শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রীশ্রীগোপাল সহস্রনাম স্তোত্রম্ 🙏 সংগৃহীত 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/06/httpmrinmoynandy_14.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
           ꧁ শ্রীশ্রীগোপালসহস্রনামস্তোত্রম্ ꧂
                        👇👇👇🙏👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
সকল কিছু লিখনী👇👇🙏👇👇📚 *PDF গ্রন্থ* 📚 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
              ꧁ স্তত্রম- বন্দনা- গীত- আরতি ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   🙏🙏❤️❤️ শ্রীশ্রী গোপাল সহস্রনাম স্তোত্রম্ ❤️❤️🙏🙏
পার্বত্যুবাচ-

কৈলাসশিখরে রম্যে গৌরী পৃচ্ছতি শঙ্করম্ ।
ব্রহ্মাণ্ডাখিলনাথস্ত্বং সৃষ্টিসংহারকারকঃ ॥ ১ ॥

ত্বমেব পূজ্যসে লোকৈর্ব্রহ্মবিষ্ণুসুরাদিভিঃ ।
নিত্যং পঠসি দেবেশ কস্য স্তোত্রং মহেশ্বর ॥ ২ ॥

আশ্চর্যমিদমাখ্যানং জায়তে ময়ি শঙ্কর ।
তত্প্রাণেশ মহাপ্রাজ্ঞ সংশয়ং ছিন্ধি মে প্রভো ॥ ৩ ॥

শ্রীমহাদেব উবাচ-
ধন্যাসি কৃতপুণ্যাসি পার্বতি প্রাণবল্লভে ।
রহস্যাতিরহস্যং চ য়ত্পৃচ্ছসি বরাননে ॥ ৪ ॥

স্ত্রীস্বভাবান্মহাদেবি পুনস্ত্বং পরিপৃচ্ছসি ।
গোপনীয়ং গোপনীয়ং গোপনীয়ং প্রয়ত্নতঃ ॥ ৫ ॥

দত্তে চ সিদ্ধিহানিঃ স্যাত্তস্মাদ্যত্নেন গোপয়েত্ ।
ইদং রহস্যং পরমং পুরুষার্থপ্রদায়কম্ ॥ ৬ ॥

ধনরত্নৌঘমাণিক্যং তুরঙ্গং চ গজাদিকম্ ।
দদাতি স্মরণাদেব মহামোক্ষপ্রদায়কম্ ॥ ৭ ॥

তত্তেহহং সম্প্রবক্ষ্যামি শৃণুষ্বাবহিতা প্রিয়ে ।
য়োঽসৌ নিরঞ্জনো দেবঃ চিত্স্বরূপী জনার্দনঃ ॥ ৮ ॥

সংসারসাগরোত্তারকারণায় নৃণাম্ সদা ।
শ্রীরঙ্গাদিকরূপেণ ত্রৈলোক্যং ব্যাপ্য তিষ্ঠতি ॥ ৯ ॥

ততো লোকা মহামূঢা বিষ্ণুভক্তিবিবর্জিতাঃ ।
নিশ্চয়ং নাধিগচ্ছন্তি পুনর্নারায়ণো হরিঃ ॥ ১০ ॥

নিরঞ্জনো নিরাকারো ভক্তানাং প্রীতিকামদঃ ।
বৃন্দাবনবিহারায় গোপালং রূপমুদ্বহন্ ॥ ১১ ॥

মুরলীবাদনাধারী রাধায়ৈ প্রীতিমাবহন্ ।
অংশাংশেভ্যঃ সমুন্মীল্য পূর্ণরূপকলায়ুতঃ ॥ ১২ ॥

শ্রীকৃষ্ণচন্দ্রো ভগবান্ নন্দগোপবরোদ্যতঃ ।
ধরণীরূপিণীমাতৃয়শোদানন্দদায়কঃ ॥ ১৩ ॥

দ্বাভ্যাং প্রয়াচিতো নাথো দেবক্যাং বসুদেবতঃ ।
ব্রহ্মণাঽভ্যর্থিতো দেবো দেবৈরপি সুরেশ্বরি ॥ ১৪ ॥

জাতোঽবন্যাং মুকুন্দোঽপি মুরলোবেদরেচিকা ।
তয়া সার্দ্ধং বচঃ কৃত্বা ততো জাতো মহীতলে ॥ ১৫ ॥

সংসারসারসর্বস্বং শ্যামলং মহদুজ্জ্বলম্ ।
এতজ্জ্যোতিরহং বেদ্যং চিন্তয়ামি সনাতনম্ ॥ ১৬ ॥

গৌরতেজো বিনা য়স্তু শ্যামতেজস্সমর্চয়েত্ ।
জপেদ্বা ধ্যায়তে বাপি স ভবেত্ পাতকী শিবে ॥ ১৭ ॥

স ব্রহ্মহা সুরাপী চ স্বর্ণস্তেয়ী চ পঞ্চমঃ ।
এতৈর্দোষৈর্বিলিপ্যেত তেজোভেদান্মহীশ্বরি ॥ ১৮ ॥

তস্মাজ্জ্যোতিরভূদ্ দ্বেধা রাধামাধবরূপকম্ ।
তস্মাদিদং মহাদেবি গোপালেনৈব ভাষিতম্ ॥ ১৯ ॥

দুর্বাসসো মুনের্মোহে কার্তিক্যাং রাসমণ্ডলে ।
ততঃ পৃষ্টবতী রাধা সন্দেহভেদমাত্মনঃ ॥ ২০ ॥

নিরঞ্জনাত্সমুত্পন্নং ময়াহধীতং জগন্ময়ি ।
শ্রীকৃষ্ণেন ততঃ প্রোক্তং রাধায়ৈ নারদায় চ ॥ ২১ ॥

ততো নারদতস্সর্বে বিরলা বৈষ্ণবা জনাঃ ।
কলৌ জানন্তি দেবেশি গোপনীয়ং প্রয়ত্নতঃ ॥ ২২ ॥

শঠায় কৃপণায়াথ দাম্ভিকায় সুরেশ্বরি ।
ব্রহ্মহত্যামবাপ্নোতি তস্মাদ্যত্নেন গোপয়েত্ ॥ ২৩ ॥

পাঠ করনে কী বিধি:---
ওঁ অস্য শ্রীগোপালসহস্রনামস্তোত্রমহামন্ত্রস্য শ্রীনারদ ঋষিঃ।
অনুষ্টুপ্ ছন্দঃ । শ্রীগোপালো দেবতা । কামো বীজম্ । মায়া শক্তিঃ ।
চন্দ্রঃ কীলকম্ শ্রীকৃষ্ণচন্দ্র ভক্তিরূপফলপ্রাপ্তয়ে
শ্রীগোপালসহস্রনামস্তোত্রজপে বিনিয়োগঃ ।
য়া ইসতরহ করেং পাঠ
ওঁ ঐং ক্লীং বীজম্ । শ্রীং হ্রীং শক্তিঃ ।
শ্রীবৃন্দাবননিবাসঃ কীলকম্ ।
শ্রীরাধাপ্রিয়পরব্রহ্মেতি মন্ত্রঃ ।
ধর্মাদিচতুর্বিধপুরুষার্থসিদ্ধ্যর্থে জপে বিনিয়োগঃ ॥

অথ করাদিন্যাসঃ
ওঁ ক্লাং অঙ্গুষ্ঠাভ্যাং নমঃ ।
ওঁ ক্লীং তর্জনীভ্যাং নমঃ ॥                                                  ওঁ ক্লীং মধ্যমাভ্যাং নমঃ ॥

ওঁ ক্লৈং অনামিকাভ্যাং নমঃ ॥

ওঁ ক্লৌং কনিষ্টিকাভ্যাং নমঃ ॥

ওঁ ক্লঃ করতলকরপৃষ্ঠাভ্যাং নমঃ ॥

অথ হৃদয়াদিন্যাসঃ
ওঁ ক্লাং হৃদয়ায় নমঃ ।
ওঁ ক্লীং শিরসে স্বাহা ॥

ওঁ ক্লূং শিখায়ৈ বষট্ ॥

ওঁ ক্লৈং কবচায় হুং ॥

ওঁ ক্লৌং নেত্রত্রয়ায় বৌষট্ ॥

ওঁ ক্লঃ অস্ত্রায় ফট্ ॥

অথ ধ্যানম্

কস্তূরীতিলকং ললাটপটলে বক্ষঃস্থলে কৌস্তুভং
নাসাগ্রেবরমৌক্তিকং করতলে বেণুং করে কঙ্কণম্ ॥

সর্বাঙ্গে হরিচন্দনং সুললিতং কণ্ঠে চ মুক্তাবলিম্
গোপস্ত্রীপরিবেষ্টিতো বিজয়তে গোপালচূড়ামণিঃ ॥ ১ ॥

ফুল্লেন্দীবরকান্তিমিন্দুবদনং বর্হাবতংসপ্রিয়ং
শ্রীবত্সাঙ্কমুদারকৌস্তুভধরং পীতাম্বরং সুন্দরম্ ॥

গোপীনাং নয়নোত্পলার্চিততনুং গোগোপসঙ্ঘাবৃতং
গোবিন্দং কলবেণুবাদনপরং দিব্যাঙ্গভূষং ভজে ॥ ২ ॥

সহস্রনাম স্তোত্র -

ওঁ ক্লীং দেবঃ কামদেবঃ কামবীজ শিরোমণিঃ ।
শ্রীগোপালো মহিপালঃ সর্ব্ব বেদান্ত পারগঃ ॥ ১ ॥

ধরণীপালকো ধন্যঃ পুণ্ডরীকঃ সনাতনঃ ।  
গোপতির্ভূপতিঃ শাস্তা প্রহর্তা বিশ্বতোমুখঃ ॥ ২ ॥

আদিকর্ত্তা মহাকর্ত্তা হাকালঃ প্রতাপবান্ ।            জগজ্জীবো জগদ্ধাতা জগদ্ভর্ত্তা জগদ্বসুঃ ॥ ৩ ॥

মৎস্যো  ভীমঃ কুহূভর্ত্তা হর্ত্তা বারাহমূর্তিমান্ ।
নারায়ণো হৃষীকেশো গোবিন্দো গরুড়ধ্বজঃ ॥ ৪ ॥

গোকুলেন্দ্রো মহীচন্দ্রঃ শর্বরী-প্রিয়কারকঃ ।
কমলা মুখ-লোলাক্ষঃ পুণ্ডরীকঃ শুভাবহঃ ॥ ৫ ॥

দুর্ব্বাসা কপিলো ভৌমঃ সিন্ধু সাগর-সঙ্গমঃ ।
গোবিন্দো গোপতির্গোত্রঃ কালিন্দী-প্রেমপূরকঃ ॥ ৬ ॥

গোপস্বামী গোকুলেন্দ্রী গোবর্দ্ধন-বর প্রদঃ ।
নন্দাদি গোকুল ত্রাতা দাতা দারিদ্র্য ভঞ্জনঃ ॥ ৭ ॥

সর্ব মঙ্গল দাতা চ সর্বকামপ্রদায়কঃ ।
আদিকর্ত্তা মহীভর্ত্তা সর্ব্ব সাগর সিন্ধুজঃ ॥ ৮ ॥

গজগামী গজোদ্ধারী কামী কামকলা নিধিঃ ।
কলঙ্করহিতশ্চন্দ্রো বিম্বাস্যো বিম্বসত্তমঃ ॥ ৯ ॥

মালাকারঃ কৃপাকারঃ কোকিলস্বরভূষণঃ ।
রামো নীলাম্বরো দেবো হলী দুর্দমমর্দনঃ ॥ ১০ ॥

সহস্রাক্ষপুরীভেত্তা মহামারীবিনাশনঃ ।
শিবঃ শিবতমো ভেত্তা বলারাতিপ্রপূজকঃ ॥ ১১ ॥

কুমারীবরদায়ী চ বরেণ্যো মীনকেতনঃ ।
নরো নারায়ণো ধীরো রাধাপতিরুদারধীঃ ॥ ১২ ॥

শ্রীপতিঃ শ্রীনিধিঃ শ্রীমান্ মাপতিঃ প্রতিরাজহা ।
বৃন্দাপতিঃ কুলগ্রামী ধামী ব্রহ্ম সনাতনঃ ॥ ১৩ ॥

রেবতীরমণো রামঃ প্রিয়শ্চঞ্চললোচনঃ ।
রামায়ণশরীরোঽয়ং রামো রামঃ শ্রিয়ঃপতিঃ ॥ ১৪ ॥

শর্বরঃ শর্বরী শর্বঃ সর্বত্র শুভদায়কঃ ।
রাধারাধয়িতারাধী রাধাচিত্তপ্রমোদকঃ ॥ ১৫ ॥

রাধারতিসুখোপেতঃ রাধামোহনতত্পরঃ ।
রাধাবশীকরো রাধাহৃদয়াম্ভোজষট্পদঃ ॥ ১৬ ॥

রাধালিঙ্গনসম্মোহঃ রাধানর্তনকৌতুকঃ ।
রাধাসঞ্জাতসম্প্রীতো রাধাকাম্যফলপ্রদঃ ॥ ১৭ ॥

বৃন্দাপতিঃ কোশনিধিঃ কোকশোকবিনাশনঃ ।
চন্দ্রাপতিঃ চন্দ্রপতিঃ চণ্ডকোদণ্ডভঞ্জনঃ ॥ ১৮ ॥

রামো দাশরথী রামঃ ভৃগুবংশসমুদ্ভবঃ ।
আত্মারামো জিতক্রোধো মোহো মোহান্ধভঞ্জনঃ ॥ ১৯ ॥

বৃষভানুভবো ভাবঃ কাশ্যপিঃ করুণানিধিঃ ।
কোলাহলো হলী হালী হেলী হলধরপ্রিয়ঃ ॥ ২০ ॥

রাধামুখাব্জমার্তাণ্ডঃ ভাস্করো রবিজা বিধুঃ ।
বিধির্বিধাতা বরুণো বারুণো বারুণীপ্রিয়ঃ ॥ ২১ ॥

