✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
৪৭. মা জাহ্নবার পালিত পুত্রদ্বয় 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/madhukori47.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 ꧂❀•*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৪৭)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
*মা জাহ্নবার পালিত পুত্রদ্বয়*
~~~~~~~~~~~~~~~~~
*🍀শ্রীখন্ডে নরহরি ঠাকুরের শ্রীপাট দর্শন করে খড়দহে প্রত্যাগমন করেন। এই প্রত্যাগমনকালে শান্তিপুরে থাকাকালীন অদ্বৈততনয় অচ্যুতানন্দের শ্রীমুখ হতে তিনি সীতানাথের লীলা কথা শুনে অঝোর নয়নে নয়নবারি বরিষণ করতে লাগলেন এবং শোকার্ত হৃদয়ে অদর্শন জনিত আক্ষেপে বিলাপ করতে লাগলেন।বালকের এই আর্তিতে সকলে সমভাবে ব্যথিত হয়ে সীতানাথের নিকট প্রার্থনা জানাতে লাগলেন যে "হে দয়ালপ্রভু সীতানাথ" একবার কৃপা করে দর্শনদান করে এই বালকের প্রাণ রক্ষা করো।ভক্তমন্ডলীর এই কাতর প্রার্থনায় মহাবিষ্ণুর অবতার প্রকট লীলা সাঙ্গ করলেও তিনি হঠাৎ আবির্ভূত হয়ে বালককে এক ভবিষ্যৎ বাণী দ্বারা আশ্বস্ত করলেন যা এই পয়ারের মাধ্যমে বুঝা যাবে*
*🌷সেইকালে আবির্ভাব হইয়া গোসাঞি।*
*🌷কহিলেন ধন্য,ধন্য,ধন্য হে রামাই।।*
*🌷কৃষ্ণ বলরাম রূপে গৌর নিতাই।*
*🌷তুয়াসহ বিহরিবে কোন গুপ্ত ঠাঁই।।*
*🌷মুঞি সেই কালে তথা শঙ্কর রূপেতে।*
*🌷রহিব প্রভুর আলয়ের দুয়ারেতে।।*
*🌷প্রভুর প্রসাদ নিত্য করিব ভক্ষণ।*
*🌷তোমারে কহিনু বাপ্ এই বিবরণ।।*
*🌹অর্থ্যাৎ অদ্বৈতাচার্য্য ইঙ্গিতে বললেন যে রামচন্দ্র অতি অলৌকিক ভাবে এক কৃষ্ণ বলরাম বিগ্রহ পাবে যা নিতাই গৌরের স্বরূপ ছাড়া আর কিছুই নয়। তাঁরা কোন এক গুপ্ত জায়গায় থেকে রামচন্দ্রের সেবা গ্রহণ করবেন এবং নিত্য সেই মহাপ্রসাদ গ্রহণ করবেন।এ যেন বলিরাজের দ্বারে দেবাদিদেব নারায়ণের দ্বারী হিসাবে অবস্থানের মতো সমতুল্য কাহিনী।*
*অতঃপর বেশ কিছুদিন খড়দহে মা জাহ্নবার স্নেহ স্পর্শে থাকবার পর তিনি তাঁর আদেশে মহাপ্রভু এবং নিত্যানন্দ প্রভু প্রবর্তিত প্রেমধর্ম প্রচারের জন্য বঙ্গদেশের বিভিন্ন জায়গায় জীব উদ্ধার লীলা করে পুনরায় খড়দহ শ্রীপাটে ফিরে আসেন এবং এই পরিব্রাজন কালে বীরচন্দ্র প্রভু সমস্ত প্রকার সুব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন, পরে নীলাচলে গমন করে চাতুর্মাস্য ব্রতপালন করেন। বিদায় বেলায় তিনি যখন জগন্নাথ দেবের মন্দিরে এসে কাতরভাবে বিদায়ের অনুমতি প্রার্থনা করলেন তখন ভক্তবৎসল জগন্নাথদেবের কন্ঠ হতে আজ্ঞা মালা স্খলিত হল যা দ্বারা বুঝা যায় যে তিনি কোন স্তরের সাধক ছিলেন।ভক্তগণও তাঁকে বহুপ্রকার প্রসাদ ও জিনিস পত্র উপঢৌকন দিলেন যা এই পয়ারটি হতে বুঝা যাবে।*
*🌷জগন্নাথ শ্রীঅঙ্গের মালা খসি পড়ে।*
*🌷সেই মালা পান্ডা লয়ে তার শিরে ধরে।।*
*🌷প্রসাদ লভিয়া তার প্রেম উথলিল।*
*🌷অষ্টাঙ্গে লোটায়ে বহু প্রণাম করিল।।*
*🌷জগবন্ধু পরিধেয় বস্ত্র পুরাতন*।
*🌷পূজারী ঠাকুর শিরে করিলা বেষ্ঠন।।*
*🌷চন্দন কড়ার ডোর লইলা মাঁগিয়া।*
*🌷করেন স্বদেশ যাত্রা অনুমতি লইয়া।।*
