শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

পদ্মিনী একাদশী বা পরমা একাদশী (কমলা একাদশী ) 🌙 সংগৃহীত 🙇 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 https://mrinmoynandy.blogspot.com/2026/05/paroma.html


পদ্মিনী একাদশী বা পরমা একাদশী (কমলা একাদশী) :-

পুরুষোত্তম মাস অধিমাস কৃষ্ণপক্ষীয়া ‘পদ্ম পুরাণোল্লেখিত যুধিষ্ঠির – শ্রীকৃষ্ণ সংবাদে অধিমাসের কৃষ্ণ পক্ষীয়া একদশী মহিমা দেখতে পাওয়া যায়।

যুধিষ্ঠির মহারাজ শ্রীকৃষ্ণের নিকট প্রশ্ন করলেন-অধিমাসে কৃষ্ণ পক্ষীয়া একাদশীর নাম কি? ব্রতের বিধান বা কি? শ্রীকৃষ্ণ বললেন- হে যুধিষ্ঠির! মানুষের ভুক্ত মুক্তি প্রদাতা এই পবিত্র একাদশীর নাম পরমা একাদশী অথবা কমলা একাদশী!

তোমার প্রতি স্নেহ বশতঃ অশেষ মহিমাযুক্ত পুরুষোত্তম মাসের কৃষ্ণ-পক্ষীয়া একাদশীর মহিমা বলছি ব্রহ্ম মূহুর্তে শয্যা পরিত্যাগপূর্বক যথাবিহিত স্নান-আহ্নিকাদি সেরে ভগবান শ্রী বিষ্ণুর প্রীতি কামনায় শ্রী ভগবানের নাম মন্ত্র জপ করতে হয়।

গৃহেতে যে পরিমাণে জপ করবে নদীতীরে তার দ্বিগুণ, তদপেক্ষা গোষ্ঠে সহস্রবার,তীর্থে শতবার, তুলসীর নিকটে লক্ষবার এবং বিষ্ণুর সম্মুখে অসংখ্যবার জপ করতে হয়।

অবন্তীনগরে বিশ্বকর্মা নামে এক সম্ভ্রান্ত ব্রাহ্মণ বাস করতেন। তাঁর পাঁচটি পুত্র ছিল। তাদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ পুত্রের নাম জয় শর্মা। কোন দুষ্কর্ম করায় পিতা মাতাও তাকে বাড়ী থেকে বহিষ্কৃত করে দেয়।

কোন এক সময়ভ্রমণ করতে করতে এলাহবাদে এসে ত্রিবেণী সঙ্গমে স্নান কার্য সমাপনান্তে ক্ষুধায় কাতর হয়ে মলিন বদনে কোন একমুনির আশ্রমে উপস্থিত হলেন। সে দিন আবার এই একাদশী তিথি।

অনেক ভক্তবৃন্দ মুনি মুখপদ্ম বিগলিত একাদশী মহিমা শ্রবণ করতঃ ব্রত পালন করছেন। ঐ ব্রাহ্মণও ব্রত পালনকরে ব্রত কথা শুনলেন। তাঁর ব্রতোপবাসে সন্তুষ্ট হয়ে স্বয়ং লক্ষ্মীদেবী দর্শন দিয়ে বললেন- “ভক্তির সঙ্গে এই উপবাস পালন করায় আমি সন্তুষ্ট হয়েছি। তোমাকে বরদ দান করতে ইচ্ছা প্রকাশ করে আমি এসেছি। আমার নাম লক্ষ্মী আমি পরম কৃপালু নারায়ণ কর্তৃক প্রেরিত। বৈকুন্ঠ থেকে এসেছি। এই ব্রতানুষ্ঠানে তোমার অধীনা হয়েছি। তোমার বংশে শ্রেষ্ঠ ব্রাহ্মণগণ জন্মগ্রহণ করবে। আমি সত্যই বলছি-আমার নাম লক্ষ্মী।”

ব্রাহ্মণ বললেন- হে কমলে! সত্যিই যদি আমা প্রতি প্রসন্ন হয়ে বর দিতে চান তবে এই ব্রতকথা ভালরূপে বর্ণন করলে আরও দ্বিজগণ এই ব্রতকথায়প্রবৃত্তি লাভ করতে পারবেন।

এই ব্রতে ভগবান শ্রীনারায়ণকে ভক্তিভরে পূজা করতে হয়, নিরাহারে অবস্থান পূর্বক পরদিন দ্বাদশীতে পুণ্ডরীকাক্ষের পূজা নৈবেদ্যান্তে প্রসাদন্ন পারণ করতে হয়। শ্রীকৃষ্ণ বললেন, লক্ষ্মীদেবী বর প্রদান করে অন্তর্হিতা হলেন।



অনন্তর সেই বিপ্রধনশালী হয়ে সুখে হরিস্মরণ করে দেহান্তে ভগদ্ধামে গমণ করেন।কমলার আশীর্বাদে ব্রাহ্মণ ধন্য হইয়েছিলেন। তাই এই একাদশীকে ‘কমলা’ একাদশীও বলা হয়। আবার ভগবান শ্রীকৃষ্ণ মহারাজ যুধিষ্ঠিরকে একমনোরম কাহিনী বলছেন!

একদা কাম্পিল্য নগরে সুমেধা নামে এক ধার্মিক ব্রাহ্মণ বাস করতেন। পবিত্রা নামে তাঁর এক পতিব্রতা সহধর্মিনী ছিল। কিন্তু কোন পাপ কার্য্যরে জন্য তারা এত দরিদ্র হলো যে অন্ন-বস্ত্র পর্যন্তও তাদের জোটেনি।

এর মধ্য দিয়েও যদি কখনও অতিথি আসে তখন নিজেরা না খেয়েযতটুকু সম্ভব অতিথি সৎকার করতেন। ব্রাহ্মণের স্ত্রীর মনে একটুও দুঃখ ছিল না। একদিন ব্রাহ্মণ – ব্রাহ্মণীকে বলছেন- হে ব্রাহ্মণী! আমি কিছু ধনের প্রত্যাশী হয়ে বিদেশী যাত্রা করতে চাই, বুদ্ধিমান ব্যক্তি উদ্যম ও উৎসাহকে ভঙ্গ করে না, সামর্থকে অবহেলা করা উচিৎ নয়।

