শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রীরাধাকুণ্ড ও শ্যামকুণ্ড প্রাকট্য 🙇 কার্তিক কৃষ্ণাষ্টমী ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/11/radhashyam.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

শ্রীরাধাকুণ্ড ও শ্যামকুণ্ড প্রাকট্য 🙇 কার্তিক কৃষ্ণাষ্টমী ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/11/radhashyam.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*#শ্রীরাধাকুণ্ড_ও_শ্যামকুণ্ড_প্রাকট্য।*

(#কার্তিক_কৃষ্ণাষ্টমী)

বহুলাষ্টমী বা অহৈয়াষ্টমী নামে পরিচিত এই তিথিতে রাধাকুণ্ডের প্রাকট্যজনিত স্নানযোগ। এ সময়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লক্ষ লক্ষ  ভক্ত, সাধকের আগমন হয়, রাধাকুণ্ডে স্নান করার জন্য।
 #কুম্ভমেলার স্নানে অমৃতযোগ থাকে। সে স্বর্গের ন্যায় প্রাকৃত অমৃত। তার এক কণা পাওয়ার লালসায় সকলের সম্মিলিত হয়। 
কিন্তু রাধাকুন্ডের স্নান অপ্রাকৃত প্রেমধনে ধনী হওয়ার জন্য, আনুসঙ্গে মনের কামনাও পূর্ণ হয়ে যায়। তাই কুম্ভস্নান রাধাকুণ্ডের স্নানের সঙ্গে কোন অংশেই তুল্য নয়।

রাধাকুণ্ড ও শ্যামকুণ্ড সম্বন্ধে আলোচনা করতে গেলে প্রথমে অরিষ্টাসুর সম্বন্ধে জানা প্রয়োজন। অরিষ্টাসুর শব্দের অর্থ "বৃষ+অসুর"। শ্রীগর্গ- সংহিতা গ্রন্থে আছে —  রাক্ষসরাজ বলীর পুত্র *#বরতন্তু* গুরু বৃহস্পতির কাছে বিদ্যা গ্রহন করতেন। একদিন পাঠগ্রহণ কালে তিনি গুরুর সামনে পদ প্রসারিত করল। গুরু তা দেখে রেগে বললেন, — "হে দুষ্ট! তুমি বৃষের মত আমার সামনে আচরণ করেছ, অতএব তুমি বৃষ হয়ে যাও।" এই অভিশাপে বরতন্তু বৃষরূপে অসুরত্ব প্রাপ্ত হয়ে অরিষ্টাসুর নামে পরিচিত হয়।

কংস দ্বিগবিজয় কালে সমস্ত অসুরদের পরাস্ত করে তাদের সঙ্গে সন্ধি করে যে, তারা প্রয়োজন অনুমতে  সহায়তা করবেন। সেজন্যই এবার কংস  অরিষ্টাসুরকে আহ্বান করল।
 শাপগ্রস্ত অরিষ্টাসুর কংসের নির্দেশে বৃন্দাবনে শ্রীকৃষ্ণকে হত্যা করতে আসল। অরিষ্টাসুর ব্রজে এসে সখা ও গোগণের মধ্যে গোচারণ লীলায় প্রবেশ করল। অরিষ্টাসুরের মাথায় ছিল খুব ধারালো শিং । সে পায়ের খুর দিয়ে মাটি খুঁড়তে খুঁড়তে যখন বৃন্দাবনের দিকে অগ্রসর হচ্ছিল ,তখন বনভূমিতে ভূকম্প হতে লাগলো । অরিষ্ট প্রচন্ড গর্জন করতে করতে লোকালয়ে প্রবেশ করলো । সেই ষাঁড়রূপী অসুরের গর্জন শুনে অনেক গর্ভবতী ব্রজনারী ও গাভীদের গর্ভপাত হল । সেই অসুর যখন বৃন্দাবনে লোকালয়ে প্রবেশ করলো , তখন পশুপাখী , ব্রজবাসীরা যে যেদিকে পারলো পালাতে লাগলো । তার নিষ্ঠুর নিনাদে গোপ-গোপীগণ ভয়ে ত্রস্ত হয়ে “#হা_কৃষ্ণ, #হা_কৃষ্ণ, #রক্ষা_কর” বলে চিৎকার করতে লাগল।
শ্রীকৃষ্ণ এই দেখে এগিয়ে এলেন । অরিষ্টাসুর তাঁর তীক্ষ্ণ শিং দুটি উঁচিয়ে তেড়ে আসলো । শ্রীকৃষ্ণ তাঁর শিং দুটো ধরে তাঁকে দূরে নিক্ষেপ করলো । পড়ে গিয়ে আহত অসুর পুনরায় আক্রমণ করতে আসলো । শ্রীকৃষ্ণ তার শিং দুটো ধরে পুনরায় সজোরে মাটিতে আছাড় দিলেন ও শিং দুটি ভেঙ্গে ফেললেন । এরপর শ্রীকৃষ্ণ সেই অসুরের পেছনের পা দুটো ধরে ঘুরিয়ে এক আছাড় দিলেন । কিছুক্ষণ পর রক্তবমি করতে করতে অরিষ্টাসুর প্রাণত্যাগ করল। শ্রীকৃষ্ণের হাতে নিহত হবার ফলে অরিষ্টাসুর মুক্তি পেল , ব্রজবাসীরাও ভয়মুক্ত হলেন।

