✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ *৩৩. অতি গূঢ় নিত্যানন্দ* ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ প্রভু নিত্যানন্দের সংক্ষিপ্ত লীলা 🙏 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
⬇️⬇️⬇️এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন⬇️⬇️⬇️
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
(৩৩)
*অতি গূঢ় নিত্যানন্দ।*
*বলরামের রাসযাত্রা।*
সহস্র-বদন বন্দোঁ প্রভু বলরাম।
যাঁহার সহস্র-মুখে কৃষ্ণ-যশোধাম।।
*মহারত্ন থুই যেন মহা-প্রিয়-স্থানে। যশোরত্ন ভাণ্ডার শ্রীঅনন্ত-বদনে।।*
অতএব আগে বলরামের স্তবন।
করিলে সে মুখে স্ফূরে চৈতন্য কীর্তন।।
সহস্রেক-ফনাধর প্রভু বলরাম।
যতেক করয়ে প্রভু সকল উদ্দাম।।
হলধর মহাপ্রভু প্রকাণ্ড শরীর।
চৈতন্যচন্দ্রের রসে মত্ত মহাধীর।।
ততোধিক চৈতন্যের প্রিয় নাহি আর।
নিরবধি সেই দেহে করেন বিহার।।
তাহান চরিত্র যেই জনে শুনে গায়।
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য তারে পরম সহায়।।
মহাপ্রীত হয় তারে মহেশ পার্বতী।
জিহ্বায় স্ফূরয়ে তার শুদ্ধা সরস্বতী।।
পার্বতী প্রভৃতি নবার্বুদ নারী লইয়া।
সঙ্কর্ষণ পূজে শিব উপাসক হইয়া।।
*"সপ্তদ্বীপা বসুন্ধরা"* বলা হয়।
পৃথিবীর সাতটি দ্বীপ যথা- জম্বু,প্লক্ষ,শাল্মলি,কুশ,ক্রৌঞ্চ, শাক ও পুষ্কর।
সাত সমুদ্র-ক্ষারোদ,
ইক্ষুরসোদ,
সুরোদ,
ঘৃতোদ,
ক্ষীরোদ,
দধিমণ্ডোদ,
শুদ্ধোদ সপ্তজলধয়ঃ।
এক একটি দ্বীপকে ঘিরে এক একটি সমুদ্র।
জম্বুদ্বীপে আবার নয়টি বর্ষ-
১।ইলাবৃত বর্ষে বৈষ্ণবপ্রবর শম্ভু অর্বুদসহস্র অনুচরী ও পার্বতী সহ শ্রীহরির সঙ্কর্ষণ মূর্তির উপাসনা করেন।
*"ওঁ নমো ভগবতে মহাপুরুষায় সর্বগুনসংখ্যানায়ানন্তায়াব্যক্তায়নমঃ"*
ঐশ্বর্যশালী ভব এই মন্ত্রে শ্রীসঙ্কর্ষণকে স্তব করিয়া থাকেন।আমি সেই মহাপুরুষ ভগবানকে নমস্কার করি। তিনি সর্ব গুণের প্রকাশক কিন্তু স্বয়ং অপ্রমেয় ও অনন্ত। "হে হরি! তুমি তোমার ভক্তদেরই সংসার পাশ মোচন এবং অভক্তদের সদা সংসারসংঘটন কর। তোমার কৃপা ব্যতীত কেহ কোনও উপায়ে মায়া মুক্ত হইতে পারে না।
পূজান্তে দেবী পার্বতী ঢোলক বাজান ও সঙ্কর্ষন ভগবানকে প্রসন্ন করার জন্য মহাদেব তাণ্ডব নৃত্য করেন।।
*ইলাবৃতে তু ভগবান্ ভব এক এব পুমান্,নহ্যন্যস্তত্রাপরো নির্বিশতি ভবান্যাঃ শাপনিমিত্তজ্ঞঃ।যৎপ্রবেষ্টুঃস্ত্রীভাবস্তৎপশ্চাদ্ বক্ষ্যামঃ।*
(ভা.৫/১৭/১৫)।
এই বর্ষে পুরুষ প্রবেশ মাত্র স্ত্রীত্ব প্রাপ্ত হয়।পার্বতীর অভিশাপ আছে।এ প্রসঙ্গ পরে ভাগবত নবম স্কন্ধে বিশদভাবে বর্ণিত হবে।
(पार्वती के खंडों में सवै जुवती होई जाहि।
हमको एति कठिन कहां श्रीवृंदावन माही।।)
২। ভদ্রাশ্ববর্ষের অধিপতি ভদ্রশ্রবা ভগবানের হয়গ্ৰীব মূর্তির উপাসনা করেন।
৩। হরিবর্ষে ভগবান নৃসিংহদেব অবস্থান করিতেছেন। ভক্ত প্রহ্লাদ তাহার সেবা-পূজাদি করেন।
৪। কেতুমাল বর্ষে ভগবান কামদেব মূর্তিতে বিরাজমান। শ্রীলক্ষ্মীদেবী পরম-ভক্তিভরে পূজা-অর্চনাদি করিয়া থাকেন।
৫। রম্যক বর্ষে মনু মৎস্য দেবের উপাসনা করিয়া থাকেন।
৬। হিরণ্ময় বর্ষে ভগবান কূর্ম্ম মূর্ত্তিতে বিরাজমান।
৭। উত্তরকুরু বর্ষে শ্রীবরাহদেব কুরুখন্ড বাসীগনের উপাস্যরূপে অবস্থান করিতেছেন।
৮। কিম্পুরুষ বর্ষে লক্ষণাগ্রজ সীতাপতি ভগবান শ্রীরামচন্দ্রের শ্রীচরণসান্নিধ্যে নিবিষ্টচিত্তে উপবিষ্ট হইয়া পরম ভাগবত শ্রীহনুমান অপ্রতিহত ভক্তিসহকারে কিম্পুরুষ বর্ষবাসীগণের সহিত তাঁহার উপাসনা করিতেছেন।
৯। ভারতবর্ষের অধিপতি ভগবান নর-নারায়ন, দেবর্ষি নারদ ভারতবর্ষীয় প্রজাগণের সহিত পরমপুরুষ ভগবানের উপাসনা করিতেছেন।
ভারতবর্ষই কর্মক্ষেত্র,অন্য আট বর্ষ স্বর্গসুখভোগীদিগের ভোগস্থান। স্বর্গ থেকে ফেরৎ জীব এই সমস্ত বর্ষে বাস করে।নয়টি বর্ষে শ্রীহরি নানা রূপে বিরাজমান থাকিয়া পূজিত হইতেছেন।
পঞ্চম স্কন্ধের এই ভাগবত কথা।
সর্ব বৈষ্ণবের বন্দ্য বলরাম গাঁথা।।
তান রাসক্রীড়া কথা পরম উদার।
বৃন্দাবনে গোপীসনে করিলা বিহার।।
*দুইমাস বসন্ত-মাধব-মধু নামে।হলায়ুধ-রাসক্রীড়া কহয়ে পুরানে।।*
সে সকল কথা এই শুন ভাগবতে।
শ্রীশুক কহেন শুনে রাজা পরীক্ষিতে।।
(ভা.১০/৬৫/১৭-১৮-২১-২২.)
অনুবাদ-ভগবান বলরাম, নিশাকালে গোপীগণের রতি সম্পাদন করিতে করিতে, সেই শ্রীবৃন্দাবনে চৈত্র ও বৈশাখ দুই মাস অবস্থান করিলেন।।
পূর্ণচন্দ্রের কিরণজালে পরিমার্জিত হইয়া যাহার স্বতঃসিদ্ধ শোভা সমধিক উজ্জ্বল হইয়া উঠিয়াছে আর যেখানে সমিরণ কুমুদ কুসুমের গন্ধ গ্রহণ করিয়া ধীরে ধীরে সঞ্চরন করিতেছে,__ তিনি সেই যমুনার উপবনে রমণীমণ্ডলে পরিবৃত হইয়া রমণ করিতে লাগিলেন।।
গন্ধর্বগণ-সংস্তুত বলরাম, হস্তিনী-যুথপতি ইন্দ্রহস্তী ঐরাবতের মত অনুরাগবতী বনিতাপরিশোভিত মন্ডলে রমণে প্রবৃত্ত হইলেন।।
আকাশে দুন্দুভি-নিনাদ হইতে লাগিল। গন্ধর্ববৃন্দ সানন্দে পুষ্প-পুঞ্জ বর্ষণ করিতে লাগিলেন, আর মুনিগণ তৎকালে সেই বলরামের বিক্রম বৃত্তান্ত উল্লেখ করিয়া স্তব আরম্ভ করিলেন।।
যে স্ত্রীসঙ্গ মুনিগণে করেন নিন্দন।
তানাও রামের রাসে করেন স্তবন।।
*যার রাসে দেবে আসি পুষ্পবৃষ্টি করে।দেবে জানে এক তত্ত্ব কৃষ্ণ হলধরে।।*
*চারি বেদে গুপ্ত বলরামের চরিত।আমি কি বলিব সব পুরানে বিদিত।।*
মূর্খ দোষে কেহ কেহ না দেখি পুরান। বলরাম রাসক্রীড়া করে অপ্রমাণ।।
*এক ঠাঁই দুই ভাই গোপিকা সমাজে।করিলেন রাসক্রীড়া বৃন্দাবন মাঝে।।*
(ভা.১০/৩৪/২০-২৩.)
