শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

মৃদঙ্গাদি বাদ‍্য শিক্ষা 📖 শ্রীমধুসূদন লাহিড়ী(শর্মা) ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/10/mridango.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

🆕 👉 ৪. মৃদঙ্গাদি বাদ‍্য শিক্ষা 📖 শ্রীমধুসূদন লাহিড়ী(শর্মা)  ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/10/mridango.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*(৪)🏈মৃদঙ্গাদি বাদ‍্য শিক্ষা 🏈*
*মাত্রাদি জ্ঞাপক সাঙ্কেতিক চিহ্ন*
☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆
*(|) এই একটা দন্ড চিহ্ন, একমাত্রা কালজ্ঞাপক ; (| |) এই দুইটি দন্ড চিহ্ন,দুইমাত্রা কালজ্ঞাপক ; (| | |) এই তিনটি দন্ড চিহ্ন,প্লুত মাত্রা কালজ্ঞাপক ; (ঁ )এই অর্দ্ধ চন্দ্র, অর্দ্ধ মাত্রা কালজ্ঞাপক ; (× )এই ডমরু চিহ্ন, অনুমাত্রা কালজ্ঞাপক ; এই সব চিহ্ন তালের উপরে দেওয়া যাবে।*
*🍀যে সব শব্দ বামহাতে বাদিত হবে, তার নিচে (• ) এই রকম একটি বিন্দু চিহ্ন দেওয়া যাবে। যে শব্দ উভয় হাতে বাদিত হবে তার নিচে (• •)এই রকম দুইটি বিন্দু চিহ্ন দেওয়া যাবে। ও যে সব শব্দ ডান হাতে বাদিত হবে, তার কোনই চিহ্ন দেওয়া যাবে না ; কিন্তু শব্দের অনুরোধে "রে", "নে", "টি", "টে", "ট" যখন ডান হাতের অনামিকা ও মধ‍্যমা সংযোগে যন্ত্রের মধ্যে সামান্য চাপা আঘাতে বাদিত হবে,তার নিচে ( + ) এই রকম পতঙ্গ চিহ্ন দেওয়া যাবে।*
*(+ ) এই প্রকার পতঙ্গ চিহ্ন "সম" আঘাতের দন্ড চিহ্নের উপরে দেওয়া যাবে ; (১)এই এক অঙ্ক ঐ রকম এক একটা তালের চিহ্ন দেওয়া যাবে ; (০ ) এই শূন‍্য চিহ্ন "ফাঁক" মাত্রার উপরে দেওয়া যাবে।*
*🍀যখানে,"হরিদাস" লেখা থাকবে, সেখানে হরিদাস বাবাজী মহাশয় অধ‍্যাপকের নিকট হতে প্রাপ্ত বুঝাবে। যেখানে "শিবরাম" লেখা থাকবে, তা শিবরাম মিশ্র মার্দ্দঙ্গীকের নিকট হতে প্রাপ্ত বুঝাবে।যেখানে "গ্রন্থকার" লেখা থাকবে,তা গ্রন্থকারের কৃত বুঝতে হবে।*

       *🏈তাল দুই প্রকার🏈*
       ^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
*যে সব তাল প্রতিপদে সমান মাত্রা বিশিষ্ট,তাকে "সমপদী" ছন্দ বলে, ও যে সব তাল প্রতিপদে অসমান মাত্রা বিশিষ্ট, তাকে "বিষমপদী" ছন্দ কহে।*
      *🌹চৌতাল বিবরণ🌹*
       &&&&&&&&&&&&&&
*চৌতাল, ছয় মাত্রার তাল,তারমধ‍্যে চার মাত্রার চারটি আঘাত বা তাল,বক্রী মাত্রা দুইটিতে দুইটি ফাঁক। তবে যে দ্বিতীয় ও চতুর্থ মাত্রায় ফাঁক ব‍্যবহার করা যায়, সে কেবল ছাত্রগণের শিক্ষা সৌকার্য‍্যার্থ বা সুবিধার জন্য মাত্র,অর্থ‍্যাৎ আঘাত দেওয়া যায় না।*
*🌷গুরু দ্বয়ং লঘুদ্বন্দ্বং তালে শ্রীকান্ত সংজ্ঞক।*
*🌻শ্রীকান্ত তালে দুইটি গুরু মাত্রার তাল ও দুইটি লঘু মাত্রার তাল, ইহার সমষ্টি লঘু ছয় মাত্রা।*
*🏵মুসলমান ওস্তাদদের সংস্কৃত নাম লোপ করা স্বভাব বলে যেমন গীতাঙ্গীকে তেওরা,সেইরকম শ্রীকান্তকে চৌতাল বলে থাকেন,সন্দেহ নেই।শ্রীকান্ত অর্থ‍্যাৎ চৌতাল তালের তুল‍্য অন‍্য তাল দেখা যায় না।যেমন সর্ব দেবময়ো হরিঃ।*
*সংস্কৃত সঙ্গীত গ্রন্থে, "চতুস্তালো দ্রুতলয়ং লান্তং" অর্থ‍্যাৎ আড়াই মাত্রার তাল। এই কথার পরে, "গুরোঃ পরে এয়োদ্রুতা", অর্থ‍্যাৎ সাড়ে তিন মাত্রার তাল।এই জন্য মৃদঙ্গ-মঞ্জরীকার মহাশয় লিখেছেন যে,প্রচলিত চৌতালের সঙ্গে সংস্কৃত চতুস্তালের মিল নেই ও সঙ্গীতসার-কার লিখেছেন--, "চৌতাল শব্দটি হিন্দি ভাষা ", তাহাই যথার্থ হয়েছে, যেমন চৌ দিক্ শব্দটি হিন্দিভাষা বা চতুর্দিক।*
*গীত সূত্রসার-কারের মন গড়া অর্থ, পিঠাপিঠি দ্রুত তিনটি লঘু বা গুরু একটি,এই চতুস্তাল ছয় মাত্রার চৌতাল হল। যেমন আড়া তালের প্রস্তাবে অপভ্রংশের অপভ্রংশ পুনঃ তার অপভ্রংশ মনগড়া অর্থ করেছেন,সেইরকম আমিও পিঠাপিঠি চৌতালের মনগড়া অর্থ করছি।*
                 *পিঠা পিঠি*
                   ◆◆◆◆◆
*দ্রুত অর্থ‍্যাৎ ছোট তিন পিঠা ও গুরু অর্থ‍্যাৎ গুড়পিঠা একটা, এই চারটি পিঠা ভক্ষণের গুণে প্রচলিত চৌতালের লয় পেটের ভিতরে জগ জগ করতে থাকবে, গ্রন্থকারগণের মাত্রা বিন‍্যাসের তত পরিপাট‍্য আর থাকবে না।*
*🌻(সংকেত চিহ্ন দিয়ে মোবাইলে টাইপ করা অসুবিধা হবে বলে গ্রন্থ থেকে পুরো লেখা ছবি করে দিব)।*

