শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

বৃন্দাবনধামে গোপালভট্ট গোস্বামী সেবিত রাধারমণদেবের প্রাকট্যতিথি ❇️ বৈশাখ মাসের পূর্ণিমা তিথি ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/05/radha-raman.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
             ꧁ রাধারমণদেবের প্রাকট্যতিথি ꧂
             ꧁ বৈশাখ মাসের পূর্ণিমা তিথি ꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ꧁ DeepBagui.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
           ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই ꧂
      এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
#বৈশাখ_মাসের_পূর্ণিমা_তিথি
#বৃন্দাবনধামে_গোপালভট্ট_গোস্বামী_সেবিত_রাধারমণদেবের_প্রাকট্যতিথি

 বৃন্দাবনের দায়িত্ব ভার তখন গোস্বামীগণের হাতে।রূপ সনাতন সব গোস্বামীগণ নিজ নিজ প্রাণনিধিকে পেয়েছেন। গোবিন্দ; মদনমোহন আদি সবাই সেবকের সেবাতে তুষ্ট ।এবার ব্রজে এসেছেন গোপালভট্ট। দক্ষিণ ভারত থেকে। মহাপ্রভুর সুচিহ্নিত পাত্র। মহাপ্রভু সন্ন্যাস গ্রহণ করে যখন দাক্ষিণাত্যে গেছিলেন তখন বেঙ্কট ভট্টের বাড়িতে ভিক্ষা করেছিলেন।এই বেঙ্কট ভট্টের ছেলে হলেন গোপাল ভট্ট। মহাপ্রভুর নির্দেশে আজন্ম ব্রহ্মচারী। মা বাবার অবর্তমানে এসেছেন ব্রজে। এটাও মহাপ্রভুর আদেশ।

মাঝখানে গোপাল গেছিলেন গণ্ডকী নদী তটে।স্নান করতে গিয়ে পেলেন বারোমূর্তি শালগ্রাম।(অনেকের মতে এই দ্বাদশ মূর্তির মধ্যে একজন হলেন দামোদর শালগ্রাম ) । তাই সেই শালগ্রামসমূহ কে নিয়েই ব্রজে সেবা করেন । গাছের তলাতে কুটিয়া বেঁধে থাকেন গোপাল। 
আত্মপ্রতিষ্ঠা নেই। তাই গাছের তলাতেই বাস।কারণ মহাপ্রভুর এটাই আদর্শ ।আর গোপাল এই আদর্শ থেকে টলবেন না।

সময় টা ১৫৪২ খ্রিস্টাব্দ নাগাদ। এক শেঠজী ব্রজে এসে গোপাল ভট্ট কে ঠাকুরের জন্য অনেক কাপড় আর গহনা দিয়ে গেল।কিন্তু হায় ! কাপড় গহনা কাকে পড়াবেন? শালগ্রামসমূহ সবাই যে গোলাকার রূপ ধারণ করে আছেন।কাপড় গহনা পরাবার অবয়ব তো নেই।গোপাল ভট্ট যতই ফেরত দিতে চান সেই শেঠজী ফেরত নিতে নারাজ।বাধ্য হয়ে গোপাল ভট্ট রেখে দিলেন সেইসব।মনে মনে ভাবেন ইসস ! যদি আমার ত্রিভঙ্গ বঙ্কিম কৃষ্ণ বিগ্রহ থাকত তবে এইসব কাপড় পরিয়ে সুখ পেতাম। এদিকে মহাপ্রভুও অপ্রকট হয়েছেন।তার বিরহ বেদনা গোপালের প্রাণে বাজে।আরতো গৌর দেখতে পাব না ।

