শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

পদ্মিনী একাদশী বা পরমা একাদশী (কমলা একাদশী ) 🌙 সংগৃহীত 🙇 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 https://mrinmoynandy.blogspot.com/2026/05/paroma.html


পদ্মিনী একাদশী বা পরমা একাদশী (কমলা একাদশী) :-

পুরুষোত্তম মাস অধিমাস কৃষ্ণপক্ষীয়া ‘পদ্ম পুরাণোল্লেখিত যুধিষ্ঠির – শ্রীকৃষ্ণ সংবাদে অধিমাসের কৃষ্ণ পক্ষীয়া একদশী মহিমা দেখতে পাওয়া যায়।

যুধিষ্ঠির মহারাজ শ্রীকৃষ্ণের নিকট প্রশ্ন করলেন-অধিমাসে কৃষ্ণ পক্ষীয়া একাদশীর নাম কি? ব্রতের বিধান বা কি? শ্রীকৃষ্ণ বললেন- হে যুধিষ্ঠির! মানুষের ভুক্ত মুক্তি প্রদাতা এই পবিত্র একাদশীর নাম পরমা একাদশী অথবা কমলা একাদশী!

তোমার প্রতি স্নেহ বশতঃ অশেষ মহিমাযুক্ত পুরুষোত্তম মাসের কৃষ্ণ-পক্ষীয়া একাদশীর মহিমা বলছি ব্রহ্ম মূহুর্তে শয্যা পরিত্যাগপূর্বক যথাবিহিত স্নান-আহ্নিকাদি সেরে ভগবান শ্রী বিষ্ণুর প্রীতি কামনায় শ্রী ভগবানের নাম মন্ত্র জপ করতে হয়।

গৃহেতে যে পরিমাণে জপ করবে নদীতীরে তার দ্বিগুণ, তদপেক্ষা গোষ্ঠে সহস্রবার,তীর্থে শতবার, তুলসীর নিকটে লক্ষবার এবং বিষ্ণুর সম্মুখে অসংখ্যবার জপ করতে হয়।

অবন্তীনগরে বিশ্বকর্মা নামে এক সম্ভ্রান্ত ব্রাহ্মণ বাস করতেন। তাঁর পাঁচটি পুত্র ছিল। তাদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ পুত্রের নাম জয় শর্মা। কোন দুষ্কর্ম করায় পিতা মাতাও তাকে বাড়ী থেকে বহিষ্কৃত করে দেয়।

কোন এক সময়ভ্রমণ করতে করতে এলাহবাদে এসে ত্রিবেণী সঙ্গমে স্নান কার্য সমাপনান্তে ক্ষুধায় কাতর হয়ে মলিন বদনে কোন একমুনির আশ্রমে উপস্থিত হলেন। সে দিন আবার এই একাদশী তিথি।

অনেক ভক্তবৃন্দ মুনি মুখপদ্ম বিগলিত একাদশী মহিমা শ্রবণ করতঃ ব্রত পালন করছেন। ঐ ব্রাহ্মণও ব্রত পালনকরে ব্রত কথা শুনলেন। তাঁর ব্রতোপবাসে সন্তুষ্ট হয়ে স্বয়ং লক্ষ্মীদেবী দর্শন দিয়ে বললেন- “ভক্তির সঙ্গে এই উপবাস পালন করায় আমি সন্তুষ্ট হয়েছি। তোমাকে বরদ দান করতে ইচ্ছা প্রকাশ করে আমি এসেছি। আমার নাম লক্ষ্মী আমি পরম কৃপালু নারায়ণ কর্তৃক প্রেরিত। বৈকুন্ঠ থেকে এসেছি। এই ব্রতানুষ্ঠানে তোমার অধীনা হয়েছি। তোমার বংশে শ্রেষ্ঠ ব্রাহ্মণগণ জন্মগ্রহণ করবে। আমি সত্যই বলছি-আমার নাম লক্ষ্মী।”

