শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

*পাপ-পূণ‍্যময় দেহ,সকলই অনিত‍্য এহ,* *ধন জন সব মিছা ধন্দ।**মরিলে যাইবে কোথা,ইহাতে না পাও ব‍্যথা,* *তবু নিতি কর কার্য‍্য মন্দ।।* ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ, নিবাস-বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা-ইংরেজ বাজার, জেলা-মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ-৭৩২১০১

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ꧁ *পাপ-পূণ‍্যময় দেহ, সকলই অনিত‍্য এহ,* ꧂
               ꧁ *ধন জন সব মিছা ধন্দ।* 
꧁ *মরিলে যাইবে কোথা, ইহাতে না পাও ব‍্যথা,* 
              *তবু নিতি কর কার্য‍্য মন্দ।।* ꧂
                        👇👇👇🙏👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
সকল কিছু লিখনী👇👇🙏👇👇📚 *PDF গ্রন্থ* 📚 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 *🌲🌲🌲🌲🌲🌲🌲🌲🌲🌲🌲🌲
*পাপ-পূণ‍্যময় দেহ,সকলই অনিত‍্য এহ,*
     *ধন জন সব মিছা ধন্দ।*
*মরিলে যাইবে কোথা,ইহাতে না পাও ব‍্যথা,*
    *তবু নিতি কর কার্য‍্য মন্দ।।*
🌲🌲🌲🌲🌲🌲🌲🌲🌲🌲🌲🌲
*শ্রীরাধাকৃষ্ণের প্রেমকথা বা ভজনের কথা ব‍্যতীত অন‍্য সমস্ত কথাকেই গন্ডগোল বা বৃথা কোলাহল বলেছেন এবং উহার(আনকথার) শ্রবণ,কীর্তনাদি করতে নিষেধ করেছেন। তবে দেহ-দৈহিকাদির অনিত‍্যতা চিৎজড়ের পার্থক্য প্রভৃতি তত্ত্বকথাও কি গন্ডগোল বা বৃথা কোলাহল মাত্র?তাহলে আচার্য‍্যপাদগণ এত তত্ত্ব সিদ্ধান্তের অবতারণা করেছেন কেন এবং ভক্ত মহানুভবগণকেও তত্ত্বকথার এত আলোচনা করতে দেখা যায় কেন?* *এই ধরণের প্রশ্নের উত্তরে বলা হয়েছে, দেহে ও দৈহিকাদি বস্তুতে অর্থ‍্যাৎ স্ত্রী-পুত্র,ধন,জনাদিতে আসক্তি থাকলে কখনও হরিভজন হয় না।কারণ মনের আসক্তি যুগপৎ (এককালে)জড়ীয় বিষয়বস্তুতে ও ভগবানে রাখা কখনই সম্ভব নয়।*
*ভাগবতে দেখা যায়, "বিষয়ান্ ধ‍্যায়তশ্চিত্তং বিষয়েষু বিষজ্জতে।মামনুস্মরতশ্চিত্তং ময‍্যেব প্রবিলীয়তে।।*
   *ভাগবত=১১|১৪|২৭*
*শ্রীকৃষ্ণ উদ্ধবের প্রতি বলেছেন, বিষয় চিন্তাশীল ব‍্যক্তির চিত্ত বিষয়েই আসক্ত হয়ে থাকে এবং সবসময় আমার চিন্তায় নিবিষ্ট(মনোযোগী)চিত্ত আমাতেই নিমগ্ন (ডুবে থাকা ) হয়ে যায়।*
*আর কি, ভগবান এও বলেছেন, "বিষয়াভিনিবেশন নাত্মানং বেদ নাপরম্।বৃক্ষজীবিকয়া ব‍্যর্থং ভস্ত্রেব যঃ শ্বসন।।* *(ভাঃ ১১|২১|২২)*
*অর্থ‍্যাৎ বিষয়ের মধ্যে ডুবে থাকা ব‍্যক্তির মন নিজেকে এবং পরমাত্মাকে কাউকেও জানতে পারে না।সে চেতনাশূন‍্যের মত,বৃক্ষের মত কেবল প্রাণ ধারণ উপযোগী বিষয় গ্রহণ করে থাকে এবং ভস্ত্রার(হাপরের) মত বৃথা শ্বাস-প্রশ্বাস ত‍্যাগ করে। সুতরাং সে জীবন মৃতের মত।দেহ-দৈহিকাদিতে নিবিষ্টচেতা ব‍্যক্তি যখন বিধিভক্তিই যাজনে সমর্থ হন না,তখন রাগভক্তি,সর্বোপরি পরম রহস‍্যময় শ্রীরাধাকৃষ্ণের ভজন যে তাঁদের পক্ষে কখনই সম্ভবপর হয় না, এইজন‍্য দেহ-দৈহিকাদির অনিত‍্যতা এবং চিৎজড়ের পার্থক্যরূপ তত্ত্ব আলোচনার প্রয়োজনও রয়েছে।* 
*🍀🍀🍀ক্রমশ🍀🍀🍀*

*🍀পাপ পূণ‍্যময় দেহ,সকলি অনিত‍্য এহ,ধন-জন সব মিছা ধন্দ।* *পাপের ফলে মানুষের দুঃখ দারিদ্র আদি যুক্ত এবং অবিরত বা সবসময় রোগ-শোক -ত্রিতাপাদি জ্বালাময় দেহ লাভ হয়ে থাকে ও পূণ‍্যের ফলে বিষয় ভোগময় শরীর লা করে থাকে।* *এইসব দেহই অনিত‍্য বা নশ্বর,অর্থ‍্যাৎ জল বুদবুদের মত অতি ক্ষণভঙ্গুর।প্রতিনিয়ত বুদ্ধিমান মানুষকে এই নশ্বর দেহ ত‍্যাগের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে এবং সবসময় মনে রাখতে হবে যে ঐশ্বর্য‍্য-সম্পদ,আত্মীয়-স্বজনাদি সবই মিছা ধন্দ অর্থ‍্যাৎ মিথ‍্যা ভ্রান্তি বা মোহ ব‍্যতীত আর কিছুই নয়।কারণ অনাত্মীয় আত্মবুদ্ধি আনয়ন করাই মোহের কাজ।ইহাদ্বারা মিছা ধন্দ বা মিথ‍্যা ভ্রান্তিবশতঃ যা অস্থির,কষ্ট,তাপ ও দুঃখ শোকের আকর বা খনি,তাকেই স্থায়ী,ধ্রুব ও আনন্দের নিদান বলে মনে হয়।*
*যা কখনই তার নয়,যার প্রতি তার কিছুমাত্র অধিকার নাই ; সেই ধন জনাদি নশ্বর বস্তুকে "আমার আমার " বলে তার অভাবে মোহমুগ্ধ মানুষ অস্থির হয়ে পড়ে এবং সেই সেই বিষয় চিন্তায় দেব-দুর্লভ সাধনযোগ‍্য সুদুর্লভ আয়ুষ্কালকে বৃথা দিন কাটায়।বিষয়চিন্তা বিষময় ফলের কথা ভগবান গীতায় অর্জুনকে বলেছেন,*
*ধ‍্যায়তো বিষয়ান্ পুংসঃ সঙ্গস্তেষূপজায়তে।*
*সঙ্গাৎ সংজায়তে কামঃ কামাৎ ক্রোধোহভিজায়তে।।*
*ক্রোধাদ্ভবতি সম্মোহঃ সম্মোহাৎ স্বৃতিবিভ্রমঃ।*
*স্মৃতিভ্রংশাদ্ বুদ্ধিনাশো বুদ্ধিনাশাৎ প্রণশ‍্যতি।।*
*🍀মানুষ ইন্দ্রিয়-গ্রাহ‍্য বিষয়ের ধ‍্যান করতে করতে তাতে তার আসক্তি জন্মে,আসক্তি হতে তা ভোগের অভিলাষ জন্ম নেয়।ভোগের কামনা প্রতিহত হলে ক্রোধ জন্মে,ক্রোধ হতে কার্যাকার্য বিবেকভ্রংশরূপ মোহ জন্ম নেয়,মোহ হতে স্মৃতিনাশ বা শাস্ত্র উপদিষ্ট স্বার্থের বিস্মৃতি ঘটে,তা হতে বুদ্ধিনাশ,বুদ্ধিনাশ হতে সর্বনাশ হয়, অর্থ‍্যাৎ নানা জীব-যোনিতে পুনঃপুনঃ ভ্রমণ এবং দুঃসহ নরকাদি ভোগকরে মহাদুঃখময় ঘোরদশা উপস্থিত হয়ে থাকে।* 
*🍀মরিলে যাবে কোথা,ইহাতে না পাও ব‍্যথা,তবু নিতি কর কার্য‍্য মন্দ।* *মরণের মত সুনিশ্চিত সত‍্য জীবনে আর কিছুই নাই।মরণ যে কোন সময়ে জীবকে গ্রাস করতে পারে।এইকথা তো সকলেই জানেন এবং মৃত‍্যুর সঙ্গে সঙ্গে এই বিশ্বের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক যে একেবারেই মুছে যাবে,এটিও কারও অজানা নয়। কিন্তু জীব-জগতের উপরে মায়ার এমনি বিমোহিনী শক্তি যে,যার মত সুনিশ্চিত সত‍্য আর কিছুই নাই,জ্ঞান বুদ্ধি মানবদেহ পেয়েও বিশ্বের মানুষ সেই মৃত‍্যুকে ভুলে নানা বিষয় লোভকে গলার মালা করে পুনঃপুনঃ জন্ম মরণাদির করাল কবল গ্রস্ত হচ্ছে।*
*মরণের পরে যে মায়াবদ্ধজীব কোথায় যাবে,কোন অন্ধকার রাজ‍্যে কি দশায় সে পড়ে থাকবে,তা যে কত ভয়াবহ, একসব চিন্তা করে মায়াবদ্ধ মানুষের ব‍্যথা পাওয়া উচিত।* 
      *ক্রমশ*

*😭আমার মরণ হবে,চিরদিন বেঁচে থাকবার জন্য জন্ম হয়নি,পরবর্তী কোথায় কোন যোনিতে যেতে হবে এই চিন্তা করলেই মনেহয় মানুষ কখনই খারাপ কাজ করা তার পক্ষে সম্ভবপর হবে না।এই বিষয়ে একটি সুন্দর দৃষ্টান্ত শোনা যায় =কোন এক রাজা নানারকম সাংঘাতিক রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃতের মত প্রায় হয়ে পড়েছিলেন।* *নানারকম চিকিৎসা করেও সেই দুরারোগ‍্য ব‍্যাধি হতে মুক্তি লাভ করতে না পেরে তিনি জীবনের আশা ত‍্যাগ করেছিলেন।এইসময় এক সাধু সেই রাজ‍্যে আগমন করে রাজাকে আরোগ‍্য করবার বা সবল করবার জন্য কোন বৃক্ষপত্রের রস পান করাতে লাগলেন।রাজা যতটুকু রস পান করতেন,সেই সাধু রাজার কাছেই রোজ তা অপেক্ষা তিনগুণ ঐ রস পান করতেন।* *রসপানে রাজার মন্ত্রশক্তির মত ব‍্যাধি নাশ হল, তিনি ক্রমশ সুস্থ ও সবল হতে লাগলেন ; তাঁর শরীর ক্রমশ তেজপূর্ণ হতে লাগল কিন্তু তজোবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তাঁর মনে অতিশয় অপবিত্র ভাবের উদয় হতে লাগল এবং ক্রমশ কুপ্রবৃত্তির উত্তেজনায় তাঁর চিত্ত মন অস্থির হয়ে পড়ল।* *একদিন তিনি সেই রস পান করতে করতে সাধুকে বললেন,ভগবন্!আপনার প্রদত্ত এই রসপানে আমার ব‍্যাধি-মুক্তি এবং দেহ পুষ্ট ও তেজপূর্ণ হল বটে, কিন্তু আমার মনে অপবিত্র ভাবের উদয় হওয়ায় আমি ক্রমশ নাশের পথে এগিয়ে চলেছি।* *আপনাকে প্রশ্ন করি,আপনি যে রোজ আমা হতে তিনগুণ ঐ রস পান করেছেন,এতে আপনার ব্রহ্মচর্য‍্য অটুট আছে কি ভাবে?* *রাজার কথা শুনে সাধু তৎক্ষণাৎ বললেন,মহারাজ!এই প্রশ্নের উত্তর পরে দিব।সহসা এখনি আপনার হাতের রেখায় আপনার মৃত‍্যুযোগ দেখতে পেলাম।আজ হতে যে দিন একমাস পূর্ণ হবে,সেই নিনই আপনার মৃত‍্যু হবে।একমাস পরে নিজের মৃত‍্যুকথা জানতে পেরে রাজা খুবই ভীত হয়ে পড়লেন এবং সাধুর কাছে তার প্রতিকার জিজ্ঞাসা করলেন।* *সাধু বললেন রাজাকে, মহারাজ!মৃত‍্যু আপনার নিশ্চিতই,একমাত্র যদি প্রতিকার হয়,* *এই রসের দ্বারাই হবে ; তবে রসের মাত্রা আপনাকে চারগুণ বাড়াতে হবে,রাজা সাধুর আদেশে চতুর্গুণ রসপান করতে লাগলেন।* *বস্তুশক্তিতে দেহ যেন তেজে ফেটে পড়তে লাগল, কিন্তু কুপ্রভাব আর মনে স্থান পায় না ; যেহেতু মন মৃত‍্যুচিন্তায় অস্থির।* *দুইদিন পরে সাধু রাজাকে জিজ্ঞাসা করেলেন,মহারাজ!এখন আপনার কুপ্রবৃত্তি কিরকম অত‍্যাচার করছে,আপনি তো চারগুণ রস পান করছেন?* *মহারাজ বললেন, ভগবন্! এখন তো মৃত‍্যুচিন্তায় আমার মন সবসময় অস্থির হয়ে রয়েছে,তাতে আর কুপ্রবৃত্তির উদয় হবে কি ভাবে?* *সাধু বললেন,মহারাজ! আপনার মৃত‍্যু আসতে এখনো একমাস দেরী আছে,তাতেই কুভাব নষ্ট হয়েছে, আর আমিতো মৃত‍্যুকে সর্বদা সামনে দেখি,তবে আমার মনে কুপ্রবৃত্তি জায়গা পাবে কিভাবে?*
*মহারাজ!দেহের ক্ষণভঙ্গুরতা মনে রাখলে মনে কুপ্রবৃত্তি স্থান পায় না; এটি উপলব্ধি করাবার জন্য বললাম যে আপনি একমাস বাঁচবেন,বস্তুত আপনি বহুকাল বাঁচবেন।* *সাধুর উপদেশে রাজা দেহরোগ মুক্তির সঙ্গে সঙ্গে দেহ-দৈহিকাদির নশ্বরত্ব বোধে শ্রীগোবিন্দ চরণে শরণাগত হয়ে ভবব‍্যাধি হতেও মুক্তি লাভ করেছিলেন।*
*🍀এখানেই রইল, বানান,ও ভুল ভ্রান্তি মার্জনীয়🍀*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






*পাপ-পূণ‍্যময় দেহ,সকলই অনিত‍্য এহ,* *ধন জন সব মিছা ধন্দ।**মরিলে যাইবে কোথা,ইহাতে না পাও ব‍্যথা,* *তবু নিতি কর কার্য‍্য মন্দ।।* ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ, নিবাস-বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা-ইংরেজ বাজার, জেলা-মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ-৭৩২১০১

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ꧁ *পাপ-পূণ‍্যময় দেহ, সকলই অনিত‍্য এহ,* ꧂
               ꧁ *ধন জন সব মিছা ধন্দ।* 
꧁ *মরিলে যাইবে কোথা, ইহাতে না পাও ব‍্যথা,* 
              *তবু নিতি কর কার্য‍্য মন্দ।।* ꧂
                        👇👇👇🙏👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
সকল কিছু লিখনী👇👇🙏👇👇📚 *PDF গ্রন্থ* 📚 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 *🌲🌲🌲🌲🌲🌲🌲🌲🌲🌲🌲🌲
*পাপ-পূণ‍্যময় দেহ,সকলই অনিত‍্য এহ,*
     *ধন জন সব মিছা ধন্দ।*
*মরিলে যাইবে কোথা,ইহাতে না পাও ব‍্যথা,*
    *তবু নিতি কর কার্য‍্য মন্দ।।*
🌲🌲🌲🌲🌲🌲🌲🌲🌲🌲🌲🌲
*শ্রীরাধাকৃষ্ণের প্রেমকথা বা ভজনের কথা ব‍্যতীত অন‍্য সমস্ত কথাকেই গন্ডগোল বা বৃথা কোলাহল বলেছেন এবং উহার(আনকথার) শ্রবণ,কীর্তনাদি করতে নিষেধ করেছেন। তবে দেহ-দৈহিকাদির অনিত‍্যতা চিৎজড়ের পার্থক্য প্রভৃতি তত্ত্বকথাও কি গন্ডগোল বা বৃথা কোলাহল মাত্র?তাহলে আচার্য‍্যপাদগণ এত তত্ত্ব সিদ্ধান্তের অবতারণা করেছেন কেন এবং ভক্ত মহানুভবগণকেও তত্ত্বকথার এত আলোচনা করতে দেখা যায় কেন?* *এই ধরণের প্রশ্নের উত্তরে বলা হয়েছে, দেহে ও দৈহিকাদি বস্তুতে অর্থ‍্যাৎ স্ত্রী-পুত্র,ধন,জনাদিতে আসক্তি থাকলে কখনও হরিভজন হয় না।কারণ মনের আসক্তি যুগপৎ (এককালে)জড়ীয় বিষয়বস্তুতে ও ভগবানে রাখা কখনই সম্ভব নয়।*
*ভাগবতে দেখা যায়, "বিষয়ান্ ধ‍্যায়তশ্চিত্তং বিষয়েষু বিষজ্জতে।মামনুস্মরতশ্চিত্তং ময‍্যেব প্রবিলীয়তে।।*
   *ভাগবত=১১|১৪|২৭*
*শ্রীকৃষ্ণ উদ্ধবের প্রতি বলেছেন, বিষয় চিন্তাশীল ব‍্যক্তির চিত্ত বিষয়েই আসক্ত হয়ে থাকে এবং সবসময় আমার চিন্তায় নিবিষ্ট(মনোযোগী)চিত্ত আমাতেই নিমগ্ন (ডুবে থাকা ) হয়ে যায়।*
*আর কি, ভগবান এও বলেছেন, "বিষয়াভিনিবেশন নাত্মানং বেদ নাপরম্।বৃক্ষজীবিকয়া ব‍্যর্থং ভস্ত্রেব যঃ শ্বসন।।* *(ভাঃ ১১|২১|২২)*
*অর্থ‍্যাৎ বিষয়ের মধ্যে ডুবে থাকা ব‍্যক্তির মন নিজেকে এবং পরমাত্মাকে কাউকেও জানতে পারে না।সে চেতনাশূন‍্যের মত,বৃক্ষের মত কেবল প্রাণ ধারণ উপযোগী বিষয় গ্রহণ করে থাকে এবং ভস্ত্রার(হাপরের) মত বৃথা শ্বাস-প্রশ্বাস ত‍্যাগ করে। সুতরাং সে জীবন মৃতের মত।দেহ-দৈহিকাদিতে নিবিষ্টচেতা ব‍্যক্তি যখন বিধিভক্তিই যাজনে সমর্থ হন না,তখন রাগভক্তি,সর্বোপরি পরম রহস‍্যময় শ্রীরাধাকৃষ্ণের ভজন যে তাঁদের পক্ষে কখনই সম্ভবপর হয় না, এইজন‍্য দেহ-দৈহিকাদির অনিত‍্যতা এবং চিৎজড়ের পার্থক্যরূপ তত্ত্ব আলোচনার প্রয়োজনও রয়েছে।* 
*🍀🍀🍀ক্রমশ🍀🍀🍀*