রোহিণীহৃদয়ানন্দো বসুদেবাত্মজো বলী ।
নীলাম্বরো রৌহিণেয়ো জরাসন্ধবধোঽমলঃ ॥ ২২ ॥

নাগো নবাম্ভো বিরুদো বীরহা বরদো বলী ।
গোপথো বিজয়ী বিদ্বান্ শিপিবিষ্টঃ সনাতনঃ ॥ ২৩ ॥

পরশুরামবচোগ্রাহী বরগ্রাহী শৃগালহা ।
দমঘোষোপদেষ্টা চ রথগ্রাহী সুদর্শনঃ ॥ ২৪ ॥

বীরপত্নীয়শস্ত্রাতা জরাব্যাধিবিঘাতকঃ ।
দ্বারকাবাসতত্ত্বজ্ঞঃ হুতাশনবরপ্রদঃ ॥ ২৫ ॥

য়মুনাবেগসংহারী নীলাম্বরধরঃ প্রভুঃ ।
বিভুঃ শরাসনো ধন্বী গণেশো গণনায়কঃ ॥ ২৬ ॥

লক্ষ্মণো লক্ষণো লক্ষ্যো রক্ষোবংশবিনাশনঃ ।
বামনো বামনীভূতোঽবামনো বামনারুহঃ ॥ ২৭ ॥

য়শোদানন্দনঃ কর্ত্তা য়মলার্জুনমুক্তিদঃ ।
উলূখলী মহামানী দামবদ্ধাহ্বয়ী শমী ॥ ২৮ ॥

ভক্তানুকারী ভগবান্ কেশবো বলধারকঃ ।
কেশিহা মধুহা মোহী বৃষাসুরবিঘাতকঃ ॥ ২৯ ॥

অঘাসুরবিনাশী চ পূতনামোক্ষদায়কঃ ।
কুব্জাবিনোদী ভগবান্ কংসমৃত্যুর্মহামখী ॥ ৩০।
অশ্বমেধো বাজপেয়ো গোমেধো নরমেধবান্ ।
কন্দর্পকোটিলাবণ্যশ্চন্দ্রকোটিসুশীতলঃ ॥ ৩১ ॥

রবিকোটিপ্রতীকাশো বায়ুকোটিমহাবলঃ ।
ব্রহ্মা ব্রহ্মাণ্ডকর্তা চ কমলাবাঞ্ছিতপ্রদঃ ॥ ৩২ ॥

কমলা কমলাক্ষশ্চ কমলামুখলোলুপঃ ।
কমলাব্রতধারী চ কমলাভঃ পুরন্দরঃ ॥ ৩৩ ॥

সৌভাগ্যাধিকচিত্তোঽয়ং মহামায়ী মদোত্কটঃ ।
তারকারিঃ সুরত্রাতা মারীচক্ষোভকারকঃ ॥ ৩৪ ॥

বিশ্বামিত্রপ্রিয়ো দান্তো রামো রাজীবলোচনঃ ।
লঙ্কাধিপকুলধ্বংসী বিভীষণবরপ্রদঃ ॥ ৩৫ ॥

সীতানন্দকরো রামো বীরো বারিধিবন্ধনঃ ।
খরদূষণসংহারী সাকেতপুরবাসবান্ ॥ ৩৬ ॥

চন্দ্রাবলীপতিঃ কূলঃ কেশিকংসবধোঽমলঃ ।
মাধবো মধুহা মাধ্বী মাধ্বীকো মাধবো বিধুঃ ॥ ৩৭ ॥

মুঞ্জাটবীগাহমানঃ ধেনুকারির্ধরাত্মজঃ ।
বংশীবটবিহারী চ গোবর্ধনবনাশ্রয়ঃ ॥ ৩৮ ॥

তথা তালবনোদ্দেশী ভাণ্ডীরবনশঙ্খহা ।
তৃণাবর্তকৃপাকারী বৃষভানুসুতাপতিঃ ॥ ৩৯ ॥

রাধাপ্রাণসমো রাধাবদনাব্জমধুব্রতঃ ।
গোপীরঞ্জনদৈবজ্ঞঃ লীলাকমলপূজিতঃ ॥ ৪০ ॥

ক্রীডাকমলসন্দোহঃ গোপিকাপ্রীতিরঞ্জনঃ ।
রঞ্জকো রঞ্জনো রঙ্গো রঙ্গী রঙ্গমহীরুহঃ ॥ ৪১ ॥

কামঃ কামারিভক্তোঽয়ং পুরাণপুরুষঃ কবিঃ ।
নারদো দেবলো ভীমো বালো বালমুখাম্বুজঃ ॥ ৪২ ॥

অম্বুজো ব্রহ্মসাক্ষী চ য়োগী দত্তবরো মুনিঃ ।
ঋষভঃ পর্বতো গ্রামো নদীপবনবল্লভঃ ॥ ৪৩ ॥

পদ্মনাভঃ সুরজ্যেষ্ঠী ব্রহ্মা রুদ্রোঽহিভূষিতঃ ।
গণানাং ত্রাণকর্তা চ গণেশো গ্রহিলো গ্রহী ॥ ৪৪ ॥

গণাশ্রয়ো গণাধ্যক্ষঃ ক্রোডীকৃতজগত্ত্রয়ঃ ।
য়াদবেন্দ্রো দ্বারকেন্দ্রো মথুরাবল্লভো ধুরী ॥ ৪৫ ॥

ভ্রমরঃ কুন্তলী কুন্তীসুতরক্ষো মহামখী ।
য়মুনাবরদাতা চ কাশ্যপস্য বরপ্রদঃ ॥ ৪৬ ॥

শঙ্খচূডবধোদ্দামো গোপীরক্ষণতত্পরঃ ।
পাঞ্চজন্যকরো রামী ত্রিরামী বনজো জয়ঃ ॥ ৪৭ ॥

ফাল্গুনঃ ফাল্গুনসখো বিরাধবধকারকঃ ।
রুক্মিণীপ্রাণনাথশ্চ সত্যভামাপ্রিয়ঙ্করঃ ॥ ৪৮ ॥

কল্পবৃক্ষো মহাবৃক্ষঃ দানবৃক্ষো মহাফলঃ ।
অঙ্কুশো ভূসুরো ভাবো ভ্রামকো ভামকো হরিঃ ॥ ৪৯ ॥

সরলঃ শাশ্বতো বীরো য়দুবংশী শিবাত্মকঃ ।
প্রদ্যুম্নো বলকর্তা চ প্রহর্তা দৈত্যহা প্রভুঃ ॥ ৫০ ॥

মহাধনী মহাবীরো বনমালাবিভূষণঃ ।
তুলসীদামশোভাঢ্যো জালন্ধরবিনাশনঃ ॥ ৫১ ॥

শূরঃ সূর্যো মৃতণ্ডশ্চ ভাস্করো বিশ্বপূজিতঃ ।
রবিস্তমোহা বহ্নিশ্চ বাডবো বডবানলঃ ॥ ৫২ ॥

দৈত্যদর্পবিনাশী চ গরুডো গরুডাগ্রজঃ ।
গোপীনাথো মহানাথো বৃন্দানাথোঽবিরোধকঃ ॥ ৫৩ ॥

প্রপঞ্চী পঞ্চরূপশ্চ লতাগুল্মশ্চ গোপতিঃ ।
গঙ্গা চ য়মুনারূপো গোদা বেত্রবতী তথা ॥ ৫৪ ॥

কাবেরী নর্মদা তাপ্তী গণ্ডকী সরয়ূস্তথা ।
রাজসস্তামসস্সত্ত্বী সর্বাঙ্গী সর্বলোচনঃ ॥ ৫৫ ॥

সুধাময়োঽমৃতময়ো য়োগিনীবল্লভঃ শিবঃ ।
বুদ্ধো বুদ্ধিমতাং শ্রেষ্ঠো বিষ্ণুর্জিষ্ণুঃ শচীপতিঃ ॥ ৫৬ ॥

বংশী বংশধরো লোকঃ বিলোকো মোহনাশনঃ ।
রবরাবো রবো রাবো বলো বালবলাহকঃ ॥ ৫৭ ॥

শিবো রুদ্রো নলো নীলো লাঙ্গলী লাঙ্গলাশ্রয়ঃ ।
পারদঃ পাবনো হংসো হংসারূঢো জগত্পতিঃ ॥ ৫৮ ॥

মোহিনীমোহনো মায়ী মহামায়ো মহামখী ।
বৃষো বৃষাকপিঃ কালঃ কালীদমনকারকঃ ॥ ৫৯ ॥

কুব্জাভাগ্যপ্রদো বীরঃ রজকক্ষয়কারকঃ ।
কোমলো বারুণো রাজা জলজো জলধারকঃ ॥ ৬০ ॥

হারকঃ সর্বপাপঘ্নঃ পরমেষ্ঠী পিতামহঃ ।
খড্গধারী কৃপাকারী রাধারমণসুন্দরঃ ॥ ৬১ ॥

দ্বাদশারণ্যসম্ভোগী শেষনাগফণালয়ঃ ।
কামঃ শ্যামঃ সুখশ্রীদঃ শ্রীপতিঃ শ্রীনিধিঃ কৃতী ॥ ৬২ ॥

হরির্নারায়ণো নারো নরোত্তম ইষুপ্রিয়ঃ ।
গোপালীচিত্তহর্তা চ কর্ত্তা সংসারতারকঃ ॥ ৬৩ ॥

আদিদেবো মহাদেবো গৌরীগুরুরনাশ্রয়ঃ ।
সাধুর্মধুর্বিধুর্ধাতা ত্রাতাঽক্রূরপরায়ণঃ ॥ ৬৪ ॥

রোলম্বী চ হয়গ্রীবো বানরারির্বনাশ্রয়ঃ ।
বনং বনী বনাধ্যক্ষঃ মহাবন্দ্যো মহামুনিঃ ॥ ৬৫ ॥

স্যামন্তকমণিপ্রাজ্ঞো বিজ্ঞো বিঘ্নবিঘাতকঃ ।
গোবর্দ্ধনো বর্দ্ধনীয়ঃ বর্দ্ধনো বর্দ্ধনপ্রিয়ঃ ॥ ৬৬ ॥

বর্দ্ধন্যো বর্দ্ধনো বর্দ্ধী বার্দ্ধিষ্ণুঃ সুমুখপ্রিয়ঃ ।
বর্দ্ধিতো বৃদ্ধকো বৃদ্ধো বৃন্দারকজনপ্রিয়ঃ ॥ ৬৭ ॥

গোপালরমণীভর্তা সাম্বকুষ্ঠবিনাশকঃ ।
রুক্মিণীহরণঃ প্রেমপ্রেমী চন্দ্রাবলীপতিঃ ॥ ৬৮ ॥

শ্রীকর্তা বিশ্বভর্তা চ নরো নারায়ণো বলী ।
গণো গণপতিশ্চৈব দত্তাত্রেয়ো মহামুনিঃ ॥ ৬৯ ॥

ব্যাসো নারায়ণো দিব্যো ভব্যো ভাবুকধারকঃ ।
শ্বঃশ্রেয়সং শিবং ভদ্রং ভাবুকং ভাবিকং শুভম্ ॥ ৭০ ॥

শুভাত্মকঃ শুভঃ শাস্তা প্রশাস্তা মেঘানাদহা ।
ব্রহ্মণ্যদেবো দীনানামুদ্ধারকরণক্ষমঃ ॥ ৭১ ॥

কৃষ্ণঃ কমলপত্রাক্ষঃ কৃষ্ণঃ কমললোচনঃ ।
কৃষ্ণঃ কামী সদা কৃষ্ণঃ সমস্তপ্রিয়কারকঃ ॥ ৭২ ॥

নন্দো নন্দী মহানন্দী মাদী মাদনকঃ কিলী ।
মিলী হিলী গিলী গোলী গোলো গোলালয়ো গুলী ॥ ৭৩ ॥

গুগ্গুলী মারকী শাখী বটঃ পিপ্পলকঃ কৃতী ।
ম্লেচ্ছহা কালহর্ত্তা চ য়শোদায়শ এব চ ॥ ৭৪ ॥

অচ্যুতঃ কেশবো বিষ্ণুঃ হরিঃ সত্যো জনার্দনঃ ।
হংসো নারায়ণো লীলো নীলো ভক্তিপরায়ণঃ ॥ ৭৫ ॥

জানকীবল্লভো রামঃ বিরামো বিঘ্ননাশনঃ ।
সহভানুর্মহাভানুঃ বীরবাহুর্মহোদধিঃ ॥ ৭৬ ॥

সমুদ্রোঽব্ধিরকূপারঃ পারাবারঃ সরিত্পতিঃ ।
গোকুলানন্দকারী চ প্রতিজ্ঞাপরিপালকঃ ॥ ৭৭ ॥

সদারামঃ কৃপারামঃ মহারামো ধনুর্ধরঃ ।
পর্বতঃ পর্বতাকারো গয়ো গেয়ো দ্বিজপ্রিয়ঃ ॥ ৭৮ ॥

কম্বলাশ্বতরো রামো রামায়ণপ্রবর্তকঃ ।
দ্যৌর্দিবো দিবসো দিব্যো ভব্যো ভাবি ভয়াপহঃ ॥ ৭৯ ॥

পার্বতীভাগ্যসহিতো ভর্তা লক্ষ্মীবিলাসবান্ ।
বিলাসী সাহসী সর্বী গর্বী গর্বিতলোচনঃ ॥ ৮০ ॥

মুরারির্লোকধর্মজ্ঞঃ জীবনো জীবনান্তকঃ ।
য়মো য়মাদিয়মনো য়ামী য়ামবিধায়কঃ ॥ ৮১ ॥

বসুলী পাংসুলী পাংসুঃ পাণ্ডুরর্জুনবল্লভঃ ।
ললিতা চন্দ্রিকামালী মালী মালাম্বুজাশ্রয়ঃ ॥ ৮২ ॥

অম্বুজাক্ষো মহায়জ্ঞঃ দক্ষঃ চিন্তামণিঃ প্রভুঃ ।
মণির্দিনমণিশ্চৈব কেদারো বদরীশ্রয়ঃ ॥ ৮৩ ॥