নৃসিংহ চতুর্দশী তিথি এল। গোপাল ভট্ট শালগ্রাম সমূহেই অভিষেকাদি সম্পন্ন করে ঠাকুরদের শয়ন দিলেন।নিজেও শুলেন।সেদিন তাঁর নৃসিংহ চতুর্দশী ব্রত। পরদিন পূর্ণিমার সকালে পারণ করবেন-এমনটাই মনস্থির করেছেন। তখন কি আর জানতেন যে পারণ করতে গিয়েই প্রাণধনকে পেয়ে যাবেন!!
পরদিন ভোরে যমুনাতে স্নান করে কুটিয়া তে এসেছেন গোপাল।ঠাকুরকে জাগাতে গিয়ে দেখছেন বারোমূর্তির জায়গায় এগারোমূর্তি শালগ্রাম আর সেই দামোদর শালগ্রাম পরিণত হয়েছেন কৃষ্ণ বিগ্রহে।কি সুন্দর সেই বিগ্রহ! ত্রিভঙ্গ বঙ্কিম! আড় নয়নে চাইছেন।হাতে বংশীধারী মুদ্রা।এত সুন্দর গোপাল ভট্টের চোখে জল।
খবর রটে গেল গোটা ব্রজে- গোপাল ভট্টের কুটিয়াতে ঠাকুর প্রকট হয়েছেন। শুনেই শ্রী রূপ সনাতন সবাই এলেন দর্শনে। প্রাণে প্রাণে অনুভব করলেন এই বিগ্রহ শুধু কৃষ্ণ বিগ্রহ নয়; এই বিগ্রহ গৌর বিগ্রহ। মহাপ্রভুই গোপালের কাছে গায়ের রং পরিবর্তন করে হাতে বাঁশি নিয়ে প্রকট হয়েছেন। সমস্ত গোস্বামীগণ সেই গৌররূপী কৃষ্ণের নামকরণ করলেন #রাধারমণ নামে। রাধারমণ =রাধারাণীকে যিনি আনন্দ দেন। অর্থাৎ এই বিগ্রহে রাধারাণিকে আনন্দদানকারী কৃষ্ণ এবং রাধারাণি দুজনেই বিরাজিত। তবেই না রাধাকৃষ্ণ মিলে গৌর হচ্ছেন। 

#গোপাল_ভট্টের_প্রাণধন।
#গৌর_হইলা_রাধারমণ।
#আবরিত_রাধার_বরণ।
#গৌর_আমার_রাধারমণ।।
দিনটি ছিল আজকে।১৫৪২খ্রিস্টাব্দের বৈশাখী পূর্ণিমা তিথি। সমগ্র পৃথিবীতে স্বপ্রকটীভূত (স্বয়ম্ভূ) একমাত্র কৃষ্ণ বিগ্রহ আজকের এই পুণ্য তিথিতেই প্রকাশ পেয়েছিলেন গোপাল ভট্টের কাছে।কলিহত জীবকে দর্শন দান করবেন বলে।

#জয়_রাধারমণ_লাল।
#জয়_জয়_ভট্ট_গোপাল ।।
*জয় নিতাই!*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-বাগুইপাড়া, বাগুইআটি,  উত্তর চব্বিশ পরগনা, কোলকাতা-৭০০১৫৯
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

বৃন্দাবনধামে গোপালভট্ট গোস্বামী সেবিত রাধারমণদেবের প্রাকট্যতিথি ❇️ বৈশাখ মাসের পূর্ণিমা তিথি ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/05/radha-raman.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
             ꧁ রাধারমণদেবের প্রাকট্যতিথি ꧂
             ꧁ বৈশাখ মাসের পূর্ণিমা তিথি ꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ꧁ DeepBagui.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
           ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই ꧂
      এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
#বৈশাখ_মাসের_পূর্ণিমা_তিথি
#বৃন্দাবনধামে_গোপালভট্ট_গোস্বামী_সেবিত_রাধারমণদেবের_প্রাকট্যতিথি

 বৃন্দাবনের দায়িত্ব ভার তখন গোস্বামীগণের হাতে।রূপ সনাতন সব গোস্বামীগণ নিজ নিজ প্রাণনিধিকে পেয়েছেন। গোবিন্দ; মদনমোহন আদি সবাই সেবকের সেবাতে তুষ্ট ।এবার ব্রজে এসেছেন গোপালভট্ট। দক্ষিণ ভারত থেকে। মহাপ্রভুর সুচিহ্নিত পাত্র। মহাপ্রভু সন্ন্যাস গ্রহণ করে যখন দাক্ষিণাত্যে গেছিলেন তখন বেঙ্কট ভট্টের বাড়িতে ভিক্ষা করেছিলেন।এই বেঙ্কট ভট্টের ছেলে হলেন গোপাল ভট্ট। মহাপ্রভুর নির্দেশে আজন্ম ব্রহ্মচারী। মা বাবার অবর্তমানে এসেছেন ব্রজে। এটাও মহাপ্রভুর আদেশ।

