শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রীনন্দন আচার্য‍্য ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/09/blog-post_13.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                      ꧁ শ্রীনন্দন আচার্য‍্য 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
শ্রীনন্দন আচার্য‍্য ঃ--------------------
শ্রীমনমহাপ্রভুর কীর্তনসঙ্গী, নবদ্বীপের
চতুর্ভূজ পন্ডিতের পুত্র, মহাভাগবতো-
ত্তম শ্রীনন্দন আচার্য‍্য।যদি মহাভাগবতোত্তম না হবে তবে কী তাঁর ঘরে শ্রীমন্নিত‍্যানন্দ প্রভু অতিথি হন?
নানান তীর্থ ভ্রমণ করিয়া নিত‍্যানন্দ বৃন্দাবনে এসেছেন, বৃন্দাবনে এসে জানতে পারলেন যে,নবদ্বীপে গৌরচাঁদ প্রকাশিত হয়েছেন। তখন মনে করলেন যে আর বৃন্দাবনে থেকে আর কি হবে যাই সেই নবদ্বীপে। তবে  নবদ্বীপে গিয়ে প্রথমেই আমি ধরা দেব না, লুকিয়ে থাকব, কিন্তু কার ঘরে লুকোব? এমন কার ঘর আছে যে আমি দুইদন্ড আশ্রয় পেতে পারি?
মনে মনে ভাবছেন একমাত্র ভক্তির পরিবেশে পেতে পারি চিত্তের স্নিগ্ধতা?পথই পথ দেখিয়ে নিয়ে এলো।নিয়ে এলো নন্দন আচার্য‍্যের গৃহে।মহা-অবধূতবেশ,প্রকান্ড শরীর,
নিত‍্যানন্দকে দেখে নন্দন আচার্য‍্য অভিভূত হয়ে গেলেন।বিনয়-বচনে বললেন, যদি দয়া করে আমার গৃহে ভিক্ষে করেন তো কৃতার্থ হই।
          ক্রমশ 

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                      ꧁ শ্রীনন্দন আচার্য‍্য 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
সে মনে করেই তো এসেছি,মহাবদান‍্য নিত‍্যানন্দ ঘরে এসে বসলেন,কোনো নিমন্ত্রণের অপেক্ষা করি নি নিতাইচাঁদ বললেন। এই নন্দন আচার্য‍্যের গৃহেই নিত‍্যানন্দের সঙ্গে গৌরসুন্দরের সাক্ষাৎ হয়। নবদ্বীপে খুব তাড়াতাড়ি এক মহাপুরুষ আসবেন,নিত‍্যানন্দের আসবার দুই-তিনদিন পূর্বেই মহাপ্রভু ভক্তদের বলেছিলেন। তারপর নিত‍্যানন্দ যেইদিন এলেন তার পরদিন মহাপ্রভু বললেন,গতকাল রাতে এক অপরূপ স্বপ্ন দেখলাম, দেখলাম এক তালধ্বজ রথ আমার দুয়ারে এসে দাঁড়িয়েছে,দক্ষিণ হস্তের কাঁধের উপর বিরাট স্তম্ভ, বাম হাতে ধরা কমন্ডলু, পরনে নীলাম্বর,মস্তকেও নীল পাগড়ি, এক দীর্ঘায়তদেহ এক সন্ন‍্যাসী।আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন,এইটি কি নিমাই পন্ডিতের গৃহ? আমি প্রশ্ন করলাম, তুমি কোন মহাজন? সন্ন‍্যাসী হেসে বললেন,আমি তোমার ভাই।আজ যাই,আগামীকাল আমাদের পরিচয় হবে।এই কথা বলিয়া মহাপ্রভু শ্রীবাস ও হরিদাসকে আদেশ করলেন, দেখ তো কোথাও কোনো মহাপুরুষ এসেছেন কি না! শ্রীবাস ও হরিদাস সন্ধান করতে বেরোলেন সেই মহাপুরুষের, কে জানে সংকর্ষণ এলেন কি না? কোথায় কে মহাপুরুষ 
সন্ধান পেলেন না।গৃহস্থ বৈষ্ণব সকলের গৃহে গিয়ে দুয়ার নাড়লেন, আর বললেন, তোমাদের গৃহে নূতন কোন অতিথি এসেছেন? সন্ন‍্যাসীদের আখড়ায় গিয়েও খোঁজ করলেন, এবং বললেন এখানে কোন অবধূত  এসেছেন? পাড়ায় পাড়ায় সকলের গৃহে খোঁজ নিলেন এবং বললেন তোমাদের গৃহে কেহ ছদ্মবেশী এসেছেন? তারা বলল না। কোথায় কোন মহাপুরুষের দেখা পেলেন না।
সব গৃহ ঘুরে ঘুরে দেখছেন, একপ্রহর নহে তিন প্রহর ধরে ঘুরছি,নদীয়ার কোন ঘর বাকী নেই, সেই মহাপুরুষ কে খুঁজে পেলান না মহাপ্রভুকে বললেন।তাঁদের কথা শুনে মহাপ্রভু হাস‍্য করলেন। (নিত‍্যানন্দ বড় গূঢ় বস্তু) তাঁকে সহজে ধরা যাই না। অতপর মহাপ্রভু বললেন,দেখি আমি সন্ধান করি পাই কি না? মহাপ্রভু এবারে সন্ধান করতে বেরোলেন। ভক্ত দলও সঙ্গে চললেন,সকল ভক্তের মুখে হরিধ্বনি,"জয়কৃষ্ণ জয়কৃষ্ণ"। পথে চলতে চলতে সকল গৃহ ত‍্যাগ করিয়া মহাপ্রভু সরাসরি নন্দন আচার্য‍্যের গৃহে গিয়ে উঠলেন। এবং দেখলেন, সেইখানেই এক পুরুষ-রতন বসে আছেন। শ্রীবাসও হরিদাস বুঝি তাড়াতাড়ি করতে গিয়ে বোধহয় নন্দন আচার্য‍্যের গৃহে খোঁজ নেন নি। তাঁদের এই বিস্মৃতিটুকু না ঘটলে যে  মহাপ্রভুর এই সাক্ষাৎ আবিস্কার হয় না।এই নন্দন আচার্য‍্যের গৃহই হচ্ছে লুকোনোর একমাত্র জায়গা।
          ক্রমশ 

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                      ꧁ শ্রীনন্দন আচার্য‍্য 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
আরেকদিন মহাপ্রভু শ্রীবাসের ভাই রামাই পন্ডিতকে ডাকলেন।ঈশ্বর আবেশে বললেন,তুমি একবার অদ্বৈতের গৃহে যাও,তাঁকে গিয়ে বলো,যাঁর জন‍্যে এত কেঁদেছিলে,এত উপাসনা করেছিলে,তিনি প্রকাশিত হয়েছেন।সে যেন পূজোর উপকরণ নিয়ে সস্ত্রীক চলে আসেন।রামাই পন্ডিত হরি-হরি স্মরণ করতে করতে চললেন অদ্বৈতের নিকট। ভক্তিযোগের প্রভাবে অদ্বৈতাচার্য‍্য বুঝতে পেরেছেন রামাই পন্ডিত কেন এসেছে।তাই নিজের থেকেই বলে উঠলেন, আমাকে নেবার জন‍্যে তোমাকে পাঠিয়েছে বুঝি? রামাই পন্ডিত বললেন,সবই তো আপনি জানেন,বিলম্ব না করে তাড়াতাড়ি চলুন। কিন্তু মানুষের মধ্যে ঈশ্বর এসেছেন আমি এ মানি কি করে?
অদ্বৈতাচার্য‍্য আবার আরেক নুতন ভঙ্গি নিলেন। বললেন- আমার আধ‍্যাত্মবিজ্ঞান এমন কথা বলে না। অদ্বৈতাচার্য‍্য মুখে যাহাই বলুন না কেন  বিধিযোগ‍্য পূজোর উপকরণ নিয়ে চললেন, এবং বললেন,মহাপ্রভু যদি তাঁর ঐশ্বর্য রূপ দেখান তবেই বুঝব তিনি আমার প্রাণধন। রামাই বললেন, কি ঐশ্বর্য দেখতে চান? অদ্বৈতাচার্য‍্য বললেন তিনি কেবল আমার মস্তকে তাঁর শ্রীচরণ তুলে দেবেন। রামাই ভাবলেন, কি জানি এমন দৃশ্য দেখবার কি আমি ভাগ‍্য করেছি?
অদ্বৈতাচার্য‍্য বললেন, আমি নন্দন আচার্য‍্যের গৃহে লুকিয়ে থাকব, তুমি মহাপ্রভুকে গিয়ে বলবে,অদ্বৈতাচার্য‍্য এলেন না,দেখি মহাপ্রভু কি বলেন?
রামাই পন্ডিত মহাপ্রভুর সামনে এসে দাঁড়ালেন, সে কিছু বলবার পূর্বেই মহাপ্রভু বললেন,অদ্বৈত বুঝি নন্দন আচার্য‍্যের গৃহে লুকিয়ে থেকে আমাকে পরীক্ষা করতে চাইছে? যাও অদ্বৈতাচার্য‍্যকে আমার সামনে নিয়ে এসো,তাঁ মনোবাসনা পূর্ণ করিব। এইকথা শুনে রামাই আবার অদ্বৈতাচার্য‍্যের কাছে গেলেন,সব কথা ব‍্যক্ত করলেন। বললেন, আমাকে মহাপ্রভু মিথ‍্যে কথা বলতে দিলেন না, আপনার জারিজুরি ধরে ফেলেছেন মহাপ্রভু। এবার চলুন মহাপ্রভু আপনাকে ডেকেছেন। অদ্বৈতাচার্য‍্য স্তব পড়তে পড়তে সস্ত্রীক মহাপ্রভুর নিকট এলেন,অশেষ
বিশেষে মহাপ্রভুর শ্রীচরণ বন্দনা করলেন।মহাপ্রভু অদ্বৈতাচার্য‍্যের মস্তকে চরণ তুলে দিলেন।"সর্বভূত অন্তর্যামী শ্রীগৌরাঙ্গ রায়। চরণ তুলিয়া দিলা অদ্বৈত মাথায়।।
** আরেকবার মহাপ্রভু নিজেই লুকোলেন, সেই লুকোবার স্থান হল সেই নন্দন আচার্য‍্যের গৃহে। একদিন মহাপ্রভু নৃত্য করছেন,তাঁকে ঘিরে ভক্তদল কীর্তন করছেন, কিন্তু কেন কে জানে নৃত‍্যে-কীর্তনে প্রেমানুভব হচ্ছে না। কেন এমন হচ্ছে?কেন সমস্ত শুষ্ক লাগছে? মহাপ্রভু জিজ্ঞেস করলেন, তবে কি নগরকীর্তনে কোনো পাষন্ডী সম্ভাষ হয়েছে? নাকি  তোমাদেরই কারো কাছে কোনো অপরাধ করে বসেছি? অদ্বৈতাচার্য‍্য বলে বসলেন,অপরাধ করেছ বৈকি?
তুমি সকলকে প্রেম দিলে,কেবল আমাকে আর শ্রীবাসকে দিলে না।তাই আমি তোমার সমস্ত প্রেম শুষে নিয়েছি। তবে আমার দেহে যখন প্রেম নেই তখন ত এর প্রাণও নেই। মহাপ্রভু গঙ্গার দিকে ছুটলেন। বললেন,এ প্রেমহীন দেহ নিয়ে তবে আর কী হবে? মহাপ্রভু গঙ্গায় ঝাঁপ দিলেন।
        ক্রমশ
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                      ꧁ শ্রীনন্দন আচার্য‍্য 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
নিত‍্যানন্দ আর হরিদাসও সঙ্গে সঙ্গে গঙ্গায় ঝাঁপিয়ে পড়লেন,অনেক করে মহাপ্রভুকে উপরে তুললেন। নিত‍্যানন্দ প্রভু বললেন,ভক্ত অভিমানে কে কী বলল আর তাইতে তুমি গঙ্গায় ঝাঁপ দিয়ে প্রাণ বিসর্জন করতে গেলে?
* মহাপ্রভু বললেন যাইহোক, কাউকে কিছু বোলো না,আমি নন্দন আচার্য‍্যের গৃহে লুকিয়ে থাকব।মহাপ্রভুর উদ্দেশ না পেয়ে সমস্ত নবদ্বীপ বাসী শোকাচ্ছন্ন হলেন।কারো
গৃহে রান্না হল না।এদিকে মহাপ্রভু নন্দন আচার্য‍্যের গৃহে গিয়ে তার বিষ্ণুখট্টার উপর বসলেন।নন্দন আচার্য‍্য দেখলেন যে মহাপ্রভুর বসন সিক্ত, নতুন বসন এনে দিলেন,মহাপ্রভু শুষ্ক বস্ত্র পরিধান করিয়া পুনরায় খাটে বসলেন। বললেন,নন্দন,তুমি আমাকে লুকিয়ে রাখবে। এ বড় দুষ্কর কাজ, নন্দন তখন বললেন,মানুষের সংসারের মধ্যে তুমি কোথায় লুকোবে? কারো হৃদয়ে পর্যন্ত লুকিয়ে থাকতে পারো না।বারে-বারেই বাইরে বেড়িয়ে আইস।ক্ষীর সিন্ধুই তোমায় লুকিয়ে রাখতে পারল না আর এ তো মানুষের সমাজ! সারা নিশি কৃষ্ণকথারসে কাটালেন মহাপ্রভু।প্রভাতকালে নন্দনকে বললেন, নন্দন,
তুমি কেবল শ্রীবাসকে ডেকে নিয়ে এসো।শ্রীবাস এসে কাঁদতে লাগলেন। মহাপ্রভু বললেন,অদ্বৈতের খবর বলো, তাঁর আর খবর কী! গতকাল থেকে তিনি উপোস করে আছেন। এইকথা শুনিয়া মহাপ্রভু অস্থির হয়ে চললেন অদ্বৈতের নিকটে। নিকটে গিয়ে বললেন অদ্বৈত! উঠো! আমি বিশ্বম্ভর,তোমার ডাকে তোমার কাছে এসেছি।অদ্বৈতাচার্য‍্য প্রায় মূর্ছাগত ছিলেন নয়ন মেললেন, মহাপ্রভু বললেন,উঠ উঠে স্নান করো, সেবা করো।কৃষ্ণ যদি কাউকে দন্ড দেন, সঙ্গে সঙ্গে তাকে দাস‍্যও দেন।দন্ডিত জনই কৃষ্ণদাস হয়ে যায়। নন্দন আচার্য‍্য দেখলেন, এবং বুঝলেন, দন্ডই কৃষ্ণের কৃপা। মনে মনে ভাবছেন নন্দন, মহাপ্রভু আমায় কবে দন্ড দিবেন? 
 এখানেই বিরাম।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧               
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