সেদিন অরিষ্টাসুরকে বধ করে কৃষ্ণ যখন রাত্রে রাসস্থলীতে গেলেন, তখন গোপীগন মৃদুমন্দ হাস্য সহকারে বললেন-হে বৃষাসুর মর্দ্দন!আজ আমাদিগকে স্পর্শ করবে না,আজ তুমি বৃষকে হত্যা করেছো।

তখন কৃষ্ণ বলল -হে গোপীগন! সে তো বৃষ নয়, ভয়ঙ্কর অসুর!
 গোপীগন বললেন- শোন, বৃত্রাসুরের ব্রাহ্মন শরীর হওয়ায় তাকে বধের নিমিত্ত ইন্দ্রকে ব্রহ্মহত্যার পাপস্পর্শ করেছিল।তেমনি এরও বৃষেররূপ ছিল!

কৃষ্ণ বললেন-হে গোপকন্যাগণ! তোমরা এসব পুরাণের কথা কি করে জানলে!! গোপীগণ বলছেন- কৃষ্ণ! আমরা পূর্ণমাসী দেবীর নিকট দৈনিক পুরাণের কথা শ্রবণ করি। তার কাছেই সব জেনেছি। তোমার মত সব সময় গরু নিয়ে হৈ হৈ করে বেড়াই না।
 গোপীগনের কথা শুনে গোবিন্দ বললেন তাহলে আমি এখন কি রূপে এই পাপ হতে মুক্তি পাব?গোপীগন বললেন - তুমি যদি পৃথিবীর সমস্ত তীর্থে অবগাহন করতে পার তবেই তুমি পাপমুক্ত হবে।

