শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇
DIKSHA লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
DIKSHA লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

*দীক্ষা বিহীন জীবন পশুর সমান ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/11/blog-post_744.html


 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
        ꧁ *দীক্ষা বিহীন জীবন পশুর সমান* ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস  ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
     ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস  ꧂
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*দীক্ষা বিহীন জীবন পশুর সমান*

*এক গ্রামে এক ব্রাহ্মণ দম্পতি বাস করতেন। ব্রাহ্মণের নাম ছিল কৃষ্ণদত্ত।ব্রাহ্মণীর নাম ছিল সুন্দরী। পরস্পর খুব সুন্দর সুখময় জীবনযাপন করছিল।একবার বিচরণ করতে করতে শ্রীনারদজী সেখানে এসে পৌঁছালেন। সহৃদয় দম্পতিকে দেখে বিচার করলেন কি যেখানে এত প্রেম, ভগবানের ভজন করলে কত ভাল হত? তারপর চলে আসলেন তার ঘরে‌ সংযোগবশে ব্রাহ্মণ কার্যোপলক্ষে বাইরে গিয়েছিল। ব্রাহ্মণী খুব আদর সৎকার করল ও নিজেকে ধন্য মনে করল। শ্রীনারদজী জিজ্ঞাসা করলেন- ঘরে পূজা কার হয়? গোপালজী অথবা শ্রীরামজীর? শিক্ষা-দীক্ষা কোথায় হয়েছে? মন্ত্র হয়েছে? ইত্যাদি ব্রাহ্মণী সব কথাতেই না বললেন। তখন নারদজী যা কিছু খেয়ে ছিলেন, সঙ্গে সঙ্গে বমি করে দিলেন। জিজ্ঞাসা করলে বললেন- অদীক্ষিত ব্যক্তির হাতে অন্নজল গ্রহণ করা উচিত নয়। ব্রাহ্মণী অত্যন্ত দীন হয়ে চরণে পড়ল আর দীক্ষার জন্য প্রার্থনা করল। শ্রীনারদজী তো এজন্যই এসেছিলেন। সঙ্গে সঙ্গে তুলসী কণ্ঠি গলায় বেঁধে হরিনাম শুনিয়ে উপদেশ দিলেন আজ থেকে তুমিও কোন অদীক্ষিত ব্যক্তির ছোঁয়া খাবে না। ব্রাহ্মণী আজ্ঞা শিরোধার্য করল। শ্রীনারদজী " নারায়ন, নারায়ন "বলতে বলতে রওনা হলেন।*
 *কিছুদিন পরে ক্ষুধা পিপাসায় কাতর পতি ঘরে আসল আর ঘড়ার জল নেয়ার জন্য যেই উদ্যোগী হল ব্রাহ্মণী চিৎকার করে বলল - ছোবে না!ছোবে না!! আমি আজই নতুন ঘড়া এনেছি। তারপর স্বয়ং জল দিলেন। ব্রাহ্মন ভোজন করলেন তো অবশিষ্ট প্রতিদিন খেয়ে নিত, আজ গরুকে দিয়ে দিল। বাসন মেজে পরিষ্কার করে তারপরে খেল। ব্রাহ্মণ আশ্চর্যচকিত হয়ে গেল। এর এই প্রকার পরিবর্তন কি করে হল? জিজ্ঞাসা করে জানতে পারল যে নারদজী এসেছিলেন। তখন ব্রাহ্মণ পত্নীকে খুব ধমকালেন চড় থাপ্পড় মারলেন আর বললেন তুই আমার পত্নী হয়ে আমাকে মানিস্ না! নারদের কথায় আমাকে অবহেলা করছিস্? তখন ব্রাহ্মণী বলল- আমাকে যদি মেরে ফেল তথাপি আমি, তুমি যতক্ষণ পর্যন্ত দীক্ষা না নিবে, ততক্ষণ পর্যন্ত তোমার এঁঠো খাবনা। ব্রাহ্মণ অবশেষে তার কথা মেনে নিল।