✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ নিরামিষ-আমিষ ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
আজকাল আমিষ ও নিরামিষ খাবার নিয়ে অনেকে অনেক কথা বলছেন। তর্ক বিতর্কও হচ্ছে। তাই আজ এ বিষয়টা একটু ব্যাখ্যা করা যাক।
আমাদের কোনো শাস্ত্রে কি আমিষ বা নিরামিষ আহার নিয়ে কোনো নির্দেশনা আছে? বৈদিক তথা সনাতন ধর্ম বিভিন্ন মত পথের ভিত্তিতে শতধারায় বিভক্ত। মূলত উদ্দেশ্য সবার ভগবদ্ভক্তি আর ভগবানের আরাধনা ও জীবের কল্যাণের হেতু ক্রিয়া কর্ম্মাদি করা।
পরমকরুনাময় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ, শ্রীমদ্ভগবদ গীতায় বলেছেন যে সকল কর্ম, চিন্তা, চেতনা, আহার, বিহার সব কিছুতে সাত্ত্বিকতা বজায় রাখতে। এর পেছনেও নিশ্চয়ই কোনো কারণ আছে।
ষড়ঋপু তথা কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহ, মদ ও মাৎসর্য্য সবার ভগবদ্ভক্তির অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। তাই এই ষড়ঋপুকে বশে রাখতে পারলেই, তার পক্ষে ভগবান ভজনা সম্ভব ও সহজ হয়।
আমারা যে আহার গ্রহণ করি, তা আমাদের পাকস্থলীতে যেয়ে পরিপাক হয়ে, শরীরস্হ কোষ তথা অস্থি, মজ্জা, রক্ত, মাংস ইত্যাদিতে যেয়ে, সেসবের ক্ষয় পূর্ণ ও গঠনে সাহায্য করে। যে খাদ্যের যে বৈশিষ্ট্য বা গুনাগুন, তাই আমাদের শরীরের কোষ সমূহে নিষিক্ত হয়ে, আমাদেরও সেই বৈশিষ্ট্যে ধাবিত করে। আর এর ফলেই আমরা ষড়ঋপুর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত বা তাদের নিয়ন্ত্রকে পরিণত হতে পারি।
আমাদের আসল উদ্দেশ্য শ্রীভগবানে শুদ্ধ ভক্তি। ভগবান বলেছেন, "সমস্ত কর্ম্মফল আমাতে অর্পণ করে, আপন কর্ম্ম করে যাও।" এটাই ভক্তের প্রকৃত লক্ষণ।
অনেকে আছেন, নিরামিষ আহার করেন, গলায় তুলসী মালা পরেন, দ্বাদশ অঙ্গে তিলক ধারণ করেন। তাঁকে নিশ্চয়ই বৈষ্ণব বলা যায়। কিন্ত সে যদি কৃষ্ণমন্ত্রে দীক্ষিত নন এমন কাউকে অবজ্ঞা বা হেয় করার প্রয়াস করেন, তাঁকে কি বৈষ্ণব বলা সমীচীন হবে? নিশ্চয়ই নয়। কারণ তিনি গীতার বাণী উপেক্ষা করলেন। সে যে নিজেকে তৃণ অপেক্ষা ক্ষুদ্র এবং "সর্বভুতে সমদর্শন" ভাবতে পারেন তিনিই হলো আমার প্রকৃত ভক্ত।
আবার যদি কেউ আমিষ আহার করেও শ্রীভগবানে একনিষ্ঠ ভক্ত হতে পারে, তাঁর নির্দেশিত পথ অনুসরণ করতে করতে অবশেষে সে কখনো শ্রীভগবানে কৃপায় তাহার সঠিক জ্ঞানের অধিকারী হতে পারবে। নিরামিষ আহার শ্রেষ্ঠ না আমিষ।
আমরা যদি বংশানুক্রমে নিরামিষাষী হই, তবে আমিষ আমাদের শরীর গ্রহণ করতে পারবেনা। কিন্ত যদি আমিষাষী হই, তবে হুট করে তা ত্যাগ করলেও শরীরের একই পরিণতি হবে। এ জন্য চাই অভ্যাস। এই অভ্যাসের দ্বারাই আমরা রাজসিক ও তামসিককে সাত্ত্বিকে রুপান্তরিত করতে পারি। গ্রাম বাংলায় একটা প্রবাদ আছে,"যস্মিন দেশে যদাচার"। কাজেই আমিষ নিরামিষ নয়, সাত্ত্বিকতাই হোক আমাদের লক্ষ্য।
কাউকে হেয় বা অবজ্ঞা করা আমার উদ্দেশ্য নয়। আমাদের সকলের মূল লক্ষ্য একটাই, শুদ্ধ ভক্তিতে ভগবানের নামকীর্ত্তন করে তাঁর কৃপাধণ্য হওয়া। তাই আমিষ বা নিরামিষ নিয়ে নিজেদের মধ্যে কলহ বিবাদে না জড়িয়ে সবাইকে আহ্বান করি, সবাইকে আমি আন্তরিক সম্মান দিয়ে সমস্বরে একসাথে শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর জয় দিই। যিনি সকল বর্ণকে এককরে এবং সকল সিদ্ধান্তকে এককরে জগৎকে যে একমাত্র নাম সম্পদ উপহার দিয়েছেন তা সর্বপ্রথম গ্রহণ করি সমন্বয়ে।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
⬇️⬇️⬇️এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন⬇️⬇️⬇️
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


