শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

পিতার মাতার প্রধান দায়িত্ব এবং কর্তব্য 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/04/httpsm_35.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    ꧁ পিতার মাতার প্রধান দায়িত্ব এবং কর্তব্য ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
মাতৃ প্রণাম মন্ত্র- ভূমেগরীয়সী মাতা স্বাগাৎ উচ্চতর পিতা জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী। 

গর্ভ ধারণ্যং পোষ্যভাং পিতুমাতা বিশ্বস্তে। 
সর্বদেব সরুপায় স্তন্মৈমাত্র নমঃ নমঃ।।

মাতা জননী ধরিত্রী, দয়াদ্র হৃদয়া সতী।
দেবীভ্যো রমণী শ্রেষ্ঠা নির্দ্দোশা সর্ব দুঃখ হারা।। 

ওঁ শান্তিরূপাং ক্ষমারূপাং স্নেহরূপাং শুভংকরীং।
সাক্ষাৎ ভগবতীদেবীং মাতরং ত্বাং নমাম্যহম্।।

পিতৃ প্রণাম মন্ত্র- পিতাস্বর্গঃ পিতা ধর্মঃ পিতাহি পরমংতপঃ।
পিতরি প্রীতিমাপন্নে প্রীয়ন্তে সর্বদেবতা।। 
নমঃ পিতৃ চরণেভ্য নমঃ।।

প্রত্যেক পিতা মাতার উচিত তাদের নিজ নিজ সন্তানকে সুপথে পরিচালনা করা এর জন্য প্রয়োজন তাদের সন্তান কে কৃষ্ণভক্তে পরিনত করা। যাতে তার সন্তান সারা জীবন সৎ থাকে পরবর্তীতে ভগবানের কাছে চলে যেতে পারে এটাই হচ্ছে আর্দশ পিতা মাতার কর্তব্য। 

বৈবর্ত্ত পুরাণে (৮/৯৫/৯৬.) বলা হয়েছে, গুরু পিতা বা স্বামী যদি শ্রীহরির প্রতি ভক্তি শিক্ষা না দেয় তবে তাদের সম্মান করা সার। আমাদের পিতা মাতা যদি কৃষ্ণ ভক্তির শিক্ষা নাও দিয়ে থাকে তাহলেও অবজ্ঞা করা উচিত নয় আমরা যেন এই ভূলটি না করি।

একমাত্র অসুর প্রকৃতি পিতা-মাতাই কৃষ্ণ ভক্তির শিক্ষা দেয় না। যেমন -হিরণ্যকশিপু প্রহল্বাদকে হরি নাম নিতে দিত না। 

বর্তমানে সবাই সবার পুত্র সন্তানদের নিয়ে মর্ডান যুগের এর শিক্ষা দিচ্ছে। আগে কারো পুত্রের নাম হত গোবিন্দ, কারো নাম হত কৃষ্ণ আর ও কত কি? বর্তমানে নাম রাখা হচ্ছে অনেক আধুনিক আধুনিক নাম।

একটা দু:খের কথা হল একজন মা আরেক জন মায়ের কাছে গল্প করে আমার ছেলে খুব স্টাইলিশ, প্রতিদিন সিনেমা হলে যায়, ক্লাবে যায়, খুব স্মার্ট,গলায় কত রকমের হার পড়ে,হাতে কত ধরনের ব্যাজ পড়ে।

কিন্তু যদি কোন রকমে জানতে পারে যে তার ছেলেটি মন্দিরে যাচ্ছে, গলায় তুলসী মালা পড়েছে তাহলে তো ঐ পিতামাতার মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ল।

তখন ছেলেটিকে বুঝায় বাবা তোমার বয়স হয়নি, তুমি এখনো ছোট, তোমার ধর্ম কর্ম করার অনেক সময় পড়ে রয়েছে এখন এগুলো করিও না। 

শাস্ত্রে বলা হয়েছে যে পুত নামক নরক থেকে যে উদ্ধার করতে পারবে তার নামই হল পুত্র। তাই সবার উচিত নিজ নিজ সন্তানকে ধর্মীয় শিক্ষা দান করা ।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧     ⬇️⬇️⬇️এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন⬇️⬇️⬇️

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



পিতার মাতার প্রধান দায়িত্ব এবং কর্তব্য 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/04/httpsm_35.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    ꧁ পিতার মাতার প্রধান দায়িত্ব এবং কর্তব্য ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
মাতৃ প্রণাম মন্ত্র- ভূমেগরীয়সী মাতা স্বাগাৎ উচ্চতর পিতা জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী। 

গর্ভ ধারণ্যং পোষ্যভাং পিতুমাতা বিশ্বস্তে। 
সর্বদেব সরুপায় স্তন্মৈমাত্র নমঃ নমঃ।।

মাতা জননী ধরিত্রী, দয়াদ্র হৃদয়া সতী।
দেবীভ্যো রমণী শ্রেষ্ঠা নির্দ্দোশা সর্ব দুঃখ হারা।। 

ওঁ শান্তিরূপাং ক্ষমারূপাং স্নেহরূপাং শুভংকরীং।
সাক্ষাৎ ভগবতীদেবীং মাতরং ত্বাং নমাম্যহম্।।

পিতৃ প্রণাম মন্ত্র- পিতাস্বর্গঃ পিতা ধর্মঃ পিতাহি পরমংতপঃ।
পিতরি প্রীতিমাপন্নে প্রীয়ন্তে সর্বদেবতা।। 
নমঃ পিতৃ চরণেভ্য নমঃ।।

প্রত্যেক পিতা মাতার উচিত তাদের নিজ নিজ সন্তানকে সুপথে পরিচালনা করা এর জন্য প্রয়োজন তাদের সন্তান কে কৃষ্ণভক্তে পরিনত করা। যাতে তার সন্তান সারা জীবন সৎ থাকে পরবর্তীতে ভগবানের কাছে চলে যেতে পারে এটাই হচ্ছে আর্দশ পিতা মাতার কর্তব্য। 

বৈবর্ত্ত পুরাণে (৮/৯৫/৯৬.) বলা হয়েছে, গুরু পিতা বা স্বামী যদি শ্রীহরির প্রতি ভক্তি শিক্ষা না দেয় তবে তাদের সম্মান করা সার। আমাদের পিতা মাতা যদি কৃষ্ণ ভক্তির শিক্ষা নাও দিয়ে থাকে তাহলেও অবজ্ঞা করা উচিত নয় আমরা যেন এই ভূলটি না করি।

একমাত্র অসুর প্রকৃতি পিতা-মাতাই কৃষ্ণ ভক্তির শিক্ষা দেয় না। যেমন -হিরণ্যকশিপু প্রহল্বাদকে হরি নাম নিতে দিত না। 

বর্তমানে সবাই সবার পুত্র সন্তানদের নিয়ে মর্ডান যুগের এর শিক্ষা দিচ্ছে। আগে কারো পুত্রের নাম হত গোবিন্দ, কারো নাম হত কৃষ্ণ আর ও কত কি? বর্তমানে নাম রাখা হচ্ছে অনেক আধুনিক আধুনিক নাম।

একটা দু:খের কথা হল একজন মা আরেক জন মায়ের কাছে গল্প করে আমার ছেলে খুব স্টাইলিশ, প্রতিদিন সিনেমা হলে যায়, ক্লাবে যায়, খুব স্মার্ট,গলায় কত রকমের হার পড়ে,হাতে কত ধরনের ব্যাজ পড়ে।

কিন্তু যদি কোন রকমে জানতে পারে যে তার ছেলেটি মন্দিরে যাচ্ছে, গলায় তুলসী মালা পড়েছে তাহলে তো ঐ পিতামাতার মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ল।

তখন ছেলেটিকে বুঝায় বাবা তোমার বয়স হয়নি, তুমি এখনো ছোট, তোমার ধর্ম কর্ম করার অনেক সময় পড়ে রয়েছে এখন এগুলো করিও না। 

শাস্ত্রে বলা হয়েছে যে পুত নামক নরক থেকে যে উদ্ধার করতে পারবে তার নামই হল পুত্র। তাই সবার উচিত নিজ নিজ সন্তানকে ধর্মীয় শিক্ষা দান করা ।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧     ⬇️⬇️⬇️এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন⬇️⬇️⬇️

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



শ্রীশ্রী মহামন্ত্র নামের তাৎপর্য

✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
           ꧁ শ্রীশ্রী মহামন্ত্র নামের তাৎপর্য ꧂
                       👇👇👇🙏👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
সকল কিছু লিখনী👇👇🙏👇👇📚 *PDF গ্রন্থ* 📚 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧            
"হরে কৃষ্ণ"মহামন্ত্রের সাথে "১৬ নাম ৩২ অক্ষর" শব্দটা জড়িত।আজ জানব এই "১৬ নাম ৩২ অক্ষর" কথার তাৎপর্যঃ

প্রথমত ১৬ নামের তাৎপর্যঃ

১.অষ্ট "হরে" নামের তাৎপর্য :
প্রথমত, ‘হরে’- চন্দ্রাবলী
দ্বিতীয়ত, ‘হরে’- প্রেমময়ী শ্রীরাধা
তৃতীয়ত, ‘হরে’- সুভাষিণী
চতুর্থত, ‘হরে’- সিংহাসন
পঞ্চমত, ‘হরে’- সুদর্শন
ষষ্ঠত, ‘হরে’- শেষ দেব
সপ্তমত, ‘হরে’- সাবিত্রী
অষ্টমত, ‘হরে’- রেবতী
২.চারি "কৃষ্ণ" নামের তাৎপর্য :
প্রথমত, ‘কৃষ্ণ’- পরম ব্রহ্ম শ্রীগোবিন্দ
দ্বিতীয়ত, ‘কৃষ্ণ’- বাসুদেব
তৃতীয়ত, ‘কৃষ্ণ’- জগন্নাথ
চতুর্থত, ‘কৃষ্ণ’- বলভদ্র

