শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇
37 NITYANANDA PROBHU লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
37 NITYANANDA PROBHU লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

৩৭. অতি গূঢ় নিত্যানন্দ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/12/blog-post_776.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                ꧁ ৩৭. অতি গূঢ় নিত্যানন্দ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস  ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
     ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস  ꧂
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ প্রভু নিত্যানন্দের সংক্ষিপ্ত লীলা 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
( ৩৭)
*অতি গূঢ় নিত্যানন্দ।*

*কলৌ কেশব কীর্তনাৎ।* 
 প্রতিদিন শ্রীবাস অঙ্গনে কীর্তন হয় কিন্তু সকলে দেখতে পায় না।
সাধারণ লোক বলেন যদি আমাদের তার চরণে ভক্তি থাকে তো অবশ্যই আমরাও দেখতে পাব।তার তো এই অবতার আমাদের মত জীবের উদ্ধারের জন্যই।
 দেখবে একদিন ঘরে ঘরে নগরে নগরে কীর্তন করবেন। সেইসব ভাগ্যবান নাগরিকগণ এমনিভাবে আনন্দে কাল যাপন করতে লাগলেন। ভক্তগণ প্রভুর সেবার জন্য দ্রব্য সামগ্রী নিয়ে উপস্থিত হন। প্রভুকে দেখে সবাই দণ্ডবৎ করেন।
প্রভু বোলে "কৃষ্ণভক্তি হউক সভার।
 কৃষ্ণ-গুণ-নাম বই না বলিহ আর।।

 আপনে সভারে প্রভু করে উপদেশ।
 "কৃষ্ণনাম মহামন্ত্র শুনহ বিশেষ__।।

 "হরেকৃষ্ণ হরেকৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে‌।
 হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।"

 *কৃষ্ণনাম মহামন্ত্র* -
 আগে জানতে হবে মন্ত্র কাকে বলে। মন্ত্রের তিনটি আবশ্যক উপাদান- এক - প্রণব (ওঁ)।
দ্বিতীয় -চতুর্থী বিভক্তি। 
তৃতীয় -  স্বাহা/নমঃ ইত্যাদি।

এই মহামন্ত্রে  এই তিনটি উপাদানের একটিও নেই। তাই এটি কৃষ্ণ *নামমহামন্ত্র* এই মহামন্ত্র জপও করা যায় এবং উচ্চৈঃস্বরে সংখ্যাপূর্বক কীর্তনও করা যায়।

আরেকটি প্রশ্ন যাতে মন্ত্রেরই উপাদান নেই তাকে মহামন্ত্র কিভাবে বলা যায়?

মন্ত্রের থেকেও যার শক্তি বেশি তাকে *মহামন্ত্র*  বলা হয়।

বৃহৎভাগবতামৃতে বর্ণন আছে,গোপকুমার যখন গোপাল মন্ত্র জপ প্রভাবে ক্রমমুক্তি ক্রমে পৃথিবী স্বর্গ মহ জন তপ সত্যলোক হয়ে,সপ্ত আবরণ ভেদ করে,ভূমাপুরুষের কাছ থেকে সদাশিবধামে গমন করলেন। সেখানে বিষ্ণুপার্ষদ সঙ্গে দেখা হয়। তাঁরা বললেন মন্ত্র জপ প্রভাবে তুমি এ পর্যন্ত এসেছ।এর উপরে বৈকুণ্ঠে যেতে হলে তোমাকে ভূলোকে গিয়ে নববিধা ভক্তি অঙ্গ যাজন করতে হবে।