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
🏈🏈🏈🏈🏈🏈🏈🏈🏈🏈🏈🏈🏈🏈🏈🏈🏈
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

🆕 👉 ১. মৃদঙ্গাদি বাদ‍্য শিক্ষা 📖 শ্রীমধুসূদন লাহিড়ী(শর্মা)  ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/10/mridango.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*(১)🏈মৃদঙ্গাদি বাদ‍্য শিক্ষা🏈*
*🌹মালদহ, কলিগ্রাম হইতে শ্রীমধুসূদন লাহিড়ী(শর্মা) মহাশয় কর্তৃক প্রকাশিত,(১২৯৯ সন)।*
☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆
*নমতো জানকীজানিং মধুসূদন শর্ম্মণঃ।*
*মৃদঙ্গাদে র্ব্বাদ‍্যসূত্র শিক্ষণায় মমোদ‍্যম্।।*

*বিষ্ণোর্গীতঞ্চ নৃত্যঞ্চ নটমঞ্চ বিশেষতঃ।*
*ব্রহ্মণ্ ব্রাহ্মণজাতীনাং কর্ত্তব‍্যং নিত‍্যকর্মবৎ।।*
*নামলীলাগুণাদীনাং উচ্চৈর্ভাষা তু কীর্ত্তনং।*
                     *(বিষ্ণুপুরাণ)*
*🍀যথা, হে হরে হরকোদন্ড-খন্ডন পতিতপাবন ইত্যাদি। নাদ ব্রহ্ম ; পুরাণের বচনে অর্থে স্বরগ্রাম,চতুরঙ্গ, তেলেনা,গীত ও গৎকেও ভজনাঙ্গ বলা যেতে পারে।এরকম আনন্দকর সঙ্গীত বতর্মান থাকাতেও কোন কোন ব‍্যক্তি দ‍্যুতক্রীড়াদি কুকার্য‍্যে দিন অতিবাহিত করে থাকেন ; কিন্তু ভগবদ্ভক্তজনের কাছ দিয়ে যান না ;যদি আমাদের বস্তু বলে গান করেন,তবে "পিরীতি গেরাবু খেলা হৈল সই" ইত্যাদি।*
*🙏শ্রীযুক্ত বাবু কৃষ্ণধন বন্দ‍্যোপাধ‍্যায় স্বকৃত "গীতসূত্রসার" গ্রন্থে পশুপক্ষীর স্বর সঞ্চয় করে মানুষ কর্তৃক রাগ সৃষ্ট হয়েছে লিখেছেন।ভাল,যদি মানুষ কর্তৃক রাগ সৃষ্ট হত, তবে কোন না কোন গ্রন্থে অবশ্যই উল্লেখ থাকত।মানুষের এমত স্বভাব যে,এরকম আনন্দকর অপূর্ব রাগ সৃষ্টি করে নিজ নাম প্রকাশ না করে কেউ ক্ষান্ত থাকতে পারেন।*
*তাল সম্বন্ধে যে যে অন‍্যান‍্য কথা লিখেছেন,সে সব তালের নিকটে বিচার করে লেখা যাবে।*
    *কাল্পনিক শব্দ ও বোল-সাধন।*

*আগে তাল ও পরমগুলি মুখস্থ কোরে এবং যে যে স্থানে আঘাত দিতে হবে,সেই সেই স্থানে আঘাত দিয়ে লয়ের পরিমাণ ঠিক করে,পরে তম্বুরাদি যন্ত্রের সহিত মৃদঙ্গ বা তবলার ষোলটি ঘাট সমসুর করে তাতে সাধন করতে হবে।*
*🍀দক্ষিণ হাতের শব্দ ও বোল-সাধন।*
*🌻কনিষ্ঠা অনামিকা ও মধ‍্যমার অল্প অংশ যোগে খরানের পার্শ্বে চাঁটি দ্বারা ও তবলায় তর্জনী দ্বারা আঘাত করলে (তা) হয়,তাং শব্দটি তায়ের মত ; কিন্তু অনুস্বার জন্য বাঁয়াতে খোলা হাতে চারটি আঙ্গুল দ্বারা সামান্য আঘাতে অর্থ‍্যাৎ গ'এর মত করলে (তাং) হয়ে থাকে।ধেলাং শব্দটির (লাং) নায়ের মত খরানের মধ্যে হয়ে থাকে।ঘেড়ান,কেড়ানের,ড়া, তায়ের মত হবে।কনিষ্ঠা ও অনামিকাদি যোগে খরানের শেষ ভাগে সামান্য চাপা আঘাত করলে (দা) হয়। চারটি আঙ্গুলদ্বারা যন্ত্রের মধ্যে খোলা আঘাত করলে,থুন্,দিন্,দি,দে ওথো হয়। তারমধ‍্যে থুন্ শব্দটা দিন্ অপেক্ষা কিছু লঘু আঘাতেই হয়ে থাকে। তর্জনীর অগ্রভাগ দ্বারা যন্ত্রের পার্শ্বে খোলা আঘাত করলে, ন,না,ন্না,নান্,নি,নে, ইত্যাদি শব্দ হয়ে থাকে। শব্দ বা বোল বিশেষে নি,নে,ন্, মধ‍্যমা অনামিকা যোগে যন্ত্রের মধ্যে সামান্য লঘু আঘাতেও হয়ে থাকে। ব‍্যঞ্জন বর্ণে লঘু আঘাত হয়।*
*🍀চারটি অঙ্গুলিদ্বারা যন্ত্রের মধ্যে চাপা আঘাত করলে,দিৎ,দেৎ ইত্যাদি হয়। তর্জনী দ্বারা যন্ত্রের মধ্যে চাপা আঘাত করলে,ত,ট,টি,টে,ও র, রা,রি,রে ইত্যাদি হয়।শব্দের অনুরোধে মধ‍্যমা ও অনামিকা যোগে যন্ত্রের মধ্যে সামান্য চাপা আঘাতেও ট্,টি,টে ও রে হয়ে থাকে। অনামিকা,মধ‍্যমা সংযোগে যন্ত্রের মধ্যে চাপা আঘাতে ম,মা,কি,কে,তে ইত্যাদি হয়ে থাকে।ত,ক,দ,ধ,গ ইত্যাদি লয়ের দ্রুত সংযোগে ত্র,ক্র,দ্র,ধ্র,গ্র ইত্যাদি হয়ে থাকে।*
                   *ক্রমাগত*
*🌻সমস্ত কথায় লেখকের।*
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

🆕 👉 ২. বাম হস্তের শব্দ-সাধন 🏈 মৃদঙ্গাদি বাদ‍্য শিক্ষা 📖 শ্রীমধুসূদন লাহিড়ী(শর্মা)  ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/10/mridango.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*(২)🏈মৃদঙ্গ বাদ‍্য শিক্ষা🏈*
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°

*🌻বাম হস্তের শব্দ-সাধন।*

*চারটি আঙ্গুল দ্বারা বাঁয়াতে আঘাত করলে, গ,গা,গি,গে,ঘ, ঘা,ঘি,ঘে, ধু ও ধুম্ হয়।মধ‍্যমা অঙ্গুলির অগ্রভাগ দ্বারা খারা আঘাতে তবলার ডুগিতেও ঐ সব বোল হয়ে থাকে।*
*চারটি অঙ্গুলি দ্বারা বাঁয়াতে চাপা আঘাত করলে,ক,কা,কি,কে,কু, কৎ,কেৎ,কাৎ,ও খ,খা, খি,খে,খেৎ,খাৎ ও থু ইত্যাদি হয়ে থাকে।মৃদঙ্গ-মঞ্জরীতে 'থু' শব্দ খোলা আঘাতে হবে লিখেছেন ; কিন্তু আমার বিবেচনায় চাপ আঘাতে হবে।*
   *🍀সংযুক্ত শব্দ-সাধন🍀*
     ☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆
*"তা" শব্দ প্রকাশ করে অতি অল্প সময় পরে ক্ শব্দ প্রয়োগ করলে, তাক্ হয় ও ঐ প্রকার তাগ্,তাগে, তেটে,কেটে,তেরে,ধেলে,ধেটে, ঘেনে,কেনে,গেদে,গেনে ও ধুমা ইত্যাদি শব্দ হয়ে থাকে।*
*🏵🏵যুগপৎ শব্দ-সাধন🏵🏵*
*সমকালে,তা ও গি শব্দ করলে,ধা হয়,গি ও তে শব্দ করলে,ধে,ধেৎ,ধৎ ও ধি হয়ে থাকে। দা ও গি শব্দ করলে,ধাৎ ইত্যাদি হয়।*
*🍀অসংখ‍্য শব্দ-সাধন লিখে শেষ করতে পারা যায় না,তবে এক প্রকার শব্দ-সাধন লেখা হ'ল ; বক্রী তাল ও পরম সাধন করতে করতে ক্রমে সমুদায় শব্দ-সাধন হবে ; কিন্তু এ সব কাল্পনিক শব্দ বা বোল অধ‍্যাপকের বিশেষ উপদেশের অপেক্ষা করে।*
         *🌹মাত্রা বিবরণ🌹*
          ∆∆∆∆∆∆∆∆∆∆
*আগে মাত্রা জানা দরকার ; গায়ক বা বাদক যে আদর্শকাল টুকু মনে এক মাত্রা বলে ধৃত করবেন, তাকে হ্রস্ব মাত্রা বা লঘু মাত্রা বলে।তার দ্বিগুণ কালকে দীর্ঘ বা গুরু মাত্রা কহে।ত্রিগুণ কালকে প্লুত মাত্রা বলে।লঘু মাত্রার অর্দ্ধ কালকে অর্দ্ধ মাত্রা বলে।অর্দ্ধ মাত্রার অর্দ্ধ কালকে অনুমাত্রা কহে।তাছাড়াও ক্ষুদ্র মাত্রা গুলি বাদ‍্যের বোলে অনাবশ‍্যক বিধায় তার বিবরণ লেখা হল না বটে, কিন্তু সে গুলি গীতে বিশেষ আবশ্যক। মাত্রাকাল সব তালের সমান নয়, কোন তালের বা ছন্দের দ্রুতগতি,কারও মধ‍্যগতি, কারও শ্লথগতি বা ধীরগতি বুঝে বাজাতে হবে।*
                *ক্রমাগত*
*সমস্তটুকুই লেখকের লেখা।*

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

🆕 👉 ৩. তাল 🏈 মৃদঙ্গাদি বাদ‍্য শিক্ষা 📖 শ্রীমধুসূদন লাহিড়ী(শর্মা)  ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/10/mridango.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*(৩)🏈মৃদঙ্গাদি বাদ‍্য শিক্ষা🏈*