কৃষ্ণ বললেন- কি! আমি যাব সমস্ত তীর্থে স্নান করতে? সব তীর্থকে আমি এখানেই ডেকে আনছি।এই বলে শ্রীকৃষ্ণ ঐ স্থানে সজোরে বাম চরনের পার্ষ্ণি দ্বারা আঘাত করলে সঙ্গে সঙ্গে পাতাল হতে ভোগবতী গঙ্গা এবং নিখিল তীর্থ এসে উপস্থিত হলে শ্রীকৃষ্ণ বললেন তোমরা আমার কুন্ডে বিরাজমান হও।শ্রীকৃষ্ণের বাক্য শুনে সমস্ত তীর্থ কুন্ডমধ্যে উপস্থিত হল।তখন কৃষ্ণ বললেন - হে প্রিয়ে! দেখো সকল তীর্থ আমার এই কুন্ডে বিরাজমান।তখন গোপীগন বললেন- তোমার কথায় বিশ্বাস করিনা।
তখন সমস্ত তীর্থ নিজ নিজ পরিচয় দিলেন- লবনসমুদ্র,ক্ষীরসমুদ্র,অমরদীর্ঘিকা,শোননদী,ভাদ্রপর্নী, পুস্কররাজ,সরস্বতী,গোদাবরী,গঙ্গা, যমুনা,সরযূ,প্রয়াগরাজ,রেবাতীর্থ - সকলেই -"এই দেখুন আমার জল" এই প্রকার বলে জলে মিশে যেতে লাগল। তখন কৃষ্ণ সেই তীর্থে স্নান করে পবিত্র হলেন,এবং বললেন আমি সর্বতীর্থময় এইকুণ্ড প্রকাশ করলাম,এইকুণ্ডে স্নান করিলে সর্বতীর্থ স্নানের ফল পাবে। শুনে শ্রীরাধা স্বীয় সখীগনকে বললেন - হে সখীগন!ওই কুণ্ডে স্নান করো না, ওর সব পাপ ওখানে রয়েছে। অতএব ওখানে যে স্নান করবে সেই পাপ তাকেও লাগবে। আমরা আলাদা কুণ্ড নির্মান করব। বলে রাধারানী বৃষাসুরের খুরের আঘাতে যে গহ্বর হয়েছিল,ঐ গহ্বরের নরম মৃত্তিকা কঙ্কন দ্বারা খনন করে  অল্প সময়েই  এক মনোরম কুণ্ড তৈরী করে ফেললেন।
তখন
কৃষ্ণ বললেন - হে রাধে! তোমার কুণ্ড অতীব মনোরম। কিন্তু  জল  নেই, জল ছাড়া কুণ্ডের শোভা হয় না।তাই আমার কুন্ডের জল নিয়ে  তোমার কুণ্ড পূর্ন কর।
শ্রীরাধিকা বললেন - না, তাহা কদাপি নয়,কারন তোমার অবগাহনে ঐ জলও গোবধ পাতকযুক্ত হয়েছে। আমি সখীগনকে সঙ্গে নিয়ে কলসী দ্বারা মানসীগঙ্গার পবিত্র জলে  পূর্ন করব।তথাপি তোমার কুণ্ডের একবিন্দু জলও নেব না।
সখীগণ মানসীগঙ্গা থেকে জল আনতে আনতে হাঁফিয়ে উঠলো তথাপি কুণ্ডের এক কোনাও পূর্ণ হল না।
তখন শ্রীকৃষ্ণ তীর্থগনকে ইঙ্গিত করলে তারা রাধিকার চরনে দন্ডবৎ করে স্তুতি করতে লাগল। স্তুতি শুনে শ্রীরাধা প্রসন্না হলেন,ও কৃষ্ণের প্রতি একটি বিলোল কটাক্ষ করলেন,এর অর্থ দেখো তুমি তীর্থগণকে নিয়ে আসলেও তারা তোমার কুণ্ডে থাকতে চাইছে না, সবাই আমার কুণ্ডে আসতে চাইছে। 
কৃষ্ণের ইঙ্গিতে তীর্থগণ উভয় কুন্ডের মাঝের ভিত্তি ভেদন করে শ্রীকুণ্ড জলে পূর্ণ করল।
কুণ্ডের শোভা দেখে কৃষ্ণ মুগ্ধ হয়ে বলল- হে রাধে! তোমার কুণ্ডের অদ্ভুত শোভা! তুমি বর চাও।
শ্রীরাধিকা বললেন -হে প্রিয়তম! তুমি যদি আমাকে বর দিতেই চাও, তবে এই বর দাও যেন এই স্থানের নাম, আমার নামানুসারে হয়।
শ্রীকৃষ্ণ বললেন -  "তথাস্তু"।
আরো বললেন এই কুণ্ডে যে একবার স্নান করবে  তাকে তোমার তুল্য প্রেম দান করব। এই কুণ্ডের সেবা করলে আমারই সেবা করা হবে।
কালে কালে বৃন্দাবনের বহুতীর্থ লুপ্ত হল।
 মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্যদেব বৃন্দাবন ভ্রমণ করতে করতে প্রেমাবেশে *#আরিট_গ্রামে* এসে উপস্থিত হলেন। ঐ স্থানে এসে তাঁর অকস্মাৎ বাহ্যজ্ঞান ফিরে এল । আরিট গ্রামের লোকেদের কাছে প্রভু রাধাকুণ্ডের কথা জিজ্ঞাসা করলেন, —  কেউ কিছু বলতে পারল না এবং তাঁর সঙ্গী ব্রাহ্মণটিও তা জানতেন না । সর্বজ্ঞ ভগবান মহাপ্ৰভু জানলেন তীর্থলোপ হয়েছে । দুইটি ধানক্ষেতে অল্প জল ছিল,— তাতেই গিয়ে স্নান করলেন. তা দেখে গ্রামের লোকেরা বিস্মিত হলেন, তখন মহাপ্রভু শ্রীরাধাকুণ্ডের স্তব করে বললেন, — “সমস্ত গোপী থেকে যেমন শ্রীরাধা শ্ৰীকৃষ্ণের প্রেয়সী শ্রেষ্ঠা, তেমনি প্রিয়তমার সরোবর হেতু শ্রীরাধাকুণ্ডও তাঁর সেইরূপ প্রিয় । যেহেতু সৰ্ব্ব প্রেয়সীগণের মধ্যে  শ্রীরাধা শ্ৰীকৃষ্ণের অত্যন্ত বল্লভ রূপে পরিগণিত হয়েছেন, যে কুণ্ডে শ্ৰীকৃষ্ণ নিত্য শ্রীরাধিকার সঙ্গে জলে জলকেলি এবং তীরে রাসরঙ্গ করেন, সেই কুণ্ডে যে ব্যক্তি একবার মাত্র স্নান করে, শ্ৰীকৃষ্ণ তাঁকে শ্রীরাধার তুল্য প্রেম দান করেন, যেমন শ্রীরাধার মধুরিমা, সেইরূপ  কুণ্ডের মাধুরী আর যেমন শ্রীরাধার মহিমা, রাধাকুণ্ডের মহিমাও তদ্রূপই । 
মধ্যরাত্রে রাধাকুণ্ড প্রকট হয়েছিলেন এজন্য আজও সেই নিয়ম অনুসারে রাত বারোটার পর স্নান হয়। সব ভক্তগণ প্রতীক্ষা করে থাকেন, সেই মধ্যরাত্রির। রাত বারোটা বাজতেই সকলের সেকি উল্লাস! সকলেই একসঙ্গে জলে ঝাঁপিয়ে পড়েন, প্রেমানন্দে অধীর হয়ে।
আজ সেই দিন! হা রাধে!! কোথায় তুমি? আর কোথায় আমি!!🙏🙏🙏🙏😭😭😭😭
শ্রীমন্নিত্যানন্দ প্রভুর আবির্ভাব পীঠ একচক্রা ধাম। এখানেও রাধাকুণ্ড বিদ্যমান। এখানে নিত্যানন্দ প্রভু রাধাকুণ্ড প্রাকট্য লীলা অভিনয় করেছিলেন। বর্তমানে একে রাইপুকুর বলা হয়। এ বিষয়ে বিশদ জানতে "অতি গূঢ় নিত্যানন্দ"  ইউটিউব চ্যানেল সার্চ করুন।।

