✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ভাগবত কথন (বিরাম ভাগ)꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ 👇ভাগবত কথন 🙏 সূচীপত্র👇 ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
জয় নিতাই।
জীব স্বরূপতঃ সচ্চিদানন্দময় ব্রহ্মই, কিন্তু অনাদি অবিদ্যাবশতঃ স্থূল ও সূক্ষ্মদেহে অভিমানযুক্ত হয়ে নিজের স্বরূপ ভুলে মায়াময় মিথ্যা সংসার ভোগ করছে।সাধনবশতঃ স্বরূপ জ্ঞানের উদয় হলেও অবিদ্যা নিবৃত্তি (বিরত) হয়ে যায়। জীব তখন নিজের প্রকৃত স্বরূপে উপস্থিত হয়। ইহারই নাম ব্রহ্মভাব বা ব্রহ্মসাক্ষাৎকার। যতদিন জীব অবিদ্যার অধিকারে থাকে,ততদিন অবিদ্যার আবরণ ও বিক্ষেপশক্তিতে (চাঞ্চল্যশক্তিতে) দেহাদিকে সত্য বলিয়া জ্ঞান করত (করে) তার সম্বন্ধে আবদ্ধ হয়ে যায়। সাধনানুষ্ঠান করতে করতে বিদ্যার উদয় হলে অবিদ্যা নাশ হয়। যেমন অগ্নি কাষ্ঠাদি দগ্ধ করে শেষে নিজেও নিবৃত্ত(ক্ষান্ত) হয়ে যায়,সেইরূপ বিদ্যাও অবিদ্যা নাশ করে শেষে কাষ্ঠশূন্য বহ্নির ন্যায় নিজেও নিবৃত্ত হয়ে যায়।এই অবস্থাকেই তত্ত্বজ্ঞগণ স্বরূপপ্রাপ্ত অবস্থা বলে থাকেন।এই অবস্থাতেই জীব নির্বিকার তুরীয় ( চরমোৎকর্ষ) অবস্থায় বিরাজিত হয়। বৈষ্ণব দার্শনিকগণের মতে জীবের জন্ম কর্ম ও ভগবানের জন্ম কর্মে বিশেষ পার্থক্য আছে।অনাদি সংস্কারবদ্ধ জীব স্ব স্ব বাসনানুসারে পুনঃপুনঃ জন্মগ্রহণ, নানা কর্ম করে, সুতরাং জীবের জন্ম স্ব কর্মফল অনুসারেই হয়ে থাকে। ভগবানের কর্মসংস্কার কিংবা কর্মবাসনা নাই, ভগবান ভূভারহরণ,ধর্মস্থাপন প্রভৃতি লীলা করবার জন্য জন্মগ্রহণ করেন মাত্র; সুতরাং লীলাই তাঁর জন্মের হেতু।গীতায় ভগবান অর্জুনকে বলেছেন- ""জন্ম কর্ম চ মে দিব্যমেবং যো বেত্তি তত্ত্বতঃ। ত্যক্ত দেহং পুনর্জন্ম নৈতি মামেতি সোহর্জুন।।"" হে অর্জুন! আমার এই দিব্য অর্থ্যাৎ অপ্রাকৃত জন্ম ও কর্মের তত্ত্ব যে জানতে পারে, তার দেহান্তে আর জন্ম হয় না, সে আমাকেই পাই। ভগবানের জন্ম মায়িক হলে তাহাকে দিব্য বলা যেতে পারে না। "দিব্য" শব্দের অর্থ কিছুতেই মায়িক হয় না। বিশেষতঃ মায়িক জন্মাদির কথা জেনে জীব মায়া মুক্তইবা কেমন করে হতে পারে? শ্রুতিতেই দেখা যায়,"" ন তস্য কার্য্যং করণঞ্চ বিদ্যতে""। তাঁর কার্য্য এবং করণ নাই। আবার সেই শ্রুতিতেই দেখা যায়, ""পরাস্য শক্তির্বিবিধৈব শ্রূয়তে স্বাভাবিকী জ্ঞানবলক্রিয়া চ। ভগবানের স্বাভাবিকী পরা শক্তি, জ্ঞান, বল, ক্রিয়াদি বিবিধরূপে প্রকাশ পায়।