✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ ৭. ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ফলক্রয় লীলা ꧂
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ 👇শ্রীকৃষ্ণ লীলা 🙏 সূচীপত্র👇 ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*🌻ফলক্রয় লীলা গৌরচন্দ্রিকা🌻*
*শচীর অঙ্গনে গোরা আনন্দে বিহরে।*
*হেনকালে পথে ডাকে ফল নেবে কেরে।।*
*নদীয়ার বালকসব ফল কিনি খায়।*
*তাহা দেখি গোরা মোর ফল নিতে যায়*।।
*গোরা মুখ দেখি ফলউলি ফল দিল হাতে।*
*আনন্দে নিমাই ফল লাগিলা খাইতে।।*
*বৈষ্ণবদাস কহে দিতে প্রেম ফল।*
*ফলউলি দুঃখ কষ্ট গেল চিরকার।।*######################
*🌻দ্বিতীয় গৌরচন্দ্রিকা🌻*
*জগন্নাথ মিশ্রের সুকৃতি বীজ হৈতে।*
*জনমিল গৌর কল্পতরু নদীয়াতে।।*
*যতনে নিতাই মালী সে তরু সেবিল।*
*ধরিল তাহাতে অদভূত প্রেমফল।।* *দীন দুঃখী জনে দেয় দুহাতে বিলাঞা।*
*আনন্দে নিতাইমালী সে ফল পাড়িয়া।।*
*সে ফলের রস যেন সুধাকর-সুধা।*
*যেজন চুষিয়া খায় যায় তার ক্ষুধা।।*
*ধন নেও নেও বলি সে ফল বিলায়।*
*কেবল বঞ্চিত তাহে এ শেখর রায়।।*
*🌻🌻জয় নিতাই🌻🌻*
*ফলক্রয় লীলার পূর্ব বৃত্তান্ত*
*শ্রীবৃন্দাবনে যে ফল বিক্রয়িনী রমণী এসেছিলেন তিনি কে?*
*তিনি পূর্ব জন্মে কে ছিলেন?*
*কেন ফল বিক্রয়িনী হলেন?*
*কি সাধন করেছিলেন যে স্বয়ং গোপাল তাঁর কাছে ফল নিলেন?*
*পরবর্তীকালে কেন ব্যাধ হয়ে জন্মেছিলেন?*
*উত্তর=* শ্রীবৃন্দাবনে যে ফল বিক্রয়িনী রমণী এসেছিলেন তাঁর নাম কিরাতিনী অর্থ্যাৎ ব্যাধ পত্নী। এই কিরাতিনী পূর্ব জন্মে চন্দ্রবংশের পাটরানী ছিলেন। নারদমুনির অভিশাপে পাটরাণী চন্ডাল ঘরে জন্ম নিয়েছিলেন।শবর ও শবরী নামে।পাটরাণী চন্ডাল ঘরে জন্ম নিয়ে শবর নামক চন্ডালের সাথে বিয়ে হয়।শবর যে জায়গায় বাস করতেন,সে জায়গার নাম ছিল শৃঙ্গবপুর। তাদের একটি পুত্র জন্ম নিয়েছিল তার নাম গুহক।এই ঘটনাটি ত্রেতাযুগের।পিতৃসত্য পালনের জন্য রামচন্দ্র চোদ্দ বৎসর বনবাসে গেলেন।সেইসময় গুহকের সঙ্গে রামচন্দ্রের মিত্রতা হল।একদিন গুহক চন্ডাল তার মাকে রামচন্দ্রের কাছে নিয়ে এলেন।রামচন্দ্রকে দেখে মা বললেন, এই নবীন বয়সে বনে না থেকে আমার ঘরে থেকে পিতৃসত্য পালন কর।আমি তোমায় পুত্রসম পালন করব।দেখ আমি জাতিতে নিষাদ,অন্ন খাওয়াইতে পারব না,আমি তোমায় ফল সেবা দিব।তখন রামচন্দ্র বললেন, পিতৃসত্য পালনের জন্য আমি কোন গ্রাম,ও নগরের গৃহে থাকতে পারব না,আমি বনে থেকেই পিতৃসত্য রক্ষা করব।