✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ ৩০. পরম বৈষ্ণব রুইদাস ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁পরম বৈষ্ণব রুইদাস 🙏 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*পরম বৈষ্ণব রুইদাস,(৩০ পর্ব)*
☘☘☘☘☘☘☘☘☘
*যা আমি চাই তাই পেলে আমি বুঝব আমার মানব জনম সার্থক হল।তেব লছমী! তোমার জীবনভোর কষ্টেই দিন কাটছে। তোমার জীবনকে আমার সঙ্গে জড়িয়ে তোমার দুঃখের শেষ থাকল না। লছমী!তবুও আমি বলছি তুমি রাজরাণীর চাইতেও সুখী।রঘুনাথ নিশ্চয়ই তোমার কথাও ভাববেন।তোমাকে তিনি ভুলে নেই গো লছমী? এই কথাগুলো শুনে লছমী চোখ দুটো বড় করে রুইদাসের দিকে তাকালেন। রুইদাস বললেন, লছমী!আমি যা বললাম এতটুকু মিথ্যে নেই।একমন হয়ে ডাক দিলে তিনি কি আর ফাঁকি দিতে পারেন? তিনি যে ভালবাসা পাবার কাঙ্গাল,দেবারও কাঙ্গাল।দিতে যে জানে,পেতেও সে জানে।পয়সা দিয়ে যা সওদা করা যায় না, রুইদাস ভক্তি দিয়ে তা সওদা করেছেন।তাই ছাতিমতলার সেই মুচি রুইদাস আজ মানুষের কাছে ভক্ত রুইদাস, গুরুদেব রুইদাস। হ্যাঁ,জুতো সেলাই করে যাঁর দিন কেটেছে, আজ সে তার ছেঁড়া ফাটা জীবনকে প্রেমভক্তির সূতো দিয়ে সারাই করে নতুন জীবন লাভ করেছেন।রুইদাস আজ ভগবানের দাস হয়েছেন। দাস হতে গেলে ভগবানের আবাসে বাসা নিতে হবে।সে বাসা নিতে হলে তাঁর মনের মত উপঢৌকন দিতে হবে।ক'জন পারে তা দিতে?ক'জন চেষ্টা করে সেই উপঢৌকন দিতে?*
*🙏মন্দিরের আঙ্গিনায় বসে আপন মনে রুইদাস কীর্তন করছেন।গানের সুরে সারামন্দির প্রাঙ্গণ এক অপরূপ ভাবের মূর্ছনা ছড়িয়ে পড়েছে।(বর্তমানে যারা কীর্তন করেন তাদের অনেকাংশের মধ্যে না আছে ভাব, না আছে প্রেমভক্তি),* *ভগবানের জন্য কীর্তন করব, ভগবানের জন্য পাগল হব, কয়জনের ভাবনা আছে? এই জন্যই তো জগতে এলাম,তোমার কৃপা পাব বলেই তো আমার হাসি-কান্না। তুমি ছাড়া আর কাকে ডাকব?তুমি ছাড়া আর কার জন্য কাঁদব? তোমার জন্য কেঁদে যে কী সুখ,যেদিন লোকে জানবে, তখন কেবল নিজেকে ধিক্কার দেবে,সময় থাকতে বুঝতে পারলাম না? ধীরে ধীরে দুই চারটে লোক এসে মন্দিরে রুইদাসের পাশে বসে তাঁর সঙ্গে কন্ঠ মেলায়।*
*🙏রঘুনাথ কান পেতে শুনছেন, এমন হৃদয় গলানোর সুর কে না শুনবে? গান শেষে রুইদাস "রঘুনাথ" বলে কেঁদে ওঠেন। রঘুনাথ বুঝি পাশের বাড়ির লোক,ডাক দিলেই চলে আসবেন?না ডাকলে কি কেউ আসে? না,আসে না।দরকার যার আছে সেই ডাকবে।* *(তাঁর সঙ্গে আমার বিশেষ দরকার,তাঁকে না পেলে আমার চলবে না, এই ভাব নিয়ে যে ডাকবে তিনি অবশ্যই তার ডাকে সাড়া দেবেন)।বার বার ডাকলে তিনি বিরক্ত হয়েও সামনে আসবেন।তাঁর বাড়ী আর আমার বাড়ী তো এক।একই বাড়ীর বাসিন্দা হতে পারলে আর ভাবনা কি,দরকার পড়লেই ডাক,নিশ্চয় তিনি আসবেন। দরকারটি কি? তাঁর অপার করুণা ভিক্ষা? বড় দরকার ঐটি,না হলে আমার চলবে না,এই ভাবের অভাব যার নেই সে অবশ্যই পাবে তার আরাধ্য দেবতাকে। মন্দিরের ভিতরে বসে বসে দেখছেন রঘুনাথজী, এজগতের সংসারের সব কিছুই তাঁর নখদর্পণে। হে দীনদয়াল!মানুষের মনে মনে তুমি বাসা বাঁধো, তাদের তুমি একলা ঘরে রেখ না,তোমার মায়ার তাড়নে বড় উত্যক্ত। তুমি তাদের সুখ শান্তিতে রাখ। হ্যাঁ,তোমাকে ভুলেই আজ যে অশান্তি ভোগ করছে তার নিরসন করো।তাদের জ্ঞানচক্ষু খুলে দিয়ে তোমার করে নাও রঘুনাথ?*