            *🏈🏈তাল🏈🏈*
            °°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
*🌷তালেন রাজতে গীতং তালোবাদিত্র সম্ভবঃ।*
*🍀বাদ‍্যযন্ত্র হতে তালের উদ্ভব,তাল দ্বারা গীত দীপ্তমান হয়।*
*🌷তালঃ কালক্রিয়ামানং লয়ঃ সাম‍্য মথা স্ত্রিয়াং।*
*🍀অর্থ‍্যাৎ কালক্রিয়াকে তাল বলে ; লয়ঃ সাম‍্যম্ অর্থ‍্যাৎ সমান।*
*🌹হ্রস্ব,দীর্ঘ,প্লুত,অর্দ্ধ ও অনুমাত্রাদি কাল সহযোগে, ধা, খিট,নাক্ প্রভৃতি বাদ‍্যের বোল বা শব্দ সঞ্চয় করে, কালের অবিচ্ছেদ গতিতে লয় সমান করে একটা তাল রচনা করে হয় এবং ঐ ছন্দ সমষ্টিকে তাল কহে।তালের যে যে অক্ষরের উপরে আঘাত পরে তাকেও তাল কহে। সংস্কৃত মতে উভয় করতল-আঘাত-উৎপন্ন ধ্বনিকে তাল বলে, এবং যে তালে তিনটা আঘাত পরে তাকে তেতালা ও যাতে চারটি আঘাত পরে তাকে ওস্তাদগণ চৌতাল কহেন ; অতএব আঘাতকেও তাল বললে ক্ষতি হয় না।*
           *🏵আড়🏵*
*🍀অক্ষর বিহীন স্থানে অর্থ‍্যাৎ তালের লয়ের উপরে যে আঘাত পড়ে থাকে,তাকে আড়তাল বলে।*
              *🌻আড়ী🌻*
*আড়ী অর্থ‍্যাৎ আঘাতের বিষমতা ; প্রতি আঘাতে ও ফাঁকে অসমান অক্ষর যে পরমে থাকে,তাকে আড়ী বলা হয়।*
                  *🌹গ্রহ🌹*
*গ্রহ অর্থ‍্যাৎ তালগ্রহণ বা ধরণ, তা চার প্রকার।*
*🌷সমতীতা না গতশ্চ বিষমশ্চ গ্রহামতাঃ।* 
*🌷চত্বারঃ কথিতাস্তালে সূক্ষ্ম দৃষ্ট্বা বিচক্ষণৈঃ।।*
*🌻সম,অতীত,অনাগত ও বিষম এই চারটি।*

*ছবি দেওয়া হল, ঐ ছবিটিতে সমগ্রহ,প্রথম আঘাত বা তাল।সমে গ্রহণ করার বিধি।গায়ক,তালের যে কোন স্থান হতে গীত-আরম্ভ করুন না কেন,"সম" নিকট হলে, "সমে" বাদ‍্যযন্ত্রে হাত দেওয়া অর্থ‍্যাৎ বাদ‍্য আরম্ভ করা,ইহারই নাম,"সমপাণি সম গ্রহ"।* 
*অতীত ও অনাগত ধরণ সংস্কৃত সঙ্গীত শাস্ত্রে এবং গায়ক ও বাদকগণের প্রমুখাৎ শোনা যায় ; কিন্তু বাদকের গীত জানা না থাকলে ঐ গীতে অতীত অনাগত ধরণ সম্ভাবে না এবং হতেও পারে না।যদিও উভয়ের গীত জানা থাকে তখনও সঙ্গত করা কষ্টসাধ‍্য হয় ও তার বিশেষ কোন ফল দেখা যায় না।কেবল বিবাদের ঘর আর উভয়ে গোলমাল করে কেবল গীত বাদ‍্য ভঙ্গ করে দেয়।সম গ্রহ একমাত্র গ্রহ,সম হতে উৎপত্তি ও সমে নিবৃত্তি, এই কথা "গীতসূত্রকার" বিস্তারিত ভাবে লিখেছেন বলে আর কিছু বলব না।তা উক্ত গ্রন্থে দ্রষ্টব‍্য।*
        *🌺লয় তিন প্রকার🌺*
        **********************
*"দ্রুত,মধ‍্য,বিলম্বশ্চ দ্রুত শীঘ্র তমোমতঃ।*
*🍀দ্রুতের দ্বিগুণ কাল মধ‍্য গতি, মধ‍্য গতির দ্বিগুণ কাল বিলম্বিত গতি,কিন্তু ঠাদুন্ চৌদুন্ ক্রিয়া ছাড়া কৌশলে হয়ে থাকে। যথা বিলম্বিত লয়ে একটি গীত নিঃশেষ হলে, পুনঃ অন্তরা বা সঞ্চারী আরম্ভের "সমে" দুন্ ক্রিয়া করলে,বিলম্বিত লয়ের এক ফেরা কাল মধ্যে এমন ওজনে গাইবে বা বাজাবে যেন দুই ফেরা গীত বা বাদ‍্য সমাবেশ হয়ে দুন্ সাব‍্যস্ত করতে হয় ; দুন্ সাব‍্যস্ত হলে ঐ দুন্ লয়ে পুনঃ দুন্ ক্রিয়া করলে চৌদুন্ হয়ে থাকে।ইহারই নাম,"দ্বিগুণো দ্বিগুণশ্চৈব তস্মান্মধ‍্য বিলম্বিতঃ"। এই স্থলে অধ‍্যাপকের উপদেশের নিতান্ত আবশ্যক।*



