শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

৫৫. অদ্বৈতাচার্য‍্যের শ্রীপাট বাবলা (শান্তিপুর) 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/madhukori55.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 ꧂❀•* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৫৫)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
*অদ্বৈতাচার্য‍্যের শ্রীপাট বাবলা*
*****************************
*🌹এই শ্রীপাটের মহিমার অন্ত নেই।আজ হতে প্রায় (গ্রন্থটি বহু পুরোনো,যে সময় গ্রন্থ রচনা হয় )৫০|৬০ বৎসর পূর্বে এই শ্রীপাটে ভূমি খনন কালে চারহাত পরিমিত একটি নরকঙ্কাল পাওয়া গিয়েছিল। শান্তিপুরবাসী সকলে দেখেছিলেন যে ঐ কঙ্কালের অস্থিতে তারকব্রহ্ম হরিনাম সব লেখা রয়েছে।হরিনাম মহামন্ত্রের যে কি মহিমা এবং শক্তি তা এটি দ্বারা প্রমাণিত হয় যে নিষ্ঠার সঙ্গে যদি কেউ সারাটি জীবন ধরে এই মহানাম সাধন করেন তাহলে এই মহানাম সেই সেই ভক্তের শরীরের রক্ত-মাংস ভেদ করে অস্থিতে প্রতিফলিত হয়।এটি কোন কল্পনা প্রসূত সঙ্কেত নয়, কারণ বাস্তব ঘটনা এর প্রমাণ দিয়েছে।সেই হিসাবে মনে হয় নামাচার্য‍্য হরিদাস ঠাকুরের অস্থিতেও নিশ্চিত এই হরিনাম মহামন্ত্র খোদিত হয়েছে যদিও তা প্রমাণ করার কোন সুযোগ নাই।মহাসাধক শ্রীশ্রীবিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী স্বয়ং স্বচক্ষে এটি দর্শন করে বলেছিলেন যে অজপা সাধনে মানুষের দেহাস্থিতে এটি সম্ভব, কারণ এই মহানামের এমনই শক্তি যে দেহের প্রতি স্তর ভেদ করে এই মহানাম সমস্ত অস্থিতে খোদিত হয়ে যায়। সুতরাং নাম মহিমা আর কি বলিব!সুধী পাঠকগণ নিজেদের বিচার বুদ্ধি অনুযায়ী নিজেদের জীবনে এটি আচরণ করবেন।*
*🌻একবার মহাত্মা বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী চোদ্দমাদল নিয়ে সংকীর্তন করতে করতে এই বাবলা শ্রীপাটে আসিলে একটি কুকুরের ভাবভঙ্গি এবং ইঙ্গিত অনুসারে একটি জায়গা খুঁড়ে অদ্বৈত প্রভুর "কমলাক্ষ" নামাঙ্কিত কাষ্ঠ পাদুকা,কমন্ডলু প্রভৃতি পাওয়া গিয়েছিল।পরে গোস্বামীজীর আদেশে তা সব অদ্বৈত প্রভুর শ্রীবিগ্রহের আসনবেদীর নিচে প্রোথিত (পোঁতা) করে দিবার ব‍্যবস্থা করা হয়। সুতরাং বাবলা শ্রীপাটের যথার্থ জায়গা নিরূপণ সম্বন্ধে আর কারও কোন সন্দেহের অবকাশ থাকতে পারে না।*
*🍀এই শ্রীপাটেই মহাপ্রভু স্বয়ং তাঁর পরম গুরুদেবের তিরোভাব তিথি পালন করেছিলেন। এই শ্রীপাটেই মহাপ্রভু সন্ন‍্যাস গ্রহণের পর কিছুদিন অবস্থান করেছিলেন।এই শ্রীপাটেই শচীমাতা নবদ্বীপ হতে আগমন করে সন্ন‍্যাসী পুত্রকে দর্শন করেছিলেন।এই শ্রীপাটেই অদ্বৈত প্রভু গৌরসুন্দরের রাতুলচরণ প্রক্ষালন করে সচন্দন তুলসীপত্র দ্বারা পূজা সমাপণান্তে =*
*"নম ব্রহ্মণ‍্য দেবায় গোব্রাহ্মণ হিতায় চ।*
*জগদ্ধিতায় কৃষ্ণায় গোবিন্দায় নমো নমঃ।।*
*🌺এই মন্ত্র উচ্চারণ করে অশ্রুসজলকন্ঠে ভাবাবেশে তাঁকে বারবার প্রণাম করেছিলেন। সুতরাং বৈষ্ণব জগতের পিঠস্থান হিসাবে অদ্বৈত প্রভুর এই শ্রীপাটের মহিমা যে কত পূজনীয় এবং বরণীয় তাতে আর কারও কোন সংশয় থাকতে পারে না। সেই হিসাবে এই শ্রীপাটের সেবাপূজা যাতে সুষ্ঠুভাবে চলে তার দিকে সকলের নজর থাকা উচিত এবং ভক্তগণের কাছে এই আবেদন যে তাঁরা যেন সাধ‍্যমত মাসিক কিছু আনুকূল‍্য করেন তা যাই হোক না কেন, যদি কেহ তা করতে চান নিম্নলিখিত ঠিকানায় পাঠাবেন কারণ শ্রীমন্মহাপ্রভু স্বয়ং শ্রীমুখে অদ্বৈতপ্রভুকে বলেছিলেন যে=*