অনুবাদ- শঙ্খচূড় বধ বর্ণনা প্রসঙ্গে বলা হইতেছে যে,কোন সময়ে রজনীযোগে অলৌকিক প্রভাবসম্পন্ন শ্রীকৃষ্ণ ও বলরাম ব্রজনারীগণের মধ্যবর্তী হইয়া ব্রজসন্নিহিত কাননের অভ্যন্তরে বিহার করিয়াছিলেন।
তাহাদের উভয়েরই দেহ চন্দনচর্চিত ও বিবিধ ভূষণে বিভূষিত,গলদেশে মাল্য ও পরিধানে সুনির্মল বস্ত্র। তাহারা দেখিলেন, আজিকার সন্ধা অতি সুন্দর।সান্ধ্য গগনে তারাপতি ও তারকামালার উদয় হইয়াছে,অলিকুল মল্লিকার মধুগন্ধে মত্ত হইয়া ইতস্ততঃ পরিভ্রমণ করিতেছে, আর গন্ধবহ কুমুদের গন্ধ লইয়া মন্দ মন্দ সঞ্চরণ করিতেছে। তাহারা সেই প্রদোষ কালের সংবর্ধনা না করিয়া থাকিতে পারিলেন না। তাহাদের প্রেয়সীবৃন্দ তাহাদিগকে লক্ষ্য করিয়া তাল-লয়-বিশুদ্ধ মনোহর সংগীতালাপে প্রবৃত্ত হইলেন; তাহারাও উভয়ে মিলিত হইয়া সকলের মনোমদ ও শ্রুতিসুখাবহ স্বরগ্ৰামের মূর্চ্ছনা- সহকারে সংগীত আলাপ করিতে লাগিলেন।।
ভাগবত শুনি যার রামে নহে প্রীত।
বিষ্ণু-বৈষ্ণবের পথে সে জন বর্জিত।।
*ভাগবত যে না মানে, সে যবন সম।তার শাস্তা আছে জন্মেজন্মে প্রভু যম।।*
এবে কেহ কেহ নপুংসক-বেশে নাচে। বোলে "বলরাম-রাস কোন্ শাস্ত্রে আছে?
