শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇
MOHAPROBHU AND PROTAPRUDRA লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
MOHAPROBHU AND PROTAPRUDRA লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

উড়িষ্যার রাজা প্রতাপরুদ্রের প্রতি মহাপ্রভুর কৃপা 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁উড়িষ্যার রাজা প্রতাপরুদ্রের প্রতি মহাপ্রভুর কৃপা꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
রাজা হয়েও রাজা প্রতাপরুদ্র সব বৈষ্ণবগণকে সেবা করতেন, সমস্ত ভক্তগণের জন্য সব আয়োজন করতেন। তবু মহাপ্রভু প্রতিজ্ঞা করেছিলেন যে, তিনি তাঁর মুখ দর্শন করবেন না, কারণ তিনি রাজা। কিন্তু রাজা হয়েও তাঁর প্রচন্ড বেশী আর্ত্তি ছিলো। আর্ত্তি থাকলে ভগবান কৃপা করবেই। আমরাও আর্ত্তিটা চাই, ভগবানকে ডাকার মতো ডাকতে হবে। পারলে তবে তো ভগবান কৃপা করবেন!

তাই রাজা প্রতাপরুদ্র মহাপ্রভুর কাছে আসতে পারতেন না। কিন্তু সমস্ত বৈষ্ণবের সেবা করার ফলে, তিনি শেষ পর্যন্ত তাঁর দর্শন পেয়েছিলেন। ঘটনাটা ছিলো এই রকম।

নিত্যানন্দ প্রভু, শিবনান্দ সেন, স্বরূপ দামোদর, প্রভৃতি বারবার মহাপ্রভুকে বলতেন, “প্রভু, রাজা প্রতাপরুদ্রের তোমার সঙ্গে দেখা কৃপায় ইচ্ছা হচ্ছে, তাঁকে দর্শন দিতে পারবে? তিনি ধনী লোক, রাজা, কিন্তু তিনি ভালো লোক, তাঁর মন খুব ভালো। তিনি অনেক চেষ্টা করে সব সময় ভক্তের সেবা করছেন। যখন নিত্যানন্দ প্রভু ও শিবানন্দ সেন ভক্ত নিয়ে আসেন, তিনি সব সময় তাঁদের জন্য ঘর-টর ব্যবস্থা করে দেন।”

তবু মহাপ্রভু রাজি হলেন না, তিনি বললেন, “সেটা আমি জানি, কিন্তু তিনি রাজা, তাই আমি তাঁর মুখে দর্শন করবো না।”

 বার বার ভক্তরা মহাপ্রভুর মন গলাতে চেষ্টা করতেন। কিন্তু শেষে রাগ প্রকাশ করে মহাপ্রভু বললেন, “তোমরা যদি আবার ওনার সম্পর্কে বলবে, আমি আর এখানে থাকবো না। আমি চলে যাবো। তোমরা কখনও আমাকে আর দেখবে না।”

শুনে ভক্তগণ কানে অঙ্গুল দিয়ে কথা দিলেন, “আমরা এটা শুনতে চাই না। প্রভু, আমরা কখনও আর তাঁর উপরে কথা বলবো না।”

এদিকে রাজা প্রতাপরুদ্র চিন্তা করতে থাকতেন। তিনি প্রতি দিন জিজ্ঞেস করতেন, “কী হয়েছে? কী হয়েছে? কবে আমি প্রভুর কৃপা লাভ করবো?”