*🍀পাপ পূণ‍্যময় দেহ,সকলি অনিত‍্য এহ,ধন-জন সব মিছা ধন্দ।* *পাপের ফলে মানুষের দুঃখ দারিদ্র আদি যুক্ত এবং অবিরত বা সবসময় রোগ-শোক -ত্রিতাপাদি জ্বালাময় দেহ লাভ হয়ে থাকে ও পূণ‍্যের ফলে বিষয় ভোগময় শরীর লা করে থাকে।* *এইসব দেহই অনিত‍্য বা নশ্বর,অর্থ‍্যাৎ জল বুদবুদের মত অতি ক্ষণভঙ্গুর।প্রতিনিয়ত বুদ্ধিমান মানুষকে এই নশ্বর দেহ ত‍্যাগের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে এবং সবসময় মনে রাখতে হবে যে ঐশ্বর্য‍্য-সম্পদ,আত্মীয়-স্বজনাদি সবই মিছা ধন্দ অর্থ‍্যাৎ মিথ‍্যা ভ্রান্তি বা মোহ ব‍্যতীত আর কিছুই নয়।কারণ অনাত্মীয় আত্মবুদ্ধি আনয়ন করাই মোহের কাজ।ইহাদ্বারা মিছা ধন্দ বা মিথ‍্যা ভ্রান্তিবশতঃ যা অস্থির,কষ্ট,তাপ ও দুঃখ শোকের আকর বা খনি,তাকেই স্থায়ী,ধ্রুব ও আনন্দের নিদান বলে মনে হয়।*
*যা কখনই তার নয়,যার প্রতি তার কিছুমাত্র অধিকার নাই ; সেই ধন জনাদি নশ্বর বস্তুকে "আমার আমার " বলে তার অভাবে মোহমুগ্ধ মানুষ অস্থির হয়ে পড়ে এবং সেই সেই বিষয় চিন্তায় দেব-দুর্লভ সাধনযোগ‍্য সুদুর্লভ আয়ুষ্কালকে বৃথা দিন কাটায়।বিষয়চিন্তা বিষময় ফলের কথা ভগবান গীতায় অর্জুনকে বলেছেন,*
*ধ‍্যায়তো বিষয়ান্ পুংসঃ সঙ্গস্তেষূপজায়তে।*
*সঙ্গাৎ সংজায়তে কামঃ কামাৎ ক্রোধোহভিজায়তে।।*
*ক্রোধাদ্ভবতি সম্মোহঃ সম্মোহাৎ স্বৃতিবিভ্রমঃ।*
*স্মৃতিভ্রংশাদ্ বুদ্ধিনাশো বুদ্ধিনাশাৎ প্রণশ‍্যতি।।*
*🍀মানুষ ইন্দ্রিয়-গ্রাহ‍্য বিষয়ের ধ‍্যান করতে করতে তাতে তার আসক্তি জন্মে,আসক্তি হতে তা ভোগের অভিলাষ জন্ম নেয়।ভোগের কামনা প্রতিহত হলে ক্রোধ জন্মে,ক্রোধ হতে কার্যাকার্য বিবেকভ্রংশরূপ মোহ জন্ম নেয়,মোহ হতে স্মৃতিনাশ বা শাস্ত্র উপদিষ্ট স্বার্থের বিস্মৃতি ঘটে,তা হতে বুদ্ধিনাশ,বুদ্ধিনাশ হতে সর্বনাশ হয়, অর্থ‍্যাৎ নানা জীব-যোনিতে পুনঃপুনঃ ভ্রমণ এবং দুঃসহ নরকাদি ভোগকরে মহাদুঃখময় ঘোরদশা উপস্থিত হয়ে থাকে।* 
*🍀মরিলে যাবে কোথা,ইহাতে না পাও ব‍্যথা,তবু নিতি কর কার্য‍্য মন্দ।* *মরণের মত সুনিশ্চিত সত‍্য জীবনে আর কিছুই নাই।মরণ যে কোন সময়ে জীবকে গ্রাস করতে পারে।এইকথা তো সকলেই জানেন এবং মৃত‍্যুর সঙ্গে সঙ্গে এই বিশ্বের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক যে একেবারেই মুছে যাবে,এটিও কারও অজানা নয়। কিন্তু জীব-জগতের উপরে মায়ার এমনি বিমোহিনী শক্তি যে,যার মত সুনিশ্চিত সত‍্য আর কিছুই নাই,জ্ঞান বুদ্ধি মানবদেহ পেয়েও বিশ্বের মানুষ সেই মৃত‍্যুকে ভুলে নানা বিষয় লোভকে গলার মালা করে পুনঃপুনঃ জন্ম মরণাদির করাল কবল গ্রস্ত হচ্ছে।*
*মরণের পরে যে মায়াবদ্ধজীব কোথায় যাবে,কোন অন্ধকার রাজ‍্যে কি দশায় সে পড়ে থাকবে,তা যে কত ভয়াবহ, একসব চিন্তা করে মায়াবদ্ধ মানুষের ব‍্যথা পাওয়া উচিত।* 
      *ক্রমশ*

*😭আমার মরণ হবে,চিরদিন বেঁচে থাকবার জন্য জন্ম হয়নি,পরবর্তী কোথায় কোন যোনিতে যেতে হবে এই চিন্তা করলেই মনেহয় মানুষ কখনই খারাপ কাজ করা তার পক্ষে সম্ভবপর হবে না।এই বিষয়ে একটি সুন্দর দৃষ্টান্ত শোনা যায় =কোন এক রাজা নানারকম সাংঘাতিক রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃতের মত প্রায় হয়ে পড়েছিলেন।* *নানারকম চিকিৎসা করেও সেই দুরারোগ‍্য ব‍্যাধি হতে মুক্তি লাভ করতে না পেরে তিনি জীবনের আশা ত‍্যাগ করেছিলেন।এইসময় এক সাধু সেই রাজ‍্যে আগমন করে রাজাকে আরোগ‍্য করবার বা সবল করবার জন্য কোন বৃক্ষপত্রের রস পান করাতে লাগলেন।রাজা যতটুকু রস পান করতেন,সেই সাধু রাজার কাছেই রোজ তা অপেক্ষা তিনগুণ ঐ রস পান করতেন।* *রসপানে রাজার মন্ত্রশক্তির মত ব‍্যাধি নাশ হল, তিনি ক্রমশ সুস্থ ও সবল হতে লাগলেন ; তাঁর শরীর ক্রমশ তেজপূর্ণ হতে লাগল কিন্তু তজোবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তাঁর মনে অতিশয় অপবিত্র ভাবের উদয় হতে লাগল এবং ক্রমশ কুপ্রবৃত্তির উত্তেজনায় তাঁর চিত্ত মন অস্থির হয়ে পড়ল।* *একদিন তিনি সেই রস পান করতে করতে সাধুকে বললেন,ভগবন্!আপনার প্রদত্ত এই রসপানে আমার ব‍্যাধি-মুক্তি এবং দেহ পুষ্ট ও তেজপূর্ণ হল বটে, কিন্তু আমার মনে অপবিত্র ভাবের উদয় হওয়ায় আমি ক্রমশ নাশের পথে এগিয়ে চলেছি।* *আপনাকে প্রশ্ন করি,আপনি যে রোজ আমা হতে তিনগুণ ঐ রস পান করেছেন,এতে আপনার ব্রহ্মচর্য‍্য অটুট আছে কি ভাবে?* *রাজার কথা শুনে সাধু তৎক্ষণাৎ বললেন,মহারাজ!এই প্রশ্নের উত্তর পরে দিব।সহসা এখনি আপনার হাতের রেখায় আপনার মৃত‍্যুযোগ দেখতে পেলাম।আজ হতে যে দিন একমাস পূর্ণ হবে,সেই নিনই আপনার মৃত‍্যু হবে।একমাস পরে নিজের মৃত‍্যুকথা জানতে পেরে রাজা খুবই ভীত হয়ে পড়লেন এবং সাধুর কাছে তার প্রতিকার জিজ্ঞাসা করলেন।* *সাধু বললেন রাজাকে, মহারাজ!মৃত‍্যু আপনার নিশ্চিতই,একমাত্র যদি প্রতিকার হয়,* *এই রসের দ্বারাই হবে ; তবে রসের মাত্রা আপনাকে চারগুণ বাড়াতে হবে,রাজা সাধুর আদেশে চতুর্গুণ রসপান করতে লাগলেন।* *বস্তুশক্তিতে দেহ যেন তেজে ফেটে পড়তে লাগল, কিন্তু কুপ্রভাব আর মনে স্থান পায় না ; যেহেতু মন মৃত‍্যুচিন্তায় অস্থির।* *দুইদিন পরে সাধু রাজাকে জিজ্ঞাসা করেলেন,মহারাজ!এখন আপনার কুপ্রবৃত্তি কিরকম অত‍্যাচার করছে,আপনি তো চারগুণ রস পান করছেন?* *মহারাজ বললেন, ভগবন্! এখন তো মৃত‍্যুচিন্তায় আমার মন সবসময় অস্থির হয়ে রয়েছে,তাতে আর কুপ্রবৃত্তির উদয় হবে কি ভাবে?* *সাধু বললেন,মহারাজ! আপনার মৃত‍্যু আসতে এখনো একমাস দেরী আছে,তাতেই কুভাব নষ্ট হয়েছে, আর আমিতো মৃত‍্যুকে সর্বদা সামনে দেখি,তবে আমার মনে কুপ্রবৃত্তি জায়গা পাবে কিভাবে?*
*মহারাজ!দেহের ক্ষণভঙ্গুরতা মনে রাখলে মনে কুপ্রবৃত্তি স্থান পায় না; এটি উপলব্ধি করাবার জন্য বললাম যে আপনি একমাস বাঁচবেন,বস্তুত আপনি বহুকাল বাঁচবেন।* *সাধুর উপদেশে রাজা দেহরোগ মুক্তির সঙ্গে সঙ্গে দেহ-দৈহিকাদির নশ্বরত্ব বোধে শ্রীগোবিন্দ চরণে শরণাগত হয়ে ভবব‍্যাধি হতেও মুক্তি লাভ করেছিলেন।*
*🍀এখানেই রইল, বানান,ও ভুল ভ্রান্তি মার্জনীয়🍀*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