দেখ মা, তুমি যখন ফল সেবার কথা বললে, আমি তোমার কথা রাখব,তবে এ যুগে নহে, আগামী দ্বাপরযুগে আমি গোকুলে যাব,তখন তোমার হস্তে ফল গ্রহণ করব।আগামীতে তুমি "জামদায়"গিয়ে দোঁহে বসবাস করবে এবং পরজন্মে তুমি কিরাতিনী হয়ে জন্ম নেবে,আর শবর কিরাত হয়ে জন্ম নেবে। *নারদমুনি কি অভিশাপ করেছিলেন?* চন্দ্রবংশ নামে এক কুল ছিল,সেই কুলের রাজা ছিলেন চন্দ্রকান্ত, হেমকান্তা নামে তাঁর প্রধান মহিষী(রাণী) ছিলেন।একদিন রাজা নর্মদার তীরে গিয়ে রজত,কাঞ্চন,মণি,মানিক,প্রবাল,অশ্ব রথ,হাতী,গোবৎস ও অন্নদান এবং ভূমিদান করতে লাগলেন।হঠাৎ সেই সময় নারদমুনি এসে উপস্থিত হলেন, নারদমুনিকে দেখে রাজা চন্দ্রকান্ত দাসীপুত্র বলিয়া অনাদর করিলে,মুনি অত্যন্ত ক্রোধান্বিত হয়ে রাজা চন্দ্রকান্তকে বললেন,দাসীপুত্র বলিয়া আমায় এত অবজ্ঞা,রাজন তোমার আচরণ দেখে মনে হচ্ছে চন্ডাল সম, একজন প্রজা বৎসল রাজার এরকম আচরণ হতে পারে না।
*চন্ডাল হৃদয় ভাব করিলে যেমন*
*চন্ডাল কুলেতে জন্ম লওগে রাজন*
*নিষাদ কুলেতে জন্ম মহিষী সহিত*
*ধনে মত্ত হৈলে,হবে দরিদ্র দুঃখিত*
*** মুনির অভিশাপ শুনে রাণী অত্যন্ত ভয় পেয়ে অঝোর নয়নে কাঁদতে লাগলেন। সঙ্গে সঙ্গে রাণী নারদমুনির চরণ ধরে বলতে লাগলেন,আমি কি অপরাধ করলাম যে,আমায় নীচকুলে জন্ম নিতে হবে?
তখন নারদমুনি বললেন, তোমার স্বামীর নীচ আচরণের জন্যই তোমায় শাস্তি ভোগ করতে হবে।তবে =====
*শুন শুন হেমকান্তা আমার বচন*
*কহিনু যে বাক্য নাহবে কভু লঙ্ঘন*
*অবশ্য নিষাদকুলে হইবে উৎপত্তি*
*শৃঙ্গবের পুরে গিয়া করিবে বসতি*
** ত্রেতাযুগে রামচন্দ্রের বনবাস হবে,
তারপর রামচন্দ্রের সঙ্গে তোমার সাক্ষাৎ হবে,তাঁকে ফলভক্ষণের কথা বলবে,কিন্তু তিনি তাহা গ্রহণ করবেন না, পরজন্মে অর্থ্যাৎ দ্বাপরযুগে শ্রীকৃষ্ণ হয়ে অবতীর্ণ হবেন এবং তোমার মানস পূর্ণ করবেন।
*কিরাত কুলেতে পরে হৈবে উৎপত্তি*
*জামদানগরে গিয়া করিবে বসতি*
*সদাই থাকিবে তোমার দারিদ্র লক্ষণ*
*পরে জামদায় পুনঃ হইবে রাজন*
** শ্রীকৃষ্ণ ধান্য দিয়া তোমার নিকট হতে ফল নেবেন,সেই ধান্য হতে তোমার সমস্ত দারিদ্রতা দূর হবে। শ্রীকৃষ্ণের কৃপায় তুমি এবং তোমার স্বামীর বৈকুন্ঠ প্রাপ্তি হবে।আর তোমরা মহাসুখে দিন যাপন করবে।
(বানান,ভুল ভ্রান্তি মার্জনীয় জয়নিতাই)
*গৌরচন্দ্রিকার সংক্ষেপে ব্যাখ্যা লিখি*
