শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

*তীর্থযাত্রা পরিশ্রম, কেবল মনের ভ্রম,* *সর্বসিদ্ধি গোবিন্দ চরণ।**সুদৃঢ় বিশ্বাস করি,মদ মাৎসহ‍্য পরিহরি,* *সদা কর অনন‍্য ভজন।।* ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ -> https://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/08/pdf-httpsmrinmoynandy_79.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ꧁ *তীর্থযাত্রা পরিশ্রম, কেবল মনের ভ্রম,* ꧂
            ꧁ *সর্বসিদ্ধি গোবিন্দ চরণ।* 
  ꧁ *সুদৃঢ় বিশ্বাস করি,মদ মাৎসহ‍্য পরিহরি,* 
              *সদা কর অনন‍্য ভজন।।* ꧂
                        👇👇👇🙏👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
সকল কিছু লিখনী👇👇🙏👇👇📚 *PDF গ্রন্থ* 📚 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*🔔🔔🔔🔔🔔🔔🔔🔔🔔🔔🔔🔔
*তীর্থযাত্রা পরিশ্রম, কেবল মনের ভ্রম,*
      *সর্বসিদ্ধি গোবিন্দ চরণ।*
*সুদৃঢ় বিশ্বাস করি,মদ মাৎসহ‍্য পরিহরি,*
     *সদা কর অনন‍্য ভজন।।*
*🌻ঠাকুরমহাশয় বলছেন,নানাতীর্থে যাতায়াত করে চিত্তচাঞ্চল‍্য পরিশ্রম ত‍্যাগ করে স্থিরভাবে শ্রীবৃন্দাবনাদি লীলাধামে সৎসঙ্গে বসবাস করে অনন‍্য-ভজনের উপদেশ দান করছেন।* *তীর্থযাত্রা পরিশ্রম, কেবল মনের ভ্রম,সর্বসিদ্ধি গোবিন্দ চরণ।এখানে "তীর্থযাত্রা"বলতে শ্রীবৃন্দাবন,নবদ্বীপ,নীলাচলাদি স্বাভীষ্ট-ভাবানুকূল ভগবদ্ধাধাম ব‍্যতীত অন‍্যান‍্য তীর্থযাত্রাই জানতে হবে।* *কারণ চৌষট্টি ভজনাঙ্গের মধ্যে যে পাঁচটি ভজনাঙ্গকে প্রেমপ্রাপ্তির সাতিশয়(অত‍্যন্ত বেশী) শক্তিশালী সাধন বলে উল্লেখ করা হয়েছে তারমধ‍্যে "ব্রজবাস"অন‍্যতম।* *শ্রীচৈতন‍্য চরিতামৃতে মঃ ২২ পঃ দেখা যায় =*
*সাধুসঙ্গ,নামকীর্তন,ভাগবতশ্রবণ।*
*মথুরাবাস,শ্রীমূর্তির শ্রদ্ধায় সেবন*।।
*সকল সাধন শ্রেষ্ঠ এই পঞ্চ অঙ্গ।*
*কৃষ্ণপ্রেম জন্মায় এই পাঁচের সঙ্গ*।।
*🌻তাৎপর্য‍্য এই যে,ভগবৎ পাদপদ্মে প্রেমলাভেচ্ছু (রাধাকৃষ্ণের প্রতি যাদের শ্রদ্ধা ও ভালবাসা )রাগানুগা ভাবে নিজের অভিলাষ পূরণের জন্য শ্রীবৃন্দাবন,নবদ্বীপ,নীলাচলাদি ধাম আশ্রয় করে মহদগণের সঙ্গে শ্রবণ,কীর্তন,স্মরণাদি অন্তরঙ্গ ভজনে রত থাকবেন।নানাতীর্থে যাতায়াত পরিশ্রম করে কোন লাভ হবে না,সময় অতিবাহিত হবে।নানাতীর্থে যাতায়াত করলে কেবল মনের একতায় বাধা সৃষ্টি হবে।"স্থানে সতাং নিবাস এবাব‍্যগ্রতয়া স্থিতাঃ, ন তু তীর্থপর্য‍্যটনাদি ক্লেশান্ কুর্বন্তঃ অর্থ‍্যাৎ শ্রীবৃন্দাবনাদি ধামে যেখানে স্বভাবতই বিশিষ্ট মহদ্গণ বসবাস করে থাকেন,সেই জায়গায় স্থিরভাবে অবস্থান করে মহৎসঙ্গে হরিকথায় বৈষ্ণব ভজন-জীবন যাপন করবেন।* *নানাতীর্থ পর্য‍্যটন করে কষ্টভোগ করবেন না।* *ভজনসাধন বিষয়ে শাস্ত্রবাণীর মতো মহদনুভব একটি বিশেষ প্রমাণ।* *ব্রজধামের রণবাড়ীর সিদ্ধ শ্রীকৃষ্ণদাস বাবাজী মহারাজ চারধামে গমনের বাসনা করলে রাধারাণী তাঁকে স্বপ্নে ব্রজধাম ত‍্যাগ করে অন‍্যধামে যেতে নিষেধ করেন।* *শ্রীকৃষ্ণদাস বাবাজী মহারাজ কেবল স্বপ্ন মনে করে চারধামের জন্য বেড়িয়ে পড়লেন এবং দ্বারকায় গিয়া তপ্তমুদ্রা (সোনার মোহর)ধারণ করেন।যেদিন তিনি ব্রজে প্রত‍্যাবর্তন করেন,সেই রাত্রেই রাধারাণী তাঁকে পুনরায় স্বপ্নাদেশ করেন যে,তিনি দ্বারকাধামে তপ্তমুদ্রা ধারণ করে সত‍্যভামার গণভুক্ত হয়েছেন,(কারণ তেলে আর জলে মিশে না, দ্বারকা ঐশ্বর্য‍্য আর ব্রজ মাধুর্য‍্য) সুতরাং তিনি ব্রজ হতে দ্বারকায় চলে যান।তখন শ্রীকৃষ্ণদাস বাবাজী পূর্বের স্বপ্নকে সত‍্য বলে মনে করেন এবং অত‍্যন্ত অনুতপ্ত হয়ে অন‍্য সিদ্ধ-মহাত্মাগণের নিকট প্রায়শ্চিত্তের প্রার্থনা করেন।রাধারাণীর সাক্ষাৎ আদেশের উপর কেহই কোনরকম প্রায়শ্চিত্তের বিধান দিতে সমর্থ হলেন না,তখন রাধারাণীর বিরহে শ্রীকৃষ্ণদাস বাবাজীর অঙ্গে বিরহানল প্রজ্বলিত হয়ে ওঠে এবং শুকনো কাঠের মতো সেই আগুনে তাঁর দেহ পুড়ে ছাই হয়ে যায়।* *(গৌড়ীয় বৈষ্ণবজীবন, শ্রীহরিদাস দাস,হরিবোলকুটীর নবদ্বীপ হতে প্রকাশিত,দ্বিতীয় খন্ডে রণবাড়ীর সিদ্ধবাবার চরিত্র দ্রষ্টব‍্য)* *রাধারাণী নিজজনের দ্বারা রাগানুগা সাধকগণকে এই শিক্ষাই প্রদান করেছিলেন যে,স্বাভীষ্টভাবানুকূল (নিজ অভিলাষ পূরণের জন্য )ব্রজধাম ত‍্যাগ করে অন‍্যধামে গমন করলে ব্রজরস-সাধকের ভাবের প্রতিকূলই হয়ে থাকে।* *ঠাকুরমহাশয় বললেন,"তীর্থযাত্রা পরিশ্রম,কেবল মনের ভ্রম," বা ভ্রান্তি ছাড়া আর কিছুই নয়।ভক্তিচ্ছু (যাঁরা ভক্তি লাভ করতে ইচ্ছুক)সাধক যদি মনে করেন,নানাতীর্থে যাতায়াতে তাঁর ভক্তি-সিদ্ধি হবে,তাঁর এটি একরকম ভ্রান্তিই বটে,কারণ নানাতীর্থ যাতায়াতে তিনি প্রেমপ্রাপক শ্রীহরির শ্রবণ,কীর্তন,স্মরণাদি অন্তরঙ্গ ভজনাঙ্গগুলি নিষ্ঠার সঙ্গে যাজন করতে সমর্থ হবেন না,কারণ সর্বত্র যাতায়াতে নানাজাতীয় জনসঙ্গে মন চঞ্চল হওয়াটাই স্বাভাবিক।* *যেহেতু ইতস্ততঃ (এদিকওদিক)ছুটোছুটি ত‍্যাগ করে স্থিরভাবে বৃন্দাবনাদি প্রেমধামে অবস্থান করে কায়মনোবাক‍্যে নিষ্ঠার সঙ্গে শ্রীরাধাগোবিন্দ পাদপদ্ম ভজনেই সাধক প্রেমসিদ্ধি লাভে ধন‍্য হতে পারবেন।* *এইজন‍্যই বলা হয়েছে "সর্বসিদ্ধি গোবিন্দ চরণ"।*
            *ক্রমশ*


*🌻বিবিধ ফললাভেচ্ছু বা পূণ‍্য-কামী ব‍্যক্তিগণ যদি মনে করেন,নানাতীর্থ ভ্রমণ করে আমার মনের বাসনা পূর্ণ হবে, তাঁদেরকে ঠাকুরমহাশয় বলছেন,এটি তাঁদের মনের ভ্রমমাত্র।যেহেতু শ্রীগোবিন্দ-চরণেই নিখিল তীর্থযাত্রার সিদ্ধি অবস্থান করে থাকে।তাঁরা যদি নানাতীর্থের ফলসিদ্ধির জন্য তীর্থযাত্রা পরিশ্রম ত‍্যাগ করে শ্রীগোবিন্দচরণ ভজন করেন,তাঁর অনায়াসেই নিজ বাসনা পূর্ণ হবে, এবং সৌভাগ্য লাভ করবেন। শ্রীকৃষ্ণ নিজগুণে বা নিজ কারুণ‍্যে তাঁদের প্রেমভক্তিদানে ধন‍্য করবেন।*
*🌻শ্রীচৈতন‍্য চরিতামৃতে ২২পরিচ্ছেদে দেখা যায় =*
*অন‍্যকামী করে যদি কৃষ্ণের ভজন।*
*না মাগিলেও কৃষ্ণ তারে দেন স্বচরণ।।*
*কৃষ্ণ কহে-- আমায় ভজে,মাগে বিষয়সুখ।*
*অমৃত ছাড়ি বিষ মাগে,এই বড় মূর্খ।।*
*আমি বিজ্ঞ এই মূর্খে বিষয় কেনে দিব।*
*স্বচরণামৃত দিয়া বিষয় ভুলাইব।।*
*কাম লাগি কৃষ্ণ ভজে পায় কৃষ্ণরসে।*
*কাম ছাড়ি দাস হৈতে হয় অভিলাষে।।*
*🌻অতঃপর বললেন,"সুদৃঢ় বিশ্বাস করি,মদ মাৎসহ‍্য পরিহরি,সদা কর অনন‍্য ভজন"।* *ইতিপূর্বে যেসব ভজনের সিদ্ধান্ত বর্ণিত হয়েছে,বৈষ্ণব সাধকগণকে তাতে সুদৃঢ় বিশ্বাস রেখে ভজন করতে হবে।ভক্তিসাধনা বা ভজনের অধিকার আনয়ন করে যে শ্রদ্ধা,তা বিশ্বাসমূলক।* *"শ্রদ্ধা শব্দে বিশ্বাস কহে,সুদৃঢ় নিশ্চয়"। সাধু,শাস্ত্র ও গুরুবাক‍্যে বিশ্বাসের নামই শ্রদ্ধা।সুদৃঢ় বিশ্বাস সম্পন্ন ব‍্যক্তিই শ্রেষ্ঠ শ্রদ্ধাবান বা ভজনের উত্তমাধিকারী।আবার ভজনকারী ভক্তকে মদ ও মাৎসহ‍্যাদি ত‍্যাগ করতেই হবে,কারণ এরাই ভক্তির অত‍্যন্ত ব‍্যাঘাত ঘটায়।পরমার্থ লাভ করতে হলে দম্ভ,অহঙ্কারাদি অবশ্যই বর্জন করতে হবে।বিচার করলে দেখা যায়,আমরা অনিত‍্য বস্তুকে দেহ-দৈহিকাদিকেই ""আমি"" "আমার"বলে মনে করে থাকি।ইহা থেকেই মদ বা অভিমানের উদয় হয়।* *বস্তুতত্ত্বের জ্ঞান হলে নিজের কর্তৃত্ব অভিমান আপনা আপনি সরে যায়।জীবের স্বরূপ শুদ্ধ চিদাত্মা,সুতরাং প্রাকৃতিক সব বিষয়ে নির্লিপ্ত এবং জগতের সমস্ত কাজই প্রকৃতির গুণকর্তৃক সম্পন্ন হয়। "প্রকৃতেঃ ক্রিয়মাণানি গুণৈঃ কর্মাণি সর্বশঃ। (গীতা=৩|২৭) এটি মনে করলে স্বভাবতই ভগবচ্চরণে প্রপন্নতা আসে এবং সর্ববিষয়ে নিজেকে অসমর্থ বলে বোধ হয়।* *তখন মদ বা অহঙ্কারের মূল পর্যন্ত হৃদয় হতে উৎখাত হয়ে যায় এবং দৈন‍্য নিজের মধুময় রূপ প্রকাশ করে সেই হৃদয়কে সুশোভিত করে।*
        *ক্রমশ*