তখন ব্রাহ্মণী বলছেন- হে স্বামিন! আপনার চেয়ে অধিক বিদ্বান আমি নই, তবে এইটুকু জানি-বিদ্যা, ধন, দারিদ্রতা সর্বত্রই পূর্বজন্মার্জিত ফল। পূর্বজন্মে কোন ফল না থাকলে বর্তমানে কি কেউ সুখে থাকতে পারে।

আমরা ধন সম্পদ অনেক পেয়েছিলাম-কিন্তু কাউকে অন্ন দান করিনি। তাই আমাদের অন্ন জুটছে না। হে পতি দেবতা! তুমি ধনের জন্য অন্যত্র গেলে আমাকে লোকে দুর্ভাগা বলে নিন্দা করবে অতএব তুমি এখানে থেকে যা লাভ কর ওতেই আমি সন্তুষ্ট হই।

পতিব্রতার কথা শুনে ব্রাহ্মণ দেশে রয়ে গেলেন। একদিন তাদের ভগ্ন কুটিরে কৌণ্ডিল্য মুনি এলেন। পরম শ্রদ্ধা সহকারে পাদ্যার্ঘদ্বারা উভয়ে মুনিকে প্রণাম করে সস্ত্রীক বিধিপূর্বক ভোজন করালেন। ব্রাহ্মণী জিজ্ঞাসা করলেন- হে মহামুনে! কিসে দারিদ্রতা নাশ হয়?

এমন কোন উত্তম ব্রতের কথা বলুন যাতে পাপ-দুঃখ দারিদ্রতা দুর হয় এবং ভগবানে ভক্তির উদয় হয়! তখন কৌণ্ডিল্য মুনি বললেন, মলমাসে অধিমাসে কৃষ্ণ পক্ষীয়া একাদশী ব্রত ভুক্ত মুক্তি প্রদায়িনী, সর্বপাপ বিনাশিনী, সর্ব সুখদায়িনী এবং ভগবানের অতীব প্রিয়তমা তিথি।



প্রথমে কুবের এই ব্রত পালন করেছিলেন। রাজা হরিশ্চন্দ্র এইব্রত পালনে স্ত্রী-পুত্র ও রাজ্য ফিরে পেয়েছিলেন। হে বিশালাক্ষী! এই জন্য তোমারাও এই ব্রত পালন কর। হে পাণ্ডব! কৌণ্ডিন্য মুনির উপদেশে পতি-পত্নী উভয়ে একসঙ্গে বিধিমতো পুরুষোত্তম মাসের পরমা একাদশী ব্রত পালন করলেন।

ব্রত সমাপনের পররাজভবন থেকে এক রাজকুমার তাঁদের কাছে এলেন। ব্রহ্মার প্রেরণায় তিনি বহু ধনসম্পদ, নতুন গৃহ ও গাভী এই দম্পতীকে দান করেলন। এই দানের ফলে মৃত্যুর পর সেই রাজা বিষ্ণুলোক প্রাপ্ত হয়েছিল।

এইভাবে পরমা ব্রতের প্রভাবে ব্রাহ্মণ-দম্পতির সকল দুঃখের অবসান হল। যে মানুষ এই একাদশী ব্রত পালন না করেন তিনি চূড়াশি লক্ষ যোনিতে ভ্রমণ করেও কখনও সুখী হয় না। বহু পূণ্য কর্মের ফলে দুর্লভ মানব-জন্ম লাভহয়।

তাই মানব-জীবনে এই একাদশী ব্রত পালন করা অবশ্য কর্তব্য। এই মাহাত্ম্য শুনে মহারাজ যুধিষ্ঠির তার আত্মীয় বর্গের সঙ্গে এই ব্রত পালন করেছিলেন ।

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

   📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝
     ꧁👇📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী📖👇



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   🌷❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🌷
   🏵️❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🏵️
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧










শ্রী চৌরাষ্টকম্ (শ্রী চৌরাগ্রগণ্য পুরুষাষ্টকম্) ✍️ শ্রী বিল্বমঙ্গল ঠাকুর🙇 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 https://mrinmoynandy.blogspot.com/2026/05/purushashtakam.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

🆕  শ্রী চৌরাষ্টকম্ (শ্রী চৌরাগ্রগণ্য পুরুষাষ্টকম্) ✍️ শ্রী বিল্বমঙ্গল ঠাকুর🙇 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 https://mrinmoynandy.blogspot.com/2026/05/purushashtakam.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
ব্রজে প্রসিদ্ধং নবনীতচৌরং
গোপাঙ্গনানাং চ দুকূলচৌরম্।
অনেক জন্মার্জিত পাপচৌরং
চৌরাগ্রগণ্যং পুরুষং নমামি ॥১৷৷

অনুবাদ: যিনি ব্রজে নবনীত চোর ও গোপাঙ্গনাদের বসন চোর বলে প্রসিদ্ধ ও যিনি স্বীয় ভক্তদের অশেষ জন্মার্জিত পাপসকল হরণ করেন, সেই চোর শিরোমনিকে আমি নমস্কার করি।

শ্রীরাধিকায়া হৃদয়স্য চৌরং
নবাম্বুদশ্যামলকান্তিচৌরম্।
পদাশ্রিতানাং চ সমস্ত চৌরং
চৌরাগ্রগণ্যং পুরুষং নমামি ॥২॥

অনুবাদ: যিনি রাধিকার চিত্ত চোর, যিনি নবজলধরমেঘের কান্তি চোর ও যিনি স্ব-চরণাশ্রিত ভক্তগণের সর্বস্ব হরণ করেন, সেই চোর শিরোমনিকে আমি প্রণাম করি।

অকিঞ্চনীকৃত্য পদাশ্রিতং যঃ
করোতি ভিক্ষুং পথি গেহহীনম্।
কেনাপ্যহো ভীষণচৌর ঈদৃগ
দৃষ্টঃ শ্রুতো বা ন জগত্রয়েহপি ॥৩॥

অনুবাদ: যিনি স্বচরণাশ্রিত ভক্তদের অকিঞ্চন করে (তাদের স্ত্রী-পুত্র, ধনাদি সর্বস্ব হরণ করে) তাদেরকে গৃহহীন ও পথের ভিক্ষুক করেন, তার ন্যায় ভীষণ চোর জগতে কেউ দেখেও নি বা শোনেনি।

যদীয় নামাপি হরত্যশেষং
গিরি-প্রসারানপি পাপরাশি।
আশ্চর্যরূপঃ ননু চৌর ঈদৃগ
দৃষ্টঃ শ্রুতো বা ন ময়া কদাপি ॥৪॥

অনুবাদ: যার নাম মাত্রেই জীবের পর্বত প্রমাণ পাপরাশি নিঃশেষে হরণ করেন, এরূপ আশ্চর্য চোর আমি কখনও দেখিনি বা শুনিনি।

ধনং চ মানং চ তথেন্দ্রিয়াণি
প্রাণাংশ্চ হৃত্বা মম সর্বমেব ।
পলায়সে কুত্র ধৃহেদ চৌর
ত্বং ভক্তিদান্নসি ময়া নিরুদ্ধঃ ॥৫৷৷

অনুবাদ: হে চোর! তুমি আমার ধন, মান, ইন্দ্রিয় ও প্রাণ প্রভৃতি হরণ করে কোথায় পলায়ন করছ? আমি তোমাকে ভক্তিরজ্জু দ্বারা বেঁধে রাখলাম।

ছিনৎসি ঘোরং যমপাশবন্ধং
ভিনৎসি ভীমং ভবপাশবন্ধ।
ছিনৎসি সর্বস্য সমস্তবন্ধং
নৈবাত্মনো ভক্তকৃতং তু বন্ধম্ ॥৬॥

অনুবাদ: তুমি মনুষ্য মাত্রেরই ঘোর যমপাশ ছিন্ন করতে পার, তার ভয়ানক সংসার বন্ধন ছিন্ন করতে পার। এমনকি সকলের সবরকম বন্ধনই ছিন্ন করতে পার; কিন্তু স্বভক্তকৃত নিজ বন্ধন ছিন্ন করতে পার না।

মানসে তামসরাশিঘোরে
কারাগৃহে দুঃখময়ে নিবদ্ধঃ।
লভস্ব হে চৌর! হরে! চিরায়
স্বচৌর্যদোষোচিতমেব দণ্ডম্ ॥৭॥

অনুবাদ: হে চোর, তুমি ঘোর তমসাচ্ছন্ন দুঃখময় কারাগৃহ রূপ আমার হৃদয়ে চিরকালের জন্য নিবদ্ধ হয়ে নিজের চৌর্যকার্যের উপযুক্ত দণ্ড গ্রহণ করো।

কারাগৃহে বস সদা হৃদয়ে মদীয়ে
মদ্ভক্তিপাশদৃঢ়বন্ধন-নিশ্চল সন্।
ত্বং কৃষ্ণ হে! প্রলয়কোটিশতান্তরেহপি
সর্বস্বচৌর হৃদয়ান্নহি মোয়ামি ॥৮॥

অনুবাদ: অতঃপর তুমি আমার হৃদয় কারাগারে আমার ভক্তিপাশ দ্বারা দৃঢ়রূপে বদ্ধ হয়ে সর্বদা নিশ্চলভাবে অবস্থান কর। হে কৃষ্ণ! হে আমার সর্বস্ব চোর! শতকোটি প্রলয়াবসানেও হৃদয় কারাগার হতে তোমাকে মুক্ত করব না।

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

   📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝
     ꧁👇📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী📖👇



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   🌷❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🌷
   🏵️❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🏵️
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧





শ্রীকৃষ্ণের বসন্ত রাস বা বলরাম রাসযাত্রা 🙇 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2026/03/balaram-rash.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

🆕  শ্রীকৃষ্ণের বসন্ত রাস বা বলরাম রাসযাত্রা  🙇 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2026/03/balaram-rash.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
দ্বারিকাধীশ ভগবান শ্রীকৃষ্ণের নির্দেশে দাদা বলরাম তাহাদের পিতা-মাতা নন্দবাবা ও যশোমতিমাকে ও ব্রজবাসী গণকে দেখবার জন্য বৃন্দাবনের উদ্দেশ্যে গমনের জন্য পরামর্শ দেন। তাই তখন দাদা বলরাম রথে চড়ে বৃন্দাবনের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করলেন। ব্রজবাসীগণ এমনিতেই কৃষ্ণ-বলরামের বিরহের কারণে তাহাদের একটি বার দেখবার জন্য ব্যাকুল ছিলেন। ভগবান বলরাম যখন বৃন্দাবনে এলেন, ততদিনে সমস্ত গোপবালক ও গোপীরা বয়সে বড় হয়ে গেছে; তবুও, তাঁর আগমনে তাঁরা সকলে তাঁকে আলিঙ্গন করলেন এবং বলরামও প্রত্যুত্তরে তাঁদের আলিঙ্গন করলেন। এরপর তিনি মহারাজ নন্দ ও যশোদার সামনে এসে তাঁদের সশ্রদ্ধ প্রণাম নিবেদন করলেন। উত্তরে মাতা যশোদা ও নন্দ মহারাজ তাঁকে আশীর্বাদ করলেন। তাঁরা তাঁকে জগদীশ্বর, অর্থাৎ যিনি সকলকে পালনকর্তা, সেই বিশ্বজগতের অধিপতি বলে সম্বোধন করলেন। এর কারণ ছিল এই যে, কৃষ্ণ ও বলরাম উভয়েই সমস্ত জীবসত্তার পালনকর্তা, অথচ তাঁদের অনুপস্থিতিতে নন্দ ও যশোদা এমন দুর্দশায় পড়েছিলেন। এই ভেবে তাঁরা বলরামকে আলিঙ্গন করলেন এবং তাঁকে নিজেদের কোলে বসিয়ে অবিরাম কাঁদতে লাগলেন, তাঁদের অশ্রুতে বলরাম ভিজে গেলেন। তখন ভগবান বলরাম বয়স্ক গোপদের সশ্রদ্ধ প্রণাম জানালেন এবং তরুণ গোপদের প্রণাম গ্রহণ করলেন। এইভাবে, তাঁদের ভিন্ন ভিন্ন বয়স ও সম্পর্ক অনুসারে, ভগবান বলরাম তাঁদের সঙ্গে বন্ধুত্বের ভাব বিনিময় করলেন। যাঁরা বয়সে ও বন্ধুত্বে তাঁর সমকক্ষ ছিলেন, তাঁদের সঙ্গে তিনি করমর্দন করলেন এবং উচ্চস্বরে হেসে তাঁদের প্রত্যেককে আলিঙ্গন করলেন।