মাঝখানে গোপাল গেছিলেন গণ্ডকী নদী তটে।স্নান করতে গিয়ে পেলেন বারোমূর্তি শালগ্রাম।(অনেকের মতে এই দ্বাদশ মূর্তির মধ্যে একজন হলেন দামোদর শালগ্রাম ) । তাই সেই শালগ্রামসমূহ কে নিয়েই ব্রজে সেবা করেন । গাছের তলাতে কুটিয়া বেঁধে থাকেন গোপাল। 
আত্মপ্রতিষ্ঠা নেই। তাই গাছের তলাতেই বাস।কারণ মহাপ্রভুর এটাই আদর্শ ।আর গোপাল এই আদর্শ থেকে টলবেন না।

সময় টা ১৫৪২ খ্রিস্টাব্দ নাগাদ। এক শেঠজী ব্রজে এসে গোপাল ভট্ট কে ঠাকুরের জন্য অনেক কাপড় আর গহনা দিয়ে গেল।কিন্তু হায় ! কাপড় গহনা কাকে পড়াবেন? শালগ্রামসমূহ সবাই যে গোলাকার রূপ ধারণ করে আছেন।কাপড় গহনা পরাবার অবয়ব তো নেই।গোপাল ভট্ট যতই ফেরত দিতে চান সেই শেঠজী ফেরত নিতে নারাজ।বাধ্য হয়ে গোপাল ভট্ট রেখে দিলেন সেইসব।মনে মনে ভাবেন ইসস ! যদি আমার ত্রিভঙ্গ বঙ্কিম কৃষ্ণ বিগ্রহ থাকত তবে এইসব কাপড় পরিয়ে সুখ পেতাম। এদিকে মহাপ্রভুও অপ্রকট হয়েছেন।তার বিরহ বেদনা গোপালের প্রাণে বাজে।আরতো গৌর দেখতে পাব না ।

নৃসিংহ চতুর্দশী তিথি এল। গোপাল ভট্ট শালগ্রাম সমূহেই অভিষেকাদি সম্পন্ন করে ঠাকুরদের শয়ন দিলেন।নিজেও শুলেন।সেদিন তাঁর নৃসিংহ চতুর্দশী ব্রত। পরদিন পূর্ণিমার সকালে পারণ করবেন-এমনটাই মনস্থির করেছেন। তখন কি আর জানতেন যে পারণ করতে গিয়েই প্রাণধনকে পেয়ে যাবেন!!
পরদিন ভোরে যমুনাতে স্নান করে কুটিয়া তে এসেছেন গোপাল।ঠাকুরকে জাগাতে গিয়ে দেখছেন বারোমূর্তির জায়গায় এগারোমূর্তি শালগ্রাম আর সেই দামোদর শালগ্রাম পরিণত হয়েছেন কৃষ্ণ বিগ্রহে।কি সুন্দর সেই বিগ্রহ! ত্রিভঙ্গ বঙ্কিম! আড় নয়নে চাইছেন।হাতে বংশীধারী মুদ্রা।এত সুন্দর গোপাল ভট্টের চোখে জল।
খবর রটে গেল গোটা ব্রজে- গোপাল ভট্টের কুটিয়াতে ঠাকুর প্রকট হয়েছেন। শুনেই শ্রী রূপ সনাতন সবাই এলেন দর্শনে। প্রাণে প্রাণে অনুভব করলেন এই বিগ্রহ শুধু কৃষ্ণ বিগ্রহ নয়; এই বিগ্রহ গৌর বিগ্রহ। মহাপ্রভুই গোপালের কাছে গায়ের রং পরিবর্তন করে হাতে বাঁশি নিয়ে প্রকট হয়েছেন। সমস্ত গোস্বামীগণ সেই গৌররূপী কৃষ্ণের নামকরণ করলেন #রাধারমণ নামে। রাধারমণ =রাধারাণীকে যিনি আনন্দ দেন। অর্থাৎ এই বিগ্রহে রাধারাণিকে আনন্দদানকারী কৃষ্ণ এবং রাধারাণি দুজনেই বিরাজিত। তবেই না রাধাকৃষ্ণ মিলে গৌর হচ্ছেন। 