(হে গোপকুমার! তুমি যদি সত্বর বৈকুণ্ঠলোক প্রাপ্ত হইতে ইচ্ছা কর,তবে সেই ব্রজভূমিতে গমন কর। কারণ ব্রজভূমি সর্বাভীষ্টপ্রদ স্থানগুলির মধ্যে শ্রেষ্ঠতমা। তুমি সেখানে গিয়ে সর্বদা ভগবৎপাদপদ্মের সঙ্গ আশা করিয়া শুদ্ধা নববিধা ভক্তির মধ্যে প্রধান নামসংকীর্তনরূপা ভক্তির আচরণ করিবে। নামসংকীর্তনবহুল ভক্তির প্রভাবে শীঘ্রই প্রেমসম্পত্তির উদয় হইবে এবং সেই প্রেমসম্পদ্-বলেই সুখে শ্রীবৈকুন্ঠে ভগবদ্দর্শন লাভ হইবে।
সংকীর্তন হইতে ধ্যান সুখ বর্ধিত হয়, আবার ধ্যান দ্বারাও কীর্তন-মাধুরীসুখ বিবর্দ্ধিত হয়, অতএব উভয়েই উভয়ের পোষক ও সংবর্ধক এবং কার্য-কারণ অভেদাত্মক বলিয়া আমরা সংকীর্তন ও ধ্যান এক বলিয়াই মনে করি।)

(এখানে একটি প্রণিধানযোগ্য বিষয় এই যে, গোপ কুমার শীঘ্র বৈকুন্ঠলাভের জন্য ইচ্ছুক বলিয়া তাহাকে অনায়াস-সাধ্য এবং শীঘ্র প্রেমপ্রদ নামসংকীর্তনের উপদেশ দিয়াছেন। কিন্তু গৌড়ীয়-বৈষ্ণবসম্প্রদায়ে রাগানুগামার্গের সাধনায় স্মরণাঙ্গের মুখ্যতা সর্বত্রই স্বীকৃত।)

গোপকুমার- আমি শ্রীশিব-পার্বতীকে প্রণাম করিতেই ব্রজধামে এসে উপনীত হলাম।
আমি ঘুরতে ঘুরতে অকস্মাৎ শ্রীগুরুদেবের দর্শন প্রাপ্ত হয়ে তার আশীর্বাদপূর্বক আলিঙ্গন ও উপদেশাদি প্রাপ্ত হয়ে যথাদিষ্ট ভক্তিযোগের নিরন্তর অনুষ্ঠান করতে লাগলাম। অচিরেই প্রেম সঞ্জাত হল। প্রেমবৈবশ্যহেতু অর্চনাদি অঙ্গের অনুষ্ঠান করিতে পারি নাই। কেবল উচ্চৈঃস্বরে শ্রীভগবানের নাম-সংকীর্তন করিতে লাগিলাম।

 "হে কৃষ্ণ!গোপাল! হরে! মুকুন্দ!
 গোবিন্দ হে নন্দকিশোর কৃষ্ণ!
হা শ্রীযশোদাতনয় প্রসীদ!
হে শ্রীবল্লবী জীবন রাধিকেশ!"

এইরূপ গানের সহিত নিজ ইষ্টদেবকে আহ্বান করিতে করিতে কখনও নৃত্য করিতাম,কখনও বা উন্মত্তের মত দেহাদি বিস্মৃত হইয়া ইতস্ততঃ ভ্রমণ করিতাম। একদা সহসা নিজ প্রাণনাথকে সন্মুখে দর্শন করিয়া তাহাকে ধরিবার জন্য ধাবমান হইতেই প্রেমবিহ্বলদশায় মূর্চ্ছিত হইয়া পড়িলাম। সেই সময় বৈকুণ্ঠ পার্ষদগণ আমায় বৈকুন্ঠে লইয়া যাইবার জন্য আগমন করিলেন এবং আমায় বিমানে আরোহন করাইলেন। তখন আমি সংজ্ঞাপ্রাপ্ত হইয়া চকিতের ন্যায় ইতস্তত দেখিতে লাগিলাম। দেখিলাম, মুক্তিলোকে যাহারা আমায় বৈকুণ্ঠ প্রাপ্তির উপায় নির্দেশ-করত  উপকার করিয়াছিলেন, সেই পার্ষদগণ  শত সূর্যের ন্যায় তেজস্বী বিমানে আরোহন করিয়া আমার পাশেই রহিয়াছেন। আমি সসম্ভ্রমে তাহাদিগকে প্রণাম করিলাম।
আমি পরমানন্দময় ভক্তিপথে বৈকুণ্ঠ আরোহনের সময় ঘৃণাস্পদ স্বর্গাদি লোকের প্রতি দৃষ্টিপাতও করি নাই। কিন্তু ইন্দ্রাদি লোকপালগণ মস্তকে অঞ্জলিবন্ধন-পূর্বক পরমভক্তিভরে পুষ্প-লাজাদি মাঙ্গলিক দ্রব্য-সমূহ আমার উদ্দেশ্যে উৎক্ষেপণ করত পূজাদি করিতে লাগিলেন। পথিমধ্যে মুক্তিপদও অবজ্ঞাভরে প্রদর্শন করিয়াছিলাম।পরে তদুপরি শিবলোকে আরোহন করিয়া উমাদেবীর সহিত বিরাজিত শ্রীমহাদেবকে হর্ষভরে প্রণাম করিলাম। তাঁহারা আদর,প্রেম ও সদুক্তির দ্বারা আমায় আনন্দিত করিলেন। পরে বাক্যমনের দুস্প্রাপ্য এবং বিবিধ মাহাত্ম্যমালায় পূর্ণ মনোরম বৈকুণ্ঠ লোকে উপস্থিত হইলাম। (শ্রীসনাতন গোস্বামীপাদ কৃত বৃহৎভাগবতামৃতে দ্বিতীয় পর্বে তৃতীয় ও চতুর্থ অধ্যায়।)

মন্ত্র হইতেও যে হরিনামের  শক্তি অধিক তাহা এখানে বৃহৎ ভাগবতামৃতে শ্রীগোস্বামী পাদ দেখালেন। তাই এই নাম কে *মহামন্ত্র* বলা হয়।

"মহামন্ত্র মহাসুর ব্রজলীলা রসপুর।।"

প্রণব,বিভক্তি ও স্বাহা আদি যুক্ত মন্ত্র গোপন ভাবে জপ্য। কোনও মতেই প্রকাশ্য এবং উচ্চৈঃস্বরে উচ্চারণ উচিত নয়।
 কিন্তু হরিনাম মহামন্ত্র জপ এবং উচ্চসংকীর্তন উভয়ই করা যায়।

আর হ্যাঁ! এই হরিনাম কীর্তনের জন্য দশবিধ নামাপরাধ থেকে অবশ্যই সাবধান থাকতে হবে এবং অন্য কোন নামের প্রতি নিন্দা বা অবজ্ঞা-সূচক ভাব প্রদর্শন কখনো উচিৎ নয়। আবার এই *হরেকৃষ্ণ* মহামন্ত্র ছাড়া অন্য নাম করা উচিত নয়, এমন ভাবাও ঠিক নয়। কেউ কেউ "রাধেকৃষ্ণ রাধেকৃষ্ণ কৃষ্ণকৃষ্ণ রাধে রাধে......" ইত্যাদি মহামন্ত্র কীর্তন করেন। আবার গম্ভীরায় "শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভুনিত্যানন্দ।
হরেকৃষ্ণ হরেরাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।"
এই নাম হয়।

নবদ্বীপ ধামেশ্বর মহাপ্রভুর মন্দিরে-
জয় শচীনন্দন জয় গৌরহরি ।
বিষ্ণুপ্রিয়ার প্রাণনাথ নদীয়া বিহারী।। এই নাম হয়।

কেহ "ভজ নিতাই গৌর রাধেশ্যাম।
জপ হরেকৃষ্ণ হরেরাম।।"
এই নাম কীর্তন করেন।
তাতে কেহ কেহ কুমন্তব্য করেন-এই নাম কল্পিত, আধুনিক, তৈরি করা ইত্যাদি ইত্যাদি।
এতে আছে নিতাই, গৌর, রাধেশ্যাম হরে কৃষ্ণ হরে রাম- এই নামগুলো কল্পিত কিভাবে বলা যায়? অথবা আধুনিক? আর তৈরি করা? ছন্দবদ্ধ ঠাকুরের নাম করলে অশাস্ত্রীয় বা কাল্পনিক কিভাবে হতে পারে? 
গোপকুমার- "হে কৃষ্ণ!গোপাল! হরে! মুকুন্দ!
 গোবিন্দ হে...... " এই নাম করেছিলেন তাহলে এটাকেও কি কাল্পনিক বলা হবে?

শ্রীমদ্ভাগবতে স্পষ্ট উল্লেখ আছে - "এবং ব্রতঃ স্বপ্রিয় নামকীর্ত্যাজাতানুরাগোদ্রুতচিত্ত উচ্চৈঃ।ভা.১১/২/৪০।
স্ব-নিজ, প্রিয়। নিজ নিজ প্রিয় নাম কীর্তন করতে পারেন।

 *"কৃপাতে করিল অনেক নামের প্রচার।"* 
কেন?
না, যার যে নামে রুচি, সে, সেই নাম কীর্তন করতে পারবেন।

তাই নিন্দা অসূয়াদি,দশবিধ নামাপরাধ শূন্য, তৃণাদপি হয়ে স্ব-প্রিয় নামকীর্তন করিলে সহসাই প্রেম উদিত হয়।
"নামসংকীর্তনম্।
 বৈকুণ্ঠারোহনম্।"

তৎক্ষণাৎ, কিন্তু "সদ্ধিয়াং" - নিরপরাধ চিত্তানাম্। সৎ ধি মানে বুদ্ধি অর্থাৎ শুদ্ধচিত্ত বা নিরপরাধ চিত্ত।

🌷প্রভু বোলে "কহিলাম এই মহামন্ত্র।
 ইহা গিয়া জপ সভে করিয়া নির্বন্ধ।।
 (নির্বন্ধ মানে সংখ্যাপূর্বক জপ)

ইহা হৈতে সর্বসিদ্ধি  হইব সভার।
 *সর্বক্ষণ* বোল ইথে বিধি নাহি আর।।

যখন সময় পাবে নির্জন স্থানে বসে একাগ্রচিত্তে জপ করবে এবং কাজের সময়েও মুখে নাম করার অভ্যাস করবে।

"নববিধা ভক্তি পূর্ণ নাম হইতে হয়।।"
এমনিভাবে অহরহ নাম করতে করতে শ্রীনাম প্রভুর কৃপায় শ্রীনাম স্ফূর্তি পেলে, সেখানে "নির্বন্ধ" এর বিধি-নিষেধ থাকে না।

 কি কীর্তন করবেন মহাপ্রভু তাও বলে দিলেন।

দশে-পাঁচে মিলি নিজ দুয়ারে বসিয়া।
 কীর্তন করিহ সভে হাতে তালি দিয়া।।

 "হরয়ে নমঃ কৃষ্ণ যাদবায় নমঃ।
 গোপাল গোবিন্দ রাম শ্রীমধুসূদন।।"

 কীর্তন কহিল এই তোমা সভাকারে।
 স্ত্রীয়ে পুত্রে বাপে মিলি কর গিয়া ঘরে।।

প্রভুর মুখে মন্ত্র পেয়ে সকলেরই আনন্দ হল, দণ্ডবৎ করে সবাই নিজ নিজ ঘরে গেলেন। সব সময় কৃষ্ণনাম জপ করেন, প্রভুর চরণ কায়মনে ধ্যান করেন। সন্ধ্যা হলে সকলে নিজের দুয়ারে বসে সবাই মিলে কীর্তন করেন হাততালি দিয়ে।এই মত নগরে নগরে সংকীর্তন করাতে লাগলেন শচীনন্দন। সবাইকে এসে প্রভু আলিঙ্গন করেন। নিজের গলার মালা খুলে সভাকে পরান দন্তেতৃণ ধরে প্রভু বারবার বলছেন, সবসময়  সবাই "কৃষ্ণ কৃষ্ণ" বল।।
 
দন্তে তৃণ করি প্রভু পরিহার করে।
" অহর্নিশ ভাই সব বোলহ কৃষ্ণেরে।"

ক্রমশ ..…...
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
⬇️⬇️⬇️এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন⬇️⬇️⬇️
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
           ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
DEMOCRATIC NITYANANDA (Facebook Group) 👉 https://www.facebook.com/groups/1370545549769377/?ref=share
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