"অদর্শনীয়ানপি নীচজাতীন্
 সংবীক্ষতে হন্ত তথাপি নো মাম্।
 মদেকবর্জ্জ্যং কৃপয়িষ্যতীতি
 নির্ণীয় কিং সোঽবততার দেবঃ॥"
অর্থাৎ, অদর্শনীয় নীচজাতিগণকেও দর্শন দিচ্ছেন, তথাপি আমাকে দর্শন দিবেন না! আমি বিনা সকল জীবকে কৃপা করবেন, এটাই স্থির করে কি তিনি (শ্রীচৈতন্যদেব) অবতীর্ণ হয়েছেন?”
(শ্রীশ্রীপ্রপন্নজীবনামৃতম্, ৮/২০)

কেউ তাঁকে মহাপ্রভুর কিছু বসন দিলেন, আর রাজা তাঁর পূজা করতে লাগলেন। এক দিন তিনি জিজ্ঞেস করলেন যে, তিনি তাঁর পুত্রকে মহাপ্রভুর কাছে পাঠাতে পারবেন কিনা। মহাপ্রভু রাজি হলেন। ভক্তরা রাজার পুত্রকে বৈষ্ণব পোশাক দিয়ে মহাপ্রভুর কাছেএনেছিলেন। যখন তিনি বাড়ি ফিরে এলেন, রাজা তাকে আলিঙ্গন করে বললেন, “তুমি এতো ভাগ্যবান! তুমি মহাপ্রভুর কৃপা পেয়েছো! আমি এতো দুর্ভাগা যে প্রভু আমায় কৃপা করেছেন না।”

কিছুদিন পরে নিত্যানন্দ প্রভু তাঁকে দয়া করে বললেন, “রাজা, তোমার এতো বেশী আর্ত্তি আছে, তাই তুমি এইবার মহাপ্রভুর কৃপা পাবে! মন দিয়ে শোনো, আমি তোমাকে প্রণালীটা বলে দেবো। যখন প্রভু জগন্নাথের রথের সামনে গিয়ে নেচে নেচে কীর্ত্তন করবে, অষ্টসাত্ত্বিক বিকার হয়ে, তিনি আবার অজ্ঞান হয়ে পড়বেন। সেইক্ষণে তুমি তাঁর কাছে গিয়ে পা মালিশ করতে করতে একটা শ্লোক বলবে।” 

 রাজা তাই করলেন। রথের দিন রাজার পোশাক ছেড়ে দিয়ে, বৈষ্ণব ধুতি কোর্তা পরে তিনি বিনীত ভাবে রথের সামনে রাস্তা ঝাড়ু দিলেন। আর যখন মহাপ্রভু ক্লান্ত হয়ে বলগণ্ডী উদ্যনে গিয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়লেন, তখন রাজা তাঁর কাছে গিয়ে পা মালিশ করে বললেন,

"তব কথামৃতং তপ্তজীবনং
 কবিভিরীড়িতং কল্মষাপহম্।
 শ্রবণমঙ্গলং শ্রীমদাততং
 ভুবি গৃণন্তি তে ভূরিদা জনাঃ॥"
অর্থাৎ, তোমার কথামৃত ত্বদীয় বিরহকাতর জনগণের জীবন স্বরূপ, প্রহ্লাদ, ধ্রুব প্রভৃতি ভক্তগণও তাহার স্তব করিয়া থাকেন। উহা প্রারব্ধ ও অপ্রারব্ধ পাপ-বিনাশক, শ্রবণমাত্রে মঙ্গলপ্রদ, প্রেম-সম্পত্তিদায়ক এবং কীর্ত্তনকারিগণ কর্ত্তৃক বিস্তৃত। সুতরাং যে ব্যক্তি উহা কীর্ত্তন করেন তিনিই সর্ব্বশ্রেষ্ঠ দাতা। 
(ভাঃ ১০/৩১/৯)

সেই শ্লোক শুনে মহাপ্রভু উঠে, “ভূরিদা জনাঃ ভূরিদা জনাঃ” বলে রাজাকে জোর করে আলিঙ্গন করলেন। ‘ভূরিদা’ মানে দাতা। এই জগতে কে সবচেয়ে বড় দাতা? যারা টাকা দেয়, ধন দেয়, তারা কি দাতা? না। এই জগতে যাঁরা লোকের দ্বারে দ্বারে গিয়ে হরিনাম বিতরণ করেন, কৃষ্ণনাম বিতরণ করেন, তাঁরাই সবচেয়ে বড় দাতা।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