*একবার কৃষ্ণনামে করে সর্বপাপ নাশ।**প্রেমের কারণ ভক্তি করেন প্রকাশ।।* ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ, নিবাস-বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা-ইংরেজ বাজার, জেলা-মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ-৭৩২১০১

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
       ꧁*একবার কৃষ্ণনামে করে সর্বপাপ নাশ।* ꧂
       ꧁*প্রেমের কারণ ভক্তি করেন প্রকাশ।।* 
                        👇👇👇🙏👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
সকল কিছু লিখনী👇👇🙏👇👇📚 *PDF গ্রন্থ* 📚 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*যাবৎ জনম মোর,অপরাধে হৈনু ভোর,*
     *নিষ্কপটে না ভজিনু তোমা।*
*তথাপি তুমি সে গতি,না ছাড়িহ প্রাণপতি,*
    *আমা সমা নাহিক অধমা।।*
"""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
*একবার কৃষ্ণনামে করে সর্বপাপ নাশ।*
*প্রেমের কারণ ভক্তি করেন প্রকাশ।।*
*প্রেমের উদয়ে হয় প্রেমের বিকার*।
*স্বেদ-কম্প-পুলকাদি গদগদাশ্রুধার।।*
*অনায়াসে ভবক্ষয়,কৃষ্ণের সেবন*।
*এক কৃষ্ণনামের ফলে পাই এত ধন।।*
*হেন কৃষ্ণনাম যদি লয় বহুবার।*
*তবে যদি প্রেম নহে,নহে অশ্রুধার।।*
*তবে জানি অপরাধ তাহাতে প্রচুর*
*কৃষ্ণনাম বীজ তাহে না হয় অঙ্কুর।।*
 *🍀যেমন ধরুন,একটী বীজ যদি মাটি উর্বর করে সযত্নে মাটিতে ফেলে ঠিকঠাক যত্ন করা যায় তবে দেখা যাবে সেই বীজটি একসময় অঙ্কুরিত হয়ে ধীরে ধীরে চারাগাছে পরিণত হবে, এবং সময়কালে ফল আসবে তাইনা?* *তদ্রুপ কৃষ্ণনামবীজ হৃদয়ভূমিতে ফেলে শ্রবণ কীর্তনাদি জলে সিঞ্চিত হলে ভক্তিকল্পলতার অঙ্কুর উদগম হয়ে তাতে যথাসময়ে ভাব-কুসুম ও প্রেমফল অবশ্যই ফলবে।* *কিন্তু যদি ঐ বীজ কোন পাষাণের উপরে পড়ে যায়,তবে তার আর অঙ্কুরিত হবার কোনরকম সম্ভাবনাই থাকে না।* *অপরাধ চিত্তটিও পাষাণের মত,তাতে নাম উপলক্ষিতা ভক্তিবীজ অঙ্কুরিত হবার কোন সম্ভাবনা থাকে না।* *এই জন‍্যই বৈষ্ণব সম্প্রদায়ে অপরাধের বিচার এত প্রবল।* *শ্রীচৈতন‍্যচরিতামৃতে যে পয়ার উদ্ধৃত হয়েছে,তার অব‍্যবহিত পরেই লিখিত আছে, "চৈতন‍্য নিত‍্যানন্দে নাহি এসব-বিচার। নাম লইতে প্রেম দেন,বহে অশ্রুধার"।।* *এইকথায় মনে হতে পারে যে,শ্রীচৈতন‍্যদেব ও শ্রীমন্নিত‍্যানন্দে অপরাধের বিচার নাই,নাম-গ্রহণমাত্রেই তাঁরা অপরাধীকেও তাঁরা প্রেমদান করে থাকেন। কিন্তু শ্রীমন্মহাপ্রভুর নবদ্বীপ-লীলায় নিন্দুক,পড়ুয়া,পাষন্ডী প্রভৃতি মহাপ্রভুকে নিন্দা করেছিল বলে মহাপ্রভু সেই নিন্দুক অপরাধীগণকে প্রেমদানের অন‍্য উপায় না দেখে সন্ন‍্যাস গ্রহণ করেছিলেন এবং সন্ন‍্যাস গ্রহণের পর নিন্দুকেরা মহাপ্রভুর শ্রীচরণে নত হওয়ায় অপরাধের অপগমে তাদেরকে প্রেম দিয়াছিলেন বলে ঐ শ্রীচৈতন‍্যচরিতামৃতে বর্ণিত রয়েছে।* *আবার চাপালগোপাল শ্রীবাসের কাছে অপরাধী হয়েছিল বলে মহাপ্রভু শ্রীবাসের কাছে অপরাধ ক্ষমা করিয়ে তাকে প্রেমদান করেছিলেন।*
       *ক্রমশ*


*বিরাম অংশ*
---------------------
*সেই রকম কপট দুষ্টচিত্ত ব‍্যক্তি বাইরে ভজনের অভিনয় মাত্র করলেও প্রবল মহৎসঙ্গ বা মহৎকৃপায় ঐ কপটের অপগম না হওয়া পর্যন্ত আর তার নিষ্কপট ভজনের বা আন্তরিকতাপূর্ণ ভজনের কোন আশায় থাকে না।*
*সরলপ্রাণে যাঁরা শ্রীগুরুদেব,বৈষ্ণব ও ভগবানের চরণে প্রপন্ন(আশ্রয়)হয়ে ভজন করেন,তাঁরাই নিষ্কপট ভজনের সৌভাগ্য প্রাপ্ত হয়ে তাঁদের করুণালাভে ধন‍্য হয়ে থাকেন।*
*জয় নিতাই গৌর হরিবল।*
অতি সংক্ষেপে পূর্ণ
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






*একবার কৃষ্ণনামে করে সর্বপাপ নাশ।**প্রেমের কারণ ভক্তি করেন প্রকাশ।।* ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ, নিবাস-বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা-ইংরেজ বাজার, জেলা-মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ-৭৩২১০১

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
       ꧁*একবার কৃষ্ণনামে করে সর্বপাপ নাশ।* ꧂
       ꧁*প্রেমের কারণ ভক্তি করেন প্রকাশ।।* 
                        👇👇👇🙏👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
সকল কিছু লিখনী👇👇🙏👇👇📚 *PDF গ্রন্থ* 📚 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*যাবৎ জনম মোর,অপরাধে হৈনু ভোর,*
     *নিষ্কপটে না ভজিনু তোমা।*
*তথাপি তুমি সে গতি,না ছাড়িহ প্রাণপতি,*
    *আমা সমা নাহিক অধমা।।*
"""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
*একবার কৃষ্ণনামে করে সর্বপাপ নাশ।*
*প্রেমের কারণ ভক্তি করেন প্রকাশ।।*
*প্রেমের উদয়ে হয় প্রেমের বিকার*।
*স্বেদ-কম্প-পুলকাদি গদগদাশ্রুধার।।*
*অনায়াসে ভবক্ষয়,কৃষ্ণের সেবন*।
*এক কৃষ্ণনামের ফলে পাই এত ধন।।*
*হেন কৃষ্ণনাম যদি লয় বহুবার।*
*তবে যদি প্রেম নহে,নহে অশ্রুধার।।*
*তবে জানি অপরাধ তাহাতে প্রচুর*
*কৃষ্ণনাম বীজ তাহে না হয় অঙ্কুর।।*
 *🍀যেমন ধরুন,একটী বীজ যদি মাটি উর্বর করে সযত্নে মাটিতে ফেলে ঠিকঠাক যত্ন করা যায় তবে দেখা যাবে সেই বীজটি একসময় অঙ্কুরিত হয়ে ধীরে ধীরে চারাগাছে পরিণত হবে, এবং সময়কালে ফল আসবে তাইনা?* *তদ্রুপ কৃষ্ণনামবীজ হৃদয়ভূমিতে ফেলে শ্রবণ কীর্তনাদি জলে সিঞ্চিত হলে ভক্তিকল্পলতার অঙ্কুর উদগম হয়ে তাতে যথাসময়ে ভাব-কুসুম ও প্রেমফল অবশ্যই ফলবে।* *কিন্তু যদি ঐ বীজ কোন পাষাণের উপরে পড়ে যায়,তবে তার আর অঙ্কুরিত হবার কোনরকম সম্ভাবনাই থাকে না।* *অপরাধ চিত্তটিও পাষাণের মত,তাতে নাম উপলক্ষিতা ভক্তিবীজ অঙ্কুরিত হবার কোন সম্ভাবনা থাকে না।* *এই জন‍্যই বৈষ্ণব সম্প্রদায়ে অপরাধের বিচার এত প্রবল।* *শ্রীচৈতন‍্যচরিতামৃতে যে পয়ার উদ্ধৃত হয়েছে,তার অব‍্যবহিত পরেই লিখিত আছে, "চৈতন‍্য নিত‍্যানন্দে নাহি এসব-বিচার। নাম লইতে প্রেম দেন,বহে অশ্রুধার"।।* *এইকথায় মনে হতে পারে যে,শ্রীচৈতন‍্যদেব ও শ্রীমন্নিত‍্যানন্দে অপরাধের বিচার নাই,নাম-গ্রহণমাত্রেই তাঁরা অপরাধীকেও তাঁরা প্রেমদান করে থাকেন। কিন্তু শ্রীমন্মহাপ্রভুর নবদ্বীপ-লীলায় নিন্দুক,পড়ুয়া,পাষন্ডী প্রভৃতি মহাপ্রভুকে নিন্দা করেছিল বলে মহাপ্রভু সেই নিন্দুক অপরাধীগণকে প্রেমদানের অন‍্য উপায় না দেখে সন্ন‍্যাস গ্রহণ করেছিলেন এবং সন্ন‍্যাস গ্রহণের পর নিন্দুকেরা মহাপ্রভুর শ্রীচরণে নত হওয়ায় অপরাধের অপগমে তাদেরকে প্রেম দিয়াছিলেন বলে ঐ শ্রীচৈতন‍্যচরিতামৃতে বর্ণিত রয়েছে।* *আবার চাপালগোপাল শ্রীবাসের কাছে অপরাধী হয়েছিল বলে মহাপ্রভু শ্রীবাসের কাছে অপরাধ ক্ষমা করিয়ে তাকে প্রেমদান করেছিলেন।*
       *ক্রমশ*