*🌻মাৎসর্য‍্য=চিত্তে অবস্থান করলে ভগবানের ভজন অধিকার হতে বঞ্চিত হতে হয়।শ্রীমদ্ভাগবতের শুরুতেই ১|১|২ দেখা যায়, নির্মৎসরাণাং সতাম্ অর্থ‍্যাৎ নির্মৎসর সৎ বা মহৎ জনই ভাগবতধর্মের অধিকারী।"পরোৎকর্ষাহনং মাৎসর্য‍্যম্" অপরের উৎকর্ষ সহ‍্য করতে না পারা, ঐসব ভাল না লাগা বা মনটি বিমর্ষ হয়ে আসা,এইরকম অতি হীন,সঙ্কীর্ণ বা কদর্য মনোবৃত্তির নামই মাৎসর্য‍্য।*
*যারা পরশ্রীকাতরতা বা মাৎসর্য‍্য পরায়ণ ব‍্যক্তির নিজ থেকে কোন শ্রেষ্ঠজনের প্রতি দোষারোপ,সমানজনে স্পর্ধা,ছোটকে ঘৃণা বা তাচ্ছিল‍্য প্রকাশ পেয়ে থাকে। মহৎ ব‍্যক্তির শ্রেষ্ঠজনে শ্রদ্ধাভক্তি,সমানজনে ভালবাসা,মৈত্রী ও ছোটদের স্নেহ,কৃপার উদয় হয়ে থাকে।*
*মাৎসর্য পরায়ণ জনের হৃদয়ে প্রতিষ্ঠাশার বা যশঃ লাভের বাসনাও উদয় হয়।এই মাৎসর্য নামক চন্ডালের ঔরসে এবং প্রতিষ্ঠাশা নাম্নী পিশাচীর গর্ভে হিংসা ও অসূয়া এই যমজ সন্তানের জন্ম হয়।* *এদের তান্ডব নৃত‍্যে হৃদয়ের সদবৃত্তিসকল চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যায়।অতএব সাধককে সতত মদ-মাৎসর্যাদি পরিহার করতে হবে।* *তারপর বললেন, "সদা কর অনন‍্য ভজন", শ্রীমদ্ভাগবতে ৪|৭|৩৮ "অনন‍্যবৃত্ত‍্যা"শব্দের টীকায় শ্রীধরস্বামী লিখেছেন= "অনন‍্যবৃত্ত‍্যা ভক্ত‍্যা অব‍্যভিচারী ভক্ত‍্যা" অর্থ‍্যাৎ অনন‍্যভক্তি বলতে অব‍্যভিচারী ভক্তি বলেই জানতে হবে। শ্রীকৃষ্ণ সেবা ছাড়া অন‍্য কোন কামনাই শুদ্ধভক্তির ব‍্যভিচার,অতএব "অনন‍্যভজন" বলতে ঐহিক-পারত্রিক (ইহলোক-পরলোক) বিশ্ব কামনা ত‍্যাগ করে কৃষ্ণসুখের দিকে নজর দিয়ে যে ভজন তাহাই অনন‍্যভজন বলা হয়।* *শ্রীবিশ্বনাথ চক্রবর্তী পাদ শ্রীমদ্ভাগবদগীতার ৯|৩০ টীকায় " অনন‍্যভাক্" শব্দের ব‍্যাখ‍্যায় লিখেছেন, "অনন‍্যভাক্ মত্তোহন‍্যদেবতান্তরং মদ্ভক্তেরন‍্যৎ কর্মজ্ঞানাদিকম্, মৎকামনাতোহন‍্যাং রাজ‍্যাদিকামনাং ন ভজতে স সাধুঃ"* *অর্থ‍্যাৎ যাঁরা আমাছাড়া অন‍্যদেবতার ভজন করেন না, আমার ভক্তি ছাড়া কর্ম,জ্ঞানাদির অনুষ্ঠান করেন না, এবং আমার সেবা-কামনা ছাড়া যাঁদের অন্তরে অন‍্য কামনার অর্থ‍্যাৎ রাজ‍্যাদির কামনার স্থান নাই,তাঁরাই অনন‍্যভজনকারী তাঁরাই যথার্থ সাধু।* *জয় নিতাই গৌর হরিবল*
*🌻এখানেই রহিল ভুল ক্ষমা করবেন🌻*
পরিপূর্ণ
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 👇👇👇
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






*তীর্থযাত্রা পরিশ্রম, কেবল মনের ভ্রম,* *সর্বসিদ্ধি গোবিন্দ চরণ।**সুদৃঢ় বিশ্বাস করি,মদ মাৎসহ‍্য পরিহরি,* *সদা কর অনন‍্য ভজন।।* ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ -> https://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/08/pdf-httpsmrinmoynandy_79.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ꧁ *তীর্থযাত্রা পরিশ্রম, কেবল মনের ভ্রম,* ꧂
            ꧁ *সর্বসিদ্ধি গোবিন্দ চরণ।* 
  ꧁ *সুদৃঢ় বিশ্বাস করি,মদ মাৎসহ‍্য পরিহরি,* 
              *সদা কর অনন‍্য ভজন।।* ꧂
                        👇👇👇🙏👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
সকল কিছু লিখনী👇👇🙏👇👇📚 *PDF গ্রন্থ* 📚 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*🔔🔔🔔🔔🔔🔔🔔🔔🔔🔔🔔🔔
*তীর্থযাত্রা পরিশ্রম, কেবল মনের ভ্রম,*
      *সর্বসিদ্ধি গোবিন্দ চরণ।*
*সুদৃঢ় বিশ্বাস করি,মদ মাৎসহ‍্য পরিহরি,*
     *সদা কর অনন‍্য ভজন।।*
*🌻ঠাকুরমহাশয় বলছেন,নানাতীর্থে যাতায়াত করে চিত্তচাঞ্চল‍্য পরিশ্রম ত‍্যাগ করে স্থিরভাবে শ্রীবৃন্দাবনাদি লীলাধামে সৎসঙ্গে বসবাস করে অনন‍্য-ভজনের উপদেশ দান করছেন।* *তীর্থযাত্রা পরিশ্রম, কেবল মনের ভ্রম,সর্বসিদ্ধি গোবিন্দ চরণ।এখানে "তীর্থযাত্রা"বলতে শ্রীবৃন্দাবন,নবদ্বীপ,নীলাচলাদি স্বাভীষ্ট-ভাবানুকূল ভগবদ্ধাধাম ব‍্যতীত অন‍্যান‍্য তীর্থযাত্রাই জানতে হবে।* *কারণ চৌষট্টি ভজনাঙ্গের মধ্যে যে পাঁচটি ভজনাঙ্গকে প্রেমপ্রাপ্তির সাতিশয়(অত‍্যন্ত বেশী) শক্তিশালী সাধন বলে উল্লেখ করা হয়েছে তারমধ‍্যে "ব্রজবাস"অন‍্যতম।* *শ্রীচৈতন‍্য চরিতামৃতে মঃ ২২ পঃ দেখা যায় =*
*সাধুসঙ্গ,নামকীর্তন,ভাগবতশ্রবণ।*
*মথুরাবাস,শ্রীমূর্তির শ্রদ্ধায় সেবন*।।
*সকল সাধন শ্রেষ্ঠ এই পঞ্চ অঙ্গ।*
*কৃষ্ণপ্রেম জন্মায় এই পাঁচের সঙ্গ*।।
*🌻তাৎপর্য‍্য এই যে,ভগবৎ পাদপদ্মে প্রেমলাভেচ্ছু (রাধাকৃষ্ণের প্রতি যাদের শ্রদ্ধা ও ভালবাসা )রাগানুগা ভাবে নিজের অভিলাষ পূরণের জন্য শ্রীবৃন্দাবন,নবদ্বীপ,নীলাচলাদি ধাম আশ্রয় করে মহদগণের সঙ্গে শ্রবণ,কীর্তন,স্মরণাদি অন্তরঙ্গ ভজনে রত থাকবেন।নানাতীর্থে যাতায়াত পরিশ্রম করে কোন লাভ হবে না,সময় অতিবাহিত হবে।নানাতীর্থে যাতায়াত করলে কেবল মনের একতায় বাধা সৃষ্টি হবে।"স্থানে সতাং নিবাস এবাব‍্যগ্রতয়া স্থিতাঃ, ন তু তীর্থপর্য‍্যটনাদি ক্লেশান্ কুর্বন্তঃ অর্থ‍্যাৎ শ্রীবৃন্দাবনাদি ধামে যেখানে স্বভাবতই বিশিষ্ট মহদ্গণ বসবাস করে থাকেন,সেই জায়গায় স্থিরভাবে অবস্থান করে মহৎসঙ্গে হরিকথায় বৈষ্ণব ভজন-জীবন যাপন করবেন।* *নানাতীর্থ পর্য‍্যটন করে কষ্টভোগ করবেন না।* *ভজনসাধন বিষয়ে শাস্ত্রবাণীর মতো মহদনুভব একটি বিশেষ প্রমাণ।* *ব্রজধামের রণবাড়ীর সিদ্ধ শ্রীকৃষ্ণদাস বাবাজী মহারাজ চারধামে গমনের বাসনা করলে রাধারাণী তাঁকে স্বপ্নে ব্রজধাম ত‍্যাগ করে অন‍্যধামে যেতে নিষেধ করেন।* *শ্রীকৃষ্ণদাস বাবাজী মহারাজ কেবল স্বপ্ন মনে করে চারধামের জন্য বেড়িয়ে পড়লেন এবং দ্বারকায় গিয়া তপ্তমুদ্রা (সোনার মোহর)ধারণ করেন।যেদিন তিনি ব্রজে প্রত‍্যাবর্তন করেন,সেই রাত্রেই রাধারাণী তাঁকে পুনরায় স্বপ্নাদেশ করেন যে,তিনি দ্বারকাধামে তপ্তমুদ্রা ধারণ করে সত‍্যভামার গণভুক্ত হয়েছেন,(কারণ তেলে আর জলে মিশে না, দ্বারকা ঐশ্বর্য‍্য আর ব্রজ মাধুর্য‍্য) সুতরাং তিনি ব্রজ হতে দ্বারকায় চলে যান।তখন শ্রীকৃষ্ণদাস বাবাজী পূর্বের স্বপ্নকে সত‍্য বলে মনে করেন এবং অত‍্যন্ত অনুতপ্ত হয়ে অন‍্য সিদ্ধ-মহাত্মাগণের নিকট প্রায়শ্চিত্তের প্রার্থনা করেন।রাধারাণীর সাক্ষাৎ আদেশের উপর কেহই কোনরকম প্রায়শ্চিত্তের বিধান দিতে সমর্থ হলেন না,তখন রাধারাণীর বিরহে শ্রীকৃষ্ণদাস বাবাজীর অঙ্গে বিরহানল প্রজ্বলিত হয়ে ওঠে এবং শুকনো কাঠের মতো সেই আগুনে তাঁর দেহ পুড়ে ছাই হয়ে যায়।* *(গৌড়ীয় বৈষ্ণবজীবন, শ্রীহরিদাস দাস,হরিবোলকুটীর নবদ্বীপ হতে প্রকাশিত,দ্বিতীয় খন্ডে রণবাড়ীর সিদ্ধবাবার চরিত্র দ্রষ্টব‍্য)* *রাধারাণী নিজজনের দ্বারা রাগানুগা সাধকগণকে এই শিক্ষাই প্রদান করেছিলেন যে,স্বাভীষ্টভাবানুকূল (নিজ অভিলাষ পূরণের জন্য )ব্রজধাম ত‍্যাগ করে অন‍্যধামে গমন করলে ব্রজরস-সাধকের ভাবের প্রতিকূলই হয়ে থাকে।* *ঠাকুরমহাশয় বললেন,"তীর্থযাত্রা পরিশ্রম,কেবল মনের ভ্রম," বা ভ্রান্তি ছাড়া আর কিছুই নয়।ভক্তিচ্ছু (যাঁরা ভক্তি লাভ করতে ইচ্ছুক)সাধক যদি মনে করেন,নানাতীর্থে যাতায়াতে তাঁর ভক্তি-সিদ্ধি হবে,তাঁর এটি একরকম ভ্রান্তিই বটে,কারণ নানাতীর্থ যাতায়াতে তিনি প্রেমপ্রাপক শ্রীহরির শ্রবণ,কীর্তন,স্মরণাদি অন্তরঙ্গ ভজনাঙ্গগুলি নিষ্ঠার সঙ্গে যাজন করতে সমর্থ হবেন না,কারণ সর্বত্র যাতায়াতে নানাজাতীয় জনসঙ্গে মন চঞ্চল হওয়াটাই স্বাভাবিক।* *যেহেতু ইতস্ততঃ (এদিকওদিক)ছুটোছুটি ত‍্যাগ করে স্থিরভাবে বৃন্দাবনাদি প্রেমধামে অবস্থান করে কায়মনোবাক‍্যে নিষ্ঠার সঙ্গে শ্রীরাধাগোবিন্দ পাদপদ্ম ভজনেই সাধক প্রেমসিদ্ধি লাভে ধন‍্য হতে পারবেন।* *এইজন‍্যই বলা হয়েছে "সর্বসিদ্ধি গোবিন্দ চরণ"।*
            *ক্রমশ*