বদরীবনসম্প্রীতঃ ব্যাসঃ সত্যবতীসুতঃ ।
অমরারিনিহন্তা চ সুধাসিন্ধুবিধূদয়ঃ ॥ ৮৪ ॥

চন্দ্রো রবিঃ শিবঃ শূলী চক্রী চৈব গদাধরঃ ।
শ্রীকর্তা শ্রীপতিঃ শ্রীদঃ শ্রীদেবো দেবকীসুতঃ ॥ ৮৫ ॥

শ্রীপতিঃ পুণ্ডরীকাক্ষঃ পদ্মনাভো জগত্পতিঃ ।
বাসুদেবোঽপ্রমেয়াত্মা কেশবো গরুডধ্বজঃ ॥ ৮৬ ॥

নারায়ণঃ পরং ধাম দেবদেবো মহেশ্বরঃ ।
চক্রপাণিঃ কলাপূর্ণো বেদবেদ্যো দয়ানিধিঃ ॥ ৮৭ ॥

ভগবান্ সর্বভূতেশো গোপালঃ সর্বপালকঃ ।
অনন্তো নির্গুণো নিত্যো নির্বিকল্পো নিরঞ্জনঃ ॥ ৮৮ ॥

নিরাধারো নিরাকারঃ নিরাভাসো নিরাশ্রয়ঃ ।
পুরুষঃ প্রণবাতীতো মুকুন্দঃ পরমেশ্বরঃ ॥ ৮৯ ॥

ক্ষণাবনিঃ সার্বভৌমো বৈকুণ্ঠো ভক্তবত্সলঃ ।
বিষ্ণুর্দামোদরঃ কৃষ্ণো মাধবো মথুরাপতিঃ ॥ ৯০ ॥

দেবকীগর্ভসম্ভূতো য়শোদাবত্সলো হরিঃ ।
শিবঃ সঙ্কর্ষণঃ শম্ভুর্ভূতনাথো দিবস্পতিঃ ॥ ৯১ ॥

অব্যয়ঃ সর্বধর্মজ্ঞঃ নির্মলো নিরুপদ্রবঃ ।
নির্বাণনায়কো নিত্যো নীলজীমূতসন্নিভঃ ॥ ৯২ ॥

কলাক্ষয়শ্চ সর্বজ্ঞঃ কমলারূপতত্পরঃ ।
হৃষীকেশঃ পীতবাসা বসুদেবপ্রিয়াত্মজঃ ॥ ৯৩ ॥

নন্দগোপকুমারার্যঃ নবনীতাশনো বিভুঃ ।
পুরাণপুরুষঃ শ্রেষ্ঠঃ শঙ্খপাণিঃ সুবিক্রমঃ ॥ ৯৪ ॥

অনিরুদ্ধশ্চক্ররথঃ শার্ঙ্গপাণিশ্চতুর্ভুজঃ ।
গদাধরঃ সুরার্তিঘ্নো গোবিন্দো নন্দকায়ুধঃ ॥ ৯৫ ॥

বৃন্দাবনচরঃ শৌরির্বেণুবাদ্যবিশারদঃ ।
তৃণাবর্তান্তকো ভীমসাহসী বহুবিক্রমঃ ॥ ৯৬ ॥

শকটাসুরসংহারী বকাসুরবিনাশনঃ ।
ধেনুকাসুরসংহারী পূতনারির্নৃকেসরী ॥ ৯৭ ॥

পিতামহো গুরুস্সাক্ষাত্ প্রত্যগাত্মা সদাশিবঃ ।
অপ্রমেয়ঃ প্রভুঃ প্রাজ্ঞোঽপ্রতর্ক্যঃ স্বপ্নবর্দ্ধনঃ ॥ ৯৮ ॥

ধন্যো মান্যো ভবো ভাবো ধীরঃ শান্তো জগদ্গুরুঃ ।
অন্তর্যামীশ্বরো দিব্যো দৈবজ্ঞো দেবসংস্তুতঃ ॥ ৯৯ ॥

ক্ষীরাব্ধিশয়নো ধাতা লক্ষ্মীবাংল্লক্ষ্মণাগ্রজঃ ।
ধাত্রীপতিরমেয়াত্মা চন্দ্রশেখরপূজিতঃ ॥ ১০০ ॥

লোকসাক্ষী জগচ্চক্ষুঃ পুণ্যচারিত্রকীর্তনঃ ।
কোটিমন্মথসৌন্দর্যঃ জগন্মোহনবিগ্রহঃ ॥ ১০১ ॥

মন্দস্মিতাননো গোপো গোপিকাপরিবেষ্টিতঃ ।
ফুল্লারবিন্দনয়নঃ চাণূরান্ধ্রনিষূদনঃ ॥ ১০২ ॥

ইন্দীবরদলশ্যামো বর্হিবর্হাবতংসকঃ ।
মুরলীনিনদাহ্লাদঃ দিব্যমাল্যাম্বরাবৃতঃ ॥ ১০৩ ॥

সুকপোলয়ুগঃ সুভ্রূয়ুগলঃ সুললাটকঃ ।
কম্বুগ্রীবো বিশালাক্ষো লক্ষ্মীবাঞ্ছুভলক্ষণঃ ॥ ১০৪ ॥

পীনবক্ষাশ্চতুর্বাহুশ্চতুর্মূর্তিস্ত্রিবিক্রমঃ ।
কলঙ্করহিতঃ শুদ্ধঃ দুষ্টশত্রুনিবর্হণঃ ॥ ১০৫ ॥

কিরীটকুণ্ডলধরঃ কটকাঙ্গদমণ্ডিতঃ ।
মুদ্রিকাভরণোপেতঃ কটিসূত্রবিরাজিতঃ ॥ ১০৬ ॥

মঞ্জীররঞ্জিতপদঃ সর্বাভরণভূষিতঃ ।
বিন্যস্তপাদয়ুগলো দিব্যমঙ্গলবিগ্রহঃ ॥ ১০৭ ॥

গোপিকানয়নানন্দঃ পূর্ণচন্দ্রনিভাননঃ ।
সমস্তজগদানন্দঃ সুন্দরো লোকনন্দনঃ ॥ ১০৮ ॥

য়মুনাতীরসঞ্চারী রাধামন্মথবৈভবঃ ।
গোপনারীপ্রিয়ো দান্তো গোপীবস্ত্রাপহারকঃ ॥ ১০৯ ॥

শৃঙ্গারমূর্তিঃ শ্রীধামা তারকো মূলকারণম্ ।
সৃষ্টিসংরক্ষণোপায়ঃ ক্রূরাসুরবিভঞ্জনঃ ॥ ১১০ ॥

নরকাসুরসংহারী মুরারিররিমর্দনঃ ।
আদিতেয়প্রিয়ো দৈত্যভীকরো য়দুশেখরঃ ॥ ১১১ ॥

জরাসন্ধকুলধ্বংসী কংসারাতিঃ সুবিক্রমঃ ।
পুণ্যশ্লোকঃ কীর্তনীয়ঃ য়াদবেন্দ্রো জগন্নুতঃ ॥ ১১২ ॥

রুক্মিণীরমণঃ সত্যভামাজাম্ববতীপ্রিয়ঃ ।
মিত্রবিন্দানাগ্নজিতীলক্ষ্মণাসমুপাসিতঃ ॥ ১১৩ ॥

সুধাকরকুলে জাতোঽনন্তপ্রবলবিক্রমঃ ।
সর্বসৌভাগ্যসম্পন্নো দ্বারকাপত্তনে স্থিতঃ ॥ ১১৪ ॥

ভদ্রাসূর্যসুতানাথো লীলামানুষবিগ্রহঃ ।
সহস্রষোডশস্ত্রীশো ভোগমোক্ষৈকদায়কঃ ॥ ১১৫ ॥

বেদান্তবেদ্যঃ সংবেদ্যো বৈদ্যো ব্রহ্মাণ্ডনায়কঃ ।
গোবর্দ্ধনধরো নাথঃ সর্বজীবদয়াপরঃ ॥ ১১৬ ॥

মূর্তিমান্ সর্বভূতাত্মা আর্তত্রাণপরায়ণঃ ।
সর্বজ্ঞঃ সর্বসুলভঃ সর্বশাস্ত্রবিশারদঃ ॥ ১১৭ ॥

ষড্গুণৈশ্বর্যসম্পন্নঃ পূর্ণকামো ধুরন্ধরঃ ।
মহানুভাবঃ কৈবল্যদায়কো লোকনায়কঃ ॥ ১১৮ ॥

আদিমধ্যান্তরহিতঃ শুদ্ধসাত্ত্বিকবিগ্রহঃ ।
অসমানঃ সমস্তাত্মা শরণাগতবত্সলঃ ॥ ১১৯ ॥

উত্পত্তিস্থিতিসংহারকারণং সর্বকারণম্ ।
গম্ভীরঃ সর্বভাবজ্ঞঃ সচ্চিদানন্দবিগ্রহঃ ॥ ১২০ ॥

বিষ্বক্সেনঃ সত্যসন্ধঃ সত্যবাক্ সত্যবিক্রমঃ ।
সত্যব্রতঃ সত্যরতঃ সর্বধর্মপরায়ণঃ ॥ ১২১ ॥

আপন্নার্তিপ্রশমনঃ দ্রৌপদীমানরক্ষকঃ ।
কন্দর্পজনকঃ প্রাজ্ঞো জগন্নাটকবৈভবঃ ॥ ১২২ ॥

ভক্তিবশ্যো গুণাতীতঃ সর্বৈশ্বর্যপ্রদায়কঃ ।
দমঘোষসুতদ্বেষী বাণবাহুবিখণ্ডনঃ ॥ ১২৩ ॥

ভীষ্মভক্তিপ্রদো দিব্যঃ কৌরবান্বয়নাশনঃ ।
কৌন্তেয়প্রিয়বন্ধুশ্চ পার্থস্যন্দনসারথিঃ ॥ ১২৪ ॥

নারসিংহো মহাবীরঃ স্তম্ভজাতো মহাবলঃ ।
প্রহ্লাদবরদঃ সত্যো দেবপূজ্যোঽভয়ঙ্করঃ ॥ ১২৫ ॥

উপেন্দ্র ইন্দ্রাবরজো বামনো বলিবন্ধনঃ ।
গজেন্দ্রবরদঃ স্বামী সর্বদেবনমস্কৃতঃ ॥ ১২৬ ॥

শেষপর্যঙ্কশয়নঃ বৈনতেয়রথো জয়ী ।
অব্যাহতবলৈশ্বর্যসম্পন্নঃ পূর্ণমানসঃ ॥ ১২৭ ॥

য়োগেশ্বরেশ্বরঃ সাক্ষী ক্ষেত্রজ্ঞো জ্ঞানদায়কঃ ।
য়োগিহৃত্পঙ্কজাবাসো য়োগমায়াসমন্বিতঃ ॥ ১২৮ ॥

নাদবিন্দুকলাতীতশ্চতুর্বর্গফলপ্রদঃ ।
সুষুম্নামার্গসঞ্চারী দেহস্যান্তরসংস্থিতঃ ॥ ১২৯ ॥

দেহেন্দ্রিয়মনঃপ্রাণসাক্ষী চেতঃপ্রসাদকঃ ।
সূক্ষ্মঃ সর্বগতো দেহী জ্ঞানদর্পণগোচরঃ ॥ ১৩০ ॥

তত্ত্বত্রয়াত্মকোঽব্যক্তঃ কুণ্ডলী সমুপাশ্রিতঃ ।
ব্রহ্মণ্যঃ সর্বধর্মজ্ঞঃ শান্তো দান্তো গতক্লমঃ ॥ ১৩১ ॥

শ্রীনিবাসঃ সদানন্দঃ বিশ্বমূর্তির্মহাপ্রভুঃ ।
সহস্রশীর্ষা পুরুষঃ সহস্রাক্ষঃ সহস্রপাত্ ॥ ১৩২ ॥

সমস্তভুবনাধারঃ সমস্তপ্রাণরক্ষকঃ ।
সমস্তসর্বভাবজ্ঞো গোপিকাপ্রাণবল্লভঃ ॥ ১৩৩ ॥

নিত্যোত্সবো নিত্যসৌখ্যো নিত্যশ্রীর্নিত্যমঙ্গলঃ ।
ব্যূহার্চিতো জগন্নাথঃ শ্রীবৈকুণ্ঠপুরাধিপঃ ॥ ১৩৪ ॥

পূর্ণানন্দঘনীভূতঃ গোপবেষধরো হরিঃ ।
কলাপকুসুমশ্যামঃ কোমলঃ শান্তবিগ্রহঃ ॥ ১৩৫ ॥

গোপাঙ্গনাবৃতোঽনন্তো বৃন্দাবনসমাশ্রয়ঃ ।
বেণুবাদরতঃ শ্রেষ্ঠো দেবানাং হিতকারকঃ ॥ ১৩৬ ॥

বালক্রীডাসমাসক্তো নবনীতস্য তস্করঃ ।
গোপালকামিনীজারশ্চৌরজারশিখামণিঃ ॥ ১৩৭ ॥

পরঞ্জ্যোতিঃ পরাকাশঃ পরাবাসঃ পরিস্ফুটঃ ।
অষ্টাদশাক্ষরো মন্ত্রো ব্যাপকো লোকপাবনঃ ॥ ১৩৮ ॥

সপ্তকোটিমহামন্ত্রশেখরো দেবশেখরঃ ।
বিজ্ঞানজ্ঞানসন্ধানস্তেজোরাশির্জগত্পতিঃ ॥ ১৩৯ ॥

ভক্তলোকপ্রসন্নাত্মা ভক্তমন্দারবিগ্রহঃ ।
ভক্তদারিদ্র্যদমনো ভক্তানাং প্রীতিদায়কঃ ॥ ১৪০ ॥

ভক্তাধীনমনাঃ পূজ্যঃ ভক্তলোকশিবঙ্করঃ ।
ভক্তাভীষ্টপ্রদঃ সর্বভক্তাঘৌঘনিকৃন্তনঃ ॥ ১৪১ ॥

অপারকরুণাসিন্ধুর্ভগবান্ ভক্ততত্পরঃ ॥ ১৪২ ॥

॥ ইতি গোপাল সহস্রনামস্তোত্রম্ সম্পূর্ণম্ ॥

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
           ꧁ শ্রীশ্রীগোপালসহস্রনামস্তোত্রম্ ꧂
                        👇👇👇🙏👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

ফলশ্রুতিঃ

( ॥ গোপালসহস্রনাম মাহাত্ম্যম্ ॥)
স্মরণাত্ পাপরাশীনাং খণ্ডনং মৃত্যুনাশনম্ ॥ ১ ॥

বৈষ্ণবানাং প্রিয়করং মহারোগনিবারণম্ ।
ব্রহ্মহত্যাসুরাপানং পরস্ত্রীগমনং তথা ॥ ২ ॥

পরদ্রব্যাপহরণং পরদ্বেষসমন্বিতম্ ।
মানসং বাচিকং কায়ং য়ত্পাপং পাপসম্ভবম্ ॥ ৩ ॥

সহস্রনামপঠনাত্ সর্বং নশ্যতি তত্ক্ষণাত্ ।
মহাদারিদ্র্যয়ুক্তো য়ো বৈষ্ণবো বিষ্ণুভক্তিমান্ ॥ ৪ ॥

কার্তিক্যাং সম্পঠেদ্রাত্রৌ শতমষ্টোত্তরং ক্রমাত্ ।
পীতাম্বরধরো ধীমান্ সুগন্ধৈঃ পুষ্পচন্দনৈঃ ॥ ৫ ॥

পুস্তকং পূজয়িত্বা তু নৈবেদ্যাদিভিরেব চ ।
রাধাধ্যানাঙ্কিতো ধীরো বনমালাবিভূষিতঃ ॥ ৬ ॥

শতমষ্টোত্তরং দেবি পঠেন্নামসহস্রকম্ ।
চৈত্রশুক্লে চ কৃষ্ণে চ কুহূসঙ্ক্রান্তিবাসরে ॥ ৭ ॥

পঠিতব্যং প্রয়ত্নেন ত্রৈলোক্যং মোহয়েত্ ক্ষণাত্ ।
তুলসীমালয়া য়ুক্তো বৈষ্ণবো ভক্তিতত্পরঃ ॥ ৮ ॥

রবিবারে চ শুক্রে চ দ্বাদশ্যাং শ্রাদ্ধবাসরে ।
ব্রাহ্মণং পূজয়িত্বা চ ভোজয়িত্বা বিধানতঃ ॥ ৯ ॥

পঠেন্নামসহস্রং চ ততঃ সিদ্ধিঃ প্রজায়তে ।
মহানিশায়াং সততং বৈষ্ণবো য়ঃ পঠেত্ সদা ॥ ১০ ॥

দেশান্তরগতা লক্ষ্মীঃ সমায়াতি ন সংশয়ঃ ।
ত্রৈলোক্যে চ মহাদেবি সুন্দর্যঃ কামমোহিতাঃ ॥ ১১ ॥

মুগ্ধাঃ স্বয়ং সমায়ান্তি বৈষ্ণবং চ ভজন্তি তাঃ ।
রোগী রোগাত্ প্রমুচ্যেত বদ্ধো মুচ্যেত বন্ধনাত্ ॥ ১২ ॥

গুর্বিণী জনয়েত্পুত্রং কন্যা বিন্দতি সত্পতিম্ । var গর্ভিণী
রাজানো বশ্যতাং য়ান্তি কিং পুনঃ ক্ষুদ্রমানবাঃ ॥ ১৩ ॥

সহস্রনামশ্রবণাত্ পঠনাত্ পূজনাত্ প্রিয়ে ।
ধারণাত্ সর্বমাপ্নোতি বৈষ্ণবো নাত্র সংশয়ঃ ॥ ১৪ ॥

বংশীবটে চান্যবটে তথা পিপ্পলকেঽথ বা ।
কদম্বপাদপতলে গোপালমূর্তিসংনিধৌ ॥ ১৫।
য়ঃ পঠেদ্বৈষ্ণবো নিত্যং স য়াতি হরিমন্দিরম্ ।
কৃষ্ণেনোক্তং রাধিকায়ৈ ময়া প্রোক্তং তথা শিবে ॥ ১৬ ॥

নারদায় ময়া প্রোক্তং নারদেন প্রকাশিতম্ ।
ময়া তুভ্যং বরারোহে প্রোক্তমেতত্সুদুর্লভম্ ॥ ১৭ ॥

গোপনীয়ং প্রয়ত্নেন ন প্রকাশ্যং কথংচন ।
শঠায় পাপিনে চৈব লম্পটায় বিশেষতঃ ॥ ১৮ ॥

ন দাতব্যং ন দাতব্যং ন দাতব্যং কদাচন ।
দেয়ং শিষ্যায় শান্তায় বিষ্ণুভক্তিরতায় চ ॥ ১৯ ॥

গোদানব্রহ্ময়জ্ঞাদের্বাজপেয়শতস্য চ ।
অশ্বমেধসহস্রস্য ফলং পাঠে ভবেত্ ধ্রুবম্ ॥ ২০ ॥

মোহনং স্তম্ভনং চৈব মারণোচ্চাটনাদিকম্ ।
য়দ্যদ্বাঞ্ছতি চিত্তেন তত্তত্প্রাপ্নোতি বৈষ্ণবঃ ॥ ২১ ॥

একাদশ্যাং নরঃ স্নাত্বা সুগন্ধিদ্রব্যতৈলকৈঃ ।
আহারং ব্রাহ্মণে দত্ত্বা দক্ষিণাং স্বর্ণভূষণম্ ॥ ২২ ॥

তত আরম্ভকর্তাস্য সর্বং প্রাপ্নোতি মানবঃ ।
শতাবৃত্তং সহস্রং চ য়ঃ পঠেদ্বৈষ্ণবো জনঃ ॥ ২৩ ॥

শ্রীবৃন্দাবনচন্দ্রস্য প্রসাদাত্সর্বমাপ্নুয়াত্ ।
য়দ্গৃহে পুস্তকং দেবি পূজিতং চৈব তিষ্ঠতি ॥ ২৪ ॥

ন মারী ন চ দুর্ভিক্ষং নোপসর্গভয়ং ক্বচিত্ ।
সর্পাদ্যা ভূতয়ক্ষাদ্যা নশ্যন্তে নাত্র সংশয়ঃ ॥ ২৫ ॥

শ্রীগোপালো মহাদেবি বসেত্তস্য গৃহে সদা ।
গৃহে য়ত্র সহস্রং চ নাম্নাং তিষ্ঠতি পূজিতম্ ॥ ২৬ ॥

॥ ওঁ তত্সদিতি শ্রীসম্মোহনতন্ত্রে পার্বতীশ্বরসংবাদে
গোপালসহস্রনামস্তোত্রং সম্পূর্ণম্ ॥

শ্রীরাধারমণঃ কৃষ্ণঃ গুণরত্নৈস্সুগুম্ফিতাম্ ।
স্বীকৃত্যেমাং মিতাং মালাং স নো বিষ্ণুঃ প্রসীদতু ॥

শ্রীগোপালসহস্রনাম শাপবিমোচনমহামন্ত্রম্

ওঁ অস্য শ্রীগোপালসহস্রনাম শাপবিমোচনমহামন্ত্রস্য বামদেবঋষিঃ ।
শ্রীগোপালো দেবতা পঙ্ক্তিঃ ছন্দঃ ।
শ্রী সদাশিববাক্য শাপবিমোচনার্থং জপে বিনিয়োগঃ ।
ঋষ্যাদিন্যাসঃ
বামদেব ঋষয়ে নমঃ শিরসি ।
গোপাল দেবতায়ৈ নমঃ হৃদয়ে ।
পঙ্ক্তি ছন্দসে নমঃ মুখে ।
সদাশিববাক্য শাপবিমুক্ত্যর্থং নমঃ সর্বাঙ্গে ॥

অথ করাদিন্যাসঃ
ওঁ ঐং অঙ্গুষ্ঠাভ্যাং নমঃ ॥

ওঁ ক্লীং তর্জনীভ্যাং নমঃ ॥

ওঁ হ্রীং মধ্যমাভ্যাং নমঃ ॥

ওঁ শ্রীং অনামিকাভ্যাং নমঃ ॥

ওঁ বামদেবায় কনিষ্ঠিকাভ্যাং নমঃ ॥

ওঁ নমঃ স্বাহা করতলকরপৃষ্ঠাভ্যাং নমঃ ॥

অথ হৃদয়াদিন্যাসঃ
ওঁ ঐং হৃদয়ায় নমঃ ॥

ওঁ ক্লীং শিরসি স্বাহা ॥

ওঁ হ্রীং শিখায়ৈ বষট্ ॥

ওঁ শ্রীং কবচায় হুম্ ॥

ওঁ বামদেবায় নেত্রস্ত্রয়ায় বৌষট্ ॥

ওঁ নমঃ স্বাহা অস্ত্রায় ফট্ ॥

অথ ধ্যানম্
ওঁ ধ্যায়েদ্দেবং গুণাতীতং পীতকৌশেয়বাসসম্ ।
প্রসন্নং চারুবদনং চ নির্গুণং শ্রীপতিং প্রভুম্ ॥

মন্ত্রঃ
ওঁ ঐং ক্লীং হ্রীং শ্রীং বামদেবায় নমঃ (স্বাহা)।

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 👇👇👇
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧









২৩. শ্রীকৃষ্ণের পূর্বরাগ-চিন্তা দশা ❇️ শ্রীকৃষ্ণ লীলা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/06/httpmrinmoynandy_53.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
        ꧁ ২৩.  শ্রীকৃষ্ণের পূর্বরাগ-চিন্তা দশা 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
           ꧁ 👇শ্রীকৃষ্ণ লীলা 🙏 সূচীপত্র👇 ꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
*পূর্বরাগ*
*রতির্যা সঙ্গমাৎ পূর্বং দর্শনশ্রবণাদিজা।*
*তয়োরুন্মীলতি প্রাজ্ঞৈঃ পূর্বরাগ ইতীর্ষ‍্যতে।।*
*অর্থ‍্যাৎ=উজ্জ্বল নীলমণি গ্রন্থে জানা যায় যে,প্রথম মিলনের পূর্বে পুরুষ ও রমণীর পরস্পর দর্শন এবং রূপ-গুণাদির কথা শ্রবণে যে মিলনোৎকন্ঠা হয়,* *তাকেই রসশাস্ত্রকারগণ "পূর্বরাগ"বলে থাকেন।*


*আরে মোর আরে মোর গোরা দ্বিজমণি।*
*রাধা রাধা বলি কান্দে লোটায়ে ধরণী।।*
*রাধা নাম জপে গোরা পরম যতনে।*
*সুরধূনীর ধারা বহে অরুণ নয়নে।।
*ক্ষণে ক্ষণে গোরা অঙ্গ ভূমে গড়ি যায়।*
*রাধা রাধা বলি ক্ষণে ক্ষণে মূরছায়।।*
*পুলকে পূরল তনু গদ গদ বোল।*
*বাসু কহে গোরা কেন এত উতরোল।।*

*🌻বৃন্দাবন লীলা,প্রথম পদ🌻*
*অনুক্ষণ হেরিয়ে তোহে আনুচিত।*
*দূরে গেও মূরলী আলাপন গীত।।*
*মরম না কহ কাহে প্রাণ সাঙ্গাতি।*
*তুয়া মুখ হেরিয়ে জ্বলত মঝু ছাতি।।*
*মরকত জিনিয়া কলেবর কাঁতি।*
*সো অব ঝামর কুবলয় ভাতি।।*
*হেরইতে নিরমল লোচন জোর।*
*কো জানে কৈছে করত হিয়া মোর।।*
*শুনইতে ঐছন সহচর বাণী।*
*ছোড়ি নিশ্বাস উলটায়ল পাণি।।*
*দূর অবগাহ মরম অভিলাষ।*
*সমুঝিয়া কহ ঘনশ‍্যামর দাস।।*

      *🌻দ্বিতীয় পদ🌻*
*অধর ফুলায়ে কেনে ঘন ঘন কান্দ।*
*খসেছে মাথার চূড়া তাহা নাহি বান্ধ।।*
*ভূমেতে পড়িয়া কেনে মোহনিয়া বাঁশী।*
*কটি হৈতে পীতাম্বর কেনে পড়ে খসি।।*
*মুখ বুক ভাসি যায় নয়নের জলে।*
*কিছু নাহি বল তুমি কথা শুধাইলে।।*
*ক্ষণে উঠ ক্ষণে বৈস ছাড়হ নিশ্বাস।*
*নানা ছলে নিরজনে একা কর বাস।।*
*কি লাগি এমন হৈল কহ দেখি ভাই।*
*নিমানন্দ দাস কহে বিনয়ে শুধাই।।* *

🌻তৃতীয়,বা বিরাম পদ🌻*
*কেনবা এমন হৈলা,কোথা কিবা দেখি আইলা,*
      *কহনা মনের কথা তুমি।*
*তবে সে তোমার দাস,পূরাব তোমার আশ,*
      *নিশ্চয় করিয়া কহি আমি।।*
    *শুন ওরে ভাইরে কানাই।*
*দেখিয়া তোমার মুখ,বিদরিয়া যায় বুক,*
       *ইথে লাগি তোমারে শুধাই।।*
*সখারে করিয়া কোলে,মরমের কথা বলে,*
      *দেখিয়া আইলু এক নারী।*
*তাহার রূপে ছান্দে,পরাণ পুতলি কান্দে,*
      *সেই হতে পাসরিতে নারি।।*
*সঙ্গের সঙ্গিনী যত,তাহারা তাহারি মত,*
      *মরম কহিলুঁ আমি তোরে।*
*নিমানন্দ দাস ভণে,একথা না কহ কেনে,*
      *আমি যে আনিয়া দিব তোরে।।* 
 *প্রথম ভাগ এখানে রহিল*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
   