শ্রীনন্দন আচার্য‍্য ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/09/blog-post_13.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                      ꧁ শ্রীনন্দন আচার্য‍্য 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
শ্রীনন্দন আচার্য‍্য ঃ--------------------
শ্রীমনমহাপ্রভুর কীর্তনসঙ্গী, নবদ্বীপের
চতুর্ভূজ পন্ডিতের পুত্র, মহাভাগবতো-
ত্তম শ্রীনন্দন আচার্য‍্য।যদি মহাভাগবতোত্তম না হবে তবে কী তাঁর ঘরে শ্রীমন্নিত‍্যানন্দ প্রভু অতিথি হন?
নানান তীর্থ ভ্রমণ করিয়া নিত‍্যানন্দ বৃন্দাবনে এসেছেন, বৃন্দাবনে এসে জানতে পারলেন যে,নবদ্বীপে গৌরচাঁদ প্রকাশিত হয়েছেন। তখন মনে করলেন যে আর বৃন্দাবনে থেকে আর কি হবে যাই সেই নবদ্বীপে। তবে  নবদ্বীপে গিয়ে প্রথমেই আমি ধরা দেব না, লুকিয়ে থাকব, কিন্তু কার ঘরে লুকোব? এমন কার ঘর আছে যে আমি দুইদন্ড আশ্রয় পেতে পারি?
মনে মনে ভাবছেন একমাত্র ভক্তির পরিবেশে পেতে পারি চিত্তের স্নিগ্ধতা?পথই পথ দেখিয়ে নিয়ে এলো।নিয়ে এলো নন্দন আচার্য‍্যের গৃহে।মহা-অবধূতবেশ,প্রকান্ড শরীর,
নিত‍্যানন্দকে দেখে নন্দন আচার্য‍্য অভিভূত হয়ে গেলেন।বিনয়-বচনে বললেন, যদি দয়া করে আমার গৃহে ভিক্ষে করেন তো কৃতার্থ হই।
          ক্রমশ 

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                      ꧁ শ্রীনন্দন আচার্য‍্য 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
সে মনে করেই তো এসেছি,মহাবদান‍্য নিত‍্যানন্দ ঘরে এসে বসলেন,কোনো নিমন্ত্রণের অপেক্ষা করি নি নিতাইচাঁদ বললেন। এই নন্দন আচার্য‍্যের গৃহেই নিত‍্যানন্দের সঙ্গে গৌরসুন্দরের সাক্ষাৎ হয়। নবদ্বীপে খুব তাড়াতাড়ি এক মহাপুরুষ আসবেন,নিত‍্যানন্দের আসবার দুই-তিনদিন পূর্বেই মহাপ্রভু ভক্তদের বলেছিলেন। তারপর নিত‍্যানন্দ যেইদিন এলেন তার পরদিন মহাপ্রভু বললেন,গতকাল রাতে এক অপরূপ স্বপ্ন দেখলাম, দেখলাম এক তালধ্বজ রথ আমার দুয়ারে এসে দাঁড়িয়েছে,দক্ষিণ হস্তের কাঁধের উপর বিরাট স্তম্ভ, বাম হাতে ধরা কমন্ডলু, পরনে নীলাম্বর,মস্তকেও নীল পাগড়ি, এক দীর্ঘায়তদেহ এক সন্ন‍্যাসী।আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন,এইটি কি নিমাই পন্ডিতের গৃহ? আমি প্রশ্ন করলাম, তুমি কোন মহাজন? সন্ন‍্যাসী হেসে বললেন,আমি তোমার ভাই।আজ যাই,আগামীকাল আমাদের পরিচয় হবে।এই কথা বলিয়া মহাপ্রভু শ্রীবাস ও হরিদাসকে আদেশ করলেন, দেখ তো কোথাও কোনো মহাপুরুষ এসেছেন কি না! শ্রীবাস ও হরিদাস সন্ধান করতে বেরোলেন সেই মহাপুরুষের, কে জানে সংকর্ষণ এলেন কি না? কোথায় কে মহাপুরুষ 
সন্ধান পেলেন না।গৃহস্থ বৈষ্ণব সকলের গৃহে গিয়ে দুয়ার নাড়লেন, আর বললেন, তোমাদের গৃহে নূতন কোন অতিথি এসেছেন? সন্ন‍্যাসীদের আখড়ায় গিয়েও খোঁজ করলেন, এবং বললেন এখানে কোন অবধূত  এসেছেন? পাড়ায় পাড়ায় সকলের গৃহে খোঁজ নিলেন এবং বললেন তোমাদের গৃহে কেহ ছদ্মবেশী এসেছেন? তারা বলল না। কোথায় কোন মহাপুরুষের দেখা পেলেন না।
সব গৃহ ঘুরে ঘুরে দেখছেন, একপ্রহর নহে তিন প্রহর ধরে ঘুরছি,নদীয়ার কোন ঘর বাকী নেই, সেই মহাপুরুষ কে খুঁজে পেলান না মহাপ্রভুকে বললেন।তাঁদের কথা শুনে মহাপ্রভু হাস‍্য করলেন। (নিত‍্যানন্দ বড় গূঢ় বস্তু) তাঁকে সহজে ধরা যাই না। অতপর মহাপ্রভু বললেন,দেখি আমি সন্ধান করি পাই কি না? মহাপ্রভু এবারে সন্ধান করতে বেরোলেন। ভক্ত দলও সঙ্গে চললেন,সকল ভক্তের মুখে হরিধ্বনি,"জয়কৃষ্ণ জয়কৃষ্ণ"। পথে চলতে চলতে সকল গৃহ ত‍্যাগ করিয়া মহাপ্রভু সরাসরি নন্দন আচার্য‍্যের গৃহে গিয়ে উঠলেন। এবং দেখলেন, সেইখানেই এক পুরুষ-রতন বসে আছেন। শ্রীবাসও হরিদাস বুঝি তাড়াতাড়ি করতে গিয়ে বোধহয় নন্দন আচার্য‍্যের গৃহে খোঁজ নেন নি। তাঁদের এই বিস্মৃতিটুকু না ঘটলে যে  মহাপ্রভুর এই সাক্ষাৎ আবিস্কার হয় না।এই নন্দন আচার্য‍্যের গৃহই হচ্ছে লুকোনোর একমাত্র জায়গা।
          ক্রমশ 