*বিরাম অংশ*
---------------------
*সেই রকম কপট দুষ্টচিত্ত ব‍্যক্তি বাইরে ভজনের অভিনয় মাত্র করলেও প্রবল মহৎসঙ্গ বা মহৎকৃপায় ঐ কপটের অপগম না হওয়া পর্যন্ত আর তার নিষ্কপট ভজনের বা আন্তরিকতাপূর্ণ ভজনের কোন আশায় থাকে না।*
*সরলপ্রাণে যাঁরা শ্রীগুরুদেব,বৈষ্ণব ও ভগবানের চরণে প্রপন্ন(আশ্রয়)হয়ে ভজন করেন,তাঁরাই নিষ্কপট ভজনের সৌভাগ্য প্রাপ্ত হয়ে তাঁদের করুণালাভে ধন‍্য হয়ে থাকেন।*
*জয় নিতাই গৌর হরিবল।*
অতি সংক্ষেপে পূর্ণ
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






বৈরাগ‍্য ভাব কেমন করে আসতে পারে? ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ, নিবাস-বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা-ইংরেজ বাজার, জেলা-মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ-৭৩২১০১

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ꧁ বৈরাগ‍্য ভাব কেমন করে আসতে পারে? 
                        👇👇👇🙏👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
সকল কিছু লিখনী👇👇🙏👇👇📚 *PDF গ্রন্থ* 📚 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 *🌴বৈরাগ‍্য ভাব কেমন করে আসতে পারে?🌴*
""" """" """"" """"" """"" """"" """""" """"""
*সাধকের প্রথমেই সাংসারিক বিষয় পরিণামে ক্ষতিকর মেনে নিয়ে এবং তা দুঃখরূপ জেনে সযত্নে ত‍্যাগ করা উচিত। বারংবার বৈরাগ‍্যের চিন্তা করলে,ত‍্যাগের মহত্ত্ব মনন করলে,জগতের প্রকৃত অবস্থা ভেবে দেখলে,মৃত ব‍্যক্তিদের,শূন‍্য মহল,ভাঙ্গচোরা অট্টালিকা,এইসব দেখলে বা শুনলে প্রাচীন রাজাদের অন্তিম জীবনদশা লক্ষ্য করলে এবং অনাসক্ত,চিন্তাশীল ব‍্যক্তিদের সঙ্গ করলে,এইরকম চিন্তা স্বতঃই (নিজের) হৃদয়ে জেগে উঠে এবং বিষয়াদির প্রতি বিরাগ উৎপন্ন হয়। পুত্র-পরিবার,অর্থ-সম্পদ,মান-মর্যাদা, কীর্তি-যশ ইত‍্যাদি সমস্ত পদার্থে নিরন্তর দুঃখ ও দোষ চিন্তা করে তার থেকে মন সরিয়ে নিতে হয়।ভগবান বলেছেন,*
*ইন্দ্রিয়ার্থেষু বৈরাগ‍্যমনহঙ্কার এব চ।*
*জন্মমৃত‍্যুজরাব‍্যাধিদুঃখদোষানুদর্শনম্।।*
*অসক্তিরনভিষ্বঙ্গঃ পুত্রদারগৃহিদিষু।*
        *(গীতা=১৩|৮-৯)*
*🍀ইহলোক ও পরলোকের সমস্ত ভোগে আসক্তির অভাব এবং অহঙ্কারেরও অভাব আর জন্ম-মৃত‍্যু-*জরা-রোগ ইত‍্যাদিতে বারংবার দুঃখ-শোকের বিচার করা এবং স্ত্রী-পুত্র,গৃহ-সম্পদে আসক্তি ও মমত্ববোধ দূর করা।* *বিচার করলে এমন আরও অনেক প্রমাণ পাওয়া যাবে,যাতে জগতের সমস্ত পদার্থ দুঃখরূপ বলে মনে হয়।*
*🍀যোগদর্শনের সূত্র হল=*
*পরিণামতাপসংস্কারদুঃখৈর্গুণবৃত্তি- বিরোধাচ্চ দুঃখমেব সর্বং বিবেকিনঃ।*
           *(সাধনপাদ=১৫)*
*🍀পরিণামদুঃখ,তাপদুঃখ,সংস্কারদুঃখ এবং দুঃখ মিশ্রিত তথা গুণ-বৃত্তি-বিরোধ হওয়ায় বিবেচক মানুষের দৃষ্টিতে সমস্ত বিষয় সুখ দুঃখেরই রূপ হয়ে থাকে।*
*🍀পরিণামদুঃখতা=যে সুখ আরম্ভে সুখের বলে মনে হয় তা পরিণামে মহাদুঃখরূপ হয়,সেই সুখকে পরিণামদুঃখ বলা হয়।* *যেমন আসক্তবশতঃ রোগীর জিভের স্বাদের জন্য কুপথ‍্য গ্রহণ।চিকিৎসক নিষেধ করলেও ইন্দ্রিয়াসক্ত রোগী আপাত-সুখকর পদার্থ স্বাদবশতঃ খেয়ে শেষকালে কষ্ট পায়,কাঁদে,চিৎকার; তেমনই বিষয়সুখ শুরুতে রমণীয় ও সুখের মনে হলেও পরিণামে মহাদুঃখদায়ক হয়।ভগবান বলেছেন=*
*বিষয়েন্দ্রিয়সংযোগাদ্ যৎ তদগ্রেহমৃতোপমম্।*
*পরিণামে বিষমিব তৎ সুখং রাজসং স্মৃতম্।।*
                  *গীতা=১৮|৩৮*
*🍀বিষয় ও ইন্দ্রিয়াদির সংযোগে যে সুখ হয়,ভোগের সময় যদিও তা অমৃতের মতো মনে হয়, কিন্তু পরিণামে তা (বল-বীর্য-অর্থ-উৎসাহ ও পরলোকনাশক হওয়ায়) বিষের মতো হয়।* *তাই একরকম সুখকে রাজসিক সুখ বলা হয়।* *চুলকোনির ঘা চুলকালে তা প্রথমে আরামদায়ক,কিন্তু পরে যখন তাতে জ্বালা ধরে,সেইটাই মহা দুঃখদায়ক হয়ে উঠে।বিষয়-সুখেরও সেই একই পরিণাম দুঃখদায়ক হয়।বহু বহু পূণ‍্য সঞ্চয় করলে মানুষ স্বর্গলাভ করে কিন্তু ""তে তাং ভুক্তা স্বর্গলোকং বিশালং ক্ষীণে পূণ‍্যে মর্ত‍্যলোকং বিশন্তি""।* *অর্থ‍্যাৎ তাঁর সেই বিশাল স্বর্গলোক ভোগ করে পূণ‍্য ক্ষয় হলে পুনরায় ইহলোক প্রাপ্ত হন।তাই গোঁসাই তুলসী দাস মহারাজ শ্রীরামচরিত মানসে বলেছেন=*
*এহি তন কর ফল বিষয় ন ভাঈ।*
*স্বর্গউ স্বল্প অন্ত দুখদাউ।।*

