শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

কমলাকর পিপলাই ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/10/blog-post_26.html

 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                     ꧁ কমলাকর পিপলাই 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*🌳কমলাকর পিপলাই🌳*
<><><><><><><><><><<<
*ধনী জমিদারের পুত্র কমলাকর পিপলাই,সুন্দরবনের কাছে খালিজুলি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। জাতিতে ব্রাহ্মণ,বাল‍্যকাল থেকেই বীতরাগ।শ্রীগৌরাঙ্গের অনুগত।প্রায়ই নবদ্বীপে আসেন কীর্তন আস্বাদন করতে। কিন্তু কী আশ্চর্য‍্য,কীর্তন শ্রবণ করে অনেকেই রোদন করেন, কমলাকরের নয়নে জল আসে না। কমলাকরের মনে ধিক্কার জাগে,কীর্তন আস্বাদন করে যারা কাঁদে না,তাঁদের মনে কি একেবারেই প্রেম ভক্তি নেই?শ্রীকৃষ্ণকথা ও কৃষ্ণ কীর্তন সর্বশ্রেষ্ঠ। না কাঁদলে হৃদকমল বিকসিত হবে কি করে?হৃদকমল বিকসিত না হলে সেখানে রাধাকৃষ্ণ এসে দাঁড়াবেন কেন?নয়নের জলেই তো নয়নের দোষ দূরীভূত হবে,নয়ন অদোষদর্শী হলেই তো সর্বভূতে শ্রীকৃষ্ণদর্শন সম্ভব হবে। পরে আর একদিন কীর্তন শ্রবণ করছেন কিন্তু নয়নে বারি বরিষণ হচ্ছে না।শত চেষ্টা করেও নয়নে জল এলো না।নিজেকে নিজে চরম অপরাধী মনে করতে লাগলেন, আর নিজেকে নিজে ধিক্কার দিচ্ছেন, রাগও হচ্ছে।কোথা থেকে কতকগুলো পিপুলের গুড়ো এনে দুইচোখে ঘসতে লাগলেন। আর যায় কোথায়!দুইনয়নে অবিরাম বারি ঝরতে লাগল। কমলাকরের এই কীর্তি দেখে অন্তর্য‍্যামী মহাপ্রভু খুশী হলেন।পিপুল দিয়ে অশ্রু বাহির করেছে বলে নাম রাখলেন "পিপলাই"। কমলাকর পিপলাই।*
*🍀যারা শ্রীমন্মহাপ্রভুর দৃষ্টিতে পড়েছেন,তখন প্রেম-ভাব-ভক্তি তো অবশ‍্য অবশ্যই হবে।* *মহাপ্রভুর আরেক প্রিয় পাত্র ধ্রুবানন্দ ব্রহ্মচারী।নিষ্কিঞ্চন,গ্রন্থীহীন।অনেক তীর্থ ভ্রমণ করে নীলাচলে গিয়েছেন।জগন্নাথ তাঁকে আদেশ করলেন,তুমি মাহেশ যাও,সেখানে আমি বলরাম ও সুভদ্রার সঙ্গে বিরাজ করব।ধ্রুবানন্দ মাহেশে ছুটে এলেন,মাহেশে এসে পুনরায় আদেশ পেলেন,গঙ্গাতীরে আমরা আছি, আমাদের নিয়ে এসে প্রতিষ্ঠিত করো। গঙ্গাতীরে তিন বিগ্রহ প্রকট হলেন, ধ্রুবানন্দ মন্দির তৈরী করে তিন বিগ্রহকে প্রতিষ্ঠিত করলেন।তারপর ধ্রুবানন্দ বৃদ্ধ হলে,তাঁর ভাবনা হল, আমার অবর্তমানে কে জগন্নাথ,বলরাম ও সুভদ্রার সেবা করবে? আবার স্বপ্নাদেশে জগন্নাথদেব বললেন,তোমার ভাবনা করতে হবে না,ঐ যে খালিজুলির কমলাকর পিপলাইকে সংবাদ দাও,সে এসে আমার সেবা করবে।সংবাদ পৌঁছল কমলাকরের কাছে।কোন জিজ্ঞাসা নেই,কাউকে কিছু না বলে,কারোর সঙ্গে পরামর্শ না করেই কমলাকর গৃহ ত‍্যাগ করলেন।তাঁর স্ত্রী পর্যন্ত জানতে পারলেন না।শ্রীজগন্নাথ তাঁর সেবায় আমাকে আহ্বান করেছেন,আমি পরম নির্বাচিত,এর বাইরে কী আর হতে পারে!কমলাকর সোজা মাহেশে এসে উপস্থিত হলেন।কি হবে ধনে-জনে,বৈভবভোগ যদি না জগন্নাথসেবায় তা উৎসর্গ করি? যিনি দিয়েছেন তাঁকেই আবার সব ফিরিয়ে দেব, *সঙ্গে আরো একটু উদ্বৃত্ত দিয়ে দেব, কি দেব?আমার অনুরাগ আর আমার নয়নবারি।কমলাকরকে পেয়ে ধ্রুবানন্দ উদ্বেল হয়ে উঠলেন। কিন্তু এ কি! কমলাকরের ছোট ভাই নিধিপতিও এসে উপস্থিত।বললেন, তুমি এখানে কেন?তুমি কি চাও? আমি দাদাকে ফিরিয়ে নিতে এসেছি,কতদিন থেকে খুঁজে বেড়াচ্ছি।বহো জায়গায় গিয়ছিলাম কোন খবর পাই নাই,শেষে ঘুরতে ঘুরতে এসে মাহেশে পেলাম।তবে আর কথা কি,বেঁধে টেনে নিয়ে যাও। নিধিপতি দাদার কাছে অনেক সাধ‍্য সাধনা করল,কমলাকর এক তিল নড়লেন না, বললেন,মাহেশ ছেড়ে, মাহেশের জগন্নাথ ছেড়ে আমি সংসারে যাব না।তবে সংসারই এখানে চলে আসুক। খালিজুলির সমস্ত সংসারকেই মাহেশে স্থানান্তরিত করা হল।ধ্রুবানন্দ নিশ্চিন্ত হয়ে নয়ন বুজলেন।কমলাকরের কন‍্যা রাধারাণী আর নিধিপতির ক‍ন‍্যা রমা,খড়দহের কামদেব পন্ডিত রাধাকে আর যোগেশ্বর পন্ডিত রমাকে বিবাহ করেন।এদেরই অনুরোধে কমলাকর নিত‍্যানন্দ প্রভুকে নিয়ে আসেন খড়দহে।কামদেবের প্রপৌত্র চাঁদ শর্মা যশোরের রাজা প্রতাপাদিত‍্যের কর্মচারী ছিলেন।মানসিংহ প্রতাপাদিত‍্যকে বন্দী করে নিয়ে গেলে চাঁদ রাজার রাধাকান্ত বিগ্রহ খড়দহে নিয়ে এসে স্থাপন করলেন।এদিকে মাহেশে কমলাকরের বংশধর রাজীবলোচনের সময় অর্থাভাবে জগন্নাথসেবার বহু ব‍্যাঘাত ঘটল, শ্রীজগন্নাথই জানেন কী করবেন,সেবা নিবেন না উপবাসে থাকবেন।ঠিক তারপরই মুর্শিদাবাদের নবাব নদীবক্ষে বিপদে পড়ল, স্বয়ং জগন্নাথ তাকে রক্ষা করলেন, আশ্রয় দিলেন মন্দিরে। নবাব তুষ্ট হয়ে জগন্নাথের সেবার জন্য জন‍্যে এক হাজার বিঘেরও বেশী জমি দান করল, বাকী সেবার জন্য কোনরকম কোন অভাব রাখল না। দ্বাদশ গোপালের একজন, কমলাকর একাত্তর বছর প্রকট থেকে বৃন্দাবনে গিয়ে লীলাসংবরণ করলেন।*
*🙏বানান, ভুল ভ্রান্তি ক্ষমা করবেন🙏*         
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
     