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                      ꧁ শ্রীনন্দন আচার্য‍্য 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
আরেকদিন মহাপ্রভু শ্রীবাসের ভাই রামাই পন্ডিতকে ডাকলেন।ঈশ্বর আবেশে বললেন,তুমি একবার অদ্বৈতের গৃহে যাও,তাঁকে গিয়ে বলো,যাঁর জন‍্যে এত কেঁদেছিলে,এত উপাসনা করেছিলে,তিনি প্রকাশিত হয়েছেন।সে যেন পূজোর উপকরণ নিয়ে সস্ত্রীক চলে আসেন।রামাই পন্ডিত হরি-হরি স্মরণ করতে করতে চললেন অদ্বৈতের নিকট। ভক্তিযোগের প্রভাবে অদ্বৈতাচার্য‍্য বুঝতে পেরেছেন রামাই পন্ডিত কেন এসেছে।তাই নিজের থেকেই বলে উঠলেন, আমাকে নেবার জন‍্যে তোমাকে পাঠিয়েছে বুঝি? রামাই পন্ডিত বললেন,সবই তো আপনি জানেন,বিলম্ব না করে তাড়াতাড়ি চলুন। কিন্তু মানুষের মধ্যে ঈশ্বর এসেছেন আমি এ মানি কি করে?
অদ্বৈতাচার্য‍্য আবার আরেক নুতন ভঙ্গি নিলেন। বললেন- আমার আধ‍্যাত্মবিজ্ঞান এমন কথা বলে না। অদ্বৈতাচার্য‍্য মুখে যাহাই বলুন না কেন  বিধিযোগ‍্য পূজোর উপকরণ নিয়ে চললেন, এবং বললেন,মহাপ্রভু যদি তাঁর ঐশ্বর্য রূপ দেখান তবেই বুঝব তিনি আমার প্রাণধন। রামাই বললেন, কি ঐশ্বর্য দেখতে চান? অদ্বৈতাচার্য‍্য বললেন তিনি কেবল আমার মস্তকে তাঁর শ্রীচরণ তুলে দেবেন। রামাই ভাবলেন, কি জানি এমন দৃশ্য দেখবার কি আমি ভাগ‍্য করেছি?
অদ্বৈতাচার্য‍্য বললেন, আমি নন্দন আচার্য‍্যের গৃহে লুকিয়ে থাকব, তুমি মহাপ্রভুকে গিয়ে বলবে,অদ্বৈতাচার্য‍্য এলেন না,দেখি মহাপ্রভু কি বলেন?
রামাই পন্ডিত মহাপ্রভুর সামনে এসে দাঁড়ালেন, সে কিছু বলবার পূর্বেই মহাপ্রভু বললেন,অদ্বৈত বুঝি নন্দন আচার্য‍্যের গৃহে লুকিয়ে থেকে আমাকে পরীক্ষা করতে চাইছে? যাও অদ্বৈতাচার্য‍্যকে আমার সামনে নিয়ে এসো,তাঁ মনোবাসনা পূর্ণ করিব। এইকথা শুনে রামাই আবার অদ্বৈতাচার্য‍্যের কাছে গেলেন,সব কথা ব‍্যক্ত করলেন। বললেন, আমাকে মহাপ্রভু মিথ‍্যে কথা বলতে দিলেন না, আপনার জারিজুরি ধরে ফেলেছেন মহাপ্রভু। এবার চলুন মহাপ্রভু আপনাকে ডেকেছেন। অদ্বৈতাচার্য‍্য স্তব পড়তে পড়তে সস্ত্রীক মহাপ্রভুর নিকট এলেন,অশেষ
বিশেষে মহাপ্রভুর শ্রীচরণ বন্দনা করলেন।মহাপ্রভু অদ্বৈতাচার্য‍্যের মস্তকে চরণ তুলে দিলেন।"সর্বভূত অন্তর্যামী শ্রীগৌরাঙ্গ রায়। চরণ তুলিয়া দিলা অদ্বৈত মাথায়।।
** আরেকবার মহাপ্রভু নিজেই লুকোলেন, সেই লুকোবার স্থান হল সেই নন্দন আচার্য‍্যের গৃহে। একদিন মহাপ্রভু নৃত্য করছেন,তাঁকে ঘিরে ভক্তদল কীর্তন করছেন, কিন্তু কেন কে জানে নৃত‍্যে-কীর্তনে প্রেমানুভব হচ্ছে না। কেন এমন হচ্ছে?কেন সমস্ত শুষ্ক লাগছে? মহাপ্রভু জিজ্ঞেস করলেন, তবে কি নগরকীর্তনে কোনো পাষন্ডী সম্ভাষ হয়েছে? নাকি  তোমাদেরই কারো কাছে কোনো অপরাধ করে বসেছি? অদ্বৈতাচার্য‍্য বলে বসলেন,অপরাধ করেছ বৈকি?
তুমি সকলকে প্রেম দিলে,কেবল আমাকে আর শ্রীবাসকে দিলে না।তাই আমি তোমার সমস্ত প্রেম শুষে নিয়েছি। তবে আমার দেহে যখন প্রেম নেই তখন ত এর প্রাণও নেই। মহাপ্রভু গঙ্গার দিকে ছুটলেন। বললেন,এ প্রেমহীন দেহ নিয়ে তবে আর কী হবে? মহাপ্রভু গঙ্গায় ঝাঁপ দিলেন।
        ক্রমশ
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                      ꧁ শ্রীনন্দন আচার্য‍্য 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
নিত‍্যানন্দ আর হরিদাসও সঙ্গে সঙ্গে গঙ্গায় ঝাঁপিয়ে পড়লেন,অনেক করে মহাপ্রভুকে উপরে তুললেন। নিত‍্যানন্দ প্রভু বললেন,ভক্ত অভিমানে কে কী বলল আর তাইতে তুমি গঙ্গায় ঝাঁপ দিয়ে প্রাণ বিসর্জন করতে গেলে?
* মহাপ্রভু বললেন যাইহোক, কাউকে কিছু বোলো না,আমি নন্দন আচার্য‍্যের গৃহে লুকিয়ে থাকব।মহাপ্রভুর উদ্দেশ না পেয়ে সমস্ত নবদ্বীপ বাসী শোকাচ্ছন্ন হলেন।কারো
গৃহে রান্না হল না।এদিকে মহাপ্রভু নন্দন আচার্য‍্যের গৃহে গিয়ে তার বিষ্ণুখট্টার উপর বসলেন।নন্দন আচার্য‍্য দেখলেন যে মহাপ্রভুর বসন সিক্ত, নতুন বসন এনে দিলেন,মহাপ্রভু শুষ্ক বস্ত্র পরিধান করিয়া পুনরায় খাটে বসলেন। বললেন,নন্দন,তুমি আমাকে লুকিয়ে রাখবে। এ বড় দুষ্কর কাজ, নন্দন তখন বললেন,মানুষের সংসারের মধ্যে তুমি কোথায় লুকোবে? কারো হৃদয়ে পর্যন্ত লুকিয়ে থাকতে পারো না।বারে-বারেই বাইরে বেড়িয়ে আইস।ক্ষীর সিন্ধুই তোমায় লুকিয়ে রাখতে পারল না আর এ তো মানুষের সমাজ! সারা নিশি কৃষ্ণকথারসে কাটালেন মহাপ্রভু।প্রভাতকালে নন্দনকে বললেন, নন্দন,
তুমি কেবল শ্রীবাসকে ডেকে নিয়ে এসো।শ্রীবাস এসে কাঁদতে লাগলেন। মহাপ্রভু বললেন,অদ্বৈতের খবর বলো, তাঁর আর খবর কী! গতকাল থেকে তিনি উপোস করে আছেন। এইকথা শুনিয়া মহাপ্রভু অস্থির হয়ে চললেন অদ্বৈতের নিকটে। নিকটে গিয়ে বললেন অদ্বৈত! উঠো! আমি বিশ্বম্ভর,তোমার ডাকে তোমার কাছে এসেছি।অদ্বৈতাচার্য‍্য প্রায় মূর্ছাগত ছিলেন নয়ন মেললেন, মহাপ্রভু বললেন,উঠ উঠে স্নান করো, সেবা করো।কৃষ্ণ যদি কাউকে দন্ড দেন, সঙ্গে সঙ্গে তাকে দাস‍্যও দেন।দন্ডিত জনই কৃষ্ণদাস হয়ে যায়। নন্দন আচার্য‍্য দেখলেন, এবং বুঝলেন, দন্ডই কৃষ্ণের কৃপা। মনে মনে ভাবছেন নন্দন, মহাপ্রভু আমায় কবে দন্ড দিবেন? 
 এখানেই বিরাম।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧               
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






শ্রীল লোকনাথ গোস্বামী ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/09/blog-post_95.html