*মহাপ্রভুর বাল্যলীলা,* *আর ব্রজে শ্রীকৃষ্ণের লীলার মধ্যে কোন তফাৎ নেই,* *বাল্যকালে আকৃতি অন্য শিশুর মতো হলেও ভাব ভঙ্গী সাধারণ শিশুর মতো ছিল না।* *তিনি কখন কোন লীলা করবেন তাহা সাধারণ মানুষের পক্ষে জানা অসাধ্য।* *তাঁর মধ্যে বেশ অপ্রাকৃত গুণ দেখা যেত,তাঁকে কোলে নিলে শরীর আনন্দে পুলকিত হত,* *কি পুরুষ কি নারী নিমাইকে কোলে নিলে* *আর কোল হতে নামাতে চাইতেন না।* *সুতরাং মা শচী গৃহকর্মে রতা থাকলে সব সময় পুত্রকে কোলে নিতে পারতেন না।* *পাড়া-পড়সীর নর-নারী এসে আদর করতেন।* *এ* *ছাড়াও নিমায়ের জন্মের পর হতে* *শচী,জগন্নাথ ও অন্যান্য নিজজনে অনেকরকম অলৌকিক ঘটনা দেখতে পেয়েছিলেন।* *নিমাই যখন নিদ্রা যেত তাঁর হৃদয় হতে চন্দ্রের ন্যায় শীতল আলো নির্গত হত,* *কখনও সর্বাঙ্গ হতে বিদ্যুতের মত ঝলক দিত,* *সেই সময় শচীমা বুঝেছিলেন অন্যান্য বালকের মত আমার পুত্র নয়,* *খানিকটা হলেও আলাদা।* *জগন্নাথ মিশ্রের বাড়ীর নিকটে* *জগদীশ পন্ডিত ও হিরণ্য ভাগবত দুই* *ব্রাহ্মণের বাড়ী ছিল।* *কোন এক একাদশীর দিনে নিমাইচাঁদ কাঁদতে লাগলেন।*
*নিমাই কাঁদতে শুরু করলে তাঁর কান্না শুনে সকলেই ভয় পেতেন।* *কি দিয়ে কান্না থামবে তা নিদিষ্ট করা যেত না।* *কান্নার সময় তাঁর* *নয়ন হতে এতই জল বেড়োতো যে*
*সবাই ভয় পেত,* *কখনও বা তিনি কাঁদতে কাঁতে মূর্ছিত হয়ে পড়তেন।* *কাজেই নিমাই কান্না শুরু করলেই কেউ তার পাশ ছাড়া হতেন না।* *যখন কোন মতেই কান্না থামত না তখন তাঁর কর্ণে হরিনাম করলে আপনমনে কান্না থেমে যেত।* *আজকের কান্না কিন্তু একটু অন্যরকম, হরিনাম দিয়েও কান্না থামানো গেল না।* *তখন শচীমা কাতরভাবে বললেন,* *বাপ নিমাই তুই কাঁদিস কেন?* *কি হয়েছে বল?* *তুই যা চাইবি আমি তাই দিব।* *তখন নিমাই কান্নাসুরে বললেন,যে হিরণ্য ভাগবত ও জগদীশ পন্ডিতের বাড়ী থেকে যে একাদশীর ফল আছে তা যদি এনে দাও আমি আর কাঁদব না।* *এইকথা শুনে আর সকল যারা ছিলেন সকলেই জিভ ললেন যে,* *ঠাকুরের দ্রব্র অমন করে চাইতে নাই,তুই ফল খাবি বাজার থেকে কিনে এনে দিব।* *বাপ তুই চুপ কর, তোর কান্না শুনে আমার বুক ফেটে যাচ্ছে।* *নিমাই বললেন না, বাজারের ফল না, ঐ বাড়ী থেকেই ফল এনে দিতে হবে।* *ঐ* *দুই ব্রাহ্মণের বাড়ীর ফলই আমি চাই*। * *শচীমার গৃহে চিৎকার* *কোলাহল শুনে ভাগবত ও পন্ডিত* *মহাশয় এলেন, কি ব্যাপার এত কোলাহল কেন?* *শচী গৃহে এসে দেখলেন নিমাই কাঁদছে,* *তখন নিমাইকে দেখে তাঁদের মনে হল, না,এ কোন সাধারণ শিশু বলে মনে হচ্ছে না,* *স্বয়ং গোপাল এ দেহে বিরাজ করছেন।* *আর তিনি নৈবেদ্য চাইছেন,এইরকম মনে দৃঢ় বিশ্বাস হওয়ায় তাঁদের অঙ্গ পুলকিত হল,* *তারপর তাঁরা ঘরে গিয়ে দেখলেন* *স্বয়ং গোপাল নিমায়ের রূপ ধরে সিংহাসনে বসে আছেন,* *তখন তাঁরা দুইজনে একাদশীর সমস্ত ফল* *এনে নিমায়ের সামনে দিয়ে বললেন* *এই সমস্ত ফল সেবা নাও।