যাইহোক মায়াবৃত্তি অবিদ্যা দূর হলে সত্ত্বময়ী বিদ্যার ব্রহ্মানুভব হয় এবং বিদ্যার নিবৃত্তি অৌকিকভাবে হলে ব্রহ্মসম্পত্তি লাভ হয়।অবিদ্যা ও বিদ্যা উভয় নিবৃত্তির পর যদি ভাগ্যবশে শুদ্ধসত্ত্বময়ী ভক্তির উদয় হয়, তাহলে ভগবানের জন্ম কর্মাদির অনুভব হয় এবং ভক্তিক্রমে গাঢ়তা প্রাপ্ত হয়ে প্রেমাবস্থায় উপস্থিত হলে জন্ম কর্মাদি সম্পত্তি অর্থ্যাৎ সাক্ষাৎকার লাভ হয়। গীতায় ভগবান অর্জুনকে বলেছেন, "ভক্ত্যা মামভিজানাতি যাবান্ যশ্চাস্মি তত্ত্বতঃ। ততো মাং তত্ত্বতো জ্ঞাত্বা বিশতে তদনন্তরম্।। হে অর্জুন! ভক্তিতেই আমার তত্ত্বানুভব হয়, তত্ত্বানুভবের পর প্রেমলাভ হলে "" তদনন্তরম বিশতে"" অর্থ্যাৎ সাক্ষাৎলাভ হয়। জীব ভগবানের তটস্থা শক্তি; বরাহপুরাণে এই তটস্থা শক্তিরূপে জীবকে বিভিন্নাংশ বলা হয়েছে।অনাদিকাল হতে এই বিভিন্নাংশ জীব ভগবানকে ভুলে মায়া পরাভূত হয়ে কামনা বাসনা জড়িত হয়ে আছে ; ভগবান এই সমস্ত জীবকে উদ্ধার করবার জন্যই বিশ্ব সৃষ্টি করেন, কিন্তু বিশ্বে তাঁর নিজের কোনই প্রয়োজন নাই,যেমন দয়ালু ব্যক্তি নিজ প্রয়োজন না থাকলেও পরহিতার্থে বহু কর্ম করে থাকেন, সেইরূপ ভগবান আমোঘলীল অর্থ্যাৎ অব্যর্থকর্মা,তাঁর কোন কর্মই ব্যর্থ নহে, বাজীকরের মত ভেল্কি দেখান তাঁর কর্ম নহে, তাঁর কর্ম কেবল করুণার লীলা। ভগবান জগৎ সৃষ্টি করে জগতকে জীবিত রাখার জন্য নিজে অন্তর্য্যামীরূপে তাতে প্রবেশ করেন। এবং তিনি স্বয়ং এই জগতের আধার হন, কিন্তু কেহ তাঁকে দেখতে বা জানতে পাই না, তিনি "ভূতেষু অন্তর্হিত অতিগূঢ়"। অনন্তকোটি ব্রহ্মান্ড তাঁর বশে। তিনি পরম স্বতন্ত্র, কিছুরই অপেক্ষা রাখেন না। তাঁর কিছু অভাব নেই, যেহেতু তিনি " ষড়গুণেশঃ ষড়ৈশ্বর্য্যশালী, তথাপি তিনি " ষাড়বর্গিকং জিঘ্রতি" প্রেম- ভক্তিসুখ আস্বাদন করেন। ষড়বর্গ শব্দের অর্থ হল ষড়ঙ্গ ভক্তি; তা হতে যা প্রকাশ হয়, তার নাম ষাড়বর্গিক। সাধন ভক্তি হতেই প্রেমেরই প্রকাশ হয়, সুতরাং ষাড়বর্গিক শব্দের অর্থ হল প্রেমভক্তিসুখ।
(জয় নিতাই গৌর হরিবল) বিরাম
ভুল ভ্রান্তি মার্জনীয়।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ📱7001138871꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



