ ধ্যানচন্দ্র শ্রীবৃন্দাবন ধাম দর্শনে যাত্রা করেন। শ্রীপদ্ধতিত্রয়ের ভূমিকায় ও শ্রীগম্ভীরামাহাত্ম্যগ্রন্থে উক্ত আছে—যে পথে শ্রীমন্মহাপ্রভু শ্রীবৃন্দবান যাত্রা করিয়াছিলেন সেই ঝাড়িখণ্ডপথ দিয়া শ্রীপাদ ধ্যানচন্দ্র গোস্বামী শ্রীবৃন্দাবন যাত্রা করেন। তৎকালে সেই ঝাড়িখণ্ড পথ পূর্ব্ববৎ মহারণ্য পথই ছিল। শ্রীমন্মহাপ্রভুর পদ সঞ্চরিত সেই পথে গমন করিতে করিতে শ্রীপাদ ধ্যানচন্দ্রের হৃদয়ে শ্রীচৈতন্যের ঝাড়িখণ্ড মার্গের লীলা স্ফুরিত হইয়াছিল। সেই লীলা স্ফুরণানন্দে তিনি হা গৌরাঙ্গ! বলিয়া উচ্চ কীর্ত্তন সহ নৃত্য করিতে করিতে ঐ পথে চলিতে থাকেন। ভাবাবেশে কখন রোদন, কখন চীৎকার কখন বা মূৰ্চ্ছাপ্রাপ্তি, ইত্যাদি রূপে প্রেমাচেষ্টা প্রকাশ করিতে করিতে শ্রীপাদ চলিতেছেন, একস্থানে ঐ বন হইতে কতকগুলি দুর্বৃত্ত ব্যক্তি বাহির হইয়া তাঁহার হস্তপদ বান্ধিয়া ঐ প্রদেশে স্থিত কালীমন্দিরে তাঁহাকে লইয়া যায়। ঐ সকল দুর্বৃত্ত ব্যক্তিরা তত্রত্য রাজার পরিকর। রাজার আদেশে তাহারা পথচারী একটি নরকে প্রত্যহ দেবীর সমীপে বলিদান করিত। শ্রীপাদ ধ্যানচন্দ্রকেও সেই প্রকার করিতে দুষ্ট রাজপুরুষেরা লইয়া যায়, দেবীর সম্মুখে তাঁহাকে পরদিন প্রাতঃকালে বলি দেওয়ারজন্য ঐ মন্দিরে তাঁহার হস্তপদ বন্ধন খুলিয়া রাত্রিতে দ্বারনিরোধ করিয়া তাঁহাকে আবদ্ধ করিয়া রাখে। শ্রীপাদ ধ্যানচন্দ্রের বৈষ্ণবীয় তেজ দর্শন করিয়া দেবী পরানন্দ প্রাপ্ত হইলেন এবং পরম সৌম্যাকৃতি প্রকট করিয়া মহাবৈষ্ণব শ্রীপাদ ধ্যানচন্দ্রের নিকট কৃষ্ণমন্ত্রোপদেশ গ্রহণ করিতে ইচ্ছা করিলেন। মহাবৈষ্ণবের নিকট মন্ত্রোপদেশ গ্রহণ করিতে দেবীর ইচ্ছা উদয় হওয়া অসম্ভব নহে। কারণ শ্রীকৃষ্ণের নামপ্রেমে লুব্ধ হইয়া জগৎ মোহিনী মায়াও সাধুর নিকট উপদেশ গ্রহণ করিয়াছেন।
যথা শ্রীচৈতন্যচরিতামৃতে------
উপদেশ লঞা মায়া চলিলা পাঞা প্রীতি।
*******************************
মায়া দাসী প্রেমমর্গে ইথে কি বিস্ময়।
সাধুকৃপা নাম বিনা প্রেম নাহি হয়। (অন্ত্য ৩)
তদনন্তর দেবী ঐ রাত্রিতে দুষ্ট রাজার প্রতি স্বপ্নে ক্রোধ সহকারে বলিলেন—
আমার সম্মুখে বলি দিতে তোর দুর্বৃত্ত পরিকরগণ যে মহাপুরুষকে ধরিয়া আনিয়াছে সেই মহাপুরুষের নিকট আমি শ্রীকৃষ্ণমন্ত্র দীক্ষা গ্রহণ করিয়াছি, তিনি আমার শ্রীগুরুদেব। তাঁহার প্রতি অনিষ্ট আচরণ করিতে উদ্যত হইলেই পরিকর সহিত তোকে আমি সংহার করিব। সম্প্রতি তাঁহার নিকট তোর যে যে অপরাধ ঘটিয়াছে, তার ফলে তোর ভবিষ্যতে সৰ্ব্বনাশও ঘটিবে। যদি বাঁচিতে ও ভবিষ্যৎ মঙ্গললাভে তোর ইচ্ছা থাকে তাহা হইলে তুই পরিকরসহ আমার শ্রীগুরুদেবের চরণে আত্মসমর্পণ কর। স্বপ্নে এইরূপ দেবীর ক্রোধাক্তি শ্রবণ করিয়া ঐ দুষ্ট রাজা সাতিশয় ভীত হইয়া পড়ে এবং পরিকরদিগকেও স্বপ্ন বৃত্তান্ত বলে, তাহারাও মহাভয়ে ব্যাকুলিত হইয়া পড়ে। তাহাদের সহিত রাজা দেবীর মন্দিরে আসিয়া শ্রীপাদ ধ্যানচন্দ্রের শ্রীচরণে