দীক্ষা নেয়ার জন্য স্বীকৃতি দিল। ব্রাহ্মণী সঙ্গে সঙ্গে গুরুদেবের স্মরণ করল। শ্রীনারদজী তৎকাল প্রকট হয়ে গেলেন। ব্রাহ্মণ চরণে পড়ল। নিবেদন করল দীক্ষা দেওয়ার জন্য। নারদজী বললেন তুমি স্নান করে এস। ব্রাহ্মণীকে বললেন- তুমি ভোগের আয়োজন কর। এদিকে ব্রাহ্মণকে তাড়াতাড়ি যেতে দেখে প্রতিবেশী জিজ্ঞাসা করল-কি ব্যাপার? ব্রাহ্মণ সব ঘটনা বললে, তাকে অনেক উল্টোপাল্টা বুঝিয়ে বলল-এখন পিতৃপক্ষ পিতার তর্পণ কর, শ্রাদ্ধ কর, এখনো অনেক দিন আছে, দীক্ষা নিলেই হবে। ব্রাহ্মণ তার কথা মেনে নিল।ফিরে এসে নারদজীকে বলল- এখন নয় আগের অক্ষয় নবমীতে দীক্ষা নেব‌। নারদজী বীনা বাজিয়ে হরিগুন গাইতে গাইতে রওনা হলেন।*
*নিশ্চিত সময়ে নারদ জী যখন ব্রাহ্মণের ঘরে আসলেন তো শুনলেন দুইজনই মারা গিয়েছে। ধ্যান করে দেখলেন তো জানতে পারলেন, ব্রাহ্মণী তো রাজকুমারী হয়েছে আর ব্রাহ্মণ সেই রাজার ওখানেই হাতি রূপে জন্ম নিয়েছে। নারদজী সেখানেই পৌঁছে গেলেন। রাজকুমারী পূর্বজন্মের ভাব অনুসারে অত্যন্ত ভক্তিভরে অর্চন বন্দন করল। আর গজরাজ ইনাকে দেখে মাথা নিচু করে নিল। উভয়েই নারদজীর দর্শন প্রভাবে পূর্বজন্মের জ্ঞান ছিল। হাতি নিজের কৃতকার্যের জন্য পশ্চাত্তাপ করতে লাগল। রাজকুমারীকে দেখে কাঁদে, এ এখন অন্যের পত্নী হয়ে যাবে। রাজকুমারী তা বুঝতে পারত,ও আগের মতোই পতিভাব রাখত। এমনকি স্বয়ম্বরের দিন সে হাতির গলায় মালা দিয়ে দিল।এই কাজে রাজা এবং রাজকুমারীর বড় উপহাস হল। কিন্তু সে নিজের ভাবে দৃঢ় থেকে বারবার হাতির গলায় বরমাল্য দিল।শেষে যখন মাতা-পিতা বড় দুঃখী হল তো সে গুরুদেব নারদের স্মরণ করল।* *নারদজী আসলেন। হাতির কাছে গিয়ে বললেন -এবার তো মন্ত্র নাও! হাতিমাথা নিচু করে প্রণাম করল। নারদজী কানে ভগবন্নাম শুনালেন।* *হাতি সঙ্গে সঙ্গে সেই শরীর ছেড়ে দিল ও দিব্য রাজকুমার হয়ে গেল।তারপর নারদজী উভয়কে বিধিবৎ দীক্ষা দিলেন। এই প্রকার পরমকৃপালু গুরু নারদজী মহারাজ।*
বোলিয়ে নারদজী মহারাজ কি জয়!!
🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻
*জয় জয় শ্রীরাধেশ্যাম।*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
⬇️⬇️⬇️এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন⬇️⬇️⬇️
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
           ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
DEMOCRATIC NITYANANDA (Facebook Group) 👉 https://www.facebook.com/groups/1370545549769377/?ref=share
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


