✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
🆕 👉 সৌভরি মুনির কিছু কথন ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/11/souvari.html
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*🙏সৌভরি মুনির কিছু কথন।*
*🌻চতুর্বিশ চতুর্যুগের ত্রেতাযুগে যখন সূর্য্যবংশাবতংশ মহারাজা মান্ধাতা পৃথিবী পালন করেন,সেই সময় সৌভরি নামক একজন মহাতপা এবং মহাতেজঃশালী ও অশেষ যোগসিদ্ধি সম্পন্ন মুনি যমুনাহ্রদে তপস্যা করতেন। (শ্রীমদ্ভাগবতের নবম স্কন্ধে এই সৌভরি মুনির কথা বর্ণিত আছে যে-- "যমুনান্তর্জ্জলে মগ্নস্তপ্যমানঃ পরংতপঃ" সৌভরিমুনি যমুনাজল মধ্যে নিমগ্ন থেকে তীব্র তপস্যা করতেন)। যেসময় মহামুনি সৌভরি,যমুনায় তপস্যা করেন,সেই সময়ে একদিন পক্ষিরাজ গরুড় ক্ষুধিত হয়ে যমুনাতীরে আগমন করেন এবং অনেকগুলি মাছের মধ্যে যেটি অনেক বড় মাছটিকে আক্রমণ করতে চেষ্টা করেন।মহামুনি সৌভরি গরুড়ের অভিপ্রায় বুঝতে পেরে গরুড়কে বললেন, হে পক্ষিরাজ!তুমি আমার সামনে আমারই আশ্রিতপ্রায় মীনগণের কোন অনিষ্ট করিও না ; তুমি এখান থেকে অন্য কোথাও চলে যাও।তখন কিন্তু গরুড় অত্যন্ত ক্ষুধিত হয়েছিলেন।সেজন্য তিনি মুনিবাক্য পালন না করে তৎক্ষণাৎ যমুনা জল হতে সেই বৃহৎকায় মাছটিকে চঞ্চুপুটে ধারণ করে যমুনাতীরের কোন বৃক্ষশাখায় বসে সেই মাছটিকে ভক্ষণ করলেন।*
*🍀এখানে বিবেচ্য এই যে, গরুড় শ্রীভগবানের ভক্তচূড়ামণি এবং বাহন হলেও তিনি পক্ষিদেহধারী বলে তাঁর আহার ব্যবহারাদি সমস্তই পক্ষির ন্যায় ছিল এবং তাঁর পক্ষে তা দোষাবহ নয়।মহামুনির আদেশ লঙ্ঘন করে পক্ষিরাজ গরুড় যখন যমুনাহ্রদ হতে সেই বৃহৎকায় (বিরাট আকারের) মৎস্যটিকে চঞ্চুপুটে বা ঠোঁটে ধরে নিয়ে গেলেন, তখন যমুনার মধ্যে ছোট মাছগুলি ভীত ও ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়িল।তা দেখে সৌভরির হৃদয়ে কৃপার সঞ্চার হল এবং তিনি যমুনাহ্রদবাসী জীবগণের মঙ্গলবিধান করবার জন্য গরুড়কে অভিশাপ করলেন যে,গরুড় যদি কখনও এই যমুনায় এসে কোনও মৎস্যের অনিষ্ট করে,তাহলে তার তৎক্ষণাৎ মৃত্যু হবে।মহামুনি সৌভরির অভিপ্রায় এই যে,কেবলমাত্র যমুনার মাছ ভক্ষণেই যে গরুড়ের মৃত্যু হবে এমন নয়,যমুনার মধ্যে কোনও জীবের প্রতি অত্যাচার করলেই গরুড়ের মৃত্যু হবে।*