সাষ্টাঙ্গ দণ্ডবং পূর্ব্বক আত্মসমর্পণ করে। শ্রীপাদ তাহাদেরপ্রতি কৃপা প্রকাশ করিয়া তাহাদিগকে মন্ত্র দীক্ষাদি দিয়া নিজের শিষ্যরূপে অঙ্গীকার করেন। শ্রীমন্মহাপ্রভুর
সাক্ষাৎ পার্ষদ শ্রীগোপালগুরু তাঁহার শিষ্য শ্রীধ্যানচন্দ্রের এতাদৃশ প্রভাব অসম্ভব নহে। শ্রীপাদ ধ্যানচন্দ্রের এতাদৃশ প্রভাবের বার্তা উৎকল দেশে সর্ব্বত্র প্রকাশ পায়। তৎকালে
বহু বুদ্ধিমান ব্যক্তি শ্রীপাদ ধ্যানচন্দ্রের অনুগত হইয়াছিলেন। শ্রীপাদ ধ্যানচন্দ্র গোস্বমী প্রভুর সবিশেষ চরিত শ্রীগম্ভীরামাহাত্ম্য নামক গ্রন্থে দেখা যায়।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧




১১৯. সীতার ক্ষোভ, ধরিত্রিকে আহ্বান ও পাতালে প্রবেশ ❇️ কৃত্তিবাসী রামায়ণ কথন সংক্ষেপে ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 🔀 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/joydeb-dawn_29.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ꧁ ১১৯. কৃত্তিবাসী রামায়ণ কথন সংক্ষেপে 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ JoydebDaw.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
         ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
     এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ কৃত্তিবাসী রামায়ণ কথন সংক্ষেপে 🙏 সূচীপত্র ꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(১১৯)কৃত্তিবাসী রামায়ণ সংক্ষিপ্ত*
#######################
*🌻সীতার ক্ষোভ,ধরিত্রিকে আহ্বান ও পাতালে প্রবেশ🌻*
############################
*🍀প্রজানুরঞ্জনের জন্য বার বার পরীক্ষা দিতে হবে বলে অপমান বোধ করছি।সুতরাং আর আমার দেখা পাবে না, পাতালে প্রবেশ করব। সীতার অঝোর নয়নে কাঁদতে কাঁদতে ধরিত্রীর স্তুতি করতে লাগলেন,*
*🍀করিলেন সীতা পৃথিবীকে এই স্তুতি।*
*🍀সপ্ত পাতালেতে থাকি শুনে বসুমতী।।*
*🍀সীতা নিতে পৃথিবী করিল আগুসার।*
*🍀সপ্ত পাতাল হইতে হইল এক দ্বার।।*