*🍀"তোমার যে আশ্রিত হবে সে শত অপরাধী হলেও আমি তার প্রতি প্রসন্ন রহিব।"*
*🍁আরও একটি বিশেষত্ব এই যে অদ্বৈতাচার্য‍্যের অপর নাম সীতানাথ। এক্ষেত্রে যে সিদ্ধ মহাত্মা এই পীঠস্থানের উদ্ধারের জন্য স্বপ্নাদেশ পেয়েছিলেন তাঁর সাধক জীবনের নামও সীতানাথ। সুতরাং উভয় ক্ষেত্রেই এই সীতানাথ নামের সমন্বয় দেখা যায়।সবই প্রভুর করুণা মানুষের কোন হাত নাই তাঁর কৃপা সাপেক্ষ।সীতানাথের কাজ সীতানাথ নিজেই স্বপ্নাদেশের মাধ‍্যমে সিদ্ধ সীতানাথ দাস বাবাজী দ্বারাই করিয়ে নিলেন।*
*🌻বাবলা শ্রীপাট সম্বন্ধে কিছু জ্ঞতব‍্য বিষয় ঃ---*
*🍀 কালের গতিতে এই সিদ্ধস্থান বাবলা শ্রীপাট জরাজীর্ণ অবস্থায় পরিণত এবং প্রধান সেবক শ্রীশান্তিসখা গোস্বামী  তাঁর সাধ‍্য অনুযায়ী এটি রক্ষা করে যাচ্ছেন। সকলের কাছে এই শ্রীপাটের পূর্ণ সংস্কার সাধনের জন্য আবেদন জানাচ্ছেন। কারণ মহাপ্রভুর এই পঞ্চশতবর্ষ (৫০০) আবির্ভাব তিথিতে দুইটা স্থানের মহিমা বিশেষভাবে বিখ‍্যাত যা হচ্ছে রেমুণায় শ্রীপাদ মাধবেন্দ্রপুরী গোস্বামীর সমাধি মন্দির এবং বাবলায় সীতানাথের শ্রীপাট। কারণ বৈষ্ণব জগতে এই দুই মহাপুরুষই হচ্ছেন বৈষ্ণবধারা প্রচলনের মূল হোতা।ব‍্যারাকপুর আশ্রমের উদ‍্যোগে শ্রীপাদ রাধারমণ চরণদাস বাবাজীরগণ কর্তৃক রেমুণা শ্রীপাট নবরূপ ধারণ করেছেন এবং বর্তমানে এই বাবলা শ্রীপাটের পূর্ণ সংস্কার কার্য‍্য সাধিত হচ্ছে এবং আশা করা যায় আগামী ফাল্গুনী পূর্ণিমা তিথির আগেই এটি নবরূপ ধারণ করবেন।এই প্রচেষ্টার জন্য ল্রীপাদ শান্তিসখা গোস্বামী এবং কালনা নিবাসী পরম বৈষ্ণব শ্রীকানু ভৌমিকের অবদান অনস্বীকার্য যদিও এটির উদ‍্যোক্তা হচ্ছেন রাধারমণগণের সভ‍্যবৃন্দ এবং তাঁরাই এর সম্পূর্ণ ব‍্যয়ভার বহন করছেন। এই ব‍্যাপারে পরমভাগবদ্ শ্রীচিন্ময়ানন্দ স্বামী (গৌর মহারাজের) অবদানও যথেষ্ট।কারণ তিনি উদ‍্যোগী হয়ে লেখককে সঙ্গে করে সব ব‍্যবস্থাদি করেছেন।সীতানাথের এই সেবাপ্রাপ্ত হবার জন্য উদ‍্যোক্তাগণ নিজেদের ভাগ‍্যবান বলে মনে করেন।আশাকরি ষুধী বৈষ্ণব সমাজের কৃপা আশীর্বাদ হতে তাঁরা বঞ্চিত হবেন না।"জয় সীতানাথের জয়"*
*🙏যদি কেউ সাহায্য করব মনে করেন, এই ঠিকানায় ঃ=*
*শ্রীশান্তিসখা গোস্বামী, শান্তিপুর আতাবুনিয়া ভবন,পোঃ শান্তিপুর জেলা নদীয়া।*
▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪
*বিচ্ছেদ স্মরিয়া তবে,ব‍্যথিত হইল সবে,*
   *খুলিয়া ফেলিল তারা অঙ্গের ভূষণ।*
*আলু থালু হয় বেশ,খসি পড়ে বাঁধা কেশ,*
   *ধূলায় লোটায় তবে তাদের বসন।।*
*ক্ষণ মাত্র অদর্শনে,সব শূণ‍্য হেরি মনে,*
   *অক্রূর লইতে চায় সেই প্রাণধনে।*
*যাঁর লাগি পতি ধন,আর ছাড়ি পরিজন,*
   *কেমনে বাঁচিব মোরা সে প্রিয় বিহনে।।*
*না রহিলে কৃষ্ণধন,না রবে এ জীবন,*
    *অক্রূর করিবে আজি মোদের নিধন।*
*বধিলে নারীর প্রাণ,গৌরব হইবে ম্লান,*
   *কলঙ্কের কথা তবে কবে বিশ্বজন।।*
*রামকানু দুই জন,রথে করে আরোহণ,*
    *যাত্রা হেরি গোপীদের অন্তর বিকল।*
*করাঘাত করে বক্ষে,অশ্রুধারা বহে চক্ষে,*
   *সবার কম্পিত দেহ হইয়া চঞ্চল।।*
🦚🦜🙏🌸🌷🪔🦚🦜🙏🌸🌷🪷🪔
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



৫৪. অদ্বৈতাচার্য‍্যের শ্রীপাট বাবলা (শান্তিপুর) 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/madhukori54.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 ꧂❀•* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৫৪)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