৩৭. অতি গূঢ় নিত্যানন্দ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/12/blog-post_776.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                ꧁ ৩৭. অতি গূঢ় নিত্যানন্দ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস  ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
     ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস  ꧂
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ প্রভু নিত্যানন্দের সংক্ষিপ্ত লীলা 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
( ৩৭)
*অতি গূঢ় নিত্যানন্দ।*

*কলৌ কেশব কীর্তনাৎ।* 
 প্রতিদিন শ্রীবাস অঙ্গনে কীর্তন হয় কিন্তু সকলে দেখতে পায় না।
সাধারণ লোক বলেন যদি আমাদের তার চরণে ভক্তি থাকে তো অবশ্যই আমরাও দেখতে পাব।তার তো এই অবতার আমাদের মত জীবের উদ্ধারের জন্যই।
 দেখবে একদিন ঘরে ঘরে নগরে নগরে কীর্তন করবেন। সেইসব ভাগ্যবান নাগরিকগণ এমনিভাবে আনন্দে কাল যাপন করতে লাগলেন। ভক্তগণ প্রভুর সেবার জন্য দ্রব্য সামগ্রী নিয়ে উপস্থিত হন। প্রভুকে দেখে সবাই দণ্ডবৎ করেন।
প্রভু বোলে "কৃষ্ণভক্তি হউক সভার।
 কৃষ্ণ-গুণ-নাম বই না বলিহ আর।।

 আপনে সভারে প্রভু করে উপদেশ।
 "কৃষ্ণনাম মহামন্ত্র শুনহ বিশেষ__।।

 "হরেকৃষ্ণ হরেকৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে‌।
 হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।"

 *কৃষ্ণনাম মহামন্ত্র* -
 আগে জানতে হবে মন্ত্র কাকে বলে। মন্ত্রের তিনটি আবশ্যক উপাদান- এক - প্রণব (ওঁ)।
দ্বিতীয় -চতুর্থী বিভক্তি। 
তৃতীয় -  স্বাহা/নমঃ ইত্যাদি।

এই মহামন্ত্রে  এই তিনটি উপাদানের একটিও নেই। তাই এটি কৃষ্ণ *নামমহামন্ত্র* এই মহামন্ত্র জপও করা যায় এবং উচ্চৈঃস্বরে সংখ্যাপূর্বক কীর্তনও করা যায়।

আরেকটি প্রশ্ন যাতে মন্ত্রেরই উপাদান নেই তাকে মহামন্ত্র কিভাবে বলা যায়?

মন্ত্রের থেকেও যার শক্তি বেশি তাকে *মহামন্ত্র*  বলা হয়।

বৃহৎভাগবতামৃতে বর্ণন আছে,গোপকুমার যখন গোপাল মন্ত্র জপ প্রভাবে ক্রমমুক্তি ক্রমে পৃথিবী স্বর্গ মহ জন তপ সত্যলোক হয়ে,সপ্ত আবরণ ভেদ করে,ভূমাপুরুষের কাছ থেকে সদাশিবধামে গমন করলেন। সেখানে বিষ্ণুপার্ষদ সঙ্গে দেখা হয়। তাঁরা বললেন মন্ত্র জপ প্রভাবে তুমি এ পর্যন্ত এসেছ।এর উপরে বৈকুণ্ঠে যেতে হলে তোমাকে ভূলোকে গিয়ে নববিধা ভক্তি অঙ্গ যাজন করতে হবে।