*🌻তারপর হঠাৎ পাতাল হতে সুবর্ণ সিংহাসন উঠে এলো, এবং দশদিক আলো করে নানাবিধ বসনে পরিহিতা মূর্তিমান ধরিত্রী দেবী বিদ‍্যমান হলেন।কোলে করে সীতাকে সিংহাসনে বসালেন, এবং বললেন লোকের কথায় পরীক্ষা করতে চাও, ঐ লোক নিয়ে থাক,আমরা মায়ে ঝিয়ে পাতালে থাকব।সীতা মায়া ত‍্যাগ করে পুত্রের প্রতিও চাহিলেন না,কেবল শ্রীরামের মুখের দিকে দেখতে দেখতে সীতা পাতালে প্রবেশ করলেন।*
*🍀পাতালে যাইতে রাম সীতার ধরে চুলে।*
*🍀হস্তে চুলমুঠো রৈল সীতা গেল তলে।।*
*🍀পাতালেতে প্রবেশিয়া তিলেক না থাকি।*
*🍀স্বমূর্তি ধরিয়া স্বর্গে গেলেন জানকী।।*
*🌻লক্ষ্মী যখন স্বমহিমায় স্বর্গে গেলেন,সকল দেবতাগণ ভীষণ ভীষণ আনন্দিত হলেন।আর অযোধ‍্যানগরে প্রতি ঘরে ঘরে ক্রন্দন শুরু হল। ঐদিকে লবকুশ হাতের বীণা ফেলে মাটিতে গড়াগড়ি দিতে দিতে অঝোর নয়নে কাঁদতে লাগলেন।কাঁদতে কাঁদতে বলতে লাগলেন আজ হতে আমরা অনাথ হয়ে গেলাম,মা!মা! তুমি ফিরে এসো।পুত্রের ক্রন্দনে রাম কাতর হলেন,অন্তঃপুরে মায়ের কাছে লবকুশকে পাঠালেন।কৌশল‍্যা কৈকেয়ী ও সুমিত্রা তিনজনে প্রবোধ দিতে লাগলেন কিন্তু কোনভাবেই তাঁদের শান্ত করা যাচ্ছে না।তারপর ভরত লক্ষ্মণ ও শত্রুঘন গেলেন সান্ত্বনা দিতে।বলতে লাগলেন,*
*🍀বসাইয়া দুই ভায়ে রত্ন-সিংহাসনে।*
*🍀তিন খুড়া প্রবোধেন মধুর বচনে।।*
*🍀শুন লব শুন কুশ মোদের বচন।*
*🍀অস্থির না হও বাপু স্থির কর মন।।*
*🍀পিতা মাতা ভ্রাতা কার থাকে নিরন্তর।*
*🍀অনিত‍্য লাগিয়া কেন হইলা কাতর।।*
*🌻তোমরা কয়দিন পরে এই অযোধ‍্যার রাজা হবে, এইরকম অস্থির হলে কেমন করে প্রজা পালন করবে?দেখ!ভগীরথ গঙ্গাকে নিয়ে এসেছিলেন,*
*🍀গঙ্গা আনিলেন রাজা নাম ভগীরথ।*
*🍀তাঁর নাম গায় সদা সকল জগৎ।।*
*🌻শান্ত হও, কিন্তু কিছুতেই শান্ত হলেন না,তখন তিন খুড়া রামের কাছে নিয়ে গেলেন।*
*🙏বানান ভুল ক্ষমা করবেন🙏*
                  *ক্রমাগত*
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

১১৯. সীতার ক্ষোভ, ধরিত্রিকে আহ্বান ও পাতালে প্রবেশ ❇️ কৃত্তিবাসী রামায়ণ কথন সংক্ষেপে ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 🔀 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/joydeb-dawn_29.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ꧁ ১১৯. কৃত্তিবাসী রামায়ণ কথন সংক্ষেপে 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ JoydebDaw.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
         ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
     এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ কৃত্তিবাসী রামায়ণ কথন সংক্ষেপে 🙏 সূচীপত্র ꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(১১৯)কৃত্তিবাসী রামায়ণ সংক্ষিপ্ত*