*অদ্বৈতাচার্য‍্যের শ্রীপাট বাবলা (শান্তিপুর)*
☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆
*🙏অদ্বৈতাচার্য‍্য হচ্ছেন গৌর আনা গোঁসাই কারণ তিনিই তাঁর শ্রীগুরুদেব শ্রীপাদ মাধবেন্দ্র পুরী গোস্বামীর আদেশ অনুযায়ী শুধুমাত্র গঙ্গাজল এবং তুলসীপত্র দ্বারা আরাধনা করে স্বয়ং গোলোকপতিকে এই ধরাধামে আনতে সমর্থ হয়েছিলেন। তাঁরই শ্রীপাট বাবলায় অবস্থান কালে তিনি কাতর প্রার্থনার দ্বারা জগতপতির প্রাপ্ত হয়েছিলেন।এই বাবলা হচ্ছে শান্তিপুর শহরের উপকন্ঠে গঙ্গানদীর তীরে এবং সাধন ভজনের পক্ষে এক অতীব মনোরম স্থান।চতুর্দিকে পঞ্চবটির বন,পার্শ্বদেশে সুরধূনী প্রবাহিত এবং কালের গতিতে গঙ্গানদীর ফল্গুধারা সরে যাওয়ায় শান্তিপুরবাসী গোস্বামী সন্তানগণও বহু পরিবারে বিভক্ত হয়ে নিজেদের সুবিধামত বাস পরিবর্তন করেন এবং তার ফলে আদি এই শ্রীপাট ক্রমে ক্রমে জঙ্গলাকীর্ণ হয়ে পড়ে। সংস্কার অভাবে আশ্রমটি প্রায়ই লুপ্ত হয়ে যায়।*
*🌹কিন্তু ভগবদ্ কৃপায় সীতানাথ নামধারী জনৈক সিদ্ধ মহাত্মা বিভিন্ন তীর্থ পর্য‍্যটন করে বালাশোরের নিকটবর্তী নয়াবাজারে অবস্থানকালে অদ্বৈতাচার্য‍্যের শ্রীপাটের এই সেবা প্রকাশের জন্য দৈবাদেশ প্রাপ্ত হন। অতঃপর তিনি পদব্রজে শান্তিপুর এসে গোস্বামীগণের দেবালয়ে অবস্থান করে প্রকৃত জায়গার খোঁজে  প্রবৃত্ত বা রত হন। কিন্তু কেউই কোন সঠিক সন্ধান দিতে পারলেন না।মনের দুঃখে তিনি পুনঃপুনঃ প্রভুর শ্রীচরণে এই মিনতি করতে লাগলেন যে "ঠাকুর কৃপায় যদি করলে তাহলে আমাকে প্রকৃত স্থানের সন্ধান দাও"। এমত অবস্থায় অদ্বৈত প্রভু কৃপা পরবশ হয়ে তাঁকে স্বপ্নাদেশ করেন যে "আমি দুর্গন্ধে বড়ই কষ্ট পাচ্ছি তুমি "অমুক স্থানে গমন করে সেই স্থান সংস্কার করলে আমার ভজনস্থলী পাবে"। সেখানে আমার সেবা পুনঃ প্রতিষ্ঠা করো।পরদিন প্রাতঃকালে সেই স্বপ্নাদেশ অনুযায়ী তিনি স্থানীয় গোস্বামীগণের সহায়তায় সেই জায়গার কাছাকাছি হয়ে ধুনি জ্বালিয়ে ধ‍্যান মগ্ন হলেন।কিছুকাল পরে হঠাৎ একদিন দেখেন যে একটি রাখাল বালক ধেনু চরাচ্ছে এবং সেই রাখাল বালকটি স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে সেই জনৈক সাধুর কাছে এসে বলেন যে আমি তোমাকে তোমার আরাধ‍্য বস্তুর সন্ধান দিচ্ছি, এই বলে মাধবীলতা বেষ্টিত একটি তমাল বৃক্ষের তলদেশে একটি বল্মীক স্তুপ দেখিয়ে দিয়ে বললেন যে এটিই হচ্ছে সেই অদ্বৈতাচার্য‍্যের ভজনস্থলী।সাধু সীতানাথ সাগ্রহে সেই বল্মীক স্তুপের কাছে গমন করে দেখেন যে সত‍্য সত‍্যই সেই জায়গাটি দুর্গন্ধে ভরপুর এবং তিনি বিন্দুমাত্র সঙ্কোচ বা দ্বিধা না করে স্বহস্তে তা পরিস্কার করে সেই যাখাল বালকটির সন্ধানে চারিদিকে খোঁজ করতে লাগলেন। কিন্তু তিনি কোন ভাবেই সেই রাখাল বালক বা ধেনুগনের সন্ধান পেলেন না।ইহাকে প্রভুর অহৈতুকী কৃপা হিসাবে গণ‍্য করে তাঁর হৃদয়মন ভক্তিরসে আপ্লুত হয়ে যায় এবং তিনি নিশ্চিত বুঝতে পারলেন যে স্বয়ং প্রভুই রাখালরূপে এসে তাঁকে কৃপা করে গেলেন।যে কোন সাধক ভক্তের জীবনে যে এটি কি অপার আনন্দ দান করে, তা লিখে প্রকাশ করা সম্ভব নয়।এইভাবে তিনি সেই সিদ্ধ পীঠে থেকে সাধন ভজন করতে থাকেন এবং ক্রমে ক্রমে ভক্ত সমাগম বাড়তে থাকে।*