* *তুমি আমার গোপাল, তুমি সেবা নিলেই আমার গোপালের সেবা হবে।* * *তখন নিমাই কতক ফল খাইলেন ও কিছু ফল অন্যান্যদের মধ্যে বিতরণ করলেন।* *সামান্য ফল ছিল সেই ফলগুলো অঙ্গে লাগালেন।* *এ সব দৃশ্য দেখে শচীমা ভাবছেন,আমার পুত্র কি প্রকৃতই ক্ষেপা?* *তখন তাঁর ভগিনীকে ডেকে পাঠাল,ভগিনী আসলে তাঁকে বললেন,* *এমন সুন্দর ছেলে, এ কেন ক্ষেপা হল বলতে পারিস?* *সেজন্য চীন্তিত হয়ে তকে ডেকে পাঠালাম।* *অন্তর্য্যামী মহাপ্রভু তাঁদের কথা শুনে*
*মৃদু মৃদু হাসতে লাগলেন আর হাতে কয়েকটি ফল ছিল বাইরে গিয়ে খেতে লাগলেন।*
*🌻🌻জয় নিতাই 🌻🌻*
*🌻🌻ব্রজলীলা প্রথম পদ🌻🌻*
*একদিন মথুরা হতে,ফল লৈয়া আচম্বিতে*
*আইলা সে ফল বেচিবারে।*
*ফল লেহ লেহ লেহ,ডাকে পুনঃ পুনঃ সেহ*
*নামাইলা নন্দের দুয়ারে।।*
*ব্রজশিশু শুনি তাই,ফল লইবারে যাই*
*বেতন লইয়া পরতেকে।*
*কিনি কিনি ফল খাই,আনন্দিত হিয়ায়*
*পসারি বেড়িয়া একে একে*
*শুনি কৃষ্ণ কুতূহলি,ধান্য লইয়া একাঞ্জলী*
*করে হৈতে পড়িতে পড়িতে।*
*পশারি নিকটে আসি,ফল দেও বল হাসি*
*ধান্য দিল ফলওলির হাতে।।*
*ধান্য লৈয়া ফলাহারি,পুনঃপুনঃ মুখ হেরি*
*নিমিষ তেজিল পসারানী।*
*এ দাস উদ্ধবে কয়,কহিলে কহিল নয়*
*ভূবন মোহন রূপখানি।।*
🌻🌻প্রথম পদের ব্যাখ্যা🌻🌻*
*একদিন একজন ফল বিক্রয়িনী নানাবিধ ফলের পসরা মাথায় করে গোপ রাজ নন্দের বাড়ির পাশ দিয়ে চলে যাচ্ছে এবং মাঝে মাঝে ফল নেবে গো ফল বলে চিৎকার করছে* *রব শুনে যশোদানন্দন* *অঙ্গন মাঝে দাঁড়িয়ে আছেন।* *অঙ্গন মাঝে কেন?* *গোপাল বাইরে গেলে ভীষণ দুষ্টুমি করে বলিয়া* *যশোদা মা গোপালকে ঘরের বাইরে যেতে দেন না, তাঁদের* *বিশাল বড় অঙ্গন আছে সেই অঙ্গনে**সমবয়স্ক সঙ্গে খেলাধূলো করে।**সেই সময়টি ছিল হেমন্তকাল, রাশি রাশি হৈমন্তিক ধান জমি হতে এনে অঙ্গনে স্তূপাকারে রেখেছেন।*
*গোপাল সকালবেলাসেই ধান্য স্তূপের কাছে বসে একাকী ধান নিয়ে খেলা করেন।* *আর মা যশো* *মতী পুত্রের বাল্যলীলা আস্বাদন* *করেন।* *কিছু সময় পরে গোপালের সখাগণ ধীরে ধীরে গোপালের কাছে আসে আর অঙ্গনে নানাবিধ খেলা খেলে।* *যখন সখাগণ এলো মা যশোমতী বললেন তোরা অঙ্গনে খেলা কর বাইরে যাবি না।* *এই বলে যশোমতী* *অন্দরে গেলেন।* *হঠাৎ বাইরে শোনা গেল,"ফল নেবে গো ফল"* *গোপাল ভাবলেন ফল কি আবার?* *দেখি তো কে ফল নিয়ে যাচ্ছে,* *ফল কি রকম দেখব।* *এই বলে খিড়কি দরজার* *দিকে অগ্রসর হলেন,কিন্তু হায়!চরণের নুপূর রুণুরুণু রবে বেজে উঠল।* *এই শব্দ গৃহের দাসীগণ শুনলে মাকে বলে দিবে যে গোপাল বাইরে যাচ্ছে!* *তখন আমায় বাইরে যেতে দিবে না।* *চতুরের শিরোমণি গোপাল এবারে খুব ধীরে ধীরে পা বাইর করতে লাগলেন যেন নুপূর বেজে না উঠে।* *নুপূর দ্বয়কে চরণের উপরিভাগে তুলে দিলেন।* *এইভাবে পেছনদ্বার হতে বাইরে বেড়োলেন।*