কোনো পাপী শাস্ত্র দেখিলেও নাহি মানে। এক অর্থ, অন্য অর্থ করিয়া বাখানে।।
চৈতন্যচন্দ্রের প্রিয় বিগ্রহ বলাই।
তান-স্থানে অপরাধে মরে সর্ব ঠাঁই।।
মূর্তিভেদে আপনে হয়েন প্রভুদাস।
সে সব লক্ষণ অবতারে পরকাশ।।
*সখা, ভাই,ব্যজন,শয়ন, আবাহন।গৃহ,ছত্র, বস্ত্র, যত ভূষন আসন।।*
আপনে সকল রূপে সেবেন আপনে।
যারে অনুগ্রহ করে, পায় সেই জনে।।
শ্রীযামুনমুনি বিরচিত স্তোত্ররত্নে (৪৩)।__
**"নিবাস- শয্যাসন- পাদুকাংশুকো-
পধান-বর্ষাতপবারণাদিভিঃ। শরীরভেদৈস্তব শেষতাংগতৈ-
র্যথোচিতং শেষ ইতীর্যতে জনৈঃ ।।**
অনুবাদঃ হে ভগবন্ বিষ্ণো! তুমি লক্ষ্মীদেবীর সহিত যে অনন্ত নাগের উপর বিরাজমান রহিয়াছ।সে অনন্ত কেমন? সাধারণ লোকের দ্বারা তিনি যে 'শেষ' বলে আখ্যায়িত হন,তাহা উপযুক্তই বটে। কেননা তিনি তোমার নিবাস(আধার, বাসস্থান)শয্যা,আসন,পাদুকা,অংশুক(বস্ত্র), উপাধান(বালিশ) ও বর্ষাতপ বারণ(ছত্র) প্রভৃতি সেবার উপকরণগুলি আপনি শরীর-ভেদে পরিগ্ৰহ করিয়া থাকেন। তা-ও 'শেষতা পাইয়া' অর্থাৎ কোন প্রকার প্রত্যুপকারের প্রত্যাশা না রাখিয়া,__ মাত্র তোমার যাহাতে সুখ হয়, তাহা অভিলাষ করিয়া।
অনন্তের অংশ শ্রীগরুড় মহাবলী।
লীলায় বহেন কৃষ্ণ হই কুতূহলী।।
কি ব্রহ্মা,কি শিব,কি সনকাদি কুমার।
ব্যাস, শুক,নারদাদি *ভক্ত* নাম যার।।
সভার পূজিত শ্রী অনন্ত মহাশয়।
সহস্র বদন প্রভু ভক্তিরসময়।।
*আদিদেব মহাযোগী ঈশ্বর বৈষ্ণব। মহিমার অন্ত ইহার না জানয়ে সব।।*
*চৈতন্যকথার আদি অন্ত নাহি জানি। যে-তে-মতে চৈতন্যের যশ সে বাখানি।।*
*সর্ব ভক্তের পদরেণু মস্তকভূষণ। তোমরা এ অমৃত পিলে সফল হয় শ্রম।।*
ক্রমশ ...(৩৩)
*অতি গূঢ় নিত্যানন্দ।*
*বলরামের রাসযাত্রা।*
সহস্র-বদন বন্দোঁ প্রভু বলরাম।
যাঁহার সহস্র-মুখে কৃষ্ণ-যশোধাম।।
*মহারত্ন থুই যেন মহা-প্রিয়-স্থানে। যশোরত্ন ভাণ্ডার শ্রীঅনন্ত-বদনে।।*
অতএব আগে বলরামের স্তবন।
করিলে সে মুখে স্ফূরে চৈতন্য কীর্তন।।
সহস্রেক-ফনাধর প্রভু বলরাম।
যতেক করয়ে প্রভু সকল উদ্দাম।।
হলধর মহাপ্রভু প্রকাণ্ড শরীর।
চৈতন্যচন্দ্রের রসে মত্ত মহাধীর।।
ততোধিক চৈতন্যের প্রিয় নাহি আর।
নিরবধি সেই দেহে করেন বিহার।।
তাহান চরিত্র যেই জনে শুনে গায়।
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য তারে পরম সহায়।।
মহাপ্রীত হয় তারে মহেশ পার্বতী।
জিহ্বায় স্ফূরয়ে তার শুদ্ধা সরস্বতী।।
পার্বতী প্রভৃতি নবার্বুদ নারী লইয়া।
সঙ্কর্ষণ পূজে শিব উপাসক হইয়া।।
*"সপ্তদ্বীপা বসুন্ধরা"* বলা হয়।
পৃথিবীর সাতটি দ্বীপ যথা- জম্বু,প্লক্ষ,শাল্মলি,কুশ,ক্রৌঞ্চ, শাক ও পুষ্কর।
সাত সমুদ্র-ক্ষারোদ,
ইক্ষুরসোদ,
সুরোদ,
ঘৃতোদ,
ক্ষীরোদ,
দধিমণ্ডোদ,
শুদ্ধোদ সপ্তজলধয়ঃ।
এক একটি দ্বীপকে ঘিরে এক একটি সমুদ্র।
জম্বুদ্বীপে আবার নয়টি বর্ষ-
১।ইলাবৃত বর্ষে বৈষ্ণবপ্রবর শম্ভু অর্বুদসহস্র অনুচরী ও পার্বতী সহ শ্রীহরির সঙ্কর্ষণ মূর্তির উপাসনা করেন।
*"ওঁ নমো ভগবতে মহাপুরুষায় সর্বগুনসংখ্যানায়ানন্তায়াব্যক্তায়নমঃ"*
ঐশ্বর্যশালী ভব এই মন্ত্রে শ্রীসঙ্কর্ষণকে স্তব করিয়া থাকেন।আমি সেই মহাপুরুষ ভগবানকে নমস্কার করি। তিনি সর্ব গুণের প্রকাশক কিন্তু স্বয়ং অপ্রমেয় ও অনন্ত। "হে হরি! তুমি তোমার ভক্তদেরই সংসার পাশ মোচন এবং অভক্তদের সদা সংসারসংঘটন কর। তোমার কৃপা ব্যতীত কেহ কোনও উপায়ে মায়া মুক্ত হইতে পারে না।
পূজান্তে দেবী পার্বতী ঢোলক বাজান ও সঙ্কর্ষন ভগবানকে প্রসন্ন করার জন্য মহাদেব তাণ্ডব নৃত্য করেন।।
*ইলাবৃতে তু ভগবান্ ভব এক এব পুমান্,নহ্যন্যস্তত্রাপরো নির্বিশতি ভবান্যাঃ শাপনিমিত্তজ্ঞঃ।যৎপ্রবেষ্টুঃস্ত্রীভাবস্তৎপশ্চাদ্ বক্ষ্যামঃ।*
(ভা.৫/১৭/১৫)।
এই বর্ষে পুরুষ প্রবেশ মাত্র স্ত্রীত্ব প্রাপ্ত হয়।পার্বতীর অভিশাপ আছে।এ প্রসঙ্গ পরে ভাগবত নবম স্কন্ধে বিশদভাবে বর্ণিত হবে।
(पार्वती के खंडों में सवै जुवती होई जाहि।
हमको एति कठिन कहां श्रीवृंदावन माही।।)
২। ভদ্রাশ্ববর্ষের অধিপতি ভদ্রশ্রবা ভগবানের হয়গ্ৰীব মূর্তির উপাসনা করেন।
৩। হরিবর্ষে ভগবান নৃসিংহদেব অবস্থান করিতেছেন। ভক্ত প্রহ্লাদ তাহার সেবা-পূজাদি করেন।
৪। কেতুমাল বর্ষে ভগবান কামদেব মূর্তিতে বিরাজমান। শ্রীলক্ষ্মীদেবী পরম-ভক্তিভরে পূজা-অর্চনাদি করিয়া থাকেন।
৫। রম্যক বর্ষে মনু মৎস্য দেবের উপাসনা করিয়া থাকেন।
৬। হিরণ্ময় বর্ষে ভগবান কূর্ম্ম মূর্ত্তিতে বিরাজমান।
৭। উত্তরকুরু বর্ষে শ্রীবরাহদেব কুরুখন্ড বাসীগনের উপাস্যরূপে অবস্থান করিতেছেন।
৮। কিম্পুরুষ বর্ষে লক্ষণাগ্রজ সীতাপতি ভগবান শ্রীরামচন্দ্রের শ্রীচরণসান্নিধ্যে নিবিষ্টচিত্তে উপবিষ্ট হইয়া পরম ভাগবত শ্রীহনুমান অপ্রতিহত ভক্তিসহকারে কিম্পুরুষ বর্ষবাসীগণের সহিত তাঁহার উপাসনা করিতেছেন।
৯। ভারতবর্ষের অধিপতি ভগবান নর-নারায়ন, দেবর্ষি নারদ ভারতবর্ষীয় প্রজাগণের সহিত পরমপুরুষ ভগবানের উপাসনা করিতেছেন।
ভারতবর্ষই কর্মক্ষেত্র,অন্য আট বর্ষ স্বর্গসুখভোগীদিগের ভোগস্থান। স্বর্গ থেকে ফেরৎ জীব এই সমস্ত বর্ষে বাস করে।নয়টি বর্ষে শ্রীহরি নানা রূপে বিরাজমান থাকিয়া পূজিত হইতেছেন।
পঞ্চম স্কন্ধের এই ভাগবত কথা।
সর্ব বৈষ্ণবের বন্দ্য বলরাম গাঁথা।।
তান রাসক্রীড়া কথা পরম উদার।
বৃন্দাবনে গোপীসনে করিলা বিহার।।
*দুইমাস বসন্ত-মাধব-মধু নামে।হলায়ুধ-রাসক্রীড়া কহয়ে পুরানে।।*
সে সকল কথা এই শুন ভাগবতে।
শ্রীশুক কহেন শুনে রাজা পরীক্ষিতে।।
(ভা.১০/৬৫/১৭-১৮-২১-২২.)