*জয় নিতাই!*
*নিত্যানন্দ প্রভু ও গৌড়ীয় গোস্বামী সিদ্ধান্ত সম্বলিত বিবিধ প্রসঙ্গ জানতে এই গ্রুপে অ্যাড হোন, বন্ধুদের অ্যাড করুন , লাইক,কমেন্ট ও শেয়ার করে সাথে থাকুন।*

https://www.facebook.com/groups/1370545549769377/

*এখানে ধর্মীয় ভক্তি-জ্ঞান সম্বন্ধে অনেক নতুন নতুন পোস্ট পেতে পারবেন।*
 *জয় নিতাই!*
 *জয় জয় নিতাই!!*
*🌹🌹🙏🙏🌹🌹*
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

    📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝
  ꧁👇📖সূচীপত্র ✍️ শ্রী গোপীশরণ দাস📖👇
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

      ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   🌷❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🌷
   🏵️❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🏵️
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

শ্রীল রামচন্দ্র কবিরাজ 😭 তিরোভাব কার্তিক কৃষ্ণাষ্টমী তিথি ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/11/ramchandra.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

শ্রীল রামচন্দ্র কবিরাজ 😭 তিরোভাব কার্তিক কৃষ্ণাষ্টমী তিথি ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/11/ramchandra.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*#শ্রীল_রামচন্দ্র_কবিরাজ।*

(*#তিরোভাব_কার্তিক_কৃষ্ণাষ্টমী_তিথি*।)

স্বর্ধুন্যাস্তীরভূমৌ সরজনিনগরে গৌড় ভুপাধিপাত্ৰাদ-
ব্রহ্মণ্যাদ্বিষ্ণুভক্তাদপি সুপরিচিতাৎ শ্রীচিরঞ্জীবসেনাৎ I
যঃ শ্রীরামেন্দুনামা সমজনি পরমঃ শ্রীসুনন্দাভিধায়াং
সোঽয়ং শ্রীমান্নরাখ্যে স হি কবিনৃপতিঃ সম্যগাসিদভিন্নঃII

অর্থ:- 'গঙ্গাতীরস্থ সরজনিনগরে গৌড়রাজ্যের শ্রেষ্ঠ অমাত্য দ্বিজভক্ত,বিষ্ণুভক্ত ও সুপরিচিত শ্রীচিরঞ্জীব সেন নামক পিতা হইতে ও মাতা শ্রীসুনন্দার গর্ভে শ্রীরামচন্দ্র নামক যে মহাজন জন্মগ্রহণ করেছিলেন,তিনি পরম রূপবান ;তিনি নরোত্তম - নামক কবি নৃপতির সহিত সর্ব্বতোভাবে একাত্মা ছিলেন I'

