✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ ৫৯. নন্দ মোক্ষণ লীলা ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ শ্রীকৃষ্ণ লীলা 🙏 সূচীপত্র ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*🌻নন্দ মোক্ষণ লীলা গৌরচন্দ্রিকা 🌻*
*ভ্রমিতে ভ্রমিতে গোরা যমুনার জলে।*
*কৃষ্ণদাস কোলে করি ভাসে প্রেমজলে।।*
*কৃষ্ণদাস বোলে হের দেখ নন্দঘাট।*
*বরুণে হরিয়া নন্দ নিল নিজপাট*
*পিতার উদ্দেশ্যে কৃষ্ণ জলে প্রবেশিলা।*
*গোপ-গোপীগণ মেলি কাঁদিতে লাগিলা।।*
*শোনি গোরাচাঁদের ধারা বহে দুনয়নে।*
*ভাবাবিষ্ট হৈয়া লোচন কাঁদেন আপনে।।*
*🌻নন্দমোক্ষণ ব্রজ লীলা প্রথম পদ🌻*
*নীরাধিপ ভৃত্য রূপ।*
*হরল নন্দ ব্রজক ভূপ।।*
*ঐছন শুনি গোপশূর।*
*ত্বরিতে আইলা বরুণপুর।।*
*হেরি বরুণ চরণে গীর।*
*ধূলি লুঠয়ে ধূসর শির।।*
*সিংহাসন দেই তাহি।*
*পূজল কত অবধি নাহি।।*
*তাত লেই চলল পুর।*
*ব্রজজন দুখ গেও দূর।।*
*জীবন পাই নন্দরাণী।*
*প্রেমে বিভোর কিছু না জানি।।*
*ব্রজ ভূপতি চমক পাই।*
*নিজগণে সব কহল যাই।।*
*গোপীগণ পাওল সুখ।*
*টুটল সব বিরহ দুখ।।*
*আনন্দে ব্রজলোক ভাষ।*
*হেরত সুখে মাধব দাস।।*
*🌻🌻জল দেবতা বরুণের ভৃত্য (চাকর (নীরাধিপভৃত্য)যিনি ব্রজের রাজা নন্দ মহারাজকে হরণ করিল।* *কেন?নন্দমহারাজ একাদশী ব্রত পালন করতেন,পরেরদিন স্বল্প সময় দ্বাদশী থাকার কারণে,শাস্ত্রে আছে যে,* *"কলার্ধাং দ্বাদশীং দৃষ্টা নিশীথাদূর্ধমেব হি।আমধ্যাহ্নাঃ ক্রিয়াঃ সর্বাঃ কর্তব্যঃ শম্ভুশাসনাৎ।।(স্কন্ধ পুরাণ)* *অর্থ্যাৎ=একাদশী ব্রতের পরেরদিন যদি স্বল্প মাত্রও দ্বাদশী থাকে,তাহলে একাদশী ব্রত দিনেই অর্ধরাত্রি অতীত হবার পরেই স্নান করে মধ্যাহ্নকৃত্য পর্যন্ত সবকিছু নিত্যকর্মের সমাধান করে দ্বাদশী মধ্যেই পারণ করবে।* *ইহাই বৈষ্ণবচূড়ামণি শ্রীশঙ্করের আদেশ* *পরমবৈষ্ণব নন্দাদি গোপগণও এই শাস্ত্র আজ্ঞা শিরোধার্য্য করে একাদশী ব্রত দিনেই অর্ধরাত্রির পর যমুনায় গেলেন।* *কিছু গোপগণ নিজ ঘরের কূপের জলে স্নান করলেন।* *শ্রীভদবদ্ভক্তিবর্ধনকারিণী পুণ্যসলিলা যমুনা নদীতে অবগাহন করবার জন্য কয়েকজন ভৃত্য সঙ্গে নিয়ে যমুনায় গমন করলেন এবং যথিবিধি যমুনা সলিলে নেমে স্তব পাঠাদি সমাপন পূর্বক স্নান করতে লাগলেন।* *(অর্ধরাত্রির পর হতে সূর্য্যোদয়ের চারদন্ড পূর্ব পর্যন্ত সময়,শাস্ত্রে আসুরকাল বলে প্রসিদ্ধ এবং সেই সময়ে স্নানাদি সর্ববিধ কার্য্যই নিষিদ্ধ আছে।