✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
🆕 শ্রীমহাপ্রসাদের আবির্ভাব 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/04/blog-post_59.html
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
শ্রীশ্রীজগন্নাথ লীলামৃত 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
নারদ মুনির একবার বাসনা হলো যে তিনি ভগবান নারায়নের প্রসাদ পেতে চান। কিন্তু যা ছিল অসম্ভব। কারন নারায়নের প্রসাদ কেবল মাতা মহালক্ষী ব্যাতীত অন্য কেউ পেতে পারেন না। এই সংকটে নারদ মুনি লক্ষীদেবী কে প্রসন্ন করার হেতু তপস্যা শুরু করলেন। অতঃপর ১২ বছর তপস্যার পর দেবী লক্ষী প্রসন্ন হলেন এবং নারদ মুনিকে বললেন-----তোমার তপস্যায় আমি সন্তুষ্ট হয়েছি,বলো কি বর চাও তুমি? উত্তরে মুনিবর বললেন যে তিনি নারায়নের প্রসাদ পেতে চান!!
মাতা লক্ষী বিপদে পড়ে গেলেন,কিন্তু নারদ মুনিকে বরও যে দিতে হবে। তাই তিনি তথাস্তু বললেন। লক্ষীদেবী বললেন ঠিক আছে তুমি এখানে অপেক্ষা কর, প্রভুর ভোজন শেষে তার অবশেষ প্রসাদ তুমি পাবে। অবশেষে যখন নারদ মুনি সেই প্রসাদ পেল তা সেবা করে সে আনন্দে আত্মহারা হয়ে গেল। বীনার ছন্দে নারায়ণ..নারায়ণ বলতে বলতে কৈলাস অভিমুখে যাত্রা করলেন।
মহাদেব তখন নারদ মুনিকে তার আনন্দের কারণ জানতে চাইলেন।নারদ মুনি তখন সবিস্তারে বর্ননা করলেন। তা শুনে মহাদেবের মনে ইচ্ছা হলো যে নারায়নের প্রসাদ পেতে চান। কারণ যাহার প্রসাদ মাত্রেই প্রেম-ভক্তির উদয় হয় এবং সকলেই উদ্ধার পায় তাহার প্রসাদ মেলা তো অতীব সৌভাগ্যের বিষয় কিন্তু নারদ মুনি সব প্রসাদ সেবা নিয়ে নিয়েছেন। কিন্তু এখন উপায় কি হবে?
নারদ মুনি তার হাতের দিকে তাকিয়ে দেখলেন, হাতের একটি আঙ্গুলে একপাশে একবিন্দু প্রভুর প্রসাদ লেগে আছে। মহাদেব সেই চিন্ময় প্রসাদ প্রেমাবেশে সেবা করলেন। সেই চিন্ময় প্রসাদের এমনই স্বাদ ছিল যে ওইটুকু সেবা পাওয়া মাত্রই মহাদেব তান্ডব নৃত্য শুরু করে দিলেন।
ওইদিকে মাতা পার্বতী এই তান্ডব নৃত্যের শব্দ শুনতে পেলেন। আর ভাবলেন যে এখনতো পৃথিবীর ধংসের সময় উপস্থিত হয়নি, তবে স্বামী কেন তান্ডব নৃত্য শুরু করলেন!! নিকটে গিয়ে মহাদেবকে জিজ্ঞেস কররেন এবং ঘটনার বিবরন শুনলেন। তখন মাতা পার্বতী বললেন তিনিও সেই মুহূর্তে নারায়নের প্রসাদ পেতে চান। কিন্তু আর কোন ভাবেই অবশিষ্ঠ প্রসাদ নাই। সেই জন্য অভিমান করলেন যে তিনি পত্নী হওয়া সত্ত্বেও কেন তার স্বামী নারায়নের প্রসাদ একা সেবা করেছেন!!!
তখন মাতা পার্বতী নারায়নের ধ্যান শুরু করলেন। দেবী পার্বতীর তপস্যায় তুষ্ট হয়ে নারায়ন তাকে দর্শন দেন এবং বললেনঃ বলো পার্বতী তুমি কি বর চাও। তখন মাতা পর্বতী বললেন, হে নারায়ন আপনিতো সবই জানেন। তবে আমার আরও প্রর্থনা আছে। এই জগতের সবাই আমার সন্তান। হে ভগবান সন্তানদের রেখে আপনার প্রসাদ শুধু আমি একা পাব তা কখনই হতে পারে না। তাই আপনার মহাপ্রসাদ যাতে জগতের সবাই পায়,সেটাই আমার প্রর্থনা। উত্তরে ভগবান বললেন- কলিকালে আমি যখন জগন্নাথদেব রুপে লীলা করব তখন আমি আকাতরে আমি আমার মহাপ্রসাদ বিতরন করব সকলকে। সেই প্রসাদ প্রথমে তোমাকে দেয়া হবে, হে পার্বতী তাহার পর তোমায় এবং তাহার পর জগতের সবাইকে দেয়া হবে।
🥙🥙🥙🥙🥙🥙🥙🥙🥙🥙🥙🥙🥙🥙🥙🥙
যদি আপনারা কেউ পুরীতে গিয়ে থাকেন সেখানে দেখতে পাবেন জগন্নাথ দেবের মন্দিরের পাশে বিমলাদেবীর (পার্বতী দেবী) মন্দির আছে। সেখানে জগন্নাথের প্রসাদ প্রথমে দেবী পার্বতীকে অর্পন করা হয়। পরে সেই মহাপ্রসাদ সবাইকে বিতরন করা হয়।
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝
꧁👇📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী📖👇꧂
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••*
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••*
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
🌷❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🌷
🏵️❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🏵️
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧