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

🆕 👉 ৪. মৃদঙ্গাদি বাদ‍্য শিক্ষা 📖 শ্রীমধুসূদন লাহিড়ী(শর্মা)  ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/10/mridango.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*(৪)🏈মৃদঙ্গাদি বাদ‍্য শিক্ষা 🏈*
*মাত্রাদি জ্ঞাপক সাঙ্কেতিক চিহ্ন*
☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆
*(|) এই একটা দন্ড চিহ্ন, একমাত্রা কালজ্ঞাপক ; (| |) এই দুইটি দন্ড চিহ্ন,দুইমাত্রা কালজ্ঞাপক ; (| | |) এই তিনটি দন্ড চিহ্ন,প্লুত মাত্রা কালজ্ঞাপক ; (ঁ )এই অর্দ্ধ চন্দ্র, অর্দ্ধ মাত্রা কালজ্ঞাপক ; (× )এই ডমরু চিহ্ন, অনুমাত্রা কালজ্ঞাপক ; এই সব চিহ্ন তালের উপরে দেওয়া যাবে।*
*🍀যে সব শব্দ বামহাতে বাদিত হবে, তার নিচে (• ) এই রকম একটি বিন্দু চিহ্ন দেওয়া যাবে। যে শব্দ উভয় হাতে বাদিত হবে তার নিচে (• •)এই রকম দুইটি বিন্দু চিহ্ন দেওয়া যাবে। ও যে সব শব্দ ডান হাতে বাদিত হবে, তার কোনই চিহ্ন দেওয়া যাবে না ; কিন্তু শব্দের অনুরোধে "রে", "নে", "টি", "টে", "ট" যখন ডান হাতের অনামিকা ও মধ‍্যমা সংযোগে যন্ত্রের মধ্যে সামান্য চাপা আঘাতে বাদিত হবে,তার নিচে ( + ) এই রকম পতঙ্গ চিহ্ন দেওয়া যাবে।*
*(+ ) এই প্রকার পতঙ্গ চিহ্ন "সম" আঘাতের দন্ড চিহ্নের উপরে দেওয়া যাবে ; (১)এই এক অঙ্ক ঐ রকম এক একটা তালের চিহ্ন দেওয়া যাবে ; (০ ) এই শূন‍্য চিহ্ন "ফাঁক" মাত্রার উপরে দেওয়া যাবে।*
*🍀যখানে,"হরিদাস" লেখা থাকবে, সেখানে হরিদাস বাবাজী মহাশয় অধ‍্যাপকের নিকট হতে প্রাপ্ত বুঝাবে। যেখানে "শিবরাম" লেখা থাকবে, তা শিবরাম মিশ্র মার্দ্দঙ্গীকের নিকট হতে প্রাপ্ত বুঝাবে।যেখানে "গ্রন্থকার" লেখা থাকবে,তা গ্রন্থকারের কৃত বুঝতে হবে।*

       *🏈তাল দুই প্রকার🏈*
       ^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
*যে সব তাল প্রতিপদে সমান মাত্রা বিশিষ্ট,তাকে "সমপদী" ছন্দ বলে, ও যে সব তাল প্রতিপদে অসমান মাত্রা বিশিষ্ট, তাকে "বিষমপদী" ছন্দ কহে।*
      *🌹চৌতাল বিবরণ🌹*
       &&&&&&&&&&&&&&
*চৌতাল, ছয় মাত্রার তাল,তারমধ‍্যে চার মাত্রার চারটি আঘাত বা তাল,বক্রী মাত্রা দুইটিতে দুইটি ফাঁক। তবে যে দ্বিতীয় ও চতুর্থ মাত্রায় ফাঁক ব‍্যবহার করা যায়, সে কেবল ছাত্রগণের শিক্ষা সৌকার্য‍্যার্থ বা সুবিধার জন্য মাত্র,অর্থ‍্যাৎ আঘাত দেওয়া যায় না।*
*🌷গুরু দ্বয়ং লঘুদ্বন্দ্বং তালে শ্রীকান্ত সংজ্ঞক।*
*🌻শ্রীকান্ত তালে দুইটি গুরু মাত্রার তাল ও দুইটি লঘু মাত্রার তাল, ইহার সমষ্টি লঘু ছয় মাত্রা।*
*🏵মুসলমান ওস্তাদদের সংস্কৃত নাম লোপ করা স্বভাব বলে যেমন গীতাঙ্গীকে তেওরা,সেইরকম শ্রীকান্তকে চৌতাল বলে থাকেন,সন্দেহ নেই।শ্রীকান্ত অর্থ‍্যাৎ চৌতাল তালের তুল‍্য অন‍্য তাল দেখা যায় না।যেমন সর্ব দেবময়ো হরিঃ।*
*সংস্কৃত সঙ্গীত গ্রন্থে, "চতুস্তালো দ্রুতলয়ং লান্তং" অর্থ‍্যাৎ আড়াই মাত্রার তাল। এই কথার পরে, "গুরোঃ পরে এয়োদ্রুতা", অর্থ‍্যাৎ সাড়ে তিন মাত্রার তাল।এই জন্য মৃদঙ্গ-মঞ্জরীকার মহাশয় লিখেছেন যে,প্রচলিত চৌতালের সঙ্গে সংস্কৃত চতুস্তালের মিল নেই ও সঙ্গীতসার-কার লিখেছেন--, "চৌতাল শব্দটি হিন্দি ভাষা ", তাহাই যথার্থ হয়েছে, যেমন চৌ দিক্ শব্দটি হিন্দিভাষা বা চতুর্দিক।*
*গীত সূত্রসার-কারের মন গড়া অর্থ, পিঠাপিঠি দ্রুত তিনটি লঘু বা গুরু একটি,এই চতুস্তাল ছয় মাত্রার চৌতাল হল। যেমন আড়া তালের প্রস্তাবে অপভ্রংশের অপভ্রংশ পুনঃ তার অপভ্রংশ মনগড়া অর্থ করেছেন,সেইরকম আমিও পিঠাপিঠি চৌতালের মনগড়া অর্থ করছি।*
                 *পিঠা পিঠি*
                   ◆◆◆◆◆
*দ্রুত অর্থ‍্যাৎ ছোট তিন পিঠা ও গুরু অর্থ‍্যাৎ গুড়পিঠা একটা, এই চারটি পিঠা ভক্ষণের গুণে প্রচলিত চৌতালের লয় পেটের ভিতরে জগ জগ করতে থাকবে, গ্রন্থকারগণের মাত্রা বিন‍্যাসের তত পরিপাট‍্য আর থাকবে না।*
*🌻(সংকেত চিহ্ন দিয়ে মোবাইলে টাইপ করা অসুবিধা হবে বলে গ্রন্থ থেকে পুরো লেখা ছবি করে দিব)।*
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

🆕 👉 মৃদঙ্গাদি বাদ‍্য শিক্ষা 📖 শ্রীমধুসূদন লাহিড়ী(শর্মা)  ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/10/mridango.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

🆕 👉 মৃদঙ্গাদি বাদ‍্য শিক্ষা 📖 শ্রীমধুসূদন লাহিড়ী(শর্মা)  ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/10/mridango.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

🆕 👉 মৃদঙ্গাদি বাদ‍্য শিক্ষা 📖 শ্রীমধুসূদন লাহিড়ী(শর্মা)  ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/10/mridango.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

🆕 👉 মৃদঙ্গাদি বাদ‍্য শিক্ষা 📖 শ্রীমধুসূদন লাহিড়ী(শর্মা)  ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/10/mridango.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

🆕 👉 মৃদঙ্গাদি বাদ‍্য শিক্ষা 📖 শ্রীমধুসূদন লাহিড়ী(শর্মা)  ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/10/mridango.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

🆕 👉 মৃদঙ্গাদি বাদ‍্য শিক্ষা 📖 শ্রীমধুসূদন লাহিড়ী(শর্মা)  ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/10/mridango.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
🔜 ক্রমাগত 👉 

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

    📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝
    ꧁👇📖 সূচীপত্র ✍️ শ্রী জয়দেব দাঁ 📖👇



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   🌷❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🌷
   🏵️❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🏵️
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧


ইন্দিরা একাদশীর ব্রত মাহাত্ম্য 🌙 সংগৃহীত 🙇 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/09/indira.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

ইন্দিরা একাদশীর ব্রত মাহাত্ম্য 🌙 সংগৃহীত 🙇 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/09/indira.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

মহারাজ যুধিষ্ঠির-শ্রীকৃষ্ণকে প্রশ্ন করলেন, হে জনার্দ্দন! আশ্বিন মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া একাদশীর নাম কি? তদুত্তরে শ্রীকৃষ্ণ বললেন, হে, ধর্মরাজ! এই একাদশীর নাম ইন্দিরা ইহা পালনে পাপরাশি বিনষ্ট হয়, নিরয়গামী পিতৃপুরুষগণের


উর্দ্ধগতি লাভ হয়। সত্যযুগে মাহিষ্মতী নামে নগরে শত্রু দমনকারী প্রতাপশালী ইন্দ্রসেন নামে এক রাজা ছিলেন। তিনি পৌত্র-পুত্র সমন্বিত বিশাল রাজ্যের প্রজাদের নিয়ে রাজত্ব করা সত্ত্বেও ভগবদ্ভক্তি থেকে কিছুতেই বিচলিত হননি। শ্রীহরি সেবা, হরি পূজন, ভক্তসঙ্গেবাস, ভগবদ্ভক্তজনে তৎপরতাই ছিল তার জীবনে প্রধান লক্ষ্য।


একদা দেবর্ষি নারদ আকাশমার্গে ভ্রমণ করতে করতে রাজার রাজ সভায় প্রবেশ করলেন। রাজা দেবর্ষিকে দর্শন করে করজোড়ে দণ্ডয়মান হয়ে দণ্ডবৎ প্রণতি জ্ঞাপন পূর্বক যথাবিহিত পাদ্য-অর্ঘ্যাদি দ্বারা পূজা করলেন। হে রাজন! আপনার রাজ্যের সকলে কুশলে আছেন তো? আপনি সদ্বুদ্ধি সধমে সুপ্রতিষ্ঠিত হয়ে চলছেন তো? বিষ্ণু ভক্তিতে তৎপর হয়ে চলছেন তো। রাজা বললেন হে দেবর্ষে! আপনার অনুগ্রহে আমার সর্বত্রই কুশল, আপনার দর্শনে আমি সর্বত্রই কৃতার্থ, আমার জীবন ধন্য হলো; আমার সকল যাগ-যজ্ঞও সফল হয়েছে।


আপনি কৃপাপূর্বক কি নিমিত্তে এসেছেন আমার জানতে বড় ইচ্ছে হয়। রাজার এই বিনয় বাক্য শ্রবণ করে দেবর্ষি নারদ বললেন, হে রাজন! আমি আশ্চর্যজনক কথা বলছি শ্রবণ কর। আমি ব্রহ্মলোক থেকে বীণা যন্ত্রে কৃষ্ণগুণগান করতে করতে যমপুরীতে গিয়েছিলাম। যমরাজ আমাকে দেখে ভক্তিযুতভাবে আমার পূজা বিধান করলেন আমি যমপুরীটা ঘুরে ঘুরে দেখতে পেলাম তোমার পিতাকে। তিনি আমায় বললেন হে দেবর্ষে! মাহিষ্মতীপুরের ইন্দ্রসেন আমার পুত্র, পুত্রকে বলবেন-তোমার পিতা ব্রতভঙ্গ অপরাধের জন্য যমালয়ে কষ্ট পাচ্ছেন, সে যেন আমার উর্দ্ধগতির জন্য ইন্দিরা একাদশী পালন করে-তাহলে তার পুণ্য প্রভাবে আমার মঙ্গল হবে।


তখন রাজা বললেন,- হে মহর্ষে! কৃপাপূর্বক আপনি আমাকে এই ব্রত মহিমা বলুন। শ্রীনারদ বললেন- আশ্বিন মাসে কৃষ্ণ পক্ষের দশমী দিন প্রাতঃস্নান করে শ্রদ্ধাসহকারে পিতৃপুরুষের শ্রাদ্ধ করতে হয়। দিবসে একবার মাত্র প্রসাদ সেবন। রাত্রিতে ভূমিতে শয়ন ও উপবাস করতে হয়। পরদিন একাদশী বাসরে প্রাতঃস্নান, ভগবান শ্রীহরির পূজা, সাধুসঙ্গে ভগবৎ গুণাখ্যানাদি শ্রবণ কীর্তন। সম্পূর্ণরূপে আত্মেন্দ্রিয় প্রীতিবাঞ্ছা পরিত্যাগ পূর্বক উপবাস করতে হয়।


সন্ধ্যাকালে শ্রীহৃষীকেশের পূজান্তে তন্নাম শ্রবণ কীর্ত্তন স্মরণ মুখে রাত্রি জাগরণ করতে হবে। দ্বাদশী দিবসে শ্রী হরির পূজা, ভোগরাগ নৈবেদ্য সমর্পনপূর্বক নৈষ্ঠিক ব্রাহ্মণ, সাধু বৈষ্ণব সেবন অন্তে পারণ করতে হয়। এইরূপ ব্রত করলে নিরয়গামী পিতাও শ্রী বিষ্ণুলোকে গমন করে। দেবর্ষি নারদের উপদেশে মাহিষ্মতীপুরের রাজা ইন্দ্রসেন এই ইন্দিরা একাদশী পালন করায় তার পিতার বিষ্ণুলোক প্রাপ্তি ঘটেছিল। রাজর্ষি ইন্দ্রসেন নিষ্কণ্টক রাজত্ব করে অন্তকালে পুত্রহস্তে রাজ্য সমর্পণপূর্বক স্বয়ং ভগবদ্ধাম প্রাপ্ত হয়েছিল। এই ব্রত মাহাত্ম্য শ্রবণে ও কীর্তনে সর্বপাপ বিমুক্ত হয় এবং শ্রীবিষ্ণু সান্নিধ্য লাভ ঘটে। হরেকৃষ্ণ —এই ইন্দিরা একাদশীর মাহাত্ম্য পাঠে ও শ্রবণে মানুষ সকল পাপ মুক্ত হয়ে বিষ্ণুলোকে প্রাপ্ত হয়!