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






কমলাকর পিপলাই ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/10/blog-post_26.html

 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                     ꧁ কমলাকর পিপলাই 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*🌳কমলাকর পিপলাই🌳*
<><><><><><><><><><<<
*ধনী জমিদারের পুত্র কমলাকর পিপলাই,সুন্দরবনের কাছে খালিজুলি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। জাতিতে ব্রাহ্মণ,বাল‍্যকাল থেকেই বীতরাগ।শ্রীগৌরাঙ্গের অনুগত।প্রায়ই নবদ্বীপে আসেন কীর্তন আস্বাদন করতে। কিন্তু কী আশ্চর্য‍্য,কীর্তন শ্রবণ করে অনেকেই রোদন করেন, কমলাকরের নয়নে জল আসে না। কমলাকরের মনে ধিক্কার জাগে,কীর্তন আস্বাদন করে যারা কাঁদে না,তাঁদের মনে কি একেবারেই প্রেম ভক্তি নেই?শ্রীকৃষ্ণকথা ও কৃষ্ণ কীর্তন সর্বশ্রেষ্ঠ। না কাঁদলে হৃদকমল বিকসিত হবে কি করে?হৃদকমল বিকসিত না হলে সেখানে রাধাকৃষ্ণ এসে দাঁড়াবেন কেন?নয়নের জলেই তো নয়নের দোষ দূরীভূত হবে,নয়ন অদোষদর্শী হলেই তো সর্বভূতে শ্রীকৃষ্ণদর্শন সম্ভব হবে। পরে আর একদিন কীর্তন শ্রবণ করছেন কিন্তু নয়নে বারি বরিষণ হচ্ছে না।শত চেষ্টা করেও নয়নে জল এলো না।নিজেকে নিজে চরম অপরাধী মনে করতে লাগলেন, আর নিজেকে নিজে ধিক্কার দিচ্ছেন, রাগও হচ্ছে।কোথা থেকে কতকগুলো পিপুলের গুড়ো এনে দুইচোখে ঘসতে লাগলেন। আর যায় কোথায়!দুইনয়নে অবিরাম বারি ঝরতে লাগল। কমলাকরের এই কীর্তি দেখে অন্তর্য‍্যামী মহাপ্রভু খুশী হলেন।পিপুল দিয়ে অশ্রু বাহির করেছে বলে নাম রাখলেন "পিপলাই"। কমলাকর পিপলাই।*
*🍀যারা শ্রীমন্মহাপ্রভুর দৃষ্টিতে পড়েছেন,তখন প্রেম-ভাব-ভক্তি তো অবশ‍্য অবশ্যই হবে।* *মহাপ্রভুর আরেক প্রিয় পাত্র ধ্রুবানন্দ ব্রহ্মচারী।নিষ্কিঞ্চন,গ্রন্থীহীন।অনেক তীর্থ ভ্রমণ করে নীলাচলে গিয়েছেন।জগন্নাথ তাঁকে আদেশ করলেন,তুমি মাহেশ যাও,সেখানে আমি বলরাম ও সুভদ্রার সঙ্গে বিরাজ করব।ধ্রুবানন্দ মাহেশে ছুটে এলেন,মাহেশে এসে পুনরায় আদেশ পেলেন,গঙ্গাতীরে আমরা আছি, আমাদের নিয়ে এসে প্রতিষ্ঠিত করো। গঙ্গাতীরে তিন বিগ্রহ প্রকট হলেন, ধ্রুবানন্দ মন্দির তৈরী করে তিন বিগ্রহকে প্রতিষ্ঠিত করলেন।তারপর ধ্রুবানন্দ বৃদ্ধ হলে,তাঁর ভাবনা হল, আমার অবর্তমানে কে জগন্নাথ,বলরাম ও সুভদ্রার সেবা করবে? আবার স্বপ্নাদেশে জগন্নাথদেব বললেন,তোমার ভাবনা করতে হবে না,ঐ যে খালিজুলির কমলাকর পিপলাইকে সংবাদ দাও,সে এসে আমার সেবা করবে।সংবাদ পৌঁছল কমলাকরের কাছে।কোন জিজ্ঞাসা নেই,কাউকে কিছু না বলে,কারোর সঙ্গে পরামর্শ না করেই কমলাকর গৃহ ত‍্যাগ করলেন।তাঁর স্ত্রী পর্যন্ত জানতে পারলেন না।শ্রীজগন্নাথ তাঁর সেবায় আমাকে আহ্বান করেছেন,আমি পরম নির্বাচিত,এর বাইরে কী আর হতে পারে!কমলাকর সোজা মাহেশে এসে উপস্থিত হলেন।কি হবে ধনে-জনে,বৈভবভোগ যদি না জগন্নাথসেবায় তা উৎসর্গ করি? যিনি দিয়েছেন তাঁকেই আবার সব ফিরিয়ে দেব, *সঙ্গে আরো একটু উদ্বৃত্ত দিয়ে দেব, কি দেব?আমার অনুরাগ আর আমার নয়নবারি।কমলাকরকে পেয়ে ধ্রুবানন্দ উদ্বেল হয়ে উঠলেন। কিন্তু এ কি! কমলাকরের ছোট ভাই নিধিপতিও এসে উপস্থিত।বললেন, তুমি এখানে কেন?তুমি কি চাও? আমি দাদাকে ফিরিয়ে নিতে এসেছি,কতদিন থেকে খুঁজে বেড়াচ্ছি।বহো জায়গায় গিয়ছিলাম কোন খবর পাই নাই,শেষে ঘুরতে ঘুরতে এসে মাহেশে পেলাম।তবে আর কথা কি,বেঁধে টেনে নিয়ে যাও। নিধিপতি দাদার কাছে অনেক সাধ‍্য সাধনা করল,কমলাকর এক তিল নড়লেন না, বললেন,মাহেশ ছেড়ে, মাহেশের জগন্নাথ ছেড়ে আমি সংসারে যাব না।তবে সংসারই এখানে চলে আসুক। খালিজুলির সমস্ত সংসারকেই মাহেশে স্থানান্তরিত করা হল।ধ্রুবানন্দ নিশ্চিন্ত হয়ে নয়ন বুজলেন।কমলাকরের কন‍্যা রাধারাণী আর নিধিপতির ক‍ন‍্যা রমা,খড়দহের কামদেব পন্ডিত রাধাকে আর যোগেশ্বর পন্ডিত রমাকে বিবাহ করেন।এদেরই অনুরোধে কমলাকর নিত‍্যানন্দ প্রভুকে নিয়ে আসেন খড়দহে।কামদেবের প্রপৌত্র চাঁদ শর্মা যশোরের রাজা প্রতাপাদিত‍্যের কর্মচারী ছিলেন।মানসিংহ প্রতাপাদিত‍্যকে বন্দী করে নিয়ে গেলে চাঁদ রাজার রাধাকান্ত বিগ্রহ খড়দহে নিয়ে এসে স্থাপন করলেন।এদিকে মাহেশে কমলাকরের বংশধর রাজীবলোচনের সময় অর্থাভাবে জগন্নাথসেবার বহু ব‍্যাঘাত ঘটল, শ্রীজগন্নাথই জানেন কী করবেন,সেবা নিবেন না উপবাসে থাকবেন।ঠিক তারপরই মুর্শিদাবাদের নবাব নদীবক্ষে বিপদে পড়ল, স্বয়ং জগন্নাথ তাকে রক্ষা করলেন, আশ্রয় দিলেন মন্দিরে। নবাব তুষ্ট হয়ে জগন্নাথের সেবার জন্য জন‍্যে এক হাজার বিঘেরও বেশী জমি দান করল, বাকী সেবার জন্য কোনরকম কোন অভাব রাখল না। দ্বাদশ গোপালের একজন, কমলাকর একাত্তর বছর প্রকট থেকে বৃন্দাবনে গিয়ে লীলাসংবরণ করলেন।*
*🙏বানান, ভুল ভ্রান্তি ক্ষমা করবেন🙏*         
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
     
