শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

৬৯. অগ্রদ্বীপের গোবিন্দ ঘোষ কাহিনী 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/madhukori69.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 ꧂❀•* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৬৯)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
*অগ্রদ্বীপের গোবিন্দ ঘোষ কাহিনী*
🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷
*🍀শ্রীমন্মহাপ্রভু যখন শ্রীধাম নীলাচল হতে বৃন্দাবন যাত্রা  করেন তখন গোবিন্দ ঘোষ নামক একজন তাঁর সঙ্গী ছিলেন।এই গোবিন্দ ঘোষ কিন্তু তাঁর অঙ্গসেবক গোবিন্দ না, তিনি হচ্ছেন প্রসিদ্ধ পদকর্তা শ্রীবাসুদেব ঘোষের ভাই গোবিন্দ ঘোষ।সুস্পষ্টভাবে বুঝা যাবে শ্রীপাদ কৃষ্ণদাস গোস্বামীর এক পদাবলীর মাধ‍্যমে, যথা=*
*🌷গোবিন্দ মাধব বাসুদেব তিন ভাই।*
*🌷যা সবার কীর্তনে নাচে চৈতন‍্য গোঁসাই।।*
*🌹পথিমধ‍্যে আহারান্তে একদিন মহাপ্রভু গোবিন্দের কাছে একটু মুখশুদ্ধি হরিতকি চাহেন এবং গোবিন্দ তখুনি কাছের গ্রাম হতে তা সংগ্রহ করে মহাপ্রভুকে সমর্পণ করেন।সেইদিন কিন্তু গোবিন্দ একটি নয় বেশ কয়েকটি হরিতকি ভিক্ষা করেছিলেন এই ভেবেই যে যদি আগামীদিন মহাপ্রভু মুখশুদ্ধি চাহেন তবে যেন সঙ্গে সঙ্গে দিতে পারি এই চিন্তা করে। পরিদিনও মহাপ্রভু মুখশুদ্ধি চাহিলে গোবিন্দ সঙ্গে সঙ্গে মহাপ্রভুকে সমর্পণ করেন, মহাপ্রভুকে প্রদান করলে মহাপ্রভু বেশ বুঝতে পারলেন যে নিশ্চিত এটি পূর্বদিনের সঞ্চিত এবং মহাপ্রভু তাতে খুব অসুস্থ বোধ করলেন কারণ বৈষ্ণব জগতে সঞ্চয় শাস্ত্র বিরুদ্ধ।মহাপ্রভু তখন গোবিন্দকে উপলক্ষ্য করে বললেন "গোবিন্দ" তোমার সঞ্চয়বুদ্ধি এখনও যায়নি, অতএব তোমাকে আমার সঙ্গ পরিত‍্যাগ করতে হবে এবং তুমি এই অগ্রদ্বীপে থেকে গোপীনাথ সেবা প্রকাশ করো।গোবিন্দ মহাপ্রভুর এই আদেশে বিচলিত হলেন এবং অনেক অনুনয় বিনয় করে কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা ভিক্ষা করলেন কিন্তু মহাপ্রভু তাঁর সঙ্কল্পে অনড়।আপাত দৃষ্টিতে মনে হয় মহাপ্রভুর এই আচরণ যেন বড়ই কঠোর কিন্তু মহাপুরুষগণের সর্বকর্মের মধ্যেই একটা না একটা মহত বা গূঢ় রহস‍্য লুকিয়ে থাকে, তা গোবিন্দ ঘোষের পরবর্তী জীবন পর্য‍্যালোচনা করলেই বুঝা যাবে।(এই প্রসঙ্গে বলতে চাই যে গৌরলীলার বেদব‍্যাস শ্রীপাদ বৃন্দাবন দাস ঠাকুরের জীবনী প্রসঙ্গেও দেখা যায় যে অনুরূপ একটি হরিতকি প্রদানের জন্য নিত‍্যানন্দ প্রভুও তাঁকে দেনুড়ে পরিত‍্যাগ করেন যার ফলে তাঁর ভক্তিময় জীবনের পরিপূর্ণ বিকাশ সাধিত হয় এবং গোবিন্দ ঘোষের জীবনেও অনুরূপ ঘটনার সন্নিবেশ দেখা যায় )।*
*এইভাবে গোবিন্দ মহাপ্রভুর কাছ হতে দূরে সরে গেলেন এবং মনের দুঃখ মনে রেখে দিনযাপন করতে লাগলেন।অবশেষে একদিন গঙ্গাস্নান করবার সময়ে একটি ভারী জিনিস তাঁর পিঠে এসে ঠেকিল, গোবিন্দ তা সরিয়ে দিলেন, স্নান সমাপণান্তে নিজ গৃহে চলে আসিলেন।পরদিনেও অনুরূপ ভাবেসেই ভারী জিনিসটি গঙ্গাস্নান সময়ে তাঁর কাছে ভেসে আসিল এবং দৈববাণীর মাধ‍্যমে আজ্ঞাপ্রাপ্ত হলেন সেই কাষ্ঠখানি সযত্নে গৃহে নিয়ে আসবার জন্য। অতঃপর মহাপ্রভু তাঁকে স্বপ্নের মাধ‍্যমে আদেশ করেন যে, গোবিন্দ! তুমি এই দারুব্রহ্ম হতে গোপীনাথ সেবা প্রকাশ করো, তোমার সর্ব বাসনা সিদ্ধ হবে।