*গরুড়ের যমুনাহ্রদে এসে মৎস্য ভক্ষণ এবং সৌভরির গরুড়কে অভিশাপ প্রদান সম্বন্ধে বিচার করলে মনে হয় যে,গরুড়ের সৌভরিমুনির আজ্ঞা লঙ্ঘন এবং প্রাণী হিংসা এই দুই অপরাধ হয়েছে। সৌভরিমুনির গরুড়কে আজ্ঞা প্রদান এবং তাঁর ভোজনে বাধা দেওয়া এই দুই অপরাধ হয়েছে।তার মধ্যে গরুড় এবং সৌভরির মহত্ব বিচার করলে দেখা যায় যে,গরুড় সিদ্ধভক্ত ও সৌভরিমুনি সাধক, সুতরাং সৌভরির আজ্ঞা লঙ্ঘনে গরুড়ের অপরাধ হয় নাই, কিন্তু গরুড়কে আজ্ঞা প্রদানে সৌভরি মুনির অপরাধ হয়েছে।গরুড় পক্ষীদেহধারী এবং ক্ষুধিত, সুতরাং মৎস্য ভক্ষণে প্রাণিহিংসা হলেও তাতে তাঁর অপরাধ হয় নাই ; কিন্তু ক্ষুধিত গরুড়ের ভোজনে বাধা দেওয়ায় সৌভরি মুনি মহাতপঃ প্রভাবসম্পন্ন এবং ব্রহ্মনিষ্ঠ হয়েও মীনসঙ্গী হয়ে পড়লেন এবং তাদের দুঃখ দূর করবার জন্য কৃতসঙ্কল্প হয়ে বৈষ্ণবচূড়ামণি গরুড়কে অভিশাপ প্রদান করলেন এবং তাতেও আরও মহাঅপরাধজালে জড়িত হয়ে তপো ভ্রষ্ট হয়ে গেলেন। 🌹স্কন্দ পুরাণে বর্ণিত আছে যে,বৈষ্ণবকে হনন,নিন্দন,দ্বেষ বা হিংসা করা,যথাযোগ্য সম্মান না করা, বৈষ্ণবের উপর ক্রুদ্ধ হওয়া এবং বৈষ্ণব দর্শনে আনন্দিত না হওয়া এই ছয়টি পতনের কারণ🌹।*
*🌻সৌভরিমুনি বৈষ্ণবচূড়ামণি গরুড়ের উপর ক্রুদ্ধ হয়েছিলেন, দ্বেষ করেছিলেন এবং তাঁর যথাযোগ্য সম্মান করে নাই,এ জন্য তিনি তপোভ্রষ্ট হয়ে গেলেন। (সাধন-ভজনে মায়া প্রবেশ করিলে সাধন-ভজন থেকে ভ্রষ্ট হতে হয়)।তার পর বিয়ে করে সংসারধর্ম পালনের জন্য উৎসুক হয়ে মহারাজ মান্ধাতার পঞ্চাশটি কন্যার পাণিগ্রহণ করলেন এবং তাদের সঙ্গে কিছুকাল নানারকম বিষয় ভোগ করে শেষে আবার বানপ্রস্থ আশ্রম অবলম্বন করলেন ও যথাসময়ে দেহত্যাগ করলেন।*
*🌷যদি বৈষ্ণব স্থানে হয় ক্ষুদ্র অপরাধ।*
*🌷মহা মহা ভজনেতে প'ড়ে যায় বাধ।।চৈঃচঃ।।*
*🌻সৌভরিমুনি যে পক্ষিরাজ গরুড়কে অভিশাপ দিয়েছিলেন,তা কালিয়নাগ জানতে পেরে ছিল। রমণক দ্বীপের অন্য কোনও সর্পই এই বৃত্তান্ত জানত না।কালিয় যখন গরুড়ের সঙ্গে বিরোধ করে জানতে পারল যে তার মত শত সহস্র কালিয়নাগ একত্র মিলিত হলেও গরুড়ের এক কোণা পক্ষবলেরও সমান হতে পারবে না,তখন সে প্রাণভয়ে পালিয়ে যমুনাহ্রদে এসে আশ্রয় গ্রহণ করিল।*
*কালিয় যখন গরুড়ের ভয়ে ভীত হয়ে যমুনাহ্রদে আশ্রয় নিল,তখন গরুড় আর কালিয়র পেছনে গেলেন না।সেইজন্য গরুড় আর কখনও যমুনাহ্রদে আগমন করতেন না, এই সুযোগে কালিয় যমুনাহ্রদে বাস করতে লাগল।*
*🌹কালিয়দমন লীলায় এই তত্ত্বটি পরিবেশন করা যাবে।*
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝
꧁👇📖 সূচীপত্র ✍️ শ্রী জয়দেব দাঁ 📖👇꧂
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••*
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••*
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
🌷❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🌷
🏵️❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🏵️
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