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






শ্রীশ্রীমদনমোহন জীউ 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/10/blog-post_80.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                  ꧁ শ্রীশ্রীমদনমোহন জীউ 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
         ꧁ 👇 শ্রীধাম বৃন্দাবন  🙏 সূচীপত্র👇 ꧂
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
 শ্রীগোবর্দ্ধন দাস কর্ত্তৃক বিরচিত "শ্রীশ্রীব্রজধাম এবং শ্রীগোস্বামিগণ" গ্রন্থে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় খন্ডে ১৬১ নম্বর পৃষ্ঠায় শ্রীমদনমোহন জীউর প্রসঙ্গে উল্লেখ করেছেন যে, সত্যযুগে মহারাজ অম্বরিষ স্বয়ং এই শ্রীমদনমোহন জীউর সেবা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ক্রমন্বয়ে দেবরাজ ইন্দ্র ও লঙ্কাধিপতি রাবণের হস্তগত হয়। ত্রেতা যুগবতার ভগবান শ্রীরামচন্দ্র লঙ্কা বিজয়ের পর এই শ্রীবিগ্রহ প্রাপ্ত হয় এবং সেই শ্রীবিগ্রহ জানকী দেবীকে প্রদান করেন। ক্রমান্বয়ে শ্রীশত্রুঘ্ন মথুরাস্থ লবণাসুরকে বধ করে জনগণকে শান্তিতে বসবাসের ব্যাবস্থা করেছিলেন। এই সংবাদ প্রাপ্ত হইয়া শ্রীরামচন্দ্র তাঁহাকে প্রেমের সহিত শ্রীমদনমোহন জীউর শ্রীবিগ্রহ প্রদান করেন। তিনি সেই বিগ্রহকে মথুরায় স্থাপন করেন। এতঃপর এই শ্রীবিগ্রহ একসময় কুব্জা সেবা পূজা করেছিলেন। কুব্জার দেহবাসনে ক্রমশ এই শ্রীবিগ্রহ বৃন্দাবনস্থ যমুনা তটে বালুকা দ্বারা আবৃতাবস্থায় লুপ্ত ছিল।
একদা শ্রীঅদ্বৈতপ্রভু তীর্থযাত্রায় বহির্গত হইয়া যখন বৃন্দাবনে আসেন তখন স্বপ্নাদেশে শ্রীঅদ্বৈত প্রভু আদিত্যটীলায় ভূগর্ভ হইতে শ্রীমদনমোহন জীউকে প্রকট করেন এবং বাংলার দিকে গমন করার পূর্বে মথুরাস্থ চৌবে ব্রাহ্মনের কাছে প্রদান করেন। শ্রীমদনমোহন জীউকে লাভ করার পর শ্রীদামোদর চৌবে তা মথুরায় নিয়ে গিয়ে প্রেমের সহিত সেবা-পূজা করতে থাকেন, মতান্তরে শ্রীমদনমোহন জীউ শ্রীপরশুরাম চৌবের গৃহে বালকগণের সহিত নিত্য খেলা করতেন। ইতিমধ্যে ষড়গোস্বামীর অন্যতম শ্রীপাদ সনাতন গোস্বামী শ্রীধাম বৃন্দাবন হইতে মথুরার উদ্দেশ্যে প্রত্যহ ভিক্ষার নিমিত্তে গমন করতেন। শ্রীপাদ সনাতন গোস্বামী ভিক্ষা করতে করতে দেখতে পান তাহার নিজপ্রভু বালকগণের সহিত খেলা করছেন এই রূপ অপরূপ লীলা দর্শন করে আনন্দের সহিত তিনি বৃন্দাবনে নিজ ভজন কুঠিরে ফিরে আসেন । রাত্রে তাহার আরাধ্য "শ্রীশ্রীমদনমোহন জীউ" তাহায় স্বপ্ন দেন -- "সনাতন ! তুমি চিন্তা করিও না। আমি শীঘ্রই চিরদিনের জন্য তোমার কাছে আসিব । আগামীকাল হইতে তাহাদের বাড়িতে খুব ব্যারাম দেখা দেবে, তোমাকেই আমি সেই ব্যাধির বৈদ্যরাজ হিসেবে তাহাদিকে স্বপ্ন দিব , তোমার কাছে তাহারা এই ব্যাধির নিরাময় স্বরুপ প্রণামী জানতে চাইলে তাহাদিকে বলিবে আপনাদের এক বালককে চাই, আমি প্রাণ ভরে তাহার সেবা করিব, সময় মত আপনাদের গৃহেও আসিবে, এই কথায় তাহার সন্তুষ্ট হয়ে তোমায় বালক নির্ণয়ের কথা বলিবে। তুমি যে বালকের বদনের সম্মুখে ভ্রমর পুনঃ পুনঃ গঞ্জন করতে দেখবে, তাহাকেই তুমি চাহিবে।" চৌবে হইতে শ্রীল সনাতন গোস্বামী শ্রীশ্রীমদনমোহন জীউকে লাভ করেন। সেই বালক স্বরুপ শ্রীশ্রীমদনমোহন জীউকে তিনি বৃন্দাবনে স্থাপন করেন এবং প্রেম ভক্তির সহিত শ্রীশ্রীমদনমোহন জীউর সেবা পূজা করতে থাকেন। কিছুদিন পর উৎকলের মহারাজ শ্রীপ্রতাপরুদ্রের তনয় শ্রীধাম বৃন্দাবনের উদ্দেশ্যে দুইখানি রাধা বিগ্রহ প্রেরণ করেছিলেন। কিন্তু শ্রীশ্রীমদনমোহন জীউ স্বপ্নাদেশ দেন বড় মূর্তিখানি শ্রীমতী ললিতাসখী এবং ছোট মূর্তিখানি শ্রীমতী রাধারানী। সেইজন্য শ্রীশ্রীমদনমোহন জীউর বামপার্শ্বে শ্রীমতী রাধারানীর শ্রীবিগ্রহ এবং দক্ষিণপার্শ্বে শ্রীমতী ললিতা সখীর শ্রীবিগ্রহ স্থাপন করেছিলেন।
তাহার কিছুকাল পর কালাপাহাড়ের উৎপাতের আশঙ্কায় শ্রীবিগ্রহ জয়পুরের রাজা জয়সিংহ শ্রীভগবৎ প্রেরনায় প্রেরিত হয়ে শ্রীশ্রীমদনমোহন জীউকে জয়পুরে স্থানান্তরিত করেন।
তবে মতান্তরে বৈষ্ণবগণ মনে করেন "শ্রীশ্রীমদনমোহন জীউকে" শ্রীকৃষ্ণের বড়ো ছেলে প্রদ্যুম্ন এবং তাহার সুচিহ্নিত সন্তান অনিরুদ্ধ এবং তাহার সন্তান ব্রজনাভ কর্ত্তৃক প্রকটিত।         
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
      