তারপর তিনি কোন ভাস্কর দ্বারা গোপীনাথ বিগ্রহ প্রকাশ করেন এবং সেই গোপীনাথ সেবায় নিজের দেহমন সমর্পণ করেন। এটিই হল শ্রীবিগ্রহ প্রকাশের আদি কথা। এই প্রসঙ্গে জানা দরকার যে মহাপ্রভু কর্তৃক পরিত‍্যক্ত হয়ে গোবিন্দ বিয়ে করে সংসারী জীবন যাপন করেন এবং ক্রমে তাঁর একটি পুত্রসন্তান জন্মগ্রহণ করে।মহাপ্রভুর আদেশ অনুযায়ী গোবিন্দ সংসারী জীবনযাপন করলেও মনের ষোলআনা আর্তি নিয়ে গোপীনাথের সেবা করে যেতে লাগলেন। কিন্তু হঠাৎ এই নাবালক শিশু সন্তানটিকে রেখে গোবিন্দের পত্নী ইহলোক ত‍্যাগ করলেন।শোকে দুঃখে গোবিন্দ একেবারে ভেঙ্গে পড়লেন কিন্তু তথাপি নাবালক সন্তানের মুখপানে চেয়ে আত্মসম্বরণ করতে বাধ‍্য হলেন এবং পুনরায় গোপীনাথকে বাৎসল‍্য সেবার মাধ‍্যমে সেবাপূজা করে যেতে লাগলেন। কিন্তু অদৃষ্টের এমনই নির্মম পরিহাস যে কিছুদিনের মধ্যেই তাঁর নিজের সন্তানটিও চিরবিদায় নিল।শোকে দুঃখে গোবিন্দ একেবারেই ভেঙ্গে পড়লেন।আপাত দৃষ্টিতে মনে হয় এমন যে ভক্ত,গোপীনাথ তাঁর উপর এত বিরূপ কেন? গোবিন্দের পরবর্তী জীবন পর্য‍্যালোচনা করলে দেখা যাবে যে সত‍্যই এমন হওয়ারই প্রয়োজন ছিল, কারণ এই সন্তান বিয়োগের মাধ‍্যম‍েই তাঁর কৃষ্ণপ্রাপ্তি হয়েছিল।*
*🌹সন্তান বিয়োগের পর গোবিন্দ একেবারে পাগলের মত হয়ে পড়লেন এবং মনের দুঃখে আহার নিদ্রা পর্যন্ত ত‍্যাগ করলেন এবং এমনকি গোপীনাথজীর সেবাও তিনি পরিত‍্যাগ করলেন।ভোগ সেবা সব বন্ধ হয়ে গেল, গোপীনাথজী অনাহারে দিন কাটাতে লাগলেন, গোবিন্দও গোপীনাথজীর উপর অভিমান করে অনাহারে দিন যাপন করতে লাগলেন।দিনের পর দিন এইভাবে চলতে লাগল, অবশেষে অভুক্ত গোপীনাথজীর কৃপাদৃষ্টি তাঁর উপর পড়িল। তিনি স্বপ্নে দর্শন দিয়ে বললেন--, গোবিন্দ! আমি যে অনাহারে আর থাকতে পারছি না, আমি ক্ষুধার জ্বালায় বড়ই কষ্ট পাচ্ছি, তাড়াতাড়ি আমায় কিছু খাবার দাও।গোবিন্দ তখন বললেন যে,আমি আর তোমার সেবা করব না। তুমি আমার পত্নীকে কেড়ে নিলে, একটি মাত্র পুত্রসন্তানটিকেও কেড়ে নিলে? আমার তোমার প্রতি কোন করুণা নাই, এমনকি পরকালে আমার আত্মার সদগতি পর্যন্ত হবে না কারণ আমি পুত্রহারা। তোমার সেবা করার যথেষ্ট পুরস্কার আমি পেয়েছি, আমি আর তোমার সেবাপূজা করব না।*
😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭
*কুব্জার বাসনা হরি,অন্তরে বুঝিতে পারি,*
   *তার প্রতি তবে তিনি কৃপান্বিত হন।*
*রাম আর সখা হবে,উপনীত রহে যবে,*
   *কুব্জারে তখন কন করি সম্বোধন।।*
*এইবার কহি যাহা,ধীর চিত্তে শোন তাহা,*
   *তোমার নিকটে আমি না যাব এখন।*
*দুঃখ না রাখি অন্তরে,যাও তুমি ঘরে ফিরে,*
   *পশ্চাতে তোমার গৃহে করিব গমন।।*
*অগ্রে কংসে বধি প্রাণে,রক্ষা করি মিত্রগণে,*
   *অবশ‍্য বাসনা তব করিব পূরণ।*
*জেনো আমার বচন,নহে অলীক কখন,*
   *হৃষ্ট মনে কর তুমি স্বগৃহে গমন*।।
🔴🔵🌑🔴🔵🌑⚪🔷🔶🔴🔵🔶⚪
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






শ্রীশ্রীশ্যামানন্দ প্রভু 🙏 শ্রীমৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/shyamananda.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••━❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀━┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀━┅••••* 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