নরহরি সরকার ঠাকুরের শিষ্য ও শ্রীচৈতন্য সহচর কুমারনগরের শ্রীচিরঞ্জীব ঠাকুরের সাথে শ্রীখণ্ডের বিখ্যাত শাক্তকবি দামোদর সেনের কন্যা "সুনন্দা দেবীর" বিবাহ হয়। বিবাহের পর চিরঞ্জীব ঠাকুর শ্রীখন্ডে চলে আসেন। তাঁদের দুই পুত্র- বড় "রামচন্দ্র কবিরাজ" এবং ছোট "গোবিন্দ কবিরাজ"।
এঁরা দুই ভাই পরবর্তী কালে কুমারনগরে ফিরে গেলেও শাক্তদের উৎপীড়নে সেই স্থান ছেড়ে তেলিয়াবুধরিতে চলে আসেন।

 রামচন্দ্র কবিরাজ বিবাহ করিলেও কখনও সংসারাশ্রমে প্রবিষ্ট হন নাই I শ্রীরামচন্দ্রকে বিবাহবেশে দেখে শ্রীনিবাসাচার্য্য প্রভু উহার অসারতা সম্বন্ধে কিছু কথা বললেন, 

*#অপূর্ব_এ_রূপ_ধন্য, #নহে_আত্মভোগ_জন্য,  #যোগ্য_শুধু_গোবিন্দ_সেবার।।*

*#সংসার_বিষয়_কূপে, #ডুবাইতে_সর্বজীবে, #মায়ার_মূরতি_এই_নারী।*
*#কৃষ্ণদাস্য_ভুলাইতে, #নরক_যন্ত্রণা_দিতে, #পুরুষ_রতনে_লয়_হরি।।*

একথা শুনেই রামচন্দ্র মনে মনে ভাবছে তাইতো দুর্লভ মনুষ্য জন্ম, #শ্রীকৃষ্ণ_ভজনের জন্যই তো মিলেছে! আর আমি একি করলাম? গোবিন্দ সেবার দেহ কারে দিলাম! 
 বাড়িতে গিয়ে রামচন্দ্র আর কোন কাজে উৎসাহ পেলেন না। গৃহ অগ্নিকুন্ডের মত প্রতীত হতে লাগল। নব বিবাহিতা পত্নীকে ছেড়ে সবার অজ্ঞাতসারে সেই রাত্রে এসে ছিন্নমূল তরুর ন্যায় আছড়ে পড়লেন আচার্য প্রভুর চরণে। সেই দেখা অবধি আচার্য প্রভু প্রাণে প্রাণে কাঁদছিলেন আর ভাবছিলেন কতক্ষণে রামচন্দ্রকে কাছে পাব।এবার হারানিধি ফিরে পেয়ে, তুলে বুকে জড়িয়ে ধরলেন।
রামচন্দ্র একান্ত ভাবে শ্রীগুরু সেবায় আত্মনিয়োগ করলেন । 
শ্রীরামচন্দ্রের প্রতি স্নেহাবিষ্ট হয়ে শ্রীনিবাসাচার্য্য প্রভু তাঁহাকে দীক্ষামন্ত্র প্রদান করতঃ নিজ সেবক রূপে গ্রহণ করলেন I

ঠাকুর নরোত্তমের সঙ্গ লালসায় গঙ্গা-পদ্মা মধ্যস্থান তেলিয়াবুধুরীগ্রামে এসে বসতি স্থাপন করলেন।
 *পথের ধারে বসে থাকে __যদি, পথে যেতে দেখা হয়।*

সত্যি সত্যিই একদিন নরোত্তম ঠাকুর এসে উপস্থিত হলেন তেলিয়াবুধুরীগ্রামে। রামচন্দ্র চরণে প্রণত হলে নরোত্তম তুলে বুকে জড়িয়ে ধরলেন।ক্ষনিকের দেখায় উভয়ে এক অবিচ্ছেদ্য প্রেমবন্ধনে আবদ্ধ হলেন।

একদিন যাজিগ্রামে আচার্য প্রভু রাতের বেলায় অঙ্গনে পদচারণা করছেন।পেছনে রামচন্দ্র। হঠাৎ আচার্য বলছেন দেখ দেখ রামচন্দ্র! কত বড় বিষধর সাপ! রামচন্দ্র দেখছেন সত্যিই এক বিষধর সাপ।
 একটু পরে আচার্য প্রভু বলছেন -"আরে না না, ওটা একটা দড়ি পড়ে আছে। তখন রামচন্দ্র  দেখছেন সত্যিই একটা দড়ি পড়ে আছে।