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧




শ্রীশ্রীমদনমোহন জীউ 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/10/blog-post_80.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                  ꧁ শ্রীশ্রীমদনমোহন জীউ 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
         ꧁ 👇 শ্রীধাম বৃন্দাবন  🙏 সূচীপত্র👇 ꧂
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
 শ্রীগোবর্দ্ধন দাস কর্ত্তৃক বিরচিত "শ্রীশ্রীব্রজধাম এবং শ্রীগোস্বামিগণ" গ্রন্থে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় খন্ডে ১৬১ নম্বর পৃষ্ঠায় শ্রীমদনমোহন জীউর প্রসঙ্গে উল্লেখ করেছেন যে, সত্যযুগে মহারাজ অম্বরিষ স্বয়ং এই শ্রীমদনমোহন জীউর সেবা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ক্রমন্বয়ে দেবরাজ ইন্দ্র ও লঙ্কাধিপতি রাবণের হস্তগত হয়। ত্রেতা যুগবতার ভগবান শ্রীরামচন্দ্র লঙ্কা বিজয়ের পর এই শ্রীবিগ্রহ প্রাপ্ত হয় এবং সেই শ্রীবিগ্রহ জানকী দেবীকে প্রদান করেন। ক্রমান্বয়ে শ্রীশত্রুঘ্ন মথুরাস্থ লবণাসুরকে বধ করে জনগণকে শান্তিতে বসবাসের ব্যাবস্থা করেছিলেন। এই সংবাদ প্রাপ্ত হইয়া শ্রীরামচন্দ্র তাঁহাকে প্রেমের সহিত শ্রীমদনমোহন জীউর শ্রীবিগ্রহ প্রদান করেন। তিনি সেই বিগ্রহকে মথুরায় স্থাপন করেন। এতঃপর এই শ্রীবিগ্রহ একসময় কুব্জা সেবা পূজা করেছিলেন। কুব্জার দেহবাসনে ক্রমশ এই শ্রীবিগ্রহ বৃন্দাবনস্থ যমুনা তটে বালুকা দ্বারা আবৃতাবস্থায় লুপ্ত ছিল।
একদা শ্রীঅদ্বৈতপ্রভু তীর্থযাত্রায় বহির্গত হইয়া যখন বৃন্দাবনে আসেন তখন স্বপ্নাদেশে শ্রীঅদ্বৈত প্রভু আদিত্যটীলায় ভূগর্ভ হইতে শ্রীমদনমোহন জীউকে প্রকট করেন এবং বাংলার দিকে গমন করার পূর্বে মথুরাস্থ চৌবে ব্রাহ্মনের কাছে প্রদান করেন। শ্রীমদনমোহন জীউকে লাভ করার পর শ্রীদামোদর চৌবে তা মথুরায় নিয়ে গিয়ে প্রেমের সহিত সেবা-পূজা করতে থাকেন, মতান্তরে শ্রীমদনমোহন জীউ শ্রীপরশুরাম চৌবের গৃহে বালকগণের সহিত নিত্য খেলা করতেন। ইতিমধ্যে ষড়গোস্বামীর অন্যতম শ্রীপাদ সনাতন গোস্বামী শ্রীধাম বৃন্দাবন হইতে মথুরার উদ্দেশ্যে প্রত্যহ ভিক্ষার নিমিত্তে গমন করতেন। শ্রীপাদ সনাতন গোস্বামী ভিক্ষা করতে করতে দেখতে পান তাহার নিজপ্রভু বালকগণের সহিত খেলা করছেন এই রূপ অপরূপ লীলা দর্শন করে আনন্দের সহিত তিনি বৃন্দাবনে নিজ ভজন কুঠিরে ফিরে আসেন । রাত্রে তাহার আরাধ্য "শ্রীশ্রীমদনমোহন জীউ" তাহায় স্বপ্ন দেন -- "সনাতন ! তুমি চিন্তা করিও না। আমি শীঘ্রই চিরদিনের জন্য তোমার কাছে আসিব । আগামীকাল হইতে তাহাদের বাড়িতে খুব ব্যারাম দেখা দেবে, তোমাকেই আমি সেই ব্যাধির বৈদ্যরাজ হিসেবে তাহাদিকে স্বপ্ন দিব , তোমার কাছে তাহারা এই ব্যাধির নিরাময় স্বরুপ প্রণামী জানতে চাইলে তাহাদিকে বলিবে আপনাদের এক বালককে চাই, আমি প্রাণ ভরে তাহার সেবা করিব, সময় মত আপনাদের গৃহেও আসিবে, এই কথায় তাহার সন্তুষ্ট হয়ে তোমায় বালক নির্ণয়ের কথা বলিবে। তুমি যে বালকের বদনের সম্মুখে ভ্রমর পুনঃ পুনঃ গঞ্জন করতে দেখবে, তাহাকেই তুমি চাহিবে।" চৌবে হইতে শ্রীল সনাতন গোস্বামী শ্রীশ্রীমদনমোহন জীউকে লাভ করেন। সেই বালক স্বরুপ শ্রীশ্রীমদনমোহন জীউকে তিনি বৃন্দাবনে স্থাপন করেন এবং প্রেম ভক্তির সহিত শ্রীশ্রীমদনমোহন জীউর সেবা পূজা করতে থাকেন। কিছুদিন পর উৎকলের মহারাজ শ্রীপ্রতাপরুদ্রের তনয় শ্রীধাম বৃন্দাবনের উদ্দেশ্যে দুইখানি রাধা বিগ্রহ প্রেরণ করেছিলেন। কিন্তু শ্রীশ্রীমদনমোহন জীউ স্বপ্নাদেশ দেন বড় মূর্তিখানি শ্রীমতী ললিতাসখী এবং ছোট মূর্তিখানি শ্রীমতী রাধারানী। সেইজন্য শ্রীশ্রীমদনমোহন জীউর বামপার্শ্বে শ্রীমতী রাধারানীর শ্রীবিগ্রহ এবং দক্ষিণপার্শ্বে শ্রীমতী ললিতা সখীর শ্রীবিগ্রহ স্থাপন করেছিলেন।
তাহার কিছুকাল পর কালাপাহাড়ের উৎপাতের আশঙ্কায় শ্রীবিগ্রহ জয়পুরের রাজা জয়সিংহ শ্রীভগবৎ প্রেরনায় প্রেরিত হয়ে শ্রীশ্রীমদনমোহন জীউকে জয়পুরে স্থানান্তরিত করেন।
তবে মতান্তরে বৈষ্ণবগণ মনে করেন "শ্রীশ্রীমদনমোহন জীউকে" শ্রীকৃষ্ণের বড়ো ছেলে প্রদ্যুম্ন এবং তাহার সুচিহ্নিত সন্তান অনিরুদ্ধ এবং তাহার সন্তান ব্রজনাভ কর্ত্তৃক প্রকটিত।         
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
      