     ꧁ 👇📖 সূচীপত্র 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী 📖👇
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
শ্যামানন্দ প্রভু – সদ্‌গোপকুলোদ্ভূত। “দুঃখী বা দুঃখিনী" ও ‘কৃষ্ণদাস” ইহার পূর্ব নাম । তাই এনাকে কেহ কেহ দুঃখী কৃষ্ণদাস নামেও সম্বোধন করে থাকেন। পরবর্তী সময়ে শ্রীধাম বৃন্দাবনে শ্রীজীব গোস্বামী প্রভু কর্ত্তৃক ইঁহার নাম হয় “শ্রীশ্রীশ্যামানন্দ”।

দণ্ডেশ্বর গ্রামে বাস সর্বাংশে প্রবল।
মাতা— শ্রীদুরিকা, পিতা — শ্রীকৃষ্ণ মণ্ডল ।।
সদ্‌গোপ কুলেতে শ্রেষ্ঠ অতিসুচরিত।
ধারেন্দাবাহাদুরপুরেতে পূর্ব্বে স্থিত।।
(ভক্তি ১/৩৫১–৫২)
পুত্ৰ কন্যা গত হৈলে হৈল শ্যামানন্দ।
মাতা পিতা দুঃখ সহ পালন করিল।
এই হেতু ‘দুঃখী’ নাম প্রথম হইল।। (ঐ ৩৫৯)
শ্যামসুন্দরের মহা আনন্দ জন্মাইল ৷
“শ্যামানন্দ” নাম পুন বৃন্দাবনে হইল।। (ঐ ৪০১)
রাধা শ্যামসুন্দরের সুখ জন্মাইল।
জানিয়া শ্রীজীব শ্যামানন্দ নাম থুইল।।
(ভক্তি ৬/৫২)

ইনি শ্রীহৃদয়চৈতন্যের শিষ্য। ১৪৫৬ শকে ইঁহার জন্ম। “শ্যামানন্দপ্রকাশ’, ‘অভিরাম-লীলামৃত’’, ‘প্রেমবিলাস’, ‘ভক্তিরত্নাকর’ প্রভৃতি গ্রন্থে ইঁহার জীবনী আছে। শ্যামানন্দের পিতা পূর্বে গৌড়ে বাস করিতেন, তথা হইতে উৎকলে দণ্ডেশ্বরের অন্তর্গত ‘ধারেন্দা-বাহাদুরপুরে’ বাস করেন। শ্যামানন্দের আরও ভ্রাতাভগ্নী ছিলেন। তাঁহারা পূর্বেই স্বধাম গমন করেন। পিতামাতা শ্যামানন্দকে সুশিক্ষা দিয়াছিলেন। বৈষ্ণব-শাস্ত্রে শ্যামানন্দ প্রভু “শ্রীঅদ্বৈত আচার্য্যের প্রকাশ” বলিয়া উক্ত আছেন ৷
শ্যামানন্দ প্রভু বাল্যকাল হইতেই ধর্মানুরাগী ছিলেন। ২০ বৎসর বয়ঃক্রমকালে তীর্থ-ভ্রমণে বহির্গত হন এবং অম্বিকানগরে আসিয়া শ্রীগৌরীদাস পণ্ডিতের স্থাপিত
শ্রীশ্রীগৌরাঙ্গ নিত্যানন্দ বিগ্রহ দর্শন করিয়া প্রেমে বিগলিত হন। শ্রীশ্রীগৌরীদাস পণ্ডিতের শিষ্য শ্রীহৃদয়চৈতন্য ইহার বিশুদ্ধ ভাবদর্শনে মোহিত হইয়া দীক্ষা প্রদান করেন।
শ্যামানন্দ প্রথমতঃ গৌড়মণ্ডল দর্শন করিয়া পরে ভারতবর্ষের যাবতীয় তীর্থ ভ্রমণ করেন ও পরে শ্রীবৃন্দাবনে শ্রীজীব গোস্বামিপাদের আশ্রয়ে ভক্তিশাস্ত্র অধ্যয়ন এবং সাধন ভজন করিতে থাকেন। একদা শ্যামানন্দ প্রভু শ্রীবৃন্দাবনে শ্রীরাসমণ্ডল পরিস্কার করিতে করিতে শ্রীমতী রাধিকার শ্রীচরণের নূপুর প্রাপ্ত হয় এবং শ্রীমতি রাধিকার কৃপা প্রাপ্তি হইয়া স্বীয় ললাটে স্পর্শ করাইতে নূপুরাকৃতি তিলক হয়; এই কারণে শ্যামানন্দ পরিবারগণ তিলক মধ্যে নূপুরের চিহ্ন ধারণ করেন। ৫০৪ শকে শ্রীশ্যামানন্দ, শ্রীনরোত্তম ঠাকুর ও শ্রীনিবাস আচার্য্য তিনজনে শ্রীবৃন্দাবন হইতে গ্রন্থ লইয়া গৌড়ে আগমন করেন। শেষ জীবনে শ্যামানন্দ প্রভু উৎকল দেশের ‘নৃসিংহপুর গ্রামে অবস্থিতি করিয়া বৈষ্ণবধর্ম্ম প্রচার করিয়াছিলেন। ইনি বহু যবনকে শিষ্য করিয়াছিলেন। শ্যামানন্দ প্রভুর অসংখ্য শিষ্যের মধ্যে রসিক মুরারিই প্রধান। শ্রীশ্যামানন্দ গোপীবল্লভপুরে শ্রীগোবিন্দ বিগ্রহ প্রতিষ্ঠিত করেন।

শিষ্যগণের মধ্যে----
শ্যামানন্দ শিষ্য করিলেন স্থানে স্থানে।
রাধানন্দ, শ্রীপুরুষোত্তম, মনোহর।
চিন্তামণি, বলভদ্র, শ্রীজগদীশ্বর।।
উদ্ধব, অক্রুর, মধুবন, শ্রীগোবিন্দ ৷
জগন্নাথ, গদাধর, শ্রীআনন্দানন্দ।।