৩.চারি "রাম" নামের তাৎপর্য :
প্রথমত, ‘রাম’- শ্রীরাধিকা
দ্বিতীয়ত, ‘রাম’- লক্ষ্মী
তৃতীয়ত, ‘রাম’- সরস্বতী
চতুর্থত, ‘রাম’- সুভদ্রা
দ্বিতীয়ত হরিনাম মহামন্ত্রের ৩২ অক্ষরের তাৎপর্যঃ
১.‘হ’- অক্ষরে শ্রীললিতা সখী মস্তকেতে।
২.‘রে’- অক্ষরে শ্রীবিশাখা দক্ষিণ বাহুতে।।
৩.‘কৃ’-অক্ষরে চম্পকলতা সখীকন্ঠে রয়।
৪.‘ষ্ণ’- অক্ষরেচিত্রা সখী বাহুতে শোভয়।।
৫.‘হ’- অক্ষরে রঙ্গদেবী সখী থাকে হাতে।
৬.‘রে’- অক্ষরে সুদেবী যে থাকয়ে পৃষ্ঠেতে।।
৭.‘কৃ’- অক্ষরে তুঙ্গবিদ্যা বদন উপরে।
৮.‘ষ্ণ’- অক্ষরে ইন্দুরেখা শ্রবণ বিবরে।।
৯.‘কৃ’- অক্ষরে শশীরেখা রহে ভুরুযুগে।
১০.‘ষ্ণ’- অক্ষরে বিমলা সখী ভ্রুর ডান ভাগে।।
১১.‘কৃ’- অক্ষরে পালিকা সখী ভ্রুর বামে রয়।
১২.‘ষ্ণ’- অক্ষরে লবঙ্গমঞ্জরী থাকয়ে হৃদয়।।
১৩.‘হ’- অক্ষরে শ্যামলা সখী নাভীতে থাকায়।
১৪.‘রে’- অক্ষরে মধুমতী নাভি মধ্যে রয়।।
১৫.‘হ’- অক্ষরে ধন্যা সখী করাঙ্গুলি রয়।
১৬.‘রে’- অক্ষরে মঙ্গলা কর অধোমুখী হয়।।
১৭.‘হ’- অক্ষরে শ্রীদাম সখা জঙ্ঘায় থাকয়।
১৮.‘রে’- অক্ষরে সুদাম সখা জানু নিবসয়।।
১৯.‘রা’- অক্ষরে বসুদাম সাখা থাকে ভুরু অঙ্গে।
২০.‘ম’- অক্ষরে অর্জুন সখা সদা থাকে লিঙ্গে।।
২১.‘হ’- অক্ষরে সুবল সখা দক্ষিণ পদেতে।
২২.‘রে’- অক্ষরে কিঙ্কিণী সখা আছে বামেতে।।
২৩.‘রা’- অক্ষরে চাতক সখা পূর্বে নিবসয়।
২৪.‘ম’- অক্ষরে মধুমঙ্গল অগ্নিকোণে রয়।।
২৫.‘রা’- অক্ষরে শুক সখা থাকয়ে দক্ষিণে।।
২৬.‘ম’-অক্ষরে বিশাল সখা রয় নৈঋর্ত কোণে।
২৭.‘রা’- অক্ষরে মহাবল সখা পশ্চিমে থাকায়।।
২৮.‘ম’- অক্ষরে বৃষভ সখা বায়ুকোণে রয়।
২৯.‘হ’- অক্ষরে দেবপ্রস্থ সখা উত্তরেতে।।
৩০.‘রে’- অক্ষরে উদ্ভব সখা আছে ঈশানেতে।।
৩১.‘হ’- অক্ষরে মহাবাহু ঊর্ধ্বে রয় সুখে।
৩২.‘রে’- অক্ষরে ঈশান সখা আছে অধোমুখে।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






শ্রীশ্রী মহামন্ত্র নামের তাৎপর্য

✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
           ꧁ শ্রীশ্রী মহামন্ত্র নামের তাৎপর্য ꧂
                       👇👇👇🙏👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
সকল কিছু লিখনী👇👇🙏👇👇📚 *PDF গ্রন্থ* 📚 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧            
"হরে কৃষ্ণ"মহামন্ত্রের সাথে "১৬ নাম ৩২ অক্ষর" শব্দটা জড়িত।আজ জানব এই "১৬ নাম ৩২ অক্ষর" কথার তাৎপর্যঃ

প্রথমত ১৬ নামের তাৎপর্যঃ

১.অষ্ট "হরে" নামের তাৎপর্য :
প্রথমত, ‘হরে’- চন্দ্রাবলী
দ্বিতীয়ত, ‘হরে’- প্রেমময়ী শ্রীরাধা
তৃতীয়ত, ‘হরে’- সুভাষিণী
চতুর্থত, ‘হরে’- সিংহাসন
পঞ্চমত, ‘হরে’- সুদর্শন
ষষ্ঠত, ‘হরে’- শেষ দেব
সপ্তমত, ‘হরে’- সাবিত্রী
অষ্টমত, ‘হরে’- রেবতী
২.চারি "কৃষ্ণ" নামের তাৎপর্য :
প্রথমত, ‘কৃষ্ণ’- পরম ব্রহ্ম শ্রীগোবিন্দ
দ্বিতীয়ত, ‘কৃষ্ণ’- বাসুদেব
তৃতীয়ত, ‘কৃষ্ণ’- জগন্নাথ
চতুর্থত, ‘কৃষ্ণ’- বলভদ্র

৩.চারি "রাম" নামের তাৎপর্য :
প্রথমত, ‘রাম’- শ্রীরাধিকা
দ্বিতীয়ত, ‘রাম’- লক্ষ্মী
তৃতীয়ত, ‘রাম’- সরস্বতী
চতুর্থত, ‘রাম’- সুভদ্রা
দ্বিতীয়ত হরিনাম মহামন্ত্রের ৩২ অক্ষরের তাৎপর্যঃ
১.‘হ’- অক্ষরে শ্রীললিতা সখী মস্তকেতে।
২.‘রে’- অক্ষরে শ্রীবিশাখা দক্ষিণ বাহুতে।।
৩.‘কৃ’-অক্ষরে চম্পকলতা সখীকন্ঠে রয়।
৪.‘ষ্ণ’- অক্ষরেচিত্রা সখী বাহুতে শোভয়।।
৫.‘হ’- অক্ষরে রঙ্গদেবী সখী থাকে হাতে।
৬.‘রে’- অক্ষরে সুদেবী যে থাকয়ে পৃষ্ঠেতে।।
৭.‘কৃ’- অক্ষরে তুঙ্গবিদ্যা বদন উপরে।
৮.‘ষ্ণ’- অক্ষরে ইন্দুরেখা শ্রবণ বিবরে।।
৯.‘কৃ’- অক্ষরে শশীরেখা রহে ভুরুযুগে।
১০.‘ষ্ণ’- অক্ষরে বিমলা সখী ভ্রুর ডান ভাগে।।
১১.‘কৃ’- অক্ষরে পালিকা সখী ভ্রুর বামে রয়।
১২.‘ষ্ণ’- অক্ষরে লবঙ্গমঞ্জরী থাকয়ে হৃদয়।।
১৩.‘হ’- অক্ষরে শ্যামলা সখী নাভীতে থাকায়।
১৪.‘রে’- অক্ষরে মধুমতী নাভি মধ্যে রয়।।
১৫.‘হ’- অক্ষরে ধন্যা সখী করাঙ্গুলি রয়।
১৬.‘রে’- অক্ষরে মঙ্গলা কর অধোমুখী হয়।।
১৭.‘হ’- অক্ষরে শ্রীদাম সখা জঙ্ঘায় থাকয়।
১৮.‘রে’- অক্ষরে সুদাম সখা জানু নিবসয়।।
১৯.‘রা’- অক্ষরে বসুদাম সাখা থাকে ভুরু অঙ্গে।
২০.‘ম’- অক্ষরে অর্জুন সখা সদা থাকে লিঙ্গে।।
২১.‘হ’- অক্ষরে সুবল সখা দক্ষিণ পদেতে।
২২.‘রে’- অক্ষরে কিঙ্কিণী সখা আছে বামেতে।।
২৩.‘রা’- অক্ষরে চাতক সখা পূর্বে নিবসয়।
২৪.‘ম’- অক্ষরে মধুমঙ্গল অগ্নিকোণে রয়।।
২৫.‘রা’- অক্ষরে শুক সখা থাকয়ে দক্ষিণে।।
২৬.‘ম’-অক্ষরে বিশাল সখা রয় নৈঋর্ত কোণে।
২৭.‘রা’- অক্ষরে মহাবল সখা পশ্চিমে থাকায়।।
২৮.‘ম’- অক্ষরে বৃষভ সখা বায়ুকোণে রয়।
২৯.‘হ’- অক্ষরে দেবপ্রস্থ সখা উত্তরেতে।।
৩০.‘রে’- অক্ষরে উদ্ভব সখা আছে ঈশানেতে।।
৩১.‘হ’- অক্ষরে মহাবাহু ঊর্ধ্বে রয় সুখে।
৩২.‘রে’- অক্ষরে ঈশান সখা আছে অধোমুখে।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