*🍀তাপদুঃখরূপ=স্ত্রী-পুত্র-স্বামী-অর্থ-সম্পদ ইত‍্যাদি সকল পদার্থ সবসময় কষ্ট দেয় জ্বালাতন করে।এমন কোন বিষয় নেই যাকে চিন্তা করলে কষ্টদায়ক মনে হয় না।এছাড়া মানুষ নিজের থেকে অন‍্য কাউকে কোন বিষয়ে সমৃদ্ধশালী দেখে,তখন নিজের অল্প সুখের জন্য তার হৃদয়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।* *বিষয়-প্রাপ্তি,তার সংরক্ষণ ও নাশ হওয়াতে সর্বদা ক্ষোভ বজায় থাকে।বলা হয় যে------*
*অর্থানামর্জনে দুঃখং তথৈব পরিপালনে।*
*নাশে দুঃখং ব‍্যয়ে দুঃখং ধিগর্থান্ ক্লেশকারিণঃ।।*
*🍀অর্থ অর্জন করতে কষ্ট,উপার্জন হলে তার সংরক্ষণে কষ্ট,কোথাও কিছুতে নষ্ট না হয়,তারজন‍্য সর্বদা চিন্তা,খরচ হলে চিন্তা,তা রেখে মরে যেতেও দুশ্চিন্তা,অর্থ‍্যাৎ এর থেকে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কেবল দুশ্চিন্তায় বজায় থাকে।* *তাই একে ধিক্কার দেওয়া হয়েছে। পুত্র-মান-মর্যাদাও সেই একই ব‍্যাপার।সমস্ত বিষয়েই প্রাপ্তির ইচ্ছা থেকে বিয়োগ পর্যন্ত সেই একই সন্তাপ বজায় থাকে।এমন কোন বিষয় সুখ নাই যা সন্তাপ প্রদান করে না।* 
*🍀সংস্কারদুঃখতা=আজ স্বামী-স্ত্রী, পুত্র-পরিবার,অর্থ-সম্মানের যে বিষয় প্রাপ্ত হয়েছে তার সংস্কার হৃদয়ে অঙ্কিত হয়েছে।তাই সেগুলি না থাকলে সংস্কারের জন্য সেইসব বস্তুর অভাব মহাদুঃখদায়ক।আমি কেমন ছিলাম,আমার পুত্র কত সুন্দর ও অনুগত ছিল, আমার পত্নী কত সুশীলা ছিল, আমার বাবার কাছে আমি কত সুখী ছিলাম,জগতে আমার কত মান-সম্মান ছিল, আমার কত অর্থ সম্পদ ছিল।কিন্তু আজ আমি কি হয়েছি! আমি সবরকমেই দীন-হীন হয়ে গেছি।* *যদিও জগতে তাঁর মতো বহু মানুষ শুরু থেকে এমনই বিষয়রহিত ছিল, কিন্তু তারা এমন দুঃখী নয়।যাঁর বিষয়-ভোগের বাহুল‍্যতায় সুখের সংস্কার হয়,তাঁরই এমন অভাব প্রতীত হয়।*
*অভাবের প্রতীতিতে (বিশ্বাসে)দুঃখ ভরে থাকে।একেই বলে সংস্কারদুঃখতা।* *এছাড়া সর্বদা একথাও স্মরণে রাখা উচিত যে জগতের সমস্ত বিষয়-সুখ সর্বাবস্থাতে দুঃখমিশ্রিত থাকে।*
*🍀গুণ-বৃত্তির বিরোধজনিত দুঃখ=* *ধরুন,একজন ব‍্যক্তির কিছু মিথ‍্যা কথা বললে বা কপটতা ছলনা, বিশ্বাসঘাতকতা করলে অনেক টাকা পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।তখন তাকে তার সাত্ত্বিক বৃত্তি বলে "পাপ করে টাকার দরকার নেই, তার থেকে ভিক্ষা করা বা মরে যাওয়াও ভালো,কিন্তু পাপ করা উচিত নয়।* *অন‍্যদিকে লোভি রাজসিক বৃত্তি বলে"ক্ষতি কি?* *একবার একটু মিথ‍্যা বলায় আপত্তি কি?সামান‍্য ছলনা বা কপট আচরণ ও বিশ্বাসঘাতকতা করলে কী হবে?একবার এই কাজ করে দরিদ্রতা মিটিয়ে নিই,ভবিষ‍্যতে আর একাজ করব না।এইভাবে সাত্ত্বিক ও রাজসিকের মধ্যে মহাযুদ্ধ বেধে যায়।এতে চিত্ত অন্তত‍্য ব‍্যাকুল ও কিংকর্তব‍্যবিমূঢ় হয়ে উঠে।* *বিষাদ ও উদ্বিগ্নতার কোন সীমা থাকে না।* *এইভাবে রাজসিক ও তামসিক বৃত্তিরও মতভেদ হয়।একজন মানুষ তাস বা দাবা খেলতে থাকে,ওদিকে সময় মত না যাওয়ায় গৃহের আবশ‍্যক কর্ম হয় না।কর্মে প্রবৃত্তকারী রাজসিক বৃত্তি বলে।"উঠো,চলো,ঘরের কাজ করো,নাহলে ক্ষতি হয়ে যাবে।* *অন‍্যদিকে প্রমাদরূপী তামসিক বৃত্তি তাকে বারংবার খেলাতে আকর্ষণ করতে থাকে,সেই বেচারি এই দ্বিধায় পড়ে নানা অশান্তিতে ভোগে।* *উদাহরণের জন্য দুটি দৃষ্টান্তই যথেষ্ট।* 
*ক্রমশ*

 *🍀এইভাবে বিবেচনা করলে স্পষ্ট বোঝা যায় যে জগতে সবই সুখ ও দুঃখের রূপ। সুতরাং এর থেকে মন সরিয়ে নেবার জন্য খুবই চেষ্টা করতে হবে।উপরোক্ত ভয় ও চিন্তা থেকে হওয়া উভয় প্রকারের বৈরাগ‍্য লাভ করার এই হল উপায়।* *এই উপায় পূর্বাপেক্ষা উত্তম-শ্রেণীর বৈরাগ‍্য-সম্পাদনেও অবশ্যই সহায়ক হয়ে থাকে।পরমাত্মার নাম-জপ ও সর্বদা তাঁর স্বরূপ চিন্তা করতে থাকলে হৃদয়ের কলুষ দূর হতে থাকবে।তেমনই তাতে উজ্বলতা আসবে।এইরকম উজ্বল ও শুদ্ধ হৃদয়ে বৈরাগ‍্যের তরঙ্গ উঠে,যার ফলে বিষয়ানুরাগ স্বতঃই দূর হয়ে যায়।এই অবস্থায় বিশেষ চিন্তা-ভাবনার প্রয়োজন থাকে না।যেমন ধূলি ধূসরিত আয়নাকে কাপড় দিয়ে মুছলে তা যেভাবে পরিস্কার হয়ে চমকিত হতে থাকে এবং তাতে মুখর ছবি স্পষ্ট প্রতিভাত হয়,তেমনই পরমাত্মার ভজন-ধ‍্যানরূপ কাপড়ের মোছাতে অন্তঃকরণরূপ দর্পণের ময়লা দূর হয়ে তা উজ্বল হয় এবং তাতে সুখস্বরূপ আত্মার প্রতিবিম্ব দেখা যায়।* *এইরকম অবস্থায় যে সামান্য বিষয়-মল থেকে যায়,তা সাধকের মনে শূলের মত বিঁধতে থাকে।* *তখন সাধক সেই বিষয়-মলদাগ দূর করার জন্য ভজন-ধ‍্যানে যেমন যেমন অন্তরের দর্পণ পরিস্কার হয়,সাধকের আশা ও উৎসাহ তেমনই বৃদ্ধি পেতে থাকে।* *যেসব ব‍্যক্তি ভজন-ধ‍্যানরূপ সাধন-তত্ত্ব বোঝেন না তাঁদের কাছে এগুলি ভার বলে বিশ্বাস হয়।* *যাঁর এই তত্ত্ব-জ্ঞান হতে থাকে,তিনি উত্তরোত্তর এই আনন্দ উপলব্ধি করে পূর্ণানন্দ লাভের জন্য ভজন-ধ‍্যানের বৃদ্ধি করতে থাকেন।* *তাঁর দৃষ্টিতে বিষয়াদিতে প্রতিভাত হওয়া বিষয়-সুখের কোন অস্তিত্বই থাকে না।* *ফলে তিনি অত‍্যন্ত শীঘ্রই দৃঢ় বৈরাগ‍্য লাভ করেন। ভগবান এই দৃঢ় অস্ত্রের সাহায্যে অহং,মমত্ব ও বাসনারূপ দৃঢ় মূলসম্পন্ন সংসাররূপ অশ্বত্থবৃক্ষকে ছেদন করতে বলেছেন।*
      *ক্রমশ*
*বৈরাগ‍্য, পরের অংশ*
++++++++++++++++
*অশ্বত্থমেনং সুবিরূঢ়মূলমসঙ্গশস্ত্রেণ দৃঢ়েন ছিত্ত্বা।* *(গীতা=১৫|৩*
*🍀সাংসারিক চিত্র সর্বতোভাবে দূর করাই হল এই অশ্বত্থ-বৃক্ষ ছেদন করা।দৃঢ় বৈরাগ‍্যের সাহায্যে এ কাজ সহজেই হতে পারে।*
÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷
*শ্রীভগবান বলেছেন-------*
*ততঃ পদং তৎ পরিমার্গিতব‍্যং যস্মিন্ গতা ন নিবর্তন্তি ভূয়ঃ।*
*তমেব চাদ‍্যং পুরুষং প্রপদ‍্যে যতঃ প্রবৃত্তিঃ প্রসৃতা পুরাণী।।*
             *(গীতা=১৫|৪*
*🍀এর পরে যে পরমপদরূপ পরমেশ্বরকে ভালো ভাবে অনুসন্ধান করা উচিত (সেই পরমাত্মার বিজ্ঞান আনন্দঘন "সত‍্যং জ্ঞানমনন্তং ব্রহ্ম" এর বারংবার চিন্তা করাই হল তাঁর অনুসন্ধান করা)* *যাতে যাওয়ার পর পুরুষ আর সংসারে পুনরাবর্তন করেন না এবং যে পরমেশ্বর দ্বারা এই পুরাতন সংসার বৃক্ষের প্রবৃত্তি বিস্তার লাভ করেছে।* *আমি সেই আদি পুরুষ নারায়ণের শরণাগত (সেই পরমপদের স্বরূপকে চেনা-- তাতে স্থিত হয়ে যাওয়াই হল তাঁর শরণগ্রহণ করা)এইভাবে শরণ নিলে*-----
*নির্মানমোহা জিতসঙ্গদোষা অধ‍্যাত্মনিত‍্যা বিনিবৃত্তকামাঃ।*
*দ্বন্দৈর্বিমুক্তাঃ সুখদুঃখসংজ্ঞৈর্গচ্ছন্ত‍্যমূঢ়াঃ পদমব‍্যয়ং তৎ।।* *গীঃ=১৫|৫*
*🍀মান এবং মোহ যাঁরা জয় করেছেন,আসক্তি জয় করে যাঁরা পরমাত্মার স্বরূপে নিত‍্য স্থিতি লাভ করেছেন,যাঁদের কামনা সম্পূর্ণভাবে নাশপ্রাপ্ত হয়েছে,সেই সব সুখ- দুঃখ- দ্বন্দ্ব বিমুক্ত জ্ঞানী ব‍্যক্তি এই অবিনাশী পরমপদ প্রাপ্ত হন।*
*🍀বৈরাগ‍্য বিষয়ে আরও কিছু আছে,এখানেই রাখলাম।🍀*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