শ্রীরাধামোহন-আদি শিষ্যগণ-সঙ্গে।
সদা ভাসে সংকীর্ত্তন সুখের তরঙ্গে।।
(ভক্তি ১৫/৬৩-৬৫)




  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

৬৮. অম্বিকা কালনার নিতাই গৌর 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/madhukori68.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 ꧂❀•* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৬৮)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
   *অম্বিকা কালনার নিতাই গৌর*
    ^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
*🔷এইভাবে পুনরাবৃত্তির পর শ্রীমন্মহাপ্রভু বললেন যে পন্ডিত তুমি যাঁদেরই রাখতে চাইবে তাঁরাই অচল হবেন এবং অপর দুইজন সচল হয়ে চলে যাবেন।কারণ শ্রীবিগ্রহ এবং আমরা উভয়েই একই স্বরূপ, তুমি যাঁকেই রেখে পূজাসেবা করো না কেন তুমি নিশ্চিত জানবে যে আমরা সদাসর্বদা তোমার কাছে আছি এবং থাকব। এইভাবে ভক্ত প্রেমে বাঁধা পড়ে সাক্ষাৎ নিতাইগৌর বিগ্রহে স্বরূপে সেখানে স্থিতি হলেন এবং গৌরীদাস পন্ডিত আজীবন এই বিগ্রহ সেবা করে গিয়েছেন। অদ‍্যাপি অম্বিকা কালনায় এই বিগ্রহ দুইটি বিদ‍্যমান।এই বিগ্রহের পেছনে যে বিরাট ও বিশাল ঐতিহ্য প্রচ্ছন্ন রয়েছে তা জনমানসে প্রচার হলে ভক্ত সমাগম নিশ্চিত বেশী হবে এবং আশাকরি মহাপ্রভুর এই পাঁচশ বৎসর আবির্ভাব তিথিতে এই গ্রন্থখানি গৌরভক্তগণ যদি পাঠ করেন তাহলে মহাপ্রভুর মহিমা এবং অবতারতত্ত্ব সম্বন্ধে নিঃসন্দেহ হবেন।*
*🌹গৌরীদাস পন্ডিত ছিলেন নিত‍্যানন্দ প্রভুর শ্বশুর মহাশয় শ্রীসূর্য‍্যদাস সরখেল (পন্ডিতের) ভাই।কথিত আছে এই বিগ্রহের ফটো তুলতে যাবার কালে কোন এক সেবক মারা যান সেইজন‍্য ফটো তোলা নিষিদ্ধ।এই মন্দিরের আবার ঝাঁকি দর্শন প্রথা প্রচলিত আছে কারণ যদি প্রভুদ্বয় বাইরে চলে যান এই ভয়। যেমনটি আছে বৃন্দাবনে বঙ্কুবিহারীর মন্দিরে।গৌরভক্তগণের কাছে লেখকের সনির্ব্বন্ধ অনুরোধ তাঁরা যেন যথাসাধ‍্য ভিক্ষার মাধ‍্যমে বৈষ্ণব জগতের এই ঐতিহ্যময় পীঠস্থানটির মুখোজ্জ্বল করেন।*
*এই প্রসঙ্গে জানা যায় যে মহাপ্রভু যখন এই অম্বিকা কালনায় শুভাগমন করেন তখন তিনি স্বয়ং নৌকা বেয়ে এসেছিলেন এবং যখন পরমভাগবদ্ গৌরীদাস পন্ডিতের গৃহে পদার্পণ করেন তখন তিনি সেই নৌকার বৈঠাখানি এনে গৌরীদাস পন্ডিতের হাতে সমর্পণ করেন।গৌরীদাস এর কারণ জিজ্ঞাসা করলে মহাপ্রভু বলেছিলেন যে=*
*"গৌরীদাস এই বৈঠাখানি তোমাকে দিলাম,তুমি এর দ্বারা কলির জীবকে ভবনদী পার হবার জন্য সহায়তা করবে।বৈষ্ণব জগতে গুরু পরম্পরায় যে রীতি দেখা যায় অর্থ‍্যাৎ শিষ‍্য প্রশিষ‍্য ইত‍্যাদি সেই হিসাবে শিষ‍্যের ক্রম অনুসারে মনে হয় গৌরীদাস পন্ডিতই সর্বশ্রেষ্ঠ কারণ তাঁর স্বনামধন‍্য শিষ্য হচ্ছেন হৃদয়চৈতন‍্য, তাঁর শিষ‍্য শ‍্যামানন্দ, তাঁর শিষ্য হচ্ছেন রসিকানন্দ এবং প্রত‍্যেকেই বৈষ্ণব জগতের এক একজন দিকপাল।এইরকম শক্তিধর চারজন শিষ্য পরম্পরা মহাপ্রভুগণের মধ্যে একরকম দেখাই যায় না। গৌরীদাস পন্ডিতের গৃহে এই যে লীলারঙ্গ হয়েছিল তা কৃষ্ণদাস নামক একজন প্রসিদ্ধ পদকর্তা একটি সুন্দর পয়ারের মাধ‍্যমে প্রকাশ করেছেন, আস্বাদন করুন।*
*ঠাকুর পন্ডিতের বাড়ী,গোযা নাচে ফিরি ফিরি,*
     *নিত‍্যানন্দ বলে হরি হরি।*
*কাঁদি গৌরীদাস বলে,পড়ি প্রভুর পদতলে,*