প্রয়োজনীয় মন্ত্র 🙏 সংগৃহীত 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/04/blog-post_38.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                     ꧁ প্রয়োজনীয় মন্ত্র 
                        👇👇👇🙏👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
সকল কিছু লিখনী👇👇🙏👇👇📚 *PDF গ্রন্থ* 📚 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
              ꧁ স্তত্রম- বন্দনা- গীত- আরতি ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
১৷🙏🙏🙏গুরু প্রণাম মন্ত্র
শ্রীগুরুভ্যো নমঃ, পরম গুরুভ্যো নমঃ, পরাৎপর গুরুভ্যো নমঃ, পরমেষ্ঠি গুরুভ্যো নমঃ, সমস্ত গুরুপাদগণেভ্যো নমঃ।

ওঁ গুরুর্ব্রহ্মা গুরুর্বিষ্ণু গুরুর্দেব মহেশ্বরঃ॥
গুরুরেব পরং ব্রহ্ম তস্মৈ শ্রী গুরবে নমঃ॥

অখণ্ডমণ্ডলাকারং ব্যাপ্তং যেন চরাচরম।
তৎপদং দর্শিতং যেন তস্মৈ শ্রী গুরবে নমঃ॥

"ওঁ অজ্ঞান তিমিরান্ধস্য জ্ঞানাঞ্জন শলাকয়া।
চক্ষুরুন্মিলিত যেন তস্মৈ শ্রীগুরুবে নমঃ ।।

২৷🙏🙏🙏শ্রীকৃষ্ণের প্রণাম মন্ত্র
"হে কৃষ্ণ করুণা সিন্ধু দীনবন্ধু জগৎপথে।
গোপেশ গোপীকা কান্ত রাধাকান্ত নমহস্তুতে ।।"

৩৷ 🙏🙏🙏শ্রী রাধারানী প্রণাম মন্ত্র
"তপ্ত কাঞ্চন গৌরাঙ্গীং রাধে বৃন্দাবনেশ্বরী।
বৃষভানু সূতে দেবী তাং প্রণমামি হরি প্রিয়ে।।"

৪৷ 🙏🙏🙏শ্রী পঞ্চতত্ত্ব প্রনাম মন্ত্র
""পঞ্চতত্ত্ব আত্মকং কৃষ্ণং ভক্তরূপ স্বরূপকম্ ।
ভক্ত অবতারং ভক্তাখ্যাং নমামি ভক্ত শক্তিকম্ ৷৷""

৫৷ 🙏🙏🙏শ্রীশ্রী গম্ভীরানাথের প্রণাম মন্ত্র
 শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ 
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।

৬৷ 🙏🙏🙏হরিনাম মহামন্ত্র
"" হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে 
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷৷""

৭৷ 🙏🙏🙏শ্রী পিতার প্রনাম মন্ত্র
"পিতা স্বর্গ, পিতা ধর্ম, পিতাহি পরমং তপ।
পিতোরি প্রিতিমা পন্নে প্রিয়ন্তে সর্ব দেবতাঃ।। ""

৮৷ 🙏🙏🙏শ্রীমাতার প্রনাম মন্ত্র
"মাতা জননী ধরিত্রী, দয়াদ্র হৃদয়া সতী।
দেবীভ্যো রমণী শ্রেষ্ঠা নির্দ্দোশা সর্ব দুঃখ হারা।।"

৯৷ 🙏🙏🙏শ্রী বৈষ্ণব প্রণাম মন্ত্র
""বাঞ্ছাকল্প তরুভ্যশ্চ কৃপাসিন্ধুভ্য এব চ।
পতিতানাং পাবনেভ্যা বৈষ্ণবেভ্যে নমো নমঃ ।।""

১০৷ 🙏🙏🙏মহাপ্রভু গৌরাঙ্গের প্রণাম মন্ত্র 
"নমো মহাবদান্যায় কৃষ্ণপ্রেম প্রদায় তে।
কৃষ্ণায় কৃষ্ণচৈতন্যানাম্নে গৌরত্বিষে নমঃ৷"

১১৷ 🙏🙏🙏তুলসী প্রণাম মন্ত্র
""বৃন্দায়ৈ তুলসী দৈব্যে প্রিয়ায়ৈ কেশবস্য চ ।
কৃষ্ণ ভক্তি প্রদে দেবী সত্যবত্যৈঃ নমঃ নমঃ ।।""

১২৷ 🙏🙏🙏তুলসী জলদান মন্ত্র
""গোবিন্দ বল্লভাং দেবী ভক্ত চৈতন্য কারিনী।
স্নাপযামি জগদ্ধাত্রীং কৃষ্ণভক্তি প্রদায়িনী।।""

১৩৷ 🙏🙏🙏তুলসী পত্র চয়ন মন্ত্র
""ওঁ তুলস্যমৃতজন্মাসি সদা ত্বং কেশবপ্রিয়া।
কেশবার্থে চিনোমি ত্বাং বরদা ভব শোভনে॥""

১৪৷ 🙏🙏🙏তুলসীদেবীর কাছে ক্ষমা প্রর্থনা মন্ত্র
""চয়নোদ্ভবদুঃখং চ যদ্ হৃদি তব বর্ততে।
তত্‍ ক্ষমস্ব জগন্মাতঃ বৃন্দাদেবী নমোহস্ততে॥""

১৫৷ 🙏🙏🙏গোবিন্দ প্রনাম মন্ত্র
""নাম ব্রহ্মাণ্ড দেবায় গোব্রাহ্মণ হিতায় চঃ জগদ্ধিতায় কৃষ্ণায় গোবিন্দায় নমঃ॥""

১৬৷ 🙏🙏🙏আচমন মন্ত্র 
""ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু।
ওঁ তদ্বিষ্ণু পরমং পদং সদাপশ্যান্তি সুরয়। দিবিব চহ্মুরাততম।""

১৭৷🙏🙏🙏গঙ্গা প্রনাম মন্ত্র
"'"ওঁ সদ্যঃপাতকসংহন্ত্রী সদ্যোদুঃখবিনাশিনী।
সুখদা মোক্ষদা গঙ্গা গঙ্গৈব পরমা গতিঃ।।

১৮৷ 🙏🙏🙏সূর্য প্রনাম মন্ত্র
""ওঁ জবাকুসুম সঙ্কাশং কাশ্যপেয়ং মহাদ্যুতিং।
ধ্বান্তারিং সর্ব পাপঘ্নং প্রণতোহস্মি দিবাকরম্।। ""

১৯৷ 🙏🙏🙏গীতা পাঠে ভুলের ক্ষমা প্রর্থনা মন্ত্র 
নমো যদক্ষরং মাত্রাহীনঞ্চ যদ্‌ ভবেৎ ।
পূর্ণং ভবতু ত্বং সর্বং ত্বং প্রসাদাৎ জনার্দ্দন ।।

২০৷ 🙏🙏🙏সরস্বতী দেবীর প্রনাম মন্ত্র 
""নমো সরস্বতী মহাভাগে বিদ্যে কমললোচনে। বিশ্বরূপে বিশালাক্ষ্মী বিদ্যাংদেহি নমোহস্তুতে।""

২১৷ 🙏🙏🙏পুষ্প শুদ্ধিকরন মন্ত্র
""ওঁ পুষ্পে পুষ্পে মহাপুষ্পে সুপুষ্পে পুষ্পসম্ভবে পুষ্পচয়াবকীর্নে চ হুং ফট স্বাহা।। ""

২২৷ 🙏🙏🙏একাদশী পারনা মন্ত্র
• ”একাদশ্যাং নিরাহারো ব্রতেনানেন কেশব।
প্রসীদ সুমুখ নাথ জ্ঞানদৃষ্টিপ্রদো ভব।।”

২৩৷ 🙏🙏🙏দেহ শুদ্ধি মন্ত্র
"পাপোহং পাপ কর্মাহং পাপাত্মা পাপ সম্ভাবান্ ।
ত্রাহি মাং পুন্ডরীকাক্ষং সর্ব পাপো হরো হরি ৷৷""

২৪৷ 🙏🙏🙏শ্রীকৃষ্ণের চরনামৃত পান করার মন্ত্র 
"ওঁ অকাল-মৃত্যু-হরণং সর্ব্ব ব্যাধি-বিনাশনং ।
কৃষ্ণ পাদোদকং পীত্বা শিরসা ধারয়াম্যহং ।।"

২৫৷ 🙏🙏🙏শিবের প্রনাম মন্ত্র
"ওঁ নমঃ শিবায় শান্তায় কারণত্রয় হে তবে।
নিবেদয়ামি চাত্মানং ত্বং গতি পরমেশ্বর।"

২৬৷ 🙏🙏🙏প্রসাদ সেবন মন্ত্র 
"মহাপ্রসাদে গোবিন্দে নাম-ব্রহ্মেণি
বৈষ্ণবে।
স্বল্প-পুণ্য বতাং রাজন্ বিশ্বাস নৈব
জায়তে॥
শরীর অবিদ্যা-জাল, জড়েন্দ্রিয় তাহে
কাল,
জীবে ফেলে বিষয়-সাগরে।
তা'র মধ্য জিহ্বা অতি, লোভময় সুদুর্মতি,
তা'কে জেতা কঠিন সংসারে॥
কৃষ্ণ বড় দয়াময়, করিবারে জিহ্বা জয়,
স্বপ্রসাদ-অন্ন দিলা ভাই।
সেই অন্নামৃত খাও, রাধাকৃষ্ণ গুণ গাও,
প্রেমে ডাক চৈতন্য-নিতাই ৷৷""