*💧অতঃপর তিনি ভিক্ষালব্ধ অর্থদ্বারা সেই জায়গায় মন্দিরাদি নির্মাণ করিয়ে অদ্বৈতাচার্য‍্যের দারুময় বিগ্রহ ও শ্রীশ্রীরাধাগোবিন্দ আদি বিভিন্ন বিগ্রহের প্রতিষ্ঠা করে সেবা প্রকাশ করেন।মহাত্মা বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী এই বাবলায় প্রায়শই আসিতেন এবং অনেক ভাগ‍্যবান এই পূণ‍্যভূমিতে গভীর নিশিথে সংকীর্তন ধ্বনি শুনতে পান। মহাত্মা বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী শ্রীমুখে বলেছেন যে এখানে দৈব সংকীর্তন হয়  এবং তখন মহাপ্রভু ও নিত‍্যানন্দ প্রভুর আবির্ভাব হয় যার দ্বারা এই চির সত‍্য পদাবলীর মহিমা কীর্তিত হয়। যথা=*
*🌷অদ‍্যাপিও সেই লীলা করে গৌর রায়।*
*🌷কোন কোন ভাগ‍্যবানে দেখিবারে পায়।।*
🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙏🙌🙌🙌🙌🙌🙌
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



৫৩. বীরচন্দ্র প্রভুর বিবাহ 🎎 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/madhukori53.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 ꧂❀•* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৫৩)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
    *🎎বীরচন্দ্র প্রভুর বিবাহ🎎*
  •••••••••••••••••••••••••••••••••••••
*🌹সুবিখ‍্যাত মহাবৈষ্ণব যদুনন্দনের দুই কন‍্যাকে বীরচন্দ্র প্রভু বিবাহ করেন।যদুনন্দনের ভক্তিমতী পত্নীর নাম বিদ‍্যুন্মালা এবং দুই কন‍্যার নাম "শ্রীমতী" ও "নারায়ণী"।এই নারায়ণী দেবীর গর্ভে তিন পুত্র এবং এক কন‍্যা জন্মগ্রহণ করেন কিন্তু "শ্রীমতী" দেবীর কোন সন্তানাদি হয়নি।একটি প্রাচীন বৈষ্ণব পদাবলী হতে আরও সুপ্রতিষ্ঠিত হবে=*
*🌷কতদিনে সন্তান প্রকাশিতে হইল মন।*
*🌷গোপীজন বল্লভ নামে প্রথম নন্দন।।*
*🌷দ্বিতীয় রামকৃষ্ণ সাক্ষাৎ ঈশ্বর*।
*🌷ব্রহ্ম তেজোময় রামচন্দ্র তারপর।।*
*🌷ত্রিশক্তি ধারণ তিন পুত্র প্রকাশিল।*
*🌷জীবের কল্মষ বীজ সব নাশ হইল।।*
*🌷সকল কনিষ্ঠা এক কন‍্যা উপাদান।*
*🌷পার্বতীচরণে মুখুর্য‍্যারে কৈল সম্প্রদান।।*
*🍁অথৌঅৎ বীরচন্দ্র প্রভুর ঔরসে এবং নারায়ণী দেবীর গর্ভে তিনপুত্র এক কন‍্যা জন্মগ্রহণ করে বীরচন্দ্র প্রভু নিত‍্যানন্দ বংশ বিস্তার করেছিলেন, যথা=*
*"গোপীজনবল্লভ,রামকৃষ্ণ,রামচন্দ্র এবং কন‍্যা ভূবনমোহিনী।*
*🌻নিত‍্যানন্দ দুহিতা গঙ্গাদেবীর বিবাহ🌻*
◆                ◆                  ◆                ◆
*🍀অভিরাম ঠাকুর যেভাবে বীরচন্দ্র প্রভুকে প্রণাম করে ছিলেন ঠিক অনুরূপভাবে তিনি গঙ্গাদেবীকেও প্রণাম করেন কিন্তু তাতে কন‍্যার কোন ক্ষতি হয়নি।এতেই প্রমাণিত হয় যে তিনি কে?*
*🌷গঙ্গাদেবী গঙ্গানামে কন‍্যা এক হইল।*
*🌷কন‍্যাও অভিরামের প্রণামে না মৈল।।*
*🌹তার উপরে মাতৃজঠর হতে ধরাধামে প্রসবিত হবার পর গঙ্গাদেবী মাতৃস্তন‍্য পান না করায় মা জাহ্নবা সূতিকা গৃহে প্রবেশ করে দীক্ষাদান করলে তবে তিনি মাতৃস্তন‍্য পান করেন।*
*🍀মাধবাচার্য‍্য নামক এক মহাবৈষ্ণব ছিলেন নিত‍্যানন্দ প্রভুর অত‍্যন্ত অনুগত এবং গ্রন্থে পাওয়া যায় যে তিনি পুরুষোত্তম দাসের মন্ত্রশিষ‍্য।তাঁরই সঙ্গে নিত‍্যানন্দ প্রভু গঙ্গাদেবীরবিবাহ দেন এবং এই বিয়ের ফলে গঙ্গাদেবীর গর্ভে দুইটি পুত্র সন্তান জন্মগ্রহণ করেন। শ্রীপ্রেমানন্দ ও শ্রীগোপালবল্লভ। এই শ্রীপ্রেমানন্দ প্রভুর শ্রীপাট কাটোয়ার কাছে শাঁখাই গ্রামে এবং তাঁর সেবিত বিগ্রহ হচ্ছেন শ্রীরাধামাধব। শ্রীগোপীজনবল্লভের শ্রীপাট জীরাটে।তাঁর সেবিত বিগ্রহের নাম শ্রীরাধাগোপীনাথ।স্বামী ও সন্তানদ্বয়কে রেখে গঙ্গামাতা নিত‍্যলীলায় প্রবেশ করেন।*

