✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
৫৫. অদ্বৈতাচার্য্যের শ্রীপাট বাবলা (শান্তিপুর) 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/madhukori55.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 ꧂❀•*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৫৫)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
*অদ্বৈতাচার্য্যের শ্রীপাট বাবলা*
*****************************
*🌹এই শ্রীপাটের মহিমার অন্ত নেই।আজ হতে প্রায় (গ্রন্থটি বহু পুরোনো,যে সময় গ্রন্থ রচনা হয় )৫০|৬০ বৎসর পূর্বে এই শ্রীপাটে ভূমি খনন কালে চারহাত পরিমিত একটি নরকঙ্কাল পাওয়া গিয়েছিল। শান্তিপুরবাসী সকলে দেখেছিলেন যে ঐ কঙ্কালের অস্থিতে তারকব্রহ্ম হরিনাম সব লেখা রয়েছে।হরিনাম মহামন্ত্রের যে কি মহিমা এবং শক্তি তা এটি দ্বারা প্রমাণিত হয় যে নিষ্ঠার সঙ্গে যদি কেউ সারাটি জীবন ধরে এই মহানাম সাধন করেন তাহলে এই মহানাম সেই সেই ভক্তের শরীরের রক্ত-মাংস ভেদ করে অস্থিতে প্রতিফলিত হয়।এটি কোন কল্পনা প্রসূত সঙ্কেত নয়, কারণ বাস্তব ঘটনা এর প্রমাণ দিয়েছে।সেই হিসাবে মনে হয় নামাচার্য্য হরিদাস ঠাকুরের অস্থিতেও নিশ্চিত এই হরিনাম মহামন্ত্র খোদিত হয়েছে যদিও তা প্রমাণ করার কোন সুযোগ নাই।মহাসাধক শ্রীশ্রীবিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী স্বয়ং স্বচক্ষে এটি দর্শন করে বলেছিলেন যে অজপা সাধনে মানুষের দেহাস্থিতে এটি সম্ভব, কারণ এই মহানামের এমনই শক্তি যে দেহের প্রতি স্তর ভেদ করে এই মহানাম সমস্ত অস্থিতে খোদিত হয়ে যায়। সুতরাং নাম মহিমা আর কি বলিব!সুধী পাঠকগণ নিজেদের বিচার বুদ্ধি অনুযায়ী নিজেদের জীবনে এটি আচরণ করবেন।*
*🌻একবার মহাত্মা বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী চোদ্দমাদল নিয়ে সংকীর্তন করতে করতে এই বাবলা শ্রীপাটে আসিলে একটি কুকুরের ভাবভঙ্গি এবং ইঙ্গিত অনুসারে একটি জায়গা খুঁড়ে অদ্বৈত প্রভুর "কমলাক্ষ" নামাঙ্কিত কাষ্ঠ পাদুকা,কমন্ডলু প্রভৃতি পাওয়া গিয়েছিল।পরে গোস্বামীজীর আদেশে তা সব অদ্বৈত প্রভুর শ্রীবিগ্রহের আসনবেদীর নিচে প্রোথিত (পোঁতা) করে দিবার ব্যবস্থা করা হয়। সুতরাং বাবলা শ্রীপাটের যথার্থ জায়গা নিরূপণ সম্বন্ধে আর কারও কোন সন্দেহের অবকাশ থাকতে পারে না।*
*🍀এই শ্রীপাটেই মহাপ্রভু স্বয়ং তাঁর পরম গুরুদেবের তিরোভাব তিথি পালন করেছিলেন। এই শ্রীপাটেই মহাপ্রভু সন্ন্যাস গ্রহণের পর কিছুদিন অবস্থান করেছিলেন।এই শ্রীপাটেই শচীমাতা নবদ্বীপ হতে আগমন করে সন্ন্যাসী পুত্রকে দর্শন করেছিলেন।এই শ্রীপাটেই অদ্বৈত প্রভু গৌরসুন্দরের রাতুলচরণ প্রক্ষালন করে সচন্দন তুলসীপত্র দ্বারা পূজা সমাপণান্তে =*
*"নম ব্রহ্মণ্য দেবায় গোব্রাহ্মণ হিতায় চ।*
*জগদ্ধিতায় কৃষ্ণায় গোবিন্দায় নমো নমঃ।।*
*🌺এই মন্ত্র উচ্চারণ করে অশ্রুসজলকন্ঠে ভাবাবেশে তাঁকে বারবার প্রণাম করেছিলেন। সুতরাং বৈষ্ণব জগতের পিঠস্থান হিসাবে অদ্বৈত প্রভুর এই শ্রীপাটের মহিমা যে কত পূজনীয় এবং বরণীয় তাতে আর কারও কোন সংশয় থাকতে পারে না। সেই হিসাবে এই শ্রীপাটের সেবাপূজা যাতে সুষ্ঠুভাবে চলে তার দিকে সকলের নজর থাকা উচিত এবং ভক্তগণের কাছে এই আবেদন যে তাঁরা যেন সাধ্যমত মাসিক কিছু আনুকূল্য করেন তা যাই হোক না কেন, যদি কেহ তা করতে চান নিম্নলিখিত ঠিকানায় পাঠাবেন কারণ শ্রীমন্মহাপ্রভু স্বয়ং শ্রীমুখে অদ্বৈতপ্রভুকে বলেছিলেন যে=*
*🍀"তোমার যে আশ্রিত হবে সে শত অপরাধী হলেও আমি তার প্রতি প্রসন্ন রহিব।"*
*🍁আরও একটি বিশেষত্ব এই যে অদ্বৈতাচার্য্যের অপর নাম সীতানাথ। এক্ষেত্রে যে সিদ্ধ মহাত্মা এই পীঠস্থানের উদ্ধারের জন্য স্বপ্নাদেশ পেয়েছিলেন তাঁর সাধক জীবনের নামও সীতানাথ। সুতরাং উভয় ক্ষেত্রেই এই সীতানাথ নামের সমন্বয় দেখা যায়।সবই প্রভুর করুণা মানুষের কোন হাত নাই তাঁর কৃপা সাপেক্ষ।সীতানাথের কাজ সীতানাথ নিজেই স্বপ্নাদেশের মাধ্যমে সিদ্ধ সীতানাথ দাস বাবাজী দ্বারাই করিয়ে নিলেন।*
*🌻বাবলা শ্রীপাট সম্বন্ধে কিছু জ্ঞতব্য বিষয় ঃ---*
*🍀 কালের গতিতে এই সিদ্ধস্থান বাবলা শ্রীপাট জরাজীর্ণ অবস্থায় পরিণত এবং প্রধান সেবক শ্রীশান্তিসখা গোস্বামী তাঁর সাধ্য অনুযায়ী এটি রক্ষা করে যাচ্ছেন। সকলের কাছে এই শ্রীপাটের পূর্ণ সংস্কার সাধনের জন্য আবেদন জানাচ্ছেন। কারণ মহাপ্রভুর এই পঞ্চশতবর্ষ (৫০০) আবির্ভাব তিথিতে দুইটা স্থানের মহিমা বিশেষভাবে বিখ্যাত যা হচ্ছে রেমুণায় শ্রীপাদ মাধবেন্দ্রপুরী গোস্বামীর সমাধি মন্দির এবং বাবলায় সীতানাথের শ্রীপাট। কারণ বৈষ্ণব জগতে এই দুই মহাপুরুষই হচ্ছেন বৈষ্ণবধারা প্রচলনের মূল হোতা।ব্যারাকপুর আশ্রমের উদ্যোগে শ্রীপাদ রাধারমণ চরণদাস বাবাজীরগণ কর্তৃক রেমুণা শ্রীপাট নবরূপ ধারণ করেছেন এবং বর্তমানে এই বাবলা শ্রীপাটের পূর্ণ সংস্কার কার্য্য সাধিত হচ্ছে এবং আশা করা যায় আগামী ফাল্গুনী পূর্ণিমা তিথির আগেই এটি নবরূপ ধারণ করবেন।এই প্রচেষ্টার জন্য ল্রীপাদ শান্তিসখা গোস্বামী এবং কালনা নিবাসী পরম বৈষ্ণব শ্রীকানু ভৌমিকের অবদান অনস্বীকার্য যদিও এটির উদ্যোক্তা হচ্ছেন রাধারমণগণের সভ্যবৃন্দ এবং তাঁরাই এর সম্পূর্ণ ব্যয়ভার বহন করছেন। এই ব্যাপারে পরমভাগবদ্ শ্রীচিন্ময়ানন্দ স্বামী (গৌর মহারাজের) অবদানও যথেষ্ট।কারণ তিনি উদ্যোগী হয়ে লেখককে সঙ্গে করে সব ব্যবস্থাদি করেছেন।সীতানাথের এই সেবাপ্রাপ্ত হবার জন্য উদ্যোক্তাগণ নিজেদের ভাগ্যবান বলে মনে করেন।আশাকরি ষুধী বৈষ্ণব সমাজের কৃপা আশীর্বাদ হতে তাঁরা বঞ্চিত হবেন না।"জয় সীতানাথের জয়"*
*🙏যদি কেউ সাহায্য করব মনে করেন, এই ঠিকানায় ঃ=*
*শ্রীশান্তিসখা গোস্বামী, শান্তিপুর আতাবুনিয়া ভবন,পোঃ শান্তিপুর জেলা নদীয়া।*
▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪
*বিচ্ছেদ স্মরিয়া তবে,ব্যথিত হইল সবে,*
*খুলিয়া ফেলিল তারা অঙ্গের ভূষণ।*
*আলু থালু হয় বেশ,খসি পড়ে বাঁধা কেশ,*
*ধূলায় লোটায় তবে তাদের বসন।।*
*ক্ষণ মাত্র অদর্শনে,সব শূণ্য হেরি মনে,*
*অক্রূর লইতে চায় সেই প্রাণধনে।*
*যাঁর লাগি পতি ধন,আর ছাড়ি পরিজন,*
*কেমনে বাঁচিব মোরা সে প্রিয় বিহনে।।*
*না রহিলে কৃষ্ণধন,না রবে এ জীবন,*
*অক্রূর করিবে আজি মোদের নিধন।*
*বধিলে নারীর প্রাণ,গৌরব হইবে ম্লান,*
*কলঙ্কের কথা তবে কবে বিশ্বজন।।*
*রামকানু দুই জন,রথে করে আরোহণ,*
*যাত্রা হেরি গোপীদের অন্তর বিকল।*
*করাঘাত করে বক্ষে,অশ্রুধারা বহে চক্ষে,*
*সবার কম্পিত দেহ হইয়া চঞ্চল।।*
🦚🦜🙏🌸🌷🪔🦚🦜🙏🌸🌷🪷🪔
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