২৭৷ 🙏🙏🙏জন্ম সংবাদ মন্ত্র
"আয়ুষ্মান ভব""( তিনবার)
২৮৷ মৃত্যু সংবাদ মন্ত্র
"দিব্যান্ লোকান্ স গচ্ছতু"( পুরুষের ক্ষেত্রে)
"দিব্যান্ লোকান্ সা গচ্ছতু"( নারীর ক্ষেত্রে)

২৯৷ 🙏🙏🙏নৃসিংহ প্রনাম মন্ত্র
""জয় নৃসিংহ শ্রীনৃসিংহ
জয় জয় জয় শ্রীনৃসিংহ
উগ্রং বিরং মহাবিষ্ণুং
জলন্তং সর্বতোমুখং
নৃসিংহং বিষনং ভদ্রং
মৃত্যুর মৃত্যো নমাম্যহং
শ্রী নৃসিংহ জয় নৃসিংহ 
জয় জয় নৃসিংহ 
প্রহ্লাদেশ জয় পদ্ম
মুখো পদ্ম বৃংঙ্গম।।""

৩০৷ 🙏🙏🙏শ্রী রাম-সীতা প্রনাম মন্ত্র
"রামায় রাম-ভদ্রায় রামচন্দ্রায় মেধষে ।
রঘুনাথায় নাথায় সীতায়ৈ পতয়ে নমঃ

৩১।🙏🙏🙏সত্যযুগ:-
"নারায়ণ পরাবেদা নারায়ণ পরাক্ষরা। 
নারায়ণ পরামুক্তি নারায়ণ পরাগতি"॥

৩২। 🙏🙏🙏ত্রেতাযুগ:-
"রাম নারায়ণানন্ত মুকুন্দ মধুসূদন। 
কৃষ্ণ কেশব সংসারে হরে বৈকুণ্ঠ বামন"॥

৩৩।🙏🙏🙏দ্বাপরযুগ:-
"হরে মুরারে মধুকৈটভারে ।
গোপাল গোবিন্দ মুকুন্দ সৌরে।।
যজ্ঞেশ্বর নারায়ণ কৃষ্ণ বিষ্ণু।
 নিরাশ্রয়ং মাং জগদীশ রক্ষ"॥

 ৩৪।🙏🙏🙏 কলিযুগ:-
"হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে" ।।

৩৫। 🙏🙏🙏 গৌড় এবং সকল পার্ষদগণ প্রণাম মন্ত্র
"গুরবে গৌরচন্দ্রায় রাধিকায়ৈ তদালয়ে।
 কৃষ্ণায় কৃষ্ণভক্তায় তদ্ভক্তায় নমো নমঃ।।"

৩৬। 🙏🙏🙏
  "ওঁ অপবিত্রঃ পবিত্রো বা সর্ব্বাবস্থাং গতোহপি বা।
    যঃ স্মরেৎ পুণ্ডরীকাক্ষং স বাহ্যাভ্যন্তরঃ শুচিঃ।।"
           !! ওঁ শ্রীবিষ্ণু!! ওঁ শ্রীবিষ্ণু!! ওঁ শ্রীবিষ্ণু!!

৩৭. 🙏🙏🙏 প্রভাতে হস্তের দিকে তাকিয়ে 
*করাগ্রে বসতে লক্ষ্মী কর মধ্যে সরস্বতী।*   
*কর মূলে তু গোবিন্দং প্রভাতে "কর দর্শনম্"।*
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






প্রয়োজনীয় মন্ত্র 🙏 সংগৃহীত 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/04/blog-post_38.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                     ꧁ প্রয়োজনীয় মন্ত্র 
                        👇👇👇🙏👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
সকল কিছু লিখনী👇👇🙏👇👇📚 *PDF গ্রন্থ* 📚 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
              ꧁ স্তত্রম- বন্দনা- গীত- আরতি ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
১৷🙏🙏🙏গুরু প্রণাম মন্ত্র
শ্রীগুরুভ্যো নমঃ, পরম গুরুভ্যো নমঃ, পরাৎপর গুরুভ্যো নমঃ, পরমেষ্ঠি গুরুভ্যো নমঃ, সমস্ত গুরুপাদগণেভ্যো নমঃ।

ওঁ গুরুর্ব্রহ্মা গুরুর্বিষ্ণু গুরুর্দেব মহেশ্বরঃ॥
গুরুরেব পরং ব্রহ্ম তস্মৈ শ্রী গুরবে নমঃ॥

অখণ্ডমণ্ডলাকারং ব্যাপ্তং যেন চরাচরম।
তৎপদং দর্শিতং যেন তস্মৈ শ্রী গুরবে নমঃ॥

"ওঁ অজ্ঞান তিমিরান্ধস্য জ্ঞানাঞ্জন শলাকয়া।
চক্ষুরুন্মিলিত যেন তস্মৈ শ্রীগুরুবে নমঃ ।।

২৷🙏🙏🙏শ্রীকৃষ্ণের প্রণাম মন্ত্র
"হে কৃষ্ণ করুণা সিন্ধু দীনবন্ধু জগৎপথে।
গোপেশ গোপীকা কান্ত রাধাকান্ত নমহস্তুতে ।।"

৩৷ 🙏🙏🙏শ্রী রাধারানী প্রণাম মন্ত্র
"তপ্ত কাঞ্চন গৌরাঙ্গীং রাধে বৃন্দাবনেশ্বরী।
বৃষভানু সূতে দেবী তাং প্রণমামি হরি প্রিয়ে।।"

৪৷ 🙏🙏🙏শ্রী পঞ্চতত্ত্ব প্রনাম মন্ত্র
""পঞ্চতত্ত্ব আত্মকং কৃষ্ণং ভক্তরূপ স্বরূপকম্ ।
ভক্ত অবতারং ভক্তাখ্যাং নমামি ভক্ত শক্তিকম্ ৷৷""

৫৷ 🙏🙏🙏শ্রীশ্রী গম্ভীরানাথের প্রণাম মন্ত্র
 শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ 
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।

৬৷ 🙏🙏🙏হরিনাম মহামন্ত্র
"" হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে 
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷৷""

৭৷ 🙏🙏🙏শ্রী পিতার প্রনাম মন্ত্র
"পিতা স্বর্গ, পিতা ধর্ম, পিতাহি পরমং তপ।
পিতোরি প্রিতিমা পন্নে প্রিয়ন্তে সর্ব দেবতাঃ।। ""

৮৷ 🙏🙏🙏শ্রীমাতার প্রনাম মন্ত্র
"মাতা জননী ধরিত্রী, দয়াদ্র হৃদয়া সতী।
দেবীভ্যো রমণী শ্রেষ্ঠা নির্দ্দোশা সর্ব দুঃখ হারা।।"

৯৷ 🙏🙏🙏শ্রী বৈষ্ণব প্রণাম মন্ত্র
""বাঞ্ছাকল্প তরুভ্যশ্চ কৃপাসিন্ধুভ্য এব চ।
পতিতানাং পাবনেভ্যা বৈষ্ণবেভ্যে নমো নমঃ ।।""

১০৷ 🙏🙏🙏মহাপ্রভু গৌরাঙ্গের প্রণাম মন্ত্র 
"নমো মহাবদান্যায় কৃষ্ণপ্রেম প্রদায় তে।
কৃষ্ণায় কৃষ্ণচৈতন্যানাম্নে গৌরত্বিষে নমঃ৷"

১১৷ 🙏🙏🙏তুলসী প্রণাম মন্ত্র
""বৃন্দায়ৈ তুলসী দৈব্যে প্রিয়ায়ৈ কেশবস্য চ ।
কৃষ্ণ ভক্তি প্রদে দেবী সত্যবত্যৈঃ নমঃ নমঃ ।।""

১২৷ 🙏🙏🙏তুলসী জলদান মন্ত্র
""গোবিন্দ বল্লভাং দেবী ভক্ত চৈতন্য কারিনী।
স্নাপযামি জগদ্ধাত্রীং কৃষ্ণভক্তি প্রদায়িনী।।""

১৩৷ 🙏🙏🙏তুলসী পত্র চয়ন মন্ত্র
""ওঁ তুলস্যমৃতজন্মাসি সদা ত্বং কেশবপ্রিয়া।
কেশবার্থে চিনোমি ত্বাং বরদা ভব শোভনে॥""

১৪৷ 🙏🙏🙏তুলসীদেবীর কাছে ক্ষমা প্রর্থনা মন্ত্র
""চয়নোদ্ভবদুঃখং চ যদ্ হৃদি তব বর্ততে।
তত্‍ ক্ষমস্ব জগন্মাতঃ বৃন্দাদেবী নমোহস্ততে॥""

১৫৷ 🙏🙏🙏গোবিন্দ প্রনাম মন্ত্র
""নাম ব্রহ্মাণ্ড দেবায় গোব্রাহ্মণ হিতায় চঃ জগদ্ধিতায় কৃষ্ণায় গোবিন্দায় নমঃ॥""

১৬৷ 🙏🙏🙏আচমন মন্ত্র 
""ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু।
ওঁ তদ্বিষ্ণু পরমং পদং সদাপশ্যান্তি সুরয়। দিবিব চহ্মুরাততম।""