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧




সুবুদ্ধি রায় ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/10/blog-post_67.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                           ꧁ সুবুদ্ধি রায় 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*🌻🌻🌻সুবুদ্ধি রায়🌻🌻🌻*
💐💐💐💐💐💐💐💐💐
*🌻প্রকৃত নাম সুবুদ্ধি ভাদুড়ি, পিতার নাম শ্রীকৃষ্ণ ভাদুড়ি। সুবুদ্ধি রায় এককালে গৌড়ের অধিকারী ছিলেন,তাঁর অধীনে চাকুরি করত হুসেন শাহ।হুসেন শাহকে একদিন ডেকে বললেন,একটি দীঘি খনন করতে হবে,অতি সুন্দর ভাবে একটি দীঘি খনন করবার ভার তোমায় দিলাম,দেখ যেন কোন কাজে ছিদ্র না হয়।দীঘি খনন করার প্রায় শেষ দিকে সুবুদ্ধি রায় দেখলেন কর্মের মধ্যে ক্রটি রয়েছে, তখন সুবুদ্ধি রায় হুসেন শাহকে কর্মের অপরাধের জন্য চাবুক প্রহার করলেন। পিঠের আঘাত এত গভীর হল যে ক্ষত শুকোলেও দাগ কিন্তু মিলিয়ে গেল না।কালক্রমে হুসেন শাহ গৌড়ের নবাব হলেন।প্রথম প্রথম সুবুদ্ধি রায়কে সে বহু সম্মান দেখালেন,করলেন অনেক পরিতোষ।কিন্তু একদিন হুসেন শাহ-র স্ত্রী দেখতে পেল সেই পিঠের কালো দাগ। স্বামীকে জিজ্জেস করল,এ দাগ কিসের? হুসেন শাহ আর সেইদিনের কথাগুলি ডেকে রাখতে পারলেন না, বলেই ফেললেন,সুবুদ্ধি রায় আমাকে চাবুক প্রহার করেছিলেন, কিন্তু আমার দোষেই,শুনে স্ত্রী ক্রোধান্বিত হয়ে বলল,যাও তুমিও সুবুদ্ধি রায়কে চাবুক প্রহার কর,এখুনি?তারপর তাকে প্রয়োজনে বধ কর? হুসেন শাহ বললেন,তা আমি পারব না,সুবুদ্ধি রায় আমার পূর্ব মনিব,আমার পালনকর্তা,পিতৃতুল‍্য,তাঁকে প্রাণে মারা অধর্ম হবে।তখন স্ত্রী বলল,তাহলে জাতে মার? শাহ বললেন,জাতে মারলে তো তিনি প্রাণে বাঁচবেন না। কিন্তু স্ত্রী কিছুতেই নিবৃত্ত হল না,স্বামীকে দিনরাত উত্তেজিত,উত্ত‍্যক্ত করতে লাগল। তারপর সুবুদ্ধি রায়কে ডেকে এনে তার মুখে "করোয়ার" জল ঢেলে দিল হুসেন শাহ। সুবুদ্ধি রায়ের জাত গেল, প্রায়শ্চিত্তের জন্য তিনি কাশীতে এসে পন্ডিতদের কাছে বিধান চাইলেন।কেউ বললেন,তপ্ত ঘৃত খেয়ে প্রাণত‍্যাগ করাই একমাত্র প্রায়শ্চিত্ত। আবার কেহ বললেন,নিজের ইচ্ছেই তো তিনি করোয়ার জল খাননি, ও অবস্থায় অতবড় শাস্তি অবিধেয়।কী করবেন,কোথায় যাবেন, সুবুদ্ধি রায় অস্থির চিত্তে দিন যাপন করতে লাগলেন।ভগবানের অসীম কৃপায়, এমন সময়ে বৃন্দাবনের পথে কাশীতে মহাপ্রভু এলেন। সুবুদ্ধি রায় জানতে পারলেন যে কোন এক নবীন সন্ন‍্যাসী কাশীতে এসেছেন,তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সুবুদ্ধি রায়, সুবুদ্ধি চাইলেন। মহাপ্রভু বললেন, তুমি বৃন্দাবনে যাও, নিরন্তর হরি স্মরণ কর, এই হরিস্মরণই শ্রেষ্ঠ প্রায়শ্চিত্ত। অনুক্ষণ কৃষ্ণনাম কীর্তন করো,এই নামাভাসেই তোমার সমস্ত পাপদোষ যাবে, আর নাম করতে করতেই শ্রীকৃষ্ণচরণ পাবে।*
*🌻হরিনাম পরম পাবন।অশুচিকে শুচি করে,অতীর্থকে তীর্থ করে। হেলায়, অশ্রদ্ধায় এমন কি বাক‍্য-পূরণেও নামোচ্চারণ করলে ফল লাভ হয়।*
*খাইতে শুইতে যথা তথা নাম লয়*
*দেশ কাল নিয়ম নাহি সর্বসিদ্ধি হয়।।*