*🌻বিবিধ ফললাভেচ্ছু বা পূণ‍্য-কামী ব‍্যক্তিগণ যদি মনে করেন,নানাতীর্থ ভ্রমণ করে আমার মনের বাসনা পূর্ণ হবে, তাঁদেরকে ঠাকুরমহাশয় বলছেন,এটি তাঁদের মনের ভ্রমমাত্র।যেহেতু শ্রীগোবিন্দ-চরণেই নিখিল তীর্থযাত্রার সিদ্ধি অবস্থান করে থাকে।তাঁরা যদি নানাতীর্থের ফলসিদ্ধির জন্য তীর্থযাত্রা পরিশ্রম ত‍্যাগ করে শ্রীগোবিন্দচরণ ভজন করেন,তাঁর অনায়াসেই নিজ বাসনা পূর্ণ হবে, এবং সৌভাগ্য লাভ করবেন। শ্রীকৃষ্ণ নিজগুণে বা নিজ কারুণ‍্যে তাঁদের প্রেমভক্তিদানে ধন‍্য করবেন।*
*🌻শ্রীচৈতন‍্য চরিতামৃতে ২২পরিচ্ছেদে দেখা যায় =*
*অন‍্যকামী করে যদি কৃষ্ণের ভজন।*
*না মাগিলেও কৃষ্ণ তারে দেন স্বচরণ।।*
*কৃষ্ণ কহে-- আমায় ভজে,মাগে বিষয়সুখ।*
*অমৃত ছাড়ি বিষ মাগে,এই বড় মূর্খ।।*
*আমি বিজ্ঞ এই মূর্খে বিষয় কেনে দিব।*
*স্বচরণামৃত দিয়া বিষয় ভুলাইব।।*
*কাম লাগি কৃষ্ণ ভজে পায় কৃষ্ণরসে।*
*কাম ছাড়ি দাস হৈতে হয় অভিলাষে।।*
*🌻অতঃপর বললেন,"সুদৃঢ় বিশ্বাস করি,মদ মাৎসহ‍্য পরিহরি,সদা কর অনন‍্য ভজন"।* *ইতিপূর্বে যেসব ভজনের সিদ্ধান্ত বর্ণিত হয়েছে,বৈষ্ণব সাধকগণকে তাতে সুদৃঢ় বিশ্বাস রেখে ভজন করতে হবে।ভক্তিসাধনা বা ভজনের অধিকার আনয়ন করে যে শ্রদ্ধা,তা বিশ্বাসমূলক।* *"শ্রদ্ধা শব্দে বিশ্বাস কহে,সুদৃঢ় নিশ্চয়"। সাধু,শাস্ত্র ও গুরুবাক‍্যে বিশ্বাসের নামই শ্রদ্ধা।সুদৃঢ় বিশ্বাস সম্পন্ন ব‍্যক্তিই শ্রেষ্ঠ শ্রদ্ধাবান বা ভজনের উত্তমাধিকারী।আবার ভজনকারী ভক্তকে মদ ও মাৎসহ‍্যাদি ত‍্যাগ করতেই হবে,কারণ এরাই ভক্তির অত‍্যন্ত ব‍্যাঘাত ঘটায়।পরমার্থ লাভ করতে হলে দম্ভ,অহঙ্কারাদি অবশ্যই বর্জন করতে হবে।বিচার করলে দেখা যায়,আমরা অনিত‍্য বস্তুকে দেহ-দৈহিকাদিকেই ""আমি"" "আমার"বলে মনে করে থাকি।ইহা থেকেই মদ বা অভিমানের উদয় হয়।* *বস্তুতত্ত্বের জ্ঞান হলে নিজের কর্তৃত্ব অভিমান আপনা আপনি সরে যায়।জীবের স্বরূপ শুদ্ধ চিদাত্মা,সুতরাং প্রাকৃতিক সব বিষয়ে নির্লিপ্ত এবং জগতের সমস্ত কাজই প্রকৃতির গুণকর্তৃক সম্পন্ন হয়। "প্রকৃতেঃ ক্রিয়মাণানি গুণৈঃ কর্মাণি সর্বশঃ। (গীতা=৩|২৭) এটি মনে করলে স্বভাবতই ভগবচ্চরণে প্রপন্নতা আসে এবং সর্ববিষয়ে নিজেকে অসমর্থ বলে বোধ হয়।* *তখন মদ বা অহঙ্কারের মূল পর্যন্ত হৃদয় হতে উৎখাত হয়ে যায় এবং দৈন‍্য নিজের মধুময় রূপ প্রকাশ করে সেই হৃদয়কে সুশোভিত করে।*
        *ক্রমশ*

*🌻মাৎসর্য‍্য=চিত্তে অবস্থান করলে ভগবানের ভজন অধিকার হতে বঞ্চিত হতে হয়।শ্রীমদ্ভাগবতের শুরুতেই ১|১|২ দেখা যায়, নির্মৎসরাণাং সতাম্ অর্থ‍্যাৎ নির্মৎসর সৎ বা মহৎ জনই ভাগবতধর্মের অধিকারী।"পরোৎকর্ষাহনং মাৎসর্য‍্যম্" অপরের উৎকর্ষ সহ‍্য করতে না পারা, ঐসব ভাল না লাগা বা মনটি বিমর্ষ হয়ে আসা,এইরকম অতি হীন,সঙ্কীর্ণ বা কদর্য মনোবৃত্তির নামই মাৎসর্য‍্য।*
*যারা পরশ্রীকাতরতা বা মাৎসর্য‍্য পরায়ণ ব‍্যক্তির নিজ থেকে কোন শ্রেষ্ঠজনের প্রতি দোষারোপ,সমানজনে স্পর্ধা,ছোটকে ঘৃণা বা তাচ্ছিল‍্য প্রকাশ পেয়ে থাকে। মহৎ ব‍্যক্তির শ্রেষ্ঠজনে শ্রদ্ধাভক্তি,সমানজনে ভালবাসা,মৈত্রী ও ছোটদের স্নেহ,কৃপার উদয় হয়ে থাকে।*
*মাৎসর্য পরায়ণ জনের হৃদয়ে প্রতিষ্ঠাশার বা যশঃ লাভের বাসনাও উদয় হয়।এই মাৎসর্য নামক চন্ডালের ঔরসে এবং প্রতিষ্ঠাশা নাম্নী পিশাচীর গর্ভে হিংসা ও অসূয়া এই যমজ সন্তানের জন্ম হয়।* *এদের তান্ডব নৃত‍্যে হৃদয়ের সদবৃত্তিসকল চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যায়।অতএব সাধককে সতত মদ-মাৎসর্যাদি পরিহার করতে হবে।* *তারপর বললেন, "সদা কর অনন‍্য ভজন", শ্রীমদ্ভাগবতে ৪|৭|৩৮ "অনন‍্যবৃত্ত‍্যা"শব্দের টীকায় শ্রীধরস্বামী লিখেছেন= "অনন‍্যবৃত্ত‍্যা ভক্ত‍্যা অব‍্যভিচারী ভক্ত‍্যা" অর্থ‍্যাৎ অনন‍্যভক্তি বলতে অব‍্যভিচারী ভক্তি বলেই জানতে হবে। শ্রীকৃষ্ণ সেবা ছাড়া অন‍্য কোন কামনাই শুদ্ধভক্তির ব‍্যভিচার,অতএব "অনন‍্যভজন" বলতে ঐহিক-পারত্রিক (ইহলোক-পরলোক) বিশ্ব কামনা ত‍্যাগ করে কৃষ্ণসুখের দিকে নজর দিয়ে যে ভজন তাহাই অনন‍্যভজন বলা হয়।* *শ্রীবিশ্বনাথ চক্রবর্তী পাদ শ্রীমদ্ভাগবদগীতার ৯|৩০ টীকায় " অনন‍্যভাক্" শব্দের ব‍্যাখ‍্যায় লিখেছেন, "অনন‍্যভাক্ মত্তোহন‍্যদেবতান্তরং মদ্ভক্তেরন‍্যৎ কর্মজ্ঞানাদিকম্, মৎকামনাতোহন‍্যাং রাজ‍্যাদিকামনাং ন ভজতে স সাধুঃ"* *অর্থ‍্যাৎ যাঁরা আমাছাড়া অন‍্যদেবতার ভজন করেন না, আমার ভক্তি ছাড়া কর্ম,জ্ঞানাদির অনুষ্ঠান করেন না, এবং আমার সেবা-কামনা ছাড়া যাঁদের অন্তরে অন‍্য কামনার অর্থ‍্যাৎ রাজ‍্যাদির কামনার স্থান নাই,তাঁরাই অনন‍্যভজনকারী তাঁরাই যথার্থ সাধু।* *জয় নিতাই গৌর হরিবল*
*🌻এখানেই রহিল ভুল ক্ষমা করবেন🌻*
পরিপূর্ণ
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 👇👇👇
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






*শ্রীরাধানামের এত উৎকর্ষ বা মহিমা কেন ❓ ❇️ জয় জয় রাধা নাম, বৃন্দাবন যার ধাম, কৃষ্ণসুখ বিলাসের নিধি। হেন রাধা-গুণগান, ধা শুনিল মোর কান, বজ্ঞিত করিল মেরো বিধি।। ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন* 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/08/pdf-httpsmrinmoynandy_62.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ꧁ *জয় জয় রাধা নাম, বৃন্দাবন যার ধাম,* 
             ꧁ *কৃষ্ণসুখ বিলাসের নিধি।* 
 ꧁ *হেন রাধা-গুণগান,ধা শুনিল মোর কান,* 
             *বজ্ঞিত করিল মেরো বিধি।।* ꧂
                        👇👇👇🙏👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
সকল কিছু লিখনী👇👇🙏👇👇📚 *PDF গ্রন্থ* 📚 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
*জয় জয় রাধা নাম, বৃন্দাবন যার ধাম,*
     *কৃষ্ণসুখ বিলাসের নিধি।*
*হেন রাধা-গুণগান,ধা শুনিল মোর কান,*
     *বজ্ঞিত করিল মেরো বিধি।।*
*🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
*🌻শ্রীঠাকুর মহাশয় শ্রীরাধানামের মহিমা প্রকাশ করতে গিয়া বললেন, জয় জয় রাধা ধাম,বৃন্দাবন যার ধাম,কৃষ্ণসুখ বিলাসের নিধি। "জয়" শব্দ উৎকর্ষ বাচক এবং নমস্কার বাচক। "শ্রীরাধানাম" সর্ব উৎকর্ষে বিরাজ করছেন,অতএব শ্রীরাধানামকে পুনঃপুনঃ নমস্কার। শ্রীরাধানামের এত উৎকর্ষ বা মহিমা কেন? শ্রীপ্রবোধানন্দ সরস্বতীপাদ লিখেছেন------,*
*"যজ্জাপঃ সকৃদেব গোকুলপতেরাকর্যকস্তৎক্ষণাদযত্র প্রেমবতাং সমস্তপুরুষার্থেষু স্ফুরেতুচ্ছতা।*
*যন্নামাঙ্কিতমন্ত্রজাপনপরঃ প্রীত‍্যা স্বয়ং মাধবঃ শ্রীকৃষ্ণোহপি তদদ্ভুতং স্ফুরতু মে রাধেতি বর্ণদ্বয়ম্।।*
       *রাধারসসুধানিধি=৯৫*
*🙏অর্থ‍্যাৎ যা একবার মাত্র জপ করলেই নন্দনন্দন শ্রীকৃষ্ণ তৎক্ষণাৎ আকৃষ্ট হয়ে থাকেন,যাতে প্রীতি সম্পন্ন হলে নিখিল পুরুষার্থে তুচ্ছতা বুদ্ধি উৎপন্ন হয়,স্বয়ং মাধব শ্রীকৃষ্ণও যে নামাঙ্কিত মন্ত্র অতি ভালবাসার সঙ্গে জপ করে থাকেন, সেই "রাধা" এই অদ্ভুত বর্ণদ্বয় আমার জিহ্বায় সতত স্ফুরিত হোক"।* *এই অখিল ব্রহ্মান্ডের পরম আরাধ‍্যতত্ত্ব স্বয়ং ভগবান ব্রজেন্দ্রনন্দনের পরমাকর্ষক মন্ত্র "রাধানাম", তাই রাধানামের এত উৎকর্ষ বা মহিমা।*
*🌻ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে দেখা যায়,*
"""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
*""রা"" শব্দোচ্চারণাদেব স্ফীতো ভবতি মাধবঃ।*
*""ধা"" শব্দোচ্চারত পশ্চাদ্ধাবত‍্যেব সসম্ভ্রমঃ।।*
*🙏অর্থ‍্যাৎ কোন ব‍্যক্তি যদি "রা" শব্দটি উচ্চারণ করেন,তখনি শ্রীকৃষ্ণ তার কাছে গিয়ে হর্ষোৎফুল্ল হয়ে উঠেন এবং "ধা" শব্দোচ্চারণে সম্ভ্রমের সঙ্গে তৎক্ষণাৎ নাম উচ্চারণকারীর পেছন পেছন অনুসরণ করে থাকেন।*
== === === === ==== 
*সেই রাধানামের ধাম শ্রীবৃন্দাবন= "বৃন্দাবন যার ধাম"।শ্রীরাধারাণীর পরম মাধুর্য‍্যময় লীলাভূমি শ্রীবৃন্দাবন মধুরাতিমধুর শ্রীরাধানামেরই ধাম।শ্রীকৃষ্ণের পরম আকর্ষক মন্ত্র বলে শ্রীবৃন্দাবনবাসীর উপাস‍্য শ্রীরাধানাম,* *কীর্তনীয়,জপ,শ্রোতব‍্য(শুনবার উপযুক্ত ) ও স্মর্তব‍্য(স্মরণীয়) শ্রীরাধানাম।* *বৃন্দাবনের সকলের মুখে রাধানাম।পরস্পরের ডাকে,সম্ভাষণে,সম্বর্ধনায়,ক্রয়-বিক্রয়ে*, *সকলের সব কাজেই রাধানাম।* *ঘরের ভিতরে,বাইরে,গাছপালাতে লেখা মধুর-মধুর রাধানাম।কথিত আছে=শ্রীরামচরিতমানস রচয়িতা সুপ্রসিদ্ধ কবি তুলসীদাস বৃন্দাবনে এসে সকলের মুখে রাধানাম শুনে অবাক হয়েছিলেন,তখন শ্রীরামচন্দ্রের ধাম অযোধ‍্যার কথা তাঁর মনে হয়।তিনি ভাবেন,অযোধ‍্যায় সবার মুখে রামনাম,সেখানে "সীতা"নাম তো কেহই বলেন না,যদিও বলেন "সীতারাম"।বৃন্দাবনে,একি শুনি,এখানে সব কাজেই সবার মুখে কেবলি "রাধানাম", তাই "জয় জয় রাধানাম,বৃন্দাবন যার ধাম"।*
*🌻🌻🌻ক্রমশ🌻🌻🌻*


 *👤একদা কোন একজন বঙ্গবাসী ভদ্রমহিলা শ্রীবৃন্দাবন দর্শনে আসেন,তাঁ নামটি ছিল "রাধা"।তিনি রাস্তার বাহির হলে বৃন্দাবনবাসীগণ পরস্পরকে 'জয়রাধে' 'জয়রাধে' বলে আহ্বান করেন,তখন তিনি চমকিতভাবে সেই দিকে তাকান,কেউ কি তাঁকেই ডাকছেন?পরে তিনি বুঝতে পারলেন,এখানের কি স্ত্রী,কি পুরুষ সকলেই সকলকে "রাধে" "রাধে" বলে ডাকেন এবং সকলেই সবকাজ এবং কথাবার্তা রাধানাম সঙ্কেতে করছেন।* *একদিন তিনি জনৈক মহতের কাছে এর কারণ জিজ্ঞাসা করলে সেই বৈষ্ণব তাঁকে বলেন "মা"! পৃথিবীতে এমন একটি দেশ আছে,সেখানকার নিয়ম হচ্ছে,আগে মধুর কথাটি শুনিয়ে তারপর অন‍্য কথাবলতে হবে।অর্থ‍্যাৎ যদি সেখানে কেউ কাউকেও তিরস্কার করতে আসেন,তবু পূর্বে মধুরকথা শুনিয়ে পরে তিরস্কৃত করতে হবে।* *বৃন্দাবন সেইরকম একটি দেশ,এখানে রাধানামের মতো আর মধুর বস্তু কিছুই নাই।তাই প্রথমে সকলে সকলকে রাধানাম শুনিয়ে পরে অন‍্য কথা বলেন বা অন‍্যকাজ করেন।সত‍্যই রাধানামের মতো এত সুন্দর মধুরবস্তু বিশ্বে আর কিছুই নাই।* *🙏শ্রীমৎ রঘুনাথদাস গোস্বামীপাদ বলেছেন=*
*রাধেতি নাম নবসুন্দর সীধুমুগ্ধম্, অর্থ‍্যাৎ "রাধা" এই নাম অভিনব সুন্দর অমৃত। এইজন‍্যই বৃন্দাবনবাসীর প্রাণাধিক প্রিয় রাধানাম, "শ্রীরাধানামের ধাম বৃন্দাবন"।* 
*🌻তারপর বললেন, "কৃষ্ণসুখ বিলাসের নিধি", শ্রীরাধারাণী শ্রীকৃষ্ণসুখ-বিলাসের নিধি বা সিন্ধুতুল‍্য।যদিও চন্দ্রাবলী প্রভৃতি অন‍্য কান্তাতেও শ্রীকৃষ্ণের বিলাস আছে বটে কিন্তু সমুদ্র যেমন নদ,নদী,সরোবর প্রভৃতি সমস্ত জলাশয়ের মূল অধিকরণ বা আশ্রয়,তদ্রুপ শ্রীরাধারাণীই শ্রীকৃষ্ণের সুখবিলাসের মূল আশ্রয়।রাধারাণীর সঙ্গে বিহাররস পরিপুষ্টির জন‍্যই অন‍্যান‍্য গোপী।শ্রীরাধারাণীই শৃঙ্গাররসঘন-মূতরি শ্রীকৃষ্ণের খেলাধূলার অক্ষয় ভান্ডার, "কিম্বা কৃষ্ণক্রীড়া পূজার বসতি নগরী"(চৈঃচঃ),রাধারাণীর নামও তদ্রুপ শ্রীকৃষ্ণসুখ বিলাসের নিধি,কারণ নাম ও নামী অভিন্ন।*
*শ্রীমৎ রূপগোস্বামীপাদ বিদগ্ধমাধব নাটকের ষষ্ঠঅঙ্কে দেখা যায়, রাধারাণীকে বৃন্দাবনে অন্বেষণ করতে গিয়া শ্রীকৃষ্ণ রাধাভ্রমে যখন স্থলকমলিনী,পীতঝিন্ধি ইত‍্যাদিকে আলিঙ্গনের জন্য ধাবিত হয়েছিলেন,তখন তাঁর প্রিয়নর্মসখা মধুমঙ্গল কৃষ্ণকে পরিহাস করে তাঁর হাতের মুঠোর মধ্যে রাধারাণীকে দেবার সঙ্কল্প করে একটি পত্রে"রাধা"এই নামটি লিখে এটিই রাধা বলে কৃষ্ণের হাতে সেই নামাক্ষর লিখিত পত্রটি অর্পণ করলেন।কৃষ্ণ "রাধানাম" দেখে মধুমঙ্গলকে বলেছিলেন,সখে!সত‍্যই আমি তোমার অর্পিত এই বস্তুর দ্বারা পরম তৃপ্তিলাভ করলাম। কারণ--*