#######################
*🌻সীতার ক্ষোভ,ধরিত্রিকে আহ্বান ও পাতালে প্রবেশ🌻*
############################
*🍀প্রজানুরঞ্জনের জন্য বার বার পরীক্ষা দিতে হবে বলে অপমান বোধ করছি।সুতরাং আর আমার দেখা পাবে না, পাতালে প্রবেশ করব। সীতার অঝোর নয়নে কাঁদতে কাঁদতে ধরিত্রীর স্তুতি করতে লাগলেন,*
*🍀করিলেন সীতা পৃথিবীকে এই স্তুতি।*
*🍀সপ্ত পাতালেতে থাকি শুনে বসুমতী।।*
*🍀সীতা নিতে পৃথিবী করিল আগুসার।*
*🍀সপ্ত পাতাল হইতে হইল এক দ্বার।।*
*🌻তারপর হঠাৎ পাতাল হতে সুবর্ণ সিংহাসন উঠে এলো, এবং দশদিক আলো করে নানাবিধ বসনে পরিহিতা মূর্তিমান ধরিত্রী দেবী বিদ‍্যমান হলেন।কোলে করে সীতাকে সিংহাসনে বসালেন, এবং বললেন লোকের কথায় পরীক্ষা করতে চাও, ঐ লোক নিয়ে থাক,আমরা মায়ে ঝিয়ে পাতালে থাকব।সীতা মায়া ত‍্যাগ করে পুত্রের প্রতিও চাহিলেন না,কেবল শ্রীরামের মুখের দিকে দেখতে দেখতে সীতা পাতালে প্রবেশ করলেন।*
*🍀পাতালে যাইতে রাম সীতার ধরে চুলে।*
*🍀হস্তে চুলমুঠো রৈল সীতা গেল তলে।।*
*🍀পাতালেতে প্রবেশিয়া তিলেক না থাকি।*
*🍀স্বমূর্তি ধরিয়া স্বর্গে গেলেন জানকী।।*
*🌻লক্ষ্মী যখন স্বমহিমায় স্বর্গে গেলেন,সকল দেবতাগণ ভীষণ ভীষণ আনন্দিত হলেন।আর অযোধ‍্যানগরে প্রতি ঘরে ঘরে ক্রন্দন শুরু হল। ঐদিকে লবকুশ হাতের বীণা ফেলে মাটিতে গড়াগড়ি দিতে দিতে অঝোর নয়নে কাঁদতে লাগলেন।কাঁদতে কাঁদতে বলতে লাগলেন আজ হতে আমরা অনাথ হয়ে গেলাম,মা!মা! তুমি ফিরে এসো।পুত্রের ক্রন্দনে রাম কাতর হলেন,অন্তঃপুরে মায়ের কাছে লবকুশকে পাঠালেন।কৌশল‍্যা কৈকেয়ী ও সুমিত্রা তিনজনে প্রবোধ দিতে লাগলেন কিন্তু কোনভাবেই তাঁদের শান্ত করা যাচ্ছে না।তারপর ভরত লক্ষ্মণ ও শত্রুঘন গেলেন সান্ত্বনা দিতে।বলতে লাগলেন,*
*🍀বসাইয়া দুই ভায়ে রত্ন-সিংহাসনে।*
*🍀তিন খুড়া প্রবোধেন মধুর বচনে।।*
*🍀শুন লব শুন কুশ মোদের বচন।*
*🍀অস্থির না হও বাপু স্থির কর মন।।*
*🍀পিতা মাতা ভ্রাতা কার থাকে নিরন্তর।*
*🍀অনিত‍্য লাগিয়া কেন হইলা কাতর।।*
*🌻তোমরা কয়দিন পরে এই অযোধ‍্যার রাজা হবে, এইরকম অস্থির হলে কেমন করে প্রজা পালন করবে?দেখ!ভগীরথ গঙ্গাকে নিয়ে এসেছিলেন,*
*🍀গঙ্গা আনিলেন রাজা নাম ভগীরথ।*
*🍀তাঁর নাম গায় সদা সকল জগৎ।।*
*🌻শান্ত হও, কিন্তু কিছুতেই শান্ত হলেন না,তখন তিন খুড়া রামের কাছে নিয়ে গেলেন।*
*🙏বানান ভুল ক্ষমা করবেন🙏*
                  *ক্রমাগত*
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

adds