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


২৩. শ্রীকৃষ্ণের পূর্বরাগ-চিন্তা দশা ❇️ শ্রীকৃষ্ণ লীলা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/06/httpmrinmoynandy_53.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
        ꧁ ২৩.  শ্রীকৃষ্ণের পূর্বরাগ-চিন্তা দশা 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
           ꧁ 👇শ্রীকৃষ্ণ লীলা 🙏 সূচীপত্র👇 ꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
*পূর্বরাগ*
*রতির্যা সঙ্গমাৎ পূর্বং দর্শনশ্রবণাদিজা।*
*তয়োরুন্মীলতি প্রাজ্ঞৈঃ পূর্বরাগ ইতীর্ষ‍্যতে।।*
*অর্থ‍্যাৎ=উজ্জ্বল নীলমণি গ্রন্থে জানা যায় যে,প্রথম মিলনের পূর্বে পুরুষ ও রমণীর পরস্পর দর্শন এবং রূপ-গুণাদির কথা শ্রবণে যে মিলনোৎকন্ঠা হয়,* *তাকেই রসশাস্ত্রকারগণ "পূর্বরাগ"বলে থাকেন।*


*আরে মোর আরে মোর গোরা দ্বিজমণি।*
*রাধা রাধা বলি কান্দে লোটায়ে ধরণী।।*
*রাধা নাম জপে গোরা পরম যতনে।*
*সুরধূনীর ধারা বহে অরুণ নয়নে।।
*ক্ষণে ক্ষণে গোরা অঙ্গ ভূমে গড়ি যায়।*
*রাধা রাধা বলি ক্ষণে ক্ষণে মূরছায়।।*
*পুলকে পূরল তনু গদ গদ বোল।*
*বাসু কহে গোরা কেন এত উতরোল।।*

*🌻বৃন্দাবন লীলা,প্রথম পদ🌻*
*অনুক্ষণ হেরিয়ে তোহে আনুচিত।*
*দূরে গেও মূরলী আলাপন গীত।।*
*মরম না কহ কাহে প্রাণ সাঙ্গাতি।*
*তুয়া মুখ হেরিয়ে জ্বলত মঝু ছাতি।।*
*মরকত জিনিয়া কলেবর কাঁতি।*
*সো অব ঝামর কুবলয় ভাতি।।*
*হেরইতে নিরমল লোচন জোর।*
*কো জানে কৈছে করত হিয়া মোর।।*
*শুনইতে ঐছন সহচর বাণী।*
*ছোড়ি নিশ্বাস উলটায়ল পাণি।।*
*দূর অবগাহ মরম অভিলাষ।*
*সমুঝিয়া কহ ঘনশ‍্যামর দাস।।*

      *🌻দ্বিতীয় পদ🌻*
*অধর ফুলায়ে কেনে ঘন ঘন কান্দ।*
*খসেছে মাথার চূড়া তাহা নাহি বান্ধ।।*
*ভূমেতে পড়িয়া কেনে মোহনিয়া বাঁশী।*
*কটি হৈতে পীতাম্বর কেনে পড়ে খসি।।*
*মুখ বুক ভাসি যায় নয়নের জলে।*
*কিছু নাহি বল তুমি কথা শুধাইলে।।*
*ক্ষণে উঠ ক্ষণে বৈস ছাড়হ নিশ্বাস।*
*নানা ছলে নিরজনে একা কর বাস।।*
*কি লাগি এমন হৈল কহ দেখি ভাই।*
*নিমানন্দ দাস কহে বিনয়ে শুধাই।।* *

🌻তৃতীয়,বা বিরাম পদ🌻*
*কেনবা এমন হৈলা,কোথা কিবা দেখি আইলা,*
      *কহনা মনের কথা তুমি।*
*তবে সে তোমার দাস,পূরাব তোমার আশ,*
      *নিশ্চয় করিয়া কহি আমি।।*
    *শুন ওরে ভাইরে কানাই।*
*দেখিয়া তোমার মুখ,বিদরিয়া যায় বুক,*
       *ইথে লাগি তোমারে শুধাই।।*
*সখারে করিয়া কোলে,মরমের কথা বলে,*
      *দেখিয়া আইলু এক নারী।*
*তাহার রূপে ছান্দে,পরাণ পুতলি কান্দে,*
      *সেই হতে পাসরিতে নারি।।*
*সঙ্গের সঙ্গিনী যত,তাহারা তাহারি মত,*
      *মরম কহিলুঁ আমি তোরে।*
*নিমানন্দ দাস ভণে,একথা না কহ কেনে,*
      *আমি যে আনিয়া দিব তোরে।।* 
 *প্রথম ভাগ এখানে রহিল*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
   
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


পূর্বরাগের লক্ষণ কি এবং পূর্বরাগের রীতি কিরূপ? ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/06/httpmrinmoynandy_34.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ পূর্বরাগের লক্ষণ কি এবং পূর্বরাগের রীতি কিরূপ? 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
           ꧁ 👇শ্রীকৃষ্ণ লীলা 🙏 সূচীপত্র👇 ꧂
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
শ্রীমন্নবদ্বীপ ধামে গৌর ভাবিনীগণ যাদৃশী ভাবোদয়, এইটী অপ্রাকৃত বিস্ময় ভূবি বৃন্দাবনে রাধা গোবিন্দ মিলনে, পূর্বানুরাগ রীতি। সেই পূর্বরাগের লক্ষণ কি? এবং পূর্বরাগের রীতি কিরূপ?

*পূর্বরাগ*
*রতির্যা সঙ্গমাৎ পূর্বং দর্শনশ্রবণাদিজা।*
*তয়োরুন্মীলতি প্রাজ্ঞৈঃ পূর্বরাগ ইতীর্ষ‍্যতে।।*
*অর্থ‍্যাৎ=উজ্জ্বল নীলমণি গ্রন্থে জানা যায় যে,প্রথম মিলনের পূর্বে পুরুষ ও রমণীর পরস্পর দর্শন এবং রূপ-গুণাদির কথা শ্রবণে যে মিলনোৎকন্ঠা হয়,* *তাকেই রসশাস্ত্রকারগণ "পূর্বরাগ"বলে থাকেন।*

 রসকল্পবল্লী গ্রন্থে তত্ত্বদর্শী গ্রন্থকার কহিয়াছেন যে, (সঙ্গ নহে রাগ জন্মে কহি পূর্বরাগ) অর্থ‍্যাৎ স্থায়ী করি ভালবাসার পূর্বে যে জনের লাবণ‍্যে বা গুণে কিম্বা নাম শ্রবণে আপন মনকে সেই ব‍্যক্তির সঙ্গ লাভার্থে যোজনা করার নাম পূর্বরাগ, তাই শ্রীমতী রাধারাণীর আজ সেই ভাবোদয় হেরে ললিতাদি সখিগণ পরস্পর কথোপকথন করছেন।
                  তেওট লয়
ঘরের বাহিরে, দন্ডে শতবার,
     তিলে তিলে আসে যায়।
মন উচাটন, নিশ্বাস সঘন,
     কদম্ব কাননে চায়।।
(দেখ বিশাখা একি রীতি) 
   রাই আমাদের কুলবতী,
কি জানি কে এমন করলে,
       উন্মাদিনী মত হেরি,
 রাই-- রাই রাজার ঝিয়ারিকে,
  কেবা কেবা এমন করে দিল।
        ( একতালা লয়)
       রাই কেন বা এমন হৈল।
গুরু দুরর্জন, ভয় নাহিক মন,
      কোথা বা কি দেব পাইল।।
(রাই ধ্বনির আজ একি রীতি)
   গুরুজন ভয় মানতেছে না,
ভুতাপ্রেতাদি পেয়েছি নাকি।।
             ***********
সদাই চঞ্চল, বসন অঞ্চল,
     সম্বরণ নাহি করে।
বসি থাকি থাকি, উঠয়ে চমকি,
      ভূষণ খসিয়া পড়ে।।
(কেন অঙ্গ বসন খসাইয়ে, উন্মাদিনী
মত হয়ে )
বেশ বিন‍্যাস দূরে দিয়ে, 
কেন নীল শাড়ী তেয়াগিয়ে,
কেন বিরাগ বসন অঙ্গে লয়ে
        মন প্রাণের উল্টা গতি।
* বয়সে কিশোরী, রাজার ঝিয়ারী,
          তাহে কুলবতী বালা।
কিবা অভিলাষে, বাঢ়য়ে লালসে,
          না বুঝি তাহার ছলা।।
আখর- রাজবালার ছল বুঝি না,
            কোন অভিলাষ হিয়ায় জাগে,
           কি লাগি রাই বিরহিনী।।
কথা--- শ্রীমতী রাধারাণীর পূর্ব রাগ দর্শনে, ললিতাদি সখি যে বিষয় কথোপকথন করছে, তাহাতে এটী বুঝা যায় যে, রাধাগোবিন্দলীলা মনুষ‍্য দেহের পরম উপাসনীয় বস্তু বা ভজনীয় বস্তু,অতএব সখিরূপা গুরুকে আশ্রয় না করিলে, এতাদৃশী বৈরাগ‍্য বৃত্তির উদয় হয় না, ও বোধাতীত নিগুঢ় রাধাগোবিন্দ বিলাস তত্ত্বে অধিকার পাওয়া যায় না।শ্রীমতীর ইহাতে এমন কি বৈরাগ‍্য বৃত্তির উদয় হইল যে, তাহার অনুসরণ তৎপর হইলেই জীবেরও বৈরাগ‍্য জন্মাইবে, বা শ্রীকৃষ্ণ পদারবিন্দে গাঢ় রতির উদয় হবে।তাহাতে রসতত্ত্ববেত্তা গণের পক্ষানুযায়ী স্থিরতর হয় এই যে, ভগবান গোবিন্দে ভালোবাসা দ্বারায় প্রাপ্ত হইতে হইলে তৎপূর্বেই শ্রীমতী রাধারাণীর মত পূর্বরাগ রতিকে আশ্রয় না করিলে, অর্থ‍্যাৎ আত্মেন্দ্রিয়  ভক্তিবাঞ্জা ত‍্যাগ না করিলে,গোবিন্দ পদারবিন্দে আশ্রয় লাভ করা যায় না,
প্রথমেই রাধারাণী পূর্বরাগের দ্বারায় গোবিন্দ ভজন রীতি জীব জগতকে তাই জানাইলেন।পদকর্তাও বলেছেন।
  তাহার চরিতে, হেন বুঝি চিতে,
          হাত বাড়াইল চাঁদে।
চন্ডীদাসে কয়, করি অনুনয়,
         ঠেকেছে কালিয়ার ফাঁদে।।
রজনী শাঙন, ঘনদ গরজন,
    রিমিঝিমি শবদে বরিষে।
পালঙ্কে শুইয়া রঙ্গে, বিগলিত চির অঙ্গে, নিন্দ যাই মনের হরিষে।।
শিখরে শিখন্ড রোল,মত্ত দাদুরী বোল
          কোকিলা কুহরে কুতূহলে।
ঝিঁ ঝাঁ ঝিনিকি বাজে, ডাহুকিসে গরজে,স্বপন দেখিনু হেন কালে।।
মরমে পৈঠলসেহ, হৃদয়ে লাগল দেহ
         শ্রবণে তরল সেহ বাণী।
দেখিয়া তাহার রীত,যে করে দারুণ চিত,ধিক রহুঁ কুলের কামিনী।।
আখর-- হেরে নয়ন মাতিল,
         তবু তারে জানিবারে,
         শুদ্ধ ভাষায় শ্রবণ মাতে,
           পরশে হৃদয় মাতে,
            সর্বেন্দ্রিয় ডুবে গেল। জুম।
কথা-- ললিতাদি সখিগণ রাধারাণীর এই কথা শুনে বলছেন- রাজনন্দিনী!
এমন কি চিত্তাকর্ষকরূপ স্থপ্নে দর্শন করলি যে, সেই অপরিচিত লাবণ‍্যে তোর চিত্ত বৃত্তি সমূহ ডুবেগেল, তদুত্তরে কিশোরী বলছেন- সখিরে সেই বর্ণনাতীত কথা, কথাঞ্চিত বলি শোন---------------------------------
রূপে গুণে রস সিন্ধু
মুখ ছটা যেন ইন্দু
মালতীর মালা গলে দোলে।
বসি মোর পদতলে
গায়ে হাত দেয় ছলে
আমা কিন্তু বিকাইনু বলে।।
কিবা ভূরুর ভঙ্গ
ভূষণ ভূষিত অঙ্গ
কাম মোহে নয়নরি কোণে।
হাসি হাসি কথা কয়
পরাণ কাড়িয়া লয়
ভুলাইতে কত রঙ্গ জানে।।
রসাবেসে সেই কোল
মুখে নাহি সরে বোল
অধরে অধর পরশিল।
অঙ্গ অবশা ভেল
লাজ মান ভয় গেল
জ্ঞান দাস ভাবিতে লাগিল।।
কথা-- গোপীভাবাবেশে পদকর্তা স্বজল নয়নে বলছেন-----------
কোথা হতে এল সখি,
লাবণ‍্য মূরতি দেখি,
কুল ধর্ম টলাইতে,
রস কূপ নীরোদ মূরতি,
ধৈর্য্য ধর্ম টলারূপে,
আমি ভেবে স্থির করতে নারি। জুম।
কথা- রাধারাণী আমার সখিগণকে কেঁদে কেঁদে বলছেন, ওরে সখি! এখন আমার এই ব‍্যাকুলতা নিবর্তন হেতু তোরা আমায় বলেদে,ইতি পূর্বেই যা শুনিলাম,কিসের ঐ অমৃতমন্ডিত ধ্বনি,বা কে অমন সর্বেন্দ্রিয় উন্মাদ করা সুধা তানের নিস্রবক।তার বা নাম কি? এবং তার মূরতি কেমন?
এখন তোরা কৃপা করে বলেদে,তা নইলে আর আমি বাঁচতে পারবো না।
তখন শ্রীমতীর এই কথা শুনে ললিতাদি সখিমিলে যমুনায় স্নান ছলে রাধেকে সাথে লয়ে শ্রীযমুনা কুলে গিয়ে অঙ্গুলি সঞ্চালন ছলে ইঙ্গিত দ্বারায় ধীরে ধীরে রাধারাণীকে
বললেন কিশোরী- ঐ দেখ এঁরই সেই সর্বেন্দ্রিয় পাগল করা মুরলীর ধ্বনি এবং অত‍্যদ্ভুত মাধুর্য‍্যমন্ডিত কৃষ্ণ নাম।সখি মুখে যেমনি কৃষ্ণনাম মহামন্ত্র ধ্বনী শ্রীমতীর শ্রবণে প্রবিষ্টাধিকার প্রাপ্ত হইল,সেই অবসরেই রাধারাণীর অমনি কৃষ্ণ নাম প্রভাবে পুলকাশ্রু বা হৎকম্পনাদির উদয় হওয়ায় স্বজল নয়নে বলছেন----------------------
       (ছোট লয়)
কেন এনাম শুনা, শুনাইলিরে ও বিশাখা।
নাম প্রতাপে -------অঙ্গ কাঁপে।।
শ্রবণের---------আকাঙখা জাগে।।
রসনা মোর-------লোলুপ হল।।
(সখিরে) হেরে আঁখি-----মেতে উঠল।
             লোকালয়
একি নাম শুনালি,
শ্রবণ মনকে মাতাইতে,
ধৈর্য্য বাঁধিতে নারি,
সর্বেন্দ্রিয় মেতে উঠল। জুম।
কথা-- ললিতাদি সখিগণ সনে শ্রীমতী রাধারাণী যমুনা পুলিনে গোবিন্দ লাবণ‍্য ক্ষণ সময় মাত্র নয়ন গোচর করিয়া,উদাস প্রাণে গৃহে এসে কেঁদে কেঁদে বলছেন-------------------
            পদ চার
কি রূপ হেরিনু,মধুর মূরতি,
   পিরীতি রসের সার।
হেন লয় মনে,এ তিন ভূবনে,
    তুলনা নাহিক আর।।
বড় বিনোদিয়া, চূড়ার চালনী,
     কপালে চন্দন চাঁদ।
জিনি বিধুবর, বদন সুন্দর,
   ভুবন মোহন ফাঁদ।।
নব জল ধর, রসে ঢরঢর,
    বরণ চিকণ কালা।
অঙ্গেরি ভূষণ, রজত কাঞ্চন,
      মণিমুকুতার মালা।।
আখর-- এ আবার কি রূপের মানুষ,
               ধরণ হেরে ধরম টুটে,
               কেন তোরা দেখাইলি,
                দেখে নয়ন মেতে উঠল,
                ধৈর্য্য ধর্ম টেনে নিল।
             একতাল
জোড়া ভুরু যেন, কামের কামান,
         কেবা কৈল নিরমাণ।
তরল নয়নে, তেড়ছ চাহনি,
          বিষম কুসুম বাণ।।
সুন্দর অধরে, মধুর মুরলী,
       হাসিয়া কথাটি কয়।
দ্বিজ ভীমে কয়,ওরূপ নাগরে,
         হেরিলে পরাণ যায়।।
কথা-- পদকর্তা দ্বিজ ভীম গোপীভাবান্বিত হয়ে বলছেন- হে কিশোরী! তুমি সত‍্যই বলেছ যে, গোবিন্দ লাবণ‍্য এতাদৃশ অমৃতামুধী।
তাহা সৌভাগ্য ক্রমে নয়ন পথে পতিত
হইলে জীব মরণ শরীরেও পরাণ পায়।কারণ কৃষ্ণনামামৃত বা লাবণ‍্যা-
মৃত ইন্দ্রিয়াহত জনের মৃত সঞ্জীবনী
স্থরূপ। তাই বলি কিশোরী---------
* কবে আমার সেদিন হবে,
    কৃষ্ণরূপে নয়ন মেতে,
     সর্বেন্দ্রিয় ডুবে যাবে,
   সে লাবণ‍্য সিন্ধুর পরশ পাব।
                ( পদ)
কালিয়ার রূপ মরমে লাগিয়া,
           সোয়াথ না হয় মনে।
বিরলে বসিয়া সখিরে কহয়,
             দেখাইলে রহে প্রাণে।।
কথা-- ললিতাদি সখিগণকে রাধারাণী অতি সন্তর্পণে স্বজল নয়নে বলছেন,দেখ ললিতা! দেখ বিশাখা! 
আমি তোদের অনুনয় করিয়া বলছি,
যে কোন উপায়ে হোক আমায় তোরা 
সেই সর্বেন্দ্রিয় উন্মাদ করা মূরতিটি একবার দরশন করা।নতুবা আমি আর বাঁচবো না। কারণ যার নাম শ্রবণে বা বংশী ধ্বনিতে আমার হৃত চিত, আরোও কালিয় দমন দিনে স্বপ্নে বা সাক্ষাৎ দর্শনে আমার যে অবস্থা ঘটেছে এখন আর একবার সেই মূরতিটি দর্শনহেতু চিত্তবৃত্তি আন্দোলিত হইতেছে।
এবোল শুনিয়া , বিশাখা ধাইয়া,
        শ‍্যাম কলেবর দেখি।
রাইয়ের গোচরে, দেখাইবার তরে,
         পটের উপরে লিখি।।
আখর- বিশাখা ধেয়ে চলে,
            রাইকে বাঁচাবে বলে,
মন্ত্রনা করিয়া তথা,ললিতার মন্ত্রনায়,
শ‍্যামরূপ দরশনের আশে,
লিখিবারে সেই মূরতি,
রাধা নামটি সাথি কর। জুম।
কথা-- ললিতার সঙ্গে মন্ত্রনা করিয়া সুচতুরা বিশাখা সখি,রাধার প্রাণ রক্ষার হেতু পবন গমনা হয়ে,যমুনা কুলে কদম্বমূলের নিকটস্থ হয়ে,গোবিন্দ মূরতিটি নয়ন পথে দর্শনের সময় স্বজল নয়নে মনোগত ভাবটি গোবিন্দ পাদমূলে জানাচ্ছেন।
* একবার দাঁড়াও, এ চিত্র পটেতে, একবার দাঁড়াও।
ওহে রাধার হৃদয় রঞ্জন,একবার----
কথা-আমি তুলিকায় হাত সংযোগ করিলাম তুমি কৃপা কর। তোমার কৃপা ভিন্ন আমার কোন শক্তি নেই, 
ওহে ভুবন মোহন বিনোদিয়া করুণা করো।
কথা-- যদি কোন ভক্ত শ্রীগোবিন্দ চরণে আশ্রয় নেবার কথা চিন্তন করেন,তাহলে জগমনোরম গোবিন্দ 
আমার রাধাদি ব্রজ রামাগণের মত তাঁকেও শ্রীচরণে আশ্রয় প্রদান করেন। বিশাখার অন্তরের ব‍্যাকুলতা 
জেনে শ্রীগোবিন্দ ভুবন মোহন ফাঁদে চিত্রপটে আবির্ভূত হইলেন।
চৈতন‍্য চরিতামৃতকার কবিরাজ গোস্বামীপাদ পয়ারে বলেছেন-------
কৃষ্ণের প্রতিজ্ঞা এই পূর্ব হতেই আছে।
যে যৈছে ভজয়ে কৃষ্ণ তারে ভজেতৈছে।।
কথা--বিশাখার মনের আশা পূর্ণ করিবার জন্য অপরূপরূপে দাঁড়ইলেন।
আনি চিত্রপট, রাইয়ের নিকট,
       সুমুখে রাখিল সখি।
সেরূপ হেরিয়া , মূরছিত হইয়া,
        পড়ল কমল মুখি।।
মন্দাকিনী পারা , কত শত ধারা,
        ওদুটি নয়নে বহে।
করাহ চেতন , পাবে দরশন ,
         এদাস উদ্ধবে কহে।।
আখর- লুটায়ে পড়িল,
         রাজার নন্দিনী রাই,
        চিত্রপটে রূপ দেখে,
         চৈতন‍্য হারায়ে ধনি,
      চিত্তাকর্ষরূপ হেরে। জুম।
কথা-- পদকর্তা উদ্ধবদাস গোপীভাবামৃতে অভিষিক্ত হয়ে রাধা কর্ণে বদন দিয়ে বলছেন------------
আখর-কৃষ্ণ তোর এসেছে,
            চিত্রপটে চেয়ে দেখ,
             নয়ন মুদিসনে রাই,
             হৃদয় রঞ্জন ছাঁদে,
         হৃদাসনে বসারাই। জুম।
কথা-- মৃত সঞ্জীবনী কৃষ্ণনামের ধ্বনি শুনে, রাধারাণী আমার ধীরে ধীরে নয়নোন্মিত করিয়া পটের সেই অসমানোর্ধ লাবণ‍্যময় মূরতিটি দেখতে দেখতে বলছেন-------
এমন মূরতি কেমন করি।
লিখিলি বিশাখা ধৈরজ ধরি।।
আখর- কেমনে লিখিলি,
         এহেন মূরতি খানি,
        সেখানেতে দাঁড়াইয়ে,
         ধৈর্য্য ধরম লয়ে,
          প্রাণ কি তোর টলিলনা। জুম।
দেখি দেখি পট আনহ কাছে।
এমন পুরুষ কি জগতে আছে।।
আখর- একবার দেখারে,
           চিত্রপটের মূরতি,
            নয়নানন্দ মূরতি,
            জগমনটলা রূপ,
              হেরিয়া নয়ন জুড়ায়। জুম।
       ছোট দশকুশি
কোন বিধাতা রূপ গড়েছে, গড়েছে সখি রে, এমন ছাঁদে।
এমন রূপের মানুষ,হেরিনাইরে।।
এরূপ, হেরলে কি আর ধৈর্য্য থাকে।।
** কার না টলে ,
     এ মূরতি নিরখিলে,
      যৌবত ধরম ,
        কুলবতীর কুল ধর্ম,
      কি ছার গুরু গৌরব,
      এ লাবণ‍্য বিনিময়ে। জুম।
দেখতে দেখতে পটের লেখা।
পরাণ হরিল বিষম ডাকা।।
মোহন কহয়ে লিখল যে।
পরাণ নিছনি তাহারে দে।।
আখর- ধৈরজ টলিল,
         হেরিতে হেরিতে ধনির,
          অচৈতন্য হয়ে রাধার,
           চিত্রপট বুকে লয়ে,
            কৃষ্ণরূপ মনে ভেবে। জুম।
কথা-- পদকর্তা মোহন দাস গোপীভাবে বিভাবিত হয়ে,একপাশে দাঁড়ায়ে বলছেন যে, হে রাধে! তোর প্রাণ হতেও প্রিয়তম গোবিন্দে,যে সখিগণ কর্তৃক চিত্রপটের দ্বারায় লাভ করেছিস, কৃষ্ণরূপ পরশমণির পরশনে যেন বিমুখি করিসনে।
** আশীর্বাদ কর রাই,
     অনুগতা জন জেনে,
      যেন কৃষ্ণ পদে মতি জাগে,
       জনমে জনমে মোদের,
        যেন পরশ মণির পরশ পাই,
       যেন সেবা যোগ‍্য বপু পাই।
********************************
মিলন করাতে হইলে-----------
চিত্রপটে কৃষ্ণ আসি রাধারে মিলিল।
বাহু পসারিয়া রাই বুকেতে ধরিল।।
পূর্বরাগের চিত্রপট হৃদয়ে ধরিয়া।
আনন্দে আকুলা রাই পড়ে লোটাইয়া
          ছোট দশকুশি
অমনি ধূলায় লুটায়ে ,
লুটায়ে পড়লোরে,রাইধনি।
   চিত্রপটে কৃষ্ণ পেয়ে।।
  আনন্দ আর ধরে নারে।
মনোরম---পুলকাশ্রু ভাব বিকারে।।
ঘন ঘন চুম্বে রাই পটের মূরতি।
দরশন পথে ধনির বাড়ল পিরীতি।।
ক্ষণেক্ষণে দুনয়নে বহে জলধার।
রাধাহৃদে শ‍্যাম মেঘ করিছে বিহার।।
চৌদিকে সখিগণ করে ঠারা ঠারি।
লাজ মান খোয়াইলা রাজার ঝিয়ারী।
*** আনন্দ ধরে না,
        ললিতাদি সখিগণের,
         রাই অধীরা হেরে,
          সেব‍্যমানা রতি লয়ে,
          তারা যুগলকে সেবিবে বলে।
চিত্রপটে কৃষ্ণ পাইয়া রাধার আনন্দ।
চৌদিকে সেবই সব সখিবৃন্দ।।
নিরজন মন্দিরে আনন্দ পরকাশ।
দ্বিজ রাধানাথে করে সেবা অভিলাষ।
আখর-- কবে বা হবে,
            এমন সুদিন মোর,
              নিরজনে সেবিব,
               প্রেম সেবা অধিকার,
                স্বভাব টুটিবে মোর,
                ভাব যোগ‍্য তনু পাব,
                  ঐ যুগল পদে রতি হবে,
                  মনবৃত্তি ডুবে যাবে।
রাধার পূর্বরাগ এখানেই রইল,
                জয় শ্রী রাধে শ‍্যাম।




শ্রী রাধার পূর্বরাগ---গৌরচন্দ্রিকা-----
নিরমল গোরা তনু,কষিল কাঞ্চন জনু
          হেরইতে পড়ি গেনু ভোর।
ভাঙ ভুজঙ্গমে, দংশল মঝু মন,
       অন্তর কাঁপইছে মোর।।
আখর-- উপায় কি করিগো,
             মরমিয়া সঙ্গিনী,
         গৌর লাবণ‍্য হেরে,
     তার, ভ্রুভুজঙ্গে দংশন কৈল,
            অন্তর থরথর,
     নবীন গৌরে নিরখিয়ে।
** শ্রীমন্নবদ্বীপধামে কোন এক গৌরানুরাগিনী নিজ সঙ্গিনীগণের নিকট বসিয়া,নববয়ঃ শিরোমণি গৌর
লাবণ‍্যে আকৃষ্টা হইয়া সময়োপযোগী নিজ মর্মবেদনা বিষয় ধীরে ধীরে বলছেন---------------------------------
       যব হাম পেয়েনু গোরা।
আকুল দিক বিদিক নাহি পায়নু,
      মদন লালসে মনভোরা।।
আখর-- জাগিয়া উঠলরে,
          গৌরবরণ হেরে সখি,
      দিকবিদিক জ্ঞান ভুলে,
  দরশনের সাথে সাথে,
       অপ্রাকৃত মদন সেবা।
** প্রধানা গোরানুরাগিনীর এই কথা
শুনে কোন সঙ্গিনী বলছে, হেঁগা সঙ্গিনী একবার মাত্র গৌরসুন্দরকে হেরতেই তোর মন প্রাণ এমন হয়ে পড়িল তার কারণ কি? তদুত্তরে প্রধানা গোরানুরাগিনী বলছেন, দেখ সঙ্গিনী শুধু রূপ দেখেই এরূপ আকৃষ্ট হইনাই আরও কারণ আছে বলি শোন------------------------------------
অরুণিত নয়নে, তেড়ছ অবলোকনে
       বরিখে কুসুম শর সাধে।
জীবইতে জীবনে, খেহ নাহি পায়লু
        ডুবলু গঙ্গা অগাধে।।
আখর-- ডুবায়ে দিলেরে,
           কুলশীল গৌরবসহ,
     সে লাবণ‍্য সুরধূনী নীরে,
     জর জর মম তনু,
     দারুণ চাহনি চাপে।
*********************************
মন্ত্র মহৌষধি, তুঁহু জানসি যদি,
      মঝু লাগি করবি উপায়।
বাসুদেব ঘোষে কহে, শুন শুন এসখি
       গোরা বিনে প্রাণ নাহি রয়।।
আখর--- বাঁচাইতে পারিবি,
            আপন সঙ্গিনী তোরা,
        ভূরু ভূজঙ্গ বিষে,
     মন্ত্রৌষধী দিয়ে তোরা।
** এই পদতত্ত্ববেত্তা বাসুদেব ঘোস ঠাকুর নদীয়া নাগরিগণের ভাবানুগা হয়ে বলছেন----------------------------
       ঔষধী আছে হে,
    বাঁচাইতে তব প্রাণ,
   গৌর গুণ রসায়ন,
   কিম্বা গৌর দরশন,
   গৌর তন পরশন।
               কাটান (14 মাত্রা)
বাসুদেব ঘোষে কহে------------
                 গোরা--------অনু------------ ------------
           রাগে হে।
*********************************
নিজে পদের কথানুযায়ী কথা যোগ করে পরিপূর্ণ করতে হবে।গৌরচন্দ্রিকা এখানেই রইল।      
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧





পূর্বরাগের লক্ষণ কি এবং পূর্বরাগের রীতি কিরূপ? ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/06/httpmrinmoynandy_34.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ পূর্বরাগের লক্ষণ কি এবং পূর্বরাগের রীতি কিরূপ? 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
           ꧁ 👇শ্রীকৃষ্ণ লীলা 🙏 সূচীপত্র👇 ꧂
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
শ্রীমন্নবদ্বীপ ধামে গৌর ভাবিনীগণ যাদৃশী ভাবোদয়, এইটী অপ্রাকৃত বিস্ময় ভূবি বৃন্দাবনে রাধা গোবিন্দ মিলনে, পূর্বানুরাগ রীতি। সেই পূর্বরাগের লক্ষণ কি? এবং পূর্বরাগের রীতি কিরূপ?

*পূর্বরাগ*
*রতির্যা সঙ্গমাৎ পূর্বং দর্শনশ্রবণাদিজা।*
*তয়োরুন্মীলতি প্রাজ্ঞৈঃ পূর্বরাগ ইতীর্ষ‍্যতে।।*
*অর্থ‍্যাৎ=উজ্জ্বল নীলমণি গ্রন্থে জানা যায় যে,প্রথম মিলনের পূর্বে পুরুষ ও রমণীর পরস্পর দর্শন এবং রূপ-গুণাদির কথা শ্রবণে যে মিলনোৎকন্ঠা হয়,* *তাকেই রসশাস্ত্রকারগণ "পূর্বরাগ"বলে থাকেন।*

 রসকল্পবল্লী গ্রন্থে তত্ত্বদর্শী গ্রন্থকার কহিয়াছেন যে, (সঙ্গ নহে রাগ জন্মে কহি পূর্বরাগ) অর্থ‍্যাৎ স্থায়ী করি ভালবাসার পূর্বে যে জনের লাবণ‍্যে বা গুণে কিম্বা নাম শ্রবণে আপন মনকে সেই ব‍্যক্তির সঙ্গ লাভার্থে যোজনা করার নাম পূর্বরাগ, তাই শ্রীমতী রাধারাণীর আজ সেই ভাবোদয় হেরে ললিতাদি সখিগণ পরস্পর কথোপকথন করছেন।
                  তেওট লয়
ঘরের বাহিরে, দন্ডে শতবার,
     তিলে তিলে আসে যায়।
মন উচাটন, নিশ্বাস সঘন,
     কদম্ব কাননে চায়।।
(দেখ বিশাখা একি রীতি) 
   রাই আমাদের কুলবতী,
কি জানি কে এমন করলে,
       উন্মাদিনী মত হেরি,
 রাই-- রাই রাজার ঝিয়ারিকে,
  কেবা কেবা এমন করে দিল।
        ( একতালা লয়)
       রাই কেন বা এমন হৈল।
গুরু দুরর্জন, ভয় নাহিক মন,
      কোথা বা কি দেব পাইল।।
(রাই ধ্বনির আজ একি রীতি)
   গুরুজন ভয় মানতেছে না,
ভুতাপ্রেতাদি পেয়েছি নাকি।।
             ***********
সদাই চঞ্চল, বসন অঞ্চল,
     সম্বরণ নাহি করে।
বসি থাকি থাকি, উঠয়ে চমকি,
      ভূষণ খসিয়া পড়ে।।
(কেন অঙ্গ বসন খসাইয়ে, উন্মাদিনী
মত হয়ে )
বেশ বিন‍্যাস দূরে দিয়ে, 
কেন নীল শাড়ী তেয়াগিয়ে,
কেন বিরাগ বসন অঙ্গে লয়ে
        মন প্রাণের উল্টা গতি।
* বয়সে কিশোরী, রাজার ঝিয়ারী,
          তাহে কুলবতী বালা।
কিবা অভিলাষে, বাঢ়য়ে লালসে,
          না বুঝি তাহার ছলা।।
আখর- রাজবালার ছল বুঝি না,
            কোন অভিলাষ হিয়ায় জাগে,
           কি লাগি রাই বিরহিনী।।
কথা--- শ্রীমতী রাধারাণীর পূর্ব রাগ দর্শনে, ললিতাদি সখি যে বিষয় কথোপকথন করছে, তাহাতে এটী বুঝা যায় যে, রাধাগোবিন্দলীলা মনুষ‍্য দেহের পরম উপাসনীয় বস্তু বা ভজনীয় বস্তু,অতএব সখিরূপা গুরুকে আশ্রয় না করিলে, এতাদৃশী বৈরাগ‍্য বৃত্তির উদয় হয় না, ও বোধাতীত নিগুঢ় রাধাগোবিন্দ বিলাস তত্ত্বে অধিকার পাওয়া যায় না।শ্রীমতীর ইহাতে এমন কি বৈরাগ‍্য বৃত্তির উদয় হইল যে, তাহার অনুসরণ তৎপর হইলেই জীবেরও বৈরাগ‍্য জন্মাইবে, বা শ্রীকৃষ্ণ পদারবিন্দে গাঢ় রতির উদয় হবে।তাহাতে রসতত্ত্ববেত্তা গণের পক্ষানুযায়ী স্থিরতর হয় এই যে, ভগবান গোবিন্দে ভালোবাসা দ্বারায় প্রাপ্ত হইতে হইলে তৎপূর্বেই শ্রীমতী রাধারাণীর মত পূর্বরাগ রতিকে আশ্রয় না করিলে, অর্থ‍্যাৎ আত্মেন্দ্রিয়  ভক্তিবাঞ্জা ত‍্যাগ না করিলে,গোবিন্দ পদারবিন্দে আশ্রয় লাভ করা যায় না,
প্রথমেই রাধারাণী পূর্বরাগের দ্বারায় গোবিন্দ ভজন রীতি জীব জগতকে তাই জানাইলেন।পদকর্তাও বলেছেন।
  তাহার চরিতে, হেন বুঝি চিতে,
          হাত বাড়াইল চাঁদে।
চন্ডীদাসে কয়, করি অনুনয়,
         ঠেকেছে কালিয়ার ফাঁদে।।
রজনী শাঙন, ঘনদ গরজন,
    রিমিঝিমি শবদে বরিষে।
পালঙ্কে শুইয়া রঙ্গে, বিগলিত চির অঙ্গে, নিন্দ যাই মনের হরিষে।।
শিখরে শিখন্ড রোল,মত্ত দাদুরী বোল
          কোকিলা কুহরে কুতূহলে।
ঝিঁ ঝাঁ ঝিনিকি বাজে, ডাহুকিসে গরজে,স্বপন দেখিনু হেন কালে।।
মরমে পৈঠলসেহ, হৃদয়ে লাগল দেহ
         শ্রবণে তরল সেহ বাণী।
দেখিয়া তাহার রীত,যে করে দারুণ চিত,ধিক রহুঁ কুলের কামিনী।।
আখর-- হেরে নয়ন মাতিল,
         তবু তারে জানিবারে,
         শুদ্ধ ভাষায় শ্রবণ মাতে,
           পরশে হৃদয় মাতে,
            সর্বেন্দ্রিয় ডুবে গেল। জুম।
কথা-- ললিতাদি সখিগণ রাধারাণীর এই কথা শুনে বলছেন- রাজনন্দিনী!
এমন কি চিত্তাকর্ষকরূপ স্থপ্নে দর্শন করলি যে, সেই অপরিচিত লাবণ‍্যে তোর চিত্ত বৃত্তি সমূহ ডুবেগেল, তদুত্তরে কিশোরী বলছেন- সখিরে সেই বর্ণনাতীত কথা, কথাঞ্চিত বলি শোন---------------------------------
রূপে গুণে রস সিন্ধু
মুখ ছটা যেন ইন্দু
মালতীর মালা গলে দোলে।
বসি মোর পদতলে
গায়ে হাত দেয় ছলে
আমা কিন্তু বিকাইনু বলে।।
কিবা ভূরুর ভঙ্গ
ভূষণ ভূষিত অঙ্গ
কাম মোহে নয়নরি কোণে।
হাসি হাসি কথা কয়
পরাণ কাড়িয়া লয়
ভুলাইতে কত রঙ্গ জানে।।
রসাবেসে সেই কোল
মুখে নাহি সরে বোল
অধরে অধর পরশিল।
অঙ্গ অবশা ভেল
লাজ মান ভয় গেল
জ্ঞান দাস ভাবিতে লাগিল।।
কথা-- গোপীভাবাবেশে পদকর্তা স্বজল নয়নে বলছেন-----------
কোথা হতে এল সখি,
লাবণ‍্য মূরতি দেখি,
কুল ধর্ম টলাইতে,
রস কূপ নীরোদ মূরতি,
ধৈর্য্য ধর্ম টলারূপে,
আমি ভেবে স্থির করতে নারি। জুম।
কথা- রাধারাণী আমার সখিগণকে কেঁদে কেঁদে বলছেন, ওরে সখি! এখন আমার এই ব‍্যাকুলতা নিবর্তন হেতু তোরা আমায় বলেদে,ইতি পূর্বেই যা শুনিলাম,কিসের ঐ অমৃতমন্ডিত ধ্বনি,বা কে অমন সর্বেন্দ্রিয় উন্মাদ করা সুধা তানের নিস্রবক।তার বা নাম কি? এবং তার মূরতি কেমন?
এখন তোরা কৃপা করে বলেদে,তা নইলে আর আমি বাঁচতে পারবো না।
তখন শ্রীমতীর এই কথা শুনে ললিতাদি সখিমিলে যমুনায় স্নান ছলে রাধেকে সাথে লয়ে শ্রীযমুনা কুলে গিয়ে অঙ্গুলি সঞ্চালন ছলে ইঙ্গিত দ্বারায় ধীরে ধীরে রাধারাণীকে
বললেন কিশোরী- ঐ দেখ এঁরই সেই সর্বেন্দ্রিয় পাগল করা মুরলীর ধ্বনি এবং অত‍্যদ্ভুত মাধুর্য‍্যমন্ডিত কৃষ্ণ নাম।সখি মুখে যেমনি কৃষ্ণনাম মহামন্ত্র ধ্বনী শ্রীমতীর শ্রবণে প্রবিষ্টাধিকার প্রাপ্ত হইল,সেই অবসরেই রাধারাণীর অমনি কৃষ্ণ নাম প্রভাবে পুলকাশ্রু বা হৎকম্পনাদির উদয় হওয়ায় স্বজল নয়নে বলছেন----------------------
       (ছোট লয়)
কেন এনাম শুনা, শুনাইলিরে ও বিশাখা।
নাম প্রতাপে -------অঙ্গ কাঁপে।।
শ্রবণের---------আকাঙখা জাগে।।
রসনা মোর-------লোলুপ হল।।
(সখিরে) হেরে আঁখি-----মেতে উঠল।
             লোকালয়
একি নাম শুনালি,
শ্রবণ মনকে মাতাইতে,
ধৈর্য্য বাঁধিতে নারি,
সর্বেন্দ্রিয় মেতে উঠল। জুম।
কথা-- ললিতাদি সখিগণ সনে শ্রীমতী রাধারাণী যমুনা পুলিনে গোবিন্দ লাবণ‍্য ক্ষণ সময় মাত্র নয়ন গোচর করিয়া,উদাস প্রাণে গৃহে এসে কেঁদে কেঁদে বলছেন-------------------
            পদ চার
কি রূপ হেরিনু,মধুর মূরতি,
   পিরীতি রসের সার।
হেন লয় মনে,এ তিন ভূবনে,
    তুলনা নাহিক আর।।
বড় বিনোদিয়া, চূড়ার চালনী,
     কপালে চন্দন চাঁদ।
জিনি বিধুবর, বদন সুন্দর,
   ভুবন মোহন ফাঁদ।।
নব জল ধর, রসে ঢরঢর,
    বরণ চিকণ কালা।
অঙ্গেরি ভূষণ, রজত কাঞ্চন,
      মণিমুকুতার মালা।।
আখর-- এ আবার কি রূপের মানুষ,
               ধরণ হেরে ধরম টুটে,
               কেন তোরা দেখাইলি,
                দেখে নয়ন মেতে উঠল,
                ধৈর্য্য ধর্ম টেনে নিল।
             একতাল
জোড়া ভুরু যেন, কামের কামান,
         কেবা কৈল নিরমাণ।
তরল নয়নে, তেড়ছ চাহনি,
          বিষম কুসুম বাণ।।
সুন্দর অধরে, মধুর মুরলী,
       হাসিয়া কথাটি কয়।
দ্বিজ ভীমে কয়,ওরূপ নাগরে,
         হেরিলে পরাণ যায়।।
কথা-- পদকর্তা দ্বিজ ভীম গোপীভাবান্বিত হয়ে বলছেন- হে কিশোরী! তুমি সত‍্যই বলেছ যে, গোবিন্দ লাবণ‍্য এতাদৃশ অমৃতামুধী।
তাহা সৌভাগ্য ক্রমে নয়ন পথে পতিত
হইলে জীব মরণ শরীরেও পরাণ পায়।কারণ কৃষ্ণনামামৃত বা লাবণ‍্যা-
মৃত ইন্দ্রিয়াহত জনের মৃত সঞ্জীবনী
স্থরূপ। তাই বলি কিশোরী---------
* কবে আমার সেদিন হবে,
    কৃষ্ণরূপে নয়ন মেতে,
     সর্বেন্দ্রিয় ডুবে যাবে,
   সে লাবণ‍্য সিন্ধুর পরশ পাব।
                ( পদ)
কালিয়ার রূপ মরমে লাগিয়া,
           সোয়াথ না হয় মনে।
বিরলে বসিয়া সখিরে কহয়,
             দেখাইলে রহে প্রাণে।।
কথা-- ললিতাদি সখিগণকে রাধারাণী অতি সন্তর্পণে স্বজল নয়নে বলছেন,দেখ ললিতা! দেখ বিশাখা! 
আমি তোদের অনুনয় করিয়া বলছি,
যে কোন উপায়ে হোক আমায় তোরা 
সেই সর্বেন্দ্রিয় উন্মাদ করা মূরতিটি একবার দরশন করা।নতুবা আমি আর বাঁচবো না। কারণ যার নাম শ্রবণে বা বংশী ধ্বনিতে আমার হৃত চিত, আরোও কালিয় দমন দিনে স্বপ্নে বা সাক্ষাৎ দর্শনে আমার যে অবস্থা ঘটেছে এখন আর একবার সেই মূরতিটি দর্শনহেতু চিত্তবৃত্তি আন্দোলিত হইতেছে।
এবোল শুনিয়া , বিশাখা ধাইয়া,
        শ‍্যাম কলেবর দেখি।
রাইয়ের গোচরে, দেখাইবার তরে,
         পটের উপরে লিখি।।
আখর- বিশাখা ধেয়ে চলে,
            রাইকে বাঁচাবে বলে,
মন্ত্রনা করিয়া তথা,ললিতার মন্ত্রনায়,
শ‍্যামরূপ দরশনের আশে,
লিখিবারে সেই মূরতি,
রাধা নামটি সাথি কর। জুম।
কথা-- ললিতার সঙ্গে মন্ত্রনা করিয়া সুচতুরা বিশাখা সখি,রাধার প্রাণ রক্ষার হেতু পবন গমনা হয়ে,যমুনা কুলে কদম্বমূলের নিকটস্থ হয়ে,গোবিন্দ মূরতিটি নয়ন পথে দর্শনের সময় স্বজল নয়নে মনোগত ভাবটি গোবিন্দ পাদমূলে জানাচ্ছেন।
* একবার দাঁড়াও, এ চিত্র পটেতে, একবার দাঁড়াও।
ওহে রাধার হৃদয় রঞ্জন,একবার----
কথা-আমি তুলিকায় হাত সংযোগ করিলাম তুমি কৃপা কর। তোমার কৃপা ভিন্ন আমার কোন শক্তি নেই, 
ওহে ভুবন মোহন বিনোদিয়া করুণা করো।
কথা-- যদি কোন ভক্ত শ্রীগোবিন্দ চরণে আশ্রয় নেবার কথা চিন্তন করেন,তাহলে জগমনোরম গোবিন্দ 
আমার রাধাদি ব্রজ রামাগণের মত তাঁকেও শ্রীচরণে আশ্রয় প্রদান করেন। বিশাখার অন্তরের ব‍্যাকুলতা 
জেনে শ্রীগোবিন্দ ভুবন মোহন ফাঁদে চিত্রপটে আবির্ভূত হইলেন।
চৈতন‍্য চরিতামৃতকার কবিরাজ গোস্বামীপাদ পয়ারে বলেছেন-------
কৃষ্ণের প্রতিজ্ঞা এই পূর্ব হতেই আছে।
যে যৈছে ভজয়ে কৃষ্ণ তারে ভজেতৈছে।।
কথা--বিশাখার মনের আশা পূর্ণ করিবার জন্য অপরূপরূপে দাঁড়ইলেন।
আনি চিত্রপট, রাইয়ের নিকট,
       সুমুখে রাখিল সখি।
সেরূপ হেরিয়া , মূরছিত হইয়া,
        পড়ল কমল মুখি।।
মন্দাকিনী পারা , কত শত ধারা,
        ওদুটি নয়নে বহে।
করাহ চেতন , পাবে দরশন ,
         এদাস উদ্ধবে কহে।।
আখর- লুটায়ে পড়িল,
         রাজার নন্দিনী রাই,
        চিত্রপটে রূপ দেখে,
         চৈতন‍্য হারায়ে ধনি,
      চিত্তাকর্ষরূপ হেরে। জুম।
কথা-- পদকর্তা উদ্ধবদাস গোপীভাবামৃতে অভিষিক্ত হয়ে রাধা কর্ণে বদন দিয়ে বলছেন------------
আখর-কৃষ্ণ তোর এসেছে,
            চিত্রপটে চেয়ে দেখ,
             নয়ন মুদিসনে রাই,
             হৃদয় রঞ্জন ছাঁদে,
         হৃদাসনে বসারাই। জুম।
কথা-- মৃত সঞ্জীবনী কৃষ্ণনামের ধ্বনি শুনে, রাধারাণী আমার ধীরে ধীরে নয়নোন্মিত করিয়া পটের সেই অসমানোর্ধ লাবণ‍্যময় মূরতিটি দেখতে দেখতে বলছেন-------
এমন মূরতি কেমন করি।
লিখিলি বিশাখা ধৈরজ ধরি।।
আখর- কেমনে লিখিলি,
         এহেন মূরতি খানি,
        সেখানেতে দাঁড়াইয়ে,
         ধৈর্য্য ধরম লয়ে,
          প্রাণ কি তোর টলিলনা। জুম।
দেখি দেখি পট আনহ কাছে।
এমন পুরুষ কি জগতে আছে।।
আখর- একবার দেখারে,
           চিত্রপটের মূরতি,
            নয়নানন্দ মূরতি,
            জগমনটলা রূপ,
              হেরিয়া নয়ন জুড়ায়। জুম।
       ছোট দশকুশি
কোন বিধাতা রূপ গড়েছে, গড়েছে সখি রে, এমন ছাঁদে।
এমন রূপের মানুষ,হেরিনাইরে।।
এরূপ, হেরলে কি আর ধৈর্য্য থাকে।।
** কার না টলে ,
     এ মূরতি নিরখিলে,
      যৌবত ধরম ,
        কুলবতীর কুল ধর্ম,
      কি ছার গুরু গৌরব,
      এ লাবণ‍্য বিনিময়ে। জুম।
দেখতে দেখতে পটের লেখা।
পরাণ হরিল বিষম ডাকা।।
মোহন কহয়ে লিখল যে।
পরাণ নিছনি তাহারে দে।।
আখর- ধৈরজ টলিল,
         হেরিতে হেরিতে ধনির,
          অচৈতন্য হয়ে রাধার,
           চিত্রপট বুকে লয়ে,
            কৃষ্ণরূপ মনে ভেবে। জুম।
কথা-- পদকর্তা মোহন দাস গোপীভাবে বিভাবিত হয়ে,একপাশে দাঁড়ায়ে বলছেন যে, হে রাধে! তোর প্রাণ হতেও প্রিয়তম গোবিন্দে,যে সখিগণ কর্তৃক চিত্রপটের দ্বারায় লাভ করেছিস, কৃষ্ণরূপ পরশমণির পরশনে যেন বিমুখি করিসনে।
** আশীর্বাদ কর রাই,
     অনুগতা জন জেনে,
      যেন কৃষ্ণ পদে মতি জাগে,
       জনমে জনমে মোদের,
        যেন পরশ মণির পরশ পাই,
       যেন সেবা যোগ‍্য বপু পাই।
********************************
মিলন করাতে হইলে-----------
চিত্রপটে কৃষ্ণ আসি রাধারে মিলিল।
বাহু পসারিয়া রাই বুকেতে ধরিল।।
পূর্বরাগের চিত্রপট হৃদয়ে ধরিয়া।
আনন্দে আকুলা রাই পড়ে লোটাইয়া
          ছোট দশকুশি
অমনি ধূলায় লুটায়ে ,
লুটায়ে পড়লোরে,রাইধনি।
   চিত্রপটে কৃষ্ণ পেয়ে।।
  আনন্দ আর ধরে নারে।
মনোরম---পুলকাশ্রু ভাব বিকারে।।
ঘন ঘন চুম্বে রাই পটের মূরতি।
দরশন পথে ধনির বাড়ল পিরীতি।।
ক্ষণেক্ষণে দুনয়নে বহে জলধার।
রাধাহৃদে শ‍্যাম মেঘ করিছে বিহার।।
চৌদিকে সখিগণ করে ঠারা ঠারি।
লাজ মান খোয়াইলা রাজার ঝিয়ারী।
*** আনন্দ ধরে না,
        ললিতাদি সখিগণের,
         রাই অধীরা হেরে,
          সেব‍্যমানা রতি লয়ে,
          তারা যুগলকে সেবিবে বলে।
চিত্রপটে কৃষ্ণ পাইয়া রাধার আনন্দ।
চৌদিকে সেবই সব সখিবৃন্দ।।
নিরজন মন্দিরে আনন্দ পরকাশ।
দ্বিজ রাধানাথে করে সেবা অভিলাষ।
আখর-- কবে বা হবে,
            এমন সুদিন মোর,
              নিরজনে সেবিব,
               প্রেম সেবা অধিকার,
                স্বভাব টুটিবে মোর,
                ভাব যোগ‍্য তনু পাব,
                  ঐ যুগল পদে রতি হবে,
                  মনবৃত্তি ডুবে যাবে।
রাধার পূর্বরাগ এখানেই রইল,
                জয় শ্রী রাধে শ‍্যাম।




শ্রী রাধার পূর্বরাগ---গৌরচন্দ্রিকা-----
নিরমল গোরা তনু,কষিল কাঞ্চন জনু
          হেরইতে পড়ি গেনু ভোর।
ভাঙ ভুজঙ্গমে, দংশল মঝু মন,
       অন্তর কাঁপইছে মোর।।
আখর-- উপায় কি করিগো,
             মরমিয়া সঙ্গিনী,
         গৌর লাবণ‍্য হেরে,
     তার, ভ্রুভুজঙ্গে দংশন কৈল,
            অন্তর থরথর,
     নবীন গৌরে নিরখিয়ে।
** শ্রীমন্নবদ্বীপধামে কোন এক গৌরানুরাগিনী নিজ সঙ্গিনীগণের নিকট বসিয়া,নববয়ঃ শিরোমণি গৌর
লাবণ‍্যে আকৃষ্টা হইয়া সময়োপযোগী নিজ মর্মবেদনা বিষয় ধীরে ধীরে বলছেন---------------------------------
       যব হাম পেয়েনু গোরা।
আকুল দিক বিদিক নাহি পায়নু,
      মদন লালসে মনভোরা।।
আখর-- জাগিয়া উঠলরে,
          গৌরবরণ হেরে সখি,
      দিকবিদিক জ্ঞান ভুলে,
  দরশনের সাথে সাথে,
       অপ্রাকৃত মদন সেবা।
** প্রধানা গোরানুরাগিনীর এই কথা
শুনে কোন সঙ্গিনী বলছে, হেঁগা সঙ্গিনী একবার মাত্র গৌরসুন্দরকে হেরতেই তোর মন প্রাণ এমন হয়ে পড়িল তার কারণ কি? তদুত্তরে প্রধানা গোরানুরাগিনী বলছেন, দেখ সঙ্গিনী শুধু রূপ দেখেই এরূপ আকৃষ্ট হইনাই আরও কারণ আছে বলি শোন------------------------------------
অরুণিত নয়নে, তেড়ছ অবলোকনে
       বরিখে কুসুম শর সাধে।
জীবইতে জীবনে, খেহ নাহি পায়লু
        ডুবলু গঙ্গা অগাধে।।
আখর-- ডুবায়ে দিলেরে,
           কুলশীল গৌরবসহ,
     সে লাবণ‍্য সুরধূনী নীরে,
     জর জর মম তনু,
     দারুণ চাহনি চাপে।
*********************************
মন্ত্র মহৌষধি, তুঁহু জানসি যদি,
      মঝু লাগি করবি উপায়।
বাসুদেব ঘোষে কহে, শুন শুন এসখি
       গোরা বিনে প্রাণ নাহি রয়।।
আখর--- বাঁচাইতে পারিবি,
            আপন সঙ্গিনী তোরা,
        ভূরু ভূজঙ্গ বিষে,
     মন্ত্রৌষধী দিয়ে তোরা।
** এই পদতত্ত্ববেত্তা বাসুদেব ঘোস ঠাকুর নদীয়া নাগরিগণের ভাবানুগা হয়ে বলছেন----------------------------
       ঔষধী আছে হে,
    বাঁচাইতে তব প্রাণ,
   গৌর গুণ রসায়ন,
   কিম্বা গৌর দরশন,
   গৌর তন পরশন।
               কাটান (14 মাত্রা)
বাসুদেব ঘোষে কহে------------
                 গোরা--------অনু------------ ------------
           রাগে হে।
*********************************
নিজে পদের কথানুযায়ী কথা যোগ করে পরিপূর্ণ করতে হবে।গৌরচন্দ্রিকা এখানেই রইল।      
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧





adds