✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ অজামিল এর উদ্ধার ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ 🌐 MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁শ্রীশ্রীবক্রেশ্বর-চরিত🙏শ্রীঅমৃতলাল পাল দাস🙏সূচীপত্র꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
পৌরাণিক যুগে একজন সাধু ছিলেন, যাঁর সারা শরীর লোমাবৃত ছিলো। তাঁর নাম ছিলো লোমষ ঋষি। প্রতি বছর তাঁর শরীর থেকে একটি করে লোম ক্ষসে পড়তো। তিনি খুব বৃদ্ধ ছিলেন। একবার সেই ঋষির ভয়ঙ্কর চুলকানি সমস্যা হয়েছিলো। তাই তিনি তাঁর এক বন্ধুর কাছে এর প্রতিকারের জন্য গিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “এটি খুবই হাস্যকর আমি ধ্যান করার চেষ্টা করছি, কিন্তু অসহনীয় চুলকানি প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। এই অবস্থাই আমার কি করা উচিত?”
ঋষির বন্ধুটি প্রত্যুউত্তরে বলেন, “আপনার সবচেয়ে পাপষ্ট কোনো ব্যক্তির গৃহ পরিদর্শন করা উচিত এবং তার উচ্ছিষ্ট গ্রহণ করা উচিত।”
তাই তিনি সেই সময়কার সবচেয়ে পাপিষ্ট একজন ব্যক্তি অজামিলের গৃহে গমন করেছিলেন। অজামি তখন গৃহে ছিলেন না, কিন্তু তার পত্নী ছিলেন। তারপর তিনি বললেন, “কে এই ব্যক্তি?”
ঋষি বললেন, “আমি কিছু খাদ্যের জন্য এসেছি।”
এটি শ্রবণ করা মাত্রই অজামিলের পত্নী, অতিথী ঋষিকে সন্তুষ্ট ও তাঁর আশির্বাদ লাভের বাসনায় প্রসাদ প্রস্তত করলেন।
তখন ঋষি বললেন, “না মা, তুমি বুঝতে পারছো না, আমি তোমার পতির উচ্ছিষ্ট গ্রহণ করতে চাই।”
অজামিলের পত্নী অত্যন্ত আশ্চর্যন্বিত হলেন যে, এমন পবিত্র ব্যক্তি কিনা এরকম পাপীষ্ট ব্যক্তির উচ্ছিষ্ট খাদ্য গ্রহণে ইচ্ছুক হয়েছে!
যাই হোক, তিনি অজামিলের খাদ্য ঋষিকে দিলেন। ঋষি সেই খাদ্য আহার করার পর সেই নারীকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে প্রস্থান করলেন। তিনি যখন গৃহ থেকে প্রস্থান করছিলেন, তাঁর শরীরের চুলকানী দূরীভূত হয়েছিলো। তখন তিনি ভাবলেন, “এর প্রতিদান স্বরূপ সেই নারীকে আমার কিছু প্রদান করা উচিত।”
এই ভাবে ভাবতে ভাবতে পুনঃরায় অজামিলের গৃহে প্রত্যাবর্তন করেন। তখন লোমষ ঋষি দেখলেন সেই নারীটি তার সন্তানকে আহার করাচ্ছেন। ঋষি জিজ্ঞেস করলেন, "এই সন্তানটির নাম কি?"
নারীটি তার একটি জাগতিক মন্দ ভাগ্যের কথা বললেন। আর জানালেন তাঁর স্বামীর ঈশ্বর বিদ্বেষ আর পাপের কথা।
ঋষি বললেন, “না না, এখন থেকে এই সন্তানটির নাম হবে নারায়ণ।”
সেইদিন থেকে পত্নীকে দর্শনের জন্য যখন অজামিল গৃহে যেতেন তখন তিনি নারায়ণ নামেই তার সন্তানকে ডাকতেন। আর এভাবে অজামিল তাঁর সন্তান নারায়নকে খুবই ভালবেসে ফেললো।
দিন যায়, রাত যায়। এমনি করে বার্ধক্যে উপনীত হলো। কিন্তু ভগবদ্ কর্ম বা ঈশ্বরের নাম জপকীর্ত্তন বা ঈশ্বর চিন্তা কখনো তাঁর মনে চিন্তায় আসেনি। কারও উপকার তো দুরের কথা, অন্যকে সবসময় অবজ্ঞা আর উপেক্ষা করে জীবন পার করলো। আর তারপর অজামিলের জীবনের শেষসময় এসে পড়লো।
মৃত্যুশয্যায় শুয়ে অজামিল দেখলো, তাকে নিতে ভয়াল দর্শনাকৃতির যমদুতেরা এসে হাজির হয়েছে। সেই যমদুতদের চেহারা দেখে, অজামিল ভীত হয়ে, তাঁর কনিষ্ঠ সন্তান নারায়নকে ডাক দিলো, "নারায়ন, নারায়ন, বাবা কোথায় তুই?"
