✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ ꧁ শ্রীশ্রীসিদ্ধ কৃষ্ণদাস বাবাজী মহারাজ - রণবাড়ি꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*শ্রীশ্রীসিদ্ধ কৃষ্ণদাস বাবাজী মহারাজ - রণবাড়ি*
(রণবাড়ি)
পূর্বনাম-শ্রীকৃষ্ণপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় ।জন্মস্থান -যশোর জেলার অন্তর্গত মহম্মদপুর গ্রাম।বিবাহের প্রস্তাব হলে শেষ রাত্রে গৃহত্যাগ করেন ও হাঁটাপথে বৃন্দাবনে উপস্থিত হন।কয়েকদিন মদনমোহনের সেবায় থেকে রণবাড়িতে এসে ছোট্ট কুটির নির্মাণ করত ভজন করতে লাগলেন। দীর্ঘ 50 বৎসর যাবৎ তথায় ভজন করার পরে মনে হল ছোটবেলায় ঘর ছেড়ে এসেছি, কোন তির্থাদি দর্শন হয় নাই, তাই চারধাম যাত্রা করব। শ্রীপ্রিয়াজী রাত্রে স্বপ্নে আদেশ করলেন- *তুমি বৃন্দাবনে আমার চরণে এসেছ।এধাম ছেড়ে যেওনা। এখানে থেকে ভজন কর। এতেই তোমার সর্বসিদ্ধি লাভ হবে। তীর্থাদি ভ্রমনের প্রয়োজন নাই।* তিনি কিন্তু প্রিয়াজীর স্বপ্নাদেশকে স্বমনোবুদ্ধিজাত কল্পনা বলিয়া গ্রাহ্য করলেন না। তীর্থযাত্রায় বেরিয়ে পড়লেন । ভ্রমণ করতে করতে দ্বারকা গিয়ে তপ্তমুদ্রাদি ধারণ করলেন।চার সম্প্রদায়ের বৈষ্ণবগণ দ্বারকায় গেলে তপ্তমুদ্রা ধারণ করেন। গৃহস্থরা শীতল মুদ্রা ও বিরক্তগণ তপ্তমুদ্রা।ইহা কিন্তু শ্রীবৃন্দাবনের রাগানুগীয় বৈষ্ণবগণের (পরম্পরা) সদাচার সম্মত নয়। কিন্তু শ্রীহরিভক্তি বিলাসে ব্যবস্থা রয়েছে। বাবাজি মহাশয়ও ব্রজের সদাচার উপেক্ষা করতঃ( না জানার কারণে) শ্রীহরিভক্তি বিলাসের মতে মুদ্রাদি গ্রহণ করলেন। তারপর থেকে তার চিত্তে বিক্ষেপ আসিল। তীর্থভ্রমণে অরুচি হয়ে গেল। দ্বারকা থেকে ব্রজে চলে আসলেন। যেদিন ব্রজে আসলেন সেদিন রাত্রে শ্রীরাধারানী আবার তাঁকে স্বপ্নে বললেন- "তুমি দ্বারকায় তপ্তমুদ্রা ধারণ করে সত্যভামার গণভুক্ত হয়েছ, অতএব তুমি ব্রজবাসের উপযোগী নও,দ্বারকাতেই চলে যাও।" এবারে কিন্তু তার স্বপ্নটি মনকল্পিত বলে বোধ হল না। কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে তিনি সিদ্ধ মহাত্মাদেরকে জিজ্ঞাসা করলেন- তারাও শ্রীপ্রিয়াজীর আদেশানুরূপকথাই বললেন।একবার গোবর্ধনে আসলেন। গোবর্ধনের সিদ্ধবাবার তার নাম সাম্যে সখ্যতা ছিল। রণবাড়ির সিদ্ধ বাবা তার কাছে আসলে তিনি পূর্ববৎ গাঢ় আলিঙ্গন করত জিজ্ঞাসা করলেন। এতদিন কোথায় ছিলেন! তার উত্তরে তিনি বললেন আমি দ্বারকা গিয়েছিলাম এই দেখুন তপ্তমুদ্রা লাগিয়েছি। এ কথা শুনে গোবর্ধনের সিদ্ধ বাবা সেস্থান হতে একটু সরিয়া দীর্ঘ নিঃশ্বাস ত্যাগ করত বললেন-"অহো!আজ হতে আপনার স্পর্শের যোগ্যতা আমার সম্পূর্ণ বিনষ্ট হল। কোথায় আপনি মহারাজ রাজেশ্বরীর সেবিকা আর কোথায় আমি গোয়ালিনীর দাসী!!"একথা শুনে রণবাড়ির সিদ্ধ বাবা কিছুক্ষণ স্তম্ভিত হয়ে পরে প্রণাম করে চলে গেলেন। এর কোন প্রতিকার আছে কিনা জিজ্ঞাসার উত্তরে বৈষ্ণবগণ বললেন- শ্রীপ্রিয়াজীর সাক্ষাৎ আদেশের উপর অন্য কোনও উপদেশ মনোবুদ্ধির অগোচর। হতাশ হয়ে তিনি অন্নজল পরিত্যাগ করলেন। কৃতকার্যের অনুতাপে ও প্রিয়াজির বিরহানলে তাঁর হৃদয় দগ্ধ হতে লাগল। প্রবাদ আছে- এইভাবে বাবাজি মহাশয় তিন মাস পর্যন্ত ছিলেন। তারপর ভিতরের অগ্নি বাইরে ফুটে উঠল। চরণ হতে মস্তক পর্যন্ত তিন দিনে ক্রমশ দগ্ধ হয়ে ভস্মে পরিণত হচ্ছিল। শ্রীসিদ্ধজগন্নাথ দাস বাবাজী মহাশয়ের বাহন শ্রীবিহারী দাস বাবা বললেন, যে ঐদিন সিদ্ধ বাবা রণবাড়িতে উপস্থিত ছিলেন। অদূরে একটি গৃহে তিনি শেষ রাত্রে বিহারীদাস জী কে ডেকে বললেন- বিহারী! দেখ্ তো ওই ঘরের ভিতরে কি হচ্ছে ? তিনি অনুসন্ধান ক্রমে জানলেন সিদ্ধ বাবার দেহ দগ্ধ হচ্ছে ।