*🌻শুধু নাম নহে,নামাভ‍্যাসেও হবে। "রত্ন যেখানেই রাখো,সিন্দুকেই হোক বা ছাইয়ের গাদায়ই হোক,তার সমান মূল‍্য"। পুরো নাম তো বটেই,নামবদ্ধ নামের অক্ষরগুলোও অপ্রাকৃত চিন্ময়।তাই নামের মত নাম‍াভ‍্যাসেও প্রচণ্ড শক্তি। শূকরের দন্তে আহত হয়ে যবন "হারাম" "হারাম" বলে ডেকে মুক্তি পেয়েছিল।বলছে শূকর, ডাকা হচ্ছে রামকে।একেই বলে নামাভ‍্যাসে মুক্তি।নামাভ‍্যাসেই যদি এত শক্তি তাহলে স্পষ্ট নামোচ্চারণ যে প্রত‍্যক্ষ ফল দেবে তাতে আর কারও সন্দেহ থাকতে পারে? নামের উচ্চারণ যদি অশুদ্ধ হয়, এমনকি অসম্পূর্ণও হয়, কিছু এসে যাবে না,ঐ ভ্রমে ও ন‍্যূনতায়ও নামপ্রভাব অম্লান থাকবে।সমস্ত প্রারব্ধ পাপেরও নাশ এই নামেই।আর নাম এবং নামী অভিন্ন বলে নামীর যেমন মহিমা,নামেরও তেমনি।*
         *ক্রমশ*

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                           ꧁ সুবুদ্ধি রায় 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*সুবুদ্ধি রায় শ্রীমন্মহাপ্রভুর কথামত বৃন্দাবনের দিকে যাত্রা করলেন।প্রয়াগ অযোধ‍্যা হয়ে পৌঁছলেন নৈমিষারণ‍্যে। সেখান থেকে মথুরায়।মথুরায় এসে শুনলেন মহাপ্রভু ব্রজভূমি দর্শন করে ফিরে গেছেন। সুবুদ্ধি রায় ভেবেছিলেন,আর একবার হয়ত মহাপ্রভুর সঙ্গে সাক্ষাৎ হবে! কিন্তু তা হল না।বৃন্দাবনে পৌঁছে কী করে তিনি জীবিকা নির্বাহ করবেন! জঙ্গল থেকে শুকনো কাঠ এনে বাজারে বিক্রি করতে লাগলেন।কাঠ এনে কি করেন?দড়ি দিয়ে বেঁধে,কাঁধে করে বহে,বেচে পায় কত?এক বোঝা মাত্র পাঁচ পয়সা, খদ্দের সদয় হলে বড়জোর ছয় পয়সা। তার থেকে এক পয়সা দিয়ে চানা-চাবানা কিনে নিজে খায় আর বাকী পয়সা বেনের দোকানে জমিয়ে রাখেন।জমা পয়সায় গরীব দুঃখী,সাধু-সন্ন‍্যাসীর সেবা করেন।আর যদি সে বাঙ্গালী বৈষ্ণব হন,তাহলে তাঁর জন‍্যে অঙ্গে মাখবার তেল কেনে,শুখা রুটির পরিবর্তে দুটি অন্নের যোগাড় করেন, নিজের জন্য কিন্তু সেই শুকনো চানার বেশী কিছু নয়, না কখনো না।*
*🌻যে সুবুদ্ধি রায় একদিন অধিকারী ছিলেন,কত দাস-দাসী ছিল,কত তাঁর ভোগের উপকরণ, আজ সে কিনা এক পয়সার চানা কিনে খেয়ে দিনযাপন করছেন।মহাপ্রভুর কৃপায় তিনি বৈরাগ‍্য ভূষণ লাভ করেছেন।পরাপেক্ষা নেই,নিজেতেই নিজের নির্ভর,নেই বিন্দুমাত্র অপ্রসাদ।যেটুকু সঞ্চয় সেটুকুও নিজের ভোগের জন্য নহে, দীনদরিদ্র,বৈষ্ণব সেবার জন্য।শ্রীরূপ ও অনুপম মথুরায় এলেন, সংবাদ পেয়ে তিনি দেখা করতে গেলেন। দুইভাইকে দ্বাদশবন ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখালেন। কিন্তু মাসখানেকের বেশী তাঁরা থাকতে পারলেন না, পরে শ্রীসনাতন গোস্বামী কাশীতে এসেছেন সংবাদ পেয়ে চললেন কাশীগঙ্গাতীরের পথ দিয়ে মহাপ্রভু গিয়েছেন শুনে তাঁরা সেই পথ ধরলেন।ওদিকে সনাতন গোস্বামী বৃন্দাবন যাত্রা করলেন রাজপথ দিয়ে,উভয়ের উল্টো পথযাত্রা।তাই কারোর সঙ্গে কারো দেখা হল না।প্রয়াগে পৌঁছে শ্রীরূপ ও অনুপম খবর পেলেন শ্রীসনাতন মথুরায় গিয়েছেন আর সনাতন মথুরায় পৌঁছে জানলেন, যদিও শ্রীরূপ ও অনুপম মথুরায়ই ফিরছিলেন,তাঁরা তখন প্রয়াগে।সনাতন গোস্বামীকে পেয়ে সুবুদ্ধি রায়ের আনন্দ আর ধরে না। কিন্তু কঠোর তপস্বী,মহাবিরক্ত সনাতনের দেহসুখে স্পৃহা নেই, তাই সুবুদ্ধির স্নেহ-ব‍্যবহার তাঁর কাছে লোভনীয় নয়।যিনি তীব্র বৈরাগ‍্যে প্রতিষ্ঠিত, কী হবে তাঁর দেহস্বাচ্ছন্দে? বৃন্দাবনে পরবর্তীকালে যে আনন্দনিকেতন গড়ে উঠেছিল তার ভিত্তির প্রথম প্রস্তর সুবুদ্ধি রায়।*
*🙏বানান, ভুল মার্জনীয়🙏*        
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
   