গোপ ও বালকগণ, গোপীগণ এবং রাজা নন্দ ও যশোদার দ্বারা অভ্যর্থনা পাওয়ার পর, ভগবান বলরাম সন্তুষ্টচিত্তে বসলেন এবং তাঁরা সকলে তাঁকে ঘিরে ধরলেন। প্রথমে ভগবান বলরাম তাঁদের কুশল জিজ্ঞাসা করলেন, এবং তারপর, বহুদিন তাঁকে না দেখে, তাঁরা তাঁকে বিভিন্ন প্রশ্ন করতে লাগলেন। বৃন্দাবনের অধিবাসীরা কেবল ভগবানের পদ্মচরণে মুগ্ধ হয়ে কৃষ্ণের জন্য সবকিছু ত্যাগ করেছিলেন। কৃষ্ণকে ভালোবাসার প্রবল আকাঙ্ক্ষার কারণে, তাঁরা স্বর্গলোকে উন্নীত হওয়া বা পরম সত্যের সঙ্গে একাত্ম হওয়ার জন্য ব্রহ্মের জ্যোতিতে বিলীন হওয়ার মতো কোনো কিছুরই আকাঙ্ক্ষা করেননি। এমনকি তাঁরা ঐশ্বর্যময় জীবন যাপনেও আগ্রহী ছিলেন না, বরং গ্রামে গোপ হিসেবে এক সাধারণ জীবনযাপন করেই সন্তুষ্ট ছিলেন। তাঁরা সর্বদা কৃষ্ণচিন্তায় মগ্ন থাকতেন এবং কোনো ব্যক্তিগত লাভের আকাঙ্ক্ষা করতেন না, আর তাঁরা সকলেই তাঁর প্রেমে এতটাই মগ্ন ছিলেন যে, তাঁর অনুপস্থিতিতে বলরামজীর কাছে জিজ্ঞাসা করতে গেলে তাঁদের কণ্ঠস্বর কেঁপে উঠত।

প্রথমে নন্দ মহারাজ ও যশোদাময়ী জিজ্ঞাসা করলেন, “প্রিয় বলরাম, আমাদের বন্ধু বসুদেব ও পরিবারের অন্যেরা কি ভালো আছেন? এখন আপনি ও কৃষ্ণ প্রাপ্তবয়স্ক, বিবাহিত এবং সন্তান-সন্ততিসহ পুরুষ। পারিবারিক জীবনের এই সুখের মাঝে আপনি কি কখনও আপনার দরিদ্র পিতা-মাতা, নন্দ মহারাজ ও যশোদাদেবীর কথা স্মরণ করেন? এ তো অত্যন্ত সুসংবাদ যে, মহাপাপী রাজা কংস আপনার হাতে নিহত হয়েছেন এবং বসুদেব ও তাঁর দ্বারা নির্যাতিত আমাদের বন্ধুরা এখন মুক্তি পেয়েছেন। এও অত্যন্ত সুসংবাদ যে, আপনি ও কৃষ্ণ উভয়েই জরাসন্ধ এবং কালায়বনকে পরাজিত করেছেন, যিনি এখন মৃত, এবং আপনি এখন দ্বারকায় একটি সুরক্ষিত আবাসে বাস করছেন।”

গোপীরা পৌঁছালে ভগবান বলরাম স্নেহভরে তাঁদের দিকে তাকালেন। কৃষ্ণ ও বলরামের অনুপস্থিতিতে বহুদিন ধরে দুঃখী থাকা গোপীরা অত্যন্ত আনন্দিত হয়ে দুই ভাইয়ের কুশল জিজ্ঞাসা করতে লাগলেন। তাঁরা বিশেষভাবে বলরামকে জিজ্ঞাসা করলেন, দ্বারকা পুরীর জ্ঞানবতী নারীদের সান্নিধ্যে কৃষ্ণ তাঁর জীবন উপভোগ করছেন কি না। তিনি কি কখনও তাঁর পিতা নন্দ, মাতা যশোদা এবং অন্যান্য বন্ধুদের কথা স্মরণ করেন, যাঁদের সঙ্গে বৃন্দাবনে থাকাকালীন তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল? কৃষ্ণের কি এখানে তাঁর মাতা যশোদার সঙ্গে দেখা করার কোনো পরিকল্পনা আছে? আর তিনি কি আমাদের মতো গোপীদের কথা মনে রাখেন, যারা এখন তাঁর সঙ্গ থেকে শোচনীয়ভাবে বঞ্চিত? দ্বারকার সংস্কৃতিমনা নারীদের মাঝে কৃষ্ণ হয়তো আমাদের ভুলে গেছেন, কিন্তু আমরা এখনও ফুল কুড়িয়ে মালা বুনে তাঁকে স্মরণ করছি। কিন্তু তিনি যখন আসেন না, তখন আমরা শুধু কেঁদে সময় কাটাই। আহা, যদি তিনি এখানে এসে আমাদের বোনা এই মালাগুলো গ্রহণ করতেন। হে দশারহ-বংশীয় বলরাম, আপনি জানেন যে আমরা কৃষ্ণের বন্ধুত্বের জন্য সবকিছু ত্যাগ করতে পারি। চরম দুঃখের সময়েও কেউ পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ করতে পারে না। কিন্তু যদিও তা অন্যদের জন্য অসম্ভব হতে পারত, আমরা আমাদের এই ত্যাগের বিষয়ে বিন্দুমাত্র পরোয়া না করেই আমাদের পিতা-মাতা, বোন ও আত্মীয়-স্বজনদের ত্যাগ করেছিলাম। তারপর, হঠাৎ করেই, কৃষ্ণ আমাদের ত্যাগ করে চলে গেলেন। তিনি কোনো গুরুত্ব না দিয়েই আমাদের অন্তরঙ্গ সম্পর্ক ছিন্ন করে এক বিদেশী দেশে চলে গেলেন। কিন্তু তিনি এতটাই চতুর ও ধূর্ত ছিলেন যে, তিনি খুব মিষ্টি কথা বানিয়ে বললেন। তিনি বললেন, ‘হে গোপীগণ, তোমরা চিন্তা কোরো না। তোমরা আমাকে যে সেবা করেছ, তার প্রতিদান দেওয়া আমার পক্ষে অসম্ভব।’ সর্বোপরি, আমরা তো নারী, তাই আমরা কী করে তাঁকে অবিশ্বাস করতে পারতাম? এখন আমরা বুঝতে পারি যে তাঁর এই মিষ্টি কথাগুলো ছিল কেবল আমাদের ঠকানোর জন্য।”