*🙏নিত‍্যানন্দ প্রভুর ভাইগণের পরিচয়।*
*🪷সাধারণতঃ আমরা হাড়াই পন্ডিত পুত্র নিত‍্যানন্দ ছাড়া আর কোন পুত্রের খবর নাই না। কিন্তু প্রেমবিলাস গ্রন্থে এর সুন্দর পরিচয় পাওয়া যায়, যথা=*
*🌷রাঢ়দেশে একচাকা নামে আছে গ্রাম।*
*🌷তাহে বৈসে সুন্দরামল্ল নকড়ী বাড়ুরী নাম।।*
*🌷তাঁর পুত্র মুকুন্দ হাড়াওঝা খ‍্যাতি।*
*🌷হাড়াই ওঝার পত্নীর নাম হয় পদ্মাবতী।।*
*🌷বসুদেবের প্রকাশ হন পন্ডিতি*
*🌷দৈবকী প্রকাশান্তরে হন পদ্মাবতী।।*
*🌷সপ্তপুত্র হইল তান বড় গুণবান*।
*🌷নাম কহিয়ে শুন হইয়া সাবধান।।*
*🌷নিত‍্যানন্দ কৃষ্ণানন্দ আর সর্ব্বানন্দ।*
*🌷ব্রহ্মানন্দ পূর্ণানন্দ আর প্রেমানন্দ।।*
*🌷বিশুদ্ধানন্দ এই হন পুত্র সপ্তজন।*
*🌷সর্ব্বশ্রেষ্ঠ নিত‍্যানন্দ বলরাম হন।।*
*🌹অর্থ‍্যাৎ এই সাত ভাইয়ের নাম হচ্ছে--, নিত‍্যানন্দ,কৃষ্ণানন্দ,সর্ব্বানন্দ ব্রহ্মানন্দ,পূর্ণানন্দ,প্রেমানন্দ ও বিশুদ্ধানন্দ।*
*🌑বিঃ দ্রঃ= শকাব্দ এবং খৃষ্টাব্দের পার্থক্য ঃ-----------*
*🍀প্রাচীন বৈষ্ণব গ্রন্থে আমরা বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে শকাব্দের উল্লেখ পাই কিন্তু বতর্মানকালে আমরা যে ইংরেজি সাল বা খৃষ্টব্দ পঞ্জিকায় পাই তার সঙ্গে শকাব্দের কি হিসাব তা জানা দরকার।*
*🌺সেই হেতু বলতে চাই যে শক্ বা শকাব্দ খৃষ্টব্দ অপেক্ষা ৭৯ বৎসর অগ্রগামী বা এগিয়ে।উদাহরণ স্বরূপ বলা যেতে পারে যে বাংলা ১৪০০ শকাব্দ হলে ইংরেজি ১৪০০ +৭৯ অর্থ‍্যাৎ ১৪৭৯ খৃষ্টাব্দ হবে।এর প্রকৃষ্ট প্রমাণ মহাপ্রভুর জন্মসাল হতে প্রতিষ্ঠিত হবে।যথা আবির্ভাব ১৪০৭ শকে অর্থ‍্যাৎ ১৪৭৯ খৃষ্টাব্দে এবং সেই হিসাবে ইংরেজি ১৯৮৬ খৃষ্টাব্দের ফাল্গুনী পূর্ণিমা তিথিতে মহাপ্রভুর আবির্ভাবের ৫০০ বৎসর পূর্ণ হবে।*
🦜🦜🦜🦜🦜🦜🦜🦜🦜🦜🦜🦜🦜
*মনে পাইয়া আঘাত,শিরে হানে করাঘাত,*
   *নয়নের বারি ঝরি ভিজিল বসন।*
*কাঁদিতে কাঁদিতে তারা,হইল পাগলপারা,*
    *হয় তাহে বিগলিত আঁখির অঞ্জন।।*
*যেথা যত গোপীগণ,অতি শোকে নিমগন,*
   *স্মরিয়া বিরহ ব‍্যথা বিচ্ছেদ যখন।*
*ঘন ঘন ছাড়ে শ্বাস,করে শুধু হা হুতাশ,*
   *জাগে হৃদে অতিশয় বেদনা তখন।।*
🙏🙏🙏🙏🙏🙏💧🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



৫২. মা জাহ্নবার পালিত পুত্রদ্বয় 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/madhukori52.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 ꧂❀•* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৫২)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
   *মা জাহ্নবার পালিত পুত্রদ্বয়*
<><><><><><<<<<<><><><><>
*🌷ক্রোধ করি রামদাস বান্ধিয়া ফেলিল।*
*🌷নির্ভয়ে বাজিল নৌকা দুইখান হইল।।*
*🌹মহাশক্তিধর বীরচন্দ্র প্রভুও তখন তাঁর ঐশী শক্তির পরিচয় প্রদান করেন এবং সকলের সামনে কাষ্ঠ পাদুকা পরিহিত অবস্থায় গঙ্গাবক্ষের উপর দিয়ে হেঁটে তীরের দিকে অগ্রসর হতে লাগলেন।কিছুক্ষণ এই ঐশ্বর্য‍্য দেখিয়ে তিনি সাঁতার দিয়ে তীরে এসে উঠলেন এবং সব বৃত্তান্ত অবগত হলেন।*
*🌷ঝাঁপ দিয়া পড়ে প্রভু গঙ্গা মধ‍্য জলে।*
*🌷কাষ্ঠ পাদুকা পায়ে জলের উপর চলে।।*
*🌷অর্দ্ধগঙ্গা গিয়ে পুনঃ ফিরিলেন কুলে।*
*🌷সন্তরণ করি তার পাইল হিল্লোলে।।*
