শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

মাতা দেবকীর গর্ভে প্রথম হইতে ষষ্ঠ সন্তানগনের বিবরণ 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/04/whatsapp-phone-no-9800451398-facebook.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁মাতা দেবকীর গর্ভে প্রথম হইতে ষষ্ঠ সন্তানগনের বিবরণ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ব্রহ্মলোকে ব্রহ্মার পুত্র মরীচি ঋষির ছয় পুত্র ছিল। অপ্সরা তিলোত্তমাকে দেখে কাম মোহিত হয়ে ব্রহ্মা তার পিছনে ধাবিত হলে মরীচি পুত্ররা পিতামহ ব্রহ্মাকে দেখে পরিহাস করেছিল। তাতে ব্রহ্মা হতচকিত হয়ে তাদের অভিশাপ দিয়েছিলেন, 'তোমরা অসুর যোনিতে জন্ম গ্রহণ কর।' অবিশাপ মুক্তির উদ্দেশ্যে মরীচি পুত্ররা ব্রহ্মার চরণে মিনতি করলে ব্রহ্মা বললেন, 'পৃথিবীতে' বৈবস্বত মন্বন্তরে অষ্টাবিংশ চতুর্যুগের দ্বাপরে ভগবান অবতীর্ণ হবেন, তাঁরই উচ্ছিষ্ট ভোজন করলে তোমরা শাপমুক্ত হবে।'

এই ঘটনার পর মরীচির সেই ছয় পুত্র---অসুর হিরণ্যাক্ষের পুত্র কালনেমি---তারই পুত্ররূপে জন্ম লাভ করে। অসুরের পুত্ররূপে জন্ম নিলেও পূর্বসংস্কার বশে তারা ভগবানের উপাসনা করতে লাগল। সেইজন্যে হিরণ্যাক্ষের ভাই ভগবদ্ বিরোধী হিরণ্যকশিপু সেই ছেলেদের প্রতি ক্রুদ্ধ হয়ে অভিশাপ দেয়---'তোমরা পিতৃকুলের মর্যাদা নষ্ট করে পিতৃশত্রু শ্রীহরির উপাসনা করছ, অতএব তোমাদের পিতৃহস্তে মৃত্যু
হবে।'
কিন্তু তাদের পিতা কালনেমি দেবতাদের সঙ্গে যুদ্ধ করতে গিয়ে ভগবানের সুদর্শন চক্রে নিহত হয়।

অসুরের বংশধর হলেও হিরণ্যকশিপুর প্রপৌত্র ভগবদভক্ত বলী ভগবান শ্রীবামনদেবের আদেশে সুতল লোকে গমন করেন এবং কালনেমির সেই ছয় পুত্রও সুতললোকে বাস করে। কিন্তু তারা শাপমুক্ত হতে পারেনি। শাপমুক্তি হতে হলে---পিতার হাতে মরতে হবে এবং ভগবানের উচ্ছিষ্ট খেতে হবে। অসুর কালনেমি জন্ম নিল কংসরূপে। যোগমায়া তখন মরীচিপুত্রদের শাপমোচন করার উদ্দেশ্যে দেবকীগর্ভে তাদের একে একে আনিয়ে কংসের হাতে বধ করালেন। তারা তখন হিরণ্যকশিপুর অভিশাপ থেকে মুক্ত হয়ে আবার সুতললোকে গমন করে। কিন্তু ভগবানের উচ্ছিষ্ট ভোজন করার বিষয়টি তখনও ঘটেনি।

ভগবান কৃষ্ণ দেবকীর পুত্ররূপে জন্ম গ্রহণ করেন। তারপর ব্রজলীলা ও মথুরালীলা শেষ করে দ্বারকালীলার সময় মা দেবকী একসময় কৃষ্ণকে বলেন, 'হে কৃষ্ণ, তুমি সান্দীপনি মুনির মৃত পুত্রকে পরলোক থেকে ফিরিয়ে এনেছ, সেই কথা জেনেছি। তোমার অগ্রজ ভাইদের---যারা কংসের হাতে নিহত---তাদেরকে কি তুমি ফিরিয়ে আনতে পারো?'

তখন কৃষ্ণ সুতললোক থেকে তাদের নিয়ে দ্বারকায় এলে শিশুরূপ সেই পুত্ররা দেবকীর স্তন পান করতে লাগল। দেবকীর স্তন প্রথমে শ্রীকৃষ্ণই পান করেছিলেন। অতএব সেই কৃষ্ণ-উচ্ছিষ্ট পান করেই তারা শ্রীব্রহ্মার শাপমুক্ত হয়ে ব্রহ্মলোকে গমন করেন।

এভাবে মরীচির ছয় পুত্র---কীর্তিমান, সুষেন, ভদ্রসেন, ঋজু, সংমর্দন ও ভদ্র---একটুখানি উপহাস করার ফলে কত দুঃখ আঘাত ব্যাঘাতের সম্মুখীন হয়েছিল।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧     ⬇️⬇️⬇️এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন⬇️⬇️⬇️
  
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



মাতা দেবকীর গর্ভে প্রথম হইতে ষষ্ঠ সন্তানগনের বিবরণ 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/04/whatsapp-phone-no-9800451398-facebook.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁মাতা দেবকীর গর্ভে প্রথম হইতে ষষ্ঠ সন্তানগনের বিবরণ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ব্রহ্মলোকে ব্রহ্মার পুত্র মরীচি ঋষির ছয় পুত্র ছিল। অপ্সরা তিলোত্তমাকে দেখে কাম মোহিত হয়ে ব্রহ্মা তার পিছনে ধাবিত হলে মরীচি পুত্ররা পিতামহ ব্রহ্মাকে দেখে পরিহাস করেছিল। তাতে ব্রহ্মা হতচকিত হয়ে তাদের অভিশাপ দিয়েছিলেন, 'তোমরা অসুর যোনিতে জন্ম গ্রহণ কর।' অবিশাপ মুক্তির উদ্দেশ্যে মরীচি পুত্ররা ব্রহ্মার চরণে মিনতি করলে ব্রহ্মা বললেন, 'পৃথিবীতে' বৈবস্বত মন্বন্তরে অষ্টাবিংশ চতুর্যুগের দ্বাপরে ভগবান অবতীর্ণ হবেন, তাঁরই উচ্ছিষ্ট ভোজন করলে তোমরা শাপমুক্ত হবে।'

এই ঘটনার পর মরীচির সেই ছয় পুত্র---অসুর হিরণ্যাক্ষের পুত্র কালনেমি---তারই পুত্ররূপে জন্ম লাভ করে। অসুরের পুত্ররূপে জন্ম নিলেও পূর্বসংস্কার বশে তারা ভগবানের উপাসনা করতে লাগল। সেইজন্যে হিরণ্যাক্ষের ভাই ভগবদ্ বিরোধী হিরণ্যকশিপু সেই ছেলেদের প্রতি ক্রুদ্ধ হয়ে অভিশাপ দেয়---'তোমরা পিতৃকুলের মর্যাদা নষ্ট করে পিতৃশত্রু শ্রীহরির উপাসনা করছ, অতএব তোমাদের পিতৃহস্তে মৃত্যু
হবে।'
কিন্তু তাদের পিতা কালনেমি দেবতাদের সঙ্গে যুদ্ধ করতে গিয়ে ভগবানের সুদর্শন চক্রে নিহত হয়।

অসুরের বংশধর হলেও হিরণ্যকশিপুর প্রপৌত্র ভগবদভক্ত বলী ভগবান শ্রীবামনদেবের আদেশে সুতল লোকে গমন করেন এবং কালনেমির সেই ছয় পুত্রও সুতললোকে বাস করে। কিন্তু তারা শাপমুক্ত হতে পারেনি। শাপমুক্তি হতে হলে---পিতার হাতে মরতে হবে এবং ভগবানের উচ্ছিষ্ট খেতে হবে। অসুর কালনেমি জন্ম নিল কংসরূপে। যোগমায়া তখন মরীচিপুত্রদের শাপমোচন করার উদ্দেশ্যে দেবকীগর্ভে তাদের একে একে আনিয়ে কংসের হাতে বধ করালেন। তারা তখন হিরণ্যকশিপুর অভিশাপ থেকে মুক্ত হয়ে আবার সুতললোকে গমন করে। কিন্তু ভগবানের উচ্ছিষ্ট ভোজন করার বিষয়টি তখনও ঘটেনি।

ভগবান কৃষ্ণ দেবকীর পুত্ররূপে জন্ম গ্রহণ করেন। তারপর ব্রজলীলা ও মথুরালীলা শেষ করে দ্বারকালীলার সময় মা দেবকী একসময় কৃষ্ণকে বলেন, 'হে কৃষ্ণ, তুমি সান্দীপনি মুনির মৃত পুত্রকে পরলোক থেকে ফিরিয়ে এনেছ, সেই কথা জেনেছি। তোমার অগ্রজ ভাইদের---যারা কংসের হাতে নিহত---তাদেরকে কি তুমি ফিরিয়ে আনতে পারো?'

তখন কৃষ্ণ সুতললোক থেকে তাদের নিয়ে দ্বারকায় এলে শিশুরূপ সেই পুত্ররা দেবকীর স্তন পান করতে লাগল। দেবকীর স্তন প্রথমে শ্রীকৃষ্ণই পান করেছিলেন। অতএব সেই কৃষ্ণ-উচ্ছিষ্ট পান করেই তারা শ্রীব্রহ্মার শাপমুক্ত হয়ে ব্রহ্মলোকে গমন করেন।

এভাবে মরীচির ছয় পুত্র---কীর্তিমান, সুষেন, ভদ্রসেন, ঋজু, সংমর্দন ও ভদ্র---একটুখানি উপহাস করার ফলে কত দুঃখ আঘাত ব্যাঘাতের সম্মুখীন হয়েছিল।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧     ⬇️⬇️⬇️এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন⬇️⬇️⬇️
  
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



নন্দ বাবা ও যশোমতী মায়ের পূর্ব জন্মের পরিচয় 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/04/blog-post_11.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁নন্দ বাবা ও যশোমতী মায়ের পূর্ব জন্মের পরিচয়꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
আমাদের প্রাণগোবিন্দের জাগতিক পিতামাতা, বসুদেব, দেবকী, নন্দ মহারাজ ও মা যশোদার পূর্ব্ব জন্মের কথা জানতে অনেকেরই বড় কৌতুহল হয়। তাই আমরা চেষ্টা করছি মা যশোদা ও নন্দ মহারাজের পূর্ব্ব জন্মে কারা ছিলেন, সেই সম্পর্কে কিছু আলোকপাত করার।

একদিন দেবর্ষি নারদ মুনি পরম করুণাময়  গোলকঅধিপতি সচ্চিদানন্দ ভগবান শ্রীকৃষ্ণের পিতা ও মাতা ( নন্দ বাবা ও যশোমতী মায়ের ) পূর্ব জন্মের কথা শ্রীনারায়নের নিকট জানতে চাইলেন। তখন শ্রীনারায়ন নারদ মুনিকে মা যশোদা ও  নন্দ মহারাজের পূর্ব্ব জন্মের পরিচয় জ্ঞাতার্থে করে বলেছেন। যা ব্রহ্মবৈবর্ত পুরানে উল্লেখ আছে। 

"নন্দ মহারাজ ছিলেন বসু গনের মধ্যে শ্রেষ্ট। তাঁর নাম ছিলো দ্রোন। তিনি মহান তপস্বী ছিলেন। তাঁর স্ত্রীর নাম ছিলো ধরা। তিনিও এক মহান তপস্বিনী ছিলেন। সেই মহান তপস্বী বসু দ্রোন ও তাঁর স্ত্রী মহান তপস্বিনী সাধ্বী ধরা। পরবর্তী জন্মে নন্দ মহারাজ ও মা যশোদা রুপে আবির্ভূত হয়েছেন।

 একদিন এই দ্রোন ও ধরা, পূন্য ভূমি ভারত বর্ষের গন্ধ মাদন পর্ব্বতে, ঋষি গৌতমের অাশ্রমের কাছে, সুপ্রভা নদীর তটে গোবিন্দকে দর্শনের প্রত্যাশায় ১০,০০০ দশ হাজার বছর  কঠোর তপস্যা করে ছিলেন। তবুও এই তপস্বী জুটি শ্রীকৃষ্ণের দর্শন লাভে ব্যর্থ হয়েছেন। তখন তাঁরা অদম্য কৃষ্ণ প্রেমের বৈরাগ্য বশতঃ অগ্নি কুন্ড প্রস্তুত করলেন। সেই অগ্নি কুন্ডে স্বামী-স্ত্রী প্রবেশ করে আত্ম বিসর্জন দানের কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়ে অগ্নি কুন্ডের সামনে উপস্থিত হলেন।

তাঁদের এই নির্ম্মম ভাবে প্রান বিসর্জনে ইচ্ছুক দেখে, হঠাৎ দৈব বানী হলো, 'হে বৎস, তিষ্ট। তোমরা পৃথিবীতে গোকুলে শ্রীহরিকে পুত্র রুপেই দর্শন লাভ করবে। হে বসু শ্রেষ্ট দ্রোন, হে সতী সাধ্বী ধরা, যোগীরা বহু জন্ম ধ্যান করেও যাঁর দর্শন লাভ করতে পারেন না, ব্রহ্মা, শিব প্রমুখ দেব শ্রেষ্ট গন, যাঁর পাদপদ্ম বন্দনা করেন। বিদ্যান ব্যক্তিরা যাঁর শ্রীচরণকমল স্মরণ করে ধন্য হন, সেই পরমারাধ্য প্রভূ শ্রীহরি অচিরেই গোকুলে তোমাদের পুত্র রুপে দর্শন দেবেন।'

 সেই দৈব বানী শুনে বসু দ্রোন ও তাঁর স্ত্রী ধরা মহানন্দে অাত্ম বিসর্জনের চিন্তা বাদ দিয়ে, অাপন ভবনে গমন করলেন। তার পরবর্তী জন্মে তাঁরা ব্রজ মন্ডলে নন্দ মহারাজ ও যশোদা রুপে জন্ম গ্রহন করেন।

দ্বাপরে শ্রীকৃষ্ণ পূর্ব্ব জন্মের প্রতিশ্রুত দুটি বরকেই সফল রুপ দান করেন। তার মধ্যে একটি বর দ্রোন ও ধরাকে দেয়া। তারও অাগে বসুদেব ও দেবকীকে সত্য যুগে বর দিয়ে ছিলেন তাঁদের কোলে পুত্র রুপে অাসবেন বলে।

সত্য যুগে বসুদেব ছিলেন সুতপা নামের প্রজাপতি। স্ত্রী দেবকী ছিলেন সুতপার স্ত্রী পৃশ্নি। এই সুতপা ও পৃশ্নি ১২০০০ বার হাজার বছর বৃন্তচ্যুত পাতা ও বায়ু ভক্ষন করে গোবিন্দ দর্শনের জন্য কঠোর তপস্যা করে ছিলেন। তপস্যায় তুষ্ট হয়ে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বর দান করেছিলেন, 'অবিকল চতুর্ভূজ নারায়ন হয়ে পুত্র রুপে তাঁদের গর্ভে অাসবেন।'

তাই শ্রীকৃষ্ণ, সুতপা ও পৃশ্নির পরবর্তী জন্ম বসুদেব ও দেবকীর অষ্টম গর্ভে স্বয়ং জন্ম গ্রহন করে নন্দ মহারাজ ও যশোদার কোলে পুত্র রুপে লালিত পালিত হয়ে তাঁর দেওয়া দুটো বরকেই পূরন করলেন। কংসকে হত্যা করে নিজ পিতামাতা বসুদেব ও দেবকীকে কংসের কারাগার থেকে মুক্ত করে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ও ভাই বলরাম গিয়ে ছিলেন সন্ধীপন মুনির অাশ্রমে বিদ্যা শিক্ষা অর্জন করার জন্য।

বিদ্যা শিক্ষা শেষে কৃষ্ণ-বলরাম তাঁদের পিতা-মাতার কাছে ফিরে যেতে গুরু সন্ধীপন মুনির কাছে অনুমতি চাইলে, মুনিবর তাদের ফিরে যাবার অনুমতি দিচ্ছিলেন না। কারন মুনির একমাত্র পুত্র সৌমিক নদীতে স্নান করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে ছিলেন। কৃষ্ণ, বলরামকে পেয়ে মুনিবর তাঁর পুত্র শোক ভূলে ছিলেন। এখন তাঁরা চলে গেলে মুনির পুত্র শোকের অাগুন অাবার দাউ, দাউ করে জ্বলে উঠবে। তাই গুরুজী তাঁদেরকে যাবার অনুমতি দিচ্ছিলেন না। পরে শর্ত দিয়েছিলেন যে, যদি শ্রীকৃষ্ণ তাঁর নিখোজ পুত্রকে উদ্ধার করে এনে দেন, তাহলে তাঁদের যেতে দেবেন।

 পরে শ্রীকৃষ্ণ যমপুরী থেকে গুরুপুত্র সৌমিককে উদ্ধার করে এনে গুরু বাক্য পালন করে ছিলেন। গুরুগৃহ থেকে কৃষ্ণ, বলরাম যখন পিতা, মাতা বসুদেব, দেবকীর কাছে ফিরে অাসলেন। তখন একদিন দেখলেন, মা দেবকী কান্না করছেন। মাতৃদেবীকে বিষন্ন ও সজল নয়না দেখে কৃষ্ণ হেতু জিজ্ঞাসা করলেন। উত্তরে দেবকী বললেন, "তুমি কি অামার বিষন্নতা দূর করতে পারবে? হে কৃষ্ণ অাজ অামি যেটা চাইবো, সেটা তুমি অামায় দিতে পারবে?"

প্রত্যুক্তরে কৃষ্ণ বললেন, "হে মাতঃ, তুমি যদি চাও, এই ত্রিভূবন কেনো? নিজের জীবনও তোমার চরণ কমলে উৎসর্গ করতে পারি। বলো মাতঃ তোমার বিষন্নতার হেতু কী?"

দেবকী বললেন, "হে প্রিয় পুত্র কৃষ্ণ, অামি বড়ই দুঃখী। পুত্র শোকে কাতর। অামার গর্ভের ১ম হতে ৬ষ্ট সন্তানকে জন্মের পরেই কংস নির্ম্মম ভাবে অাঁছড়ে চোখের সামনেই হত্যা করেছে। সেই বিভীষিকা এখনও অামি ভূলতে পারি না। এরা তোমারই অগ্রজ ভাই। পুত্রদের এ হেনো
শোক অামি ভূলি কী করে?"

দেবকী আরও বললেন, "হে কৃষ্ণ অামার, অামি দেবর্ষি নারদের মুখে শুনেছি, তুমি গুরু পুত্রকে উদ্ধার করে গুরুর কাছে ফিরিয়ে দিয়ে গুরু সত্য রক্ষা করেছো। তোমার কাছে এই দুঃখিনী মা বিনতি করছে, তুমি কি অামার ৬ সন্তানকে অামার কাছে ফিরিয়ে দিতে পারো না?"

প্রত্যুত্তরে শ্রীকৃষ্ণ বললেন, "হে জননী, তোমার অশ্রু মুছে দিতে, মাতৃ সত্য রক্ষা করতে অামি যথা সাধ্য চেষ্টা করবো। অামায় অাশির্বাদ করো।"

এর পরের ঘটনা আমরা জানি, দেবকীর যে  ৬ সন্তানকে কংস হত্যা করেছিলো। তাঁর ৭ম গর্ভে ছিল শ্রীনারায়নের অনন্ত বাসুকী অবতার বলরাম, যাঁকে শ্রী নারায়ন তাঁর যোগমায়ার মাধ্যমে গর্ভ স্থানান্তর করে বসুদেবের বড় স্ত্রী রোহিনীর গর্ভে স্থানান্তর করে ছিলেন। ৮ম গর্ভে ছিলেন, শ্রীকৃষ্ণ স্বয়ং নিজে, যাঁকে নন্দ ও যশোদার ঘরে স্থানান্তর করা হয়ে ছিলো।

প্রসঙ্গ ক্রমে জেনে নেই দেবকীর প্রথম ৬ সন্তান পূর্ব্ব জন্মে কারা ছিলেন। পুরানে অাছে, দেবকীর প্রথম ৬ সন্তান ছিলেন, পূর্ব্ব জন্মে শ্রী ব্রহ্মার অভিশপ্ত পুত্র। ব্রহ্মার অভিশপ্ত পুত্র হওয়ার কারন আছে।

ব্রহ্মার একজন মেয়ে সন্ধ্যা রানী। দিবা অার রাত্রির সন্ধিক্ষন হলেন, সন্ধ্যা রানী, ছিলেন অপ্সরা সুন্দরী। সন্ধ্যার রুপে মুগ্ধ হয়ে, ব্রহ্মা অাকৃষ্ট হলেন। ব্রহ্মার কোপানল থেকে বাঁচার জন্য সন্ধ্যা রানী দৌঁড়াতে, দৌঁড়াতে অবশেষে ব্রহ্মার পুত্রদের মাঝে অবস্থান নিয়ে কুৎসিৎ রুপ ধারন করলেন। শ্রী ব্রহ্মার এ হেনো কান্ডে দুঃখিত হয়ে ব্রহ্মার পুত্ররা তাঁকে তিরস্কার করলেন। বললেন, "হে প্রভূ, অাপনার এ হেনো কাজ অশোভনীয়।"

পিতৃ নিন্দা করেছেন বলে, ব্রহ্মার পুত্ররা পাপ গ্রস্থ হলেন। ব্রহ্মা অভিশাপ দিলেন, ৬ জন্ম তাঁদেরকে পৃথিবীতে জন্ম নিয়ে, জন্ম-মৃৃত্যুর দুঃখ যন্ত্রনা ভোগ করতে হবে। এই ৬ পুত্রই দেবকীর ১ম হতে ৬ষ্ট গর্ভ পর্যন্ত জন্ম গ্রহন করে ছিলেন।

যা হোক। দেবকীর ৬ সন্তান ফিরিয়ে দিয়ে মায়ের দুঃখ মোচন ও মাতৃ সত্য রক্ষার জন্য ভগবান শ্রীকৃষ্ণ চিন্তিত হয়ে পড়লেন। যোগ নিদ্রায় জানতে পারলেন, এই ৬ সন্তান যম পুরীতে নেই। আছে পাতালের হিরণ্য পুরী তথা রাক্ষস পুরীতে। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তখন, পাতালে প্রবেশ করে তাঁদের উদ্ধার করে নিয়ে এলেন মাতা দেবকীর সন্মুখে। ৬ সন্তান তখন নিজেদের পরিচয় দিয়ে বলছেন, "মাতঃ অামরা অভিশপ্ত ব্রহ্মাপুত্র। কিন্তু, শ্রীকৃষ্ণের স্পর্শে অামরা পাপ মুক্ত হয়ে গিয়েছি। অাপনি অামাদের অনুমতি করুণ, অামরা এবার পুনরায় ব্রহ্মলোকে ফিরে যাবো।"

 ভগবান শ্রীকৃষ্ণের স্পর্শে পাপ মুক্ত হয়ে তাঁরা পুনঃ ব্রহ্মলোক প্রাপ্ত হয়ে সেখানেই ফিরে গেলেন।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
   
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



নন্দ বাবা ও যশোমতী মায়ের পূর্ব জন্মের পরিচয় 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/04/blog-post_11.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁নন্দ বাবা ও যশোমতী মায়ের পূর্ব জন্মের পরিচয়꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
আমাদের প্রাণগোবিন্দের জাগতিক পিতামাতা, বসুদেব, দেবকী, নন্দ মহারাজ ও মা যশোদার পূর্ব্ব জন্মের কথা জানতে অনেকেরই বড় কৌতুহল হয়। তাই আমরা চেষ্টা করছি মা যশোদা ও নন্দ মহারাজের পূর্ব্ব জন্মে কারা ছিলেন, সেই সম্পর্কে কিছু আলোকপাত করার।

একদিন দেবর্ষি নারদ মুনি পরম করুণাময়  গোলকঅধিপতি সচ্চিদানন্দ ভগবান শ্রীকৃষ্ণের পিতা ও মাতা ( নন্দ বাবা ও যশোমতী মায়ের ) পূর্ব জন্মের কথা শ্রীনারায়নের নিকট জানতে চাইলেন। তখন শ্রীনারায়ন নারদ মুনিকে মা যশোদা ও  নন্দ মহারাজের পূর্ব্ব জন্মের পরিচয় জ্ঞাতার্থে করে বলেছেন। যা ব্রহ্মবৈবর্ত পুরানে উল্লেখ আছে। 

"নন্দ মহারাজ ছিলেন বসু গনের মধ্যে শ্রেষ্ট। তাঁর নাম ছিলো দ্রোন। তিনি মহান তপস্বী ছিলেন। তাঁর স্ত্রীর নাম ছিলো ধরা। তিনিও এক মহান তপস্বিনী ছিলেন। সেই মহান তপস্বী বসু দ্রোন ও তাঁর স্ত্রী মহান তপস্বিনী সাধ্বী ধরা। পরবর্তী জন্মে নন্দ মহারাজ ও মা যশোদা রুপে আবির্ভূত হয়েছেন।

 একদিন এই দ্রোন ও ধরা, পূন্য ভূমি ভারত বর্ষের গন্ধ মাদন পর্ব্বতে, ঋষি গৌতমের অাশ্রমের কাছে, সুপ্রভা নদীর তটে গোবিন্দকে দর্শনের প্রত্যাশায় ১০,০০০ দশ হাজার বছর  কঠোর তপস্যা করে ছিলেন। তবুও এই তপস্বী জুটি শ্রীকৃষ্ণের দর্শন লাভে ব্যর্থ হয়েছেন। তখন তাঁরা অদম্য কৃষ্ণ প্রেমের বৈরাগ্য বশতঃ অগ্নি কুন্ড প্রস্তুত করলেন। সেই অগ্নি কুন্ডে স্বামী-স্ত্রী প্রবেশ করে আত্ম বিসর্জন দানের কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়ে অগ্নি কুন্ডের সামনে উপস্থিত হলেন।

তাঁদের এই নির্ম্মম ভাবে প্রান বিসর্জনে ইচ্ছুক দেখে, হঠাৎ দৈব বানী হলো, 'হে বৎস, তিষ্ট। তোমরা পৃথিবীতে গোকুলে শ্রীহরিকে পুত্র রুপেই দর্শন লাভ করবে। হে বসু শ্রেষ্ট দ্রোন, হে সতী সাধ্বী ধরা, যোগীরা বহু জন্ম ধ্যান করেও যাঁর দর্শন লাভ করতে পারেন না, ব্রহ্মা, শিব প্রমুখ দেব শ্রেষ্ট গন, যাঁর পাদপদ্ম বন্দনা করেন। বিদ্যান ব্যক্তিরা যাঁর শ্রীচরণকমল স্মরণ করে ধন্য হন, সেই পরমারাধ্য প্রভূ শ্রীহরি অচিরেই গোকুলে তোমাদের পুত্র রুপে দর্শন দেবেন।'

 সেই দৈব বানী শুনে বসু দ্রোন ও তাঁর স্ত্রী ধরা মহানন্দে অাত্ম বিসর্জনের চিন্তা বাদ দিয়ে, অাপন ভবনে গমন করলেন। তার পরবর্তী জন্মে তাঁরা ব্রজ মন্ডলে নন্দ মহারাজ ও যশোদা রুপে জন্ম গ্রহন করেন।

দ্বাপরে শ্রীকৃষ্ণ পূর্ব্ব জন্মের প্রতিশ্রুত দুটি বরকেই সফল রুপ দান করেন। তার মধ্যে একটি বর দ্রোন ও ধরাকে দেয়া। তারও অাগে বসুদেব ও দেবকীকে সত্য যুগে বর দিয়ে ছিলেন তাঁদের কোলে পুত্র রুপে অাসবেন বলে।

সত্য যুগে বসুদেব ছিলেন সুতপা নামের প্রজাপতি। স্ত্রী দেবকী ছিলেন সুতপার স্ত্রী পৃশ্নি। এই সুতপা ও পৃশ্নি ১২০০০ বার হাজার বছর বৃন্তচ্যুত পাতা ও বায়ু ভক্ষন করে গোবিন্দ দর্শনের জন্য কঠোর তপস্যা করে ছিলেন। তপস্যায় তুষ্ট হয়ে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বর দান করেছিলেন, 'অবিকল চতুর্ভূজ নারায়ন হয়ে পুত্র রুপে তাঁদের গর্ভে অাসবেন।'

তাই শ্রীকৃষ্ণ, সুতপা ও পৃশ্নির পরবর্তী জন্ম বসুদেব ও দেবকীর অষ্টম গর্ভে স্বয়ং জন্ম গ্রহন করে নন্দ মহারাজ ও যশোদার কোলে পুত্র রুপে লালিত পালিত হয়ে তাঁর দেওয়া দুটো বরকেই পূরন করলেন। কংসকে হত্যা করে নিজ পিতামাতা বসুদেব ও দেবকীকে কংসের কারাগার থেকে মুক্ত করে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ও ভাই বলরাম গিয়ে ছিলেন সন্ধীপন মুনির অাশ্রমে বিদ্যা শিক্ষা অর্জন করার জন্য।

বিদ্যা শিক্ষা শেষে কৃষ্ণ-বলরাম তাঁদের পিতা-মাতার কাছে ফিরে যেতে গুরু সন্ধীপন মুনির কাছে অনুমতি চাইলে, মুনিবর তাদের ফিরে যাবার অনুমতি দিচ্ছিলেন না। কারন মুনির একমাত্র পুত্র সৌমিক নদীতে স্নান করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে ছিলেন। কৃষ্ণ, বলরামকে পেয়ে মুনিবর তাঁর পুত্র শোক ভূলে ছিলেন। এখন তাঁরা চলে গেলে মুনির পুত্র শোকের অাগুন অাবার দাউ, দাউ করে জ্বলে উঠবে। তাই গুরুজী তাঁদেরকে যাবার অনুমতি দিচ্ছিলেন না। পরে শর্ত দিয়েছিলেন যে, যদি শ্রীকৃষ্ণ তাঁর নিখোজ পুত্রকে উদ্ধার করে এনে দেন, তাহলে তাঁদের যেতে দেবেন।

 পরে শ্রীকৃষ্ণ যমপুরী থেকে গুরুপুত্র সৌমিককে উদ্ধার করে এনে গুরু বাক্য পালন করে ছিলেন। গুরুগৃহ থেকে কৃষ্ণ, বলরাম যখন পিতা, মাতা বসুদেব, দেবকীর কাছে ফিরে অাসলেন। তখন একদিন দেখলেন, মা দেবকী কান্না করছেন। মাতৃদেবীকে বিষন্ন ও সজল নয়না দেখে কৃষ্ণ হেতু জিজ্ঞাসা করলেন। উত্তরে দেবকী বললেন, "তুমি কি অামার বিষন্নতা দূর করতে পারবে? হে কৃষ্ণ অাজ অামি যেটা চাইবো, সেটা তুমি অামায় দিতে পারবে?"

প্রত্যুক্তরে কৃষ্ণ বললেন, "হে মাতঃ, তুমি যদি চাও, এই ত্রিভূবন কেনো? নিজের জীবনও তোমার চরণ কমলে উৎসর্গ করতে পারি। বলো মাতঃ তোমার বিষন্নতার হেতু কী?"

দেবকী বললেন, "হে প্রিয় পুত্র কৃষ্ণ, অামি বড়ই দুঃখী। পুত্র শোকে কাতর। অামার গর্ভের ১ম হতে ৬ষ্ট সন্তানকে জন্মের পরেই কংস নির্ম্মম ভাবে অাঁছড়ে চোখের সামনেই হত্যা করেছে। সেই বিভীষিকা এখনও অামি ভূলতে পারি না। এরা তোমারই অগ্রজ ভাই। পুত্রদের এ হেনো
শোক অামি ভূলি কী করে?"

দেবকী আরও বললেন, "হে কৃষ্ণ অামার, অামি দেবর্ষি নারদের মুখে শুনেছি, তুমি গুরু পুত্রকে উদ্ধার করে গুরুর কাছে ফিরিয়ে দিয়ে গুরু সত্য রক্ষা করেছো। তোমার কাছে এই দুঃখিনী মা বিনতি করছে, তুমি কি অামার ৬ সন্তানকে অামার কাছে ফিরিয়ে দিতে পারো না?"

প্রত্যুত্তরে শ্রীকৃষ্ণ বললেন, "হে জননী, তোমার অশ্রু মুছে দিতে, মাতৃ সত্য রক্ষা করতে অামি যথা সাধ্য চেষ্টা করবো। অামায় অাশির্বাদ করো।"

এর পরের ঘটনা আমরা জানি, দেবকীর যে  ৬ সন্তানকে কংস হত্যা করেছিলো। তাঁর ৭ম গর্ভে ছিল শ্রীনারায়নের অনন্ত বাসুকী অবতার বলরাম, যাঁকে শ্রী নারায়ন তাঁর যোগমায়ার মাধ্যমে গর্ভ স্থানান্তর করে বসুদেবের বড় স্ত্রী রোহিনীর গর্ভে স্থানান্তর করে ছিলেন। ৮ম গর্ভে ছিলেন, শ্রীকৃষ্ণ স্বয়ং নিজে, যাঁকে নন্দ ও যশোদার ঘরে স্থানান্তর করা হয়ে ছিলো।

প্রসঙ্গ ক্রমে জেনে নেই দেবকীর প্রথম ৬ সন্তান পূর্ব্ব জন্মে কারা ছিলেন। পুরানে অাছে, দেবকীর প্রথম ৬ সন্তান ছিলেন, পূর্ব্ব জন্মে শ্রী ব্রহ্মার অভিশপ্ত পুত্র। ব্রহ্মার অভিশপ্ত পুত্র হওয়ার কারন আছে।

ব্রহ্মার একজন মেয়ে সন্ধ্যা রানী। দিবা অার রাত্রির সন্ধিক্ষন হলেন, সন্ধ্যা রানী, ছিলেন অপ্সরা সুন্দরী। সন্ধ্যার রুপে মুগ্ধ হয়ে, ব্রহ্মা অাকৃষ্ট হলেন। ব্রহ্মার কোপানল থেকে বাঁচার জন্য সন্ধ্যা রানী দৌঁড়াতে, দৌঁড়াতে অবশেষে ব্রহ্মার পুত্রদের মাঝে অবস্থান নিয়ে কুৎসিৎ রুপ ধারন করলেন। শ্রী ব্রহ্মার এ হেনো কান্ডে দুঃখিত হয়ে ব্রহ্মার পুত্ররা তাঁকে তিরস্কার করলেন। বললেন, "হে প্রভূ, অাপনার এ হেনো কাজ অশোভনীয়।"

পিতৃ নিন্দা করেছেন বলে, ব্রহ্মার পুত্ররা পাপ গ্রস্থ হলেন। ব্রহ্মা অভিশাপ দিলেন, ৬ জন্ম তাঁদেরকে পৃথিবীতে জন্ম নিয়ে, জন্ম-মৃৃত্যুর দুঃখ যন্ত্রনা ভোগ করতে হবে। এই ৬ পুত্রই দেবকীর ১ম হতে ৬ষ্ট গর্ভ পর্যন্ত জন্ম গ্রহন করে ছিলেন।

যা হোক। দেবকীর ৬ সন্তান ফিরিয়ে দিয়ে মায়ের দুঃখ মোচন ও মাতৃ সত্য রক্ষার জন্য ভগবান শ্রীকৃষ্ণ চিন্তিত হয়ে পড়লেন। যোগ নিদ্রায় জানতে পারলেন, এই ৬ সন্তান যম পুরীতে নেই। আছে পাতালের হিরণ্য পুরী তথা রাক্ষস পুরীতে। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তখন, পাতালে প্রবেশ করে তাঁদের উদ্ধার করে নিয়ে এলেন মাতা দেবকীর সন্মুখে। ৬ সন্তান তখন নিজেদের পরিচয় দিয়ে বলছেন, "মাতঃ অামরা অভিশপ্ত ব্রহ্মাপুত্র। কিন্তু, শ্রীকৃষ্ণের স্পর্শে অামরা পাপ মুক্ত হয়ে গিয়েছি। অাপনি অামাদের অনুমতি করুণ, অামরা এবার পুনরায় ব্রহ্মলোকে ফিরে যাবো।"

 ভগবান শ্রীকৃষ্ণের স্পর্শে পাপ মুক্ত হয়ে তাঁরা পুনঃ ব্রহ্মলোক প্রাপ্ত হয়ে সেখানেই ফিরে গেলেন।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
   
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



পিতার মাতার প্রধান দায়িত্ব এবং কর্তব্য 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/04/httpsm_35.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    ꧁ পিতার মাতার প্রধান দায়িত্ব এবং কর্তব্য ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
মাতৃ প্রণাম মন্ত্র- ভূমেগরীয়সী মাতা স্বাগাৎ উচ্চতর পিতা জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী। 

গর্ভ ধারণ্যং পোষ্যভাং পিতুমাতা বিশ্বস্তে। 
সর্বদেব সরুপায় স্তন্মৈমাত্র নমঃ নমঃ।।

মাতা জননী ধরিত্রী, দয়াদ্র হৃদয়া সতী।
দেবীভ্যো রমণী শ্রেষ্ঠা নির্দ্দোশা সর্ব দুঃখ হারা।। 

ওঁ শান্তিরূপাং ক্ষমারূপাং স্নেহরূপাং শুভংকরীং।
সাক্ষাৎ ভগবতীদেবীং মাতরং ত্বাং নমাম্যহম্।।

পিতৃ প্রণাম মন্ত্র- পিতাস্বর্গঃ পিতা ধর্মঃ পিতাহি পরমংতপঃ।
পিতরি প্রীতিমাপন্নে প্রীয়ন্তে সর্বদেবতা।। 
নমঃ পিতৃ চরণেভ্য নমঃ।।

প্রত্যেক পিতা মাতার উচিত তাদের নিজ নিজ সন্তানকে সুপথে পরিচালনা করা এর জন্য প্রয়োজন তাদের সন্তান কে কৃষ্ণভক্তে পরিনত করা। যাতে তার সন্তান সারা জীবন সৎ থাকে পরবর্তীতে ভগবানের কাছে চলে যেতে পারে এটাই হচ্ছে আর্দশ পিতা মাতার কর্তব্য। 

বৈবর্ত্ত পুরাণে (৮/৯৫/৯৬.) বলা হয়েছে, গুরু পিতা বা স্বামী যদি শ্রীহরির প্রতি ভক্তি শিক্ষা না দেয় তবে তাদের সম্মান করা সার। আমাদের পিতা মাতা যদি কৃষ্ণ ভক্তির শিক্ষা নাও দিয়ে থাকে তাহলেও অবজ্ঞা করা উচিত নয় আমরা যেন এই ভূলটি না করি।

একমাত্র অসুর প্রকৃতি পিতা-মাতাই কৃষ্ণ ভক্তির শিক্ষা দেয় না। যেমন -হিরণ্যকশিপু প্রহল্বাদকে হরি নাম নিতে দিত না। 

বর্তমানে সবাই সবার পুত্র সন্তানদের নিয়ে মর্ডান যুগের এর শিক্ষা দিচ্ছে। আগে কারো পুত্রের নাম হত গোবিন্দ, কারো নাম হত কৃষ্ণ আর ও কত কি? বর্তমানে নাম রাখা হচ্ছে অনেক আধুনিক আধুনিক নাম।

একটা দু:খের কথা হল একজন মা আরেক জন মায়ের কাছে গল্প করে আমার ছেলে খুব স্টাইলিশ, প্রতিদিন সিনেমা হলে যায়, ক্লাবে যায়, খুব স্মার্ট,গলায় কত রকমের হার পড়ে,হাতে কত ধরনের ব্যাজ পড়ে।

কিন্তু যদি কোন রকমে জানতে পারে যে তার ছেলেটি মন্দিরে যাচ্ছে, গলায় তুলসী মালা পড়েছে তাহলে তো ঐ পিতামাতার মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ল।

তখন ছেলেটিকে বুঝায় বাবা তোমার বয়স হয়নি, তুমি এখনো ছোট, তোমার ধর্ম কর্ম করার অনেক সময় পড়ে রয়েছে এখন এগুলো করিও না। 

শাস্ত্রে বলা হয়েছে যে পুত নামক নরক থেকে যে উদ্ধার করতে পারবে তার নামই হল পুত্র। তাই সবার উচিত নিজ নিজ সন্তানকে ধর্মীয় শিক্ষা দান করা ।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧     ⬇️⬇️⬇️এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন⬇️⬇️⬇️

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



পিতার মাতার প্রধান দায়িত্ব এবং কর্তব্য 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/04/httpsm_35.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    ꧁ পিতার মাতার প্রধান দায়িত্ব এবং কর্তব্য ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
মাতৃ প্রণাম মন্ত্র- ভূমেগরীয়সী মাতা স্বাগাৎ উচ্চতর পিতা জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী। 

গর্ভ ধারণ্যং পোষ্যভাং পিতুমাতা বিশ্বস্তে। 
সর্বদেব সরুপায় স্তন্মৈমাত্র নমঃ নমঃ।।

মাতা জননী ধরিত্রী, দয়াদ্র হৃদয়া সতী।
দেবীভ্যো রমণী শ্রেষ্ঠা নির্দ্দোশা সর্ব দুঃখ হারা।। 

ওঁ শান্তিরূপাং ক্ষমারূপাং স্নেহরূপাং শুভংকরীং।
সাক্ষাৎ ভগবতীদেবীং মাতরং ত্বাং নমাম্যহম্।।

পিতৃ প্রণাম মন্ত্র- পিতাস্বর্গঃ পিতা ধর্মঃ পিতাহি পরমংতপঃ।
পিতরি প্রীতিমাপন্নে প্রীয়ন্তে সর্বদেবতা।। 
নমঃ পিতৃ চরণেভ্য নমঃ।।

প্রত্যেক পিতা মাতার উচিত তাদের নিজ নিজ সন্তানকে সুপথে পরিচালনা করা এর জন্য প্রয়োজন তাদের সন্তান কে কৃষ্ণভক্তে পরিনত করা। যাতে তার সন্তান সারা জীবন সৎ থাকে পরবর্তীতে ভগবানের কাছে চলে যেতে পারে এটাই হচ্ছে আর্দশ পিতা মাতার কর্তব্য। 

বৈবর্ত্ত পুরাণে (৮/৯৫/৯৬.) বলা হয়েছে, গুরু পিতা বা স্বামী যদি শ্রীহরির প্রতি ভক্তি শিক্ষা না দেয় তবে তাদের সম্মান করা সার। আমাদের পিতা মাতা যদি কৃষ্ণ ভক্তির শিক্ষা নাও দিয়ে থাকে তাহলেও অবজ্ঞা করা উচিত নয় আমরা যেন এই ভূলটি না করি।

একমাত্র অসুর প্রকৃতি পিতা-মাতাই কৃষ্ণ ভক্তির শিক্ষা দেয় না। যেমন -হিরণ্যকশিপু প্রহল্বাদকে হরি নাম নিতে দিত না। 

বর্তমানে সবাই সবার পুত্র সন্তানদের নিয়ে মর্ডান যুগের এর শিক্ষা দিচ্ছে। আগে কারো পুত্রের নাম হত গোবিন্দ, কারো নাম হত কৃষ্ণ আর ও কত কি? বর্তমানে নাম রাখা হচ্ছে অনেক আধুনিক আধুনিক নাম।

একটা দু:খের কথা হল একজন মা আরেক জন মায়ের কাছে গল্প করে আমার ছেলে খুব স্টাইলিশ, প্রতিদিন সিনেমা হলে যায়, ক্লাবে যায়, খুব স্মার্ট,গলায় কত রকমের হার পড়ে,হাতে কত ধরনের ব্যাজ পড়ে।

কিন্তু যদি কোন রকমে জানতে পারে যে তার ছেলেটি মন্দিরে যাচ্ছে, গলায় তুলসী মালা পড়েছে তাহলে তো ঐ পিতামাতার মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ল।

তখন ছেলেটিকে বুঝায় বাবা তোমার বয়স হয়নি, তুমি এখনো ছোট, তোমার ধর্ম কর্ম করার অনেক সময় পড়ে রয়েছে এখন এগুলো করিও না। 

শাস্ত্রে বলা হয়েছে যে পুত নামক নরক থেকে যে উদ্ধার করতে পারবে তার নামই হল পুত্র। তাই সবার উচিত নিজ নিজ সন্তানকে ধর্মীয় শিক্ষা দান করা ।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧     ⬇️⬇️⬇️এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন⬇️⬇️⬇️

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



শ্রীশ্রী মহামন্ত্র নামের তাৎপর্য

✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
           ꧁ শ্রীশ্রী মহামন্ত্র নামের তাৎপর্য ꧂
                       👇👇👇🙏👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
সকল কিছু লিখনী👇👇🙏👇👇📚 *PDF গ্রন্থ* 📚 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧            
"হরে কৃষ্ণ"মহামন্ত্রের সাথে "১৬ নাম ৩২ অক্ষর" শব্দটা জড়িত।আজ জানব এই "১৬ নাম ৩২ অক্ষর" কথার তাৎপর্যঃ

প্রথমত ১৬ নামের তাৎপর্যঃ

১.অষ্ট "হরে" নামের তাৎপর্য :
প্রথমত, ‘হরে’- চন্দ্রাবলী
দ্বিতীয়ত, ‘হরে’- প্রেমময়ী শ্রীরাধা
তৃতীয়ত, ‘হরে’- সুভাষিণী
চতুর্থত, ‘হরে’- সিংহাসন
পঞ্চমত, ‘হরে’- সুদর্শন
ষষ্ঠত, ‘হরে’- শেষ দেব
সপ্তমত, ‘হরে’- সাবিত্রী
অষ্টমত, ‘হরে’- রেবতী
২.চারি "কৃষ্ণ" নামের তাৎপর্য :
প্রথমত, ‘কৃষ্ণ’- পরম ব্রহ্ম শ্রীগোবিন্দ
দ্বিতীয়ত, ‘কৃষ্ণ’- বাসুদেব
তৃতীয়ত, ‘কৃষ্ণ’- জগন্নাথ
চতুর্থত, ‘কৃষ্ণ’- বলভদ্র

৩.চারি "রাম" নামের তাৎপর্য :
প্রথমত, ‘রাম’- শ্রীরাধিকা
দ্বিতীয়ত, ‘রাম’- লক্ষ্মী
তৃতীয়ত, ‘রাম’- সরস্বতী
চতুর্থত, ‘রাম’- সুভদ্রা
দ্বিতীয়ত হরিনাম মহামন্ত্রের ৩২ অক্ষরের তাৎপর্যঃ
১.‘হ’- অক্ষরে শ্রীললিতা সখী মস্তকেতে।
২.‘রে’- অক্ষরে শ্রীবিশাখা দক্ষিণ বাহুতে।।
৩.‘কৃ’-অক্ষরে চম্পকলতা সখীকন্ঠে রয়।
৪.‘ষ্ণ’- অক্ষরেচিত্রা সখী বাহুতে শোভয়।।
৫.‘হ’- অক্ষরে রঙ্গদেবী সখী থাকে হাতে।
৬.‘রে’- অক্ষরে সুদেবী যে থাকয়ে পৃষ্ঠেতে।।
৭.‘কৃ’- অক্ষরে তুঙ্গবিদ্যা বদন উপরে।
৮.‘ষ্ণ’- অক্ষরে ইন্দুরেখা শ্রবণ বিবরে।।
৯.‘কৃ’- অক্ষরে শশীরেখা রহে ভুরুযুগে।
১০.‘ষ্ণ’- অক্ষরে বিমলা সখী ভ্রুর ডান ভাগে।।
১১.‘কৃ’- অক্ষরে পালিকা সখী ভ্রুর বামে রয়।
১২.‘ষ্ণ’- অক্ষরে লবঙ্গমঞ্জরী থাকয়ে হৃদয়।।
১৩.‘হ’- অক্ষরে শ্যামলা সখী নাভীতে থাকায়।
১৪.‘রে’- অক্ষরে মধুমতী নাভি মধ্যে রয়।।
১৫.‘হ’- অক্ষরে ধন্যা সখী করাঙ্গুলি রয়।
১৬.‘রে’- অক্ষরে মঙ্গলা কর অধোমুখী হয়।।
১৭.‘হ’- অক্ষরে শ্রীদাম সখা জঙ্ঘায় থাকয়।
১৮.‘রে’- অক্ষরে সুদাম সখা জানু নিবসয়।।
১৯.‘রা’- অক্ষরে বসুদাম সাখা থাকে ভুরু অঙ্গে।
২০.‘ম’- অক্ষরে অর্জুন সখা সদা থাকে লিঙ্গে।।
২১.‘হ’- অক্ষরে সুবল সখা দক্ষিণ পদেতে।
২২.‘রে’- অক্ষরে কিঙ্কিণী সখা আছে বামেতে।।
২৩.‘রা’- অক্ষরে চাতক সখা পূর্বে নিবসয়।
২৪.‘ম’- অক্ষরে মধুমঙ্গল অগ্নিকোণে রয়।।
২৫.‘রা’- অক্ষরে শুক সখা থাকয়ে দক্ষিণে।।
২৬.‘ম’-অক্ষরে বিশাল সখা রয় নৈঋর্ত কোণে।
২৭.‘রা’- অক্ষরে মহাবল সখা পশ্চিমে থাকায়।।
২৮.‘ম’- অক্ষরে বৃষভ সখা বায়ুকোণে রয়।
২৯.‘হ’- অক্ষরে দেবপ্রস্থ সখা উত্তরেতে।।
৩০.‘রে’- অক্ষরে উদ্ভব সখা আছে ঈশানেতে।।
৩১.‘হ’- অক্ষরে মহাবাহু ঊর্ধ্বে রয় সুখে।
৩২.‘রে’- অক্ষরে ঈশান সখা আছে অধোমুখে।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






শ্রীশ্রী মহামন্ত্র নামের তাৎপর্য

✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
           ꧁ শ্রীশ্রী মহামন্ত্র নামের তাৎপর্য ꧂
                       👇👇👇🙏👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
সকল কিছু লিখনী👇👇🙏👇👇📚 *PDF গ্রন্থ* 📚 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧            
"হরে কৃষ্ণ"মহামন্ত্রের সাথে "১৬ নাম ৩২ অক্ষর" শব্দটা জড়িত।আজ জানব এই "১৬ নাম ৩২ অক্ষর" কথার তাৎপর্যঃ

প্রথমত ১৬ নামের তাৎপর্যঃ

১.অষ্ট "হরে" নামের তাৎপর্য :
প্রথমত, ‘হরে’- চন্দ্রাবলী
দ্বিতীয়ত, ‘হরে’- প্রেমময়ী শ্রীরাধা
তৃতীয়ত, ‘হরে’- সুভাষিণী
চতুর্থত, ‘হরে’- সিংহাসন
পঞ্চমত, ‘হরে’- সুদর্শন
ষষ্ঠত, ‘হরে’- শেষ দেব
সপ্তমত, ‘হরে’- সাবিত্রী
অষ্টমত, ‘হরে’- রেবতী
২.চারি "কৃষ্ণ" নামের তাৎপর্য :
প্রথমত, ‘কৃষ্ণ’- পরম ব্রহ্ম শ্রীগোবিন্দ
দ্বিতীয়ত, ‘কৃষ্ণ’- বাসুদেব
তৃতীয়ত, ‘কৃষ্ণ’- জগন্নাথ
চতুর্থত, ‘কৃষ্ণ’- বলভদ্র

৩.চারি "রাম" নামের তাৎপর্য :
প্রথমত, ‘রাম’- শ্রীরাধিকা
দ্বিতীয়ত, ‘রাম’- লক্ষ্মী
তৃতীয়ত, ‘রাম’- সরস্বতী
চতুর্থত, ‘রাম’- সুভদ্রা
দ্বিতীয়ত হরিনাম মহামন্ত্রের ৩২ অক্ষরের তাৎপর্যঃ
১.‘হ’- অক্ষরে শ্রীললিতা সখী মস্তকেতে।
২.‘রে’- অক্ষরে শ্রীবিশাখা দক্ষিণ বাহুতে।।
৩.‘কৃ’-অক্ষরে চম্পকলতা সখীকন্ঠে রয়।
৪.‘ষ্ণ’- অক্ষরেচিত্রা সখী বাহুতে শোভয়।।
৫.‘হ’- অক্ষরে রঙ্গদেবী সখী থাকে হাতে।
৬.‘রে’- অক্ষরে সুদেবী যে থাকয়ে পৃষ্ঠেতে।।
৭.‘কৃ’- অক্ষরে তুঙ্গবিদ্যা বদন উপরে।
৮.‘ষ্ণ’- অক্ষরে ইন্দুরেখা শ্রবণ বিবরে।।
৯.‘কৃ’- অক্ষরে শশীরেখা রহে ভুরুযুগে।
১০.‘ষ্ণ’- অক্ষরে বিমলা সখী ভ্রুর ডান ভাগে।।
১১.‘কৃ’- অক্ষরে পালিকা সখী ভ্রুর বামে রয়।
১২.‘ষ্ণ’- অক্ষরে লবঙ্গমঞ্জরী থাকয়ে হৃদয়।।
১৩.‘হ’- অক্ষরে শ্যামলা সখী নাভীতে থাকায়।
১৪.‘রে’- অক্ষরে মধুমতী নাভি মধ্যে রয়।।
১৫.‘হ’- অক্ষরে ধন্যা সখী করাঙ্গুলি রয়।
১৬.‘রে’- অক্ষরে মঙ্গলা কর অধোমুখী হয়।।
১৭.‘হ’- অক্ষরে শ্রীদাম সখা জঙ্ঘায় থাকয়।
১৮.‘রে’- অক্ষরে সুদাম সখা জানু নিবসয়।।
১৯.‘রা’- অক্ষরে বসুদাম সাখা থাকে ভুরু অঙ্গে।
২০.‘ম’- অক্ষরে অর্জুন সখা সদা থাকে লিঙ্গে।।
২১.‘হ’- অক্ষরে সুবল সখা দক্ষিণ পদেতে।
২২.‘রে’- অক্ষরে কিঙ্কিণী সখা আছে বামেতে।।
২৩.‘রা’- অক্ষরে চাতক সখা পূর্বে নিবসয়।
২৪.‘ম’- অক্ষরে মধুমঙ্গল অগ্নিকোণে রয়।।
২৫.‘রা’- অক্ষরে শুক সখা থাকয়ে দক্ষিণে।।
২৬.‘ম’-অক্ষরে বিশাল সখা রয় নৈঋর্ত কোণে।
২৭.‘রা’- অক্ষরে মহাবল সখা পশ্চিমে থাকায়।।
২৮.‘ম’- অক্ষরে বৃষভ সখা বায়ুকোণে রয়।
২৯.‘হ’- অক্ষরে দেবপ্রস্থ সখা উত্তরেতে।।
৩০.‘রে’- অক্ষরে উদ্ভব সখা আছে ঈশানেতে।।
৩১.‘হ’- অক্ষরে মহাবাহু ঊর্ধ্বে রয় সুখে।
৩২.‘রে’- অক্ষরে ঈশান সখা আছে অধোমুখে।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






প্রয়োজনীয় মন্ত্র 🙏 সংগৃহীত 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/04/blog-post_38.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                     ꧁ প্রয়োজনীয় মন্ত্র 
                        👇👇👇🙏👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
সকল কিছু লিখনী👇👇🙏👇👇📚 *PDF গ্রন্থ* 📚 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
              ꧁ স্তত্রম- বন্দনা- গীত- আরতি ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
১৷🙏🙏🙏গুরু প্রণাম মন্ত্র
শ্রীগুরুভ্যো নমঃ, পরম গুরুভ্যো নমঃ, পরাৎপর গুরুভ্যো নমঃ, পরমেষ্ঠি গুরুভ্যো নমঃ, সমস্ত গুরুপাদগণেভ্যো নমঃ।

ওঁ গুরুর্ব্রহ্মা গুরুর্বিষ্ণু গুরুর্দেব মহেশ্বরঃ॥
গুরুরেব পরং ব্রহ্ম তস্মৈ শ্রী গুরবে নমঃ॥

অখণ্ডমণ্ডলাকারং ব্যাপ্তং যেন চরাচরম।
তৎপদং দর্শিতং যেন তস্মৈ শ্রী গুরবে নমঃ॥

"ওঁ অজ্ঞান তিমিরান্ধস্য জ্ঞানাঞ্জন শলাকয়া।
চক্ষুরুন্মিলিত যেন তস্মৈ শ্রীগুরুবে নমঃ ।।

২৷🙏🙏🙏শ্রীকৃষ্ণের প্রণাম মন্ত্র
"হে কৃষ্ণ করুণা সিন্ধু দীনবন্ধু জগৎপথে।
গোপেশ গোপীকা কান্ত রাধাকান্ত নমহস্তুতে ।।"

৩৷ 🙏🙏🙏শ্রী রাধারানী প্রণাম মন্ত্র
"তপ্ত কাঞ্চন গৌরাঙ্গীং রাধে বৃন্দাবনেশ্বরী।
বৃষভানু সূতে দেবী তাং প্রণমামি হরি প্রিয়ে।।"

৪৷ 🙏🙏🙏শ্রী পঞ্চতত্ত্ব প্রনাম মন্ত্র
""পঞ্চতত্ত্ব আত্মকং কৃষ্ণং ভক্তরূপ স্বরূপকম্ ।
ভক্ত অবতারং ভক্তাখ্যাং নমামি ভক্ত শক্তিকম্ ৷৷""

৫৷ 🙏🙏🙏শ্রীশ্রী গম্ভীরানাথের প্রণাম মন্ত্র
 শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ 
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।

৬৷ 🙏🙏🙏হরিনাম মহামন্ত্র
"" হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে 
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷৷""

৭৷ 🙏🙏🙏শ্রী পিতার প্রনাম মন্ত্র
"পিতা স্বর্গ, পিতা ধর্ম, পিতাহি পরমং তপ।
পিতোরি প্রিতিমা পন্নে প্রিয়ন্তে সর্ব দেবতাঃ।। ""

৮৷ 🙏🙏🙏শ্রীমাতার প্রনাম মন্ত্র
"মাতা জননী ধরিত্রী, দয়াদ্র হৃদয়া সতী।
দেবীভ্যো রমণী শ্রেষ্ঠা নির্দ্দোশা সর্ব দুঃখ হারা।।"

৯৷ 🙏🙏🙏শ্রী বৈষ্ণব প্রণাম মন্ত্র
""বাঞ্ছাকল্প তরুভ্যশ্চ কৃপাসিন্ধুভ্য এব চ।
পতিতানাং পাবনেভ্যা বৈষ্ণবেভ্যে নমো নমঃ ।।""

১০৷ 🙏🙏🙏মহাপ্রভু গৌরাঙ্গের প্রণাম মন্ত্র 
"নমো মহাবদান্যায় কৃষ্ণপ্রেম প্রদায় তে।
কৃষ্ণায় কৃষ্ণচৈতন্যানাম্নে গৌরত্বিষে নমঃ৷"

১১৷ 🙏🙏🙏তুলসী প্রণাম মন্ত্র
""বৃন্দায়ৈ তুলসী দৈব্যে প্রিয়ায়ৈ কেশবস্য চ ।
কৃষ্ণ ভক্তি প্রদে দেবী সত্যবত্যৈঃ নমঃ নমঃ ।।""

১২৷ 🙏🙏🙏তুলসী জলদান মন্ত্র
""গোবিন্দ বল্লভাং দেবী ভক্ত চৈতন্য কারিনী।
স্নাপযামি জগদ্ধাত্রীং কৃষ্ণভক্তি প্রদায়িনী।।""

১৩৷ 🙏🙏🙏তুলসী পত্র চয়ন মন্ত্র
""ওঁ তুলস্যমৃতজন্মাসি সদা ত্বং কেশবপ্রিয়া।
কেশবার্থে চিনোমি ত্বাং বরদা ভব শোভনে॥""

১৪৷ 🙏🙏🙏তুলসীদেবীর কাছে ক্ষমা প্রর্থনা মন্ত্র
""চয়নোদ্ভবদুঃখং চ যদ্ হৃদি তব বর্ততে।
তত্‍ ক্ষমস্ব জগন্মাতঃ বৃন্দাদেবী নমোহস্ততে॥""

১৫৷ 🙏🙏🙏গোবিন্দ প্রনাম মন্ত্র
""নাম ব্রহ্মাণ্ড দেবায় গোব্রাহ্মণ হিতায় চঃ জগদ্ধিতায় কৃষ্ণায় গোবিন্দায় নমঃ॥""

১৬৷ 🙏🙏🙏আচমন মন্ত্র 
""ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু।
ওঁ তদ্বিষ্ণু পরমং পদং সদাপশ্যান্তি সুরয়। দিবিব চহ্মুরাততম।""

১৭৷🙏🙏🙏গঙ্গা প্রনাম মন্ত্র
"'"ওঁ সদ্যঃপাতকসংহন্ত্রী সদ্যোদুঃখবিনাশিনী।
সুখদা মোক্ষদা গঙ্গা গঙ্গৈব পরমা গতিঃ।।

১৮৷ 🙏🙏🙏সূর্য প্রনাম মন্ত্র
""ওঁ জবাকুসুম সঙ্কাশং কাশ্যপেয়ং মহাদ্যুতিং।
ধ্বান্তারিং সর্ব পাপঘ্নং প্রণতোহস্মি দিবাকরম্।। ""

১৯৷ 🙏🙏🙏গীতা পাঠে ভুলের ক্ষমা প্রর্থনা মন্ত্র 
নমো যদক্ষরং মাত্রাহীনঞ্চ যদ্‌ ভবেৎ ।
পূর্ণং ভবতু ত্বং সর্বং ত্বং প্রসাদাৎ জনার্দ্দন ।।

২০৷ 🙏🙏🙏সরস্বতী দেবীর প্রনাম মন্ত্র 
""নমো সরস্বতী মহাভাগে বিদ্যে কমললোচনে। বিশ্বরূপে বিশালাক্ষ্মী বিদ্যাংদেহি নমোহস্তুতে।""

২১৷ 🙏🙏🙏পুষ্প শুদ্ধিকরন মন্ত্র
""ওঁ পুষ্পে পুষ্পে মহাপুষ্পে সুপুষ্পে পুষ্পসম্ভবে পুষ্পচয়াবকীর্নে চ হুং ফট স্বাহা।। ""

২২৷ 🙏🙏🙏একাদশী পারনা মন্ত্র
• ”একাদশ্যাং নিরাহারো ব্রতেনানেন কেশব।
প্রসীদ সুমুখ নাথ জ্ঞানদৃষ্টিপ্রদো ভব।।”

২৩৷ 🙏🙏🙏দেহ শুদ্ধি মন্ত্র
"পাপোহং পাপ কর্মাহং পাপাত্মা পাপ সম্ভাবান্ ।
ত্রাহি মাং পুন্ডরীকাক্ষং সর্ব পাপো হরো হরি ৷৷""

২৪৷ 🙏🙏🙏শ্রীকৃষ্ণের চরনামৃত পান করার মন্ত্র 
"ওঁ অকাল-মৃত্যু-হরণং সর্ব্ব ব্যাধি-বিনাশনং ।
কৃষ্ণ পাদোদকং পীত্বা শিরসা ধারয়াম্যহং ।।"

২৫৷ 🙏🙏🙏শিবের প্রনাম মন্ত্র
"ওঁ নমঃ শিবায় শান্তায় কারণত্রয় হে তবে।
নিবেদয়ামি চাত্মানং ত্বং গতি পরমেশ্বর।"

২৬৷ 🙏🙏🙏প্রসাদ সেবন মন্ত্র 
"মহাপ্রসাদে গোবিন্দে নাম-ব্রহ্মেণি
বৈষ্ণবে।
স্বল্প-পুণ্য বতাং রাজন্ বিশ্বাস নৈব
জায়তে॥
শরীর অবিদ্যা-জাল, জড়েন্দ্রিয় তাহে
কাল,
জীবে ফেলে বিষয়-সাগরে।
তা'র মধ্য জিহ্বা অতি, লোভময় সুদুর্মতি,
তা'কে জেতা কঠিন সংসারে॥
কৃষ্ণ বড় দয়াময়, করিবারে জিহ্বা জয়,
স্বপ্রসাদ-অন্ন দিলা ভাই।
সেই অন্নামৃত খাও, রাধাকৃষ্ণ গুণ গাও,
প্রেমে ডাক চৈতন্য-নিতাই ৷৷""

২৭৷ 🙏🙏🙏জন্ম সংবাদ মন্ত্র
"আয়ুষ্মান ভব""( তিনবার)
২৮৷ মৃত্যু সংবাদ মন্ত্র
"দিব্যান্ লোকান্ স গচ্ছতু"( পুরুষের ক্ষেত্রে)
"দিব্যান্ লোকান্ সা গচ্ছতু"( নারীর ক্ষেত্রে)

২৯৷ 🙏🙏🙏নৃসিংহ প্রনাম মন্ত্র
""জয় নৃসিংহ শ্রীনৃসিংহ
জয় জয় জয় শ্রীনৃসিংহ
উগ্রং বিরং মহাবিষ্ণুং
জলন্তং সর্বতোমুখং
নৃসিংহং বিষনং ভদ্রং
মৃত্যুর মৃত্যো নমাম্যহং
শ্রী নৃসিংহ জয় নৃসিংহ 
জয় জয় নৃসিংহ 
প্রহ্লাদেশ জয় পদ্ম
মুখো পদ্ম বৃংঙ্গম।।""

৩০৷ 🙏🙏🙏শ্রী রাম-সীতা প্রনাম মন্ত্র
"রামায় রাম-ভদ্রায় রামচন্দ্রায় মেধষে ।
রঘুনাথায় নাথায় সীতায়ৈ পতয়ে নমঃ

৩১।🙏🙏🙏সত্যযুগ:-
"নারায়ণ পরাবেদা নারায়ণ পরাক্ষরা। 
নারায়ণ পরামুক্তি নারায়ণ পরাগতি"॥

৩২। 🙏🙏🙏ত্রেতাযুগ:-
"রাম নারায়ণানন্ত মুকুন্দ মধুসূদন। 
কৃষ্ণ কেশব সংসারে হরে বৈকুণ্ঠ বামন"॥

৩৩।🙏🙏🙏দ্বাপরযুগ:-
"হরে মুরারে মধুকৈটভারে ।
গোপাল গোবিন্দ মুকুন্দ সৌরে।।
যজ্ঞেশ্বর নারায়ণ কৃষ্ণ বিষ্ণু।
 নিরাশ্রয়ং মাং জগদীশ রক্ষ"॥

 ৩৪।🙏🙏🙏 কলিযুগ:-
"হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে" ।।

৩৫। 🙏🙏🙏 গৌড় এবং সকল পার্ষদগণ প্রণাম মন্ত্র
"গুরবে গৌরচন্দ্রায় রাধিকায়ৈ তদালয়ে।
 কৃষ্ণায় কৃষ্ণভক্তায় তদ্ভক্তায় নমো নমঃ।।"

৩৬। 🙏🙏🙏
  "ওঁ অপবিত্রঃ পবিত্রো বা সর্ব্বাবস্থাং গতোহপি বা।
    যঃ স্মরেৎ পুণ্ডরীকাক্ষং স বাহ্যাভ্যন্তরঃ শুচিঃ।।"
           !! ওঁ শ্রীবিষ্ণু!! ওঁ শ্রীবিষ্ণু!! ওঁ শ্রীবিষ্ণু!!

৩৭. 🙏🙏🙏 প্রভাতে হস্তের দিকে তাকিয়ে 
*করাগ্রে বসতে লক্ষ্মী কর মধ্যে সরস্বতী।*   
*কর মূলে তু গোবিন্দং প্রভাতে "কর দর্শনম্"।*
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






প্রয়োজনীয় মন্ত্র 🙏 সংগৃহীত 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/04/blog-post_38.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                     ꧁ প্রয়োজনীয় মন্ত্র 
                        👇👇👇🙏👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
সকল কিছু লিখনী👇👇🙏👇👇📚 *PDF গ্রন্থ* 📚 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
              ꧁ স্তত্রম- বন্দনা- গীত- আরতি ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
১৷🙏🙏🙏গুরু প্রণাম মন্ত্র
শ্রীগুরুভ্যো নমঃ, পরম গুরুভ্যো নমঃ, পরাৎপর গুরুভ্যো নমঃ, পরমেষ্ঠি গুরুভ্যো নমঃ, সমস্ত গুরুপাদগণেভ্যো নমঃ।

ওঁ গুরুর্ব্রহ্মা গুরুর্বিষ্ণু গুরুর্দেব মহেশ্বরঃ॥
গুরুরেব পরং ব্রহ্ম তস্মৈ শ্রী গুরবে নমঃ॥

অখণ্ডমণ্ডলাকারং ব্যাপ্তং যেন চরাচরম।
তৎপদং দর্শিতং যেন তস্মৈ শ্রী গুরবে নমঃ॥

"ওঁ অজ্ঞান তিমিরান্ধস্য জ্ঞানাঞ্জন শলাকয়া।
চক্ষুরুন্মিলিত যেন তস্মৈ শ্রীগুরুবে নমঃ ।।

২৷🙏🙏🙏শ্রীকৃষ্ণের প্রণাম মন্ত্র
"হে কৃষ্ণ করুণা সিন্ধু দীনবন্ধু জগৎপথে।
গোপেশ গোপীকা কান্ত রাধাকান্ত নমহস্তুতে ।।"

৩৷ 🙏🙏🙏শ্রী রাধারানী প্রণাম মন্ত্র
"তপ্ত কাঞ্চন গৌরাঙ্গীং রাধে বৃন্দাবনেশ্বরী।
বৃষভানু সূতে দেবী তাং প্রণমামি হরি প্রিয়ে।।"

৪৷ 🙏🙏🙏শ্রী পঞ্চতত্ত্ব প্রনাম মন্ত্র
""পঞ্চতত্ত্ব আত্মকং কৃষ্ণং ভক্তরূপ স্বরূপকম্ ।
ভক্ত অবতারং ভক্তাখ্যাং নমামি ভক্ত শক্তিকম্ ৷৷""

৫৷ 🙏🙏🙏শ্রীশ্রী গম্ভীরানাথের প্রণাম মন্ত্র
 শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ 
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।

৬৷ 🙏🙏🙏হরিনাম মহামন্ত্র
"" হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে 
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷৷""

৭৷ 🙏🙏🙏শ্রী পিতার প্রনাম মন্ত্র
"পিতা স্বর্গ, পিতা ধর্ম, পিতাহি পরমং তপ।
পিতোরি প্রিতিমা পন্নে প্রিয়ন্তে সর্ব দেবতাঃ।। ""

৮৷ 🙏🙏🙏শ্রীমাতার প্রনাম মন্ত্র
"মাতা জননী ধরিত্রী, দয়াদ্র হৃদয়া সতী।
দেবীভ্যো রমণী শ্রেষ্ঠা নির্দ্দোশা সর্ব দুঃখ হারা।।"

৯৷ 🙏🙏🙏শ্রী বৈষ্ণব প্রণাম মন্ত্র
""বাঞ্ছাকল্প তরুভ্যশ্চ কৃপাসিন্ধুভ্য এব চ।
পতিতানাং পাবনেভ্যা বৈষ্ণবেভ্যে নমো নমঃ ।।""

১০৷ 🙏🙏🙏মহাপ্রভু গৌরাঙ্গের প্রণাম মন্ত্র 
"নমো মহাবদান্যায় কৃষ্ণপ্রেম প্রদায় তে।
কৃষ্ণায় কৃষ্ণচৈতন্যানাম্নে গৌরত্বিষে নমঃ৷"

১১৷ 🙏🙏🙏তুলসী প্রণাম মন্ত্র
""বৃন্দায়ৈ তুলসী দৈব্যে প্রিয়ায়ৈ কেশবস্য চ ।
কৃষ্ণ ভক্তি প্রদে দেবী সত্যবত্যৈঃ নমঃ নমঃ ।।""

১২৷ 🙏🙏🙏তুলসী জলদান মন্ত্র
""গোবিন্দ বল্লভাং দেবী ভক্ত চৈতন্য কারিনী।
স্নাপযামি জগদ্ধাত্রীং কৃষ্ণভক্তি প্রদায়িনী।।""

১৩৷ 🙏🙏🙏তুলসী পত্র চয়ন মন্ত্র
""ওঁ তুলস্যমৃতজন্মাসি সদা ত্বং কেশবপ্রিয়া।
কেশবার্থে চিনোমি ত্বাং বরদা ভব শোভনে॥""

১৪৷ 🙏🙏🙏তুলসীদেবীর কাছে ক্ষমা প্রর্থনা মন্ত্র
""চয়নোদ্ভবদুঃখং চ যদ্ হৃদি তব বর্ততে।
তত্‍ ক্ষমস্ব জগন্মাতঃ বৃন্দাদেবী নমোহস্ততে॥""

১৫৷ 🙏🙏🙏গোবিন্দ প্রনাম মন্ত্র
""নাম ব্রহ্মাণ্ড দেবায় গোব্রাহ্মণ হিতায় চঃ জগদ্ধিতায় কৃষ্ণায় গোবিন্দায় নমঃ॥""

১৬৷ 🙏🙏🙏আচমন মন্ত্র 
""ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু।
ওঁ তদ্বিষ্ণু পরমং পদং সদাপশ্যান্তি সুরয়। দিবিব চহ্মুরাততম।""

১৭৷🙏🙏🙏গঙ্গা প্রনাম মন্ত্র
"'"ওঁ সদ্যঃপাতকসংহন্ত্রী সদ্যোদুঃখবিনাশিনী।
সুখদা মোক্ষদা গঙ্গা গঙ্গৈব পরমা গতিঃ।।

১৮৷ 🙏🙏🙏সূর্য প্রনাম মন্ত্র
""ওঁ জবাকুসুম সঙ্কাশং কাশ্যপেয়ং মহাদ্যুতিং।
ধ্বান্তারিং সর্ব পাপঘ্নং প্রণতোহস্মি দিবাকরম্।। ""

১৯৷ 🙏🙏🙏গীতা পাঠে ভুলের ক্ষমা প্রর্থনা মন্ত্র 
নমো যদক্ষরং মাত্রাহীনঞ্চ যদ্‌ ভবেৎ ।
পূর্ণং ভবতু ত্বং সর্বং ত্বং প্রসাদাৎ জনার্দ্দন ।।

২০৷ 🙏🙏🙏সরস্বতী দেবীর প্রনাম মন্ত্র 
""নমো সরস্বতী মহাভাগে বিদ্যে কমললোচনে। বিশ্বরূপে বিশালাক্ষ্মী বিদ্যাংদেহি নমোহস্তুতে।""

২১৷ 🙏🙏🙏পুষ্প শুদ্ধিকরন মন্ত্র
""ওঁ পুষ্পে পুষ্পে মহাপুষ্পে সুপুষ্পে পুষ্পসম্ভবে পুষ্পচয়াবকীর্নে চ হুং ফট স্বাহা।। ""

২২৷ 🙏🙏🙏একাদশী পারনা মন্ত্র
• ”একাদশ্যাং নিরাহারো ব্রতেনানেন কেশব।
প্রসীদ সুমুখ নাথ জ্ঞানদৃষ্টিপ্রদো ভব।।”

২৩৷ 🙏🙏🙏দেহ শুদ্ধি মন্ত্র
"পাপোহং পাপ কর্মাহং পাপাত্মা পাপ সম্ভাবান্ ।
ত্রাহি মাং পুন্ডরীকাক্ষং সর্ব পাপো হরো হরি ৷৷""

২৪৷ 🙏🙏🙏শ্রীকৃষ্ণের চরনামৃত পান করার মন্ত্র 
"ওঁ অকাল-মৃত্যু-হরণং সর্ব্ব ব্যাধি-বিনাশনং ।
কৃষ্ণ পাদোদকং পীত্বা শিরসা ধারয়াম্যহং ।।"

২৫৷ 🙏🙏🙏শিবের প্রনাম মন্ত্র
"ওঁ নমঃ শিবায় শান্তায় কারণত্রয় হে তবে।
নিবেদয়ামি চাত্মানং ত্বং গতি পরমেশ্বর।"

২৬৷ 🙏🙏🙏প্রসাদ সেবন মন্ত্র 
"মহাপ্রসাদে গোবিন্দে নাম-ব্রহ্মেণি
বৈষ্ণবে।
স্বল্প-পুণ্য বতাং রাজন্ বিশ্বাস নৈব
জায়তে॥
শরীর অবিদ্যা-জাল, জড়েন্দ্রিয় তাহে
কাল,
জীবে ফেলে বিষয়-সাগরে।
তা'র মধ্য জিহ্বা অতি, লোভময় সুদুর্মতি,
তা'কে জেতা কঠিন সংসারে॥
কৃষ্ণ বড় দয়াময়, করিবারে জিহ্বা জয়,
স্বপ্রসাদ-অন্ন দিলা ভাই।
সেই অন্নামৃত খাও, রাধাকৃষ্ণ গুণ গাও,
প্রেমে ডাক চৈতন্য-নিতাই ৷৷""

২৭৷ 🙏🙏🙏জন্ম সংবাদ মন্ত্র
"আয়ুষ্মান ভব""( তিনবার)
২৮৷ মৃত্যু সংবাদ মন্ত্র
"দিব্যান্ লোকান্ স গচ্ছতু"( পুরুষের ক্ষেত্রে)
"দিব্যান্ লোকান্ সা গচ্ছতু"( নারীর ক্ষেত্রে)

২৯৷ 🙏🙏🙏নৃসিংহ প্রনাম মন্ত্র
""জয় নৃসিংহ শ্রীনৃসিংহ
জয় জয় জয় শ্রীনৃসিংহ
উগ্রং বিরং মহাবিষ্ণুং
জলন্তং সর্বতোমুখং
নৃসিংহং বিষনং ভদ্রং
মৃত্যুর মৃত্যো নমাম্যহং
শ্রী নৃসিংহ জয় নৃসিংহ 
জয় জয় নৃসিংহ 
প্রহ্লাদেশ জয় পদ্ম
মুখো পদ্ম বৃংঙ্গম।।""

৩০৷ 🙏🙏🙏শ্রী রাম-সীতা প্রনাম মন্ত্র
"রামায় রাম-ভদ্রায় রামচন্দ্রায় মেধষে ।
রঘুনাথায় নাথায় সীতায়ৈ পতয়ে নমঃ

৩১।🙏🙏🙏সত্যযুগ:-
"নারায়ণ পরাবেদা নারায়ণ পরাক্ষরা। 
নারায়ণ পরামুক্তি নারায়ণ পরাগতি"॥

৩২। 🙏🙏🙏ত্রেতাযুগ:-
"রাম নারায়ণানন্ত মুকুন্দ মধুসূদন। 
কৃষ্ণ কেশব সংসারে হরে বৈকুণ্ঠ বামন"॥

৩৩।🙏🙏🙏দ্বাপরযুগ:-
"হরে মুরারে মধুকৈটভারে ।
গোপাল গোবিন্দ মুকুন্দ সৌরে।।
যজ্ঞেশ্বর নারায়ণ কৃষ্ণ বিষ্ণু।
 নিরাশ্রয়ং মাং জগদীশ রক্ষ"॥

 ৩৪।🙏🙏🙏 কলিযুগ:-
"হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে" ।।

৩৫। 🙏🙏🙏 গৌড় এবং সকল পার্ষদগণ প্রণাম মন্ত্র
"গুরবে গৌরচন্দ্রায় রাধিকায়ৈ তদালয়ে।
 কৃষ্ণায় কৃষ্ণভক্তায় তদ্ভক্তায় নমো নমঃ।।"

৩৬। 🙏🙏🙏
  "ওঁ অপবিত্রঃ পবিত্রো বা সর্ব্বাবস্থাং গতোহপি বা।
    যঃ স্মরেৎ পুণ্ডরীকাক্ষং স বাহ্যাভ্যন্তরঃ শুচিঃ।।"
           !! ওঁ শ্রীবিষ্ণু!! ওঁ শ্রীবিষ্ণু!! ওঁ শ্রীবিষ্ণু!!

৩৭. 🙏🙏🙏 প্রভাতে হস্তের দিকে তাকিয়ে 
*করাগ্রে বসতে লক্ষ্মী কর মধ্যে সরস্বতী।*   
*কর মূলে তু গোবিন্দং প্রভাতে "কর দর্শনম্"।*
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






adds