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

   📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝
     ꧁👇📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী📖👇



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   🌷❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🌷
   🏵️❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🏵️
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧










বসুদেব ও দেবকীর বিবাহ লীলা 🙇 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/09/deboki.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

🆕  বসুদেব ও দেবকীর বিবাহ লীলা 🙇 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/09/deboki.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
লক্ষ লক্ষ দৈত্য ও দৈত্য সৈন্য-দ্বারা এই পৃথিবী অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হইয়াছিল। দেবদেবীগণ ব্রহ্মার শরণাপন্ন হইয়া ছিলেন। ব্রহ্মা পৃথিবীর সেই করুণ বাক্য শুনিয়া দেবগণ সহ ক্ষীরসাগরের তীরে গমন করিলেন। সেখানে গিয়া দেবগণ শ্রীহরির উদ্দেশ্যে স্তব করিতে লাগিলেন।


ব্রহ্মা সমাধি-অবস্থায় আকাশবাণী শ্রবণ করিয়া দেবগণকে বলিলেন,—হে দেবগণ ! আমার নিকট হইতে তোমরা ভগবদ্বাক্য শ্রবণ কর এবং তদনুসারে সত্বর কার্য্যানুষ্ঠান করিতে থাক । পৃথিবীর এই দুঃখ ভগবান্ পূৰ্ব্ব হইতেই অবগত আছেন ; অতএব শ্রীহরি অবতীর্ণ হইয়া স্বীয় কালশক্তির দ্বারা পৃথিবীর ভারাপনোদন পূর্বক ভূতলে বিচরণ করবেন, ইতিমধ্যে তোমরা অংশক্রমে যদুবংশে জন্মগ্রহণ কর। সাক্ষাৎ পরমপুরুষ ভগবান্ বাসুদেব ভবনে জন্মগ্রহণ করিবেন ; তাঁহার প্রিয়কার্য্য করিবার নিমিত্ত সুরস্ত্রী গণও জন্মগ্রহণ করবেন। শ্রীহরির প্রিয় কাৰ্য্যার্থ তাঁহারই অংশস্বরূপ সহস্রশীর্ষ ভগবান্ অনন্তদেব সর্বাগ্রে রাম রুপে (বলরাম) অবতীর্ণ হইবেন। 


পুরাকালে যদুপতি শূরসেন মথুরা-পুরে বাস করিয়া মথুরা এবং শূরসেনদিগের বিষয় সকল ভোগ করিতেন। মথুরা যদুবংশীয় সমস্ত নরপতিরই রাজধানী ; এই মথুরা-পুরেই ভগবান হরি অবতীর্ণ হইবেন। একদা মথুরা-পুরে শূরবংশীয় বসুদেব বিবাহ করিয়া নব-বিবাহিতা দেবকীর সহিত স্বগৃহে গমনার্থ রথারোহণ করিলেন। উগ্রসেন-নন্দন কংস ভগিনীর প্রিয়-কামনায় স্ব-হস্তেই অশ্ব-রশ্মি ধরিয়া ছিলেন ; শত শত স্বর্ণরথ তাঁহার পশ্চাৎ পশ্চাৎ চলিয়াছিল। দেবক এই বিবাহে কন্যা-জামাতার প্রস্থানকালে হেমমালাধারী চারিশত গজ, সার্দ্ধ-অযুত অশ্ব, একসহস্র আশ্রিত রথ এবং দুই শত সুসজ্জিত সুকুমারী দাসী, কন্যাকে যৌতুক দিয়াছিলেন। বর-বধূর যাত্রা-কালে তাঁহাদের মঙ্গলার্থ শঙ্খ, তূর্য্য, মৃদঙ্গ ও দুন্দুভি প্রভৃতি বাদ্যযন্ত্র বাদিত হইতেছিল।

পথে যাইতে যাইতে সহসা এক আকাশবাণী অশ্বরশ্মিধারী কংসকে সম্বোধন করিয়া বলিল—রে মূর্খ ! তুই যাহাকে বহন করিয়া লইয়া যাইতেছিস্, ইহারই অষ্টম-গর্ভজাত সন্তান তোকে বধ করিবে। এই কথা শুনিবামাত্র কংস ভগিনীকে বধ করিতে উদ্যত হইল এবং হস্তে খড়গ লইয়া দেবকীর কেশাকর্ষণ করিল। কংস চিরদিনের নৃশংস ও নির্লজ্জ। মহাভাগ বসুদেব তাহাকে এই নিন্দিত কর্ম্ম করিতে উচ্চত দেখিয়া সান্ত্বনাদান-পূর্ব্বক বলিলেন—আপনি ভোজ বংশের যশস্বী পুরুষ, আপনার গুণ বীরসমাজের প্রশংসনীয় ; আপনার ন্যায় কিরূপে একটি স্ত্রীলোক বিশেষতঃ নিজ ভগ্নীকে বধ করতে পারেন? এই কথা শ্রবণ করে কংস অন্তরে কতকটা দুঃখিত হইলেন । বসুদেব বলিলেন ঐ আকাশ- বাণী যাহা বলিল, সেরূপ ভয় দেবকী হইতে তোমার নাই। যাহা হইতে তোমার ভয় সম্ভাবনা হইয়াছে, সেই সকল পুত্রদিগকে আমি তোমার করে সমর্পণ করিব ।