১৭৷🙏🙏🙏গঙ্গা প্রনাম মন্ত্র
"'"ওঁ সদ্যঃপাতকসংহন্ত্রী সদ্যোদুঃখবিনাশিনী।
সুখদা মোক্ষদা গঙ্গা গঙ্গৈব পরমা গতিঃ।।

১৮৷ 🙏🙏🙏সূর্য প্রনাম মন্ত্র
""ওঁ জবাকুসুম সঙ্কাশং কাশ্যপেয়ং মহাদ্যুতিং।
ধ্বান্তারিং সর্ব পাপঘ্নং প্রণতোহস্মি দিবাকরম্।। ""

১৯৷ 🙏🙏🙏গীতা পাঠে ভুলের ক্ষমা প্রর্থনা মন্ত্র 
নমো যদক্ষরং মাত্রাহীনঞ্চ যদ্‌ ভবেৎ ।
পূর্ণং ভবতু ত্বং সর্বং ত্বং প্রসাদাৎ জনার্দ্দন ।।

২০৷ 🙏🙏🙏সরস্বতী দেবীর প্রনাম মন্ত্র 
""নমো সরস্বতী মহাভাগে বিদ্যে কমললোচনে। বিশ্বরূপে বিশালাক্ষ্মী বিদ্যাংদেহি নমোহস্তুতে।""

২১৷ 🙏🙏🙏পুষ্প শুদ্ধিকরন মন্ত্র
""ওঁ পুষ্পে পুষ্পে মহাপুষ্পে সুপুষ্পে পুষ্পসম্ভবে পুষ্পচয়াবকীর্নে চ হুং ফট স্বাহা।। ""

২২৷ 🙏🙏🙏একাদশী পারনা মন্ত্র
• ”একাদশ্যাং নিরাহারো ব্রতেনানেন কেশব।
প্রসীদ সুমুখ নাথ জ্ঞানদৃষ্টিপ্রদো ভব।।”

২৩৷ 🙏🙏🙏দেহ শুদ্ধি মন্ত্র
"পাপোহং পাপ কর্মাহং পাপাত্মা পাপ সম্ভাবান্ ।
ত্রাহি মাং পুন্ডরীকাক্ষং সর্ব পাপো হরো হরি ৷৷""

২৪৷ 🙏🙏🙏শ্রীকৃষ্ণের চরনামৃত পান করার মন্ত্র 
"ওঁ অকাল-মৃত্যু-হরণং সর্ব্ব ব্যাধি-বিনাশনং ।
কৃষ্ণ পাদোদকং পীত্বা শিরসা ধারয়াম্যহং ।।"

২৫৷ 🙏🙏🙏শিবের প্রনাম মন্ত্র
"ওঁ নমঃ শিবায় শান্তায় কারণত্রয় হে তবে।
নিবেদয়ামি চাত্মানং ত্বং গতি পরমেশ্বর।"

২৬৷ 🙏🙏🙏প্রসাদ সেবন মন্ত্র 
"মহাপ্রসাদে গোবিন্দে নাম-ব্রহ্মেণি
বৈষ্ণবে।
স্বল্প-পুণ্য বতাং রাজন্ বিশ্বাস নৈব
জায়তে॥
শরীর অবিদ্যা-জাল, জড়েন্দ্রিয় তাহে
কাল,
জীবে ফেলে বিষয়-সাগরে।
তা'র মধ্য জিহ্বা অতি, লোভময় সুদুর্মতি,
তা'কে জেতা কঠিন সংসারে॥
কৃষ্ণ বড় দয়াময়, করিবারে জিহ্বা জয়,
স্বপ্রসাদ-অন্ন দিলা ভাই।
সেই অন্নামৃত খাও, রাধাকৃষ্ণ গুণ গাও,
প্রেমে ডাক চৈতন্য-নিতাই ৷৷""

২৭৷ 🙏🙏🙏জন্ম সংবাদ মন্ত্র
"আয়ুষ্মান ভব""( তিনবার)
২৮৷ মৃত্যু সংবাদ মন্ত্র
"দিব্যান্ লোকান্ স গচ্ছতু"( পুরুষের ক্ষেত্রে)
"দিব্যান্ লোকান্ সা গচ্ছতু"( নারীর ক্ষেত্রে)

২৯৷ 🙏🙏🙏নৃসিংহ প্রনাম মন্ত্র
""জয় নৃসিংহ শ্রীনৃসিংহ
জয় জয় জয় শ্রীনৃসিংহ
উগ্রং বিরং মহাবিষ্ণুং
জলন্তং সর্বতোমুখং
নৃসিংহং বিষনং ভদ্রং
মৃত্যুর মৃত্যো নমাম্যহং
শ্রী নৃসিংহ জয় নৃসিংহ 
জয় জয় নৃসিংহ 
প্রহ্লাদেশ জয় পদ্ম
মুখো পদ্ম বৃংঙ্গম।।""

৩০৷ 🙏🙏🙏শ্রী রাম-সীতা প্রনাম মন্ত্র
"রামায় রাম-ভদ্রায় রামচন্দ্রায় মেধষে ।
রঘুনাথায় নাথায় সীতায়ৈ পতয়ে নমঃ

৩১।🙏🙏🙏সত্যযুগ:-
"নারায়ণ পরাবেদা নারায়ণ পরাক্ষরা। 
নারায়ণ পরামুক্তি নারায়ণ পরাগতি"॥

৩২। 🙏🙏🙏ত্রেতাযুগ:-
"রাম নারায়ণানন্ত মুকুন্দ মধুসূদন। 
কৃষ্ণ কেশব সংসারে হরে বৈকুণ্ঠ বামন"॥

৩৩।🙏🙏🙏দ্বাপরযুগ:-
"হরে মুরারে মধুকৈটভারে ।
গোপাল গোবিন্দ মুকুন্দ সৌরে।।
যজ্ঞেশ্বর নারায়ণ কৃষ্ণ বিষ্ণু।
 নিরাশ্রয়ং মাং জগদীশ রক্ষ"॥

 ৩৪।🙏🙏🙏 কলিযুগ:-
"হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে" ।।

৩৫। 🙏🙏🙏 গৌড় এবং সকল পার্ষদগণ প্রণাম মন্ত্র
"গুরবে গৌরচন্দ্রায় রাধিকায়ৈ তদালয়ে।
 কৃষ্ণায় কৃষ্ণভক্তায় তদ্ভক্তায় নমো নমঃ।।"

৩৬। 🙏🙏🙏
  "ওঁ অপবিত্রঃ পবিত্রো বা সর্ব্বাবস্থাং গতোহপি বা।
    যঃ স্মরেৎ পুণ্ডরীকাক্ষং স বাহ্যাভ্যন্তরঃ শুচিঃ।।"
           !! ওঁ শ্রীবিষ্ণু!! ওঁ শ্রীবিষ্ণু!! ওঁ শ্রীবিষ্ণু!!

৩৭. 🙏🙏🙏 প্রভাতে হস্তের দিকে তাকিয়ে 
*করাগ্রে বসতে লক্ষ্মী কর মধ্যে সরস্বতী।*   
*কর মূলে তু গোবিন্দং প্রভাতে "কর দর্শনম্"।*
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






মহর্ষি বেদব্যাসের তনয়( পুত্র ) শ্রীশ্রীশুকদেব গোস্বামীর আবির্ভাব ✍️ শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 🙏

✧════════════•❁❀❁•════════════✧
꧁মহর্ষি বেদব্যাসের তনয়( পুত্র ) শ্রীশ্রীশুকদেব গোস্বামীর আবির্ভাব꧂ 
✧════════════•❁❀❁•════════════✧
একবার মহাদেব পাৰ্বতী দেবীকে নিয়ে নিৰ্জন স্থানে দিকবন্ধন করে বসে শ্ৰীমদ্ ভাগবতম কীৰ্ত্তন করছিলেন। ভাগবত কথার প্রারম্ভে মহাদেব পাৰ্বতীকে শর্ত দিলেন যে, ভাগবত কথা চলাকালে পাৰ্বতীদেবী যে গভীর মনোযোগ সহকারে শুনছেন, তার প্রমাণ স্বরপ তিনি যেনো ''হু'' বলে সায় দেন।

 যথারীতি ভাগবত কথা শুরু হলো। কিছুক্ষণ অতিবাহিত হলে পাৰ্বতীদেবী ভাগবত কথা শুনতে শুনতে নিদ্ৰাচ্ছন্ন হলেন। যে বৃক্ষের নিচে মহাদেব ভাগবত কথা বলছিলেন, সে বৃক্ষে অবস্থান করে একটি শুকপাখিও ভাগবত কথা শ্ৰবণ করছিলো। পাখিটি দেখলো যে, পাৰ্বতী দেবী ঘুমিয়ে গেছেন। তখন ভাগবত কথা বন্ধ হয়ে যাবে ভেবে পাৰ্বতীদেবীর বদলে পাখিটিই ''হু'' দিতে থাকলো।

এদিকে মহাদেব তন্ময় হয়ে সম্পূৰ্ণ ভাগবত কথা শ্ৰবণ করালেন। চোখ খুলে দেখতে পেলেন, দেবী পাৰ্বতী ঘুমিয়ে পড়েছেন। তখন মহাদেবের মনে প্রশ্নের উদয় হলো, 'তাহলে ‘হু’ দিলো কে?' চারদিকে তাকিয়ে তিনি বৃক্ষের ডালে ঐ পাখিটিকে দেখতে পেলেন। পাৰ্বতীদেবীর পরিবর্তে পাখিটি ‘হু’ দিছিলো। তাছাড়া ভাগবতের অতি গুহ্য লীলাকথা সাধারণ একটি শুকপাখি শ্ৰবণ করেছে ভেবে মহাদেব অত্যন্ত ক্রদ্ধ হয়ে ত্ৰিশুল হাতে পাখিটিকে তাড়া করলেন। প্রাণভয়ে পাখিটি দিকবিদিক শূন্য হয়ে পলায়ন করতে লাগলো।