* *এই সময়ে জলাধিপতি বরুণের অসুর ভৃত্যগণ নদনদী প্রভৃতি জলাশয়ের জল রক্ষা করে এবং কেহ যদি সেই সময়ে জলাশয়ে নামে তাহলে তিনি বরুণের অসুর ভৃত্যগণের কাছে কোনরকম দন্ড পান না বলে এই শাস্ত্র সিদ্ধান্ত।* *কিন্তু ধরে নিয়ে চলে যান বরুণের কাছে।* *গোপরাজ নন্দ,শাস্ত্র নিষিদ্ধ আসুরকালে যমুনায় স্নান করতে গিয়াছিলেন বটে,কিন্তু তিনি শাস্ত্র আজ্ঞা লঙ্ঘন করেননি।* *তিনি দ্বাদশীমধ্যে পারণ নির্বাহ করবার জন্য শাস্ত্রাজ্ঞা বলেই আসুরকালে যমুনায় স্নান করতে গিয়াছিলেন।* *কিন্তু বরুণের অসুর ভৃত্যগণ তাদের অসুর স্বভাববশতঃ শাস্ত্রাজ্ঞা কিংবা বৈষ্ণবাচার প্রভৃতির কোনই খবর রাখে না,তারা গোপরাজ নন্দকে আসুরকালে যমুনায় স্নান করতে দেখেই অপরাধী বলে নিশ্চয় করল এবং তাঁকে বরুণালয়ে নিয়ে গেল।* *এদিকে গোপরাজ নন্দের সঙ্গী গোপগণ,গোপরাজ নন্দকে যমুনায় স্নান করতে করতে হঠাৎ অদৃশ্য হতে দেখে ভয়ে ভীত হয়ে পড়ল এবং কৃষ্ণ,বলরাম কোথায় আছ,তাড়াতাড়ি এস,দেখ,তোমাদের পিতাকে বুঝি কুমীর বা জলের হিংস্র জন্তু এসে গ্রাস করল।* *হায়!হায়!আজ আমাদের কি হল,বলে মাথায় করাঘাত করে উচ্চৈঃস্বরে আর্তনাদ ও রোদন করতে লাগলেন।* *শ্রীকৃষ্ণ সেই সময় নিভৃতকক্ষে নিদ্রাগত ছিলেন,কিন্তু সকলের চিৎকারে নিদ্রা ভঙ্গ হল, সমস্ত কথা শুনলেন,আর মনে মনে বরুণকে শিক্ষা দিতে হবে বলে যমুনার ধারে গেলেন।*
*🌻🌻দ্বিতীয় পদ বা শেষ পদ🌻🌻*
*একাদশী ব্রত করি,নন্দীশ্বর অধিকারী,*
*সিনাইতে যমুনার জলে।*
*বরুণের চর ছিল,ধরিয়া লৈয়া গেল,*
*না দেখি কান্দয়ে গোয়ালে।।*
*হরি হরি কান্দনা উঠিল গোপপুরে।*
*শুনিয়া ধাইল কানু,বাজাইয়া শিঙ্গা বেণু,*
*প্রবেশিল বরুণ নগরে।।*
*দেখি জল অধিপতি,অষ্টাঙ্গে পড়িয়া ক্ষিতি,*
*দন্ডবৎ নানা স্তুতি করে।*
*অবোধ আমার দূতে,আনিল তোমার পিতে,*
*হেন অপরাধ ক্ষেম মোরে।।*
*নন্দঘোষ লৈয়া হরি,আইলা গোকুল পুরী,*
*গোপ-গোপী অধিক উল্লাসে।*
*রাধাদাস কহে কানু,বরুণ পূজিল যনু,*
*কহে নন্দ সভাকার পাশে।।*
*🌻কার্তিকমাসের শুক্লপক্ষের একাদশী তিথিতে যেদিন ইন্দ্রাদি দেবগণ ব্রজে এসে গোবিন্দ অভিষেক করেছিলেন, সেদিনও পূর্ব পূর্ব একাদশীর নিয়মানুসারে নন্দাদি গোপগণ উপবাস,শ্রীভগবৎ পূজা ও শ্রীভগবৎ প্রসঙ্গে রাত্রি জাগরণ প্রভৃতি সমস্ত অনুষ্ঠান করেছিলেন।* *কিন্তু পরদিন প্রাতঃকালে দ্বাদশী তিথি বেশীক্ষণ ছিল না বলিয়া তাঁরা শাস্ত্রীয় বিধি অনুসারে একাদশীর দিন অর্ধ রাত্রের পর হতেই স্নান ও নিত্যকর্মের অনুষ্ঠানে রত হলেন।*
*যাইহোক,গোপগণের আর্তনাদে ও রোদনে যখন শ্রীকৃষ্ণ বুঝলেন যে তাঁর পিতা যমুনাগর্ভে অদৃশ্য হয়েছেন,তখনই তিনি জানতে পারলেন যে,বরুণ ভৃত্যগণই পিতাকে নিয়ে গেছে।* *তিনি আর ক্ষণমাত্র বিলম্ব না করে তৎক্ষণাৎ বরুণলোকে গমন করলেন।* *জলধিপতি বরুণ হঠাৎ নিজ গৃহে কৃষ্ণকে আগমন করতে দেখে একেবারে অবাক হয়ে গেলেন।*
*বরুণ মনে মনে চিন্তা করতে লাগলেন যে,যিনি সর্বেন্দ্রিয়ের অতীত এবং নিয়ন্তা,* *তিনি আজ আমার গৃহে এলেন,এর থেকে বড় আশ্চর্যের বিষয় আর কি হতে পারে।* *আমার কোন জনমের কোন পূণ্যফলে দর্শন পেলাম।* *নিজ মস্তকে করে সিংহাসন নিয়ে এলেন এবং*
*শ্রীকৃষ্ণকে বসতে দিলেন,স্বহস্তে তাঁর চরণ ধৌত করে সেই চরণোদক পান ও মস্তকে ধারণ করলেন।* *তারপর বরুণ অষ্টাঙ্গে প্রণাম করলেন।* *এবং তিনি স্তুতি করতে লাগলেন।* *শ্রীকৃষ্ণ চুপ করে বসে আছেন কিছু বলছেন না।* *তখন বরুণ বললেন,প্রভো!এই ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র জীবের গৃহে পদার্পণের কারণ কি জানতে পারি?* *এইবার বরুণের মনে পড়েছে আমার ভৃত্যগণ গোপরাজ নন্দকে যমুনা হতে আমার গৃহে নিয়ে এসেছে,বোধকরি সে কারণেই প্রভু এসেছেন*,*না জানি এখন আমার কি হবে।!*
*আমার মনে হচ্ছে,আমার ভৃত্য এনেছে তার মানে এই,আমার মহাপরাধ হয়েছে,সেইজন্য বোধহয় শ্রীকৃষ্ণ ভগবান আমার এখানে এসেছেন।*
*রাজ্ঞি চামাত্যজা দোষাঃ পত্নীপাপং স্বভর্তরি।*
*এবং শিষ্যকৃতং পাপং গুরাবেবোপচ্ছতি।।(সারসংগ্রহবচনং)*
*অমাত্য(মন্ত্রী)ভৃত্যাদিকৃত অপরাধ রাজায়,পত্নীকৃত পাপ পতিতে এবং শিষ্যকৃত পাপ গুরুতে সঞ্চারিত হয়।* *(এই শাস্ত্র বচনে জানা যায়।)* *কারও চাকর যদি কোন অপরাধ করে,তাহলে তার প্রভু সেই অপরাধে লিপ্ত হয়ে যায়।* *অতএব আমার ভৃত্য যখন গোপরাজ নন্দকে অন্যায় পূর্বক আমার গৃহে নিয়ে এসেছে,তখন আমি নিশ্চয়ই কৃষ্ণচরণে অপরাধ করেছি।* *হে প্রভো!আমার ভৃত্যগণ জানে না যে,দ্বাদশী পারণ রক্ষা করবার জন্য আসুরকালে স্নান করলে কোনও দোষ হয় না।* *তারা মূঢ় ও মহামোহাচ্ছন্ন,অজ্ঞানবশতঃ আপনার পিতাকে আমার কাছে নিয়ে এসেছে।* *আপনি অজ্ঞ জীবের অজ্ঞানকৃত মহাপরাধ ক্ষমা করুন।* *এইকথা বলে বরুণ,তাড়াতাড়ি গোপরাজ নন্দের কাছে গিয়ে তাঁকে সিংহাসন সহ মস্তকে বহন করে এনে শ্রীকৃষ্ণের সামনে বসালেন এবং বললেন হে পিতৃবৎসল!হে গোবিন্দ!আপনার পিতাকে আপনার কাছে প্রদান করলাম,আপনি গ্রহণ করুন।* *গোপরাজকে কৃষ্ণ সামনে রেখে বরুণ একপার্শে করজোড়ে দাঁড়িয়ে রইলেন।* *এবং ভক্তবৎসল শ্রীকৃষ্ণ একবার তাঁর দিকে প্রসন্ন দৃষ্টি সঞ্চার করে পিতাকে নিয়ে ব্রজভূমিতে আগমন করলেন।* *ব্রজে পরমানন্দের সাড়া পড়ে গেল।* *তারপর নন্দমহারাজ যথা সময়ে তাঁর দ্বাদশী কর্মাদি সমাপন করে গোপসভায় বসলেন।* *পরে উপনন্দ,সনন্দ প্রভৃতি সকলে নন্দের কাছে এলেন,গোপরাজ নন্দের কাছে বরুণলোকের মহাবৈভবকথা এবং বরুণ প্রভৃতি সকলের শ্রীকৃষ্ণ চরণে স্তুতি প্রণতির কথা শুনে খুবই আশ্চর্য হলেন,সকলেই মনে মনে করতে লাগলেন,আমাদের কৃষ্ণ সামান্য গোপবালক নয়,নিশ্চয়ই অখিলব্রহ্মান্ডপতি নারায়ণই গোপবালকরূপে আমাদের বংশে অবতীর্ণ হয়ে আমাদের ধারণার বাইরে অনির্বচনীয় লীলারসাস্বাদন করছেন।* *বরাহ পুরাণে জানা যায়,*
*এতে হি যাদবাঃ সর্বে মদগণা এব ভাবিনি।*
*সর্বথা মৎপ্রিয় দেবি মত্তুল্যগুণশালিনঃ।।*
*বরাহদেব,পৃথিবীকে বলেছিলেন,যাদবগমণ(ব্রজবাসী গোপগণও যদুবংশে জন্মগ্রহণ করেছিলেন বলে যাদব নামে খ্যাত)* *সকলেই আমার নিত্যপার্ষদ,তাঁরা আমার পরমপ্রিয় এবং সকলেই আমার মত গুণশালী।*
*পিতা মাতা স্থান গৃহ শয্যাসন আর।*
*এ সব কৃষ্ণের শুদ্ধ-সত্তের বিকার।।*
*উপনন্দ প্রভৃতি গোপগণ,বরুণলোকে বৈভব এবং শ্রীকৃষ্ণচরণে শরণাগতির কথা শুনে শ্রীকৃষ্ণকে সর্বেশ্বর বলে ধারণা করলেন।* *কাজেই উপনন্দাদি গোপগণের মনে শ্রীকৃষ্ণের বৈভব এবং ধাম দর্শনের বাসনা হলে তাঁরা তাঁদের বাৎসল্য প্রেমে লালিত পালিত কৃষ্ণের কাছে মনের কথা ব্যক্ত করতে পারলেন না।* *ব্রজবাসী গোপগণের মনের কথা জেনে ভক্তবাঞ্জাকল্পতরু শ্রীকৃষ্ণ তাঁদেরকে প্রপঞ্চাতীত ধাম দেখালেন।* *শ্রীকৃষ্ণ ব্রজবাসীগণকে ব্রহ্মহ্রদ,(অক্রূরতীর্থ)নিয়ে এলেন,ব্রজবাসীগণ কৃষ্ণের আদেশে ব্রহ্মহ্রদে স্নান করে উঠে শ্রীকৃষ্ণের গোলোক নামক ধাম দর্শন করলেন।* *কৃষ্ণ যখন সকলকেই গোলোকধাম দর্শন করালেন,সকলেই পরমানন্দে পরিপূর্ণ হলেন।ভগবান কৃষ্ণ এইভাবে মনোবাঞ্জা পূর্ণ করলেন,কৃষ্ণ যে তাঁদের ঘরের পুত্র তাহাই মনে করলেন,বাৎসল্য প্রেমে যশোদা কৃষ্ণকে কোলে নিয়ে শত শত চুম্বন ও কোলে নিয়ে ক্ষীর সর নবনী খাওয়ালেন।*
*******নন্দ মোক্ষণ লীলা, মধ্য রাত্রে নন্দঘোষ যমুনায় স্মান করতে গিয়েছিলেন, জলদেবতা বরুণের ভৃত্য নন্দঘোষকে হরণ করেছিল।
*🌻নন্দ মোক্ষণলীলা এখানেই রইল,🌻*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ📱7001138871꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