*"ক্রমাৎ কক্ষামক্ষ্মোঃ পরিসরভুবং বা শ্রবণয়ো,-র্মনাগধ‍্যারূঢ়ং প্রণয়িজননামাক্ষরপদম্।*
*কমপ‍্যন্তস্তোষং বিতরদবিলম্বাদনুপদং, নিসর্গাদ্বিশ্বেষাং হৃদয়পদবীমুৎসুকয়তি।।*

*🙏অর্থ‍্যাৎ প্রণয়িজনের নামাক্ষর যদি কোনরকমে নয়নগোচর বা শ্রুতিগোচর হয়,তবে স্বভাবতই ঐ নামাক্ষর বিশ্ববাসীর হৃদয়ে সন্তোষ বিধান পূর্বক হৃদয়ে বিপুল ঔৎসুক‍্য বিধান করে থাকে।*

*🍀শ্রীকৃষ্ণের কথায় মহাজন গেয়েছেন=====*
*শুন রাধে এই রস, আমি যে তোমার বশ,*
      *তোমা বিনে নাহি ভায় মনে।*
*জপিতে তোমার নাম,ধৈরজ না ধরে প্রাণ,*
     *তুয়া রূপ করিয়ে ধেয়ানে।।*
*শ্রীরাধে শ্রীরাধে বাণী,যেদিকে যার মুখে শুনি,*
    *সেইদিকে ধায় মোর মন।*
*চাতক ফুকারে যেন,ঘন চাহে বরিষণ,*
     *তেন হরি ও চাঁদবদন।।*
*করেতে মূরলী থাকে,ঘন রাধা বলি ডাকে,*
     *যতক্ষণ না পায় দেখিতে।*
*তোমার নূপুর ধ্বনি,আপন শ্রবণে শুনি,*
     *তবে মোর ক্ষমা হয় চিতে।।*
*রাধাকৃষ্ণ দুটি নাম,তাহে তুমি আগুয়ান,*
     *আমি করি তোমারি ভরসা।*
*তবে সে সফল হব,তুয়া পদ পরশিব,*
     *দাস বৃন্দাবনের এ আশা।।*
*🙏সেই পরম মধুর মধুরাতিমধুর সুধাময় রাধানাম অবিরত জিহ্বায় হত থাকুক।এই কামনায় বাঞ্চিত হয়েছে।অতঃপর বললেন,"হেধ রাধা গুণগান,না শুনিল মোর কান,বঞ্চিত করিল মোরে বিধি।।শ্রীঠাকুর মহাশয় রাধাগত প্রাণ হয়েও দৈন‍্যের আবেগে বা ভক্তির অতৃপ্তিভাববশতঃ বলছেন,যাঁর নামের এত মহিমা,সেই শ্রীরাধার গুণকীর্তন আমার কান শুনলো না!হায়!আমার মতো দুর্ভাগা জীবের প্রতি বিধাতার বিড়ম্বনা ছাড়া আর কিছুই নয়।বস্তুতঃ ঠাকুরমহাশয় বিশ্বসাধকগণকে শিক্ষা দিচ্ছেন, প্রেমের মূর্তিমতী অধিধাষ্ঠীদেবী যাঁর নাম,গুণ,লীলাদি শ্রীকৃষ্ণের পরম আকর্ষক ও মহাবশীকারক,সেই রাধার নাম,গুণাদি শ্রবণ-কীর্তনই সাধকগণের মহাপুরুষার্থ এবং এতেই জিহ্বা,কর্ণাদি ইন্দ্রিয়বর্গের যথার্থ সার্থকতা।রাধারাণীর নাম,গুণ,লীলাদির শ্রবণ-কীর্তনে যিনি বঞ্চিত,বিশ্বে তিনিই প্রকৃত বিধাতাকর্তৃক বিড়ম্বিত জীব বলে জানতে হবে।*
*🙏জয় রাধে,রাধে রাধে🙏*
পরিপূর্ণ রাধানাম
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧





*শ্রীরাধানামের এত উৎকর্ষ বা মহিমা কেন ❓ ❇️ জয় জয় রাধা নাম, বৃন্দাবন যার ধাম, কৃষ্ণসুখ বিলাসের নিধি। হেন রাধা-গুণগান, ধা শুনিল মোর কান, বজ্ঞিত করিল মেরো বিধি।। ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন* 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/08/pdf-httpsmrinmoynandy_62.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ꧁ *জয় জয় রাধা নাম, বৃন্দাবন যার ধাম,* 
             ꧁ *কৃষ্ণসুখ বিলাসের নিধি।* 
 ꧁ *হেন রাধা-গুণগান,ধা শুনিল মোর কান,* 
             *বজ্ঞিত করিল মেরো বিধি।।* ꧂
                        👇👇👇🙏👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
সকল কিছু লিখনী👇👇🙏👇👇📚 *PDF গ্রন্থ* 📚 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
*জয় জয় রাধা নাম, বৃন্দাবন যার ধাম,*
     *কৃষ্ণসুখ বিলাসের নিধি।*
*হেন রাধা-গুণগান,ধা শুনিল মোর কান,*
     *বজ্ঞিত করিল মেরো বিধি।।*
*🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
*🌻শ্রীঠাকুর মহাশয় শ্রীরাধানামের মহিমা প্রকাশ করতে গিয়া বললেন, জয় জয় রাধা ধাম,বৃন্দাবন যার ধাম,কৃষ্ণসুখ বিলাসের নিধি। "জয়" শব্দ উৎকর্ষ বাচক এবং নমস্কার বাচক। "শ্রীরাধানাম" সর্ব উৎকর্ষে বিরাজ করছেন,অতএব শ্রীরাধানামকে পুনঃপুনঃ নমস্কার। শ্রীরাধানামের এত উৎকর্ষ বা মহিমা কেন? শ্রীপ্রবোধানন্দ সরস্বতীপাদ লিখেছেন------,*
*"যজ্জাপঃ সকৃদেব গোকুলপতেরাকর্যকস্তৎক্ষণাদযত্র প্রেমবতাং সমস্তপুরুষার্থেষু স্ফুরেতুচ্ছতা।*
*যন্নামাঙ্কিতমন্ত্রজাপনপরঃ প্রীত‍্যা স্বয়ং মাধবঃ শ্রীকৃষ্ণোহপি তদদ্ভুতং স্ফুরতু মে রাধেতি বর্ণদ্বয়ম্।।*
       *রাধারসসুধানিধি=৯৫*
*🙏অর্থ‍্যাৎ যা একবার মাত্র জপ করলেই নন্দনন্দন শ্রীকৃষ্ণ তৎক্ষণাৎ আকৃষ্ট হয়ে থাকেন,যাতে প্রীতি সম্পন্ন হলে নিখিল পুরুষার্থে তুচ্ছতা বুদ্ধি উৎপন্ন হয়,স্বয়ং মাধব শ্রীকৃষ্ণও যে নামাঙ্কিত মন্ত্র অতি ভালবাসার সঙ্গে জপ করে থাকেন, সেই "রাধা" এই অদ্ভুত বর্ণদ্বয় আমার জিহ্বায় সতত স্ফুরিত হোক"।* *এই অখিল ব্রহ্মান্ডের পরম আরাধ‍্যতত্ত্ব স্বয়ং ভগবান ব্রজেন্দ্রনন্দনের পরমাকর্ষক মন্ত্র "রাধানাম", তাই রাধানামের এত উৎকর্ষ বা মহিমা।*
*🌻ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে দেখা যায়,*
"""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
*""রা"" শব্দোচ্চারণাদেব স্ফীতো ভবতি মাধবঃ।*
*""ধা"" শব্দোচ্চারত পশ্চাদ্ধাবত‍্যেব সসম্ভ্রমঃ।।*
*🙏অর্থ‍্যাৎ কোন ব‍্যক্তি যদি "রা" শব্দটি উচ্চারণ করেন,তখনি শ্রীকৃষ্ণ তার কাছে গিয়ে হর্ষোৎফুল্ল হয়ে উঠেন এবং "ধা" শব্দোচ্চারণে সম্ভ্রমের সঙ্গে তৎক্ষণাৎ নাম উচ্চারণকারীর পেছন পেছন অনুসরণ করে থাকেন।*
== === === === ==== 
*সেই রাধানামের ধাম শ্রীবৃন্দাবন= "বৃন্দাবন যার ধাম"।শ্রীরাধারাণীর পরম মাধুর্য‍্যময় লীলাভূমি শ্রীবৃন্দাবন মধুরাতিমধুর শ্রীরাধানামেরই ধাম।শ্রীকৃষ্ণের পরম আকর্ষক মন্ত্র বলে শ্রীবৃন্দাবনবাসীর উপাস‍্য শ্রীরাধানাম,* *কীর্তনীয়,জপ,শ্রোতব‍্য(শুনবার উপযুক্ত ) ও স্মর্তব‍্য(স্মরণীয়) শ্রীরাধানাম।* *বৃন্দাবনের সকলের মুখে রাধানাম।পরস্পরের ডাকে,সম্ভাষণে,সম্বর্ধনায়,ক্রয়-বিক্রয়ে*, *সকলের সব কাজেই রাধানাম।* *ঘরের ভিতরে,বাইরে,গাছপালাতে লেখা মধুর-মধুর রাধানাম।কথিত আছে=শ্রীরামচরিতমানস রচয়িতা সুপ্রসিদ্ধ কবি তুলসীদাস বৃন্দাবনে এসে সকলের মুখে রাধানাম শুনে অবাক হয়েছিলেন,তখন শ্রীরামচন্দ্রের ধাম অযোধ‍্যার কথা তাঁর মনে হয়।তিনি ভাবেন,অযোধ‍্যায় সবার মুখে রামনাম,সেখানে "সীতা"নাম তো কেহই বলেন না,যদিও বলেন "সীতারাম"।বৃন্দাবনে,একি শুনি,এখানে সব কাজেই সবার মুখে কেবলি "রাধানাম", তাই "জয় জয় রাধানাম,বৃন্দাবন যার ধাম"।*
*🌻🌻🌻ক্রমশ🌻🌻🌻*