বৈরাগ‍্য ভাব কেমন করে আসতে পারে? ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ, নিবাস-বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা-ইংরেজ বাজার, জেলা-মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ-৭৩২১০১

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ꧁ বৈরাগ‍্য ভাব কেমন করে আসতে পারে? 
                        👇👇👇🙏👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
সকল কিছু লিখনী👇👇🙏👇👇📚 *PDF গ্রন্থ* 📚 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 *🌴বৈরাগ‍্য ভাব কেমন করে আসতে পারে?🌴*
""" """" """"" """"" """"" """"" """""" """"""
*সাধকের প্রথমেই সাংসারিক বিষয় পরিণামে ক্ষতিকর মেনে নিয়ে এবং তা দুঃখরূপ জেনে সযত্নে ত‍্যাগ করা উচিত। বারংবার বৈরাগ‍্যের চিন্তা করলে,ত‍্যাগের মহত্ত্ব মনন করলে,জগতের প্রকৃত অবস্থা ভেবে দেখলে,মৃত ব‍্যক্তিদের,শূন‍্য মহল,ভাঙ্গচোরা অট্টালিকা,এইসব দেখলে বা শুনলে প্রাচীন রাজাদের অন্তিম জীবনদশা লক্ষ্য করলে এবং অনাসক্ত,চিন্তাশীল ব‍্যক্তিদের সঙ্গ করলে,এইরকম চিন্তা স্বতঃই (নিজের) হৃদয়ে জেগে উঠে এবং বিষয়াদির প্রতি বিরাগ উৎপন্ন হয়। পুত্র-পরিবার,অর্থ-সম্পদ,মান-মর্যাদা, কীর্তি-যশ ইত‍্যাদি সমস্ত পদার্থে নিরন্তর দুঃখ ও দোষ চিন্তা করে তার থেকে মন সরিয়ে নিতে হয়।ভগবান বলেছেন,*
*ইন্দ্রিয়ার্থেষু বৈরাগ‍্যমনহঙ্কার এব চ।*
*জন্মমৃত‍্যুজরাব‍্যাধিদুঃখদোষানুদর্শনম্।।*
*অসক্তিরনভিষ্বঙ্গঃ পুত্রদারগৃহিদিষু।*
        *(গীতা=১৩|৮-৯)*
*🍀ইহলোক ও পরলোকের সমস্ত ভোগে আসক্তির অভাব এবং অহঙ্কারেরও অভাব আর জন্ম-মৃত‍্যু-*জরা-রোগ ইত‍্যাদিতে বারংবার দুঃখ-শোকের বিচার করা এবং স্ত্রী-পুত্র,গৃহ-সম্পদে আসক্তি ও মমত্ববোধ দূর করা।* *বিচার করলে এমন আরও অনেক প্রমাণ পাওয়া যাবে,যাতে জগতের সমস্ত পদার্থ দুঃখরূপ বলে মনে হয়।*
*🍀যোগদর্শনের সূত্র হল=*
*পরিণামতাপসংস্কারদুঃখৈর্গুণবৃত্তি- বিরোধাচ্চ দুঃখমেব সর্বং বিবেকিনঃ।*
           *(সাধনপাদ=১৫)*
*🍀পরিণামদুঃখ,তাপদুঃখ,সংস্কারদুঃখ এবং দুঃখ মিশ্রিত তথা গুণ-বৃত্তি-বিরোধ হওয়ায় বিবেচক মানুষের দৃষ্টিতে সমস্ত বিষয় সুখ দুঃখেরই রূপ হয়ে থাকে।*
*🍀পরিণামদুঃখতা=যে সুখ আরম্ভে সুখের বলে মনে হয় তা পরিণামে মহাদুঃখরূপ হয়,সেই সুখকে পরিণামদুঃখ বলা হয়।* *যেমন আসক্তবশতঃ রোগীর জিভের স্বাদের জন্য কুপথ‍্য গ্রহণ।চিকিৎসক নিষেধ করলেও ইন্দ্রিয়াসক্ত রোগী আপাত-সুখকর পদার্থ স্বাদবশতঃ খেয়ে শেষকালে কষ্ট পায়,কাঁদে,চিৎকার; তেমনই বিষয়সুখ শুরুতে রমণীয় ও সুখের মনে হলেও পরিণামে মহাদুঃখদায়ক হয়।ভগবান বলেছেন=*
*বিষয়েন্দ্রিয়সংযোগাদ্ যৎ তদগ্রেহমৃতোপমম্।*
*পরিণামে বিষমিব তৎ সুখং রাজসং স্মৃতম্।।*
                  *গীতা=১৮|৩৮*
*🍀বিষয় ও ইন্দ্রিয়াদির সংযোগে যে সুখ হয়,ভোগের সময় যদিও তা অমৃতের মতো মনে হয়, কিন্তু পরিণামে তা (বল-বীর্য-অর্থ-উৎসাহ ও পরলোকনাশক হওয়ায়) বিষের মতো হয়।* *তাই একরকম সুখকে রাজসিক সুখ বলা হয়।* *চুলকোনির ঘা চুলকালে তা প্রথমে আরামদায়ক,কিন্তু পরে যখন তাতে জ্বালা ধরে,সেইটাই মহা দুঃখদায়ক হয়ে উঠে।বিষয়-সুখেরও সেই একই পরিণাম দুঃখদায়ক হয়।বহু বহু পূণ‍্য সঞ্চয় করলে মানুষ স্বর্গলাভ করে কিন্তু ""তে তাং ভুক্তা স্বর্গলোকং বিশালং ক্ষীণে পূণ‍্যে মর্ত‍্যলোকং বিশন্তি""।* *অর্থ‍্যাৎ তাঁর সেই বিশাল স্বর্গলোক ভোগ করে পূণ‍্য ক্ষয় হলে পুনরায় ইহলোক প্রাপ্ত হন।তাই গোঁসাই তুলসী দাস মহারাজ শ্রীরামচরিত মানসে বলেছেন=*
*এহি তন কর ফল বিষয় ন ভাঈ।*
*স্বর্গউ স্বল্প অন্ত দুখদাউ।।*