ব্রাহ্মণ বললেন- হে কমলে! সত্যিই যদি আমা প্রতি প্রসন্ন হয়ে বর দিতে চান তবে এই ব্রতকথা ভালরূপে বর্ণন করলে আরও দ্বিজগণ এই ব্রতকথায়প্রবৃত্তি লাভ করতে পারবেন।

এই ব্রতে ভগবান শ্রীনারায়ণকে ভক্তিভরে পূজা করতে হয়, নিরাহারে অবস্থান পূর্বক পরদিন দ্বাদশীতে পুণ্ডরীকাক্ষের পূজা নৈবেদ্যান্তে প্রসাদন্ন পারণ করতে হয়। শ্রীকৃষ্ণ বললেন, লক্ষ্মীদেবী বর প্রদান করে অন্তর্হিতা হলেন।



অনন্তর সেই বিপ্রধনশালী হয়ে সুখে হরিস্মরণ করে দেহান্তে ভগদ্ধামে গমণ করেন।কমলার আশীর্বাদে ব্রাহ্মণ ধন্য হইয়েছিলেন। তাই এই একাদশীকে ‘কমলা’ একাদশীও বলা হয়। আবার ভগবান শ্রীকৃষ্ণ মহারাজ যুধিষ্ঠিরকে একমনোরম কাহিনী বলছেন!

একদা কাম্পিল্য নগরে সুমেধা নামে এক ধার্মিক ব্রাহ্মণ বাস করতেন। পবিত্রা নামে তাঁর এক পতিব্রতা সহধর্মিনী ছিল। কিন্তু কোন পাপ কার্য্যরে জন্য তারা এত দরিদ্র হলো যে অন্ন-বস্ত্র পর্যন্তও তাদের জোটেনি।

এর মধ্য দিয়েও যদি কখনও অতিথি আসে তখন নিজেরা না খেয়েযতটুকু সম্ভব অতিথি সৎকার করতেন। ব্রাহ্মণের স্ত্রীর মনে একটুও দুঃখ ছিল না। একদিন ব্রাহ্মণ – ব্রাহ্মণীকে বলছেন- হে ব্রাহ্মণী! আমি কিছু ধনের প্রত্যাশী হয়ে বিদেশী যাত্রা করতে চাই, বুদ্ধিমান ব্যক্তি উদ্যম ও উৎসাহকে ভঙ্গ করে না, সামর্থকে অবহেলা করা উচিৎ নয়।

তখন ব্রাহ্মণী বলছেন- হে স্বামিন! আপনার চেয়ে অধিক বিদ্বান আমি নই, তবে এইটুকু জানি-বিদ্যা, ধন, দারিদ্রতা সর্বত্রই পূর্বজন্মার্জিত ফল। পূর্বজন্মে কোন ফল না থাকলে বর্তমানে কি কেউ সুখে থাকতে পারে।

আমরা ধন সম্পদ অনেক পেয়েছিলাম-কিন্তু কাউকে অন্ন দান করিনি। তাই আমাদের অন্ন জুটছে না। হে পতি দেবতা! তুমি ধনের জন্য অন্যত্র গেলে আমাকে লোকে দুর্ভাগা বলে নিন্দা করবে অতএব তুমি এখানে থেকে যা লাভ কর ওতেই আমি সন্তুষ্ট হই।

পতিব্রতার কথা শুনে ব্রাহ্মণ দেশে রয়ে গেলেন। একদিন তাদের ভগ্ন কুটিরে কৌণ্ডিল্য মুনি এলেন। পরম শ্রদ্ধা সহকারে পাদ্যার্ঘদ্বারা উভয়ে মুনিকে প্রণাম করে সস্ত্রীক বিধিপূর্বক ভোজন করালেন। ব্রাহ্মণী জিজ্ঞাসা করলেন- হে মহামুনে! কিসে দারিদ্রতা নাশ হয়?

এমন কোন উত্তম ব্রতের কথা বলুন যাতে পাপ-দুঃখ দারিদ্রতা দুর হয় এবং ভগবানে ভক্তির উদয় হয়! তখন কৌণ্ডিল্য মুনি বললেন, মলমাসে অধিমাসে কৃষ্ণ পক্ষীয়া একাদশী ব্রত ভুক্ত মুক্তি প্রদায়িনী, সর্বপাপ বিনাশিনী, সর্ব সুখদায়িনী এবং ভগবানের অতীব প্রিয়তমা তিথি।



প্রথমে কুবের এই ব্রত পালন করেছিলেন। রাজা হরিশ্চন্দ্র এইব্রত পালনে স্ত্রী-পুত্র ও রাজ্য ফিরে পেয়েছিলেন। হে বিশালাক্ষী! এই জন্য তোমারাও এই ব্রত পালন কর। হে পাণ্ডব! কৌণ্ডিন্য মুনির উপদেশে পতি-পত্নী উভয়ে একসঙ্গে বিধিমতো পুরুষোত্তম মাসের পরমা একাদশী ব্রত পালন করলেন।

ব্রত সমাপনের পররাজভবন থেকে এক রাজকুমার তাঁদের কাছে এলেন। ব্রহ্মার প্রেরণায় তিনি বহু ধনসম্পদ, নতুন গৃহ ও গাভী এই দম্পতীকে দান করেলন। এই দানের ফলে মৃত্যুর পর সেই রাজা বিষ্ণুলোক প্রাপ্ত হয়েছিল।

এইভাবে পরমা ব্রতের প্রভাবে ব্রাহ্মণ-দম্পতির সকল দুঃখের অবসান হল। যে মানুষ এই একাদশী ব্রত পালন না করেন তিনি চূড়াশি লক্ষ যোনিতে ভ্রমণ করেও কখনও সুখী হয় না। বহু পূণ্য কর্মের ফলে দুর্লভ মানব-জন্ম লাভহয়।

তাই মানব-জীবনে এই একাদশী ব্রত পালন করা অবশ্য কর্তব্য। এই মাহাত্ম্য শুনে মহারাজ যুধিষ্ঠির তার আত্মীয় বর্গের সঙ্গে এই ব্রত পালন করেছিলেন ।

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

   📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝
     ꧁👇📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী📖👇



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   🌷❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🌷
   🏵️❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🏵️
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧










শ্রী চৌরাষ্টকম্ (শ্রী চৌরাগ্রগণ্য পুরুষাষ্টকম্) ✍️ শ্রী বিল্বমঙ্গল ঠাকুর🙇 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 https://mrinmoynandy.blogspot.com/2026/05/purushashtakam.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

🆕  শ্রী চৌরাষ্টকম্ (শ্রী চৌরাগ্রগণ্য পুরুষাষ্টকম্) ✍️ শ্রী বিল্বমঙ্গল ঠাকুর🙇 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 https://mrinmoynandy.blogspot.com/2026/05/purushashtakam.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
ব্রজে প্রসিদ্ধং নবনীতচৌরং
গোপাঙ্গনানাং চ দুকূলচৌরম্।
অনেক জন্মার্জিত পাপচৌরং
চৌরাগ্রগণ্যং পুরুষং নমামি ॥১৷৷

অনুবাদ: যিনি ব্রজে নবনীত চোর ও গোপাঙ্গনাদের বসন চোর বলে প্রসিদ্ধ ও যিনি স্বীয় ভক্তদের অশেষ জন্মার্জিত পাপসকল হরণ করেন, সেই চোর শিরোমনিকে আমি নমস্কার করি।

শ্রীরাধিকায়া হৃদয়স্য চৌরং
নবাম্বুদশ্যামলকান্তিচৌরম্।
পদাশ্রিতানাং চ সমস্ত চৌরং
চৌরাগ্রগণ্যং পুরুষং নমামি ॥২॥

অনুবাদ: যিনি রাধিকার চিত্ত চোর, যিনি নবজলধরমেঘের কান্তি চোর ও যিনি স্ব-চরণাশ্রিত ভক্তগণের সর্বস্ব হরণ করেন, সেই চোর শিরোমনিকে আমি প্রণাম করি।