(হে গোপকুমার! তুমি যদি সত্বর বৈকুণ্ঠলোক প্রাপ্ত হইতে ইচ্ছা কর,তবে সেই ব্রজভূমিতে গমন কর। কারণ ব্রজভূমি সর্বাভীষ্টপ্রদ স্থানগুলির মধ্যে শ্রেষ্ঠতমা। তুমি সেখানে গিয়ে সর্বদা ভগবৎপাদপদ্মের সঙ্গ আশা করিয়া শুদ্ধা নববিধা ভক্তির মধ্যে প্রধান নামসংকীর্তনরূপা ভক্তির আচরণ করিবে। নামসংকীর্তনবহুল ভক্তির প্রভাবে শীঘ্রই প্রেমসম্পত্তির উদয় হইবে এবং সেই প্রেমসম্পদ্-বলেই সুখে শ্রীবৈকুন্ঠে ভগবদ্দর্শন লাভ হইবে।
সংকীর্তন হইতে ধ্যান সুখ বর্ধিত হয়, আবার ধ্যান দ্বারাও কীর্তন-মাধুরীসুখ বিবর্দ্ধিত হয়, অতএব উভয়েই উভয়ের পোষক ও সংবর্ধক এবং কার্য-কারণ অভেদাত্মক বলিয়া আমরা সংকীর্তন ও ধ্যান এক বলিয়াই মনে করি।)

(এখানে একটি প্রণিধানযোগ্য বিষয় এই যে, গোপ কুমার শীঘ্র বৈকুন্ঠলাভের জন্য ইচ্ছুক বলিয়া তাহাকে অনায়াস-সাধ্য এবং শীঘ্র প্রেমপ্রদ নামসংকীর্তনের উপদেশ দিয়াছেন। কিন্তু গৌড়ীয়-বৈষ্ণবসম্প্রদায়ে রাগানুগামার্গের সাধনায় স্মরণাঙ্গের মুখ্যতা সর্বত্রই স্বীকৃত।)

গোপকুমার- আমি শ্রীশিব-পার্বতীকে প্রণাম করিতেই ব্রজধামে এসে উপনীত হলাম।
আমি ঘুরতে ঘুরতে অকস্মাৎ শ্রীগুরুদেবের দর্শন প্রাপ্ত হয়ে তার আশীর্বাদপূর্বক আলিঙ্গন ও উপদেশাদি প্রাপ্ত হয়ে যথাদিষ্ট ভক্তিযোগের নিরন্তর অনুষ্ঠান করতে লাগলাম। অচিরেই প্রেম সঞ্জাত হল। প্রেমবৈবশ্যহেতু অর্চনাদি অঙ্গের অনুষ্ঠান করিতে পারি নাই। কেবল উচ্চৈঃস্বরে শ্রীভগবানের নাম-সংকীর্তন করিতে লাগিলাম।

 "হে কৃষ্ণ!গোপাল! হরে! মুকুন্দ!
 গোবিন্দ হে নন্দকিশোর কৃষ্ণ!
হা শ্রীযশোদাতনয় প্রসীদ!
হে শ্রীবল্লবী জীবন রাধিকেশ!"

এইরূপ গানের সহিত নিজ ইষ্টদেবকে আহ্বান করিতে করিতে কখনও নৃত্য করিতাম,কখনও বা উন্মত্তের মত দেহাদি বিস্মৃত হইয়া ইতস্ততঃ ভ্রমণ করিতাম। একদা সহসা নিজ প্রাণনাথকে সন্মুখে দর্শন করিয়া তাহাকে ধরিবার জন্য ধাবমান হইতেই প্রেমবিহ্বলদশায় মূর্চ্ছিত হইয়া পড়িলাম। সেই সময় বৈকুণ্ঠ পার্ষদগণ আমায় বৈকুন্ঠে লইয়া যাইবার জন্য আগমন করিলেন এবং আমায় বিমানে আরোহন করাইলেন। তখন আমি সংজ্ঞাপ্রাপ্ত হইয়া চকিতের ন্যায় ইতস্তত দেখিতে লাগিলাম। দেখিলাম, মুক্তিলোকে যাহারা আমায় বৈকুণ্ঠ প্রাপ্তির উপায় নির্দেশ-করত  উপকার করিয়াছিলেন, সেই পার্ষদগণ  শত সূর্যের ন্যায় তেজস্বী বিমানে আরোহন করিয়া আমার পাশেই রহিয়াছেন। আমি সসম্ভ্রমে তাহাদিগকে প্রণাম করিলাম।
আমি পরমানন্দময় ভক্তিপথে বৈকুণ্ঠ আরোহনের সময় ঘৃণাস্পদ স্বর্গাদি লোকের প্রতি দৃষ্টিপাতও করি নাই। কিন্তু ইন্দ্রাদি লোকপালগণ মস্তকে অঞ্জলিবন্ধন-পূর্বক পরমভক্তিভরে পুষ্প-লাজাদি মাঙ্গলিক দ্রব্য-সমূহ আমার উদ্দেশ্যে উৎক্ষেপণ করত পূজাদি করিতে লাগিলেন। পথিমধ্যে মুক্তিপদও অবজ্ঞাভরে প্রদর্শন করিয়াছিলাম।পরে তদুপরি শিবলোকে আরোহন করিয়া উমাদেবীর সহিত বিরাজিত শ্রীমহাদেবকে হর্ষভরে প্রণাম করিলাম। তাঁহারা আদর,প্রেম ও সদুক্তির দ্বারা আমায় আনন্দিত করিলেন। পরে বাক্যমনের দুস্প্রাপ্য এবং বিবিধ মাহাত্ম্যমালায় পূর্ণ মনোরম বৈকুণ্ঠ লোকে উপস্থিত হইলাম। (শ্রীসনাতন গোস্বামীপাদ কৃত বৃহৎভাগবতামৃতে দ্বিতীয় পর্বে তৃতীয় ও চতুর্থ অধ্যায়।)