 মহাদেবও তার পেছনে পেছনে ধাবিত হলেন। এদিকে ব্যাসদেবও তাঁর স্ত্ৰীকে ভাগবত কথা শ্ৰবণ করাচ্ছিলেন। তিনিও তখন ভাগবত কথা শুনতে শুনতে হা করে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। ঠিক তখনই শুকপাখিটি প্ৰাণ বাঁচানোর কোনো উপায় না পেয়ে ব্যাসদেবের স্ত্রীর মুখে প্ৰবেশ করলো।

তৎক্ষণাৎ মহাদেবও সেখানে উপস্থিত হয়ে, পাখিটিকে ব্যাসদেবের স্ত্রীর মুখে প্ৰবেশ করতে দেখে অভিশাপ দিলেন যে, পাখিটি যেখানে প্ৰবেশ করেছে, সেখানে তাকে ষোল বছর মতান্তরে বারো বছর, থাকতে হবে। শ্রীল ব্যাসদেব মহাদেবকে দেখামাত্ৰই ব্যাসদেব প্ৰণাম নিবেদন করলেন এবং তাঁকে ক্ৰোধান্বিত দেখে ক্রোধের কারণ জিজ্ঞেস করলেন। তখন মহাদেব সমস্ত বৃত্তান্ত খুলে বললেন। ব্যাসদেব মহাদেবের সন্তুষ্টি বিধানের জন্য বললেন, “হে দেবাদিদেব, যিনি আপনার শ্ৰীমুখ থেকে ভাগবত কথা শ্ৰবণ করেছেন, তিনি তো মহাভাগ্যবান এবং আপনার আশীৰ্বাদের যোগ্য।"

আশুতোষ মহাদেব প্ৰসন্ন হয়ে, সেই শুকপাখিটিকে আশীৰ্ব্বাদ করলেন, “পাখিটি আমার কাছ থেকে যে ভাগবতকথা শ্ৰবণ করেছে, তা সম্পূৰ্ণরপে তার হৃদয়ে অক্ষত থাকুক।" এই বলে তিনি প্ৰস্থান করলেন।

মহাদেবের অভিশাপে ষোল বছর সেই শুকপাখিটি ব্যাসদেবের স্ত্রীর গর্ভে অবস্থান করছিলো। ভাগবতের বীর্যবতী কথা শ্ৰবণ করার ফলে, সেই শুকপাখি মহাভাগবত শুকদেব গোস্বামীতে রুপান্তরিত হলেন। মাতৃগৰ্ভে অবস্থানকালেও তিনি নিত্য তার পিতা ব্যাসদেবের কাছ থেকে ভাগবত শ্ৰবণ করতেন।
 
ইতোমধ্যে ষোল বছর অতিক্ৰান্ত হলেও শুকদেব গোস্বামী এ জড়জগতের মায়ায় প্ৰবেশ করতে অনিচ্ছা প্ৰকাশ করলেন। এমতাবস্থায় ব্যাসদেব তাকে বুঝিয়ে বললেন, “বৎস, তুমি ভূমিষ্ট হও নতুবা তোমার মাতৃহত্যা জনিত পাপ হবে।"

তাতেও শুকদেব গোস্বামীর কোনো প্ৰতিক্ৰিয়া না হলে, ব্যাসদেব উপায়ান্তর না দেখে ভগবান শ্ৰীকৃষ্ণের কাছে গেলেন। তখন ভগবান স্বয়ং শুকদেব গোস্বামীকে প্ৰবোধ দিলেন, “এ জগতে আবির্ভাব হলেও আমার মায়া কখনোই তোমাকে স্পৰ্শ করতে পারবে না।"

 শুকদেব গোস্বামী ভগবানের আশীৰ্বাদ প্ৰাপ্ত হয়ে বললেন, “এ জগতে ভূমিষ্ট হলেও আমি এ জগতের কোনো বন্ধনে আবদ্ধ না হয়ে বনে গমন করবো।"

যথারীতি আবিস্তৃত হয়ে, ষোড়শ বৰ্ষীয় যুবক শুকদেব গোস্বামী দিগম্বর বেশে অন্য কোনো দিকে না তাকিয়ে বনে গমন করেন। তখন ব্যাসদেব হা পুত্ৰ! হা পুত্ৰ! বলে শুকদেব গোস্বামীর পেছন পেছন ধাবিত হলেন।
''যং প্ৰজন্তমনুপেতমপেতকৃত্যং
 দ্বৈপায়নো বিরহকাতর আজুহাব।
 পুত্ৰেতি তনুয়াতিয়া তরবোেহভিনেদু
 স্তং সৰ্বভূতহদয়ং মুনিমানতোহম্মি'।।"

  পুত্ৰকে ধরতে না পেরে বিরহকাতর পিতা ব্যাসদেব বনের ব্যাধদের ভাগবতের দুটি শ্লোক শিখিয়ে দিলেন। যা শুকদেব গোস্বামীকে শ্ৰবণ করানোর মাধ্যমে পুনরায় তাকে ফিরিয়ে আনা হলো। তারপর তিনি তার পিতা ব্যাসদেবের আনুগত্যে পুনরায় ভাগবত অধ্যয়ন করলেন। এর পর কলিযুগে মহারাজ পরিক্ষিতকে তিনি সাতদিন ব্যাপী শ্রীমদ্ভাগবতম শ্রবন করান এবং বলেন, শ্রীমদ্ভাগবতে নির্দেশ রয়েছে,
.
"কলের্দোষনিধে রাজন্ অস্তি হ্যেকো মহান্ গুণঃ।
 কীর্তনাদেব কৃষ্ণস্য মুক্তসঙ্গ পরং ব্রজেৎ॥"
 অর্থাৎ, “হে রাজন্! কলিযুগ সমস্ত দোষের আকর। কিন্তু এই কলিযুগে একটি মাত্র মহান গুণ রয়েছে। তা হলো কেবলমাত্র শ্রীকৃষ্ণের নাম কীর্তন করে জীব সংসার-বন্ধন মুক্ত হয়ে ভগবানকে লাভ করতে পারে।"

 শ্রীমদ্ভাগবতে (১২/৩/৫১-৫২) বলা হয়েছে
"কৃতে যৎ ধ্যায়তো বিষ্ণুং ত্রেতায়াং যজতো মখৈঃ।
 দ্বাপরে পরিচর্যায়াং কলৌ তদ্ হরিকীর্তনাৎ॥"
 অর্থাৎ, “সত্যযুগে ধ্যান, ত্রেতাযুগে যজ্ঞ, আর দ্বাপরযুগে অর্চন দ্বারা যা লাভ হয়, কলিযুগে কেবলমাত্র শ্রীকৃষ্ণনাম সংকীর্তন দ্বারা তা লাভ হয়ে থাকে। তাই প্রত্যেকের উচিত ভগবানের দিব্য নাম কীর্ত্তণ ও জপ করা।
             *••••┉━❀꧁ রাধে রাধে ꧂❀━┅••••*
  
                 শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।

       *••••┉━❀꧁ জয় শ্রীশ্রীজগন্নাথ ꧂❀━┅••••*

              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥

    *••••┉━❀꧁জয় শ্রীশ্রীরাধাকান্ত꧂ ❀━┅••••*

             শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর নিবাসস্থলী
শ্রীগুরুদেব(আশ্রিত)-বৈষ্ণব কুলতিলক আচার্য্যপ্রবর মহান্ত মহারাজ শ্রীল ধ্যানচন্দ্র দাস গোস্বামী (শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর অপ্রকট লীলায় শ্রীগম্ভীরা মন্দিরে ঊনবিংশ পীঠাচার্য্য, শ্রীশ্রীরাধাকান্ত মঠ - শ্রীশ্রীগম্ভীরা, শ্রীধাম পুরী), মধবাচার্য্য(ব্রহ্ম) সম্প্রদায়,বক্রেশ্বর পরিবার(শ্রীতিলক সেবা- শ্রীশ্রীমহাপ্রভুর শ্রীচরণ), তুঙ্গবিদ্যা সখী,পশ্চিম দ্বার, লবঙ্গ মঞ্জুরী ( সনাতন গোস্বামী)।
*••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••*
শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম। নিবাস-গিরিরাজ ভবন, উত্তর নারায়নপুর, ভলীয়া, আরামবাগ, হুগলী, পশ্চিমবঙ্গ।
••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••
      📚 *PDF গ্রন্থ* 📚👉 https://drive.google.com/folderview?id=1_2ZHIyZKJeOOLMK0uLv53SkpMNgyi6eR 
✧════════════•❁❀❁•════════════✧

মহর্ষি বেদব্যাসের তনয়( পুত্র ) শ্রীশ্রীশুকদেব গোস্বামীর আবির্ভাব ✍️ শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 🙏

✧════════════•❁❀❁•════════════✧
꧁মহর্ষি বেদব্যাসের তনয়( পুত্র ) শ্রীশ্রীশুকদেব গোস্বামীর আবির্ভাব꧂ 
✧════════════•❁❀❁•════════════✧
একবার মহাদেব পাৰ্বতী দেবীকে নিয়ে নিৰ্জন স্থানে দিকবন্ধন করে বসে শ্ৰীমদ্ ভাগবতম কীৰ্ত্তন করছিলেন। ভাগবত কথার প্রারম্ভে মহাদেব পাৰ্বতীকে শর্ত দিলেন যে, ভাগবত কথা চলাকালে পাৰ্বতীদেবী যে গভীর মনোযোগ সহকারে শুনছেন, তার প্রমাণ স্বরপ তিনি যেনো ''হু'' বলে সায় দেন।

 যথারীতি ভাগবত কথা শুরু হলো। কিছুক্ষণ অতিবাহিত হলে পাৰ্বতীদেবী ভাগবত কথা শুনতে শুনতে নিদ্ৰাচ্ছন্ন হলেন। যে বৃক্ষের নিচে মহাদেব ভাগবত কথা বলছিলেন, সে বৃক্ষে অবস্থান করে একটি শুকপাখিও ভাগবত কথা শ্ৰবণ করছিলো। পাখিটি দেখলো যে, পাৰ্বতী দেবী ঘুমিয়ে গেছেন। তখন ভাগবত কথা বন্ধ হয়ে যাবে ভেবে পাৰ্বতীদেবীর বদলে পাখিটিই ''হু'' দিতে থাকলো।

এদিকে মহাদেব তন্ময় হয়ে সম্পূৰ্ণ ভাগবত কথা শ্ৰবণ করালেন। চোখ খুলে দেখতে পেলেন, দেবী পাৰ্বতী ঘুমিয়ে পড়েছেন। তখন মহাদেবের মনে প্রশ্নের উদয় হলো, 'তাহলে ‘হু’ দিলো কে?' চারদিকে তাকিয়ে তিনি বৃক্ষের ডালে ঐ পাখিটিকে দেখতে পেলেন। পাৰ্বতীদেবীর পরিবর্তে পাখিটি ‘হু’ দিছিলো। তাছাড়া ভাগবতের অতি গুহ্য লীলাকথা সাধারণ একটি শুকপাখি শ্ৰবণ করেছে ভেবে মহাদেব অত্যন্ত ক্রদ্ধ হয়ে ত্ৰিশুল হাতে পাখিটিকে তাড়া করলেন। প্রাণভয়ে পাখিটি দিকবিদিক শূন্য হয়ে পলায়ন করতে লাগলো।

 মহাদেবও তার পেছনে পেছনে ধাবিত হলেন। এদিকে ব্যাসদেবও তাঁর স্ত্ৰীকে ভাগবত কথা শ্ৰবণ করাচ্ছিলেন। তিনিও তখন ভাগবত কথা শুনতে শুনতে হা করে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। ঠিক তখনই শুকপাখিটি প্ৰাণ বাঁচানোর কোনো উপায় না পেয়ে ব্যাসদেবের স্ত্রীর মুখে প্ৰবেশ করলো।

তৎক্ষণাৎ মহাদেবও সেখানে উপস্থিত হয়ে, পাখিটিকে ব্যাসদেবের স্ত্রীর মুখে প্ৰবেশ করতে দেখে অভিশাপ দিলেন যে, পাখিটি যেখানে প্ৰবেশ করেছে, সেখানে তাকে ষোল বছর মতান্তরে বারো বছর, থাকতে হবে। শ্রীল ব্যাসদেব মহাদেবকে দেখামাত্ৰই ব্যাসদেব প্ৰণাম নিবেদন করলেন এবং তাঁকে ক্ৰোধান্বিত দেখে ক্রোধের কারণ জিজ্ঞেস করলেন। তখন মহাদেব সমস্ত বৃত্তান্ত খুলে বললেন। ব্যাসদেব মহাদেবের সন্তুষ্টি বিধানের জন্য বললেন, “হে দেবাদিদেব, যিনি আপনার শ্ৰীমুখ থেকে ভাগবত কথা শ্ৰবণ করেছেন, তিনি তো মহাভাগ্যবান এবং আপনার আশীৰ্বাদের যোগ্য।"

আশুতোষ মহাদেব প্ৰসন্ন হয়ে, সেই শুকপাখিটিকে আশীৰ্ব্বাদ করলেন, “পাখিটি আমার কাছ থেকে যে ভাগবতকথা শ্ৰবণ করেছে, তা সম্পূৰ্ণরপে তার হৃদয়ে অক্ষত থাকুক।" এই বলে তিনি প্ৰস্থান করলেন।

মহাদেবের অভিশাপে ষোল বছর সেই শুকপাখিটি ব্যাসদেবের স্ত্রীর গর্ভে অবস্থান করছিলো। ভাগবতের বীর্যবতী কথা শ্ৰবণ করার ফলে, সেই শুকপাখি মহাভাগবত শুকদেব গোস্বামীতে রুপান্তরিত হলেন। মাতৃগৰ্ভে অবস্থানকালেও তিনি নিত্য তার পিতা ব্যাসদেবের কাছ থেকে ভাগবত শ্ৰবণ করতেন।
 
ইতোমধ্যে ষোল বছর অতিক্ৰান্ত হলেও শুকদেব গোস্বামী এ জড়জগতের মায়ায় প্ৰবেশ করতে অনিচ্ছা প্ৰকাশ করলেন। এমতাবস্থায় ব্যাসদেব তাকে বুঝিয়ে বললেন, “বৎস, তুমি ভূমিষ্ট হও নতুবা তোমার মাতৃহত্যা জনিত পাপ হবে।"

তাতেও শুকদেব গোস্বামীর কোনো প্ৰতিক্ৰিয়া না হলে, ব্যাসদেব উপায়ান্তর না দেখে ভগবান শ্ৰীকৃষ্ণের কাছে গেলেন। তখন ভগবান স্বয়ং শুকদেব গোস্বামীকে প্ৰবোধ দিলেন, “এ জগতে আবির্ভাব হলেও আমার মায়া কখনোই তোমাকে স্পৰ্শ করতে পারবে না।"

 শুকদেব গোস্বামী ভগবানের আশীৰ্বাদ প্ৰাপ্ত হয়ে বললেন, “এ জগতে ভূমিষ্ট হলেও আমি এ জগতের কোনো বন্ধনে আবদ্ধ না হয়ে বনে গমন করবো।"

যথারীতি আবিস্তৃত হয়ে, ষোড়শ বৰ্ষীয় যুবক শুকদেব গোস্বামী দিগম্বর বেশে অন্য কোনো দিকে না তাকিয়ে বনে গমন করেন। তখন ব্যাসদেব হা পুত্ৰ! হা পুত্ৰ! বলে শুকদেব গোস্বামীর পেছন পেছন ধাবিত হলেন।
''যং প্ৰজন্তমনুপেতমপেতকৃত্যং
 দ্বৈপায়নো বিরহকাতর আজুহাব।
 পুত্ৰেতি তনুয়াতিয়া তরবোেহভিনেদু
 স্তং সৰ্বভূতহদয়ং মুনিমানতোহম্মি'।।"

  পুত্ৰকে ধরতে না পেরে বিরহকাতর পিতা ব্যাসদেব বনের ব্যাধদের ভাগবতের দুটি শ্লোক শিখিয়ে দিলেন। যা শুকদেব গোস্বামীকে শ্ৰবণ করানোর মাধ্যমে পুনরায় তাকে ফিরিয়ে আনা হলো। তারপর তিনি তার পিতা ব্যাসদেবের আনুগত্যে পুনরায় ভাগবত অধ্যয়ন করলেন। এর পর কলিযুগে মহারাজ পরিক্ষিতকে তিনি সাতদিন ব্যাপী শ্রীমদ্ভাগবতম শ্রবন করান এবং বলেন, শ্রীমদ্ভাগবতে নির্দেশ রয়েছে,
.
"কলের্দোষনিধে রাজন্ অস্তি হ্যেকো মহান্ গুণঃ।
 কীর্তনাদেব কৃষ্ণস্য মুক্তসঙ্গ পরং ব্রজেৎ॥"
 অর্থাৎ, “হে রাজন্! কলিযুগ সমস্ত দোষের আকর। কিন্তু এই কলিযুগে একটি মাত্র মহান গুণ রয়েছে। তা হলো কেবলমাত্র শ্রীকৃষ্ণের নাম কীর্তন করে জীব সংসার-বন্ধন মুক্ত হয়ে ভগবানকে লাভ করতে পারে।"

 শ্রীমদ্ভাগবতে (১২/৩/৫১-৫২) বলা হয়েছে
"কৃতে যৎ ধ্যায়তো বিষ্ণুং ত্রেতায়াং যজতো মখৈঃ।
 দ্বাপরে পরিচর্যায়াং কলৌ তদ্ হরিকীর্তনাৎ॥"
 অর্থাৎ, “সত্যযুগে ধ্যান, ত্রেতাযুগে যজ্ঞ, আর দ্বাপরযুগে অর্চন দ্বারা যা লাভ হয়, কলিযুগে কেবলমাত্র শ্রীকৃষ্ণনাম সংকীর্তন দ্বারা তা লাভ হয়ে থাকে। তাই প্রত্যেকের উচিত ভগবানের দিব্য নাম কীর্ত্তণ ও জপ করা।
             *••••┉━❀꧁ রাধে রাধে ꧂❀━┅••••*
  
                 শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।

       *••••┉━❀꧁ জয় শ্রীশ্রীজগন্নাথ ꧂❀━┅••••*

              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥

    *••••┉━❀꧁জয় শ্রীশ্রীরাধাকান্ত꧂ ❀━┅••••*

             শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর নিবাসস্থলী
শ্রীগুরুদেব(আশ্রিত)-বৈষ্ণব কুলতিলক আচার্য্যপ্রবর মহান্ত মহারাজ শ্রীল ধ্যানচন্দ্র দাস গোস্বামী (শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর অপ্রকট লীলায় শ্রীগম্ভীরা মন্দিরে ঊনবিংশ পীঠাচার্য্য, শ্রীশ্রীরাধাকান্ত মঠ - শ্রীশ্রীগম্ভীরা, শ্রীধাম পুরী), মধবাচার্য্য(ব্রহ্ম) সম্প্রদায়,বক্রেশ্বর পরিবার(শ্রীতিলক সেবা- শ্রীশ্রীমহাপ্রভুর শ্রীচরণ), তুঙ্গবিদ্যা সখী,পশ্চিম দ্বার, লবঙ্গ মঞ্জুরী ( সনাতন গোস্বামী)।
*••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••*
শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম। নিবাস-গিরিরাজ ভবন, উত্তর নারায়নপুর, ভলীয়া, আরামবাগ, হুগলী, পশ্চিমবঙ্গ।
••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••
      📚 *PDF গ্রন্থ* 📚👉 https://drive.google.com/folderview?id=1_2ZHIyZKJeOOLMK0uLv53SkpMNgyi6eR 
✧════════════•❁❀❁•════════════✧

কৃষ্ণ নামের মহিমা 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/04/blog-post_30.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                 ꧁ কৃষ্ণ নামের মহিমা কি꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
একবার নারদ-মুনি ভাবলেন পৃথিবীতে গিয়ে আমার প্রভু শ্রী নারায়ণের নাম প্রচার করে আসি,তাই তিনি তার প্রভুর নাম লইতে লইতে ধরাধামে আসিলেন। মুনি যেখানে আসিলেন তিনি দেখতে পেলেন সকলেই কৃষ্ণ নামে বিভূর হয়ে আছে, নারদ মুনি তাই স্থান ত্যাগ করে অন্য স্থানে চলে যান। 

কিন্তু নারদ- মুনি যেখানেই যাচ্ছেন মনুষ্যকে কেবল (হরেকৃষ্ণ)নাম জপ করিতে দেখতে পাচ্ছেন, নারদ-মুনি ভাবলেন সব খানেতে যদি কৃষ্ণ নামই হয় তবে তার প্রভুর নাম প্রচার করিবে কোথায়, কি আছে এই ( হরেকৃষ্ণ) যে সকলেই কৃষ্ণ নাম জপ করিতেছে, এমনি ভাবতে ভাবতে পুনরায় নারদ-মুনি ফিরে যান বৈকুণ্ঠে প্রভুর নিকট।নারদ-মুনি তার প্রভুকে জিজ্ঞেস করিলেন প্রভু( হরে কৃষ্ণ) কি এমন মহিমা যে সকলেই কৃষ্ণ নামে বিভূর হয়ে থাকে, তাখন নারায়ণ বলিল তুমি শিবের কাছে যাও তিনিই তোমার উত্তর দিবেন, তাই নারদ-মুনি প্রভুর কথা মত শিবের নিকট যান, নারদ-মুনি শিবজীকে বলিল হে প্রভু, কৃপা করে হরে কৃষ্ণনামের মহিমা আমায় বলুন,মহাদেব বলিল ব্রহ্মার কাছে যাও তিনিই তোমার উত্তর দিবেন, নারদ- মুনি মহাদেবের কথা মত শ্রীব্রহ্মার কাছে এসে শ্রীব্রহ্ম দেবকে জিজ্ঞাসা করিল হে পিতামহ ব্রহ্মা,অনুগ্রহপূর্বক আমায় (হরে কৃষ্ণ) নামের মহিমা বলুল।
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                 ꧁ কৃষ্ণ নামের মহিমা কি꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
শ্রীব্রহ্মা বলিলেন হরে কৃষ্ণ নামের মহিমার অন্ত নেই তাই তুমি যম রাজের নিকট যাও সেখেই তুমি তোমার উত্তর পেয়ে যাবে। নারদ- মুনি ভাবতে লাগলেন তার বুঝি কৃষ্ণ নামের মহিমা আর জানা হবে না, তবুও তিনি শেষ বারের মত যমরাজের কাছে যাইতে ইচ্ছুক হইলেন। নারদ-মুনি যমালয়ে গিয়ে যমরাজকে বলিল হে প্রভু আমি অনেক জায়গায় গিয়েছি ( হরে কৃষ্ণ) নামের মহিমা জানার জন্য কিন্তু কোন উত্তর পাইনি, কৃপা করে আপনি আমাকে বলুন কৃষ্ণ নামের মহিমা কি! যমরাজ কিছু না বলে নারদ-মুনিকে নিয়ে যায় সেখানে যেখানে পাপীদের পাপের শাস্তি দেওয়া হয়, নারদ-মুনি পাপীদের কঠোর শাস্তি দেখিয়া তার বদনে হা কৃষ্ণ হা কৃষ্ণ ধ্বনি বেড়িয়ে আসিল, মুনিবরের সেই ধ্বনি সে সব পাপীদের কর্ণে গিয়ে পৌছাল সেই পাপীরা উদ্ধার হয়ে যেতে লাগল, নারদ-মুনি পাপীদের এ রকম ভাবে মুক্তি প্রাপ্তি হওয়ায় বুঝিতে পারিলেন কৃষ্ণ নামের মহিমা কি।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



কৃষ্ণ নামের মহিমা 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/04/blog-post_30.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                 ꧁ কৃষ্ণ নামের মহিমা কি꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
একবার নারদ-মুনি ভাবলেন পৃথিবীতে গিয়ে আমার প্রভু শ্রী নারায়ণের নাম প্রচার করে আসি,তাই তিনি তার প্রভুর নাম লইতে লইতে ধরাধামে আসিলেন। মুনি যেখানে আসিলেন তিনি দেখতে পেলেন সকলেই কৃষ্ণ নামে বিভূর হয়ে আছে, নারদ মুনি তাই স্থান ত্যাগ করে অন্য স্থানে চলে যান। 

কিন্তু নারদ- মুনি যেখানেই যাচ্ছেন মনুষ্যকে কেবল (হরেকৃষ্ণ)নাম জপ করিতে দেখতে পাচ্ছেন, নারদ-মুনি ভাবলেন সব খানেতে যদি কৃষ্ণ নামই হয় তবে তার প্রভুর নাম প্রচার করিবে কোথায়, কি আছে এই ( হরেকৃষ্ণ) যে সকলেই কৃষ্ণ নাম জপ করিতেছে, এমনি ভাবতে ভাবতে পুনরায় নারদ-মুনি ফিরে যান বৈকুণ্ঠে প্রভুর নিকট।নারদ-মুনি তার প্রভুকে জিজ্ঞেস করিলেন প্রভু( হরে কৃষ্ণ) কি এমন মহিমা যে সকলেই কৃষ্ণ নামে বিভূর হয়ে থাকে, তাখন নারায়ণ বলিল তুমি শিবের কাছে যাও তিনিই তোমার উত্তর দিবেন, তাই নারদ-মুনি প্রভুর কথা মত শিবের নিকট যান, নারদ-মুনি শিবজীকে বলিল হে প্রভু, কৃপা করে হরে কৃষ্ণনামের মহিমা আমায় বলুন,মহাদেব বলিল ব্রহ্মার কাছে যাও তিনিই তোমার উত্তর দিবেন, নারদ- মুনি মহাদেবের কথা মত শ্রীব্রহ্মার কাছে এসে শ্রীব্রহ্ম দেবকে জিজ্ঞাসা করিল হে পিতামহ ব্রহ্মা,অনুগ্রহপূর্বক আমায় (হরে কৃষ্ণ) নামের মহিমা বলুল।
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                 ꧁ কৃষ্ণ নামের মহিমা কি꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
শ্রীব্রহ্মা বলিলেন হরে কৃষ্ণ নামের মহিমার অন্ত নেই তাই তুমি যম রাজের নিকট যাও সেখেই তুমি তোমার উত্তর পেয়ে যাবে। নারদ- মুনি ভাবতে লাগলেন তার বুঝি কৃষ্ণ নামের মহিমা আর জানা হবে না, তবুও তিনি শেষ বারের মত যমরাজের কাছে যাইতে ইচ্ছুক হইলেন। নারদ-মুনি যমালয়ে গিয়ে যমরাজকে বলিল হে প্রভু আমি অনেক জায়গায় গিয়েছি ( হরে কৃষ্ণ) নামের মহিমা জানার জন্য কিন্তু কোন উত্তর পাইনি, কৃপা করে আপনি আমাকে বলুন কৃষ্ণ নামের মহিমা কি! যমরাজ কিছু না বলে নারদ-মুনিকে নিয়ে যায় সেখানে যেখানে পাপীদের পাপের শাস্তি দেওয়া হয়, নারদ-মুনি পাপীদের কঠোর শাস্তি দেখিয়া তার বদনে হা কৃষ্ণ হা কৃষ্ণ ধ্বনি বেড়িয়ে আসিল, মুনিবরের সেই ধ্বনি সে সব পাপীদের কর্ণে গিয়ে পৌছাল সেই পাপীরা উদ্ধার হয়ে যেতে লাগল, নারদ-মুনি পাপীদের এ রকম ভাবে মুক্তি প্রাপ্তি হওয়ায় বুঝিতে পারিলেন কৃষ্ণ নামের মহিমা কি।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



adds