    *কভু না ছাড়িবে মোর বাড়ী।।*
*আমার বচন রাখ,অম্বিকা নগরে থাক,*
      *এই নিবেদন তুয়া পায়।*
*যদি ছাড়ি যাবে তুমি,নিশ্চয় মরিব আমি,*
      *রহিব সে নিরখিয়া কায়।।*
*তোমরা যে দুটি ভাই,থাক মোর এই ঠাঁই,*
        *তবে সবার হয় পরিত্রাণ।*
*পুনঃ নিবেদন করি,না ছাড়িও গৌরহরি,*
       *তবে জানি পতিত পাবন।।*
*প্রভু কহে গৌরীদাস,ছাড়হ এমন আশ,*
      *প্রতিমূর্তি সেবা করি দেখ।*
*তাহাতে আছয়ে আমি,নিশ্চয় জানিহ তুমি,*
     *সত‍্য মোর এই বাক‍্য রাখ।।*
*এত শুনি গৌরীদাস,ছাড়ি তবে দীর্ঘশ্বাস,*
     *ফুকারি ফুকারি পুনঃ কান্দে।*
*পুনঃ সেই দুই ভাই,প্রবোধ করিলা তায়,*
     *তবু হিয়া থির নাহি বান্ধে।।*
*পুনঃ প্রভু কহে তাঁরে,তোর ইচ্ছা হয় যারে,*
     *সেই দুই রাখ নিজ ঘরে।*
*তোমার প্রতীতি লাগি,তব ঠাঁই খাব মাগি,*
      *সত‍্য সত‍্য জানিহ অন্তরে।।*
*শুনিয়া পন্ডিতরাজ, করিল রন্ধন কাজ,*
      *চারিজনে ভোজন করিলা।*
*পুষ্পমাল‍্য বস্ত্র দিয়া,তাম্বূলাদি সমর্পিয়া,*
      *সর্ব অঙ্গে চন্দন লেপিলা।।*
*নানা মনে পরতীত,করি ফিরাইল চিত,*
     *দোঁহারে রাখিল নিজ ঘরে।*
*পন্ডিতের প্রেম লাগি,দুই ভাই খায় মাগি,*
      *দোঁহে গেলা নীলাচল পুরে।।*
*পন্ডিত করয়ে সেবা,যখন যে ইচ্ছা যেবা,*
      *সেইমত করয়ে বিলাস।*
*হেন প্রভু গৌরীদাস,তাঁর পদ করি আশ,*
      *কহে দীন হীন কৃষ্ণদাস।।*
*🔵বিঃদ্রঃ=মহাপ্রভু সন্ন‍্যাস নিয়ে নীলাচলে গমন করবার পর যখন গৌড়দেশে এসেছিলেন তখনই তিনি এই লীলা প্রকাশ করেছিলেন, সন্ন‍্যাসের আগে নহে।*
⚪⚪⚪⚪⚪⚪⚪⚪⚪⚪⚪⚪⚪
*আকর্ষিয়া বস্ত্র তাঁর,কহে কুব্জা এইবার,*
   *পরশি তোমারে নাথ অন্তর চঞ্চল।*
*কহি শোন জনার্দন,তব রূপে মুগ্ধ মন,*
    *তোমারে ছাড়িলে হ'বে অন্তর বিকল।।*
*কৃপা করি রাখ হরি,তব পদে দাসী করি,*
    *এবে প্রভু কর মোর বাসনা পূরণ।*
*সত‍্য কহি তোমা বিনা,এ জীবন রহিবে না,*
   *তোমার সাক্ষাতে প্রাণ দিব বিসর্জন।।*
🔶🔶🔶🔶🔶🔶🔶🔶🔶🔶🔶🔶
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






৬৭. অম্বিকা কালনার নিতাই গৌর 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/madhukori67.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 ꧂❀•* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৬৭)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
  *অম্বিকা কালনার নিতাই গৌর*
  ^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
*⚪বর্তমানে কালনার ঠাকুর বাড়ীতে  যে নিতাই-গৌরাঙ্গ বিগ্রহ আমরা দেখতে পাই তার আদিকথা অতীব আশ্চর্য‍্যজনক।ভক্তপ্রেমে বাঁধা পড়ে প্রকট কালে দুই প্রভু যে কৃপা গৌরীদাস পন্ডিতকে করেছিলেন তার জ্বলন্ত নিদর্শন এই বিগ্রহদ্বয়। গৌরীদাস পন্ডিত ছিলেন গৌরাঙ্গগত প্রাণ এবং নিত‍্যানন্দ প্রভু ও গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর একনিষ্ঠ সেবক।একবার এই দুই প্রভু গৌরীদাস পন্ডিতের আর্ত্তিতে বিচলিত হয়ে তাঁকে দর্শনদান মানসে এই অম্বিকা কালনায় তাঁর গৃহে গমন করেন। কিন্তু তখনও পর্য‍্যন্ত তাঁর গৃহে কোন নিতাই গৌর বিগ্রহ প্রতিষ্ঠিত ছিলেন না। গৌরীদাস পন্ডিত তাঁর গৃহে দুই প্রভুকে পেয়ে আনন্দে আত্মহারা হয়ে গেলেন এবং মনের সাধ মিটিয়ে তাঁদের সেবা যত্ন করতে লাগলেন।অবশেষে বিদায়কালে গৌরীদাস ব‍্যাকুল প্রাণে কাঁদতে লাগলেন। বললেন যে তাঁদের বিরহ ব‍্যথা তিনি কিছুতেই সহ‍্য করতে পারবেন না, সেইজন‍্য তিনি তাঁদের বিদায় দিতেও পারবেন না।এমনকি তিনি বললেন যে তাঁদের অবর্তমানে অদর্শন জ্বালায় জর্জরিত হয়ে তিনি প্রাণে মারা যাবেন। কৃপার সাগল মহাপ্রভু এবং দয়ারসাগর নিতাইচাঁদ তখন গৌরীদাস পন্ডিতের আর্তিতে বিগলিত হয়ে গেলেন এবং বললেন যে তাঁদের থাকা তো কোন ভাবেই সম্ভব নয়, কারণ তাঁদের সামনে অনেক কাজ,সেইজন‍্য তিনি যেন নিতাই-গৌরাঙ্গ বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করে তাঁদের সেবা পূজা করে সঙ্গসুখ লাভ করেন।সেই আদেশ অনুযায়ী তাঁদের স্থিতিকালেই বা থাকাকালীনই গৌরীদাস নিতাই-গৌরাঙ্গের প্রমাণ দুই শ্রীবিগ্রহ নির্মাণ করালেন এবং তা শ্রীমন্দিরে প্রতিষ্ঠা করলেন।কৃপালু মহাপ্রভু তখন বিগ্রহ মহিমা প্রচার করবার জন্য এক লীলারঙ্গ প্রকাশ করলেন। বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা সম্পন্ন হলেও পন্ডিতের মনে আনন্দ নাই কারণ তিনি বেশ বুঝতে পেরেছেন যে এইবার দুই প্রভু নিশ্চিত বিদায় নিবেন। হঠাৎ মহাপ্রভু বললেন "গৌরীদাস!আমরা দুইজন সচল অবস্থায় আছি তোমার এই প্রতিষ্ঠিত বিগ্রহের পার্শ্বেই দাঁড়াচ্ছি এবং তুমি যাকে রাখতে চাও তাঁরাই তোমার কাছে থাকবেন, অবশিষ্ট দুইজন চলে যাবেন। অর্থ‍্যাৎ এই চার মূতির মধ্যে তুমি যাকে ইচ্ছা রাখতে পারো।*
*🔵অতঃপর দুই প্রভু সচল অবস্থায় শ্রীবিগ্রহের দুই পার্শ্বে সেই ভঙ্গিতেই দাঁড়িয়ে রইলেন এবং গৌরীদাস তখন কহিলেন তোমরা যারা আমার সঙ্গে কথা বলছো আমি তাঁদেরই রাখতে চাই।মহাপ্রভু তথাস্তু বললেন, সঙ্গে সঙ্গে প্রকট দুই প্রভু ক্ষণিকের মধ্যেই বিগ্রহ স্বরূপে রূপান্তরিত হলেন এবং দারু নির্মিত সদ‍্য প্রতিষ্ঠিত দুই প্রভু হাঁটতে হাঁটতে মন্দির হতে নিষ্ক্রান্ত (বহির্গত)হয়ে গেলেন এবং সচল দুই নিতাইগৌর দারু বিগ্রহ স্বরূপে স্থানুবৎ (শাখাপল্লবহীন বৃক্ষ বা খুঁটির মত)অচল হয়ে গেলেন।গৌরীদাস পন্ডিতের চোখের সামনে এই ঘটনা ঘটিল, তিনি বিস্ময়ে এবং পুলকে হতবাক্ হয়ে গেলেন এবং কেবল ভাবতে লাগলেন যে দারুবিগ্রহ কি ভাবে হেঁটে বাহির হয়ে যেতে পারেন! তিনি মোহগ্রস্ত ভাবে ব‍্যাকুল প্রাণে কাঁদতে লাগলেন কারণ তিনি মনে করলেন যে সচল দুই প্রভু নিশ্চয়ই চলে গেছেন। হঠাৎ তিনি বলে বসলেন হে প্রভু! আমি মনের দুঃখে ভুল প্রার্থনা জানিয়েছি কারণ যাঁরা নিষ্ক্রান্ত হয়ে গেছেন আমি তাঁদেরই চাই। এইরকম বললে সেই মূর্তিদ্বয় প্রত‍্যাবর্তন করলেন এবং আগের জায়গায় বিগ্রহ স্বরূপে দাঁড়িয়ে রইলেন।অবশিষ্ট মূর্তিদ্বয় তখন হাঁটতে হাঁটতে মন্দিরের বাইরে চলে গেলেন। এইভাবে গৌরীদাস পন্ডিতের ইচ্ছা অনুযায়ী একবার সচল নিতাইগৌর এবং একবার বিগ্রহরূপী নিতাইগৌর যাতায়াত করতে লাগলেন, পন্ডিত যেন বড় অসহায় বোধ করতে লাগলেন যে তিনি কাকে রাখবেন বা কাকে ছাড়বেন। নিতাইগৌরের এই লীলা সাক্ষাৎ দর্শনে ভাবাবেশে অঝোর নয়নে কাঁদতে লাগলেন এবং কিংকর্তব‍্য বিমূঢ় হয়ে গেলেন। ভগবানের লীলা বুঝা ভার, তিনি যে কখন কাকে কি ভাবে কৃপা করবেন তার কোন বিধিবদ্ধ নিয়ম নাই।এই কৃপা অযাচিতভাবেই ভক্তের উপর বর্ষিত হয় এবং তিনি তাতে স্নাত হয়ে পরমেশ্বরের ধ‍্যানজ্ঞানে নিজেকে নিমগ্ন রাখেন।(স্নাত=স্নান)।এ ক্ষেত্রেও সেইরকম দেখা যায়।মহাপ্রভু তাঁর পার্ষদগণকে নানাভাবে কৃপা করেছেন।এই প্রভুদ্বয় শ্রীখন্ডে গমন করে নরহরি ঠাকুরকে কৃপা করেছিলেন এবং সাধারণ পুষ্করিণীর জলকে মধুতে পরিণত করেছিলেন।এই মহাপ্রভুর কৃপাতেই অগ্রদ্বীপের গোপীনাথ বিগ্রহ ভক্তের নিষ্ঠায় প্রীত হয়ে অশৌচ পালন করেছিলেন।এইরকম ভুরি ভুরি দৃষ্টান্ত এই মাধুকরী গ্রন্থে পাওয়া যাবে।সেইরকম এ ক্ষেত্রে গৌরীদাস পন্ডিতকে যেভাবে কৃপা করেছিলেন তাও অবিশ্বাস্য হলেও প্রকৃত সত‍্য।*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

৬৬. শ্রীনরোত্তম ঠাকুরের দীক্ষা 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/madhukori66.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 ꧂❀•* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৬৬)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
    *শ্রীনরোত্তম ঠাকুরের দীক্ষা*
    °°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
*🌻বাস্তব নয়নে লোকনাথ গোস্বামীর হার হল বটে, কিন্তু মনে মনে তিনি ভীষণ ভীষণ খুশী হলেন এই ভেবে যে,এইরকম নিষ্ঠাবান শিষ‍্য পাওয়া কয়জনের ভাগ‍্যে ঘটে।(গুরু মিলে লাখে লাখ।শিষ‍্য মিলে গুটি কয়েক।।)যদিও মহাপ্রভু কর্তৃক সবই পূর্ব নির্দিষ্ট ছিল তথাপি এই ঘটনার মাধ‍্যমে গোস্বামীগণ গুরু সেবার আদর্শ স্থাপনা করে গিয়েছেন পরবর্তীকালে জীব শিক্ষার জন্য।অবশেষে শুভদিনে শুভক্ষণে শ্রীজীব গোস্বামী ও শ্রীনিবাস আচার্য‍্যর ব‍্যবস্থাপনায় নরোত্তম চিরবিক্রীত হয়ে গেলেন লোকনাথ গোস্বামীর শ্রীচরণে।অতঃপর লোকনাথ গোস্বামী তাঁকে সাধ‍্যসাধন বিষয়ে নানা উপদেশ প্রদান করলেন এবং আদেশ করলেন যেন জীবনে তিনি দার (স্ত্রী) পরিগ্রহ না করেন। গুরু কৃপায় নরোত্তম সাধনভজন জগতে এত উন্নত স্তরে উঠেছিলেন যার পরিচয় তাঁর মানস সেবা ও স্মরণ মননের মধ‍্য দিয়ে প্রতিফলিত হয়।একসময় লীলারস উপভোগ করবার মানসে নরোত্তম ঠাকুর সমাধিস্থ হন এবং মানসে শ্রীরাধার সখীগণ সঙ্গে সেই পরিবেশে যেন যোগদান করেন।শ্রীরাধিকা হঠাৎ যেন তাঁর সখীগণকে বললেন যে তাঁর ভীষণ ক্ষিদে পেয়েছে এবং তাড়াতাড়ি যেন কিছু ভক্ষ‍্য দ্রব‍্যের ব‍্যবস্থা করা হয়।তৎক্ষণাৎ যেন ললিতা সখীর ইঙ্গিতে নরোত্তম ঠাকুর ক্ষীর প্রস্তুত করে শ্রীরাধিকাকে সমর্পণ করবেন এই বাসনায় দুগ্ধ জ্বাল দিয়ে মানসে তা নাড়তে লাগলেন। অপ্রাকৃত সেই দুগ্ধ,জ্বাল দিবার কালে বলক (উথলিয়ে) উঠতে লাগল।তখন নরোত্তম ঠাকুর মহাশয় শশব‍্যস্তে সেই দুধপাত্রটি উনান হতে নামালেন এবং এর ফলে তাঁর হস্তাঙ্গুলি দগ্ধ হয়ে গেল। কিন্তু সেদিকে নরোত্তমের ভ্রুক্ষেপ নেই।কারণ তিনি তখন পূর্ণরূপে লীলারস সমুদ্রে ভাসমান।তখন তিনি পরম যত্নে সেই গরম দুধ নিয়ে ললিতা সখীর করকমলে অর্পণ করলেন এবং শ্রীরাধা ও শ্রীকৃষ্ণ তা পান করে যেন তাঁদের ক্ষুণ্ণিবৃত্তি (ক্ষুধার উপশম) করলেন।অবশেষে অনেক পরে যখন তাঁর বাহ‍্যজ্ঞান ফিরে আসিল তখন তিনি হঠাৎ লক্ষ্য করলেন যে তাঁর হাতের অঙ্গুলিগুলি পুড়ে গেছে, পাছে সকলে জানতে বা বুঝতে পারে সেজন‍্য তিনি সচেতন রইলেন।মানসে লীলা স্মরণ মননের মাধ‍্যমে হাতের অঙ্গুলি দগ্ধ হয়ে যায় যেন অবিশ্বাস্য। কিন্তু নরোত্তম ঠাকুরের প্রকট কালে এইরকম বহু ঘটনার পরিচয় পাওয়া যায় যা বাস্তব দৃষ্টিতে অবিশ্বাস্য বলেই মনে হয়। খেতুরিতে বিগ্রহ প্রতিষ্ঠার কাহিনীও এইরকম অলৌকিক, কিন্তু গুরু কৃপায় এবং রামচন্দ্র কবিরাজের সহায়তায় তিনি তাঁর ভক্তিময় জীবনে অসম্ভবকে সম্ভব করে গিয়েছেন।*