উড়িষ্যার রাজা প্রতাপরুদ্রের প্রতি মহাপ্রভুর কৃপা 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁উড়িষ্যার রাজা প্রতাপরুদ্রের প্রতি মহাপ্রভুর কৃপা꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
রাজা হয়েও রাজা প্রতাপরুদ্র সব বৈষ্ণবগণকে সেবা করতেন, সমস্ত ভক্তগণের জন্য সব আয়োজন করতেন। তবু মহাপ্রভু প্রতিজ্ঞা করেছিলেন যে, তিনি তাঁর মুখ দর্শন করবেন না, কারণ তিনি রাজা। কিন্তু রাজা হয়েও তাঁর প্রচন্ড বেশী আর্ত্তি ছিলো। আর্ত্তি থাকলে ভগবান কৃপা করবেই। আমরাও আর্ত্তিটা চাই, ভগবানকে ডাকার মতো ডাকতে হবে। পারলে তবে তো ভগবান কৃপা করবেন!

তাই রাজা প্রতাপরুদ্র মহাপ্রভুর কাছে আসতে পারতেন না। কিন্তু সমস্ত বৈষ্ণবের সেবা করার ফলে, তিনি শেষ পর্যন্ত তাঁর দর্শন পেয়েছিলেন। ঘটনাটা ছিলো এই রকম।

নিত্যানন্দ প্রভু, শিবনান্দ সেন, স্বরূপ দামোদর, প্রভৃতি বারবার মহাপ্রভুকে বলতেন, “প্রভু, রাজা প্রতাপরুদ্রের তোমার সঙ্গে দেখা কৃপায় ইচ্ছা হচ্ছে, তাঁকে দর্শন দিতে পারবে? তিনি ধনী লোক, রাজা, কিন্তু তিনি ভালো লোক, তাঁর মন খুব ভালো। তিনি অনেক চেষ্টা করে সব সময় ভক্তের সেবা করছেন। যখন নিত্যানন্দ প্রভু ও শিবানন্দ সেন ভক্ত নিয়ে আসেন, তিনি সব সময় তাঁদের জন্য ঘর-টর ব্যবস্থা করে দেন।”

তবু মহাপ্রভু রাজি হলেন না, তিনি বললেন, “সেটা আমি জানি, কিন্তু তিনি রাজা, তাই আমি তাঁর মুখে দর্শন করবো না।”

 বার বার ভক্তরা মহাপ্রভুর মন গলাতে চেষ্টা করতেন। কিন্তু শেষে রাগ প্রকাশ করে মহাপ্রভু বললেন, “তোমরা যদি আবার ওনার সম্পর্কে বলবে, আমি আর এখানে থাকবো না। আমি চলে যাবো। তোমরা কখনও আমাকে আর দেখবে না।”

শুনে ভক্তগণ কানে অঙ্গুল দিয়ে কথা দিলেন, “আমরা এটা শুনতে চাই না। প্রভু, আমরা কখনও আর তাঁর উপরে কথা বলবো না।”

এদিকে রাজা প্রতাপরুদ্র চিন্তা করতে থাকতেন। তিনি প্রতি দিন জিজ্ঞেস করতেন, “কী হয়েছে? কী হয়েছে? কবে আমি প্রভুর কৃপা লাভ করবো?”

"অদর্শনীয়ানপি নীচজাতীন্
 সংবীক্ষতে হন্ত তথাপি নো মাম্।
 মদেকবর্জ্জ্যং কৃপয়িষ্যতীতি
 নির্ণীয় কিং সোঽবততার দেবঃ॥"
অর্থাৎ, অদর্শনীয় নীচজাতিগণকেও দর্শন দিচ্ছেন, তথাপি আমাকে দর্শন দিবেন না! আমি বিনা সকল জীবকে কৃপা করবেন, এটাই স্থির করে কি তিনি (শ্রীচৈতন্যদেব) অবতীর্ণ হয়েছেন?”
(শ্রীশ্রীপ্রপন্নজীবনামৃতম্, ৮/২০)