শুধু মনে মনে মানা নয়,
 গুরুবাক্যে বিশ্বাসের বলে _ রজ্জুতে সর্প দেখে সেই কালে।
 আদর্শ শ্রীরামচন্দ্র__ শ্রীগুরু-বাক্যনিষ্ঠার ।

একদিন শ্রীনিবাস আচার্য প্রভু আদেশ দিলেন, যাও গৃহে গিয়ে পত্নী সম্ভাষণ করে এস। রামচন্দ্র অবিচারে গুরু আজ্ঞা পালন করলেন। সারাদিন গুরুদেবের সেবা করে সন্ধ্যার প্রাক্কালে গৃহে গমন করলেন।সারারাত্রি স্ত্রীর সঙ্গে গুরু কথা প্রসঙ্গে কাটালেন। এখন প্রভুর এই সেবা, এরপরে এই সেবা করি। এইভাবে গুরু কথায় রাত্রি ভোর হয়ে গেল‌। প্রাতঃকালে নিজ সেবার সময় জেনে তাড়াতাড়ি উঠে চলে আসলেন। রাস্তায় এসে মনে পড়ল, গুরুদেব বলেছিলেন স্ত্রীসম্ভাষণ করে আসতে। তা তো হয় নাই! ভুলে গিয়েছি। আবার ছুটলেন। ছুটে গিয়ে স্ত্রীকে আলিঙ্গন করলেন। সখী যেমন সখীকে আলিঙ্গন করে সেই ভাবে। রামচন্দ্রের দেহ স্মৃতি নাই। পুরুষ দেহ অভিমান দূর হয়ে গিয়েছে শ্রীগুরুকৃপায়। সেই স্বভাবে রামচন্দ্র আলিঙ্গন করলেন গুরুদেবের আজ্ঞা স্মরণ করে। রামচন্দ্র বুঝতে পারলেন না পুরুষ কিংবা প্রকৃতি কাকে আলিঙ্গন করছেন। কেবল আজ্ঞা পালনের জন্য আলিঙ্গন করলেন। সে সময় প্রিয়ার সিঁথির সিন্দুর রামচন্দ্রের কপালে লেগে গেল। সেই অবস্থায় নিজ সেবার সময় বয়ে যায় দেখে ছুটে চলে আসলেন গুরু আশ্রমে। সেসময় ঠাকুর নরোত্তম আঙ্গিনা ঝাড়ু দিচ্ছিলেন। তাকে ছুটে আসতে দেখে জিজ্ঞাসা করলেন -রামচন্দ্র! কোথায় গিয়েছিলে ?
রামচন্দ্র  সহজ সরলভাবে উত্তর দিলেন - স্ত্রীর সম্ভাষণ করতে গিয়েছিলাম। শ্রীগুরুদেবের আজ্ঞায় । এইমাত্র আসছি তার সেবা করবো বলে।
 নরোত্তম দেখলেন তার কপালে সিঁদুর লেগে আছে।
বললেন - ছি ছি রামচন্দ্র! একি তোমার ব্যবহার? ধিক্ ধিক্ তোমায়। এই অপবিত্র দেহে প্রভুর সেবা কি করে করবে? এই বলে নরোত্তম ক্রোধ করে হাতের সম্মার্জনী দিয়ে সজোরে আঘাত করলেন । রামচন্দ্র কোন প্রকার প্রতিবাদ করলেন না। নিজেকেই দোষী মনে করে, স্নান করে শ্রীগুরু সেবায় সংলগ্ন হলেন। মধ্যাহ্নকালে নরোত্তমের সেবা। আচার্য প্রভুর অঙ্গে তৈল মর্দন করতে গিয়ে দেখছেন পিঠে সেই ঝাঁটার বাড়ির দাগ। বুঝতে পারলেন নরোত্তম যে, রামচন্দ্রকে ঝাঁটার বাড়ি মেরেছিলেন! সেই দাগই আচার্য প্রভুর দেহে ফুটে উঠেছে। আত্যন্তিক মর্মাহত হলেন ।
এই হাত দিয়ে আমি তার শ্রীঅঙ্গে আঘাত করেছি! এ হাত আমি আর রাখব না। আজ রাত্রেই পুড়িয়ে ফেলব। অন্তর্যামী আচার্য প্রভু সব জানতে পারলেন। তিনি হঠাৎ বলে উঠলেন - *#এ_দেশে_বিচার_নাই_বাপরে_বাপ্*।    # *#দিনে_মারে_ঝাটার_বাড়ি_রাতে_পুড়ায়_হাত*।।*
 শুনে নরোত্তম যারপরনাই লজ্জিত হলেন।

আচার্য প্রভু বললেন- রামচন্দ্রের অঙ্গে আঘাত করাতে আমার অঙ্গে লেগেছে, আর তুমি হাত পুড়াবার সংকল্প করাতেই আমার হাত পুড়েছে।
ওটা নয় তোমার হাত, ওটা আমি করেছি আত্মসাৎ।
বলে দুজনকেই বুকে জড়িয়ে ধরলেন।

 শ্রীগুরুনিষ্ঠা প্রভাবে তিনি গুরুদেবের হৃদয়ের খবর জানতে পারতেন। একবার শ্রীনিবাস আচার্য প্রভু তিনদিন সমাধিস্থ ছিলেন। সকলে কান্নাকাটি শুরু করলেন ,হয়তো উনি দেহত্যাগ করেছেন। সেসময় রামচন্দ্র বাইরে ছিলেন। হঠাৎ এসে দেখছেন বাড়িতে কান্নার রোল। সকলকে আশ্বস্ত করে গুরুদেবের পাশেই বসলেন রামচন্দ্র কবিরাজ। ধ্যানস্থ হয়ে দেখলেন শ্রীগুরুদেব কি করছেন। দেখছেন মধুময় শ্রীধামবৃন্দাবনে যমুনায় জলবিহার হচ্ছে যুগলের। জলবিহার কালে নাকের বেশর খসে পড়ে গিয়েছে জলে। সকলে মিলে অনুসন্ধান করছেন। রামচন্দ্র কবিরাজও শ্রীগুরু আনুগত্যে খুঁজতে লাগলেন ।গুরুকৃপায় সহজেই পেয়ে গেলেন, নিয়ে শ্রীগুরুদেবকে দিলেন। শ্রীগুরুদেব তাঁর গুরুদেব গুনমঞ্জরীকে দিলেন, তিনি নিয়ে গিয়ে রূপমঞ্জরী কে দিলেন। তিনি রাধারানীর নাকে পরিয়ে দিলেন । রাধারানী বললেন- কোন সখী  পেয়েছে?
রূপমঞ্জরী বললেন -
 "এই নবদাসী পেয়েছে।"
 রাধারানী স্বচর্বিত তাম্বুল উপহার দিলেন। হাত পেতে নিলেন রামচন্দ্র। ধ্যান ভঙ্গ হলে, সে রাধারাণীর অধরামৃত চর্বিত তাম্বুল নিজহস্তে দেখতে পেলেন,তার সুবাসে চারিদিক আমোদিত হল। আচার্য প্রভু ও ফিরে আসলেন বাহ্যাবেশে, রামচন্দ্র কবিরাজ গুরুদেবকে সমর্পণ করলেন, সেই রাধারানীর প্রসাদী পান। বিতরণ করলেন   সকলকে।
রামচন্দ্রের হাতে কেমন করে এলো? রাধারানীর চর্বিত তাম্বুল? সেই দেহ এই দেহ যদি এক না হয় তাহলে কেমন করে এলো?

কেউ অসিদ্ধ মনে করো না, গৌর পরিকরের স্বরূপ।
দুই লীলা ভোগ করে__ প্রতি গৌরকিঙ্করে।
  নদীয়া লীলা ব্রজলীলা_ দুই লীলা ভোগ করে।

ব্রজ পরিকরের গৌরলীলা ভোগে যদি লোভ হয়, তবে গৌর পরিকরের আনুগত্য করতে হয়।
 আর _ #গৌর_পরিকর_দুই_লীলার_অধিকারী।

 দুই লীলা ভোগ করতে পারে __ গৌর পরিকর যদি ইচ্ছা করে।
 অপূর্ব রহস্য ভাই।

এই দেহ সেই দেহ হয়_ শ্রীগুরুচরণে যার রতি হয়।

 কেন বা হবে না?
 এই প্রাকৃত রাজ্যে দেখ!
 আরশোলা কাঁচপোকা হয়__ কাঁচপোকা ভাবতে ভাবতে।
 প্রাকৃত রাজ্য যদি এই হয় _ তবে সে রাজ্যে কেন হবে না?
 এ দেহ সেই শক্তি পায় __শ্রীগুরু আনুগত্যের ফলে।
 তার প্রত্যক্ষ প্রমাণ শ্রীরামচন্দ্র কবিরাজ।