অনুবাদ-ভগবান বলরাম, নিশাকালে গোপীগণের রতি সম্পাদন করিতে করিতে, সেই শ্রীবৃন্দাবনে চৈত্র ও বৈশাখ দুই মাস অবস্থান করিলেন।।
পূর্ণচন্দ্রের কিরণজালে পরিমার্জিত হইয়া যাহার স্বতঃসিদ্ধ শোভা সমধিক উজ্জ্বল হইয়া উঠিয়াছে আর যেখানে সমিরণ কুমুদ কুসুমের গন্ধ গ্রহণ করিয়া ধীরে ধীরে সঞ্চরন করিতেছে,__ তিনি সেই যমুনার উপবনে রমণীমণ্ডলে পরিবৃত হইয়া রমণ করিতে লাগিলেন।।
গন্ধর্বগণ-সংস্তুত বলরাম, হস্তিনী-যুথপতি ইন্দ্রহস্তী ঐরাবতের মত অনুরাগবতী বনিতাপরিশোভিত মন্ডলে রমণে প্রবৃত্ত হইলেন।।
আকাশে দুন্দুভি-নিনাদ হইতে লাগিল। গন্ধর্ববৃন্দ সানন্দে পুষ্প-পুঞ্জ বর্ষণ করিতে লাগিলেন, আর মুনিগণ তৎকালে সেই বলরামের বিক্রম বৃত্তান্ত উল্লেখ করিয়া স্তব আরম্ভ করিলেন।।
যে স্ত্রীসঙ্গ মুনিগণে করেন নিন্দন।
তানাও রামের রাসে করেন স্তবন।।
*যার রাসে দেবে আসি পুষ্পবৃষ্টি করে।দেবে জানে এক তত্ত্ব কৃষ্ণ হলধরে।।*
*চারি বেদে গুপ্ত বলরামের চরিত।আমি কি বলিব সব পুরানে বিদিত।।*
মূর্খ দোষে কেহ কেহ না দেখি পুরান। বলরাম রাসক্রীড়া করে অপ্রমাণ।।
*এক ঠাঁই দুই ভাই গোপিকা সমাজে।করিলেন রাসক্রীড়া বৃন্দাবন মাঝে।।*
(ভা.১০/৩৪/২০-২৩.)
অনুবাদ- শঙ্খচূড় বধ বর্ণনা প্রসঙ্গে বলা হইতেছে যে,কোন সময়ে রজনীযোগে অলৌকিক প্রভাবসম্পন্ন শ্রীকৃষ্ণ ও বলরাম ব্রজনারীগণের মধ্যবর্তী হইয়া ব্রজসন্নিহিত কাননের অভ্যন্তরে বিহার করিয়াছিলেন।
তাহাদের উভয়েরই দেহ চন্দনচর্চিত ও বিবিধ ভূষণে বিভূষিত,গলদেশে মাল্য ও পরিধানে সুনির্মল বস্ত্র। তাহারা দেখিলেন, আজিকার সন্ধা অতি সুন্দর।সান্ধ্য গগনে তারাপতি ও তারকামালার উদয় হইয়াছে,অলিকুল মল্লিকার মধুগন্ধে মত্ত হইয়া ইতস্ততঃ পরিভ্রমণ করিতেছে, আর গন্ধবহ কুমুদের গন্ধ লইয়া মন্দ মন্দ সঞ্চরণ করিতেছে। তাহারা সেই প্রদোষ কালের সংবর্ধনা না করিয়া থাকিতে পারিলেন না। তাহাদের প্রেয়সীবৃন্দ তাহাদিগকে লক্ষ্য করিয়া তাল-লয়-বিশুদ্ধ মনোহর সংগীতালাপে প্রবৃত্ত হইলেন; তাহারাও উভয়ে মিলিত হইয়া সকলের মনোমদ ও শ্রুতিসুখাবহ স্বরগ্ৰামের মূর্চ্ছনা- সহকারে সংগীত আলাপ করিতে লাগিলেন।।
ভাগবত শুনি যার রামে নহে প্রীত।
বিষ্ণু-বৈষ্ণবের পথে সে জন বর্জিত।।
*ভাগবত যে না মানে, সে যবন সম।তার শাস্তা আছে জন্মেজন্মে প্রভু যম।।*
এবে কেহ কেহ নপুংসক-বেশে নাচে। বোলে "বলরাম-রাস কোন্ শাস্ত্রে আছে?