  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
              ꧁ শ্রীল লোকনাথ গোস্বামী 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
######লোকনাথ গোস্বামী########
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
 যশোহর জেলার তালখড়ি গ্রামে লোকনাথ গোস্বামীর আবির্ভাব পিতার নাম পদ্মনাভ মাতা সীতাদেবী এবং বংশের উপাধি ছিল চক্রবর্তী লোকনাথ গোস্বামী মহাপ্রভুর থেকে দুই বছরের বড় ছিলেন। অদ্বৈত আচার্য বিদ্যালয়ের নাম অদ্বৈত সভা।
 পিতার কাছে শাস্ত্র ব্যাকরণ অধ্যায়ন কোরিয়া লোকনাথ গোস্বামী অদ্বৈত সভায় এলেন এবং ভাগবত পড়তে লাগলেন। শ্রী অদ্বৈত আচার্য লোকনাথ গোস্বামী কে মন্ত্র দীক্ষা প্রদান করিয়া তার সভায় ভর্তি করিয়ে নিলেন। সেই অদ্বৈত সভায় শ্রী গদাধর পন্ডিত ও শ্রীমন্মহাপ্রভুকে সঙ্গিরূপে কে পেলেন। গৌরাঙ্গ সুন্দরের সঙ্গলাভ করিয়া সঙ্গগুণে লোকনাথের মধ্যে ভক্তিশাস্ত্র প্রস্ফুরিত হলো।
  শ্রীগৌরাঙ্গসঙ্গের গুণে অতি চমৎকার।
লোকনাথের হইল ভাগবতে অধিকার।।
 গৌরাঙ্গ সুন্দরের প্রতি লোকনাথের অদ্ভুত প্রেম দেখে শ্রী অদ্বৈত আচার্য লোকনাথ গোস্বামীকে শ্রী গৌরাঙ্গের হাতে সমর্পণ করে দিলেন। তাল কুড়িগ্রামের পার্শ্ববর্তী "বরাঙ্গনা" নদীর ধার দিয়ে পূর্ববঙ্গে যাবার সময় গৌড় হরি লোকনাথের খোঁজ করলেন। লোকনাথ গোস্বামীর পিতা পদ্মনাভ শ্রী গৌরাঙ্গ কে দর্ষণ করিয়া হাতে আমার গৌড় সুন্দর কে ঘরে ডেকে নিলেন দিন কয়েক সযত্নে অতিথি সৎকার করলেন তারপর লোকনাথ কে শ্রী গৌড় সুন্দর এর সঙ্গী করে দিলেন বললেন আমার আমার লোকনাথ কে তুমি তোমার মতন করে গড়ে তুলো। শ্রীমন মহাপ্রভু যখন পূর্ববঙ্গ গিয়েছিলেন তখন সহচর হিসেবে লোকনাথ গোস্বামী আমার গৌড় সুন্দর এর সঙ্গে ছিলেন। তারপর পুরী ভ্রমণ শেষে যখন নবদ্বীপে ফিরলেন লোকনাথ কে বললেন যে লোকনাথ তুমি ঘরে গিয়ে অপেক্ষা করো লোকনাথ ঘরে ফিরল বটে কিন্তু সব সময় তার মনে উদাস ভাব অনুরাগময়ী উৎকণ্ঠা দশা। ইতিমধ্যেই লোকনাথ গোস্বামীর পিতা-মাতার লোকান্তর হলো অর্থাৎ নিত্য ধনে গমন করলেন ঘরে আর লোকনাথ গোস্বামীর মন টিকলো না সর্বস্ব ত্যাগ করিয়া লোকনাথ গোস্বামী নবদ্বীপের চলে এলেন। নবদ্বীপে এসে জানতে পারলেন অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই গৌড় সুন্দর সন্ন্যাস গ্রহণ করবেন। লোকনাথ গোস্বামী প্রভুর সন্ন্যাস নেওয়ার কথা শুনে মনে পড়ে কাঁদতে লাগলেন বললেন তোমার সেই যে চাচুর চিকুর রয়েছে তার কি হবে প্রভু? গৌড় সুন্দর আমার উত্তর করলেন যে লোকনাথ তুমি শ্রীধাম বৃন্দাবন চলে যাও সেখানে আমি যাব তোমার সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হবে। এই কথা শ্রবণ করার পরেই লোকনাথ আর ক্ষণকাল বিশ্রাম করলেন না তিনি অবিলম্বে বৃন্দাবনের পথে চললেন,এই গদাধরের শিষ‍্য হচ্ছে ভূগর্ভ গোস্বামী।
 ভূগর্ভ গোস্বামীর সঙ্গে লোকনাথের পরিচয় হয়েছিল এবং বৃন্দাবনের পথে যেতেই ভূগর্ভের সঙ্গে লোকনাথ গোস্বামীর সাক্ষাৎ হয় এবং ভূগর্ভ গোস্বামী বললেন যে আমিও তোমার সঙ্গে বৃন্দাবনে যাব। দুই পরম ভক্ত লোকনাথ আর ভূগর্ভ পদব্রজে শ্রী বৃন্দাবনে উপনীত হলেন। ব্রুসলি উপস্থিত হয় গুড় ভক্তদের মধ্যে শুধু একজনকেই দেখতে পেলেন তিনি হলেন সুবুদ্ধি রায়। বেশ কয়দিন বৃন্দাবনে থাকা হয়ে গেল তখনো শ্রীমন মহাপ্রভু বৃন্দাবনে আসেন নাই এই নিয়ে লোকনাথ গোস্বামী এবং ভূগর্ভ গোস্বামীর মধ্যে চরম চিন্তা দেখা দিল তিনি কবে আসবেন দর্শনের জন্য দুই ভক্তের হৃদয় ব্যথিত হয়ে উঠলো। এর মধ্যেই সংবাদ পেলেন শ্রীমন্মহাপ্রভু গৌর সুন্দর আমার সন্ন্যাস গ্রহণ করেছেন, সন্ন্যাস গ্রহণ করিয়া তিনি নীলাচলে চলে গেছেন সেখান থেকে তিনি গিয়েছেন দক্ষিণ বিজয়ে। সাক্ষাৎ দর্শনের আশায় লোকনাথ গোস্বামী চললেন দক্ষিণ যাত্রায়, দাক্ষিণাত্যে পৌছিয়ে লোকনাথ শুনলেন মহাপ্রভু নীলাচল হয়ে বৃন্দাবনের দিকে গিয়েছেন। লোকনাথ পূর্ণ বৃন্দাবনে ফিরে এলেন বৃন্দাবনে ফিরে এসেছে লোকনাথ গোস্বামী শুনলেন যে মহাপ্রভু বৃন্দাবনবিজয় শেষ করে প্রয়াগে গেছেন। লোকনাথ গোস্বামী স্থির করলেন এই মুহূর্তে আমি প্রয়োগে যাব মহাপ্রভুর সঙ্গে সাক্ষাৎ দর্শন ছাড়া আমার এই বিরহ যন্ত্রণা শান্ত হবে না। সেই দিন রাত্রি সমান কালে লোকনাথ গোস্বামী স্বপ্ন দেখলেন প্রভুকে মহাপ্রভু বললেন লোকনাথ তুমি বৃন্দাবনেই থাকো এখানেই তুমি ভজন সাধন করো স্বপ্না দেশকে সাক্ষাৎ আদেশ মনে করিয়া লোকনাথ গোস্বামী বৃন্দাবনে থেকে গেলেন বৃন্দাবন ছেড়ে বাইরে একপাও তিনি অগ্রসর হলেন না। দুর্গম জায়গায় শুধুই ঘুরে বেড়াতে লাগলেন কোথায় কৃষ্ণ কোথায় কৃষ্ণ গেল না তার বিরহের কাতরতা।


পরের অংশ লোকনাথ গোস্বামী
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
এমন দুর্বার বৈরাগ‍্য কেউ আর কখনো দেখেন নাই,এমন নিষ্কিঞ্চনতা,
আকৌমার ব্রহ্মচারী,ফলমূলের বেশী কিছু সেবা নেন না, কোথায় থাকেন?না,বৃক্ষতলে। সুবুদ্ধি রায় আছেন মথুরায়,কেশবদেবের মন্দিরের কাছে, আর লোকনাথ গোস্বামী আছেন ছত্রবনের নিকটে উমরাও গ্রামের কিশোরী কুন্ডের ধারে। প্রবল বর্ষাই হোক আর চরম শীতই হোক, বৃক্ষতল ছাড়া কোথাও আশ্রয়ভিক্ষা করেন না, গাত্রে জীর্ণ একখানি কাঁথা,
জীর্ণতর বহির্বাস। তাঁর এইরূপ অবস্থা দেখিয়া গ্রামবাসী একখানি কুটির নির্মাণ করে দিতে চাহিলে তাহা লোকনাথ গোস্বামী সম্মতি হলেন না।
তিনি বললেন আমার একমাত্র কর্ম শ্রীকৃষ্ণের অনুসন্ধান, তাঁকে বিনে আমার জীবন অসফল, এমন স্থায়ী কুটিরের আমার কি কাজ। যদি একটি অন্তত তাঁর বিগ্রহ পেতাম তাঁর সেবা করিয়া আমার শ্রীকৃষ্ণ না পাইবার যন্ত্রণা কিঞ্চিৎ লাঘব হত।
এইভাবে লোকনাথ গোস্বামী উৎকণ্ঠার সহিত দিন কাটাতে লাগলেন। একদিন কে একজন নির্জনে তাঁর সামনে এসে দাঁড়াল, লোকনাথের হস্তে একটি শ্রীযুগল বিগ্রহ দিয়ে বললেন,এই নাও, এই বিগ্রহের সেবা করো। বললেন এই বিগ্রহের কি নাম? "রাধাবিনোদ"। এইকথা বলিয়া লোকটি অন্তর্হিত হলেন। লোকনাথ ভাবতে লাগলেন কে আমায় এই বিগ্রহ দিয়ে গেল? কোথাকার বিগ্রহ? কোথা থেকেই বা এলো? আহা হা-- তখন সেই বিগ্রহই কথা কয়ে উঠলেন, বললেন, আমি এই কিশোরী কুন্ডেই বাস করি। তোমার উৎকণ্ঠা ও ব‍্যাকুলতা দেখিয়া আমি নিজেই নিজেকে প্রকট করেছি।
আমাকে আমার কে আনবে? কি গো আমি নিজেতোমার কাছে আসতে পারি না? এইকথা শুনিয়া লোকনাথ 
কাঁদিতে লাগলেন, ভাবিলেন এই আমার প্রভুর কৃপা। এবারে বিগ্রহ বললেন, ওগো, তোমার কান্না শোনার আমার সময় নেই, আমি ক্ষুধার্ত, তাড়াতাড়ি আমায় কিছু খাবার দাও।
কোনরকমে বৃক্ষতলে রন্ধন করলেন এবং বিগ্রহের সেবা দিলেন। ভোগরাগের পর পুষ্প শয‍্যায় শয়ন দিলেন। বন‍্যপল্লবে বাতাস করলেন খানিকক্ষণ, পদসেবা করলেন। কিন্তু এবার বড়ই সমস‍্যা দেখা দিল, উত্থানের পর এই রাধাবিনোদকে কোথায় রাখব, ভাবতে লাগলেন। বৃক্ষতলে বাস, বৃক্ষকোটরে রাখলেন।
আমি যখন মাধুকরী করতে যাব,তখন আমার রাধাবিনোদকে কোথায় রাখব? অনেক চিন্তার পর একটি ঝোলা তৈরী করলেন, আর সেই ঝোলার মধ‍্যেই সেই বিগ্রহ রাখলেন।সেই ঝোলাই রাধাবিনোদের মন্দির। সেই ঝোলা কন্ঠমালার মত করিয়া বক্ষে ঝুলিয়ে রাখলেন সর্বক্ষণ। ক্রমে ক্রমে গোস্বামীগণ আসতে লাগলেন বৃন্দাবনে, রূপ,সনাতন,গোপাল ভট্ট, রঘুনাথ ভট্ট, বৃন্দাবন শ্রীকৃষ্ণ খ‍্যাতিতে মুখর হয়ে উঠিল। তাপর এলেন নরোত্তম দাস ঠাকুর, এই নরোত্তমদাস ঠাকুরই 
লোকনাথ গোস্বামীর একমাত্র শিষ‍্য।
শ্রীবৃন্দাবন যাবার উদ্দেশ্যে গৌরসুন্দর 
যখন কানাইর নাটশালায় পৌঁছন তখন একদিন কীর্তন করতে করতে আচম্বিতে "নরু" "নরু" নাম ধরে ডাকতে শুরু করেন, কে নরু? এখনো জন্ম হয় নাই, পরে হবে।



পরের অংশ লোকনাথ (2)
++++++++++++++++++++++++
পদ্মাতীরে গড়েরহাটে নিত‍্যানন্দকে নিয়ে এলেন গৌরসুন্দর, সেখান থেকে কুতুবপুরে।পদ্মানদীতে স্নান করিয়া তীরে কীর্তন করতে আরম্ভ করলেন।পদ্মানদীকে বললেন, আমি আর নিত‍্যানন্দ তোমাকে প্রেম দিয়ে যাচ্ছি,যত্ন করে এ প্রেম গোপন রেখ,
নরু এই প্রেমের পাত্র। নরু এলে এ প্রেম দিও।পদ্মা জিজ্ঞাসা করলেন, আমি নরুকে চিনব কেমন করে? 
যার স্পর্শে তুমি অধিক উচ্ছল হবে, সেই নরু বা নরোত্তম জানবে।
যাহার পরশে তুমি অধিক উছলিবা।
সেই নরোত্তম,প্রেম তারে তুমি দিবা।।
** কিশোর বয়স্ক নরোত্তম স্বপ্ন দেখলেন নিত‍্যানন্দপ্রভু তাকে বলছেন 
নরোত্তম যাও,পদ্মানদীর স্থানে তোমার জন্যে যে প্রেম গচ্ছিত আছে তাহা নিয়ে এসো।প্রাতঃকালে একাকী 
পদ্মাতীরে চলে এলেন নরোত্তম।স্নান করতে নদীতে নেমেছেন, অমনি পদ্মানদী উচ্ছসিত হয়ে উঠল। তখন পদ্মার শ্রীগৌরাঙ্গের কথা মনে করে নরোত্তমকে গচ্ছিত প্রেম প্রদান করলেন।সেই প্রেম পেয়ে নরোত্তমের গাত্র রঙ পরিবর্তন হয়ে গেল, শ‍্যামবর্ণ
হতে গৌরবর্ণে পরিণত হল। তৎক্ষণাৎ নরোত্তম দাসের মনে হল যে কোন গৌরবর্ণ এক শিশু তার মধ্যে প্রবেশ করেছে। দিন দিনে তাঁর প্রেম ব‍্যাধি বাড়তে লাগল।পরিশেষে গৃহশৃঙ্খল ছিন্ন করিয়া চলে এলেন বৃন্দাবনে।
বৃন্দাবনে আসিয়া নরোত্তম ঠাকুর শ্রীলোকনাথ প্রতি আকৃষ্ট হলেন। বললেন,আমাকে আপনার শ্রীচরণে ঠাঁই দিন।লোকনাথ প্রথমে রাজী হননি, কিন্তু গোপনে সেবা ভক্তির ফলে নরোত্তম গুরুকৃপা প্রাপ্তি হলেন।রঘুনাথ দাস গোস্বামীর মত নরোত্তমও ধনীর দুলাল, কিন্তু অনিহা। অবশেষে নরোত্তম শ্রীগুরুর কৃপা লাভ করলেন। শ্রীলোকনাথ গোস্বামী দীর্ঘ বয়স পর্যন্ত খদির-বনে
(খয়রা গ্রামে) ভজন করতে করতে নিত‍্য লীলায় প্রবেশ করেন। এস্থানে শ্রীযুগলকুন্ড নামে একটি দীঘি আছে।
তারই তীরে শ্রীলোকনাথ গোস্বামীর সমাধি। কথিত আছে শ্রীকৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী শ্রীচৈতন‍্যচরিতামৃত রচনা করবার সংকল্প নিয়ে শ্রীলোকনাথ গোস্বামীর নিকট আশীর্বাদ,ও অনুমতি এবং উপকরণাদি প্রার্থনা করলে শ্রীলোকনাথ নিজ নাম বা চরিতাদি সম্বন্ধে কিছু বর্ণন করতে নিষেধ করেন।শ্রীমদ্ লোকনাথ গোস্বামী পাদের আজ্ঞা ভঙ্গ হয়,এই ভয়ে শ্রীপাদ কবিরাজ শ্রীচৈতন‍্য চরিতামৃতে তাঁল সম্বন্ধে কিছু লিখেন নাই।শ্রাবণ মাসের কৃষ্ণাষ্টমী তিথিতে 
শ্রীলোকনাথ গোস্বামী নিত‍্যলীলায় প্রবিষ্ট হন।
   (ভুল ভ্রান্তি মার্জনীয়) জয় নিতাই।           
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧               
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






শ্রীল লোকনাথ গোস্বামী ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ -> http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/09/blog-post_95.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
              ꧁ শ্রীল লোকনাথ গোস্বামী 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
######লোকনাথ গোস্বামী########
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
 যশোহর জেলার তালখড়ি গ্রামে লোকনাথ গোস্বামীর আবির্ভাব পিতার নাম পদ্মনাভ মাতা সীতাদেবী এবং বংশের উপাধি ছিল চক্রবর্তী লোকনাথ গোস্বামী মহাপ্রভুর থেকে দুই বছরের বড় ছিলেন। অদ্বৈত আচার্য বিদ্যালয়ের নাম অদ্বৈত সভা।
 পিতার কাছে শাস্ত্র ব্যাকরণ অধ্যায়ন কোরিয়া লোকনাথ গোস্বামী অদ্বৈত সভায় এলেন এবং ভাগবত পড়তে লাগলেন। শ্রী অদ্বৈত আচার্য লোকনাথ গোস্বামী কে মন্ত্র দীক্ষা প্রদান করিয়া তার সভায় ভর্তি করিয়ে নিলেন। সেই অদ্বৈত সভায় শ্রী গদাধর পন্ডিত ও শ্রীমন্মহাপ্রভুকে সঙ্গিরূপে কে পেলেন। গৌরাঙ্গ সুন্দরের সঙ্গলাভ করিয়া সঙ্গগুণে লোকনাথের মধ্যে ভক্তিশাস্ত্র প্রস্ফুরিত হলো।
  শ্রীগৌরাঙ্গসঙ্গের গুণে অতি চমৎকার।
লোকনাথের হইল ভাগবতে অধিকার।।
 গৌরাঙ্গ সুন্দরের প্রতি লোকনাথের অদ্ভুত প্রেম দেখে শ্রী অদ্বৈত আচার্য লোকনাথ গোস্বামীকে শ্রী গৌরাঙ্গের হাতে সমর্পণ করে দিলেন। তাল কুড়িগ্রামের পার্শ্ববর্তী "বরাঙ্গনা" নদীর ধার দিয়ে পূর্ববঙ্গে যাবার সময় গৌড় হরি লোকনাথের খোঁজ করলেন। লোকনাথ গোস্বামীর পিতা পদ্মনাভ শ্রী গৌরাঙ্গ কে দর্ষণ করিয়া হাতে আমার গৌড় সুন্দর কে ঘরে ডেকে নিলেন দিন কয়েক সযত্নে অতিথি সৎকার করলেন তারপর লোকনাথ কে শ্রী গৌড় সুন্দর এর সঙ্গী করে দিলেন বললেন আমার আমার লোকনাথ কে তুমি তোমার মতন করে গড়ে তুলো। শ্রীমন মহাপ্রভু যখন পূর্ববঙ্গ গিয়েছিলেন তখন সহচর হিসেবে লোকনাথ গোস্বামী আমার গৌড় সুন্দর এর সঙ্গে ছিলেন। তারপর পুরী ভ্রমণ শেষে যখন নবদ্বীপে ফিরলেন লোকনাথ কে বললেন যে লোকনাথ তুমি ঘরে গিয়ে অপেক্ষা করো লোকনাথ ঘরে ফিরল বটে কিন্তু সব সময় তার মনে উদাস ভাব অনুরাগময়ী উৎকণ্ঠা দশা। ইতিমধ্যেই লোকনাথ গোস্বামীর পিতা-মাতার লোকান্তর হলো অর্থাৎ নিত্য ধনে গমন করলেন ঘরে আর লোকনাথ গোস্বামীর মন টিকলো না সর্বস্ব ত্যাগ করিয়া লোকনাথ গোস্বামী নবদ্বীপের চলে এলেন। নবদ্বীপে এসে জানতে পারলেন অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই গৌড় সুন্দর সন্ন্যাস গ্রহণ করবেন। লোকনাথ গোস্বামী প্রভুর সন্ন্যাস নেওয়ার কথা শুনে মনে পড়ে কাঁদতে লাগলেন বললেন তোমার সেই যে চাচুর চিকুর রয়েছে তার কি হবে প্রভু? গৌড় সুন্দর আমার উত্তর করলেন যে লোকনাথ তুমি শ্রীধাম বৃন্দাবন চলে যাও সেখানে আমি যাব তোমার সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হবে। এই কথা শ্রবণ করার পরেই লোকনাথ আর ক্ষণকাল বিশ্রাম করলেন না তিনি অবিলম্বে বৃন্দাবনের পথে চললেন,এই গদাধরের শিষ‍্য হচ্ছে ভূগর্ভ গোস্বামী।
 ভূগর্ভ গোস্বামীর সঙ্গে লোকনাথের পরিচয় হয়েছিল এবং বৃন্দাবনের পথে যেতেই ভূগর্ভের সঙ্গে লোকনাথ গোস্বামীর সাক্ষাৎ হয় এবং ভূগর্ভ গোস্বামী বললেন যে আমিও তোমার সঙ্গে বৃন্দাবনে যাব। দুই পরম ভক্ত লোকনাথ আর ভূগর্ভ পদব্রজে শ্রী বৃন্দাবনে উপনীত হলেন। ব্রুসলি উপস্থিত হয় গুড় ভক্তদের মধ্যে শুধু একজনকেই দেখতে পেলেন তিনি হলেন সুবুদ্ধি রায়। বেশ কয়দিন বৃন্দাবনে থাকা হয়ে গেল তখনো শ্রীমন মহাপ্রভু বৃন্দাবনে আসেন নাই এই নিয়ে লোকনাথ গোস্বামী এবং ভূগর্ভ গোস্বামীর মধ্যে চরম চিন্তা দেখা দিল তিনি কবে আসবেন দর্শনের জন্য দুই ভক্তের হৃদয় ব্যথিত হয়ে উঠলো। এর মধ্যেই সংবাদ পেলেন শ্রীমন্মহাপ্রভু গৌর সুন্দর আমার সন্ন্যাস গ্রহণ করেছেন, সন্ন্যাস গ্রহণ করিয়া তিনি নীলাচলে চলে গেছেন সেখান থেকে তিনি গিয়েছেন দক্ষিণ বিজয়ে। সাক্ষাৎ দর্শনের আশায় লোকনাথ গোস্বামী চললেন দক্ষিণ যাত্রায়, দাক্ষিণাত্যে পৌছিয়ে লোকনাথ শুনলেন মহাপ্রভু নীলাচল হয়ে বৃন্দাবনের দিকে গিয়েছেন। লোকনাথ পূর্ণ বৃন্দাবনে ফিরে এলেন বৃন্দাবনে ফিরে এসেছে লোকনাথ গোস্বামী শুনলেন যে মহাপ্রভু বৃন্দাবনবিজয় শেষ করে প্রয়াগে গেছেন। লোকনাথ গোস্বামী স্থির করলেন এই মুহূর্তে আমি প্রয়োগে যাব মহাপ্রভুর সঙ্গে সাক্ষাৎ দর্শন ছাড়া আমার এই বিরহ যন্ত্রণা শান্ত হবে না। সেই দিন রাত্রি সমান কালে লোকনাথ গোস্বামী স্বপ্ন দেখলেন প্রভুকে মহাপ্রভু বললেন লোকনাথ তুমি বৃন্দাবনেই থাকো এখানেই তুমি ভজন সাধন করো স্বপ্না দেশকে সাক্ষাৎ আদেশ মনে করিয়া লোকনাথ গোস্বামী বৃন্দাবনে থেকে গেলেন বৃন্দাবন ছেড়ে বাইরে একপাও তিনি অগ্রসর হলেন না। দুর্গম জায়গায় শুধুই ঘুরে বেড়াতে লাগলেন কোথায় কৃষ্ণ কোথায় কৃষ্ণ গেল না তার বিরহের কাতরতা।