#গোপাল_ভট্টের_প্রাণধন।
#গৌর_হইলা_রাধারমণ।
#আবরিত_রাধার_বরণ।
#গৌর_আমার_রাধারমণ।।
দিনটি ছিল আজকে।১৫৪২খ্রিস্টাব্দের বৈশাখী পূর্ণিমা তিথি। সমগ্র পৃথিবীতে স্বপ্রকটীভূত (স্বয়ম্ভূ) একমাত্র কৃষ্ণ বিগ্রহ আজকের এই পুণ্য তিথিতেই প্রকাশ পেয়েছিলেন গোপাল ভট্টের কাছে।কলিহত জীবকে দর্শন দান করবেন বলে।

#জয়_রাধারমণ_লাল।
#জয়_জয়_ভট্ট_গোপাল ।।
*জয় নিতাই!*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-বাগুইপাড়া, বাগুইআটি,  উত্তর চব্বিশ পরগনা, কোলকাতা-৭০০১৫৯
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

নৃসিংহ দেবের আবির্ভাব তিথি 🌼 বৈশাখ মাসের শুক্লা চতুর্দশী তিথি ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/05/nrisingho.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
            ꧁ নৃসিংহ দেবের আবির্ভাব তিথি ꧂
         ꧁ বৈশাখ মাসের শুক্লা চতুর্দশী তিথি ꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ꧁ DeepBagui.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
           ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই ꧂
      এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
#বৈশাখ_মাসের_শুক্লা_চতুর্দশী_তিথি:
#নৃসিংহ_দেবের_আবির্ভাব_তিথি :
বিশেষ শ্রদ্ধার্ঘ্য
#নৃসিংহানন্দ_ব্রহ্মচারীর_নৃসিংহরূপে_গৌর_আরাধনা:

নৃসিংহানন্দ ব্রহ্মচারীর পূর্ব নাম ছিল প্রদ্যুম্ন। নৃসিংহদেবে তাঁর প্রগাঢ় ভালোবাসার জন্য মহাপ্রভুই তাঁর নাম রাখেন নৃসিংহানন্দ।
*#প্রদ্যুম্ন_ব্রহ্মচারী_তাঁর_আগে_নাম_ছিল*।
*#নৃসিংহানন্দ_নাম_প্রভু_পাছে_ত_রাখিল*।।
শিবানন্দ সেনের ভাগ্নার নাম শ্রীকান্ত সেন।একবার অতি উৎকন্ঠাতে শ্রীকান্ত একাই পুরীতে গেল মহাপ্রভুর কাছে।মহাপ্রভুও খুশিমনে শ্রীকান্ত কে দুইমাস নিজের কাছে যত্ন করে রাখলেন।ফেরার সময় শ্রীকান্ত কে মহাপ্রভু বললেন,"এবছর পুরীতে যেন কেউ না আসে।পৌষমাস নাগাদ আমি নিজেই যাব গৌড়বঙ্গে। সেখানে সবার সাথে আমি দেখা করব।" মহাপ্রভুর এই বার্তা শ্রীকান্ত সবাইকে পৌছে দিলেন ।কিন্তু পৌষমাস প্রায় শেষ হতে চলল তখনও মহাপ্রভু এলেন না। এদিকে শিবানন্দ সেন,জগদানন্দ পণ্ডিত সহ সবাই দুঃখে কাতর।প্রভু আসবেন বলেও এলেন না। এমন সময়ে নৃসিংহানন্দের সাথে জগদানন্দ এবং শিবানন্দের দেখা হল। সমস্ত ঘটনা নৃসিংহানন্দ শুনলেন।সব শুনে নৃসিংহানন্দ বললেন,"আজ থেকে তিনদিনের মধ্যে আমি মহাপ্রভু কে নিয়ে আসব"।নৃসিংহানন্দের গৌরপ্রীতি জেনে শিবানন্দ জগদানন্দ সবাই তৃতীয় দিনের জন্য অপেক্ষা করতে লাগলেন।
   তৃতীয় দিনে নৃসিংহানন্দ শিবানন্দ কে রান্নার আয়োজন করতে বললেন ।। শিবানন্দ যথাবিধি আয়োজন করলিন।সকাল থেকেই ভোগের জোগাড় হতে লাগল।সূপ ,ব্যঞ্জন, পিঠাসহ নানাবিধ ভোগের প্রস্তুতি চলল।ভোগ রান্না হলে নৃসিংহানন্দ সমস্ত ভোগ তিনটি পারসে যত্নে পরিবেশন করলেন।একপারস জগন্নাথের, একপারস মহাপ্রভুর, এবং একপারস নিজ ইষ্টদেব নৃসিংহদেবের জন্য ।
*#জগন্নাথের_ভিন্ন_ভোগ_পৃথক_বাড়িলা*।
*#চৈতন্য_প্রভুর_লাগি_আর_ভোগ_কৈলা*।।
*#ইষ্টদেব_নৃসিংহ_লাগি_পৃথক_বাড়িলা*।
*#তিনজনে_সমর্পিয়া_বাহিরে_ধ্যান_কৈলা*।।
ভোগ নিবেদন করে নৃসিংহানন্দ যখন বাইরে ধ্যান করছেন তখন ধ্যানানন্দে উনি দেখতে টেলেন যে মহাপ্রভু একাই তিন পারসের ভোগ গ্রহণ করলেন।
*#দেখে_শীঘ্র_আসি_বসিলা_চৈতন্য_গোসাঞি*।
*#তিন_ভোগ_খাইলা_কিছু_অবশিষ্ট_নাই*।।(৬২)
ধ্যানে এই দৃশ্য দেখে নৃসিংহানন্দের চোখে আনন্দাশ্রু বইতে লাগল।প্রেমে পাগল নৃসিংহানন্দ ধ্যানেই মহাপ্রভু কে বললেন,"জগন্নাথ আর তুমি এক ও অভিন্ন ।জগন্নাথের পারস তুমি নিতেই পারো।কিন্তু আমার ইষ্ট নৃসিংহদেবের পারস তুমি পেলে কেন? নৃসিংহদেব তো উপবাসী রয়ে গেলেন।
*#জগন্নাথে_তোমায়_ঐক্য_খাও_তাঁর_ভোগ*।
*#নৃসিংহের_ভোগ_কেন_করো_উপযোগ*?
আসলে নৃসিংহানন্দ ব্রহ্মচারী তাঁর ইষ্ট নৃসিংহদেব আর মহাপ্রভুর মধ্যে অভিন্নত্ব দেখতে চেয়েছিলেন।ভক্তাধীন গৌরহরি ভক্তবাঞ্ছা পূরণ করতে নৃসিংহানন্দ কে ধ্যাননেত্রে এই লীলা দেখালেন।এতে নৃসিংহানন্দ বুঝতে পারলেন যে মহাপ্রভু আর নৃসিংহদেব অভিন্ন।
*#স্বয়ং_ভগবান_কৃষ্ণচৈতন্য_গোসাঞি*।
*#জগন্নাথ_নৃসিংহ_সহ_কিছু_ভেদ_নেই*।।
*#ইহা_জানিবারে_প্রদ্যুম্নের_গূঢ়_হৈল_মন*।
*#তাহা_দেখাইলা_প্রভু_করিয়া_ভোজন*।।