 *👤একদা কোন একজন বঙ্গবাসী ভদ্রমহিলা শ্রীবৃন্দাবন দর্শনে আসেন,তাঁ নামটি ছিল "রাধা"।তিনি রাস্তার বাহির হলে বৃন্দাবনবাসীগণ পরস্পরকে 'জয়রাধে' 'জয়রাধে' বলে আহ্বান করেন,তখন তিনি চমকিতভাবে সেই দিকে তাকান,কেউ কি তাঁকেই ডাকছেন?পরে তিনি বুঝতে পারলেন,এখানের কি স্ত্রী,কি পুরুষ সকলেই সকলকে "রাধে" "রাধে" বলে ডাকেন এবং সকলেই সবকাজ এবং কথাবার্তা রাধানাম সঙ্কেতে করছেন।* *একদিন তিনি জনৈক মহতের কাছে এর কারণ জিজ্ঞাসা করলে সেই বৈষ্ণব তাঁকে বলেন "মা"! পৃথিবীতে এমন একটি দেশ আছে,সেখানকার নিয়ম হচ্ছে,আগে মধুর কথাটি শুনিয়ে তারপর অন‍্য কথাবলতে হবে।অর্থ‍্যাৎ যদি সেখানে কেউ কাউকেও তিরস্কার করতে আসেন,তবু পূর্বে মধুরকথা শুনিয়ে পরে তিরস্কৃত করতে হবে।* *বৃন্দাবন সেইরকম একটি দেশ,এখানে রাধানামের মতো আর মধুর বস্তু কিছুই নাই।তাই প্রথমে সকলে সকলকে রাধানাম শুনিয়ে পরে অন‍্য কথা বলেন বা অন‍্যকাজ করেন।সত‍্যই রাধানামের মতো এত সুন্দর মধুরবস্তু বিশ্বে আর কিছুই নাই।* *🙏শ্রীমৎ রঘুনাথদাস গোস্বামীপাদ বলেছেন=*
*রাধেতি নাম নবসুন্দর সীধুমুগ্ধম্, অর্থ‍্যাৎ "রাধা" এই নাম অভিনব সুন্দর অমৃত। এইজন‍্যই বৃন্দাবনবাসীর প্রাণাধিক প্রিয় রাধানাম, "শ্রীরাধানামের ধাম বৃন্দাবন"।* 
*🌻তারপর বললেন, "কৃষ্ণসুখ বিলাসের নিধি", শ্রীরাধারাণী শ্রীকৃষ্ণসুখ-বিলাসের নিধি বা সিন্ধুতুল‍্য।যদিও চন্দ্রাবলী প্রভৃতি অন‍্য কান্তাতেও শ্রীকৃষ্ণের বিলাস আছে বটে কিন্তু সমুদ্র যেমন নদ,নদী,সরোবর প্রভৃতি সমস্ত জলাশয়ের মূল অধিকরণ বা আশ্রয়,তদ্রুপ শ্রীরাধারাণীই শ্রীকৃষ্ণের সুখবিলাসের মূল আশ্রয়।রাধারাণীর সঙ্গে বিহাররস পরিপুষ্টির জন‍্যই অন‍্যান‍্য গোপী।শ্রীরাধারাণীই শৃঙ্গাররসঘন-মূতরি শ্রীকৃষ্ণের খেলাধূলার অক্ষয় ভান্ডার, "কিম্বা কৃষ্ণক্রীড়া পূজার বসতি নগরী"(চৈঃচঃ),রাধারাণীর নামও তদ্রুপ শ্রীকৃষ্ণসুখ বিলাসের নিধি,কারণ নাম ও নামী অভিন্ন।*
*শ্রীমৎ রূপগোস্বামীপাদ বিদগ্ধমাধব নাটকের ষষ্ঠঅঙ্কে দেখা যায়, রাধারাণীকে বৃন্দাবনে অন্বেষণ করতে গিয়া শ্রীকৃষ্ণ রাধাভ্রমে যখন স্থলকমলিনী,পীতঝিন্ধি ইত‍্যাদিকে আলিঙ্গনের জন্য ধাবিত হয়েছিলেন,তখন তাঁর প্রিয়নর্মসখা মধুমঙ্গল কৃষ্ণকে পরিহাস করে তাঁর হাতের মুঠোর মধ্যে রাধারাণীকে দেবার সঙ্কল্প করে একটি পত্রে"রাধা"এই নামটি লিখে এটিই রাধা বলে কৃষ্ণের হাতে সেই নামাক্ষর লিখিত পত্রটি অর্পণ করলেন।কৃষ্ণ "রাধানাম" দেখে মধুমঙ্গলকে বলেছিলেন,সখে!সত‍্যই আমি তোমার অর্পিত এই বস্তুর দ্বারা পরম তৃপ্তিলাভ করলাম। কারণ--*

*"ক্রমাৎ কক্ষামক্ষ্মোঃ পরিসরভুবং বা শ্রবণয়ো,-র্মনাগধ‍্যারূঢ়ং প্রণয়িজননামাক্ষরপদম্।*
*কমপ‍্যন্তস্তোষং বিতরদবিলম্বাদনুপদং, নিসর্গাদ্বিশ্বেষাং হৃদয়পদবীমুৎসুকয়তি।।*

*🙏অর্থ‍্যাৎ প্রণয়িজনের নামাক্ষর যদি কোনরকমে নয়নগোচর বা শ্রুতিগোচর হয়,তবে স্বভাবতই ঐ নামাক্ষর বিশ্ববাসীর হৃদয়ে সন্তোষ বিধান পূর্বক হৃদয়ে বিপুল ঔৎসুক‍্য বিধান করে থাকে।*

*🍀শ্রীকৃষ্ণের কথায় মহাজন গেয়েছেন=====*
*শুন রাধে এই রস, আমি যে তোমার বশ,*
      *তোমা বিনে নাহি ভায় মনে।*
*জপিতে তোমার নাম,ধৈরজ না ধরে প্রাণ,*
     *তুয়া রূপ করিয়ে ধেয়ানে।।*
*শ্রীরাধে শ্রীরাধে বাণী,যেদিকে যার মুখে শুনি,*
    *সেইদিকে ধায় মোর মন।*
*চাতক ফুকারে যেন,ঘন চাহে বরিষণ,*
     *তেন হরি ও চাঁদবদন।।*
*করেতে মূরলী থাকে,ঘন রাধা বলি ডাকে,*
     *যতক্ষণ না পায় দেখিতে।*
*তোমার নূপুর ধ্বনি,আপন শ্রবণে শুনি,*
     *তবে মোর ক্ষমা হয় চিতে।।*
*রাধাকৃষ্ণ দুটি নাম,তাহে তুমি আগুয়ান,*
     *আমি করি তোমারি ভরসা।*
*তবে সে সফল হব,তুয়া পদ পরশিব,*
     *দাস বৃন্দাবনের এ আশা।।*
*🙏সেই পরম মধুর মধুরাতিমধুর সুধাময় রাধানাম অবিরত জিহ্বায় হত থাকুক।এই কামনায় বাঞ্চিত হয়েছে।অতঃপর বললেন,"হেধ রাধা গুণগান,না শুনিল মোর কান,বঞ্চিত করিল মোরে বিধি।।শ্রীঠাকুর মহাশয় রাধাগত প্রাণ হয়েও দৈন‍্যের আবেগে বা ভক্তির অতৃপ্তিভাববশতঃ বলছেন,যাঁর নামের এত মহিমা,সেই শ্রীরাধার গুণকীর্তন আমার কান শুনলো না!হায়!আমার মতো দুর্ভাগা জীবের প্রতি বিধাতার বিড়ম্বনা ছাড়া আর কিছুই নয়।বস্তুতঃ ঠাকুরমহাশয় বিশ্বসাধকগণকে শিক্ষা দিচ্ছেন, প্রেমের মূর্তিমতী অধিধাষ্ঠীদেবী যাঁর নাম,গুণ,লীলাদি শ্রীকৃষ্ণের পরম আকর্ষক ও মহাবশীকারক,সেই রাধার নাম,গুণাদি শ্রবণ-কীর্তনই সাধকগণের মহাপুরুষার্থ এবং এতেই জিহ্বা,কর্ণাদি ইন্দ্রিয়বর্গের যথার্থ সার্থকতা।রাধারাণীর নাম,গুণ,লীলাদির শ্রবণ-কীর্তনে যিনি বঞ্চিত,বিশ্বে তিনিই প্রকৃত বিধাতাকর্তৃক বিড়ম্বিত জীব বলে জানতে হবে।*
*🙏জয় রাধে,রাধে রাধে🙏*
পরিপূর্ণ রাধানাম
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧





হরিনাম মহামন্ত্র ও তাৎপর্য‍্য 🙏 সংগৃহীত 🙏 লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 https://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/08/blog-post_23.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
            ꧁  হরিনাম মহামন্ত্র ও তাৎপর্য‍্য 
                        👇👇👇🙏👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
সকল কিছু লিখনী👇👇🙏👇👇📚 *PDF গ্রন্থ* 📚 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 হরিনাম মহামন্ত্র ও তাৎপর্য‍্য
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।
ষোল সখা ষোল সখী বত্রিশ অক্ষর।
হরিনাম তত্ত্ব ধর্ম অতি গূঢ়তর।।
মাধুর্য‍্য মহিমা তত্ত্ব যে জন জানয়।
রাধাকৃষ্ণ নিত‍্যধামে গমন করয়।।
"হরে" "কৃষ্ণ" "রাম" এই মন্ত্র ষড়ক্ষর
এই তিন নাম তন্ত্রে সূত্র কৈলা হর।।
তিন নামে ষোল নাম বত্রিশ অক্ষর।
বৃত্তি করি কৈলা গৌর জগত গোচর।।
নাম রূপে প্রেম দিলা আপনি যাচিয়া
নামে মত্ত ভক্ত চিত্ত বেড়ায় নাচিয়া।।
করুণার কল্পতরু এই হরিনাম।
কামনায় হবে মুক্তি প্রেম ব্রজধাম।।
সংক্ষেপে কহিনু এই হরিনাম তত্ত্ব।
জীবের দুর্লভ এই প্রেমের মহত্ব।।
      চারি কৃষ্ণতত্ত্ব
প্রথম কৃষ্ণ= পরম ব্রহ্ম শ্রীগোবিন্দ,
দ্বিতীয় কৃষ্ণ= বাসুদেব,
তৃতীয় কৃষ্ণ=জগন্নাথ
চতুর্থ কৃষ্ণ=বলভদ্র
     চারি রামতত্ত্ব
প্রথম রাম=শ্রীরাধিকা,
দ্বিতীয় রাম= লক্ষ্মী,
তৃতীয় রাম=সরস্বতী,
চতুর্থ রাম= সুভদ্রা।
    অষ্ট হরে তত্ত্ব

*হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে |*
*হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ||*

*গ্রন্থ : তত্ত্বরসামৃত জ্ঞানমঞ্জরী (বৈষ্ণব শ্রী শ্রী চরণ দাস প্রণীত)*
*খণ্ড : ১০ (কৃষ্ণতত্ত্ব)*
*কল্প : ২*
*বিষয় : হরিনাম মহামন্ত্র ও তাৎপর্য্য* 

_*চারি কৃষ্ণতত্ত্ব*_
_১ম কৃষ্ণ : পরম ব্রহ্ম শ্রীগোবিন্দ_
_২য় কৃষ্ণ : বাসুদেব_
_৩য় কৃষ্ণ : জগন্নাথ_
_৪র্থ কৃষ্ণ : বলভদ্র_ 

_*চারি রামতত্ত্ব*_
_১ম রাম : শ্রীরাধিকা_
_২য় রাম : লক্ষ্মী_
_৩য় রাম : সরস্বতী_
_৪র্থ রাম : সুভদ্রা_

_*অষ্ট হরেতত্ত্ব*_
_১ম হরে : চন্দ্রাবলী_
_২য় হরে : প্রেমময়ী শ্রীরাধা_
_৩য় হরে : সুভাষিণী_
_৪র্থ হরে : সিংহাসন_
_৫ম হরে : সুদর্শন_
_৬ষ্ঠ হরে : শেষদেব_
_৭ম হরে : সাবিত্রী_
_৮ম হরে : রেবতী_ 