*"নরোত্তমের প্রার্থনা" নামক যে পুস্তকটি পাওয়া যায় তা পাঠ করলে হৃদয় মন পবিত্র হয়, এবং মনে কৃষ্ণ ভক্তির বীজ অঙ্কুরিত হয়। বৈষ্ণব ধারা অনুযায়ী "নরোত্তমের প্রার্থনা" এবং প্রেমানন্দদাসের "মনোশিক্ষা" নিত‍্য পাঠ করা উচিত। কৃষ্ণগুণগান, কৃষ্ণভক্তি,শ্রীরাধারাণীর চরণে আত্মসমর্পণ,এই প্রসঙ্গে যে সব গান তিনি রচনা করে গিয়েছেন তার সমকক্ষ বৈষ্ণব জগতে বোধকরি আর নেই। সংসারী মানুষকে সংসারের অসারতা সম্বন্ধে এবং কৃষ্ণভক্তি ছাড়া যে আর কিছুই মানুষের কর্তব‍্য নয় এই প্রসঙ্গেও নানানরকম গান তিনি রচনা করে গিয়েছেন যা পাঠ না করলে তার সারবস্তু বুঝা যায় না।অধম লেখকের সনির্ব্বন্ধ অনুরোধ পাঠক পাঠিকাগণ যেন অতি অবশ্যই এই দুইটি গ্রন্থ যেন নিত‍্য পাঠ করেন।*
*🌹তাঁর সর্বপ্রধান শিষ‍্যের নাম হচ্ছে শ্রীগঙ্গানারায়ণ চক্রবর্তী এবং রামকৃষ্ণ।তাঁর তিরোভাব সম্বন্ধে গ্রন্থে এইরকম লিখা আছে=*
*🌷বুধরি হইতে শীঘ্র চলিলা গাম্ভীলে।*
*🌷গঙ্গাস্নান করিয়া বসিলা গঙ্গাকূলে।।*
*🌷আজ্ঞা কৈলা রামকৃষ্ণ গঙ্গা নারায়ণে।*
*🌷মোর অঙ্গে মার্জন করহ দুইজনে।।*
*🌷দোঁহে কিবা মার্জন করিবে পরশিতে।*
*🌷দুগ্ধপ্রায় মিলাইল গঙ্গার জলেতে।।*
*🌷দেখিতে দেখিতে শীঘ্র হইলা অন্তর্দ্ধান।*
*🌷অত‍্যন্ত দুর্জ্ঞেয় ইহা বুঝিতে কি আন।।*
*🌷অকস্মাৎ গঙ্গার তরঙ্গ উথলিল।*
*🌷দেখিয়া লোকের মহা বিস্ময় হইল।।*
*🌷শ্রী মহাশয়ের ঐছে দেখি সাঙ্গোপন।*
*🌷বরিষে কুসুম স্বর্গে রহি দেবগণ।।*
*🌹তাঁর অপ্রকটের আর একটি বিশেষত্ব এই যে গঙ্গার জলে তাঁর দেহ মার্জন করতে করতে তা সাদা দুধের মতো তরল পদার্থে পরিণত হয়ে গঙ্গা ধারার সঙ্গে মিলিত হয়ে গিয়েছিল। মুর্শিদাবাদের অন্তর্গত গাম্ভীলা ঘাটে এই মহাপুরুষের জীবনের শেষ অধ‍্যায়ের পরিসমাপ্তি।এই জায়গায় তাঁর স্মৃতিচিহ্ন বতর্মান। পূর্বে পদ্মাতীরে দাঁড়িয়ে মহাপ্রভো "নরু নরু" বলে ডেকেছিলেন, এই পদ্মাদেবীর মধ্যেই তিনি তাঁর প্রেমধন গচ্ছিত রেখেছিলেন তাঁর প্রিয় পাত্র নরুকে তা দিবার জন্য এবং পদ্মাদেবী তা পালনও করেছিলেন। অবশেষে সেই পবিত্র স্রোতস্বীনির পূণ‍্যতোয়ার মধ্যেই তাঁর পঞ্চভূতের দেহ মিলিয়ে গেল।অর্থ‍্যাৎ যাঁর জিনিস তিনিই আপন বক্ষে টেনে নিলেন।আহা!কি অপ্রাকৃত কাহিনী সব শুনলেই প্রাণমন জুড়িয়ে যায়।মহাপ্রভুর পার্ষদগণের ভক্তিময় জীবন  কাহিনী এইরকম এক একভাবে বৈশিষ্ট্যপূর্ণ।*
🔶🔷🔶🔷🔶🔷🔶🔷🔶🔷🔶🔷🔶
*দরশন ফল কিবা,জানাইতে হরি সবা,*
   *প্রত‍্যক্ষ প্রমাণ তিনি করান দর্শন*।
*কুব্জারে তখন হরি,তোলেন চিবুক ধরি,*
   *তাঁহার পদাগ্রে রাখি আপন চরণ।।*
*দেহ তবে ঋজু হয়,কুঁজ আর নাহি রয়,*
    *কুঁজী নাম চিরতরে হয় অপসৃত।*
*সুপ্রকাশ রূপরাশি,সবে হেথা দেখে আসি,*
    *কৃষ্ণের মহিমা হেরি সবে চমকিত।।*
*কুব্জা ছিল যে নিন্দিত,আজি সবার বন্দিত,*
   *শ্রীকৃষ্ণের অহৈতুকী করুণার বশে।*
*ভক্তের প্রতি তাঁর,কৃপা বর্ষে অনিবার,*
  *তাঁর দয়া মানবের দুঃখ যত নাশে।।*
🔶🔴🔷⚪🔶🔴🔷⚪🔶🔴🔷⚪🔵🔶
🔴🔵⚪🔴🔵⚪🔴🔵⚪🔴🔵⚪🔴
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

adds