ধ্যানান্তে নৃসিংহানন্দ শিবানন্দ কে সমস্ত কিছু বর্ণনা করলেন।এবং উল্লসিত হৃদয়ে বাহ্যে দুঃখাভাস করে বললেন,"দেখো শিবানন্দ,তিনপারসের ভোগ মহাপ্রভু একাই পেয়ে নিলেন।নৃসিংহদেব উপবাসী রইলেন। আবার রান্না করো।নৃসিংহদেবের আলাদা ভোগ দেব।"
এরপরের বছর যখন রথযাত্রার সময় শিবানন্দ সেন পুরীতে এলেন।তখন মহাপ্রভু বললেন,"গতবছর পৌষমাসে নৃসিংহানন্দ এত সুন্দর প্রসাদের আয়োজন করেছিল যে ঐরকম প্রসাদ আমি আর কখনো পাইনি।"
*#একদিন_সভাতে_প্রভু_বাত_চালাইলা*।
*#নৃসিংহানন্দের_গুণ_কহিতে_লাগিলা*।।
*#গতবর্ষ_পৌষে_মোরে_করাইলা_ভোজন*।
*#কভু_নাহি_খাই_ঐছে_মিষ্টান্ন_ব্যঞ্জন*।।
এইভাবে মহাপ্রভু নিজের সাথে নৃসিংহদেবের অভিন্নত্ব প্রতিপাদন করেছিলেন ভক্তের ধ্যানচক্ষুতে।সন্ন্যাস পূর্ববর্তী সময়ে প্রভু শ্রীবাস পণ্ডিতকে নৃসিংহ রূপ দেখিয়েছেন এবং সন্ন্যাস পরবর্তী তে নৃসিংহানন্দ ব্রহ্মচারী কে দর্শন করিয়েছিলেন।