 এমনি এক ব্যতিক্রমী চরিত্র আমরা দেখতে পাই রামচন্দ্র কবিরাজের জীবনে।শ্রীগুরুনিষ্ঠা হলে কি না হয়! এটাই দেখালেন রামচন্দ্র কবিরাজ জগতে।

বিষ্ণুপুরের রাজা বীরহাম্বীর শ্রীনিবাস আচার্য্যের শিষ্য হয়েছিলেন,কিন্তু রামচন্দ্র কবিরাজ শিক্ষাগুরু রূপে তাকে শিক্ষা প্রদান করতেন I শ্রীরামচন্দ্র কবিরাজ যেকালে বৃন্দাবনধামে অবস্থান করছিলেন,সেকালে তাঁহার শ্রীজীব গোস্বামী আদি বৈষ্ণবগণের সঙ্গ ও কৃপালাভের সৌভাগ্য হয়েছিল I বৈষ্ণবগণ তাঁহার অপূর্ব্ব কবিত্ব শ্রবণে পরিতৃপ্তি লাভ করেছিলেন I শ্রীল জীবগোস্বামী শ্রীরামচন্দ্রকে 'কবিরাজ' উপাধি প্রদান করেন I  ইনি অষ্ট - কবিরাজের অন্যতম I শ্রীল নরোত্তম ঠাকুরের প্রচার ও ভজনের ইনি প্রিয়তম সঙ্গী ছিলেন I
ইঁহার রচিত গ্রন্থাবলীর মধ্যে "স্মরণচমৎকার", "স্মরণ - দর্পণ", "সিদ্ধান্ত - চন্দ্রিকা', ''শ্রীনিবাসাচার্য্যের জীবন - চরিত'" বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য I শ্রীল নরোত্তম ঠাকুর তাঁহার রচিত 'প্রার্থনা' গীতিতে রামচন্দ্র কবিরাজের সঙ্গ কামনা করেছেন I

‘’দয়া কর শ্রীআচার্য প্রভু শ্রীনিবাস I
 রামচন্দ্র সঙ্গ মাগে নরোত্তম দাস।।‘’

 কিছুইতো চাইলেন না।
 গুরু গৌর-গোবিন্দ- কিছুইতো চাইলেন না।
ঠাকুর নরোত্তমের শেষ প্রার্থনা।
এই করো শ্রীগুরুদেব।

যদি জন্ম হয় পুনঃ, পাই- রামচন্দ্র সঙ্গ যেন , তবে নরোত্তম হয় ধন্য।।
বাঁধা পড়ে সে আধারে।
 গুরু গৌর গোবিন্দ- বাঁধা পড়ে সে আধারে।
 যে গুরুপদে বিকায়েছে- বাধা পড়ে সে আঁধারে_ গুরু গৌর-গোবিন্দ অভিন্ন- তাই বাঁধা পড়ে সে আধারে ।

কোন ভাগ্যে তার সঙ্গ হলে __গুরু গৌর-গোবিন্দ সকলি মিলে।
 বাকি থাকে না কিছু পেতে __শ্রীগুরুনিষ্ঠ ভক্তের সঙ্গে হলে।

তাই ঠাকুর নরোত্তম ভাবলেন,
 সকলই পাওয়া হবে__ রামচন্দ্র সঙ্গ পেলে।

*#সর্বোত্তমা_প্রাপ্তি_ভাই*।   *#গৌর_দাসের_দাসের_সঙ্গ* -সর্বোত্তমা প্রাপ্তি ভাই।
 
তাই_ব্যাকুল হয়ে কাঁদলেন- শ্রীঠাকুর নরোত্তম__ শ্রীরামচন্দ্রের বিরহে ।

কৃষ্ণলীলায় যিনি করুণামঞ্জরী,তিনি শ্রীরামচন্দ্র কবিরাজ রূপে প্রকটিত,এইরূপ তাঁহার সিদ্ধ পরিচয় জ্ঞাত হওয়া যায় I

 শ্রীনিবাসাচার্য্যের অন্তর্ধানের পর রামচন্দ্র কবিরাজ বৃন্দাবনেই অপ্রকট হন। আচার্যের পাশেই তাঁর সমাধি বিদ্যমান।।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

    📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝
  ꧁👇📖সূচীপত্র ✍️ শ্রী গোপীশরণ দাস📖👇
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

      ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   🌷❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🌷
   🏵️❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🏵️
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧







adds