✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ ২. রামায়ণ কাহিনী ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ রামায়ণ কথন অতি সংক্ষেপে 🙏 সূচীপত্র꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*ক্ষোভে,দুঃখে আত্মহারা হয়ে দস্যু রত্নাকর দ্রুতবেগে সন্ন্যাসীদ্বয়ের নিকট এসে তাঁদের শ্রীচরণে লুটিয়ে পড়ে নিজ পাপ হতে মুক্তির উপায় জানতে চাইলেন। ব্রহ্মা তাকে নিকটবর্তী একটি পুষ্করিণীতে গিয়ে স্নান করে আসতে বললেন।পাপী দস্যু সেই মুহূর্তে পুষ্করিণীর নিকটে গেল, অমনিই তার পাপ দৃষ্টির তাপে পুষ্করিণীর জল শুকিয়ে গেল।রত্নাকর প্রত্যাগমন করে ব্রহ্মাকে সেই ঘটনা বর্ণনা করলে, তিনি তাঁর কমন্ডলুস্থিত পুত জলধারা দিয়া রত্নাকরকে শুচি করালেন।ইহার পর তিনি রত্নাকরকে "রাম" "রাম, "রাম "রাম, এই শব্দগুলি উচ্চারণ করতে বললেন, কিন্তু রত্নাকর এতবড় "পাপী" ছিল যে,এই পবিত্র "রাম" নাম কিছুতেই তার মুখ দিয়ে উচ্চারিত হল না। তখন ব্রহ্মা রত্নাকরকে "রাম রাম" শব্দটিকে উল্টোদিক দিয়া "মরা মরা" এইরূপে উচ্চারণ করতে নির্দেশ দিলেন।এইভাবে বহু প্রচেষ্টার পর "মরা, মরা শব্দ হতে ক্রমে "রাম রাম" শব্দ মুখ দিয়া নির্গত হলে রত্নাকরের সমস্ত পাপ দূর হয়ে গেল।*
*🌻ব্রহ্মার নিকট হতে পাওয়া এই মহাপবিত্র নাম জপতে জপতে রত্নাকর একাসনে ষাট হাজার বৎসর অতিবাহিত করে দিলেন।ধ্যানাসনে উপবিষ্ট থাকা কালে উইপোকা বা বল্মীক তাঁর দেহের সমস্ত মাংস ভক্ষণ করে ফেলে।তথিপিও রত্নাকর ধ্যানাসীন।ইহার ষাট হাজার বৎসর অতিক্রান্ত হয়ে গেলে একদা ভগবান ব্রহ্মা এসে তাঁর (রত্নাকরের) অনুসন্ধান করলেন এবং কেবল চারিদিক হতে মাঝে মাঝে ক্ষণ স্বরে "রামনাম" শব্দ শুতে পেলেন।অনেক অনুসন্ধানের পর তিনি অনুধাবন করে একটি নির্দিষ্ট ঢিবির দিকে অগ্রসর হয়ে নিশ্চিত হলেন যে, ঐ ঢীবি হতেই রত্নকরের কন্ঠে উচ্চারিত রামনাম শোনা যাচ্ছে। তৎক্ষণাৎ তিনি ইন্দ্রদেবকে আদেশ দিলেন, যাও, এই মুহূর্ত হতে ঐ উইঢিবিটির উপর সাতদিন ধরে অবিরাম বর্ষণ করো।ইন্দ্রদেব কর্তৃক অবিরাম বর্ষণের ফলে একসময় সেই জায়গায় এক অস্থিসার কঙ্কাল দেখা গেল।ব্রহ্মা কঙ্কাল দেহসার রত্নাকরের নাম ধরে ডাকতে শুরু করলেন এবং তিনি (রত্নাকর) তৎক্ষণাৎ সম্বিৎ ফিরে পেয়ে সাষ্টাঙ্গে ব্রহ্মাকে প্রণাম করলে, ব্রহ্মা তাঁকে বললেন, আজ হতে তোমার নাম হল "বাল্মিকী"।ইহার পর ব্রহ্মা বাল্মিকীকে "সাতকান্ড"রামায়ণ রচনার দায়িত্ব অর্পণ করলেন। তিনি তাঁকে এই বলে অনুপ্রাণিত করলেন, "বীণাদেবী তোমার কন্ঠে ভর করে তোমার রচনা কার্য্যে সমূহ সাহায্য করবেন।তোমার রচনার মূল চরিত্র "রামচন্দ্র" পৃথিবীতে মহামানব রূপে অবতীর্ণ হবেন।এই কথা কয়টি বলেই ব্রহ্মা মহাশূন্যে অদৃশ্য হয়ে গেলেন।*
*🌻এর পর অনেকদিন বিগত হয়ে গেল।একদা বাল্মিকী তাঁর আশ্রমের নিকটবর্তী এক সরোবরের তীরে বসে তপস্যারত ছিলেন।নিকটবর্তী এক বৃক্ষশাখায় একজোড়া ক্রৌঞ্চ(বক) দম্পতি পরস্পর পরস্পরের প্রতি অনুরাগে বিভোর ছিল ; সহসা এমত সময়ে এক ব্যাধ কর্তৃক নিক্ষিপ্ত শরাঘাতে বকটি বৃক্ষচ্যুত ফলের ন্যায় বাল্মিকীর মুখ হতে শর নিক্ষিপ্তকারী ব্যাধের প্রতি ক্ষোভে চারটি ছন্দোময় সংস্কৃত পদ বাহির হয়ে আসল।স্বগত সেই সংস্কৃত শ্লোকের তাৎপর্য্য অনুধাবনে অক্ষম হয়ে তিনি ভরদ্বাজ মুনির শরণাপন্ন হলেন।দৈবক্রমে তথায় মহামুনি নারদের আবির্ভাব ঘটল।বাল্মিকী নারদকে তাঁর স্বগত শ্লোক সৃষ্টির কাহিনী ব্যাখ্যা করলে নারদ তাঁর আগমনের নিগূঢ় উদ্দেশ্য ব্যক্ত করলেন এবং বাল্মিকীকে বললেন, "এই ছন্দে তুমি "রামায়ণ" নামে এক মহাকাব্য সৃষ্টিতে ব্রতী হও"। এই বলে নারদ অন্তর্হিত হলেন।*
*🙏বানান, ভুল ক্ষমা করবেন🙏*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ📱7001138871꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧