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧




সুবুদ্ধি রায় ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/10/blog-post_67.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                           ꧁ সুবুদ্ধি রায় 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*🌻🌻🌻সুবুদ্ধি রায়🌻🌻🌻*
💐💐💐💐💐💐💐💐💐
*🌻প্রকৃত নাম সুবুদ্ধি ভাদুড়ি, পিতার নাম শ্রীকৃষ্ণ ভাদুড়ি। সুবুদ্ধি রায় এককালে গৌড়ের অধিকারী ছিলেন,তাঁর অধীনে চাকুরি করত হুসেন শাহ।হুসেন শাহকে একদিন ডেকে বললেন,একটি দীঘি খনন করতে হবে,অতি সুন্দর ভাবে একটি দীঘি খনন করবার ভার তোমায় দিলাম,দেখ যেন কোন কাজে ছিদ্র না হয়।দীঘি খনন করার প্রায় শেষ দিকে সুবুদ্ধি রায় দেখলেন কর্মের মধ্যে ক্রটি রয়েছে, তখন সুবুদ্ধি রায় হুসেন শাহকে কর্মের অপরাধের জন্য চাবুক প্রহার করলেন। পিঠের আঘাত এত গভীর হল যে ক্ষত শুকোলেও দাগ কিন্তু মিলিয়ে গেল না।কালক্রমে হুসেন শাহ গৌড়ের নবাব হলেন।প্রথম প্রথম সুবুদ্ধি রায়কে সে বহু সম্মান দেখালেন,করলেন অনেক পরিতোষ।কিন্তু একদিন হুসেন শাহ-র স্ত্রী দেখতে পেল সেই পিঠের কালো দাগ। স্বামীকে জিজ্জেস করল,এ দাগ কিসের? হুসেন শাহ আর সেইদিনের কথাগুলি ডেকে রাখতে পারলেন না, বলেই ফেললেন,সুবুদ্ধি রায় আমাকে চাবুক প্রহার করেছিলেন, কিন্তু আমার দোষেই,শুনে স্ত্রী ক্রোধান্বিত হয়ে বলল,যাও তুমিও সুবুদ্ধি রায়কে চাবুক প্রহার কর,এখুনি?তারপর তাকে প্রয়োজনে বধ কর? হুসেন শাহ বললেন,তা আমি পারব না,সুবুদ্ধি রায় আমার পূর্ব মনিব,আমার পালনকর্তা,পিতৃতুল‍্য,তাঁকে প্রাণে মারা অধর্ম হবে।তখন স্ত্রী বলল,তাহলে জাতে মার? শাহ বললেন,জাতে মারলে তো তিনি প্রাণে বাঁচবেন না। কিন্তু স্ত্রী কিছুতেই নিবৃত্ত হল না,স্বামীকে দিনরাত উত্তেজিত,উত্ত‍্যক্ত করতে লাগল। তারপর সুবুদ্ধি রায়কে ডেকে এনে তার মুখে "করোয়ার" জল ঢেলে দিল হুসেন শাহ। সুবুদ্ধি রায়ের জাত গেল, প্রায়শ্চিত্তের জন্য তিনি কাশীতে এসে পন্ডিতদের কাছে বিধান চাইলেন।কেউ বললেন,তপ্ত ঘৃত খেয়ে প্রাণত‍্যাগ করাই একমাত্র প্রায়শ্চিত্ত। আবার কেহ বললেন,নিজের ইচ্ছেই তো তিনি করোয়ার জল খাননি, ও অবস্থায় অতবড় শাস্তি অবিধেয়।কী করবেন,কোথায় যাবেন, সুবুদ্ধি রায় অস্থির চিত্তে দিন যাপন করতে লাগলেন।ভগবানের অসীম কৃপায়, এমন সময়ে বৃন্দাবনের পথে কাশীতে মহাপ্রভু এলেন। সুবুদ্ধি রায় জানতে পারলেন যে কোন এক নবীন সন্ন‍্যাসী কাশীতে এসেছেন,তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সুবুদ্ধি রায়, সুবুদ্ধি চাইলেন। মহাপ্রভু বললেন, তুমি বৃন্দাবনে যাও, নিরন্তর হরি স্মরণ কর, এই হরিস্মরণই শ্রেষ্ঠ প্রায়শ্চিত্ত। অনুক্ষণ কৃষ্ণনাম কীর্তন করো,এই নামাভাসেই তোমার সমস্ত পাপদোষ যাবে, আর নাম করতে করতেই শ্রীকৃষ্ণচরণ পাবে।*
*🌻হরিনাম পরম পাবন।অশুচিকে শুচি করে,অতীর্থকে তীর্থ করে। হেলায়, অশ্রদ্ধায় এমন কি বাক‍্য-পূরণেও নামোচ্চারণ করলে ফল লাভ হয়।*
*খাইতে শুইতে যথা তথা নাম লয়*
*দেশ কাল নিয়ম নাহি সর্বসিদ্ধি হয়।।*
*🌻শুধু নাম নহে,নামাভ‍্যাসেও হবে। "রত্ন যেখানেই রাখো,সিন্দুকেই হোক বা ছাইয়ের গাদায়ই হোক,তার সমান মূল‍্য"। পুরো নাম তো বটেই,নামবদ্ধ নামের অক্ষরগুলোও অপ্রাকৃত চিন্ময়।তাই নামের মত নাম‍াভ‍্যাসেও প্রচণ্ড শক্তি। শূকরের দন্তে আহত হয়ে যবন "হারাম" "হারাম" বলে ডেকে মুক্তি পেয়েছিল।বলছে শূকর, ডাকা হচ্ছে রামকে।একেই বলে নামাভ‍্যাসে মুক্তি।নামাভ‍্যাসেই যদি এত শক্তি তাহলে স্পষ্ট নামোচ্চারণ যে প্রত‍্যক্ষ ফল দেবে তাতে আর কারও সন্দেহ থাকতে পারে? নামের উচ্চারণ যদি অশুদ্ধ হয়, এমনকি অসম্পূর্ণও হয়, কিছু এসে যাবে না,ঐ ভ্রমে ও ন‍্যূনতায়ও নামপ্রভাব অম্লান থাকবে।সমস্ত প্রারব্ধ পাপেরও নাশ এই নামেই।আর নাম এবং নামী অভিন্ন বলে নামীর যেমন মহিমা,নামেরও তেমনি।*
         *ক্রমশ*