_*বত্রিশ অক্ষরের পরিচয়*_
_হ অক্ষরে শ্রীললিতা সখী মস্তকেতে |_
_রে অক্ষরে শ্রীবিশাখা দক্ষিণ বাহুতে ||_
_কৃ অক্ষরে চম্পকলতা সখী কণ্ঠে রয় |_
_ষ্ণ অক্ষরে চিত্রা সখী বাহুতে শোভয় ||_
_হ অক্ষরে রঙ্গদেবী সখী থাকে হাতে |_
_রে অক্ষরে সুদেবী যে থাকয়ে পৃষ্ঠেতে ||_
_কৃ অক্ষরে তুঙ্গবিদ্যা বদন উপরে |_
_ষ্ণ অক্ষরে ইন্দুরেখা শ্রবণ বিবরে ||_
_কৃ অক্ষরে শশীরেখা রহে ভুরুযুগে |_
_ষ্ণ অক্ষরে বিমলা সখী ভ্রুর ডান ভাগে ||_
_কৃ অক্ষরে পালিকা সখী ভ্রুর বামে রয় |_
_ষ্ণ অক্ষরে লবঙ্গমঞ্জরী থাকয়ে হৃদয় ||_
_হ অক্ষরে শ্যামলা সখী নাভিতে থাকয় |_
_রে অক্ষরে মধুমতী নাভিমধ্যে রয় ||_
_হ অক্ষরে ধন্যা সখী করাঙ্গুলি রয় |_
_রে অক্ষরে মঙ্গলা কর অধোমুখী হয় ||_
_হ অক্ষরে শ্রীদাম সখা জঙ্ঘায় থাকয় |_
_রে অক্ষরে সুদাম সখা জানু নিবসয় |_
_রা অক্ষরে বসুদাম সখা থাকে ভুরু অঙ্গে |_
_ম অক্ষরে অর্জুন সখা সদা থাকে লিঙ্গে ||_
_হ অক্ষরে সুবল সখা দক্ষিণ পদেতে |_
_রে অক্ষরে কিঙ্কিনি সখা আছয়ে বামেতে ||_
_রা অক্ষরে চাতক সখা পূর্ব্বে নিবসয় |_
_ম অক্ষরে মধুমঙ্গল অগ্নিকোণে রয় ||_
_রা অক্ষরে শুক সখা থাকয়ে দক্ষিণে |_
_ম অক্ষরে বিশাল সখা রয় নৈর্ঋত কোণে ||_
_রা অক্ষরে মহাবল সখা পশ্চিমে থাকয় |_
_ম অক্ষরে বৃষভ সখা বায়ুকোণে রয় ||_
_হ অক্ষরে দেবপ্রস্থ সখা উত্তরেতে |_
_রে অক্ষরে উদ্ধব সখা আছে ঈশানেতে ||_
_হ অক্ষরে মহাবাহু উর্দ্ধে রয় সুখে |_
_রে অক্ষরে ঈশান সখা আছে অধোমুখে ||_ 

_এই ত কহিনু যোল বত্রিশ পরিচয় |_
_যেই জন জানে ইহা ভব ত্ৰাণ হয় ||_
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                            🙏 সংগৃহীত 🙏
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






হরিনাম মহামন্ত্র ও তাৎপর্য‍্য 🙏 সংগৃহীত 🙏 লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 https://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/08/blog-post_23.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
            ꧁  হরিনাম মহামন্ত্র ও তাৎপর্য‍্য 
                        👇👇👇🙏👇👇👇
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ JoydebDaw.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
         ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
     এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
হরিনাম মহামন্ত্র ও তাৎপর্য‍্য
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।
ষোল সখা ষোল সখী বত্রিশ অক্ষর।
হরিনাম তত্ত্ব ধর্ম অতি গূঢ়তর।।
মাধুর্য‍্য মহিমা তত্ত্ব যে জন জানয়।
রাধাকৃষ্ণ নিত‍্যধামে গমন করয়।।
"হরে" "কৃষ্ণ" "রাম" এই মন্ত্র ষড়ক্ষর
এই তিন নাম তন্ত্রে সূত্র কৈলা হর।।
তিন নামে ষোল নাম বত্রিশ অক্ষর।
বৃত্তি করি কৈলা গৌর জগত গোচর।।
নাম রূপে প্রেম দিলা আপনি যাচিয়া
নামে মত্ত ভক্ত চিত্ত বেড়ায় নাচিয়া।।
করুণার কল্পতরু এই হরিনাম।
কামনায় হবে মুক্তি প্রেম ব্রজধাম।।
সংক্ষেপে কহিনু এই হরিনাম তত্ত্ব।
জীবের দুর্লভ এই প্রেমের মহত্ব।।
      চারি কৃষ্ণতত্ত্ব
প্রথম কৃষ্ণ= পরম ব্রহ্ম শ্রীগোবিন্দ,
দ্বিতীয় কৃষ্ণ= বাসুদেব,
তৃতীয় কৃষ্ণ=জগন্নাথ
চতুর্থ কৃষ্ণ=বলভদ্র
     চারি রামতত্ত্ব
প্রথম রাম=শ্রীরাধিকা,
দ্বিতীয় রাম= লক্ষ্মী,
তৃতীয় রাম=সরস্বতী,
চতুর্থ রাম= সুভদ্রা।
    অষ্ট হরে তত্ত্ব
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে |*
*হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ||*

*গ্রন্থ : তত্ত্বরসামৃত জ্ঞানমঞ্জরী (বৈষ্ণব শ্রী শ্রী চরণ দাস প্রণীত)*
*খণ্ড : ১০ (কৃষ্ণতত্ত্ব)*
*কল্প : ২*
*বিষয় : হরিনাম মহামন্ত্র ও তাৎপর্য্য* 

_*চারি কৃষ্ণতত্ত্ব*_
_১ম কৃষ্ণ : পরম ব্রহ্ম শ্রীগোবিন্দ_
_২য় কৃষ্ণ : বাসুদেব_
_৩য় কৃষ্ণ : জগন্নাথ_
_৪র্থ কৃষ্ণ : বলভদ্র_ 

_*চারি রামতত্ত্ব*_
_১ম রাম : শ্রীরাধিকা_
_২য় রাম : লক্ষ্মী_
_৩য় রাম : সরস্বতী_
_৪র্থ রাম : সুভদ্রা_

_*অষ্ট হরেতত্ত্ব*_
_১ম হরে : চন্দ্রাবলী_
_২য় হরে : প্রেমময়ী শ্রীরাধা_
_৩য় হরে : সুভাষিণী_
_৪র্থ হরে : সিংহাসন_
_৫ম হরে : সুদর্শন_
_৬ষ্ঠ হরে : শেষদেব_
_৭ম হরে : সাবিত্রী_
_৮ম হরে : রেবতী_ 

_*বত্রিশ অক্ষরের পরিচয়*_
_হ অক্ষরে শ্রীললিতা সখী মস্তকেতে |_
_রে অক্ষরে শ্রীবিশাখা দক্ষিণ বাহুতে ||_
_কৃ অক্ষরে চম্পকলতা সখী কণ্ঠে রয় |_
_ষ্ণ অক্ষরে চিত্রা সখী বাহুতে শোভয় ||_
_হ অক্ষরে রঙ্গদেবী সখী থাকে হাতে |_
_রে অক্ষরে সুদেবী যে থাকয়ে পৃষ্ঠেতে ||_
_কৃ অক্ষরে তুঙ্গবিদ্যা বদন উপরে |_
_ষ্ণ অক্ষরে ইন্দুরেখা শ্রবণ বিবরে ||_
_কৃ অক্ষরে শশীরেখা রহে ভুরুযুগে |_
_ষ্ণ অক্ষরে বিমলা সখী ভ্রুর ডান ভাগে ||_
_কৃ অক্ষরে পালিকা সখী ভ্রুর বামে রয় |_
_ষ্ণ অক্ষরে লবঙ্গমঞ্জরী থাকয়ে হৃদয় ||_
_হ অক্ষরে শ্যামলা সখী নাভিতে থাকয় |_
_রে অক্ষরে মধুমতী নাভিমধ্যে রয় ||_
_হ অক্ষরে ধন্যা সখী করাঙ্গুলি রয় |_
_রে অক্ষরে মঙ্গলা কর অধোমুখী হয় ||_
_হ অক্ষরে শ্রীদাম সখা জঙ্ঘায় থাকয় |_
_রে অক্ষরে সুদাম সখা জানু নিবসয় |_
_রা অক্ষরে বসুদাম সখা থাকে ভুরু অঙ্গে |_
_ম অক্ষরে অর্জুন সখা সদা থাকে লিঙ্গে ||_
_হ অক্ষরে সুবল সখা দক্ষিণ পদেতে |_
_রে অক্ষরে কিঙ্কিনি সখা আছয়ে বামেতে ||_
_রা অক্ষরে চাতক সখা পূর্ব্বে নিবসয় |_
_ম অক্ষরে মধুমঙ্গল অগ্নিকোণে রয় ||_
_রা অক্ষরে শুক সখা থাকয়ে দক্ষিণে |_
_ম অক্ষরে বিশাল সখা রয় নৈর্ঋত কোণে ||_
_রা অক্ষরে মহাবল সখা পশ্চিমে থাকয় |_
_ম অক্ষরে বৃষভ সখা বায়ুকোণে রয় ||_
_হ অক্ষরে দেবপ্রস্থ সখা উত্তরেতে |_
_রে অক্ষরে উদ্ধব সখা আছে ঈশানেতে ||_
_হ অক্ষরে মহাবাহু উর্দ্ধে রয় সুখে |_
_রে অক্ষরে ঈশান সখা আছে অধোমুখে ||_ 

_এই ত কহিনু যোল বত্রিশ পরিচয় |_
_যেই জন জানে ইহা ভব ত্ৰাণ হয় ||_
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                            🙏 সংগৃহীত 🙏
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