*🍀তাপদুঃখরূপ=স্ত্রী-পুত্র-স্বামী-অর্থ-সম্পদ ইত‍্যাদি সকল পদার্থ সবসময় কষ্ট দেয় জ্বালাতন করে।এমন কোন বিষয় নেই যাকে চিন্তা করলে কষ্টদায়ক মনে হয় না।এছাড়া মানুষ নিজের থেকে অন‍্য কাউকে কোন বিষয়ে সমৃদ্ধশালী দেখে,তখন নিজের অল্প সুখের জন্য তার হৃদয়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।* *বিষয়-প্রাপ্তি,তার সংরক্ষণ ও নাশ হওয়াতে সর্বদা ক্ষোভ বজায় থাকে।বলা হয় যে------*
*অর্থানামর্জনে দুঃখং তথৈব পরিপালনে।*
*নাশে দুঃখং ব‍্যয়ে দুঃখং ধিগর্থান্ ক্লেশকারিণঃ।।*
*🍀অর্থ অর্জন করতে কষ্ট,উপার্জন হলে তার সংরক্ষণে কষ্ট,কোথাও কিছুতে নষ্ট না হয়,তারজন‍্য সর্বদা চিন্তা,খরচ হলে চিন্তা,তা রেখে মরে যেতেও দুশ্চিন্তা,অর্থ‍্যাৎ এর থেকে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কেবল দুশ্চিন্তায় বজায় থাকে।* *তাই একে ধিক্কার দেওয়া হয়েছে। পুত্র-মান-মর্যাদাও সেই একই ব‍্যাপার।সমস্ত বিষয়েই প্রাপ্তির ইচ্ছা থেকে বিয়োগ পর্যন্ত সেই একই সন্তাপ বজায় থাকে।এমন কোন বিষয় সুখ নাই যা সন্তাপ প্রদান করে না।* 
*🍀সংস্কারদুঃখতা=আজ স্বামী-স্ত্রী, পুত্র-পরিবার,অর্থ-সম্মানের যে বিষয় প্রাপ্ত হয়েছে তার সংস্কার হৃদয়ে অঙ্কিত হয়েছে।তাই সেগুলি না থাকলে সংস্কারের জন্য সেইসব বস্তুর অভাব মহাদুঃখদায়ক।আমি কেমন ছিলাম,আমার পুত্র কত সুন্দর ও অনুগত ছিল, আমার পত্নী কত সুশীলা ছিল, আমার বাবার কাছে আমি কত সুখী ছিলাম,জগতে আমার কত মান-সম্মান ছিল, আমার কত অর্থ সম্পদ ছিল।কিন্তু আজ আমি কি হয়েছি! আমি সবরকমেই দীন-হীন হয়ে গেছি।* *যদিও জগতে তাঁর মতো বহু মানুষ শুরু থেকে এমনই বিষয়রহিত ছিল, কিন্তু তারা এমন দুঃখী নয়।যাঁর বিষয়-ভোগের বাহুল‍্যতায় সুখের সংস্কার হয়,তাঁরই এমন অভাব প্রতীত হয়।*
*অভাবের প্রতীতিতে (বিশ্বাসে)দুঃখ ভরে থাকে।একেই বলে সংস্কারদুঃখতা।* *এছাড়া সর্বদা একথাও স্মরণে রাখা উচিত যে জগতের সমস্ত বিষয়-সুখ সর্বাবস্থাতে দুঃখমিশ্রিত থাকে।*
*🍀গুণ-বৃত্তির বিরোধজনিত দুঃখ=* *ধরুন,একজন ব‍্যক্তির কিছু মিথ‍্যা কথা বললে বা কপটতা ছলনা, বিশ্বাসঘাতকতা করলে অনেক টাকা পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।তখন তাকে তার সাত্ত্বিক বৃত্তি বলে "পাপ করে টাকার দরকার নেই, তার থেকে ভিক্ষা করা বা মরে যাওয়াও ভালো,কিন্তু পাপ করা উচিত নয়।* *অন‍্যদিকে লোভি রাজসিক বৃত্তি বলে"ক্ষতি কি?* *একবার একটু মিথ‍্যা বলায় আপত্তি কি?সামান‍্য ছলনা বা কপট আচরণ ও বিশ্বাসঘাতকতা করলে কী হবে?একবার এই কাজ করে দরিদ্রতা মিটিয়ে নিই,ভবিষ‍্যতে আর একাজ করব না।এইভাবে সাত্ত্বিক ও রাজসিকের মধ্যে মহাযুদ্ধ বেধে যায়।এতে চিত্ত অন্তত‍্য ব‍্যাকুল ও কিংকর্তব‍্যবিমূঢ় হয়ে উঠে।* *বিষাদ ও উদ্বিগ্নতার কোন সীমা থাকে না।* *এইভাবে রাজসিক ও তামসিক বৃত্তিরও মতভেদ হয়।একজন মানুষ তাস বা দাবা খেলতে থাকে,ওদিকে সময় মত না যাওয়ায় গৃহের আবশ‍্যক কর্ম হয় না।কর্মে প্রবৃত্তকারী রাজসিক বৃত্তি বলে।"উঠো,চলো,ঘরের কাজ করো,নাহলে ক্ষতি হয়ে যাবে।* *অন‍্যদিকে প্রমাদরূপী তামসিক বৃত্তি তাকে বারংবার খেলাতে আকর্ষণ করতে থাকে,সেই বেচারি এই দ্বিধায় পড়ে নানা অশান্তিতে ভোগে।* *উদাহরণের জন্য দুটি দৃষ্টান্তই যথেষ্ট।* 
*ক্রমশ*

 *🍀এইভাবে বিবেচনা করলে স্পষ্ট বোঝা যায় যে জগতে সবই সুখ ও দুঃখের রূপ। সুতরাং এর থেকে মন সরিয়ে নেবার জন্য খুবই চেষ্টা করতে হবে।উপরোক্ত ভয় ও চিন্তা থেকে হওয়া উভয় প্রকারের বৈরাগ‍্য লাভ করার এই হল উপায়।* *এই উপায় পূর্বাপেক্ষা উত্তম-শ্রেণীর বৈরাগ‍্য-সম্পাদনেও অবশ্যই সহায়ক হয়ে থাকে।পরমাত্মার নাম-জপ ও সর্বদা তাঁর স্বরূপ চিন্তা করতে থাকলে হৃদয়ের কলুষ দূর হতে থাকবে।তেমনই তাতে উজ্বলতা আসবে।এইরকম উজ্বল ও শুদ্ধ হৃদয়ে বৈরাগ‍্যের তরঙ্গ উঠে,যার ফলে বিষয়ানুরাগ স্বতঃই দূর হয়ে যায়।এই অবস্থায় বিশেষ চিন্তা-ভাবনার প্রয়োজন থাকে না।যেমন ধূলি ধূসরিত আয়নাকে কাপড় দিয়ে মুছলে তা যেভাবে পরিস্কার হয়ে চমকিত হতে থাকে এবং তাতে মুখর ছবি স্পষ্ট প্রতিভাত হয়,তেমনই পরমাত্মার ভজন-ধ‍্যানরূপ কাপড়ের মোছাতে অন্তঃকরণরূপ দর্পণের ময়লা দূর হয়ে তা উজ্বল হয় এবং তাতে সুখস্বরূপ আত্মার প্রতিবিম্ব দেখা যায়।* *এইরকম অবস্থায় যে সামান্য বিষয়-মল থেকে যায়,তা সাধকের মনে শূলের মত বিঁধতে থাকে।* *তখন সাধক সেই বিষয়-মলদাগ দূর করার জন্য ভজন-ধ‍্যানে যেমন যেমন অন্তরের দর্পণ পরিস্কার হয়,সাধকের আশা ও উৎসাহ তেমনই বৃদ্ধি পেতে থাকে।* *যেসব ব‍্যক্তি ভজন-ধ‍্যানরূপ সাধন-তত্ত্ব বোঝেন না তাঁদের কাছে এগুলি ভার বলে বিশ্বাস হয়।* *যাঁর এই তত্ত্ব-জ্ঞান হতে থাকে,তিনি উত্তরোত্তর এই আনন্দ উপলব্ধি করে পূর্ণানন্দ লাভের জন্য ভজন-ধ‍্যানের বৃদ্ধি করতে থাকেন।* *তাঁর দৃষ্টিতে বিষয়াদিতে প্রতিভাত হওয়া বিষয়-সুখের কোন অস্তিত্বই থাকে না।* *ফলে তিনি অত‍্যন্ত শীঘ্রই দৃঢ় বৈরাগ‍্য লাভ করেন। ভগবান এই দৃঢ় অস্ত্রের সাহায্যে অহং,মমত্ব ও বাসনারূপ দৃঢ় মূলসম্পন্ন সংসাররূপ অশ্বত্থবৃক্ষকে ছেদন করতে বলেছেন।*
      *ক্রমশ*
*বৈরাগ‍্য, পরের অংশ*
++++++++++++++++
*অশ্বত্থমেনং সুবিরূঢ়মূলমসঙ্গশস্ত্রেণ দৃঢ়েন ছিত্ত্বা।* *(গীতা=১৫|৩*
*🍀সাংসারিক চিত্র সর্বতোভাবে দূর করাই হল এই অশ্বত্থ-বৃক্ষ ছেদন করা।দৃঢ় বৈরাগ‍্যের সাহায্যে এ কাজ সহজেই হতে পারে।*
÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷
*শ্রীভগবান বলেছেন-------*
*ততঃ পদং তৎ পরিমার্গিতব‍্যং যস্মিন্ গতা ন নিবর্তন্তি ভূয়ঃ।*
*তমেব চাদ‍্যং পুরুষং প্রপদ‍্যে যতঃ প্রবৃত্তিঃ প্রসৃতা পুরাণী।।*
             *(গীতা=১৫|৪*
*🍀এর পরে যে পরমপদরূপ পরমেশ্বরকে ভালো ভাবে অনুসন্ধান করা উচিত (সেই পরমাত্মার বিজ্ঞান আনন্দঘন "সত‍্যং জ্ঞানমনন্তং ব্রহ্ম" এর বারংবার চিন্তা করাই হল তাঁর অনুসন্ধান করা)* *যাতে যাওয়ার পর পুরুষ আর সংসারে পুনরাবর্তন করেন না এবং যে পরমেশ্বর দ্বারা এই পুরাতন সংসার বৃক্ষের প্রবৃত্তি বিস্তার লাভ করেছে।* *আমি সেই আদি পুরুষ নারায়ণের শরণাগত (সেই পরমপদের স্বরূপকে চেনা-- তাতে স্থিত হয়ে যাওয়াই হল তাঁর শরণগ্রহণ করা)এইভাবে শরণ নিলে*-----
*নির্মানমোহা জিতসঙ্গদোষা অধ‍্যাত্মনিত‍্যা বিনিবৃত্তকামাঃ।*
*দ্বন্দৈর্বিমুক্তাঃ সুখদুঃখসংজ্ঞৈর্গচ্ছন্ত‍্যমূঢ়াঃ পদমব‍্যয়ং তৎ।।* *গীঃ=১৫|৫*
*🍀মান এবং মোহ যাঁরা জয় করেছেন,আসক্তি জয় করে যাঁরা পরমাত্মার স্বরূপে নিত‍্য স্থিতি লাভ করেছেন,যাঁদের কামনা সম্পূর্ণভাবে নাশপ্রাপ্ত হয়েছে,সেই সব সুখ- দুঃখ- দ্বন্দ্ব বিমুক্ত জ্ঞানী ব‍্যক্তি এই অবিনাশী পরমপদ প্রাপ্ত হন।*
*🍀বৈরাগ‍্য বিষয়ে আরও কিছু আছে,এখানেই রাখলাম।🍀*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






adds