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                           ꧁ সুবুদ্ধি রায় 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*সুবুদ্ধি রায় শ্রীমন্মহাপ্রভুর কথামত বৃন্দাবনের দিকে যাত্রা করলেন।প্রয়াগ অযোধ‍্যা হয়ে পৌঁছলেন নৈমিষারণ‍্যে। সেখান থেকে মথুরায়।মথুরায় এসে শুনলেন মহাপ্রভু ব্রজভূমি দর্শন করে ফিরে গেছেন। সুবুদ্ধি রায় ভেবেছিলেন,আর একবার হয়ত মহাপ্রভুর সঙ্গে সাক্ষাৎ হবে! কিন্তু তা হল না।বৃন্দাবনে পৌঁছে কী করে তিনি জীবিকা নির্বাহ করবেন! জঙ্গল থেকে শুকনো কাঠ এনে বাজারে বিক্রি করতে লাগলেন।কাঠ এনে কি করেন?দড়ি দিয়ে বেঁধে,কাঁধে করে বহে,বেচে পায় কত?এক বোঝা মাত্র পাঁচ পয়সা, খদ্দের সদয় হলে বড়জোর ছয় পয়সা। তার থেকে এক পয়সা দিয়ে চানা-চাবানা কিনে নিজে খায় আর বাকী পয়সা বেনের দোকানে জমিয়ে রাখেন।জমা পয়সায় গরীব দুঃখী,সাধু-সন্ন‍্যাসীর সেবা করেন।আর যদি সে বাঙ্গালী বৈষ্ণব হন,তাহলে তাঁর জন‍্যে অঙ্গে মাখবার তেল কেনে,শুখা রুটির পরিবর্তে দুটি অন্নের যোগাড় করেন, নিজের জন্য কিন্তু সেই শুকনো চানার বেশী কিছু নয়, না কখনো না।*
*🌻যে সুবুদ্ধি রায় একদিন অধিকারী ছিলেন,কত দাস-দাসী ছিল,কত তাঁর ভোগের উপকরণ, আজ সে কিনা এক পয়সার চানা কিনে খেয়ে দিনযাপন করছেন।মহাপ্রভুর কৃপায় তিনি বৈরাগ‍্য ভূষণ লাভ করেছেন।পরাপেক্ষা নেই,নিজেতেই নিজের নির্ভর,নেই বিন্দুমাত্র অপ্রসাদ।যেটুকু সঞ্চয় সেটুকুও নিজের ভোগের জন্য নহে, দীনদরিদ্র,বৈষ্ণব সেবার জন্য।শ্রীরূপ ও অনুপম মথুরায় এলেন, সংবাদ পেয়ে তিনি দেখা করতে গেলেন। দুইভাইকে দ্বাদশবন ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখালেন। কিন্তু মাসখানেকের বেশী তাঁরা থাকতে পারলেন না, পরে শ্রীসনাতন গোস্বামী কাশীতে এসেছেন সংবাদ পেয়ে চললেন কাশীগঙ্গাতীরের পথ দিয়ে মহাপ্রভু গিয়েছেন শুনে তাঁরা সেই পথ ধরলেন।ওদিকে সনাতন গোস্বামী বৃন্দাবন যাত্রা করলেন রাজপথ দিয়ে,উভয়ের উল্টো পথযাত্রা।তাই কারোর সঙ্গে কারো দেখা হল না।প্রয়াগে পৌঁছে শ্রীরূপ ও অনুপম খবর পেলেন শ্রীসনাতন মথুরায় গিয়েছেন আর সনাতন মথুরায় পৌঁছে জানলেন, যদিও শ্রীরূপ ও অনুপম মথুরায়ই ফিরছিলেন,তাঁরা তখন প্রয়াগে।সনাতন গোস্বামীকে পেয়ে সুবুদ্ধি রায়ের আনন্দ আর ধরে না। কিন্তু কঠোর তপস্বী,মহাবিরক্ত সনাতনের দেহসুখে স্পৃহা নেই, তাই সুবুদ্ধির স্নেহ-ব‍্যবহার তাঁর কাছে লোভনীয় নয়।যিনি তীব্র বৈরাগ‍্যে প্রতিষ্ঠিত, কী হবে তাঁর দেহস্বাচ্ছন্দে? বৃন্দাবনে পরবর্তীকালে যে আনন্দনিকেতন গড়ে উঠেছিল তার ভিত্তির প্রথম প্রস্তর সুবুদ্ধি রায়।*
*🙏বানান, ভুল মার্জনীয়🙏*        
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
   
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧




adds