শ্রীরাধারাণীর পদ-রেণুর মহিমা কি ❓❓❓সাধকগণের শ্রীরাধার শ্রীচরণধূলি নিষেবণের (সেবনের) উপায় কি ❓❓❓✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/08/pdf-httpsmrinmoynandy_23.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
            ꧁ শ্রীরাধারাণীর পদ-রেণুর মহিমা 
                        👇👇👇🙏👇👇👇
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ https://joydebdaw.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
         ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
     এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*👣👣👣রাধা পদ-রেণু👣👣👣*
*রাধিকা চরণরেণু,ভূষণ করিয়া তনু,*
     *অনায়াসে পাবে গিরিধারী।*
*রাধিকার চরণাশ্রয়,যে করে সে মহাশয়,*
    *তারে মুই যাই বলিহারী।।*
*🙏শ্রীরাধারাণীর শ্রীচরণরজ অঙ্গের ভূষণরূপে গ্রহণ করলে অনায়াসেই গিরিধারী শ্রীকৃষ্ণকে পাওয়া যাবে।* *শ্রীকৃষ্ণকে লাভ করবার একমাত্র উপায়ই হচ্ছে প্রেম, ইহাই সর্বশাস্ত্রের নির্ণয়।ভক্তিপ্রাপ্তি বা ভগবতপ্রাপ্তি বিষয়ে মহতের শ্রীচরণধূলি নিষেবণের(সেবার)অদ্ভুত প্রভাব শ্রীমদ্ভাগবতাদি শাস্ত্রে দেখতে পাওয়া যায়।রাজা রহূগণের প্রতি ব্রহ্মর্ষি ভরত বলেছেন(ভাঃ৫|১২|১২)*, 
*"রহূগণৈ-তত্তপসা ন যাতি ন চেজ‍্যয়া নির্বপণাদগৃহাদ বা।*
*ন চ্ছন্দসা নৈব জলাগ্নিসূর্য‍্যৈ র্বিনা মহৎপাদরজোহভিষেকম্"।।*
*🍀"হে মহারাজ রহূগণ!মহতের পদধূলির অভিষেক ব‍্যতীত তপস‍্যা,বৈদিককর্ম,অন্নাদি দান,গৃহাদি নির্মাণদ্বারা পরোপকার,বেদাভ‍্যাস,আবার জল,অগ্নি,সূর্য‍্যের উপাসনা ইত‍্যাদি অন‍্য কোন সাধনদ্বারাই এই ভগবত্তত্ত্বজ্ঞান লাভ করা যায় না"।*
*শ্রীপ্রহ্লাদ মহাশয় বলেছেন,(ঐ-৭|৫|৩২),*
*নৈষাং মতিস্তাবদুরুক্রমাঙ্ঘ্রিং স্পৃশত‍্যনর্থাপগমো যদর্থঃ।*
*মহীয়সাং পাদরজোহভিষেকং নিষ্কিঞ্চনানাং ন বৃণীত যাবৎ।।*
*🍀অর্থ‍্যাৎ "নিষ্কিঞ্চন মহাভাগবতগণের শ্রীচরণধূলিতে অভিষিক্ত না হলে শ্রীভগবানের চরণে অনর্থোপশমকারী মতির উদয় হয় না"।* *প্রেম তারতম‍্যেই মহদগণের তারতম‍্য হয়ে থাকে।*
*"প্রেমতারতম‍্যেনৈব ভক্তমহত্তারতম‍্যং মুখ‍্যম্"(ভক্তিসন্দর্ভ=১৮৭ অনুঃ)* *সুতরাং প্রেমতাতম‍্যেই মহদগণের পদরেণুর ভক্তিদাতৃত্বশক্তিরও তারতম‍্য হয়ে থাকে।শ্রীরাধারাণীতে প্রেম পরমমহান, সুতরাং তাঁর শ্রীচরণরেণুর ভক্তিদাতৃত্ব শক্তি বা শ্রীকৃষ্ণবশীকারিত্বশক্তির তুলনা নাই। শ্রীপ্রবোধানন্দ সরস্বতীপাদ লিখেছেন--*
*"যো ব্রহ্ম-রুদ্র-শুক-নারদ-ভীষ্মমুখ‍্যৈরালক্ষিতো ন সহসা পুরুষস‍্য তস‍্য।*
*সদ‍্যোবশীকরণ-চূর্ণমনন্তশক্তিং তং রাধিকা-চরণরেণুমনুস্মরামি।।*
   *(রাধারসসুধানিধি=৪)*
*অর্থ‍্যাৎ "ব্রহ্মা,মহাদেব,শুকদেব,নারদ,ও ভীষ্মদেব প্রমুখ মহাভাগবতগণও সহসা যাঁর সাক্ষাৎলাভ করতে সক্ষমহন না, সেই পরমপুরুষ স্বয়ং ভগবান ব্রজেন্দ্রনন্দনের সদ‍্য বশীকরণ বিষয়ে অনন্ত শক্তিসম্পন্ন সিদ্ধ বশীকরণচূর্ণের মত শ্রীরাধার পদধূলিকে আমি নিয়ত স্মরণ করি"।* *শ্রীপ্রবোধানন্দ সরস্বতীপাপ যে প্রেমে শ্রীকৃষ্ণের একান্ত বশীকরণ-সম্পন্ন হয়,শ্রীরাধার পদধূলিকে সেই প্রেমরসসিদ্ধির সাক্ষাৎ ""কামধেনু"" বলেছেন=*
*ভাবোৎসবেন ভজতাং রসকামধেনুং তং রাধিকা চরণ রেণুমহং স্মরামি।(ঐ৫)*
      *🍀ক্রমশ🍀*


*👣👣সাধকগণের শ্রীরাধার শ্রীচরণধূলি নিষেবণের (সেবনের)* *উপায় কি?এবং উহা কিভাবেই বা অঙ্গের ভূষণ করা যেতে পারে?এই ব্রজধাম শ্রীরাধাঠাকুরাণীর নিত‍্যলীলা* *ভূমি।শ্রীরাধারাণী নিজ সখীগণ ও প্রাণকান্ত শ্রীগোবিন্দসঙ্গে এই ব্রজে নিত‍্য বিহার করেন।শ্রীপ্রবোধানন্দ সরস্বতীপাদ লিখেছেন-----*
*""রাধাপদাঙ্গবিলসন্মধুরস্থলীকে"", অর্থ‍্যাৎ শ্রীরাধার পদচিহ্নে সুশোভিত মধুরস্থলী এই বৃন্দাবন।অতএব ব্রজরজই রাধিকাচরণরেণু। তা না হলে উদ্ধবমহাশয়ের মতো ভগবৎপার্ষদ,সাক্ষাৎ সম্বিতের মূর্তি ব্রজরস নিষেবণের জন্য এই ব্রজে তৃণ,গুল্ম হয়ে জন্মগ্রহণের প্রার্থনা করবেন কেন?* *ভাগবতে উদ্ধবের উক্তিতে দেখা যায় ---------*
*আসামহো চরণরেণুজুষামহং স‍্যাং বৃন্দাবনে কিমপিগুল্মলতৌষধীনাম।যাদুস্ত‍্যজং স্বজনমার্য‍্যপথঞ্চ হিত্বা ভেজুর্মুকুন্দপদবীং শ্রুতিভির্বিমৃগ‍্যাম্।।*
*"অহো! আমি অতি দুর্লভবস্তু কামনা করছি।এই বৃন্দাবনে যে সব গুল্ম,লতা এবং ঔষধি আছে,ইহারা সৌভাগ্যবান এবং সৌভাগ্যবতী।যেহেতু এরা স্বজন এবং দুস্ত‍্যজ আর্যপথ বা পাতিব্রত‍্যধর্ম ত‍্যাগ করে যাঁরা শ্রুতিগণেরও অন্বেষনীয় মুকুন্দ পদবীর ভজন করছেন।সেই ব্রজাঙ্গনা গণের শ্রীচরণরেণু (ব্রজরেণু)এঁরা সতত মাথায় ধারণ করবার সৌভাগ্য প্রাপ্ত হয়েছে।অহো! আমার কি কখনও এমন সৌভাগ্য হবে যে,এই বৃন্দাবনে এঁদের মতো একটি তৃণ বা গুল্মরূপে জন্ম নিয়ে নিজেকে ধন‍্য করতে পারব?* *তাদৃশ পরম ভক্তির সঙ্গে ব্রজে বাসকরে ব্রজরেণুর সেবনেই শ্রীরাধিকাচরণরেণু অঙ্গের ভূষণ করা।এখানে শ্রীরাধারাণীর চরণে পরম ভক্তিই বিবক্ষিত।ইহাতে অনায়াসেই গিরিধারীকে প্রাপ্ত করা যায়,"অনায়াসে পাবে গিরিধারী"।*
*শ্রীরাধারাণীর শ্রীচরণকমল হতে মহাভাব-মকরন্দরস অজস্রধারায় নিঃস‍্যন্দিত(বাহির )হয়ে থাকে।সেই রেণুকণার নিষেবণ যে গিরিধারী শ্রীকৃষ্ণকে লাভ করার মহাশক্তি সম্পন্ন সাধনা সে বিষয়ে আর কোন সন্দেহ নাই।* *এখানে শ্রীকৃষ্ণের অন‍্য নাম না দিয়ে "গিরিধারী" নামটি দেবার মধ্যে কিছু সরস আছে।শ্রীকৃষ্ণের পরামর্শে শ্রীনন্দাদি ব্রজবাসীগণ চিরাচরিত ইন্দ্রযাগ খন্ডন করে যখন শ্রীগোবর্ধন যাগ স্থাপন করেন,তখন ইন্দ্র ক্রোধান্ধ হয়ে ব্রজনাশের জন্য সাম্বর্তকাদি প্রলয়ের মেঘগণকে বিপুল বারিবর্ষণ করতে বলেন এবং করেছিলেন।* *শ্রীকৃষ্ণ অন‍্য উপায়েও ইন্দ্রের গর্ব খন্ডন করতে পারতেন, কিন্তু শ্রীগিরিরাজের মহিমা প্রচার এবং সুদুর্লভ দর্শনা শ্রীরাধাদি গোপীগণকে অবাধে দীর্ঘ সময় দর্শন করবার লোভে সপ্ত দিবানিশি বাম করাঙ্গুলীতে গিরিরাজ গোবর্ধনকে ধারণ করেছিলেন।দীর্ঘ সপ্ত অহোরাত্র শ্রীরাধারাণীকে দর্শন করে তিনি এতই আনন্দিত হন যে,মহাঅপরাধী ইন্দ্রের সামান্য স্তবে পরম সন্তুষ্ট হয়ে তাঁর সঙ্গে আলাপাদি করেন।* *ব্রহ্মা ইন্দ্র অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ অধিকারী,শ্রীকৃষ্ণের নন্দন এবং সৃষ্টিকর্তা কিন্তু তিনি ব্রহ্মমোহন লীলায় শ্রীকৃষ্ণের গোপবালক এবং গোবৎসগণকে শ্রীকৃষ্ণের কাছ হতে সরিয়ে নিবার ইচ্ছা করেছিলেন বলে ব্রহ্মা অপরাধ ক্ষমাপণের জন্য শ্রীকৃষ্ণের ঐশ্বর্য‍্য- মাধুর্য‍্যময় দীর্ঘ স্তব করলেও শ্রীকৃষ্ণ ব্রহ্মার সঙ্গে কিছুমাত্রও বাক‍্যালাপ করেন নাই।যিনি রাধারাণীকে দর্শন করবার লালসায় আহার নিদ্রা ভুলে সাতদিনরাত সুবিশাল গিরিরাজকে ধারণ করেছিলেন,সেই রাধার চরণরেণু যদি কেউ ভক্তিভরে অঙ্গের ভূষণ করেন,তিনি সেই গিরিধারীকে অনায়াসেই লাভ করবেন।* 
      *ক্রমশ*


*🌻পক্ষান্তরে শ্রীরাধারাণীর শ্রীচরণরজ আরাধনা ছাড়া শ‍্যামমাধুরী আস্বাদনের কোন উপায়ই নাই।শ্রীরঘুনাথদাস গোস্বামীপাদ তাঁর স্ব সঙ্কল্পপ্রকাশ-স্তোত্রে লিখেছেন,*
*অনারাধ‍্য রাধাপদাম্ভোজরেণুমনাশ্রিত‍্য বৃন্দাটবীং তৎপদাঙ্কাম্।*
*অসম্ভায‍্য তদ্ভাবগম্ভীরচিত্তান্ কুতঃ শ‍্যামসিন্ধোঃ রসস‍্যাবগাহঃ?*
*🌻অর্থ‍্যাৎ "শ্রীরাধার পাদপদ্মরেণু আরাধনা ব‍্যতীত,শ্রীরাধা পদাঙ্কিত শ্রীবৃন্দাবন আশ্রয় ব‍্যতীত,শ্রীরাধার ভাবে গম্ভীরচেতা বা চিন্তা ভক্তগণের সঙ্গে,সম্ভাষণ ছাড়া কেমন করে শ‍্যাম রসসিন্ধুর রসে অবগাহণ বা স্নান হতে পারে?*
*🙏একমাত্র শ্রীরাধাশক্তি(পরম মহাভাব স্বরূপিনী) ছাড়া আর কোন শক্তিই অনন্তকোটি ব্রহ্মান্ডে আর উপায়ই নাই।মন আর মুখ এক করে যদি কেহ শ্রীরাধা আরাধনায় অবগাহণ করেন তবে অনায়াসে শ্রীগোবিন্দ চরণ লাভ হবে।*
*🙏শ্রীশ্রীরাধাগোবিন্দের জয়🙏*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 👇👇👇
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



adds