*দীক্ষা বিহীন জীবন পশুর সমান* ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/11/blog-post_744.html


 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
        ꧁ *দীক্ষা বিহীন জীবন পশুর সমান* ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস  ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
     ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস  ꧂
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*দীক্ষা বিহীন জীবন পশুর সমান*

*এক গ্রামে এক ব্রাহ্মণ দম্পতি বাস করতেন। ব্রাহ্মণের নাম ছিল কৃষ্ণদত্ত।ব্রাহ্মণীর নাম ছিল সুন্দরী। পরস্পর খুব সুন্দর সুখময় জীবনযাপন করছিল।একবার বিচরণ করতে করতে শ্রীনারদজী সেখানে এসে পৌঁছালেন। সহৃদয় দম্পতিকে দেখে বিচার করলেন কি যেখানে এত প্রেম, ভগবানের ভজন করলে কত ভাল হত? তারপর চলে আসলেন তার ঘরে‌ সংযোগবশে ব্রাহ্মণ কার্যোপলক্ষে বাইরে গিয়েছিল। ব্রাহ্মণী খুব আদর সৎকার করল ও নিজেকে ধন্য মনে করল। শ্রীনারদজী জিজ্ঞাসা করলেন- ঘরে পূজা কার হয়? গোপালজী অথবা শ্রীরামজীর? শিক্ষা-দীক্ষা কোথায় হয়েছে? মন্ত্র হয়েছে? ইত্যাদি ব্রাহ্মণী সব কথাতেই না বললেন। তখন নারদজী যা কিছু খেয়ে ছিলেন, সঙ্গে সঙ্গে বমি করে দিলেন। জিজ্ঞাসা করলে বললেন- অদীক্ষিত ব্যক্তির হাতে অন্নজল গ্রহণ করা উচিত নয়। ব্রাহ্মণী অত্যন্ত দীন হয়ে চরণে পড়ল আর দীক্ষার জন্য প্রার্থনা করল। শ্রীনারদজী তো এজন্যই এসেছিলেন। সঙ্গে সঙ্গে তুলসী কণ্ঠি গলায় বেঁধে হরিনাম শুনিয়ে উপদেশ দিলেন আজ থেকে তুমিও কোন অদীক্ষিত ব্যক্তির ছোঁয়া খাবে না। ব্রাহ্মণী আজ্ঞা শিরোধার্য করল। শ্রীনারদজী " নারায়ন, নারায়ন "বলতে বলতে রওনা হলেন।*
 *কিছুদিন পরে ক্ষুধা পিপাসায় কাতর পতি ঘরে আসল আর ঘড়ার জল নেয়ার জন্য যেই উদ্যোগী হল ব্রাহ্মণী চিৎকার করে বলল - ছোবে না!ছোবে না!! আমি আজই নতুন ঘড়া এনেছি। তারপর স্বয়ং জল দিলেন। ব্রাহ্মন ভোজন করলেন তো অবশিষ্ট প্রতিদিন খেয়ে নিত, আজ গরুকে দিয়ে দিল। বাসন মেজে পরিষ্কার করে তারপরে খেল। ব্রাহ্মণ আশ্চর্যচকিত হয়ে গেল। এর এই প্রকার পরিবর্তন কি করে হল? জিজ্ঞাসা করে জানতে পারল যে নারদজী এসেছিলেন। তখন ব্রাহ্মণ পত্নীকে খুব ধমকালেন চড় থাপ্পড় মারলেন আর বললেন তুই আমার পত্নী হয়ে আমাকে মানিস্ না! নারদের কথায় আমাকে অবহেলা করছিস্? তখন ব্রাহ্মণী বলল- আমাকে যদি মেরে ফেল তথাপি আমি, তুমি যতক্ষণ পর্যন্ত দীক্ষা না নিবে, ততক্ষণ পর্যন্ত তোমার এঁঠো খাবনা। ব্রাহ্মণ অবশেষে তার কথা মেনে নিল।