অবশিষ্ট অংশ ------
*🌻প্রথম পদের অবশিষ্ট অংশ🌻* *সেই সময় ফলবিক্রয়িনী পুন হাঁক দিলেন,"ফল নেবে গো ফল",* *গোপাল তার দিকে তাকিয়ে হাত তুলে বললেন,ওগো এসো এসো আমি ফল নিব।* *(যিনি সর্বফলদাতা তিনি বাল্যভাবাবেশে নিজের ফলদানের কথা ভুলে আজ ফল গ্রহণের জন্য লালায়িত হয়ে ডাকলেন এসো এসো আমি ফল নিব।*) *গোপালের মধুর কন্ঠস্বর শুনে ফলবিক্রয়িনীর কর্ণে যেন সুধাবর্ষণ হল,সে পরমানন্দে* *চমকিত হয়ে সেই মধুর শব্দ যে দিক দিয়ে আসিল সেইদিকে ফিরে দাঁড়াল* *এবং আর বলল কে গো ফল নেবার জন্য আমায় ডাকছ?* *আমি গুরুভার ফলের পসরা মাথায় করে পথে পথে ঘুরতে ঘুরতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছি।* *তখন গোপাল তাঁর ছোট্ট ছোট্ট হাতদুটি তুলে বললেন,* *ওগো!এদিকে এসো,আমি তোমার সব ফল নেব।*
*ফলবিক্রয়িনী দেখল,দিব্যাতিদিব্য ইন্দ্রনীলমণি-বিনিন্দিত অঙ্গের চ্ছটায়*
*দশদিক আলোকিত করে একটি ছোট্ট শিশু পথে দাঁড়িয়ে আছে।*
*তাঁর মাথায় ঘনকৃষ্ণকুঞ্চিত চূর্ণকুন্তল*
*রাশি কোটি কোটি অকলঙ্ক পূর্ণচন্দ্র*
*বিনিন্দিত বদনকমলে ঝাঁপিয়ে পড়বে বলে কে যেন সংযত ও উচ্চ করে বেঁধে দিয়াছে।* *তথাপি দুই একগুচ্ছ স্খলিত হয়ে মুখে পড়ছে।* *সে বালকের অঙ্গশোভা দেখলে মনে হবে ত্রিজগতের কোন বস্তুর সহিতই তুলনা করতে ইচ্ছে হয় না।*
*🌻দ্বিতীয় পদ🌻*
*ও মোর সোনার চাঁদ,কি তোর মায়ের নাম,*
*কার ঘরে হৈলা উৎপত্তি*।
*বহুকাল তপ করি,কে পূজিল হর গৌরী,*
*কোন পূর্ণ কৈল সেই সতী।।*
*তোমারে করিয়া কোলে,কত শত চুম্বন দিলে,*
*নয়ানের জলে গেল ভাসি।*
*পাইয়া মনের সুখে,স্তন দিল চাঁদমুখে*
*মুঞি যাই হব তাঁর দাসী।।*
*এত কহি ফলাহারি,ফল দেন কর ভরি*
*প্রেমভরে গদ গদ চিত।*
*কৃষ্ণচন্দ্র ফল হাতে,খাইতে খাইতে পথে*
*আসি নিজ গৃহে উপনীত।।*
*ফল দেখি যশোমতী,আনন্দ না জানি কতি*
*খাওয়াইয়া প্রেমসুখে ভাসে।*
*ধন্য সেই ফলাহারি,ফল পাইল নন্দহরি,*
*কহে কিছু ঘনরাম দাসে।।*
#######################
*ডালা হইল রতনে পূরিত।*
*ফলাহারি সবিস্ময় চিত*
*আপনা আপনি করে খেদ*
*মনে মনে ভাবে নিরবেদ।।*
( *নিরবেদ=নির্বেদ== অনুতাপ*)
*বহু ব্যাখ্যা আছে সামান্য লিখিলাম*
*🌻ভুল ভ্রান্তি মার্জনীয়🌻*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ📱7001138871꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