কংস বসুদেবের বাক্যের সত্যতায় আস্থাবান্ ছিল; কাজেই বসুদেবের এই প্ৰতিশ্ৰুতি পাইয়া সে ভগিনী-বধ হইতে বিরত হইল কিন্তু দুরাচার কংস বসুদেব এবং দেবকীকে কারাগারে বন্দি করিলেন সকল পুত্রগণকে নিধনের নিমিত্তে। 
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

   📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝
     ꧁👇📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী📖👇



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   🌷❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🌷
   🏵️❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🏵️
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧










পার্শ্ব একাদশী 🌙 সংগৃহীত 🙇 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/09/parsva.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

🆕  পার্শ্ব একাদশী 🌙 সংগৃহীত 🙇 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/09/parsva.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে ভাদ্রমাসের শুক্লপক্ষের পার্শ্ব একাদশী মাহাত্ম্য যুধিষ্ঠির- শ্রীকৃষ্ণ সংবাদে এইরকম বলা হয়েছে।

যুধিষ্ঠি মহারাজ জিজ্ঞাসা করলেন হে কৃষ্ণ। ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের একাদশীর নাম কি? এবং এই ব্রত পালনেই কি পূণ্য লাভ হয়? উত্তরে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বললেন হে ধর্মরাজ মাহা পুণ্যপ্রদা, সমস্ত পাপহারিনী এবং মুক্তিদায়িনী এই একাদশী বাজপেয় যজ্ঞ থেকেও বেশি ফল দান করে। যে ব্যক্তি এই তিথিতে ভক্তি সহকারে ভগবান শ্রীবামনদেবের পূজা করেন তিনি ত্রিলোক পূজিত হন। পদ্মফুলে পদ্মলোচন শ্রীবিষ্ণুর অর্চনকারী বিষ্ণুলোক প্রাপ্ত হন। শায়িত ভগবান এই তিথিতে পার্শ্ব পরিবর্তন করেন। তাই এর নাম পার্শ্ব একাদশী বা পরিবর্তীনি একাদশী।

যুধিষ্ঠির মহারজ বললেন হে জনার্দন আপনার এসকল কথা শুনেও আমার সন্দেহ পুর্ণরূপে দুর হয়নি। হে দেব আপনি কিভাবে শয়র করেন, কিভাবেই বা পার্শ্ব পরিবর্তন করেন, আর চার্তুমাস্য ব্রত পালনকারীর কি কর্তব্য এবং আপনার শয়নকালে লোকের কি করণীয়? এসব বিষয়ে বিস্তারিতভাবে আমাকে বলুন। আর কেনই বা দৈত্যরাজ বলিকে বেঁধে রাখা হয়েছিল, তা বর্ণনা করে আমার সকল সন্দেহ দুর করুন। শ্রীকৃষ্ণ বললেন হে রাজন দৈত্যকুলে আবির্ভূত প্রহ্লাদ মহারাজের পৌত্র “বলি” আমার অতি প্রিয় ভক্ত ছিল। সে আমার সন্তুষ্টি বিধানের জন্য গো-ব্রাক্ষণ পূজা ও যজ্ঞাদি ব্রত সম্পাদন করত। কিন্তু ইন্দ্রের প্রতি বিদ্বেষবশথ সকল দেবলোক সে জয় করে নেয়। তখন দেবতাগণসহ ইন্দ্র আমার শরণপন্ন হয়েছিল। তাদের প্রার্থনায় আমি ব্রাক্ষণবালক বেশে বামনরূপে বলি মাহারাজের যজ্ঞস্থলে উপস্থিত হলাম। তার কাছে আমি ত্রিপাদভুমিমাত্র প্রার্থনা করেছিলাম। সেই তুচ্ছ থেকে আরও শ্রেষ্ঠ কিছু সে আমাকে দিতে চাইলেও আমি কেবল ত্রিপাদ ভূমি গ্রহণেই স্থির থাকলাম। দৈত্যগুরু শুত্রুাচাার্য আমাকে ভগবানরুপে জানতে পেরে বলিমহারাজকে ঐদান দিতে নিষেধ করল। কিন্তু সত্যাশ্রয়ী বলি গুরুর নির্দেশ অমান্য করে আমাকে দান দিতে সংকল্প করল। তখন আমি এক পদে নীচের সপ্তলোক, আরেক পদে উপরের সপ্তভুবন অধিকার করে নিলাম। পুনরায় তৃতীয় পদের স্থান চাইলে সে তার মাথা পেতে দিল। আমি তার মস্তকে তৃতীয় পদ স্থাপন করলাম। তার আচরণে সন্তুষ্ট হয়ে আমি সর্বদা তার কাছে বাস করার প্রতিশ্রুতি দিলাম।

ভাদ্র শুক্লপক্ষীয়া একাদশীতে ভগবান শ্রীবামন দেবের এক মুর্তি বলি মহারাজের আশ্রমে স্থাপিত হয়। দ্বিতীয় মুর্তি ক্ষীর সাগরে অনন্তদেবের কোলে শয়ন একাদশী থেকে উত্থান একাদশী পর্যন্ত চারমাস শয়ন অবস্থায় থাকেন। এই চারমাস যে ব্যক্তি নিদিষ্ট নিয়ম, ব্রত বা জপ তপ ব্যতীত দিনযাপন করে, সেই মহামুর্খ্ জীবিত থাকলেও তাকে মৃত বলে জানতে হবে। শ্রাবণ মাসে শাক, ভাদ্র মাসে দই, আশ্বিনে দুধ, কার্তিক মাসে মাসকালাই বর্জন করেএই চারমাস শ্রীকৃষ্ণর আরাধনা করতে হয়। প্রতিটি একদশী ব্রত যথাযথ পালন করতে হয়। শায়িত ভগবান পার্শ্ব পরিবর্তন করেন বলে এই একাদশী মহাপুন্য ও সকল অভীষ্ট প্রদাতা। এই একাদশী ব্রত পালনে এক সহস্র অশ্বমেধ যজ্ঞের ফল পাওয়া যায়।
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

   📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝
     ꧁👇📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী📖👇



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   🌷❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🌷
   🏵️❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🏵️
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧




adds