✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ ৬. ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মৃত্তিকা ভক্ষণ ও বিশ্বরূপ দর্শন লীলা ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ শ্রীকৃষ্ণ লীলা 🙏 সূচীপত্র ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🌻মৃত্তিকা ভক্ষণ ও বিশ্বরূপ দর্শন গৌরচন্দ্রিকা🌻*
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
*একমুখে কি কহিব গোরাচাঁদের লীলা*।
*হামাগুড়ি নানা রঙ্গে যায় শচীবালা।।*
*লালে মুখ ঝর ঝর দেখিতে সুন্দর*।
*পাকা বিম্বফল জিনি সুন্দর অধর।।*
*অঙ্গদ বলয়া শোভে সুবাহু-যুগলে*।
*চরণে মগড়া খাড়ু বাঘনখ গলে।।*
*সোনার শিকলি পীঠে পাটের থোপনা।*
*বাসুদেবঘোষ কহে নিছনি আপনা।।*
বাল্যলীলা মৃত্তিকা ভক্ষণ ও বিশ্বরূপ দর্শন:----------------
*রাম, কৃষ্ণ ও সখাগণসহ মিলিত হইয়া গোপরাজ নন্দের সুবিস্তৃত(অনেক বড়) অঙ্গনে ছুটাছুটি, লাফালাফি প্রভৃতি
নানাবিধ বাল্যক্রীড়া করিতে আরম্ভ করিলেন। পরিশেষে তাঁরা সকলেই অন্তঃপুরের অঙ্গন হইতেবহিরঙ্গনে আগমন করিলেন এবং সেখানে ধূলো মাটি লইয়া নানাবিধ খেলা
করিতে আরম্ভ করিলেন। মা যশোদা তখন বহিরঙ্গন সংলগ্ন অন্তঃপুর দ্বারে উপস্থিত হয়ে বলরাম এবং অন্যান্য সকলকে
বললেন, তোরা কৃষ্ণকে নিয়ে এখানেই খেলা কর। কিন্তু সাবধান , কৃষ্ণ যেন বাহিরে না যায়। তখন বলরাম ও সখা
গণ বললেন, মা!আমরা এখানেই খেলা করিব, এবং
সর্বদা আমাদের কৃষ্ণকে ঘিরিয়া থাকিব, কিছুতেই
তাঁহাকে অন্যত্র যেতে দিব না। চতুরের শিরোমণি কৃষ্ণ বললেন,মা! আমি আর বাহিরে যাব না। সর্বদা বাড়ীতে থাকব। তখন মা বললেন, হ্যাঁ বাপ! অঙ্গনে খেলা কর। এই কথা বলিয়া মা যশোমতী অন্তঃপুরে গমন করিলেন, ও
পুত্র,সখাগণের জন্য নানাবিধ খাদ্য প্রস্তুত করতে লাগলেন।
রাম, কৃষ্ণ এবং গোপবালকগণ ধূলোমাটি লইয়া খেলা করতে করতে ধূলো মাটি দিয়ে তাঁহাদের ঘর করতে ইচ্ছে হইল। সকলেই অঙ্গনের ধূলোয় ছোট ছোট স্তূপ করিয়া তাহা দ্বারাগৃহ নির্মাণে রত হল এবং সকলেই ছোট ছোট ধূলার স্তূপকে ঘরের আকৃতি করিল। কিন্তু যশোদা
নন্দন কিছুতেই গৃহনির্মাণে সক্ষম হইলেন না। তিনি যত
বার ধূলার স্তূপকে গৃহাকৃতি করতে যান,ততবারই ধসিয়া
পড়ে যায়। ইহা দেখে সমস্ত সখাগণ হাস্য ও নৃত্য করতে লাগলেন এবং সবাই বলতে লাগলেন, কানাই তোর পরাজয় হয়েছে।(লীলাময়ের লীলার ভঙ্গি অতি দুর্জ্ঞেয়। যাঁহার ইঙ্গিতে অনন্তকোটি বিশ্ব সৃষ্টি হয়, তিনি পরম যত্নেও ধূলার স্তূপকে গৃহাকৃতি করতে সক্ষম হচ্ছেন না! যাঁহার চরণাশ্রয়ে
যোগশক্তিসম্পন্ন বিশ্বামিত্র, ব্রহ্মাকে নির্জ্জিত করিবার জন্য দ্বিতীয় ব্রহ্মান্ড রচনা করিতে প্রস্তুত হয়েছিলেন, যাঁহারা
কৃপাদত্ত সৃষ্টিশক্তিতে ব্রহ্মা জগৎস্রষ্টা, সেই সর্বকারণ কারণ সর্বেশ্বর শ্রীকৃষ্ণ ব্রজলীলায় ধূলোর স্তূপকে গৃহাকৃতি করতে গিয়ে কতশতবার বিফল মনোরথ হলেন। লীলা ময়ের এই ভঙ্গি কে বুঝিবে? অনন্তকোটি ব্রহ্মান্ড সৃষ্টি করতে যাঁহার সম্পূর্ণ দৃষ্টিরও প্রয়োজন হয় না। কেবলমাত্র
ইঙ্গিতই যথেষ্ট।
স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বিশুদ্ধ বাৎসল্যবতী মা যশোদার অন্তরের কথা জানতে পারিয়া, যশোদা নন্দন তাঁহার
জননী কে বলিলেন, আমি মাটি খেয়েছি কি না, আমার মুখ
দেখিয়া পরখ কর, মা যশোদা পুত্রের কথা শুনিয়া বললেন
"যদ্যেবং তর্হি ব্যাদেহি"--- যদি প্রকৃতই তুই মাটি না খেয়ে থাকিস,তাহা হইলে হাঁ কর, দেখি তোর মুখে মাটি আছে কি না। মায়ের আদেশ মাত্র গোপাল মুখব্যাদান করিলেন,
দেখিয়া মনে হয় যেন মাতৃকোপরবিকিরণ- সম্পাতে কৃষ্ণের মুখ নীলকমল তৎক্ষণাৎ বিকশিত হয়ে উঠিল।মা যশোদা ভাল করিয়া পরীক্ষা করিবার জন্য ডান হাত তাঁহার ললাটে
দিয়া মাথানত করিয়া ভাল করিয়া দেখতে লাগলেন যে,
গোপালের মুখেমাটি খাওয়ার কোন দাগ আছে কি না।মা তাঁর মুখ মধ্যে, তাঁর জিহ্বার মূলদেশে দৃষ্টিপাত করিয়া উদর মধ্যে বিশ্বদর্শন করিলেন।
*সা তত্র দদৃশে বিশ্ব়ংজগৎ স্থাস্নু চ খং দিশঃ।
সাদ্রিদ্বীপাব্ধিভূগোলং সবায্বগ্নীন্দুতারকম্।।
জ্যোতিশ্চক্রং জলংতেজো নভস্বান্ বিয়দেব চ।
বৈকারিকাণীন্দ্রিয়াণী মনো মাত্রা গুণাস্ত্রয়ঃ।।
অর্থ্যাৎ, যশোদা শ্রীকৃষ্ণের জঠর মধ্যে জঙ্গম, স্থাবর, অন্তরীক্ষলোক, পর্বত, দ্বীপ, ও সমুদ্র সহিত ভূর্লোক, বায়ু, অগ্নি,চন্দ্র,ওতারকাদিসহ স্বলোক,জল,তেজ, বায়ু, আকাশ, ইন্দ্রিয়াধিষ্ঠাত্রী দেবতা,ইন্দ্রিয়,মনঃ, পঞ্চতন্মাত্র, এবং সত্ত্বাদি ত্রিগুণ প্রভৃতি বস্তু সমন্বিত এই বিশ্ব
দর্শন করিলেন।
মা যশোদা বারে ব্যাকুল হলেন এবং পুত্রের উপর ক্রুদ্ধ হলেন। তিনি বাম হাতে কৃষ্ণের দক্ষিন (ডান)হাত ধরে রুক্ষস্বরে বললেন "ওরে দুষ্টু"কেন তুই মাটি খেয়েছিস?
(গোপাল,মা যশোদার মুখে একমাত্র "বাপরে আমার" "বাছারে আমার" "অঞ্চলের নিধি" "হৃদয়ের ধন"প্রভৃতি আদরের কথায় শুনেছেন)। জন্মের পর থেকে কোনদিনই তিনি তাঁহার মায়ের মুখে তিরস্কার বাক্য শুনেন নাই, কাজেই গোপাল একেবারে স্তম্ভিত হয়ে গেলেন। তাঁহার বন্ধুক পুষ্পের ন্যায় অরুণ অধর দুইখানি স্ফুরিত হয়ে উঠিল, খঞ্জন চঞ্চল নয়ন দুটি স্থির এবং জলভারাকান্ত হয়ে উঠিল।
"বদন্তি তাবকা হ্যেতে কুমারাস্তেহগ্ৰজোহপ্যয়ম্"।
ওরে অবোধ বালক,তোর মাটি খাওয়ার কথা কি আমি বলছি? এই সমস্ত তোর বয়স্য সখাগণ বলছে। তাহারা রহস্য
করতে পারে, কিন্তু তোর দাদা বলাইতো মিথ্যা বলবে না। তুই অবশ্যই মাটি খেয়েছিস। বল কেন তুই মাটি খেয়েছিস?
বলিয়া যশোদা দেখলেন গোপাল ভয়ে থরথর কেঁপে যাচ্ছে
তখন মায়ের মনও কাঁদো কাঁদো হয়ে মৃদুস্বরে বললেন, বাপ! কি হয়েছে তোর, চতুরের শিরোমণি কৃষ্ণ, বললেন, নাহং ভক্ষিতবানম্ব সর্বেমিথ্যা্যাভিশংসিনঃ *না মা! আমি মাটি
খাই নাই, আমার সখাগণ মিথ্যা কথা বলছে। এই কথা বলিয়া গোপাল মা, মা বলিয়া ডাকিয়া মায়ের মনকে শান্ত করে দিলেন। পুনঃ বললেন মা আমি মাটি খাই নাই। তখন যশোদা পুত্রের নয়ন ভঙ্গি দেখিয়া একে বারে আত্মহারা হয়ে গেলেন, কিন্তু কোথায় যেন একটু সন্দেহ থেকে গেল। ওরা সকলেই বলিল গোপাল মাটি খেয়েছে, আর গোপাল বলছে না।
ক্রমাগত।
শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে বলেছিলেন- অর্জুন! তুমি যে আমার বিশ্ব
রূপ দর্শন করিলে, তাহা সুদুর্দ্দর্শ। জপ, যোগ, ধ্যান, জ্ঞান, তপস্যাদি দ্বারা এ রূপ দেখতে পাওয়া যায় না।ইহা কেবলমাত্র অনন্য ভক্তিমান ব্যক্তিরই দৃশ্য।দেবতাগণ পর্যন্ত আমার এরূপ দেখবার জন্য সর্বদা আকাঙ্ক্ষা করে থাকেন। কিন্তু তাঁহারা দেখতে পাননা। আমি তোমায় দিব্যচক্ষু প্রদান করেছিলাম বলিয়া তুমি বিশ্বরূপ দেখেছ।
ক্রমাগত।
যশোদা তাঁহার পুত্রের মুখ মধ্যে জীব,কাল, স্বভাব, কর্ম ও বিচিত্র নানাদেহ সমন্বিত বিশ্ব এবং গোকুল ও কৃষ্ণসহ নিজেকে দেখিয়া শঙ্কা কুল হলেন। এই পরমাদ্ভুত ব্যাপার দেখিয়া যশোদা মনে মনে ভাবিলেন,ইহা কি স্বপ্ন বা কোনও দেবতার মায়া, না আমারই বুদ্ধি বিপর্যয়? (কুরুক্ষেত্র যুদ্ধস্থলে শ্রীকৃষ্ণ তাঁহার সখা অর্জুনের প্রার্থনা অনুসারে তাঁহাকে বিশ্বরূপ দেখাইয়া বলেছিলেন-
সুদুর্দ্দর্শমিদং রূপং দৃষ্টবানসি যন্মম।
দেবা অপাস্য রূপস্য নিত্যংদর্শনকাঙ্খিণঃ
কিন্তু মনের ভিতরে আর এক ভাবনা আসিয়া উপস্থিত হইল। আমি আমার পুত্রের মুখ মধ্যে যে যে বস্তু দর্শন করিলাম, তবে কি আমার পুত্র ---_------
ইথং বিদিততত্ত্বায়াং গোপীকায়াং ঈশ্বরঃ।
বৈষ্ণবীং ব্যতনোন্মায়াং পুত্র-স্নেহময়ীং বিভুঃ।।
অর্থ্যাৎ, কৃষ্ণজননী যশোদা এই প্রকার নির্বেদযুক্তা হইলে,
শ্রীকৃষ্ণ তাঁহার স্বরূপ শক্তিরূপা পুত্রস্নেহময়ী নিজমায়া বিস্তার করিলেন। মা যশোদার এই অবস্থা দেখিয়া শ্রীকৃষ্ণ বৈষ্ণবীমায়া বিস্তার করিলেন।
"বৈষ্ণবীমায়া শব্দের অর্থ- ভগবানের নিজ মায়া"।
(কৃষ্ণবহির্মুখ জীবগণ ত্রিগুণময়ী মায়ার মোহে আত্ম-
হারা হয়ে স্ত্রীপুত্রাদিতে মমতা স্থাপন করিয়া নানা-বিধ সংসার-দুঃখ ভোগ করিয়া থাকে। কিন্তু কৃষ্ণ জননী
যশোদা এই ত্রিগুণময়ী মমতা স্থাপন করেন নাই,কেননা
যাহার সহিত কৃষ্ণের সম্বন্ধ নাই, তাহার উপরে মায়ার প্রভাব
বিস্তৃত হয়, যশোদার সঙ্গে কৃষ্ণের গভীর সম্পর্ক, মায়া কি তাহার নিকটস্থ হতে পারে?
মায়ের যে প্রপদ্যন্তে মায়ামেতাং তরন্তি তে।
*যে ব্যক্তি আমার শরণাপন্ন হয়,সে কেবল শরণাপত্তির
বলেই মায়া-সিন্ধু অতিক্রম করিতে সক্ষম হয়।
#কৃষ্ণের অন্তরঙ্গা মায়ার(বৈষ্ণবীমায়া) স্বভাব এই যে, তিনি
কৃষ্ণভক্তগণকে তাঁহার ভাবানুরূপ সম্বন্ধেই কৃষ্ণের সঙ্গে
সম্বন্ধ করিয়া দেন। মা যশোদা বাৎসল্য ভাববতী বলিয়া
বৈষ্ণবীমায়া তাঁহার বাৎসল্যভাবের সম্বন্ধই পূর্বাপেক্ষা অধিকতররূপে সুদৃঢ় করিয়া দিলেন।মা
যশোদার হৃদয়ে পুত্র বাৎসল্য সিন্ধু পুনঃ ফিরে এলো। মায়ের বাৎসল্য ভাব দেখে কৃষ্ণ"মা""মা"বলিয়া ডাকতে লাগিলেন, মা তাঁকে কোলে ধারণ করিয়া শত শত চুম্বন প্রদান করিলেন, কৃষ্ণও ননীদেমা, ননীদেমা বলিয়া মায়ের কন্ঠ জড়িয়ে ধরলেন।
############
বহু বহু বিষয়বস্তু, খুব সামান্য লিখিলাম, বানান,ও ভুল ভ্রান্তি মার্জনীয়।
🌻🌻🌻ব্রজ লীলা 🌻🌻🌻*
*বালগোপাল রঙ্গে,সমবয় বেশ সঙ্গে*
*হামাগুড়ি আঙ্গিনায় খেলায়।*
*তেজিয়া মাখন সরে,তুলিয়া কোমল করে*
*মৃত্তিকা মনের সুখে খায়।।*
*বলরাম তা দেখিয়া,যশোদা নিকট যাঞা*
*কহিলা ভাইয়ের এই কথা।*
*শুনি তবে যশোমতী,আইলা তুরিত গতি*
*গোপাল খাইছে মাটি যথা।।*
*মায়ে দেখে মাটি ফেলে,না খাই না খাই বলে*
*আধ আধ বদন ঢুলায়।*
*মুখ নিরখিয়া রাণী,ধরিয়া তাহার পাণি*
*মন দুঃখে করে হায় হায়*।।
*এ ক্ষীর নবনী সর,কিবা নাহি মোর ঘর*
*মৃত্তিকা খাইছ কিবা সুখে।*
*পিতা যার ব্রজরাজ,কি তার এমন কাজ*
*শুনিলে হইবে মন দুঃখে।।*
*এতেক বলিয়া রাণী,কোলে করি নীলমণি*
*ছল ছল ভেল দু'নয়ন।*
*এ উদ্ধব দাস গীতে,যশোমতী হরষিতে*
*অনিমিখে নেহারে বয়ান।।*
*🌻🌻দ্বিতীয় পদ🌻🌻*
*বদন মেলিয়া রাণী গোপাল পানে চায়।*
*মুখ মাঝে অপরূপ দেখিবারে পায়।।*
*এ ভূমি আকাশ আদি চৌদ্দ ভূবন*
*সুরলোক নাগলোক নরলোকগণ।।*
*অনন্ত ব্রহ্মান্ড গোলোক আদি যত ধাম।*
*মুখের ভিতর সব দেখে নিরমাণ।।*
*শেষ মহেশ ব্রহ্মা আদি স্তুতি করে*
*নন্দ যশোমতী আর মুখের ভেতরে।।*
*দেখি নন্দ ব্রজেশ্বরী বচন না স্ফূরে।*
*স্বপ্ন প্রায় কি দেখিনু হেন মনে করে।।*
*নিজ প্রেমে পরিপূর্ণ কিছুই না মানে।*
*আপন তনয় কৃষ্ণ প্রাণ মাত্র জানে।।*
*ডাকিয়া কহয়ে নন্দে আশ্চর্য্য বিধান।*
*পুত্রের মঙ্গলের লাগি বিপ্রে কর দান।।*
*এ দাস উদ্ধবে কহে ব্রজে শুদ্ধ প্রেম।*
*কিছু নাহি সীমা যেন জাম্বুনদ হেম।।*
*🌻🌻তৃতীয় পদ 🌻🌻*
*কোলে করিয়া রাণী নিরখয়ে মুখ*
*সুখের সাগরে ডুবে পাসরে সব দুঃখ।।*
*মায়ের কোলেতে গোপাল মুখ পসারিল।*
*এ ভব সংসারে সব তাহাতে দেখিল।।*
*ই-কি ই-কি বলি রাণী হিয়ায় লইল।*
*স্বপন হেরিনু কিবা বুঝিতে নারিল।।*
*থুতু নুতু দেয় রাণী বসনের দশি।*
*দেখিয়া মায়ের রীত ও-না মুখে হাসি।।*
*ঘনশ্যাম দাস আশা করে এই মনে*
*কবে বা সেবিব আমি যশোদা চরণে।।*
*🌻জয় নিতাই গৌর হরিবল🌻*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