কেউ তাঁকে মহাপ্রভুর কিছু বসন দিলেন, আর রাজা তাঁর পূজা করতে লাগলেন। এক দিন তিনি জিজ্ঞেস করলেন যে, তিনি তাঁর পুত্রকে মহাপ্রভুর কাছে পাঠাতে পারবেন কিনা। মহাপ্রভু রাজি হলেন। ভক্তরা রাজার পুত্রকে বৈষ্ণব পোশাক দিয়ে মহাপ্রভুর কাছেএনেছিলেন। যখন তিনি বাড়ি ফিরে এলেন, রাজা তাকে আলিঙ্গন করে বললেন, “তুমি এতো ভাগ্যবান! তুমি মহাপ্রভুর কৃপা পেয়েছো! আমি এতো দুর্ভাগা যে প্রভু আমায় কৃপা করেছেন না।”

কিছুদিন পরে নিত্যানন্দ প্রভু তাঁকে দয়া করে বললেন, “রাজা, তোমার এতো বেশী আর্ত্তি আছে, তাই তুমি এইবার মহাপ্রভুর কৃপা পাবে! মন দিয়ে শোনো, আমি তোমাকে প্রণালীটা বলে দেবো। যখন প্রভু জগন্নাথের রথের সামনে গিয়ে নেচে নেচে কীর্ত্তন করবে, অষ্টসাত্ত্বিক বিকার হয়ে, তিনি আবার অজ্ঞান হয়ে পড়বেন। সেইক্ষণে তুমি তাঁর কাছে গিয়ে পা মালিশ করতে করতে একটা শ্লোক বলবে।” 

 রাজা তাই করলেন। রথের দিন রাজার পোশাক ছেড়ে দিয়ে, বৈষ্ণব ধুতি কোর্তা পরে তিনি বিনীত ভাবে রথের সামনে রাস্তা ঝাড়ু দিলেন। আর যখন মহাপ্রভু ক্লান্ত হয়ে বলগণ্ডী উদ্যনে গিয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়লেন, তখন রাজা তাঁর কাছে গিয়ে পা মালিশ করে বললেন,

"তব কথামৃতং তপ্তজীবনং
 কবিভিরীড়িতং কল্মষাপহম্।
 শ্রবণমঙ্গলং শ্রীমদাততং
 ভুবি গৃণন্তি তে ভূরিদা জনাঃ॥"
অর্থাৎ, তোমার কথামৃত ত্বদীয় বিরহকাতর জনগণের জীবন স্বরূপ, প্রহ্লাদ, ধ্রুব প্রভৃতি ভক্তগণও তাহার স্তব করিয়া থাকেন। উহা প্রারব্ধ ও অপ্রারব্ধ পাপ-বিনাশক, শ্রবণমাত্রে মঙ্গলপ্রদ, প্রেম-সম্পত্তিদায়ক এবং কীর্ত্তনকারিগণ কর্ত্তৃক বিস্তৃত। সুতরাং যে ব্যক্তি উহা কীর্ত্তন করেন তিনিই সর্ব্বশ্রেষ্ঠ দাতা। 
(ভাঃ ১০/৩১/৯)

সেই শ্লোক শুনে মহাপ্রভু উঠে, “ভূরিদা জনাঃ ভূরিদা জনাঃ” বলে রাজাকে জোর করে আলিঙ্গন করলেন। ‘ভূরিদা’ মানে দাতা। এই জগতে কে সবচেয়ে বড় দাতা? যারা টাকা দেয়, ধন দেয়, তারা কি দাতা? না। এই জগতে যাঁরা লোকের দ্বারে দ্বারে গিয়ে হরিনাম বিতরণ করেন, কৃষ্ণনাম বিতরণ করেন, তাঁরাই সবচেয়ে বড় দাতা।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



adds