মন্ত্র হইতেও যে হরিনামের  শক্তি অধিক তাহা এখানে বৃহৎ ভাগবতামৃতে শ্রীগোস্বামী পাদ দেখালেন। তাই এই নাম কে *মহামন্ত্র* বলা হয়।

"মহামন্ত্র মহাসুর ব্রজলীলা রসপুর।।"

প্রণব,বিভক্তি ও স্বাহা আদি যুক্ত মন্ত্র গোপন ভাবে জপ্য। কোনও মতেই প্রকাশ্য এবং উচ্চৈঃস্বরে উচ্চারণ উচিত নয়।
 কিন্তু হরিনাম মহামন্ত্র জপ এবং উচ্চসংকীর্তন উভয়ই করা যায়।

আর হ্যাঁ! এই হরিনাম কীর্তনের জন্য দশবিধ নামাপরাধ থেকে অবশ্যই সাবধান থাকতে হবে এবং অন্য কোন নামের প্রতি নিন্দা বা অবজ্ঞা-সূচক ভাব প্রদর্শন কখনো উচিৎ নয়। আবার এই *হরেকৃষ্ণ* মহামন্ত্র ছাড়া অন্য নাম করা উচিত নয়, এমন ভাবাও ঠিক নয়। কেউ কেউ "রাধেকৃষ্ণ রাধেকৃষ্ণ কৃষ্ণকৃষ্ণ রাধে রাধে......" ইত্যাদি মহামন্ত্র কীর্তন করেন। আবার গম্ভীরায় "শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভুনিত্যানন্দ।
হরেকৃষ্ণ হরেরাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।"
এই নাম হয়।

নবদ্বীপ ধামেশ্বর মহাপ্রভুর মন্দিরে-
জয় শচীনন্দন জয় গৌরহরি ।
বিষ্ণুপ্রিয়ার প্রাণনাথ নদীয়া বিহারী।। এই নাম হয়।

কেহ "ভজ নিতাই গৌর রাধেশ্যাম।
জপ হরেকৃষ্ণ হরেরাম।।"
এই নাম কীর্তন করেন।
তাতে কেহ কেহ কুমন্তব্য করেন-এই নাম কল্পিত, আধুনিক, তৈরি করা ইত্যাদি ইত্যাদি।
এতে আছে নিতাই, গৌর, রাধেশ্যাম হরে কৃষ্ণ হরে রাম- এই নামগুলো কল্পিত কিভাবে বলা যায়? অথবা আধুনিক? আর তৈরি করা? ছন্দবদ্ধ ঠাকুরের নাম করলে অশাস্ত্রীয় বা কাল্পনিক কিভাবে হতে পারে? 
গোপকুমার- "হে কৃষ্ণ!গোপাল! হরে! মুকুন্দ!
 গোবিন্দ হে...... " এই নাম করেছিলেন তাহলে এটাকেও কি কাল্পনিক বলা হবে?