*জয় নিতাই!*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-বাগুইপাড়া, বাগুইআটি,  উত্তর চব্বিশ পরগনা, কোলকাতা-৭০০১৫৯
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

নৃসিংহ দেবের আবির্ভাব তিথি 🌼 বৈশাখ মাসের শুক্লা চতুর্দশী তিথি ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/05/nrisingho.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
            ꧁ নৃসিংহ দেবের আবির্ভাব তিথি ꧂
         ꧁ বৈশাখ মাসের শুক্লা চতুর্দশী তিথি ꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ꧁ DeepBagui.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
           ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই ꧂
      এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
#বৈশাখ_মাসের_শুক্লা_চতুর্দশী_তিথি:
#নৃসিংহ_দেবের_আবির্ভাব_তিথি :
বিশেষ শ্রদ্ধার্ঘ্য
#নৃসিংহানন্দ_ব্রহ্মচারীর_নৃসিংহরূপে_গৌর_আরাধনা:

নৃসিংহানন্দ ব্রহ্মচারীর পূর্ব নাম ছিল প্রদ্যুম্ন। নৃসিংহদেবে তাঁর প্রগাঢ় ভালোবাসার জন্য মহাপ্রভুই তাঁর নাম রাখেন নৃসিংহানন্দ।
*#প্রদ্যুম্ন_ব্রহ্মচারী_তাঁর_আগে_নাম_ছিল*।
*#নৃসিংহানন্দ_নাম_প্রভু_পাছে_ত_রাখিল*।।
শিবানন্দ সেনের ভাগ্নার নাম শ্রীকান্ত সেন।একবার অতি উৎকন্ঠাতে শ্রীকান্ত একাই পুরীতে গেল মহাপ্রভুর কাছে।মহাপ্রভুও খুশিমনে শ্রীকান্ত কে দুইমাস নিজের কাছে যত্ন করে রাখলেন।ফেরার সময় শ্রীকান্ত কে মহাপ্রভু বললেন,"এবছর পুরীতে যেন কেউ না আসে।পৌষমাস নাগাদ আমি নিজেই যাব গৌড়বঙ্গে। সেখানে সবার সাথে আমি দেখা করব।" মহাপ্রভুর এই বার্তা শ্রীকান্ত সবাইকে পৌছে দিলেন ।কিন্তু পৌষমাস প্রায় শেষ হতে চলল তখনও মহাপ্রভু এলেন না। এদিকে শিবানন্দ সেন,জগদানন্দ পণ্ডিত সহ সবাই দুঃখে কাতর।প্রভু আসবেন বলেও এলেন না। এমন সময়ে নৃসিংহানন্দের সাথে জগদানন্দ এবং শিবানন্দের দেখা হল। সমস্ত ঘটনা নৃসিংহানন্দ শুনলেন।সব শুনে নৃসিংহানন্দ বললেন,"আজ থেকে তিনদিনের মধ্যে আমি মহাপ্রভু কে নিয়ে আসব"।নৃসিংহানন্দের গৌরপ্রীতি জেনে শিবানন্দ জগদানন্দ সবাই তৃতীয় দিনের জন্য অপেক্ষা করতে লাগলেন।
   তৃতীয় দিনে নৃসিংহানন্দ শিবানন্দ কে রান্নার আয়োজন করতে বললেন ।। শিবানন্দ যথাবিধি আয়োজন করলিন।সকাল থেকেই ভোগের জোগাড় হতে লাগল।সূপ ,ব্যঞ্জন, পিঠাসহ নানাবিধ ভোগের প্রস্তুতি চলল।ভোগ রান্না হলে নৃসিংহানন্দ সমস্ত ভোগ তিনটি পারসে যত্নে পরিবেশন করলেন।একপারস জগন্নাথের, একপারস মহাপ্রভুর, এবং একপারস নিজ ইষ্টদেব নৃসিংহদেবের জন্য ।
*#জগন্নাথের_ভিন্ন_ভোগ_পৃথক_বাড়িলা*।
*#চৈতন্য_প্রভুর_লাগি_আর_ভোগ_কৈলা*।।
*#ইষ্টদেব_নৃসিংহ_লাগি_পৃথক_বাড়িলা*।
*#তিনজনে_সমর্পিয়া_বাহিরে_ধ্যান_কৈলা*।।
ভোগ নিবেদন করে নৃসিংহানন্দ যখন বাইরে ধ্যান করছেন তখন ধ্যানানন্দে উনি দেখতে টেলেন যে মহাপ্রভু একাই তিন পারসের ভোগ গ্রহণ করলেন।
*#দেখে_শীঘ্র_আসি_বসিলা_চৈতন্য_গোসাঞি*।
*#তিন_ভোগ_খাইলা_কিছু_অবশিষ্ট_নাই*।।(৬২)
ধ্যানে এই দৃশ্য দেখে নৃসিংহানন্দের চোখে আনন্দাশ্রু বইতে লাগল।প্রেমে পাগল নৃসিংহানন্দ ধ্যানেই মহাপ্রভু কে বললেন,"জগন্নাথ আর তুমি এক ও অভিন্ন ।জগন্নাথের পারস তুমি নিতেই পারো।কিন্তু আমার ইষ্ট নৃসিংহদেবের পারস তুমি পেলে কেন? নৃসিংহদেব তো উপবাসী রয়ে গেলেন।
*#জগন্নাথে_তোমায়_ঐক্য_খাও_তাঁর_ভোগ*।
*#নৃসিংহের_ভোগ_কেন_করো_উপযোগ*?
আসলে নৃসিংহানন্দ ব্রহ্মচারী তাঁর ইষ্ট নৃসিংহদেব আর মহাপ্রভুর মধ্যে অভিন্নত্ব দেখতে চেয়েছিলেন।ভক্তাধীন গৌরহরি ভক্তবাঞ্ছা পূরণ করতে নৃসিংহানন্দ কে ধ্যাননেত্রে এই লীলা দেখালেন।এতে নৃসিংহানন্দ বুঝতে পারলেন যে মহাপ্রভু আর নৃসিংহদেব অভিন্ন।
*#স্বয়ং_ভগবান_কৃষ্ণচৈতন্য_গোসাঞি*।
*#জগন্নাথ_নৃসিংহ_সহ_কিছু_ভেদ_নেই*।।
*#ইহা_জানিবারে_প্রদ্যুম্নের_গূঢ়_হৈল_মন*।
*#তাহা_দেখাইলা_প্রভু_করিয়া_ভোজন*।।

ধ্যানান্তে নৃসিংহানন্দ শিবানন্দ কে সমস্ত কিছু বর্ণনা করলেন।এবং উল্লসিত হৃদয়ে বাহ্যে দুঃখাভাস করে বললেন,"দেখো শিবানন্দ,তিনপারসের ভোগ মহাপ্রভু একাই পেয়ে নিলেন।নৃসিংহদেব উপবাসী রইলেন। আবার রান্না করো।নৃসিংহদেবের আলাদা ভোগ দেব।"
এরপরের বছর যখন রথযাত্রার সময় শিবানন্দ সেন পুরীতে এলেন।তখন মহাপ্রভু বললেন,"গতবছর পৌষমাসে নৃসিংহানন্দ এত সুন্দর প্রসাদের আয়োজন করেছিল যে ঐরকম প্রসাদ আমি আর কখনো পাইনি।"
*#একদিন_সভাতে_প্রভু_বাত_চালাইলা*।
*#নৃসিংহানন্দের_গুণ_কহিতে_লাগিলা*।।
*#গতবর্ষ_পৌষে_মোরে_করাইলা_ভোজন*।
*#কভু_নাহি_খাই_ঐছে_মিষ্টান্ন_ব্যঞ্জন*।।
এইভাবে মহাপ্রভু নিজের সাথে নৃসিংহদেবের অভিন্নত্ব প্রতিপাদন করেছিলেন ভক্তের ধ্যানচক্ষুতে।সন্ন্যাস পূর্ববর্তী সময়ে প্রভু শ্রীবাস পণ্ডিতকে নৃসিংহ রূপ দেখিয়েছেন এবং সন্ন্যাস পরবর্তী তে নৃসিংহানন্দ ব্রহ্মচারী কে দর্শন করিয়েছিলেন।

*জয় নিতাই!*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-বাগুইপাড়া, বাগুইআটি,  উত্তর চব্বিশ পরগনা, কোলকাতা-৭০০১৫৯
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

adds