*🌹পুরীধাম হতে এই প্রত্যাবর্তন কালে তিনি শ্রীধাম নবদ্বীপ, শান্তিপুর, খানাকুল, শ্রীখন্ড ইত্যাদি সর্বপীঠস্থানে মহাপ্রসাদ বিতরণ করে অবশেষে খড়দহে এসে মা জাহ্নবার সঙ্গে মিলিত হলেন এবং সকলকে বহুবিধ অর্থ এবং দ্রব্যাদি দ্বারা মর্য্যাদা দিলেন যা তাঁকে ঐ অঞ্চলের ভক্তগণ দিয়েছিলেন। অবশেষে তিনি মাতৃ আদেশে খড়দহে শ্যামসুন্দরের সেবায় মনোনিবেশ করেন। এই ভাবে গুরুমাতার সেবা এবং বিগ্রহ সেবার মাধ্যমে তাঁর ভক্তিময় জীবন চলতে লাগল।এমনই এক সময়ে মা জাহ্নবার আদেশে তিনি তাঁর সঙ্গে শ্রীধাম বৃন্দাবন যাত্রা করলেন এবং সেখানে গমন করে অত্যাশ্চর্য্যভাবে এক কৃষ্ণবলরাম বিগ্রহ পেলেন এবং বৈষ্ণবগণসহ মহানন্দে সেই বিগ্রহদ্বয়কে শিবিকায় স্থাপনা করে গৌড়মন্ডলে প্রত্যাবর্তন করেন।বেশ কয়েকমাস পদব্রজে চলবার পর শ্রীপাট অম্বিকা কালনার কাছে ভাগীরথীর তীরবর্তী এক অরণ্য মধ্যে এসে পৌঁছিলেন।এমনই সময়ে জাগ্রত সেই বিগ্রহদ্বয় এক অদ্ভুত লীলা প্রকাশ করলেন। (যা অদ্বৈতাচার্য্যের ভবিষ্যৎ বাণী ছিল ) কৃষ্ণবলরাম বললেন, "আর না যাইব-- এই বনে রহি মোরা বিহার করিব"(বংশী শিক্ষা ) রামচন্দ্র তখন সমবেত সঙ্গীগণকে বিগ্রহের এই আদেশ বা বাসনা প্রকাশ করলেন এবং সকলেই মিলিত ভাবে সিদ্ধান্ত দিলেন যে কানাই-বলাইয়ের যখন এই বনেই বিহার করবার ইচ্ছা তখন তাইই পূরণ করতে হবে।এই অঞ্চলের কাছে রাধানগর নামক কায়স্থ প্রধান গ্রাম ছিল এবং সেই গ্রামবাসীগণের কানে যখন এই জাগ্রত বিগ্রহদ্বয়ের লীলা কাহিনী শুনলেন তখন তাঁরা সানন্দ মনে কাঠুরিয়া দ্বারা জঙ্গল পরিস্কার করিয়ে একটি পর্ণকুটীর নির্মাণ করিয়ে সেখানেই কানাই-বলাই এর সেবার সূচনা করেন এবং গ্রামবাসীগণ অতীব আর্তির সঙ্গে প্রত্যেকদিন সেবার দ্রব্যাদি জোগান দিতে লাগলেন। এ যেন মাধবেন্দ্রপুরী গোস্বামীর বৃন্দাবনে গোপাল প্রকট এবং ব্রজবাসীগণের সেবার অনুরূপ কাহিনী।*
*🌴সেই অরণ্যে এমনই এক সময়ে বন্যজন্তু অধ্যুষিত এক বাঘ রোজ সেই পর্ণকুটীরের কাছে বিচরণ করতে লাগল।এর ফলে সকলের মনে এক ভয়ের সঞ্চার হল এবং সকলে রামচন্দ্র প্রভুর কাছে গিয়ে সব কথা বলল।মহাশক্তিধর রামচন্দ্র বিনা দ্বিধায় বা বিনা ভয়ে সেই বন্য বাঘের কাছে গিয়ে সস্নেহে তার অঙ্গে হাত বুলিয়ে দিতে দিতে বললেন=*
*🌷জীব হিংসা ছাড় বাপ্ কর কৃষ্ণনাম।*
*🌷পশু জন্ম ঘুচে যাবে পাবে পর ধাম।।*
*🌷প্রভুর শ্রীকর স্পর্শ আর কৃষ্ণনাম।*
*🌷পাইয়া প্রেমেতে ব্যাঘ্র নাচে অবিরাম।।*
*🌷তবে মহাশয় ব্যাঘ্র প্রভুর সম্মুখে।*
*🌷নামের সহিত দেহত্যাগ কৈল মহাসুখে।।*
*(বংশী শিক্ষা )*
*🌻রামচন্দ্র প্রভুর এই অহৈতুকী কৃপার প্রশস্তি(প্রশংসা) করে মুরলী বিলাস গ্রন্থে লিখেছেন=*
*🌷এমন দয়াল কেবা আছে ত্রিভুবনে।*
*🌷ব্যাঘ্রে কৃষ্ণনাম দিয়া তারে নিজগুণে।।*
*🌷সবারে সমান দয়া নাহি আত্মপর।*
*🌷হেন প্রভু না ভজিনু মুই তো পামর।।*
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
*প্রাণকৃষ্ণ দরশনে,প্রেমানন্দ গোপী মনে,*
*মিলনের এই বাণী অপূর্ব কথন।*
*ভুলি গিয়া ধন জনে,ডাক তাঁরে একমনে,*
*নিশ্চয় মিলিবে তব কৃষ্ণ-দরশন।।*
*ভগবানে দেহ মন,কর যদি সমর্পণ,*
*অশুভ তোমার যাহা হবে বিনাশন।*
*তাঁর কৃপা বর্ষে যদি,শান্ত তবে হবে হৃদি,*
*দুঃখ কাটি মনে শক্তি মিলিবে তখন।।*
*অক্রূরেরে ডাকি আজ,কহিলেন কংসরাজ,*
*মথুরা নগরে কৃষ্ণ কর আনয়ন।*
*কংসরাজা আজ্ঞা দিলে,অক্রূর প্রভাত কালে,*
*শ্রীকৃষ্ণে আনিতে রথে করে আরোহণ।।*
🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