পরের অংশ লোকনাথ গোস্বামী
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
এমন দুর্বার বৈরাগ‍্য কেউ আর কখনো দেখেন নাই,এমন নিষ্কিঞ্চনতা,
আকৌমার ব্রহ্মচারী,ফলমূলের বেশী কিছু সেবা নেন না, কোথায় থাকেন?না,বৃক্ষতলে। সুবুদ্ধি রায় আছেন মথুরায়,কেশবদেবের মন্দিরের কাছে, আর লোকনাথ গোস্বামী আছেন ছত্রবনের নিকটে উমরাও গ্রামের কিশোরী কুন্ডের ধারে। প্রবল বর্ষাই হোক আর চরম শীতই হোক, বৃক্ষতল ছাড়া কোথাও আশ্রয়ভিক্ষা করেন না, গাত্রে জীর্ণ একখানি কাঁথা,
জীর্ণতর বহির্বাস। তাঁর এইরূপ অবস্থা দেখিয়া গ্রামবাসী একখানি কুটির নির্মাণ করে দিতে চাহিলে তাহা লোকনাথ গোস্বামী সম্মতি হলেন না।
তিনি বললেন আমার একমাত্র কর্ম শ্রীকৃষ্ণের অনুসন্ধান, তাঁকে বিনে আমার জীবন অসফল, এমন স্থায়ী কুটিরের আমার কি কাজ। যদি একটি অন্তত তাঁর বিগ্রহ পেতাম তাঁর সেবা করিয়া আমার শ্রীকৃষ্ণ না পাইবার যন্ত্রণা কিঞ্চিৎ লাঘব হত।
এইভাবে লোকনাথ গোস্বামী উৎকণ্ঠার সহিত দিন কাটাতে লাগলেন। একদিন কে একজন নির্জনে তাঁর সামনে এসে দাঁড়াল, লোকনাথের হস্তে একটি শ্রীযুগল বিগ্রহ দিয়ে বললেন,এই নাও, এই বিগ্রহের সেবা করো। বললেন এই বিগ্রহের কি নাম? "রাধাবিনোদ"। এইকথা বলিয়া লোকটি অন্তর্হিত হলেন। লোকনাথ ভাবতে লাগলেন কে আমায় এই বিগ্রহ দিয়ে গেল? কোথাকার বিগ্রহ? কোথা থেকেই বা এলো? আহা হা-- তখন সেই বিগ্রহই কথা কয়ে উঠলেন, বললেন, আমি এই কিশোরী কুন্ডেই বাস করি। তোমার উৎকণ্ঠা ও ব‍্যাকুলতা দেখিয়া আমি নিজেই নিজেকে প্রকট করেছি।
আমাকে আমার কে আনবে? কি গো আমি নিজেতোমার কাছে আসতে পারি না? এইকথা শুনিয়া লোকনাথ 
কাঁদিতে লাগলেন, ভাবিলেন এই আমার প্রভুর কৃপা। এবারে বিগ্রহ বললেন, ওগো, তোমার কান্না শোনার আমার সময় নেই, আমি ক্ষুধার্ত, তাড়াতাড়ি আমায় কিছু খাবার দাও।
কোনরকমে বৃক্ষতলে রন্ধন করলেন এবং বিগ্রহের সেবা দিলেন। ভোগরাগের পর পুষ্প শয‍্যায় শয়ন দিলেন। বন‍্যপল্লবে বাতাস করলেন খানিকক্ষণ, পদসেবা করলেন। কিন্তু এবার বড়ই সমস‍্যা দেখা দিল, উত্থানের পর এই রাধাবিনোদকে কোথায় রাখব, ভাবতে লাগলেন। বৃক্ষতলে বাস, বৃক্ষকোটরে রাখলেন।
আমি যখন মাধুকরী করতে যাব,তখন আমার রাধাবিনোদকে কোথায় রাখব? অনেক চিন্তার পর একটি ঝোলা তৈরী করলেন, আর সেই ঝোলার মধ‍্যেই সেই বিগ্রহ রাখলেন।সেই ঝোলাই রাধাবিনোদের মন্দির। সেই ঝোলা কন্ঠমালার মত করিয়া বক্ষে ঝুলিয়ে রাখলেন সর্বক্ষণ। ক্রমে ক্রমে গোস্বামীগণ আসতে লাগলেন বৃন্দাবনে, রূপ,সনাতন,গোপাল ভট্ট, রঘুনাথ ভট্ট, বৃন্দাবন শ্রীকৃষ্ণ খ‍্যাতিতে মুখর হয়ে উঠিল। তাপর এলেন নরোত্তম দাস ঠাকুর, এই নরোত্তমদাস ঠাকুরই 
লোকনাথ গোস্বামীর একমাত্র শিষ‍্য।
শ্রীবৃন্দাবন যাবার উদ্দেশ্যে গৌরসুন্দর 
যখন কানাইর নাটশালায় পৌঁছন তখন একদিন কীর্তন করতে করতে আচম্বিতে "নরু" "নরু" নাম ধরে ডাকতে শুরু করেন, কে নরু? এখনো জন্ম হয় নাই, পরে হবে।



পরের অংশ লোকনাথ (2)
++++++++++++++++++++++++
পদ্মাতীরে গড়েরহাটে নিত‍্যানন্দকে নিয়ে এলেন গৌরসুন্দর, সেখান থেকে কুতুবপুরে।পদ্মানদীতে স্নান করিয়া তীরে কীর্তন করতে আরম্ভ করলেন।পদ্মানদীকে বললেন, আমি আর নিত‍্যানন্দ তোমাকে প্রেম দিয়ে যাচ্ছি,যত্ন করে এ প্রেম গোপন রেখ,
নরু এই প্রেমের পাত্র। নরু এলে এ প্রেম দিও।পদ্মা জিজ্ঞাসা করলেন, আমি নরুকে চিনব কেমন করে? 
যার স্পর্শে তুমি অধিক উচ্ছল হবে, সেই নরু বা নরোত্তম জানবে।
যাহার পরশে তুমি অধিক উছলিবা।
সেই নরোত্তম,প্রেম তারে তুমি দিবা।।
** কিশোর বয়স্ক নরোত্তম স্বপ্ন দেখলেন নিত‍্যানন্দপ্রভু তাকে বলছেন 
নরোত্তম যাও,পদ্মানদীর স্থানে তোমার জন্যে যে প্রেম গচ্ছিত আছে তাহা নিয়ে এসো।প্রাতঃকালে একাকী 
পদ্মাতীরে চলে এলেন নরোত্তম।স্নান করতে নদীতে নেমেছেন, অমনি পদ্মানদী উচ্ছসিত হয়ে উঠল। তখন পদ্মার শ্রীগৌরাঙ্গের কথা মনে করে নরোত্তমকে গচ্ছিত প্রেম প্রদান করলেন।সেই প্রেম পেয়ে নরোত্তমের গাত্র রঙ পরিবর্তন হয়ে গেল, শ‍্যামবর্ণ
হতে গৌরবর্ণে পরিণত হল। তৎক্ষণাৎ নরোত্তম দাসের মনে হল যে কোন গৌরবর্ণ এক শিশু তার মধ্যে প্রবেশ করেছে। দিন দিনে তাঁর প্রেম ব‍্যাধি বাড়তে লাগল।পরিশেষে গৃহশৃঙ্খল ছিন্ন করিয়া চলে এলেন বৃন্দাবনে।
বৃন্দাবনে আসিয়া নরোত্তম ঠাকুর শ্রীলোকনাথ প্রতি আকৃষ্ট হলেন। বললেন,আমাকে আপনার শ্রীচরণে ঠাঁই দিন।লোকনাথ প্রথমে রাজী হননি, কিন্তু গোপনে সেবা ভক্তির ফলে নরোত্তম গুরুকৃপা প্রাপ্তি হলেন।রঘুনাথ দাস গোস্বামীর মত নরোত্তমও ধনীর দুলাল, কিন্তু অনিহা। অবশেষে নরোত্তম শ্রীগুরুর কৃপা লাভ করলেন। শ্রীলোকনাথ গোস্বামী দীর্ঘ বয়স পর্যন্ত খদির-বনে
(খয়রা গ্রামে) ভজন করতে করতে নিত‍্য লীলায় প্রবেশ করেন। এস্থানে শ্রীযুগলকুন্ড নামে একটি দীঘি আছে।
তারই তীরে শ্রীলোকনাথ গোস্বামীর সমাধি। কথিত আছে শ্রীকৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী শ্রীচৈতন‍্যচরিতামৃত রচনা করবার সংকল্প নিয়ে শ্রীলোকনাথ গোস্বামীর নিকট আশীর্বাদ,ও অনুমতি এবং উপকরণাদি প্রার্থনা করলে শ্রীলোকনাথ নিজ নাম বা চরিতাদি সম্বন্ধে কিছু বর্ণন করতে নিষেধ করেন।শ্রীমদ্ লোকনাথ গোস্বামী পাদের আজ্ঞা ভঙ্গ হয়,এই ভয়ে শ্রীপাদ কবিরাজ শ্রীচৈতন‍্য চরিতামৃতে তাঁল সম্বন্ধে কিছু লিখেন নাই।শ্রাবণ মাসের কৃষ্ণাষ্টমী তিথিতে 
শ্রীলোকনাথ গোস্বামী নিত‍্যলীলায় প্রবিষ্ট হন।
   (ভুল ভ্রান্তি মার্জনীয়) জয় নিতাই।           
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧               
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






১০. মাধুর্য‍্য ভগবানের ভগবত্তার সার ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
       ꧁ ১০. মাধুর্য‍্য ভগবানের ভগবত্তার সার ꧂
      এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🌐 https://MrinmoyNandy.blogspot.com            
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    ꧁ মহাভারত পর্ব- ভাগবত কথন 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*🌻আচার্য‍্যপাদগণ মাধুর্য‍্যকে ভগবানের ভগবত্তার সার বলেছেন।* *মাধুর্য‍্য ভগবত্তা সার,ব্রজে কৈল পরচার,*
       *তাহা শুক ব‍্যাসের নন্দন।*
*স্থানে স্থানে ভাগবতে,বর্ণিয়াছেন নানা মতে,*
     *যাহা শুনি মাতে ভক্তগণ।।*
*🌻ভগবানের ভগবত্তার নির্যাস হল মাধুর্য‍্য।এই মাধুর্য‍্য-বিলাসে ব্রজলীলা সর্বশ্রেষ্ঠ।শ্রীভগবান যখন বাৎসল‍্য,সখ‍্য ও মধুর, এই তিনটি রসের বিষয় হইয়া রসের আস্বাদনে তন্ময় বা বিভোর হন,তখনই তিনি সর্বাতিশায়ী মাধুর্য‍্যমন্ডিত হন।ব্রজলীলায় এই তিনটি রসই মুখ‍্য-আস্বাদ‍্য।""মোর পুত্র,মোর সখা,মোর প্রাণপতি।* *🌻শ্রীব্রজধামে শ্রীকৃষ্ণ কারও পুত্র,কারও বন্ধু,কারও বা প্রাণবল্লভ।* *(🌻ব্রজে শ্রীকৃষ্ণ ছিলেন দশ বৎসর আট মাস বয়স পর্যন্ত 🌻)।* *তাঁর প্রথমাংশ গোকুলে, দ্বিতীয়াংশ শ্রীবৃন্দাবনে।*
*🌻গীতায় চতুর্থ অধ‍্যায়ে শ্রীভগবান অর্জুনকে বলেছিলেন স্বীয়(নিজ) জন্ম বা আবির্ভাব কর্মের রহস‍্য।* 
*জন্ম কর্ম চ মে দিব‍্যমেবং যো বেত্তি তত্ত্বতঃ।*
*ত‍্যত্ত্বা দেহং পুনর্জন্ম নৈতি মামেতি সোহর্জুন।।*
*🌻আমার জন্ম দিব‍্য কর্ম।ইহাতে যে তত্ত্বতঃ জানে তার আর জন্মকর্মের বন্ধন থাকে না।দেহান্তে আমাকেই পায়।* *ভূমার(সর্বব‍্যাপী পুরুষ ) ভূমিতে অবতরণ,অবতীর্ণ হয়ে নানাবিধ কার্য‍্য সাধন, এ ঘটনাগুলি ভূমিতে ঘটলেও এগুলি ভৌম(ভূমি পুত্র) নহে,দিব‍্য।ঐ সকল দিব‍্যলীলার মাধ‍্যমে জন্মকর্মের তত্ত্বজ্ঞান হলেই পরম দেবতার প্রাপ্তি,জন্মান্তর নিবৃত্তি।তবে উহা জানতে হবে জগতের আর দশটি ঘটনা জানার মত না।উহা জানতে হবে তত্ত্বতঃ।এই তত্ত্বতঃ শব্দটির মধ্যে আছে অতীব গভীর ইঙ্গিত।*
*তথ‍্য আর তত্ত্ব অঙ্গাঙ্গিযুক্ত।"তথ‍্য"পল্লবিত,"তত্ত্ব" মূলানুগত।বৃক্ষের শাখা প্রশাখা পত্র পুষ্প তথ‍্য, বৃক্ষের মূল শিকর হল তত্ত্ব। তথ‍্য স্থূল,তত্ত্ব সূক্ষ্ম।তথ‍্য ব‍্যবহারিক,তত্ত্ব পারমার্থিক।দেহটি তথ‍্য,ইহার মূলোপাদান ক্ষিতি অপ্ তেজ মরুৎ ও ব‍্যোম-- এই পঞ্চতত্ত্ব। আবার এই মহাভূতপঞ্চক তথ‍্য,এদের মূল মহত্তত্ত্ব।মহত্তত্ত্ব তথ‍্য,মূলা প্রকৃতি তত্ত্ব।মূলা প্রকৃতি তথ‍্য,ইহা ভগবানের পরা প্রকৃতি,ইহা চরম তত্ত্ব। তথ‍্যের বহুলতা তত্ত্বে সুবিন‍্যস্ত। বিশ্বের অনন্ত বস্তুজাত সাংখ‍্যদর্শন পঞ্চবিংশতি তত্ত্বে পর্য‍্যবসান(সমাপ্তি)করেছেন। বেদান্তদর্শন নিখিল বা সমস্ত বিশ্বের যাবদবস্তুকে একটি পরম তত্ত্বে সমাধান করেছেন।* *বস্তুতত্ত্বের সন্ধান পাওয়া গেল।এখন ঘটনাবলীর তত্ত্ব কি তা আলোচ‍্য।* *শ্রীভগবানের অবতারের দিব‍্য জন্মকর্মের তত্ত্বটি অনুধ‍্যানের (সর্বদা চিন্তার বা স্মরণের) কথা আমাদের আলোচ‍্য।শ্রীরামচন্দ্র দশরথনন্দন,এই পরিচয়টি তথ‍্য,শ্রীরামচন্দ্র শ্রীবৈকুন্ঠ ধামেশ্বর শ্রীনারায়ণ,এইটি তত্ত্ব।রাবণ লঙ্কেশ্বর,এইটি তথ‍্য,রাবণ বৈকুন্ঠের দ্বারী জয়,এইটি তত্ত্ব।রাম-রাবণের যুদ্ধ চলছে, ইহা তথ‍্য,শ্রীনারায়ণ তাঁর নিজ প্রিয় দ্বারপালকে শত্রু সাজিয়ে তার শাপমোচন করিয়েছেন আর সঙ্গে সঙ্গে নিজের যুযুৎসু(যুদ্ধ করতে ইচ্ছুক)বৃত্তির তৃপ্তিসাধন করেছেন, এইটি তত্ত্ব।* 
*🌻এখানেই বিরাম দেওয়া হল,ভুল ভ্রান্তি ক্ষমা করবেন🌻*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧




শ্রীচরণ দাস, ভক্তমাল গ্রন্থ হতে ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ -> http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/09/blog-post_16.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
            ꧁ শ্রীচরণ দাস, ভক্তমাল গ্রন্থ হতে 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*🌻শ্রীচরণ দাস,ভক্তমাল গ্রন্থ হতে🌻*
*১২৬০ বঙ্গাব্দের ১৯ শে চৈত্র যশোহর জেলার নড়াল মহকুমার অন্তর্গত মহিষখোলা গ্রামে রাইচরণের আবির্ভাব হয়।বর্ধিষ্ণু কায়স্থবংশীয় মোহনচন্দ্র ঘোষ ছিলেন তাঁর পিতা।আর মা ছিলেন ভক্তিমতী কনকসুন্দরী।রাইচরণ পাঁচ বৎসর বয়সে পিতৃহীন হলে তাঁর মাতা কনকসুন্দরী ও খুল্লতাত ঈশানচন্দ্রের অপার স্নেহকে আশ্রয় করে বড় হতে থাকেন।মায়ের ধর্মনিষ্ঠা ও খুল্লতাতের বৈষয়িক বুদ্ধির প্রভাব পেয়ে রাইচরণের চরিত্র দুইভাবে গঠিত হল।* *তিনি যুবককাল হতে গরীব লোকের দুঃখে দুঃখিত হতেন।কোন রকম অন‍্যায়কে তিনি সহ‍্য করতে পারতেন না।অন‍্যায়ের প্রতিবাদ করা তাঁর অভ‍্যাস ছিল।তাঁর কুলগুরু শক্তিসাধক যোগেন্দ্র ভট্টাচার্যের কাছে তিনি দীক্ষিত হলেন।যুবক রাইচরণের মতি গতি লক্ষ্য করে তাঁর খুল্লতাত তাঁকে পার্শবতী গ্রামের একটি সুকন‍্যা দেখে তাঁর বিয়ে দিলেন।নববধূর নাম স্বর্ণময়ী। স্বর্ণময়ীর গর্ভজাত সন্তানদের মৃত‍্যু হলে তিনি আরও দুইটি কন‍্যার পাণিগ্রহণ করেন।রাইচরণ সংসারে একেবারে মজে গেলেন।তখন যশোহরের জমিদার গোস্বামীবাবুদের নায়েবের চাকুরিতে তিনি অসীম দক্ষতা দেখান।* *ক্রমে ক্রমে তিনি বহু ধন-সম্পত্তির মালিক হলেন।তিনি ছিলেন যেমন নিষ্ঠুর তেমন অতীব কোমল মনের।সর্বদা দান-ধ‍্যান নিয়ে ব‍্যস্ত থাকতেন।দোল দূর্গোৎসব করাতেও তাঁর আগ্রহ ছিল।* *জমিদারের নায়েবের চাকরি নিয়ে তাঁকে যে নিষ্ঠুর ও অপকর্ম করতে হত তাতে তিনি খুশী ছিলেন না। প্রায়ই রাইচরণ বিবেকের দংশনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠতেন।* *তিনি আর কোনমতে সেখানে থাকতে পারলেন না।অর্থকরী সংসারকে ঘৃণার সাথে ত‍্যাগ করে চলে গেলেন।অবশেষে তিনি ভবানীপুরের পঞ্চমুন্ডীর আসন-স্থায়িনী জাগ্রতা দেবী ভবানীর মন্দিরে এসে সাধন-ভজনে মগ্ন হলেন।সেইখানে প্রায়ই বাহ‍্যজ্ঞানহীন অবস্থায় সমাধি-যোগপ্রাপ্ত হন।অপরিচিত একজন ব্রাহ্মণ একদা তাঁর সমাধি ভঙ্গ করে তাঁকে সরযূতীরে গিয়ে অভীষ্ট-গুরু লাভের আদেশ দিয়ে চলে যান।* *তারপর ভ্রমণরত রাইচরণ এসে হাজির হলেন অযোধ‍্যায়।সেখানে তিনি বৈষ্ণব-সাধক শঙ্করারণ‍্যের দর্শন পেয়ে ভাবলেন ইনিই বুঝি তাঁর সেই প্রার্থিত বস্তুপ্রাপ্তির সহায়ক গুরু।শঙ্করারণ‍্য আহ্বান করলেন, বললেন,এসো বৎস,আমি তোমার জন্য অপেক্ষা করছি।* *শঙ্করারণ‍্যের কাছে দীক্ষা নিয়ে শাক্ত রাইচরণ ঘোষ হলেন বৈষ্ণব চরণদাস।রুদ্রাক্ষের পরিবর্তে কন্ঠিমালা ধারণ করে রক্তজবার পরিবর্তে তুলসীপত্র হাতে নিয়ে উপাস‍্য শ্রীকৃষ্ণ বিগ্রহের সামনে লুটিয়ে পড়লেন।*
       ক্রমশ
*বৈষ্ণবীয় প্রেমভক্তিতে অভিভূত হয়ে গেলেন তিনি।তিনি "জয় নিতাই জয় গৌর" নামে মুখরিত করলেন গুরুজীর আশ্রম।ধীরে ধীরে তিনি সিদ্ধিলাভ করে পূজিত হলেন সকলের কাছে।তারপর গুরুদেবের নির্দেশ ক্রমে তীর্থে ভ্রমণে বের হয়ে তিনি এসে উপনীত হলেন শ্রীধাম নবদ্বীপে।সেখানে বৈষ্ণবজনকে দেখা মাত্র চরণের ধূলো নিয়ে মস্তকে রাখেন।সেখানে তাঁর নাম কীর্তনের বিশেষ সহায়রূপে পেলেন নবদ্বীপদাসকে।নবদ্বীপে কীর্তনগোষ্ঠীর পরমজনরূপে অভিহিত হলেন চরণদাস।সিদ্ধ-বৈষ্ণব চরণ দাস বহু জায়গায় নাম ভক্তি প্রচার করে বেড়াতে লাগলেন।আর বৈষ্ণবজন দেখা মাত্রেই তাঁর চরণ ধূলো মস্তকে নেওয়ার অভ‍্যাস করলেন চরণদাস।সমস্ত শিশু-বালক তাঁর নাম গুণকীর্তনে মুগ্ধ হয়ে পড়লেন। অবশেষে চরণ দাস মহাপ্রভুর শেষ লীলাস্থল নীলাচলে এসে সবাইকে কৃষ্ণকীর্তন শুনিয়ে মাতিয়ে তুললেন।* *সেখানে তিনি স্বপ্নযোগে গৌর নিতাইয়ের দর্শন পেয়ে দ্বাবিংশ অক্ষরযুক্ত গৌরমন্ত্র লাভ করলেন।তাঁর বহুবিধ অলৌকিক কার্য‍্যাবলী দর্শন করে বিস্মিত হলেন সমস্ত লোকজন।*
*এবার মহাসাধক চরণ দাস ফিরে এলেন শ্রীধাম নবদ্বীপে।সেখানে তিনি মহাবৈষ্ণব শ্রীপাদ গৌরহরি দাসের শ্রীচরণে আশ্রয় পেলেন।সেই বৈষ্ণবের কাছে অবস্থান করে এবং তাঁর নিকট হতে বহু আধ‍্যাত্মিক শিক্ষা লাভ করে চরণ দাস বাবাজী প্রেমসাধনার আরও উন্নতস্তরে আরোহণ করলেন।তারপর আবার বহু তীর্থস্থান ভ্রমণ করে এসে পৌঁছলেন নীলাচলে। মহাত্মা চরণ দাস বাবাজী ১৩২২ সালের মাঘী পূর্ণিমার শুভ দিনে গৌর নিতাইয়ের জয় গান করতে করতে অপ্রকট হইলেন।* *কেবলমাত্র ভক্তি ও বিশ্বাস নিয়ে ভগবানের নাম-কীর্তন করতে পারলে সিদ্ধিলাভ করা যায়। আর সে সিদ্ধি হয় পরম সিদ্ধি, 🙏শ্রীচরণ দাস বাবাজী।*
*🙏শ্রীচরণ দাস সংক্ষিপ্ত কথন এখানেই রইল, বানান ভুল মার্জনীয়🙏*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧               
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






শ্রীচরণ দাস, ভক্তমাল গ্রন্থ হতে ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ -> http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/09/blog-post_16.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
            ꧁ শ্রীচরণ দাস, ভক্তমাল গ্রন্থ হতে 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*🌻শ্রীচরণ দাস,ভক্তমাল গ্রন্থ হতে🌻*
*১২৬০ বঙ্গাব্দের ১৯ শে চৈত্র যশোহর জেলার নড়াল মহকুমার অন্তর্গত মহিষখোলা গ্রামে রাইচরণের আবির্ভাব হয়।বর্ধিষ্ণু কায়স্থবংশীয় মোহনচন্দ্র ঘোষ ছিলেন তাঁর পিতা।আর মা ছিলেন ভক্তিমতী কনকসুন্দরী।রাইচরণ পাঁচ বৎসর বয়সে পিতৃহীন হলে তাঁর মাতা কনকসুন্দরী ও খুল্লতাত ঈশানচন্দ্রের অপার স্নেহকে আশ্রয় করে বড় হতে থাকেন।মায়ের ধর্মনিষ্ঠা ও খুল্লতাতের বৈষয়িক বুদ্ধির প্রভাব পেয়ে রাইচরণের চরিত্র দুইভাবে গঠিত হল।* *তিনি যুবককাল হতে গরীব লোকের দুঃখে দুঃখিত হতেন।কোন রকম অন‍্যায়কে তিনি সহ‍্য করতে পারতেন না।অন‍্যায়ের প্রতিবাদ করা তাঁর অভ‍্যাস ছিল।তাঁর কুলগুরু শক্তিসাধক যোগেন্দ্র ভট্টাচার্যের কাছে তিনি দীক্ষিত হলেন।যুবক রাইচরণের মতি গতি লক্ষ্য করে তাঁর খুল্লতাত তাঁকে পার্শবতী গ্রামের একটি সুকন‍্যা দেখে তাঁর বিয়ে দিলেন।নববধূর নাম স্বর্ণময়ী। স্বর্ণময়ীর গর্ভজাত সন্তানদের মৃত‍্যু হলে তিনি আরও দুইটি কন‍্যার পাণিগ্রহণ করেন।রাইচরণ সংসারে একেবারে মজে গেলেন।তখন যশোহরের জমিদার গোস্বামীবাবুদের নায়েবের চাকুরিতে তিনি অসীম দক্ষতা দেখান।* *ক্রমে ক্রমে তিনি বহু ধন-সম্পত্তির মালিক হলেন।তিনি ছিলেন যেমন নিষ্ঠুর তেমন অতীব কোমল মনের।সর্বদা দান-ধ‍্যান নিয়ে ব‍্যস্ত থাকতেন।দোল দূর্গোৎসব করাতেও তাঁর আগ্রহ ছিল।* *জমিদারের নায়েবের চাকরি নিয়ে তাঁকে যে নিষ্ঠুর ও অপকর্ম করতে হত তাতে তিনি খুশী ছিলেন না। প্রায়ই রাইচরণ বিবেকের দংশনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠতেন।* *তিনি আর কোনমতে সেখানে থাকতে পারলেন না।অর্থকরী সংসারকে ঘৃণার সাথে ত‍্যাগ করে চলে গেলেন।অবশেষে তিনি ভবানীপুরের পঞ্চমুন্ডীর আসন-স্থায়িনী জাগ্রতা দেবী ভবানীর মন্দিরে এসে সাধন-ভজনে মগ্ন হলেন।সেইখানে প্রায়ই বাহ‍্যজ্ঞানহীন অবস্থায় সমাধি-যোগপ্রাপ্ত হন।অপরিচিত একজন ব্রাহ্মণ একদা তাঁর সমাধি ভঙ্গ করে তাঁকে সরযূতীরে গিয়ে অভীষ্ট-গুরু লাভের আদেশ দিয়ে চলে যান।* *তারপর ভ্রমণরত রাইচরণ এসে হাজির হলেন অযোধ‍্যায়।সেখানে তিনি বৈষ্ণব-সাধক শঙ্করারণ‍্যের দর্শন পেয়ে ভাবলেন ইনিই বুঝি তাঁর সেই প্রার্থিত বস্তুপ্রাপ্তির সহায়ক গুরু।শঙ্করারণ‍্য আহ্বান করলেন, বললেন,এসো বৎস,আমি তোমার জন্য অপেক্ষা করছি।* *শঙ্করারণ‍্যের কাছে দীক্ষা নিয়ে শাক্ত রাইচরণ ঘোষ হলেন বৈষ্ণব চরণদাস।রুদ্রাক্ষের পরিবর্তে কন্ঠিমালা ধারণ করে রক্তজবার পরিবর্তে তুলসীপত্র হাতে নিয়ে উপাস‍্য শ্রীকৃষ্ণ বিগ্রহের সামনে লুটিয়ে পড়লেন।*
       ক্রমশ
*বৈষ্ণবীয় প্রেমভক্তিতে অভিভূত হয়ে গেলেন তিনি।তিনি "জয় নিতাই জয় গৌর" নামে মুখরিত করলেন গুরুজীর আশ্রম।ধীরে ধীরে তিনি সিদ্ধিলাভ করে পূজিত হলেন সকলের কাছে।তারপর গুরুদেবের নির্দেশ ক্রমে তীর্থে ভ্রমণে বের হয়ে তিনি এসে উপনীত হলেন শ্রীধাম নবদ্বীপে।সেখানে বৈষ্ণবজনকে দেখা মাত্র চরণের ধূলো নিয়ে মস্তকে রাখেন।সেখানে তাঁর নাম কীর্তনের বিশেষ সহায়রূপে পেলেন নবদ্বীপদাসকে।নবদ্বীপে কীর্তনগোষ্ঠীর পরমজনরূপে অভিহিত হলেন চরণদাস।সিদ্ধ-বৈষ্ণব চরণ দাস বহু জায়গায় নাম ভক্তি প্রচার করে বেড়াতে লাগলেন।আর বৈষ্ণবজন দেখা মাত্রেই তাঁর চরণ ধূলো মস্তকে নেওয়ার অভ‍্যাস করলেন চরণদাস।সমস্ত শিশু-বালক তাঁর নাম গুণকীর্তনে মুগ্ধ হয়ে পড়লেন। অবশেষে চরণ দাস মহাপ্রভুর শেষ লীলাস্থল নীলাচলে এসে সবাইকে কৃষ্ণকীর্তন শুনিয়ে মাতিয়ে তুললেন।* *সেখানে তিনি স্বপ্নযোগে গৌর নিতাইয়ের দর্শন পেয়ে দ্বাবিংশ অক্ষরযুক্ত গৌরমন্ত্র লাভ করলেন।তাঁর বহুবিধ অলৌকিক কার্য‍্যাবলী দর্শন করে বিস্মিত হলেন সমস্ত লোকজন।*
*এবার মহাসাধক চরণ দাস ফিরে এলেন শ্রীধাম নবদ্বীপে।সেখানে তিনি মহাবৈষ্ণব শ্রীপাদ গৌরহরি দাসের শ্রীচরণে আশ্রয় পেলেন।সেই বৈষ্ণবের কাছে অবস্থান করে এবং তাঁর নিকট হতে বহু আধ‍্যাত্মিক শিক্ষা লাভ করে চরণ দাস বাবাজী প্রেমসাধনার আরও উন্নতস্তরে আরোহণ করলেন।তারপর আবার বহু তীর্থস্থান ভ্রমণ করে এসে পৌঁছলেন নীলাচলে। মহাত্মা চরণ দাস বাবাজী ১৩২২ সালের মাঘী পূর্ণিমার শুভ দিনে গৌর নিতাইয়ের জয় গান করতে করতে অপ্রকট হইলেন।* *কেবলমাত্র ভক্তি ও বিশ্বাস নিয়ে ভগবানের নাম-কীর্তন করতে পারলে সিদ্ধিলাভ করা যায়। আর সে সিদ্ধি হয় পরম সিদ্ধি, 🙏শ্রীচরণ দাস বাবাজী।*
*🙏শ্রীচরণ দাস সংক্ষিপ্ত কথন এখানেই রইল, বানান ভুল মার্জনীয়🙏*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧               
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






adds