বৃন্দাবনে কৃষ্ণের অনুপস্থিতির প্রতিবাদ করে আরেকজন গোপী বলতে লাগলেন: “প্রিয় বলরামজী, আমরা তো গ্রামের মেয়ে, তাই কৃষ্ণ আমাদের সেভাবে ঠকাতে পারেন, কিন্তু দ্বারকার নারীদের কী হবে? ভেবো না যে তারা আমাদের মতো বোকা! আমরা গ্রামের মেয়েরা হয়তো কৃষ্ণের দ্বারা বিভ্রান্ত হতে পারি, কিন্তু দ্বারকা নগরীর নারীরা অত্যন্ত চতুর ও বুদ্ধিমতী। তাই আমি অবাক হব যদি শহরের ওই নারীরা কৃষ্ণের দ্বারা বিভ্রান্ত হয়ে তাঁর কথা বিশ্বাস করে।”

তখন আরেকজন গোপী বলতে শুরু করলেন। তিনি বললেন, “প্রিয় সখী, কৃষ্ণ কথায় অত্যন্ত পারদর্শী। এই শিল্পে তাঁর সমকক্ষ কেউ নেই। তিনি এমন সব রঙিন কথা রচনা করতে পারেন এবং এত মধুরভাবে কথা বলতে পারেন যে, যেকোনো নারীর হৃদয় বিপথে চালিত হতে পারে। এছাড়া, তিনি অত্যন্ত আকর্ষণীয়ভাবে হাসার শিল্পে সিদ্ধহস্ত, এবং তাঁর হাসি দেখে নারীরা তাঁর জন্য পাগল হয়ে যায় ও কোনো দ্বিধা ছাড়াই নিজেদের তাঁর কাছে সমর্পণ করে।”

এই কথা শুনে আরেকজন গোপী বললেন, “প্রিয় বন্ধুরা, কৃষ্ণকে নিয়ে কথা বলে কী লাভ? যদি কথা বলে সময় কাটানোর প্রতি তোমাদের আদৌ কোনো আগ্রহ থাকে, তবে এসো আমরা তাঁকে ছাড়া অন্য কোনো বিষয়ে কথা বলি। নিষ্ঠুর কৃষ্ণ যদি আমাদের ছাড়া তাঁর সময় কাটাতে পারেন, তবে আমরা কেন কৃষ্ণকে ছাড়া আমাদের সময় কাটাতে পারব না? অবশ্যই, কৃষ্ণ আমাদের ছাড়াই খুব আনন্দের সাথে তাঁর দিন কাটাচ্ছেন, কিন্তু পার্থক্যটা হলো এই যে, আমরা তাঁকে ছাড়া খুব আনন্দের সাথে আমাদের দিন কাটাতে পারি না।”

গোপীরা যখন এইভাবে কথা বলছিলেন, তখন কৃষ্ণের প্রতি তাঁদের অনুভূতি ক্রমশ তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছিল এবং তাঁরা কৃষ্ণের হাসি, কৃষ্ণের প্রেম-কথন, কৃষ্ণের মনোহর রূপ, কৃষ্ণের স্বভাব এবং কৃষ্ণের আলিঙ্গন অনুভব করছিলেন। তাঁদের ভাবাবেগের প্রভাবে মনে হচ্ছিল যে, কৃষ্ণ স্বয়ং তাঁদের সামনে উপস্থিত হয়ে নৃত্য করছেন। কৃষ্ণের মধুর স্মৃতির কারণে তাঁরা নিজেদের অশ্রু সংবরণ করতে পারলেন না এবং অবিবেচকের মতো কাঁদতে লাগলেন।

বৃন্দাবনের গোপীদের সন্তুষ্ট রাখার জন্য, ভগবান বলরাম সেখানে একটানা দুই মাস, অর্থাৎ চৈত্র এবং বৈশাখ মাসে অবস্থান করেছিলেন। সেই দুই মাস তিনি গোপীদের মধ্যে থাকতেন এবং তাঁদের দাম্পত্য প্রেমের আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য বৃন্দাবনের বনে তাঁদের সাথে প্রতি রাত্রি কাটাতেন। এইভাবে বলরাম সেই দুই মাস গোপীদের সাথে রাসলীলাও উপভোগ করেছিলেন এবং সময় এত দ্রুত কেটে যেত যে সেই সমস্ত রাতগুলোকে একটি মাত্র রাত বলে মনে হতো। ভগবান বলরামের উপস্থিতিতে বৃন্দাবনের সমস্ত গোপী ও অধিবাসীগণ ঠিক ততটাই আনন্দিত হয়ে উঠতেন, যতটা তাঁরা পূর্বে দুই ভাই—ভগবান কৃষ্ণ ও ভগবান বলরামের—উপস্থিতিতে হতেন।


বরুণ নামক দেবতা তাঁর কন্যা বারুণীকে বৃক্ষের গহ্বর থেকে নিঃসৃত তরল মধুরূপে প্রেরণ করলেন। এই মধুর কারণে সমগ্র বন সুগন্ধময় হয়ে উঠল এবং সেই তরল মধু বারুণীর সুবাস বলরামজীকে বিমোহিত করল। বলরামজী ও সকল গোপী বারুণীর স্বাদে অত্যন্ত আকৃষ্ট হলেন এবং সকলে একসঙ্গে তা পান করলেন। এই প্রাকৃতিক পানীয় বারুণী পান করার সময় সকল গোপী ভগবান বলরামের মহিমা কীর্তন করতে লাগলেন এবং ভগবান বলরাম অত্যন্ত আনন্দিত হলেন, যেন তিনি সেই বারুণী পানীয় পান করে মত্ত হয়ে গেছেন। তাঁর চক্ষুদ্বয় প্রসন্ন হয়ে উঠল। তাঁকে বনফুলের দীর্ঘ মালায় সজ্জিত করা হলো এবং এই দিব্য আনন্দের কারণে সমগ্র পরিস্থিতিটি এক মহা আনন্দের উৎসবে পরিণত হলো। ভগবান বলরাম সুন্দরভাবে হাসলেন, এবং তাঁর মুখমণ্ডলে লেগে থাকা ঘামের ফোঁটাগুলোকে স্নিগ্ধ প্রভাতের শিশিরের মতো মনে হচ্ছিল।