*🌹রামদাস বা মীনকেতন প্রভু হচ্ছেন সুবিখ‍্যাত নিত‍্যানন্দ পার্ষদ এবং তিনি তখন দৈন‍্য বিনয় সহকারে বীরচন্দ্র প্রভুর কাছে ক্ষমা ভিক্ষা করলেন এবং বীরচন্দ্র প্রভু সব বৃত্তান্ত শুনে খুব খুশী হলেন এবং তাঁকে আলিঙ্গন করলেন।*
*🌷তুষ্ট হইলা প্রভু তাঁর শুনিয়া স্তবন।*
*🌷মহাপ্রেমময় জানি দিলা আলিঙ্গন।।*
*🍀এইভাবে বীরচন্দ্রপ্রভু খড়দহে ফিরে এলেন এবং মা জাহ্নবা তখন তাঁর নিত‍্য ভজনে আবিষ্টা ছিলেন এবং নিজের অজ্ঞাতসারে শ্রীঅঙ্গের আবরণ খসে পড়েছিল।যুবক পুত্রের সামনে কিভাবে গাত্রাবরণ পুনঃ স্থাপনা করবেন,এই চিন্তা করতে লাগলেন কারণ তাঁর শ্রীহাতে জপের মালা। নাম অপরাধের ভয়ে তিনি এক ঐশ্বর্য‍্য প্রকাশ করলেন পুত্রের সামনে =*
*🌷অপরাধ হয়  পাছে নাম ভঙ্গক্রমে।*
*🌷আর দুই ভুজে বস্ত্র করিলা সম্ভ্রমে।।*
*🌺উপরন্তু তিনি যে নিত‍্যানন্দ প্রভুর পূর্ণ শক্তি স্বরূপিনী তা পুত্রকে বুঝাবার জন্য আরও এক ঐশ্বর্য‍্য প্রকাশ করলেন অর্থ‍্যাৎ ষড়ভুজারূপী মহাপ্রকাশ দ্বারা পুত্রকে তাঁর স্বরূপতত্ত্ব ভালভাবেই বুঝিয়ে দিলেন যা প্রাচীন গ্রন্থের পদাবলীর মাধ‍্যমে আপনারা আস্বাদন করুন=*
*🌷শ্রীজাহ্নবা মাতা স্নান করি।*
*🌷বসিয়া আছেন বীরচন্দ্র পথ হেরি।।*
*🌷কৃষ্ণ প্রেমময়ী মাতা কৃষ্ণ অনুরাগী।*
*🌷কৃষ্ণ প্রেমানন্দরসে অঙ্গ ডগমগি।।*
*🌷দুই কর বদ্ধ কৃষ্ণনাম গণনে।*
*🌷এ সময়ে যুবা পুত্র দেখেন নয়নে।।*
*🌷অপরাধ হয় পাছে নাম ভঙ্গ ক্রমে।*
*🌷আর দুই ভুজে বস্ত্র করিলা সম্ভ্রমে।।*
*🌷আর দুই হস্তে দেখি শ্রীহল মূষল।*
*🌷শুভ্র শ্বেত কান্তি ষড়ভূজ কি সুন্দর।।*
*🌷তখনি দেখাইয়া মাতা তখনি লুকাইল।*
*🌷দেখি বীরচন্দ্র প্রভু চমৎকার পাইল।।*
*🌷ইহা দেখি বীরচন্দ্র পড়ি পদতলে।*
*🌷অপরাধ ক্ষম মাতা এই বোল বোলে।।*
*🌷মাতঃ দাস করি কর আমারে উদ্ধার।*
*🌷যে মতে হই এ ভব সংসারের পার।।*
*🌻অতঃপর সেই শুভলগ্নে মা জাহ্নবা বীরচন্দ্রকে চিরতের আত্মসাৎ করলেন এবং কৃষ্ণপ্রেমের মাদকতায় বীরচন্দ্র প্রভুর অবস্থা কিরকম হয়েছিল তা পদাবলী হতে কিঞ্চিৎ বুঝা যায় =*
*🌷প্রেমে উথলিল করে কৃষ্ণ গুণগান।।*
*🌷ধরিতে না পারে কেহ হইলা অস্থির।*
*🌷উদ্দন্ড নর্ত্তন যেন মহা মল্লবীর।।*
*🌷পাইনু পাইনু বলি যায় গড়াগড়ি।*
*🌷বৈষ্ণবের পদ ধরি করে রড়ারড়ি।।*
*🌻গৌড়ীয় বৈষ্ণব সম্প্রদায়ে মা জাহ্নবা ঠাকুরাণীই সর্বপ্রথম আচার্য‍্যাণী। ইতিপূর্বে এই সম্প্রদায়ে আর কোন মহিলাকে দীক্ষাদান করতে দেখা যায়নি।কারণ এক হিসাবে তিনি তো মানবী ছিলেন না, তিনি ছিলেন অনঙ্গমঞ্জরী স্বরূপা, আর তাইই যদি না হবে তাহলে কিরকমে তিনি কাম‍্যবনে শ্রীগোপীনাথ বিগ্রহের শ্রীঅঙ্গে লীন হয়ে যান।এই হল সংক্ষেপে বীরচন্দ্র প্রভুর কাহিনী।*
🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷
*লোভ মোহ অহঙ্কার,উপজয় নাহি আর,*
     *শুদ্ধ মনে পায় সেই কৃষ্ণের চরণ।*
*সদা হরি নাম গায়,ধন মান নাহি চায়,*
   *শ্রীহরি করেন তারে কৃপা বরিষণ।।*
*একাগ্রতা ধাহি অত,সাধনায় নাহি রত,*
   *অক্রূরের ভক্তি হেরি জাগিল চেতনা।*
*প্রভু সেই সম্পদের,দিও কিছু আমাদের,*
   *দূরীভূত হবে তবে সঞ্চিত বেদনা।।*
*শোনে ব্রজে গোপীগণ,অক্রূরের আগমন,*
    *রামকৃষ্ণে লইবারে মথুরা নগরে।*
*এসেছে সে বৃন্দাবনে,গোপীগণ যবে শুনে,*
   *অত‍্যন্ত ব‍্যথিত তারা হইল অন্তরে।।*
🌸🌸🌸🌸🌸🌸🙏🌸🌸🌸🌸🌸🌸
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