শ্রীমদ্ভাগবতে স্পষ্ট উল্লেখ আছে - "এবং ব্রতঃ স্বপ্রিয় নামকীর্ত্যাজাতানুরাগোদ্রুতচিত্ত উচ্চৈঃ।ভা.১১/২/৪০।
স্ব-নিজ, প্রিয়। নিজ নিজ প্রিয় নাম কীর্তন করতে পারেন।

 *"কৃপাতে করিল অনেক নামের প্রচার।"* 
কেন?
না, যার যে নামে রুচি, সে, সেই নাম কীর্তন করতে পারবেন।

তাই নিন্দা অসূয়াদি,দশবিধ নামাপরাধ শূন্য, তৃণাদপি হয়ে স্ব-প্রিয় নামকীর্তন করিলে সহসাই প্রেম উদিত হয়।
"নামসংকীর্তনম্।
 বৈকুণ্ঠারোহনম্।"

তৎক্ষণাৎ, কিন্তু "সদ্ধিয়াং" - নিরপরাধ চিত্তানাম্। সৎ ধি মানে বুদ্ধি অর্থাৎ শুদ্ধচিত্ত বা নিরপরাধ চিত্ত।

🌷প্রভু বোলে "কহিলাম এই মহামন্ত্র।
 ইহা গিয়া জপ সভে করিয়া নির্বন্ধ।।
 (নির্বন্ধ মানে সংখ্যাপূর্বক জপ)

ইহা হৈতে সর্বসিদ্ধি  হইব সভার।
 *সর্বক্ষণ* বোল ইথে বিধি নাহি আর।।

যখন সময় পাবে নির্জন স্থানে বসে একাগ্রচিত্তে জপ করবে এবং কাজের সময়েও মুখে নাম করার অভ্যাস করবে।

"নববিধা ভক্তি পূর্ণ নাম হইতে হয়।।"
এমনিভাবে অহরহ নাম করতে করতে শ্রীনাম প্রভুর কৃপায় শ্রীনাম স্ফূর্তি পেলে, সেখানে "নির্বন্ধ" এর বিধি-নিষেধ থাকে না।

 কি কীর্তন করবেন মহাপ্রভু তাও বলে দিলেন।

দশে-পাঁচে মিলি নিজ দুয়ারে বসিয়া।
 কীর্তন করিহ সভে হাতে তালি দিয়া।।

 "হরয়ে নমঃ কৃষ্ণ যাদবায় নমঃ।
 গোপাল গোবিন্দ রাম শ্রীমধুসূদন।।"

 কীর্তন কহিল এই তোমা সভাকারে।
 স্ত্রীয়ে পুত্রে বাপে মিলি কর গিয়া ঘরে।।

প্রভুর মুখে মন্ত্র পেয়ে সকলেরই আনন্দ হল, দণ্ডবৎ করে সবাই নিজ নিজ ঘরে গেলেন। সব সময় কৃষ্ণনাম জপ করেন, প্রভুর চরণ কায়মনে ধ্যান করেন। সন্ধ্যা হলে সকলে নিজের দুয়ারে বসে সবাই মিলে কীর্তন করেন হাততালি দিয়ে।এই মত নগরে নগরে সংকীর্তন করাতে লাগলেন শচীনন্দন। সবাইকে এসে প্রভু আলিঙ্গন করেন। নিজের গলার মালা খুলে সভাকে পরান দন্তেতৃণ ধরে প্রভু বারবার বলছেন, সবসময়  সবাই "কৃষ্ণ কৃষ্ণ" বল।।
 
দন্তে তৃণ করি প্রভু পরিহার করে।
" অহর্নিশ ভাই সব বোলহ কৃষ্ণেরে।"

ক্রমশ ..…...
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
⬇️⬇️⬇️এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন⬇️⬇️⬇️
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
           ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
DEMOCRATIC NITYANANDA (Facebook Group) 👉 https://www.facebook.com/groups/1370545549769377/?ref=share
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


adds