✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ শ্রীচরণ দাস, ভক্তমাল গ্রন্থ হতে ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*🌻শ্রীচরণ দাস,ভক্তমাল গ্রন্থ হতে🌻*
*১২৬০ বঙ্গাব্দের ১৯ শে চৈত্র যশোহর জেলার নড়াল মহকুমার অন্তর্গত মহিষখোলা গ্রামে রাইচরণের আবির্ভাব হয়।বর্ধিষ্ণু কায়স্থবংশীয় মোহনচন্দ্র ঘোষ ছিলেন তাঁর পিতা।আর মা ছিলেন ভক্তিমতী কনকসুন্দরী।রাইচরণ পাঁচ বৎসর বয়সে পিতৃহীন হলে তাঁর মাতা কনকসুন্দরী ও খুল্লতাত ঈশানচন্দ্রের অপার স্নেহকে আশ্রয় করে বড় হতে থাকেন।মায়ের ধর্মনিষ্ঠা ও খুল্লতাতের বৈষয়িক বুদ্ধির প্রভাব পেয়ে রাইচরণের চরিত্র দুইভাবে গঠিত হল।* *তিনি যুবককাল হতে গরীব লোকের দুঃখে দুঃখিত হতেন।কোন রকম অন্যায়কে তিনি সহ্য করতে পারতেন না।অন্যায়ের প্রতিবাদ করা তাঁর অভ্যাস ছিল।তাঁর কুলগুরু শক্তিসাধক যোগেন্দ্র ভট্টাচার্যের কাছে তিনি দীক্ষিত হলেন।যুবক রাইচরণের মতি গতি লক্ষ্য করে তাঁর খুল্লতাত তাঁকে পার্শবতী গ্রামের একটি সুকন্যা দেখে তাঁর বিয়ে দিলেন।নববধূর নাম স্বর্ণময়ী। স্বর্ণময়ীর গর্ভজাত সন্তানদের মৃত্যু হলে তিনি আরও দুইটি কন্যার পাণিগ্রহণ করেন।রাইচরণ সংসারে একেবারে মজে গেলেন।তখন যশোহরের জমিদার গোস্বামীবাবুদের নায়েবের চাকুরিতে তিনি অসীম দক্ষতা দেখান।* *ক্রমে ক্রমে তিনি বহু ধন-সম্পত্তির মালিক হলেন।তিনি ছিলেন যেমন নিষ্ঠুর তেমন অতীব কোমল মনের।সর্বদা দান-ধ্যান নিয়ে ব্যস্ত থাকতেন।দোল দূর্গোৎসব করাতেও তাঁর আগ্রহ ছিল।* *জমিদারের নায়েবের চাকরি নিয়ে তাঁকে যে নিষ্ঠুর ও অপকর্ম করতে হত তাতে তিনি খুশী ছিলেন না। প্রায়ই রাইচরণ বিবেকের দংশনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠতেন।* *তিনি আর কোনমতে সেখানে থাকতে পারলেন না।অর্থকরী সংসারকে ঘৃণার সাথে ত্যাগ করে চলে গেলেন।অবশেষে তিনি ভবানীপুরের পঞ্চমুন্ডীর আসন-স্থায়িনী জাগ্রতা দেবী ভবানীর মন্দিরে এসে সাধন-ভজনে মগ্ন হলেন।সেইখানে প্রায়ই বাহ্যজ্ঞানহীন অবস্থায় সমাধি-যোগপ্রাপ্ত হন।অপরিচিত একজন ব্রাহ্মণ একদা তাঁর সমাধি ভঙ্গ করে তাঁকে সরযূতীরে গিয়ে অভীষ্ট-গুরু লাভের আদেশ দিয়ে চলে যান।* *তারপর ভ্রমণরত রাইচরণ এসে হাজির হলেন অযোধ্যায়।সেখানে তিনি বৈষ্ণব-সাধক শঙ্করারণ্যের দর্শন পেয়ে ভাবলেন ইনিই বুঝি তাঁর সেই প্রার্থিত বস্তুপ্রাপ্তির সহায়ক গুরু।