অকিঞ্চনীকৃত্য পদাশ্রিতং যঃ
করোতি ভিক্ষুং পথি গেহহীনম্।
কেনাপ্যহো ভীষণচৌর ঈদৃগ
দৃষ্টঃ শ্রুতো বা ন জগত্রয়েহপি ॥৩॥

অনুবাদ: যিনি স্বচরণাশ্রিত ভক্তদের অকিঞ্চন করে (তাদের স্ত্রী-পুত্র, ধনাদি সর্বস্ব হরণ করে) তাদেরকে গৃহহীন ও পথের ভিক্ষুক করেন, তার ন্যায় ভীষণ চোর জগতে কেউ দেখেও নি বা শোনেনি।

যদীয় নামাপি হরত্যশেষং
গিরি-প্রসারানপি পাপরাশি।
আশ্চর্যরূপঃ ননু চৌর ঈদৃগ
দৃষ্টঃ শ্রুতো বা ন ময়া কদাপি ॥৪॥

অনুবাদ: যার নাম মাত্রেই জীবের পর্বত প্রমাণ পাপরাশি নিঃশেষে হরণ করেন, এরূপ আশ্চর্য চোর আমি কখনও দেখিনি বা শুনিনি।

ধনং চ মানং চ তথেন্দ্রিয়াণি
প্রাণাংশ্চ হৃত্বা মম সর্বমেব ।
পলায়সে কুত্র ধৃহেদ চৌর
ত্বং ভক্তিদান্নসি ময়া নিরুদ্ধঃ ॥৫৷৷

অনুবাদ: হে চোর! তুমি আমার ধন, মান, ইন্দ্রিয় ও প্রাণ প্রভৃতি হরণ করে কোথায় পলায়ন করছ? আমি তোমাকে ভক্তিরজ্জু দ্বারা বেঁধে রাখলাম।

ছিনৎসি ঘোরং যমপাশবন্ধং
ভিনৎসি ভীমং ভবপাশবন্ধ।
ছিনৎসি সর্বস্য সমস্তবন্ধং
নৈবাত্মনো ভক্তকৃতং তু বন্ধম্ ॥৬॥

অনুবাদ: তুমি মনুষ্য মাত্রেরই ঘোর যমপাশ ছিন্ন করতে পার, তার ভয়ানক সংসার বন্ধন ছিন্ন করতে পার। এমনকি সকলের সবরকম বন্ধনই ছিন্ন করতে পার; কিন্তু স্বভক্তকৃত নিজ বন্ধন ছিন্ন করতে পার না।

মানসে তামসরাশিঘোরে
কারাগৃহে দুঃখময়ে নিবদ্ধঃ।
লভস্ব হে চৌর! হরে! চিরায়
স্বচৌর্যদোষোচিতমেব দণ্ডম্ ॥৭॥

অনুবাদ: হে চোর, তুমি ঘোর তমসাচ্ছন্ন দুঃখময় কারাগৃহ রূপ আমার হৃদয়ে চিরকালের জন্য নিবদ্ধ হয়ে নিজের চৌর্যকার্যের উপযুক্ত দণ্ড গ্রহণ করো।

কারাগৃহে বস সদা হৃদয়ে মদীয়ে
মদ্ভক্তিপাশদৃঢ়বন্ধন-নিশ্চল সন্।
ত্বং কৃষ্ণ হে! প্রলয়কোটিশতান্তরেহপি
সর্বস্বচৌর হৃদয়ান্নহি মোয়ামি ॥৮॥

অনুবাদ: অতঃপর তুমি আমার হৃদয় কারাগারে আমার ভক্তিপাশ দ্বারা দৃঢ়রূপে বদ্ধ হয়ে সর্বদা নিশ্চলভাবে অবস্থান কর। হে কৃষ্ণ! হে আমার সর্বস্ব চোর! শতকোটি প্রলয়াবসানেও হৃদয় কারাগার হতে তোমাকে মুক্ত করব না।

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

   📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝
     ꧁👇📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী📖👇



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   🌷❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🌷
   🏵️❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🏵️
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧





adds