*🍀তারা তো তুমি ছাড়া নয়।🌻রামানন্দ স্বামী তীর্থের পর তীর্থ ভ্রমণ করে বেড়াচ্ছেন অপরাধের বোঝা মস্তকে নিয়ে।(ঐ যে বিনি অপরাধে রামদাসকে আশ্রম থেকে বাহির করে দিলাম বটে, কিন্তু নদীতে আত্মবিসর্জন করল,এই অপরাধ, এই চেতনা কে ফিরিয়েছিলেন, যাকে তিনি সুদব্যবসায়ীর স্ত্রী বলে জেনেছিলেন,তিনি পরম বৈষ্ণবী মা) যাইহোক, কখনও দ্বারকা,কখনও হরিদ্বার,কখনও বৃন্দাবন, তাঁর প্রিয় শিষ্য রামদাস কোথায় কোন মুচির ঘরে জন্ম নিয়েছেন তা তিনি বুঝতে পারছেন না।অনেকদিন পূর্বে কাশীতে একজনের সন্ধান পেয়ে গিয়েছিলেন, তাঁর উপস্থিতিতে শিশু দুগ্ধ পান করেছিল,তখনও রামানন্দ স্বামী বুঝতে পারেননি সেই-ই রামদাস।বহু তীর্থ ভ্রমণ করেও আর সন্ধান পাওয়া যাইনি। ভুলের প্রায়শ্চিত্ত তাঁকে যে করতেই হবে।রামানন্দ স্বামী পুনরায় কাশীতে এলেন, কাশীর বিভিন্ন স্থানে সন্ধান করছেন,পথে মুচি দেখলেই থামছেন,তার মুখের দিকে তাকিয়ে থাকছেন কিন্তু সেই মুখ আর মিলছে না।অবশেষে সন্ধান পেলেন যে এক মুচি একটি মন্দির তৈরী করেছেন, এবং সেই মুচিই দেসেবা করেন।রামানন্দ স্বামী একপা দুইপা করতে করতে এলেন সেই মন্দিরে। রুইদাস কয়েকজন শিষ্য নিয়ে রঘুনাথের কথায় রত।রামানন্দ স্বামী মন্দির প্রাঙ্গণে দাঁড়ালেন, বয়স হয়েছে, জ্বরা এসে রামানন্দর দেহে আশ্রয় নিয়েছে, নানারকম ব্যাধিতে আক্রান্ত প্রায়। রুইদাস তাঁকে অভ্যর্থনা করে নিয়ে বসালেন মন্দিরের বারান্দায়।দুইজন দুইজনের মুখের দিকে চেয়ে রয়েছেন, রামানন্দ স্বামী বললেন,আমি যার সন্ধানে খুঁজে বেড়াচ্ছি তাকে পাই কোথায়? আমি আমার শিষ্য রামদাসকে খুঁজে বেড়াচ্ছি। রুইদাস বললেন, কেন,সে আপনার কি করেছে? সে এক মহা অপরাধ করেছিল যার জন্যে তাকে আমি অভিশাপ দিয়েছিলাম যে, সে যেন মুচির ঘরে জন্মাবে।সে মুচির ঘরেই জন্ম নিয়েছে এও বোধ করছি,কিন্তু সন্ধান পাচ্ছি না। আর একটি কথা,রামদাস আমার আশ্রমে থাকা কালীন মুষ্টি ভিক্ষা করত,একদিন যে কোন কারণেই একই জায়গা থেকে ভিক্ষা করায় তাকে শাপ দিয়েছিলাম, বলেছিলাম,ত্রিশ বছর বাদে শ্রীরামচন্দ্রের দর্শন পাবে,ত্রিশ বছর হয়ে গেছে তাই তার কথা ভাবছি। কিন্তু আপনি যাকে খুঁজছেন সে তো রামদাস আর আমি রুইদাস।একটু থেমে রুইদাস বললেন,আপনার শারীরিক অবস্থা খুব একটি ভাল দেখছি না, বর্তমানে আপনার দৈনন্দিন জীবন যাত্রা কি ধরনের? রামানন্দ বললেন,অহিতকর্মে আমার দিন কাটছে। অহিতকর্ম সে আবার কি? আপনাকে দখলে মনে হয় আপনি একজন শুদ্ধাচারী তাপস। আপনার পক্ষে কোন অহিতকর্ম করা সম্ভব নয়।*
*🙏বানান, ভুলভ্রান্তি ক্ষমা করবেন🙏*
ক্রমশ
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ📱7001138871꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