শঙ্করারণ্য আহ্বান করলেন, বললেন,এসো বৎস,আমি তোমার জন্য অপেক্ষা করছি।* *শঙ্করারণ্যের কাছে দীক্ষা নিয়ে শাক্ত রাইচরণ ঘোষ হলেন বৈষ্ণব চরণদাস।রুদ্রাক্ষের পরিবর্তে কন্ঠিমালা ধারণ করে রক্তজবার পরিবর্তে তুলসীপত্র হাতে নিয়ে উপাস্য শ্রীকৃষ্ণ বিগ্রহের সামনে লুটিয়ে পড়লেন।*
ক্রমশ
*বৈষ্ণবীয় প্রেমভক্তিতে অভিভূত হয়ে গেলেন তিনি।তিনি "জয় নিতাই জয় গৌর" নামে মুখরিত করলেন গুরুজীর আশ্রম।ধীরে ধীরে তিনি সিদ্ধিলাভ করে পূজিত হলেন সকলের কাছে।তারপর গুরুদেবের নির্দেশ ক্রমে তীর্থে ভ্রমণে বের হয়ে তিনি এসে উপনীত হলেন শ্রীধাম নবদ্বীপে।সেখানে বৈষ্ণবজনকে দেখা মাত্র চরণের ধূলো নিয়ে মস্তকে রাখেন।সেখানে তাঁর নাম কীর্তনের বিশেষ সহায়রূপে পেলেন নবদ্বীপদাসকে।নবদ্বীপে কীর্তনগোষ্ঠীর পরমজনরূপে অভিহিত হলেন চরণদাস।সিদ্ধ-বৈষ্ণব চরণ দাস বহু জায়গায় নাম ভক্তি প্রচার করে বেড়াতে লাগলেন।আর বৈষ্ণবজন দেখা মাত্রেই তাঁর চরণ ধূলো মস্তকে নেওয়ার অভ্যাস করলেন চরণদাস।সমস্ত শিশু-বালক তাঁর নাম গুণকীর্তনে মুগ্ধ হয়ে পড়লেন। অবশেষে চরণ দাস মহাপ্রভুর শেষ লীলাস্থল নীলাচলে এসে সবাইকে কৃষ্ণকীর্তন শুনিয়ে মাতিয়ে তুললেন।* *সেখানে তিনি স্বপ্নযোগে গৌর নিতাইয়ের দর্শন পেয়ে দ্বাবিংশ অক্ষরযুক্ত গৌরমন্ত্র লাভ করলেন।তাঁর বহুবিধ অলৌকিক কার্য্যাবলী দর্শন করে বিস্মিত হলেন সমস্ত লোকজন।*
*এবার মহাসাধক চরণ দাস ফিরে এলেন শ্রীধাম নবদ্বীপে।সেখানে তিনি মহাবৈষ্ণব শ্রীপাদ গৌরহরি দাসের শ্রীচরণে আশ্রয় পেলেন।সেই বৈষ্ণবের কাছে অবস্থান করে এবং তাঁর নিকট হতে বহু আধ্যাত্মিক শিক্ষা লাভ করে চরণ দাস বাবাজী প্রেমসাধনার আরও উন্নতস্তরে আরোহণ করলেন।তারপর আবার বহু তীর্থস্থান ভ্রমণ করে এসে পৌঁছলেন নীলাচলে। মহাত্মা চরণ দাস বাবাজী ১৩২২ সালের মাঘী পূর্ণিমার শুভ দিনে গৌর নিতাইয়ের জয় গান করতে করতে অপ্রকট হইলেন।* *কেবলমাত্র ভক্তি ও বিশ্বাস নিয়ে ভগবানের নাম-কীর্তন করতে পারলে সিদ্ধিলাভ করা যায়। আর সে সিদ্ধি হয় পরম সিদ্ধি, 🙏শ্রীচরণ দাস বাবাজী।*
*🙏শ্রীচরণ দাস সংক্ষিপ্ত কথন এখানেই রইল, বানান ভুল মার্জনীয়🙏*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ📱7001138871꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