বলরাম যখন সেই আনন্দময় অবস্থায় ছিলেন, তখন তিনি যমুনার জলে গোপীদের সঙ্গ উপভোগ করতে চাইলেন। তাই তিনি যমুনাকে কাছে আসতে ডাকলেন। কিন্তু যমুনা বলরামজীকে মাতাল ভেবে তাঁর আদেশ অমান্য করল। যমুনার আদেশ অমান্য করায় ভগবান বলরাম অত্যন্ত অসন্তুষ্ট হলেন। তিনি তৎক্ষণাৎ তাঁর লাঙলের ফলা দিয়ে নদীর ধারের জমি আঁচড়াতে চাইলেন। ভগবান বলরামের দুটি অস্ত্র আছে, একটি লাঙল এবং একটি গদা, এবং প্রয়োজনের সময় তিনি সেগুলি ব্যবহার করেন। এবার তিনি বলপূর্বক যমুনাকে আনতে চেয়েছিলেন এবং তাঁর লাঙলের সাহায্য নিয়েছিলেন। তিনি যমুনাকে শাস্তি দিতে চেয়েছিলেন কারণ সে তাঁর আদেশ মেনে আসেনি। তিনি যমুনাকে সম্বোধন করে বললেন: “ওরে হতভাগা নদী! তুই আমার আদেশ মানিসনি। এখন আমি তোকে শিক্ষা দেব! তুই স্বেচ্ছায় আমার কাছে আসিসনি। এখন আমার লাঙলের সাহায্যে আমি তোকে আসতে বাধ্য করব। আমি তোকে শত শত বিক্ষিপ্ত ধারায় বিভক্ত করে দেব!”

যখন যমুনা এইভাবে শঙ্কিত হলেন, তখন তিনি বলরামের শক্তিতে অত্যন্ত ভীত হলেন এবং তৎক্ষণাৎ স্বয়ং উপস্থিত হয়ে তাঁর পাদপদ্মে পতিত হলেন এবং এইরূপ প্রার্থনা করলেন: “হে আমার প্রিয় বলরাম, আপনিই সর্বশক্তিমান এবং আপনি সকলের প্রীতিকর। দুর্ভাগ্যবশত, আমি আপনার মহিমান্বিত, উচ্চস্থানের কথা ভুলে গিয়েছিলাম, কিন্তু এখন আমার হুঁশ ফিরেছে এবং আমার মনে পড়েছে যে, আপনি কেবল শেষনাগের আংশিক বিস্তারের দ্বারাই সমস্ত গ্রহলোককে আপনার মস্তকে ধারণ করে আছেন। আপনিই সমগ্র ব্রহ্মাণ্ডের ধারক। হে আমার প্রিয় পরমেশ্বর ভগবান, আপনি ষড়জ্বরে পূর্ণ। আপনার সর্বশক্তিমানতার কথা ভুলে যাওয়ার কারণে আমি ভুলবশত আপনার আদেশ অমান্য করেছি এবং এইভাবে আমি এক গুরুতর অপরাধী হয়েছি। কিন্তু, হে আমার প্রিয় প্রভু, অনুগ্রহ করে জানবেন যে আমি আপনার শরণাগত আত্মা। আপনি আপনার ভক্তদের প্রতি অত্যন্ত স্নেহশীল। অতএব, অনুগ্রহ করে আমার ঔদ্ধত্য ও ভুলসমূহ ক্ষমা করুন এবং আপনার অহেতুক কৃপায় এখন আমাকে মুক্তি দিন।”


এই বশ্যতা প্রদর্শনের ফলে যমুনা ক্ষমা লাভ করল, এবং যখন সে কাছে এল, ভগবান বলরাম গোপীদের সঙ্গে তার জলে সাঁতার কাটার আনন্দ উপভোগ করতে চাইলেন, ঠিক যেমন একটি হাতি তার বহু হস্তীর সঙ্গে আনন্দ করে। অনেকক্ষণ পর, ভগবান বলরাম যখন পূর্ণ তৃপ্তি সহকারে আনন্দ করলেন, তখন তিনি জল থেকে উঠে এলেন, এবং তৎক্ষণাৎ এক লক্ষ্মীদেবী তাঁকে একটি সুন্দর নীল বস্ত্র এবং একটি মূল্যবান সোনার হার অর্পণ করলেন। যমুনায় স্নান করার পর, নীল বস্ত্রে সজ্জিত এবং সোনার অলঙ্কারে অলংকৃত ভগবান বলরাম সকলের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয় লাগছিলেন। ভগবান বলরামের গায়ের রঙ সাদা, এবং যখন তিনি যথাযথ পোশাকে সজ্জিত হতেন, তখন তাঁকে ঠিক স্বর্গলোকের রাজা ইন্দ্রের শ্বেতহস্তীর মতো দেখাত। ভগবান বলরামের লাঙলের ফলার দ্বারা ক্ষতবিক্ষত হওয়ার কারণে যমুনা নদীতে এখনও অনেক ছোট ছোট শাখা রয়েছে। এবং যমুনা নদীর এই সমস্ত শাখা এখনও ভগবান বলরামের সর্বশক্তিমানতার মহিমা কীর্তন করে।

ভগবান বলরাম গোপীদের ভাবাবেগ বুঝতে পারছিলেন, তাই তিনি তাঁদের শান্ত করতে চেয়েছিলেন। তিনি আবেদন জানাতে পারদর্শী ছিলেন, এবং এইভাবে, গোপীদের অত্যন্ত সম্মানের সাথে, তিনি এমন কৌশলে কৃষ্ণের কাহিনী বর্ণনা করতে শুরু করলেন যে গোপীরা সন্তুষ্ট হলেন। বৃন্দাবনের গোপীদের সন্তুষ্ট রাখার জন্য, ভগবান বলরাম সেখানে একটানা দুই মাস, অর্থাৎ চৈত্র (মার্চ-এপ্রিল) এবং বৈশাখ (এপ্রিল-মে) মাসে অবস্থান করেছিলেন। সেই দুই মাস তিনি গোপীদের মধ্যে থাকতেন এবং তাঁদের দাম্পত্য প্রেমের আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য বৃন্দাবনের বনে তাঁদের সাথে প্রতি রাত্রি কাটাতেন। এইভাবে বলরাম সেই দুই মাস গোপীদের সাথে রাসলীলাও উপভোগ করেছিলেন। বসন্তকাল হওয়ায় যমুনার তীরে খুব মৃদু বাতাস বইছিল, যা নানা ফুলের, বিশেষ করে কৌমুদী ফুলের সুগন্ধ বয়ে আনছিল। চন্দ্রালোক আকাশ পূর্ণ করে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছিল, ফলে যমুনার তীর অত্যন্ত উজ্জ্বল ও মনোরম দেখাচ্ছিল এবং ভগবান বলরাম সেখানে গোপীদের সঙ্গ উপভোগ করছিলেন।

 এইভাবে কৃষ্ণের দ্বিতীয় খণ্ডের দশম অধ্যায়, “ভগবান বলরাম বৃন্দাবন দর্শন করেন

══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

                                       সংগৃহীত 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

   📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝
     ꧁👇📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী📖👇



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   🌷❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🌷
   🏵️❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🏵️
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧




শ্রীপাদ মাধবেন্দ্রপুরী 🙇 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2026/03/madhavendra.html

✧════════•❁❀🙇❀❁•════════✧

🆕  শ্রীপাদ মাধবেন্দ্রপুরী 🙇 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2026/03/madhavendra.html

✧════════•❁❀🙇❀❁•════════✧
"গোবর্ধন পর্বত পরিক্রমা শেষ করে মাধবেন্দ্রপুরী গোবিন্দকুণ্ডের তীরে বসে আছেন। স্নান ও মধ্যাহ্ন-রূপ শেষ। এবার ইষ্টদেবকে ভোগ দিয়ে প্রসাদ গ্রহণ করবেন। গত তিনদিন কিছু খাননি। আজও ভিক্ষা কিছু জুটবে বলে মনে হয় না। কোথাও কোন জনমানব নেই। মাধবেন্দ্রপুরীপাদ আহারের আশা ছেড়ে দিয়ে গাছের ছায়ায় শুয়ে রইলেন। এমন সময় একটি প্রিয়দর্শন বালক দুধের ভাণ্ড হাতে সেখানে এসে উপস্থিত হল। বলল "এই দুধটুকু খেয়ে নাও।” বালক চলে গেল। মাধকেন্দ্র ইষ্টদেবকে নিবেদন করে দুগ্ধপান করলেন। ক্রমে রাত্রি হল। পূজা কীর্তন ও জপ শেষ করে তিনি সেখানেই ঘুমিয়ে পড়লেন। রাত্রি শেষে হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেল। দেখলেন দিব্য আলোকে সারা বন আলোকিত হয়ে উঠেছে, আর সেই আলোকের মাঝে দাঁড়িয়ে আছে সেই গোপবালক। বালক বলল – “এই গ্রামের শেষ- প্রান্তে মাটির নিচে আমার শিলা বিগ্রহ বিধর্মীর আক্রমণের সময় ভক্তরা ঐখানে লুকিয়ে রেখেছিল। তুমি তা উদ্ধার কর।” বালকমূর্তি অদৃশ্য হয়ে গেল। মাধবেন্দ্রপুরী গ্রামের লোকজনকে ডেকে অলৌকিক স্বপ্নের কথা প্রচার করলেন । তখন গোবর্ধনের চূড়ায় রাঙা মাণিকের মত সূর্যকিরণের প্রথম ঝলক ঝিকিমিকি করছে। সজল নেত্রে সন্ন্যাসী বৃন্দাবনের পল্লীতে ছুটে চললেন –সঙ্গে কোদাল ও শাবল হাতে গ্রামবাসীরা। তাঁরা বহু স্থান খঁজে মাটি খুঁড়ে বের করল সেই সুন্দর গোপাল মূর্তি ! মহা ধুমধামে উৎসব হল, গোপাল প্রতিষ্ঠিত হলেন মন্দিরে। বাঙালী পুরোহিত এনে সেই মূর্তি পূজার ব্যবস্থা করলেন মাধবেন্দ্রপুরীপাদ। গোপালের সেবায় মাধবেন্দ্রপরী বৃন্দাবন ব্ৰজমণ্ডলে প্রায় দু বছর কাটান। গোপাল একদিনি স্বপ্নে মাধবেন্দ্রপরীকে দেখা দিয়ে বললেন—
"পুরী গোঁসাই! বহুকাল মাটির নিচে থাকায় আমার সারা দেহে দেখা দিয়েছে প্রবল জালা। মলয় চন্দন না হলে  দেহের এ জালা জুড়াবে না। সে চন্দন পাবে তুমি নীলাচলে। দারুণ গ্রীষ্মে ভক্তরা জগন্নাথদেবকে সেই চন্দন মাখায়। তাই আমার চাই।"

বৃন্দাবন ধাম থেকে মাধবেন্দ্র তার পরদিনই গৌড় হয়ে পদব্ৰজে উড়িষ্যার দিকে যাত্রা করলেন। অনেকদিন অক্লান্ত পদযাত্রার পর উপনীত হলেন নীলাচলে। দিকে দিকে সংবাদ রটে গেল, ভক্তিসিদ্ধ মহাপুরুষ মাধবেন্দ্র শ্রীক্ষেত্রে এসেছেন। ভক্তেরা দলে দলে ছুটে আসে, জগন্নাথের পাণ্ডা, রাজকর্মচারী সকলেই এসে ভিড় করে। মাধবেন্দ্রপুরী তাদের সাহায্যেই প্রচুর চন্দন কাঠ ও কয়েক ভাঁড় সগন্ধি কর্পূর সংগ্রহ করেন। এর পর মাধবেন্দ্রপুরী বৃন্দাবনের পথে রওনা হন। কিছুদিন চলার পর এসে পৌঁছান রেমুনায় শ্রীগোপীনাথের মন্দিরে। সেখানে কিছুদিন নামকীর্তন ও সেবাপূজায় রত থাকেন। এমন সময় রাত্রিবেলায় মাধবেন্দ্রপুরী দেখেন এক অপূর্ব। স্বপ্ন। গোপাল জ্যোতির্ময় মূর্তিতে ত্রিভঙ্গ ভঙ্গিমায় তাঁর সামনে এসে দাঁড়িয়েছেন। গোপাল বললেন, “বৎস, তোমাকে আর দৌড়ঝাঁপ করে বেড়াতে হবে না। তোমার আনা চন্দন কর্পূরে আমার কাছে পৌছে গেছে।” মাধবেন্দ্রপুরী অবাক্, হয়ে গেলেন। বৃন্দাবন যে এখনও বহু, দূরে। প্রভুর একী রহস্যময় কথা! গোপাল আবার বললেন, “গোপীনাথের অঙ্গ আমার অঙ্গ একই। তুমি গোপীনাথের দেহে কর্পরে চন্দন রোজ লেপন করো, তবেই আমার দেহ শীতল হবে।” মাধবেন্দ্রপুরী তাই করলেন। গ্রীষ্মকাল শেষ হলে তিনি চলে গেলেন নীলাচলে। মাধবেন্দ্রপুরী কিছুকাল পরে বসলেন কঠোর তপস্যায়। ঝারিখণ্ডের গহন অরণ্যে দিনের পর দিন চলে তাঁর ধ্যান সাধন। 

শ্রীহট্ট জেলার এক ক্ষুদ্র গ্রাম পূর্নিপাটে এক ধর্মনিষ্ঠ ব্রাহ্মণবংশে জন্মগ্রহণ করেন শ্রীপাদ মাধবেন্দ্রপুরী।ব্যাকারণ, কাব্য ও ধর্মশাস্ত্র অতি অল্প বয়সেই তিনি আয়ত্ত করে ফেলেন। একটি সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরই তাঁর পত্নীর মৃত্যু হয়। এতে সংসারের প্রতি মাধবেন্দ্রের বৈরাগ্য আসে। কিছুকাল পর শিশুপুত্রকে নিয়ে চলে আসেন কুলিয়া ও কুমারহট্টের মধ্যবর্তী বিষ্ণুপুর গ্রামে। এখানে এসে তিনি কুটির বাঁধেন এবং খুলে বসেন নতুন চতুষ্পাঠী।কুমারহট্ট থেকে একদিন মাধবেন্দ্রের কাছে এসে উপস্থিত হন এক মেধাবী তরুণ। মাধবেন্দ্রের কাছে তিনি শাস্ত্রজ্ঞান ও দীক্ষা লাভ করে বিশেষ পণ্ডিত হন। উত্তরকালে তিনি প্রসিদ্ধ হয়ে ওঠেন ঈশ্বরপুরী নামে। এই ঈশ্বরপুরীই গয়াধামে শ্রীচৈতন্যদেবকে গোপালমন্ত্র দান করেন। কয়েক বৎসর পরে মাধবেন্দ্রপুরীর কাছে কমলাক্ষ নামে একটি ছাত্র আসেন শ্রীহট্টের নবগ্রাম থেকে। পরে এই কমলাক্ষ শ্রীচৈতন্যের লীলা পার্ষদরূপে এবং গৌড়ীয় বৈষ্ণবদের তিন প্রভুর এক প্রভু শ্রীঅদ্বৈত-রূপে আত্মপ্রকাশ করেন। শেষ জীবনে গুরুসেবার ভার নেন ঈশ্বরপুরী। মাধবেন্দ্রপুরীর জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি অক্লান্তভাবে সেবা করেন। মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্য নীলাচলের পথে রেমুনার অবস্থানকালে পুরী মহারাজের পূণ্যস্মৃতি বার বার স্মরণ করেন:
প্রভু কহে নিত্যানন্দ করহ বিচার।
পুরী সম ভাগ্যবান জগতে নাহি আর।।
দগ্ধদানচ্ছলে কৃষ্ণ যারে কৃপা কৈলা ।
যার প্রেমে বশ হঞা প্রকট রইলা ।।
সেবা অঙ্গীকার করি জগৎ তারিলা ।
যার লাগি গোপীনাথ ক্ষীর চুরি কৈলা ।
কর্পূরে চন্দন যার অঙ্গে চড়াইলা।
[চৈতন্যচরিতামৃতঃ মধ্যখণ্ড ]

মহাপ্রয়াণের পূর্বদিন। শ্রীপাদ সেবক ভক্তকে নিকটে ডেকে সস্নেহে বললেন, “বৎস, আমি আশীর্বাদ করছি, প্রকৃত কৃষ্ণপ্রেমে সিক্ত হয়ে তুমি কৃষ্ণলাভ কর।” এই বলে শ্রীপাদ উচ্চারণ করলেন তাঁর চিরপ্রিয় কৃষ্ণবিরহ-শ্লোক:

অয়ি দীনদয়ার্দ্রনাথ হে মথুরানাথ কদাবলোকাসে।
হৃদয়ং ত্বালোককাতরং দয়িত ভ্রাম্যতি কিং করোম্যহম্।

তোমার অদর্শনে হৃদয় আমার কাতর হয়েছে, ভ্রান্তদশায় আমি পতিত হয়েছি। এখন আমি কী করি পরবর্তী কালে স্বয়ং শ্রীচৈতন্যও এই কৃষ্ণবিরহের শ্লোকটি আবৃত্তি করতে করতে ভাবোম্মত্ত হয়ে পড়তেন। মহাপ্রভুর জন্মের কিছু পূর্বে বা পরে 'ভক্তিচন্দ্রোদয়' মাধবেন্দ্রপুরীপাদ স্বর্গগত হন। অনুমান ১৪০০ খ্রীষ্টাব্দ থেকে ১৪৮০ খ্রীষ্টাব্দ পর্যন্ত ইনিজাগতিক লীলায় রত ছিলেন।

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

   📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝
     ꧁👇📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী📖👇



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   🌷❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🌷
   🏵️❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🏵️
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧




adds