দীক্ষা নেয়ার জন্য স্বীকৃতি দিল। ব্রাহ্মণী সঙ্গে সঙ্গে গুরুদেবের স্মরণ করল। শ্রীনারদজী তৎকাল প্রকট হয়ে গেলেন। ব্রাহ্মণ চরণে পড়ল। নিবেদন করল দীক্ষা দেওয়ার জন্য। নারদজী বললেন তুমি স্নান করে এস। ব্রাহ্মণীকে বললেন- তুমি ভোগের আয়োজন কর। এদিকে ব্রাহ্মণকে তাড়াতাড়ি যেতে দেখে প্রতিবেশী জিজ্ঞাসা করল-কি ব্যাপার? ব্রাহ্মণ সব ঘটনা বললে, তাকে অনেক উল্টোপাল্টা বুঝিয়ে বলল-এখন পিতৃপক্ষ পিতার তর্পণ কর, শ্রাদ্ধ কর, এখনো অনেক দিন আছে, দীক্ষা নিলেই হবে। ব্রাহ্মণ তার কথা মেনে নিল।ফিরে এসে নারদজীকে বলল- এখন নয় আগের অক্ষয় নবমীতে দীক্ষা নেব‌। নারদজী বীনা বাজিয়ে হরিগুন গাইতে গাইতে রওনা হলেন।*
*নিশ্চিত সময়ে নারদ জী যখন ব্রাহ্মণের ঘরে আসলেন তো শুনলেন দুইজনই মারা গিয়েছে। ধ্যান করে দেখলেন তো জানতে পারলেন, ব্রাহ্মণী তো রাজকুমারী হয়েছে আর ব্রাহ্মণ সেই রাজার ওখানেই হাতি রূপে জন্ম নিয়েছে। নারদজী সেখানেই পৌঁছে গেলেন। রাজকুমারী পূর্বজন্মের ভাব অনুসারে অত্যন্ত ভক্তিভরে অর্চন বন্দন করল। আর গজরাজ ইনাকে দেখে মাথা নিচু করে নিল। উভয়েই নারদজীর দর্শন প্রভাবে পূর্বজন্মের জ্ঞান ছিল। হাতি নিজের কৃতকার্যের জন্য পশ্চাত্তাপ করতে লাগল। রাজকুমারীকে দেখে কাঁদে, এ এখন অন্যের পত্নী হয়ে যাবে। রাজকুমারী তা বুঝতে পারত,ও আগের মতোই পতিভাব রাখত। এমনকি স্বয়ম্বরের দিন সে হাতির গলায় মালা দিয়ে দিল।এই কাজে রাজা এবং রাজকুমারীর বড় উপহাস হল। কিন্তু সে নিজের ভাবে দৃঢ় থেকে বারবার হাতির গলায় বরমাল্য দিল।শেষে যখন মাতা-পিতা বড় দুঃখী হল তো সে গুরুদেব নারদের স্মরণ করল।* *নারদজী আসলেন। হাতির কাছে গিয়ে বললেন -এবার তো মন্ত্র নাও! হাতিমাথা নিচু করে প্রণাম করল। নারদজী কানে ভগবন্নাম শুনালেন।* *হাতি সঙ্গে সঙ্গে সেই শরীর ছেড়ে দিল ও দিব্য রাজকুমার হয়ে গেল।তারপর নারদজী উভয়কে বিধিবৎ দীক্ষা দিলেন। এই প্রকার পরমকৃপালু গুরু নারদজী মহারাজ।*
বোলিয়ে নারদজী মহারাজ কি জয়!!
🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻
*জয় জয় শ্রীরাধেশ্যাম।*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
⬇️⬇️⬇️এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন⬇️⬇️⬇️
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
           ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
DEMOCRATIC NITYANANDA (Facebook Group) 👉 https://www.facebook.com/groups/1370545549769377/?ref=share
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


adds