৫১. শ্রীপাট খড়দহে কেন ❓ 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/madhukori51.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 ꧂❀•* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৫১)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
    *মা জাহ্নবার পালিত পুত্রদ্বয়*
    ***************************
*🌺অতঃপর বসুধা দেবীর গর্ভে আর একটি কন‍্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করেন যাঁর নাম "গঙ্গামাতা"।অর্থ‍্যাৎ নিত‍্যানন্দ প্রভুর যে সন্তানাদির পরিচয় পাওয়া যায় তা সবই বসুধা গর্ভজাত। মা জাহ্নবার কোন গর্ভজাত সন্তান ছিল না।এই জন‍্যই মনে হয় তিনি কানু ঠাকুর ও রামচন্দ‍্যকে পালিত পুত্ররূপে গ্রহণ করেছিলেন যদিও বীরচন্দ্র প্রভু মা হিসাবে জাহ্নবা দেবীকেই জানতেন কারণ বসুধাদেবী সাংসারিক কাজকর্মে বেশী ব‍্যস্ত থাকতেন।*
*🍀এক্ষেত্রে গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর আবির্ভাবের সঙ্গে যথেষ্ট সাদৃশ‍্য আছে কারণ শচীমাতার গর্ভেও পরপর আটটি কন‍্যা সন্তান এইরকম ভাবে বিনষ্ট হন।নবম গর্ভে বিশ্বরূপ এবং দশম গর্ভে বিশ্বম্ভর গৌরচন্দ্র।এই গৌরাঙ্গ মহাপ্রভু্ও এয়োদশ মাস মাতৃজঠরে ছিলেন। নিত‍্যানন্দ প্রভুও মাতৃজঠরে পঞ্চদশ মাস ছিলেন।এই বীরচন্দ্র প্রভুর একটি পুত্র সন্তানের নাম পাওয়া যায় নাম শ্রীরামচন্দ্র। এবং তাঁর দ্বিতীয়া পত্নীর নাম শ্রীমতী সুভদ্রা দেবী।*
*🌻শ্রীপাট খড়দহে কেন?*
      ********************
*🌺একটি প্রশ্ন সাধারণতঃই মনে জাগে যে নিতাইচাঁদ এত জায়গা থাকতে কেন খড়দহে তাঁর শ্রীপাট স্থাপনা করলেন।কারণ সাধারণত দেখা যায় আদি জন্মস্থান বা পূর্বপুরুষের ভিটা বা কোন সাধনসিদ্ধ স্থলেই সাধারণত এই জাতীয় শ্রীপাট স্থাপিত হয়। এ প্রশ্নের একমাত্র উত্তর হচ্ছে তাঁর একান্ত একনিষ্ঠ পরিকর শ্রীপুরন্দর পন্ডিত। তিনি ছিলেন নিত‍্যানন্দগতপ্রাণ এবং নিত‍্যানন্দ প্রভু যখন মহাপ্রভুর আদেশে নাম প্রেম প্রচারের উদ্দেশ্যে গৌড়ে যাত্রা করেন তখন এই পুরন্দর পন্ডিতও তাঁর সঙ্গে ছিলেন এবং এই উপলক্ষ্যে খড়দহে পুন্দর পন্ডিতের গৃহে অবস্থান কালে নিত‍্যানন্দ প্রভু ভাবে প্রকারে এই খড়দহে শ্রীপাট স্থাপনা করবার বাসনা প্রকাশ করেন।একেই পুরন্দর পন্ডিত নিতাইচাঁদের একান্ত একনিষ্ঠ ভক্ত তার উপরে এই মনোভাব জ্ঞাত হইবামাত্র তিনি সানন্দে সব ব‍্যবস্থাদি করতে লাগলেন এবং পরে সপ্তগ্রামের উদ্ধারণ দত্ত ঠাকুরের সহায়তায় এই শ্রীপাট খড়দহে স্থাপিত হয়। ভাগ‍্যবান পুরন্দর পন্ডিতের আনন্দ আর ধরে না কারণ তিনি অবধূত নিত‍্যানন্দকে স্থায়ীভাবে নিজের কাছে পেয়ে গেলেন। আরও কারণ এইজন‍্য যে এইবার মহাপ্রভুর বাণী সব সফল হবে।অবধূতকে এতদিনে যেন একটা বন্ধনের মধ্যে আনা গেল।পরে বীরচন্দ্র প্রভু এই শ্রীপাটে শ‍্যামসুন্দর বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করেন, যা অদ‍্যাপি বিদ‍্যমান।*
*🌻নিত‍্যানন্দ তনয় বীরচন্দ্র প্রভুর দীক্ষা ঃ--*
*🍁নিত‍্যানন্দ প্রভুর অপ্রকটের কিছুকাল পরে বীরচন্দ্র প্রভুর উপনয়ন হয় এবং বিদূষী মহিলা মা জাহ্নবার কৃপা স্পর্শে তিনি নানা শাস্ত্রেও সুপন্ডিত ছিলেন।আন্দাজ কুড়ি বৎসর বয়সে বীরচন্দ্র প্রভুর দীক্ষার বাসনা জাগ্রত হয় এবং এ বিষয়ে গর্ভধারিণী বসুধা মায়ের কাছে মনোভাব ব‍্যক্ত করলে তিনি বললেন "বাপ তুমি শাস্ত্রজ্ঞ তুমি যা ভাল বুঝ তাইই করো।*
*🌷ছার মুঞি কি বলিব কিবা জানি কথা।*
*🌷ব‍্যবহার পরমার্থের কি জানি ব‍্যবস্থা।।* 
*☘বীরচন্দ্র প্রভুর মনের ইচ্ছা তিনি মা জাহ্নবার নিকট হতে দীক্ষামন্ত্র গ্রহণ করেন কিন্তু শাস্ত্রে একপ্রকার নিষেধ আছে, যা হচ্ছে একমাত্র গর্ভধারিণী মা বিধবা হলেও তাঁর কাছ হতে দীক্ষামন্ত্র গ্রহণ করা যায়। সেহেতু তিনি ভাবতে লাগলেন যে মা জাহ্নবার কাছে দীক্ষা গ্রহণ করলে তো শাস্ত্রসিদ্ধ হবে না।অথচ মনের গোপন ইচ্ছে তাঁরই শ্রীচরণে বিকাইবার। সেহেতু মা জাহ্নবার কাছে আর এ মনোবাসনা প্রকাশ করলেন না।অতঃপর তিনি শান্তিপুরে অদ্বৈতাচার্য‍্যের কাছে দীক্ষমন্ত্র গ্রহণ করতে মনস্থ করলেন এবং ঘনিষ্ঠ আত্মজনের মাধ‍্যমে তা শান্তিপুরে সীতানাথকে নিবেদন করলেন।*
*🌷বিংশতি বৎসর তান বয়স এখনে।*
*🌷অদীক্ষিত আছেন, গুরু যোগ‍্যপাত্র বিনে।।*
*🌷তেঞি তব স্থানে মন্ত্র লইবার আশে।*
*🌷নৌকাযোগে আসিছেন তিঁহ প্রেমাবেশে।।*
*🌷প্রভু কহে বীরের এই বুদ্ধি নহে শুদ্ধ।*
*🌷ইহা তাহার নিজগণের সম্মতি বিরুদ্ধ।।*
*🌷মোর কথা কহ যাইয়া বুঝাইয়া ধীরে।*
*🌷জাহ্নবা মাতার স্থানে মন্ত্র লইবারে।।*
*🌻বার্তা বাহকের শান্তিপুর হতে ফিরে আসতে দেরী হওয়ায় বীরচন্দ্রপ্রভু নৌকাযোগে শান্তিপুর রওনা হয়ে যান।স্রোতের অনুকূলে নৌকা চলছে।এমনই এক বার্তাবাহক খড়দহে প্রত‍্যাগমন করে প্রভুকে না দেখে সব মা জাহ্নবার কাছে বললেন।মা জাহ্নবার গোপন ইচ্ছাটিও এই ছিল কিন্তু সঙ্কোচে তিনি তা প্রকাশ করেননি, কিন্তু এক্ষণে সীতানাথের সিদ্ধান্তে মনে মনে তুষ্ট হয়ে ভাই চন্দ্রশেখরকে আদেশ করেন যে কোন প্রকারে বীরকে ফিরিয়ে আনতে।*
*🌷চন্দ্রশেখরে ডাকি কহিলা তুরিতে।*
*🌷ফিরাইয়া আন বীরে হৈলা বিপরীতে।।*
*🍁চন্দ্রশেখর নৌকা যোগে রওনা হলেন কিন্তু স্রোতের গতিতে প্রভুর নৌকা অনেক এগিয়ে যাওয়ায় কিছুতেই ধরতে পারছেন না। নানাভাবে  নানাপ্রকারে প্রভুর নৌকার দৃষ্টি আকর্ষণেও বিফল হলেন। এমনই একসময় মীনকেতন দাস (মতান্তরে অভিরাম দাস) অন‍্য নৌকা যোগে তাঁর পেছনে আসছিলেন এবং তিনি চন্দ্রশেখরের কাছে সব বৃত্তান্ত জেনে এক অলৌকিক শক্তির প্রকাশ করলেন।যা হতে শ্রোতাভক্তগণ হৃদয়ঙ্গম করতে পারবেন যে সিদ্ধবৈষ্ণব মহান্তগণ কি অসাধ‍্য সাধন করতে পারেন। মীনকেতন প্রভু তখন তাঁর ঐশী শক্তি দ্বারা গঙ্গাবক্ষে ভাসমান বীরচন্দ্র প্রভুর নৌকাকে বেঁধে ফেললেন এবং তাকে দুইখন্ড করে ফেললেন নৌকাও ডুবে গেল।*
🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸
*নানাকথা চিন্তা করি,চলিছেন রথে চড়ি,*
     *অবশেষে বৃন্দাবনে উপনীত হন।*
*ধীরে ধীরে সেইকালে,যায় রহি অস্তাচলে,*
    *দিগন্তে রক্তিম আভা অপূর্ব শোভন।।*
*হেরিতে চঞ্চল অতি,নামি তাই দ্রুত গতি,*
     *প্রণমিল ভূমি'পরে অক্রূর তখন।*
*পদচিহ্ন ধূলি'পরে, নমি ত্বরা ভক্তি ভরে,*
  *অঞ্জলী পূরিয়া ধূলি রাখিল মস্তকে।।*
*রাম কৃষ্ণ দোঁহা সনে,দেখা হইলে সেইক্ষণে,*
    *অক্রূর সে দিব‍্যরূপ হেরে অপলকে।*
*রাম-কৃষ্ণ দুই ভাই,রন তাঁরা এক ঠাঁই,*
   *ধবল শ‍্যামল রূপে বিমোহিত সবে।।*
*অক্রূর সে রূপ হেরি,পুলকেতে ওঠে ভরি,*
   *আনন্দাশ্রু ধারা তবে রহিল নয়নে।*
*আপন ভাগ‍্যের কথা,স্মরণ করিছে সেথা,*
   *ভাবে হেন ভাগ‍্য কারো না হয় ভুবনে*
*বাহু করি প্রসারণ,দিয়া তাঁরা আলিঙ্গন,*
   *সমাদরে ল'য়ে তবে আপন ভবন।*
*তারে বসায়ে যতনে,নব রতন আসনে,*
   *ব‍্যজন করিতে থাকে ভাই দুই জন।।*
🌸🙏🪷🦜🦚🌷🌷🦚🪷🦜🙏🌸🦚
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



adds