ভেতর থেকে বন্ধ ছিল তাই সবিশেষ জানতে না পেরে সিদ্ধ বাবার নিকট এসে সব কথা বললেন। সিদ্ধ বাবা বলে উঠলেন, "অহো! বিরহানল!বিরহানল!!"এই বলে তিনি বিহারীজীর কাঁধে চেপে ঐ ঘরের দ্বারে উপস্থিত হলেন। দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করলেন এবং দেখলেন কণ্ঠ পর্যন্ত আগুন উঠেছে কিন্তু উপরে উঠছে না। তিনি বিহারীজিকে একটু তুলো আনতে আদেশ করলেন, বিহারী তুলা এনে সিদ্ধ আবার হাতে দিলে তিনি পাকিয়ে তিনটে পলিতা করে রণবাড়ির বাবাজি মহাশয়ের মাথায় দিলে দপ্ করে জ্বলে সব দেহ ভস্মিভূত হল। যখন আগুন তার বুক পর্যন্ত এসেছিল তখনও স্ফুট ভাবে তার মুখে নাম উচ্চারণ হচ্ছিল। ব্রজবাসীগণ কাতর প্রাণে তার দিকে তাকিয়ে থাকলে তখনও তিনি হাত উপরে তুলে বলেছিলেন- তোমাদের গ্রামে কখনও দুঃখ হবে না। সর্বত্র দুর্ভিক্ষ মহামারী হলেও তোমাদের গ্রামে কিছুই হবেনা। অদ্যাপি তার বাণীর প্রত্যক্ষ প্রমাণ দেখা যায়। সিদ্ধ বাবার দেহ দগ্ধ হচ্ছে সংবাদ পেয়ে স্থানীয় মুসলমান দারোগা ও এক হিন্দু তহশীলদার এসে সে স্থানে উপস্থিত হন। শোনা যায় মুসলমান সামনে গেলে অগ্নিনির্বাপিত হয় সরে গেলে আবার জ্বলে উঠে এই ব্যাপার দেখে হিন্দু তহশীলদার প্রচুর ঘি এনে সিদ্ধ বাবার দেহে অর্পণ করেছিলেন। তিনি যেভাবে বসে দেহভস্ম করেছিলেন এখনও সেই ভাবে সমাধিটি দৃশ্য হচ্ছে। সিদ্ধ বাবার দগ্ধ দেহের ভস্মরাশি শীতল হওয়ার কিছুদিন পরে তার গুরুভাই শ্রীপ্রেমদাস বাবাজী মহাশয় এসে বললেন - "ভাই! আপনি তো আমার হাতের কাষ্ঠ নিলেন না ।আমি এই কাষ্ঠ দিলাম। এই বলিয়া সেই ভস্মরাশিতে কাষ্ঠ দেওয়া মাত্রই জ্বলতে লাগল। সিদ্ধ বাবার সমাধির নিকট এসে যে যা প্রার্থনা করে তাই পূর্ণ হয় বলে ব্রজবাসী গণের দৃঢ় বিশ্বাস।
সিদ্ধ বাবা এখানকার ব্রজবাসীদের আদেশ করেছিলেন -তারা যেন ফাল্গুনী শুক্লা একাদশী তিথি অবশ্য পালন করে এবং শ্রীহরিবাসরে জাগরণ করে। এখনও এখানকার ব্রজবাসীগণ ঐ তিথি বিশেষভাবে পালন করে। সেই উপলক্ষে সেখানে ভগবদ লীলা কীর্তন ও অভিনয়াদি করেন। পৌষী অমাবস্যাই তাঁর বিরহতিথি_ এই উপলক্ষে সেখানকার ব্রজবাসীরাই চাঁদা তুলে চৌরাশি ক্রোশের বৈষ্ণবগণকে ভোজন করিয়ে আসছেন।
রাধারানী সিদ্ধ বাবার মাধ্যমে আমাদের শিক্ষা দিলেন নিষ্ঠা কাকে বলে।
বিরহ কাকে বলে জগজীবকে দেখালেন। বিরহের কি প্রতাপ! ভেতরে পুড়িয়ে বাইরে ও প্রকট হয়ে গেলেন।
ধন্য সিদ্ধ বাবার ইষ্টনিষ্ঠা !
জয় হোক শ্রীপ্রিয়াজীর!!
মালপোয়া আর একটা তরকারি পূরণ করে মহোৎসব হয়।।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
⬇️⬇️⬇️এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন⬇️⬇️⬇️
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ।
FACEBOOK LINK 👉 https://www.facebook.com/profile.php?id=100023723408003
DEMOCRATIC NITYANANDA (Facebook Group) 👉 https://www.facebook.com/groups/1370545549769377/?ref=share
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