হঠাৎ দেবদুতেরা এসে হাজির। তারা এসে অজামিলকে যমদুতদের হাত থেকে ছিনিয়ে নিয়ে স্বর্গে চলে গেলো।
নীতি কথা: পবিত্র হরিনামই হলো সবশ্রেষ্ঠ উপহার যা আমরা সবাইকে প্রদান করতে পারি। এছাড়াও আমাদের সন্তানদের নাম ভগবানের নামে দেওয়া উচিত। যাতে করে সেই নাম উচ্চারণ করে আমরা পবিত্র হতে পারি। এমন অনেক কাহিনী আমাদের পুরান সমুহে অনেক আছে।
মৃত্যু সজ্জায় জপ মালা লাভের বাসনা পুরাণে এক বৃদ্ধ ব্যক্তির কাহিনি রয়েছে যিনি পাপ কর্মের প্রতি অত্যন্ত আসক্ত ছিলেন এবং নিষ্ঠুর প্রকৃতির ছিলেন। কিন্তু যখন তিনি মৃত্যু সজ্জায় শায়িত হন, ঠিক শেষ মিনিটে তার হৃদয় পরিবর্তন হলো। তিনি বললেন, “বেশ, এটি একটু চেষ্টা করে দেখি না কেনো? আমার সারা জীবনে এই বৈষ্ণবদের দেখেছি 'হরেকৃষ্ণ' মহামন্ত্র জপ করতে। আমিতো এখন মৃত্যু পথযাত্রী তাই এখন সেটি একটু চেষ্টা করা যাক্।”
তিনি তখন তার সেবকে ডাকলেন এবং বললেন, “বাজারে যাও এবং ঐ জপ মালাগুলো কিনে আনো। আমি দেখতাম ভক্তরা ঐ জপমালা গুলোতে জপ করতো।”
তার সেবক আশ্চর্য হয়ে পড়লো, “আপনি জপমালা চান? এ গুলো দিয়ে আপনি কি করবেন?”
তিনি উত্তর দিলেন, “আমি হরেকৃষ্ণ মন্ত্র জপ করতে চাই। এটি একটু চেষ্টা করা যাক।"
তখন সেবকটি বাজারে গেলো, কিন্তু দুর্ভাগ্য বশতঃ সে ফিরে আসার পূর্বেই সেই বৃদ্ধ ব্যক্তিটি মৃত্যুবরণ করলো। সেই সময় যমদূতের আগমন ঘটে, আবার একই সাথে বিষ্ণু দূতদেরও আগমন ঘটে। একে অন্যের উপস্থিতিতে উভয়ই প্রশ্ন করলেন। যতদূতরা বললেন, “এই লোকটি অত্যন্ত পাপীষ্ট। তিনি কখনো একটিও পূণ্য কর্ম করেনি। তার পাপ-পূণ্যের হিসেবে কোনো পুণ্য বা অপ্রাকৃত কর্ম নেই। তো আপনারা এখানে কি করছেন?”
বিষ্ণুদূতগণ উত্তরে বলেন, “আমরা এই ব্যক্তিকে ভগবদ্ধামে নিয়ে যেতে এসেছি। কেনোনা তিনি 'হরেকৃষ্ণ' মহামন্ত্র জপ করার বাসনা করেছিলেন।”
নীতি কথা: যদি নামাভাস, দূষিত স্তরেও পবিত্র নাম জপ করা হয়, তবে যদি তা এতোটা শক্তিশালী হয় সেই ক্ষেত্রে যারা শুদ্ধনাম জপ করছেন, সেই সমস্ত ভক্তদের আর কি কথা!
"যেই নাম সেই কৃষ্ণ ভজ নিষ্ঠা করি।
নামের সহিত আছেন আপনি শ্রীহরি।।"
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