কোনো পাপী শাস্ত্র দেখিলেও নাহি মানে। এক অর্থ, অন্য অর্থ করিয়া বাখানে।।
চৈতন্যচন্দ্রের প্রিয় বিগ্রহ বলাই।
তান-স্থানে অপরাধে মরে সর্ব ঠাঁই।।
মূর্তিভেদে আপনে হয়েন প্রভুদাস।
সে সব লক্ষণ অবতারে পরকাশ।।
*সখা, ভাই,ব্যজন,শয়ন, আবাহন।গৃহ,ছত্র, বস্ত্র, যত ভূষন আসন।।*
আপনে সকল রূপে সেবেন আপনে।
যারে অনুগ্রহ করে, পায় সেই জনে।।
শ্রীযামুনমুনি বিরচিত স্তোত্ররত্নে (৪৩)।__
**"নিবাস- শয্যাসন- পাদুকাংশুকো-
পধান-বর্ষাতপবারণাদিভিঃ। শরীরভেদৈস্তব শেষতাংগতৈ-
র্যথোচিতং শেষ ইতীর্যতে জনৈঃ ।।**
অনুবাদঃ হে ভগবন্ বিষ্ণো! তুমি লক্ষ্মীদেবীর সহিত যে অনন্ত নাগের উপর বিরাজমান রহিয়াছ।সে অনন্ত কেমন? সাধারণ লোকের দ্বারা তিনি যে 'শেষ' বলে আখ্যায়িত হন,তাহা উপযুক্তই বটে। কেননা তিনি তোমার নিবাস(আধার, বাসস্থান)শয্যা,আসন,পাদুকা,অংশুক(বস্ত্র), উপাধান(বালিশ) ও বর্ষাতপ বারণ(ছত্র) প্রভৃতি সেবার উপকরণগুলি আপনি শরীর-ভেদে পরিগ্ৰহ করিয়া থাকেন। তা-ও 'শেষতা পাইয়া' অর্থাৎ কোন প্রকার প্রত্যুপকারের প্রত্যাশা না রাখিয়া,__ মাত্র তোমার যাহাতে সুখ হয়, তাহা অভিলাষ করিয়া।
অনন্তের অংশ শ্রীগরুড় মহাবলী।
লীলায় বহেন কৃষ্ণ হই কুতূহলী।।
কি ব্রহ্মা,কি শিব,কি সনকাদি কুমার।
ব্যাস, শুক,নারদাদি *ভক্ত* নাম যার।।
সভার পূজিত শ্রী অনন্ত মহাশয়।
সহস্র বদন প্রভু ভক্তিরসময়।।
*আদিদেব মহাযোগী ঈশ্বর বৈষ্ণব। মহিমার অন্ত ইহার না জানয়ে সব।।*
*চৈতন্যকথার আদি অন্ত নাহি জানি। যে-তে-মতে চৈতন্যের যশ সে বাখানি।।*
*সর্ব ভক্তের পদরেণু মস্তকভূষণ। তোমরা এ অমৃত পিলে সফল হয় শ্রম।।*
ক্রমশ ...
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ।
FACEBOOK LINK 👉 https://www.facebook.com/profile.php?id=100023723408003
DEMOCRATIC NITYANANDA (Facebook Group) 👉 https://www.facebook.com/groups/1370545549769377/?ref=share
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧














