শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রীশ্রীগৌরগোবিন্দ অর্চন স্মরণ বা শ্রীশ্রী ধ্যানচন্দ্র পদ্ধতির গুরুত্ব 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 🔀 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/04/httpswww_12.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     ꧁ শ্রীশ্রী গৌরগোবিন্দ অর্চন স্মরণ পদ্ধতি ꧂
            ꧁ শ্রীশ্রী ধ্যানচন্দ্র পদ্ধতির গুরুত্ব  ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧   
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
কলিযুগপাবন অবতার শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর পার্ষদ শ্রীপাদ গোপাল গুরু গোস্বামীর(শ্রীশ্রীবক্রেস্বর পণ্ডিতের পঞ্চ শিষ্য গনের মধ্যে প্রিয়তম শিষ্য ) রচিত শ্রীশ্রী গৌরগোবিন্দ অর্চন স্মরণ পদ্ধতি এবং শ্রীপাদ ধ্যানচন্দ্র গোস্বামীর(শ্রীমান মহাপ্রভুর পর শ্রীশ্রীগম্ভীরা ঘরে তৃতীয় পিঠাচার্য , শ্রীপাদ গোপাল গুরু গোস্বামীর শিষ্য) রচিত শ্রীশ্রী গৌরগোবিন্দ অর্চন স্মরণ পদ্ধতি ও অষ্টকলীয় লীলা স্মরণ ক্রম শ্রী গৌড়ীয় বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের মূল ভজন পদ্ধতি।

উৎকদেশে ভক্ত কলিযুগপাবন অবতার শ্রীশ্রী কৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর পার্ষদ শ্রীপাদ গোপাল গুরু গোস্বামীর(শ্রীশ্রীবক্রেস্বর পণ্ডিতের পঞ্চ শিষ্য গনের মধ্যে প্রিয়তম শিষ্য ) রচিত শ্রীশ্রী গৌরগোবিন্দ অর্চন স্মরণ পদ্ধতি এবং শ্রীপাদ ধ্যানচন্দ্র গোস্বামীর(শ্রীমান মহাপ্রভুর পর শ্রীশ্রীগম্ভীরা ঘরে তৃতীয় পিঠাচার্য , শ্রী পাদ গোপাল গুরু গোস্বামীর শিষ্য) রচিত শ্রীশ্রী গৌরগোবিন্দ অর্চন স্মরণ পদ্ধতি ও অষ্টকলীয় লীলা স্মরণ ক্রম শ্রীগৌড়ীয় বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের মূল ভজন পদ্ধতি।

উৎকলদেশে ভক্তসমাজে এই পদ্ধতি *শ্রীশ্রী ধ্যানচন্দ্র পদ্ধতি* নামে আখ্যাত। শ্রীমান মহাপ্রভুর অনুগত বৈষ্ণব সমাজে এই পদ্ধতি আদর অধিক রূপে দেখা যায়।
কারণ সপার্ষদ শ্রীগৌরাঙ্গ মন্ত্র গায়েত্রী ও ধ্যান পুজাদি সপ্রমাণে এই পদ্ধতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।।
কেহ কেহ বলেন--- শ্রীগৌরাঙ্গ মন্ত্র গায়েত্রী, প্রভৃতি শাস্ত্রে নাই, সুতারাং শ্রীগৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর পূজা নাই। আবার কেহ কেহ বলেন শ্রীগৌরাঙ্গ কৃষ্ণই, তাহাকে শ্রীকৃষ্ণমন্ত্রেই পূজা করা যায়, স্বতন্ত্র রূপে তাহার পূজা করা চলে না। শ্রীকৃষ্ণ গৌরাঙ্গ রূপে প্রেমদান করেছেন সুতরাং শ্রীগৌরাঙ্গ প্রেমদাতা, উপাস্য নহেন। দাতার পুজো করা শাস্ত্রে নিষেধ আছে। এইরূপ কল্পিত যুক্তি দ্বারা কোন কোন মৎসর ব্যক্তি শ্রীগৌরাঙ্গ উপাসনার প্রতি বিদ্বেষ হইয়া শ্রীগৌরাঙ্গ মন্ত্র গায়ত্রী নাই বলিয়া প্রচার করেন। এইসকল কুযুক্তি শ্রীগৌড় চরণাশ্রিত ভক্তগণের প্রাণে আঘাত করবে মনে করিয়া শ্রী *ধ্যানচন্দ্র গোস্বামী প্রভু* শাস্ত্র প্রমাণসহকারে শ্রীমন্মহাপ্রভুর উপাসনা নির্দেশ করিয়াছেন যদিও শ্রীগুরুপাদপদ্ম শ্রীপাদ গোপাল গোস্বামী প্রভুও স্বকৃত শ্রীশ্রীগৌড়গোবিন্দ অর্চন পদ্ধতি (২৯৫) শ্রীগৌরাঙ্গের ধ্যান ও গায়ত্রী নির্দেশ করেছেন। এবং একটি কারিকা দ্বারা তদুপাসনা কর্তব্যরূপে সাধক ভক্ত শ্রেনীকে নির্দেশ দিয়েছেন। যথা-----
গৌরস্য শয়নোত্থানাৎ পুনস্তচ্ছয়নাবধি।
 নানোপকরনৈ কুর্যাৎ সেবনং তত্র সাধক।।২৯৬
এসব না মানিয়া যে করে কৃষ্ণভক্তি।
কৃষ্ণ কৃপা নাহি তারে নাহি তার গতি।।
স্বতন্ত্র ঈশ্বর প্রভু অত্যন্ত উদার। 
তারে না ভজিনু কভু অত্যন্ত উদার। 
তারে না ভজিলে কভু না হয় নিস্তার।।
 (চৈতন্যচরিতামৃত আদি:৮) 
ইত্যাদি বহু প্রমাণ ও যুক্তি মৎসঞ্চলিত শ্রীগৌরাঙ্গতত্ত্বামৃত গ্রন্থে উল্লেখ আছে। অধিক আগ্রহ ভক্তগণের পক্ষে তাহার দৃষ্টাব্য।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

এই পুস্তকটি PDF আকারে সংগ্রহ করার জন্য নিচের লিংক এ ক্লিক করবেন এবং Email Id সিলেক্ট করবেন এবং কিছুক্ষণ অপেক্ষা করবেন 👇👇





শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর পূজা পদ্ধতি-ষোড়শ উপাচার কি কি ❓❓❓ 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post.html

 

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর পূজা পদ্ধতি-ষোড়শ উপাচার কি?꧂    
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
শ্রীশ্রীগুরুদেবের আদেশে ষোড়শোপচারাদিদ্বারা শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর পূজা করতে হয়। উপাচার বলতে প্রভুর সেবার সামগ্রী, নিম্নে উপাচার গুলি হলো, যথা-
১. আসনম্
২. স্বাগতম্
৩. পাদ্যম্
৪. অর্ঘ্যম্
৫. আচমনম্
৬. মধুপর্ক
৭. পুনরাচমনম্
৮. স্নানম্
৯. বস্ত্রম্
১০. উত্তরীয়ম্
১১. ভূষণানি
১২. গন্ধঃ
১৩. পুষ্পম্ এবং তুলসীপত্রম্
১৪. ধুপঃ
১৫. দীপঃ
১৬. নৈবেদ্যম্ ।।
শ্রীগুরুমহারাজের প্রকাশিত গ্রন্থ ধ্যান- মন্ত্র - গায়েত্রী তথা ষোড়শোপচারকারিকা হইতে উদ্ধৃত 📚👇
 শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর নিবাসস্থলী- শ্রীগম্ভীরা পীঠস্য- প্রথম এবং দ্বিতীয় আচার্য্য শ্রীল গোপালগুরু গোস্বামী এবং শ্রীল ধ্যানচন্দ্র গোস্বামীপাদৈঃ সংগৃহীত পদ্ধতি অনুসারে "শ্রীশ্রীধ্যানচন্দ্রপদ্ধতি" 📚👇



 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর পূজা পদ্ধতি-ষোড়শ উপাচার কি কি ❓❓❓ 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post.html

 

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর পূজা পদ্ধতি-ষোড়শ উপাচার কি?꧂    
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
শ্রীশ্রীগুরুদেবের আদেশে ষোড়শোপচারাদিদ্বারা শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর পূজা করতে হয়। উপাচার বলতে প্রভুর সেবার সামগ্রী, নিম্নে উপাচার গুলি হলো, যথা-
১. আসনম্
২. স্বাগতম্
৩. পাদ্যম্
৪. অর্ঘ্যম্
৫. আচমনম্
৬. মধুপর্ক
৭. পুনরাচমনম্
৮. স্নানম্
৯. বস্ত্রম্
১০. উত্তরীয়ম্
১১. ভূষণানি
১২. গন্ধঃ
১৩. পুষ্পম্ এবং তুলসীপত্রম্
১৪. ধুপঃ
১৫. দীপঃ
১৬. নৈবেদ্যম্ ।।
শ্রীগুরুমহারাজের প্রকাশিত গ্রন্থ ধ্যান- মন্ত্র - গায়েত্রী তথা ষোড়শোপচারকারিকা হইতে উদ্ধৃত 📚👇
 শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর নিবাসস্থলী- শ্রীগম্ভীরা পীঠস্য- প্রথম এবং দ্বিতীয় আচার্য্য শ্রীল গোপালগুরু গোস্বামী এবং শ্রীল ধ্যানচন্দ্র গোস্বামীপাদৈঃ সংগৃহীত পদ্ধতি অনুসারে "শ্রীশ্রীধ্যানচন্দ্রপদ্ধতি" 📚👇



 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






শ্রীশ্রীগৌরগোবিন্দ অর্চন স্মরণ বা শ্রীশ্রী ধ্যানচন্দ্র পদ্ধতির গুরুত্ব 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 🔀 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/04/httpswww_12.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     ꧁ শ্রীশ্রী গৌরগোবিন্দ অর্চন স্মরণ পদ্ধতি ꧂
            ꧁ শ্রীশ্রী ধ্যানচন্দ্র পদ্ধতির গুরুত্ব  ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧   
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
কলিযুগপাবন অবতার শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর একান্ত অনুচর শ্রীপাদ গোপাল গুরু গোস্বামীর(শ্রীশ্রীবক্রেস্বর পণ্ডিতের পঞ্চ শিষ্য গনের মধ্যে প্রিয়তম শিষ্য ) রচিত শ্রীশ্রী গৌরগোবিন্দ অর্চন স্মরণ পদ্ধতি এবং শ্রীপাদ ধ্যানচন্দ্র গোস্বামীর(শ্রীমান মহাপ্রভুর পর শ্রীশ্রীগম্ভীরা ঘরে তৃতীয় পিঠাচার্য , শ্রীপাদ গোপাল গুরু গোস্বামীর শিষ্য) রচিত শ্রীশ্রী গৌরগোবিন্দ অর্চন স্মরণ পদ্ধতি ও অষ্টকলীয় লীলা স্মরণ ক্রম শ্রী গৌড়ীয় বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের মূল ভজন পদ্ধতি।

উৎকদেশে ভক্ত কলিযুগপাবন অবতার শ্রীশ্রী কৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর পার্ষদ শ্রীপাদ গোপাল গুরু গোস্বামীর(শ্রীশ্রীবক্রেস্বর পণ্ডিতের পঞ্চ শিষ্য গনের মধ্যে প্রিয়তম শিষ্য ) রচিত শ্রীশ্রী গৌরগোবিন্দ অর্চন স্মরণ পদ্ধতি এবং শ্রীপাদ ধ্যানচন্দ্র গোস্বামীর(শ্রীমান মহাপ্রভুর পর শ্রীশ্রীগম্ভীরা ঘরে তৃতীয় পিঠাচার্য , শ্রী পাদ গোপাল গুরু গোস্বামীর শিষ্য) রচিত শ্রীশ্রী গৌরগোবিন্দ অর্চন স্মরণ পদ্ধতি ও অষ্টকলীয় লীলা স্মরণ ক্রম শ্রীগৌড়ীয় বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের মূল ভজন পদ্ধতি।

উৎকলদেশে ভক্তসমাজে এই পদ্ধতি *শ্রীশ্রী ধ্যানচন্দ্র পদ্ধতি* নামে আখ্যাত। শ্রীমান মহাপ্রভুর অনুগত বৈষ্ণব সমাজে এই পদ্ধতি আদর অধিক রূপে দেখা যায়।
কারণ সপার্ষদ শ্রীগৌরাঙ্গ মন্ত্র গায়েত্রী ও ধ্যান পুজাদি সপ্রমাণে এই পদ্ধতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।।
কেহ কেহ বলেন--- শ্রীগৌরাঙ্গ মন্ত্র গায়েত্রী, প্রভৃতি শাস্ত্রে নাই, সুতারাং শ্রীগৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর পূজা নাই। আবার কেহ কেহ বলেন শ্রীগৌরাঙ্গ কৃষ্ণই, তাহাকে শ্রীকৃষ্ণমন্ত্রেই পূজা করা যায়, স্বতন্ত্র রূপে তাহার পূজা করা চলে না। শ্রীকৃষ্ণ গৌরাঙ্গ রূপে প্রেমদান করেছেন সুতরাং শ্রীগৌরাঙ্গ প্রেমদাতা, উপাস্য নহেন। দাতার পুজো করা শাস্ত্রে নিষেধ আছে। এইরূপ কল্পিত যুক্তি দ্বারা কোন কোন মৎসর ব্যক্তি শ্রীগৌরাঙ্গ উপাসনার প্রতি বিদ্বেষ হইয়া শ্রীগৌরাঙ্গ মন্ত্র গায়ত্রী নাই বলিয়া প্রচার করেন। এইসকল কুযুক্তি শ্রীগৌড় চরণাশ্রিত ভক্তগণের প্রাণে আঘাত করবে মনে করিয়া শ্রী *ধ্যানচন্দ্র গোস্বামী প্রভু* শাস্ত্র প্রমাণসহকারে শ্রীমন্মহাপ্রভুর উপাসনা নির্দেশ করিয়াছেন যদিও শ্রীগুরুপাদপদ্ম শ্রীপাদ গোপাল গোস্বামী প্রভুও স্বকৃত শ্রীশ্রীগৌড়গোবিন্দ অর্চন পদ্ধতি (২৯৫) শ্রীগৌরাঙ্গের ধ্যান ও গায়ত্রী নির্দেশ করেছেন। এবং একটি কারিকা দ্বারা তদুপাসনা কর্তব্যরূপে সাধক ভক্ত শ্রেনীকে নির্দেশ দিয়েছেন। যথা-----
গৌরস্য শয়নোত্থানাৎ পুনস্তচ্ছয়নাবধি।
 নানোপকরনৈ কুর্যাৎ সেবনং তত্র সাধক।।২৯৬
এসব না মানিয়া যে করে কৃষ্ণভক্তি।
কৃষ্ণ কৃপা নাহি তারে নাহি তার গতি।।
স্বতন্ত্র ঈশ্বর প্রভু অত্যন্ত উদার। 
তারে না ভজিনু কভু অত্যন্ত উদার। 
তারে না ভজিলে কভু না হয় নিস্তার।।
 (চৈতন্যচরিতামৃত আদি:৮) 
ইত্যাদি বহু প্রমাণ ও যুক্তি মৎসঞ্চলিত শ্রীগৌরাঙ্গতত্ত্বামৃত গ্রন্থে উল্লেখ আছে। অধিক আগ্রহ ভক্তগণের পক্ষে তাহার দৃষ্টাব্য।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

এই পুস্তকটি PDF আকারে সংগ্রহ করার জন্য নিচের লিংক এ ক্লিক করবেন এবং Email Id সিলেক্ট করবেন এবং কিছুক্ষণ অপেক্ষা করবেন 👇👇





শ্রীকৃষ্ণের এবং রাধিকার পরিবার ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_0.html


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

🆕 👉 শ্রীকৃষ্ণের এবং রাধিকার পরিবার ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_0.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
শ্রীকৃষ্ণের পিতামহ= পর্জন‍্য (নন্দ, উপনন্দ,সুনন্দ, অভিনন্দ, ও নন্দন পাঁচ ভাই। উপনন্দ ও অভিনন্দ নন্দের জ‍্যেষ্ঠ ভ্রাতা, সনন্দ বা সুনন্দ ও নন্দন নন্দের কনিষ্ঠ ভ্রাতা)।

শ্রীকৃষ্ণের পিতামহী= বরীয়সী।
শ্রীকৃষ্ণের মাতামহ= সুমুখ।
শ্রীকৃষ্ণের মাতামহী= পাটলা।
চারুমুখ --- সুমুখের কনিষ্ঠ ভ্রাতা, কৃষ্ণের গৌণ মাতামহ।জটিলা= চারুমুখের পত্নী,বর্ণ- কাকের মত।মতান্তরে গোল ঘোষ।
মুখরা-- শ্রীরাধার মাতামহী। ইনি কৃষ্ণের মাতামহী পাটলার প্রিয় সহচরী,পাটলার স্নেহভরে যশোদাকে স্তনদুগ্ধ দান করিতেন। ইঁহাকে কৃষ্ণ *বড়আই* বলিয়া ডাকতেন, ইনি বড়াই বুড়ি।
শ্রীরাধার পিতামহ-- মহিভানু,মাতামহ- বিন্দু,  মাতামহী- মুখরা,পিতামহী- সুখদা,(রত্নভানু,সুভানু ও ভানু,এই তিন জন বৃষভানুর ভ্রাতা।) জ‍্যেষ্ঠ ভ্রাতা- শ্রীদাম, কনিষ্ঠা ভগ্নী-অনঙ্গ মঞ্জরী। দেবর- দুর্মদ, দাসী- রত্নলেখা,কলাকেলি ওমঞ্জুলা।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧   
⬇️⬇️⬇️এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন ⬇️⬇️⬇️
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

   ꧁👇 📖 সূচীপত্র ✍️ শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 👇꧂



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   🌷❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🌷
   🏵️❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🏵️
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧









শ্রীমতি রাধিকা (श्री राधा) 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/04/blog-post_12.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                 ꧁ শ্রীমতি রাধিকা (श्री राधा)꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🏠Home Page🏠👇👇🙏👇👇📚PDF গ্রন্থ📚
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧    
রাধিকা বা রাধারাণী হলেন হিন্দু ভারতীয় বৈষ্ণব সম্প্রদায় দের আরাধ্য দেবী। বৈষ্ণব ভক্তরা তাঁকে বলেন শ্রীমতী। হিন্দুধর্মের বহু গ্রন্থে বিশেষত শাক্ত সম্প্রদায়রা উত্তর ভারতীয় বৈষ্ণব তত্ত্ববিদ্যা অনুসারে, রাধা হলেন পরম সত্ত্বা শ্রীকৃষ্ণের শাশ্বত সঙ্গী বা তাঁর দিব্যলীলার শক্তি ('নাদশক্তি')। রাধা ও কৃষ্ণের যুগলমূর্তিকে 'রাধাকৃষ্ণ রূপে আরাধনা করা হয়। যদিও ভগবানের এই রূপের অনেক প্রাচীর উল্লেখ রয়েছে, কিন্তু দ্বাদশ শতাব্দীতে যখন জয়দেব গোস্বামী সুবিখ্যাত কাব্য গীতগোবিন্দ রচনা করেন, তখন থেকেই দিব্য কৃষ্ণ ও তাঁর পরমাপ্রকৃতি রাধার মধ্যেকার দিব্য ও নিত্য প্রেম সম্বন্ধিত বিষয়টি সমগ্র ভারতবর্ষে আরও বেশি প্রচার হয়।

স্বয়ং ভগবান এর আনন্দদায়ীকা শক্তি হলো আলহাদিনী শক্তির ঘনীভূত বিলাসই হলো প্রেম। স্বরূপত উভয়ই এক আত্মা বা অভিন্ন হয়েও শ্রীগোলক বৃন্দাবনে অনন্ত কাল ধরে দুই দেহ ধারণ করিয়া লীলা বিলাস করে চলেছেন। সেই গোলক বিহারী শ্রীগোবিন্দ ও রাধারাণীর একাত্ম রূপে সয়ং কলিযুগে মানব উদ্ধার এর লাগি শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য নামে প্রকাশ । শ্রীমতি রাধিকা মহাভাব স্বরূপিনী বলে তাকে কৃষ্ণ প্রণয় বিকৃতি বলে ধরা হয়েছে।  

আবার রাধা পূর্ণ শক্তি , কৃষ্ণ পূর্ণ শক্তিমান।

"রাধা পূর্ণশক্তি, কৃষ্ণ পূর্ণ শক্তিমান।
 দুই বস্তু ভেদে নাহি শাস্ত্রের প্রমাণ।"
 (চৈতন্য চরিতামৃত ১/৪/৮৩)

শক্তি ও শক্তিমানের অভেদবসত শ্রী রাধা ও শ্রী কৃষ্ণ কোন ভেদ নেই। তারা এক আত্মা। একটি ভাবের দুটি স্বরূপ।

শ্রীমতী রাধা (দেবনাগরী লিপিতে: श्री राधा) হলেন শ্রী কৃষ্ণের পরমাপ্রকৃতি । অন্যতম অর্থ হল "শক্তিধাত্রী", “সৌভাগ্যদায়িনী"। 

শ্রীমতী রাধা হলেন শ্রী কৃষ্ণের সর্বপ্রিয়া আরাধিকা। "রাধাতন্ত্র" গ্রন্থ অনুসারে দেবী রাধা "ত্রিপুরাসুন্দরী মাতা" রূপে তন্ত্রে পূজিতা হন।

শ্রীকৃষ্ণকে বলা হয় রাসেশ্বর। রাধাকে বলা হয় রাসেশ্বরী।

শ্রীমতী রাধিকা হলেন শ্রীকৃষ্ণের আদিশক্তি, কৃষ্ণার্ধতনু, কৃষ্ণবক্ষস্থলস্থিতা, কৃষ্ণহৃদয়েশ্বরী, তিনিই কৃষ্ণের পরমেশ্বরী, তিনিই আদিমহালক্ষী। "শাক্ত উপনিষদ" মতে দেবী রাধিকা হলেন "কুলকুণ্ডলিনী শক্তি"। 

বৃন্দাবনে সম্পূর্ণরূপে বিরাজিতা, এই অর্থে বৃন্দাবনী।

 দেবী রাধিকার অন্যান্য নাম হল রাধা, বার্ষভানবী, সর্বেশ্বরী, মহালক্ষী, বৈকুন্ঠেশ্বরী, মানিনী, মালিনী, বৃন্দাবনেশ্বরী, মথুরেশ্বরী, কৃষ্ণময়ী, মাধবী, কেশবি, রাহী, শ্যামা, কৃষ্ণা, রাই, কিশোরী, শ্রী, কৃষ্ণাত্মিকা, ব্রজেশ্বরী, বিনোদিনী, বনলক্ষী, গোবিন্দমোহিনী আরও অনেক।

শ্রীরাধিকা হলেন শ্রীকৃষ্ণের প্রাণাধিকা প্রেয়সী, এই অর্থে তিনি কৃষ্ণপ্রাণাধিকা।

ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ অনুযায়ী, তিনি হলেন গোকুলনিবাসী বৃষভানু ও কলাবতীর (কীর্তিদা) কন্যা। ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ ও দেবীভাগবতের মতে, রাধার সৃষ্টি ভগবান কৃষ্ণের শরীরের বামভাগ থেকে হয় এবং সেই রাধাই দ্বাপর যুগে বৃষভানুর পুত্রী রুপে আবির্ভূত হয়েছিলেন। রাধা শ্রীকৃষ্ণের সহস্রাধিক গোপিকা দের মধ্যে শ্রীমতী রাধা গোপী শিরোমণি।
 
পূর্বে শ্রীমতী রাধারাণীকে শুধু মাত্র একজন শ্রেষ্ঠ প্রেমিকা বলে ভক্ত সমাজে অবিহিত ছিলো , কিন্তু শ্রীমান মহাপ্রভু শাস্ত্র হইতে শ্রী রাধারানীর মূল তত্ব প্রকাশ করেন। তারপর হইতে ভক্ত সমাজ শ্রীরাধারাণীকে শ্রীকৃষ্ণের মূল শক্তি রূপে স্বীকার করেন এবং কৃষ্ণ বিগ্রহের বাম পাশে শ্রীরাধারানীর বিগ্রহ প্রতিষ্ঠিত করেন।
  ꧁গোলক বৃন্দাবনে শ্রীরাধার আবির্ভাব"꧂

 পরমেশ্বর ভগবানের দিব্য লীলাপীঠ গোলোক বৃন্দাবন ধামে রাসমণ্ডল নামে একটি স্থান বিদ্যমান। রাসমণ্ডলে একদিকে শতশৃঙ্গ নামে একটি পর্বত বিরাজিত। এই শতশৃঙ্গ পর্বতই ভূলোকে গিরিগোবর্ধন রূপে আবির্ভূত হয়েছেন। বৃন্দাবনে মালতী ও মল্লিকা ফুলের একটি অত্যন্ত মনোহর কানন বিদ্যমান। যাঁর ইচ্ছামাত্রে সবকিছু সংঘটিত হয়, সেই জগতপতি ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ঐ পুষ্পোদ্যানে একটি সুন্দর রত্নসিংহাসনে বিরাজ করছিলেন।

 তাঁর চিত্তে লীলাবিলাস উপভোগের বাসনা উদিত হল; আর তাঁর এই লীলানন্দ সুখ সম্ভোগের অভিলাষ হওয়া মাত্রই তাঁর চিন্ময় শ্রীবিগ্রহের বামভাগ হতে এক পরম রূপশালিনী দেবী আবির্ভূতা হলেন। তিনি ছিলেন সর্বাভরণ-ভূষিতা এবং শুদ্ধ ক্ষৌমবসন পরিহিতা। তপ্তকাঞ্চনকান্তি এই দেবী কোটি চন্দ্রের প্রভার ন্যায় দ্যুতি বিকিরণ করছিলেন। তাঁর অঙ্গপ্রভায় সবকিছু উদ্ভাসিত হয়ে উঠেছিল।

 তাঁর স্মিতহাস্য বিভাসিত মুখে মুক্তাধবল মনোহর দন্তপংক্তি শোভা পাচ্ছিলো। তাঁর মুখমণ্ডল শরৎকালীন সরোজের সৌন্দর্যকে পরাভূত করছিল। তাঁর গলদেশে শোভিত ছিল মালতী পুষ্পের মালা ও হীরক-হার। যেহেতু তিনি রাসমণ্ডলে আবির্ভূত হন এবং তৎক্ষণাৎ তিনি শ্রীহরির সেবার্থে পুষ্পচয়নে ধাবিতা হন, সেজন্য তিনি "রাধা" নামে বিদিতা হন। "রা" শব্দাংশ রাসমণ্ডলের নির্দেশক এবং "ধা" শব্দাংশ ধাবমান, অর্থাৎ ধাবিত হওয়াকে নির্দেশ করে।

 যেহেতু শ্রীমতি রাধিকা রাসমণ্ডলে আবির্ভূতা হন এবং প্রভুকে রমণাভিলাষী দর্শন করে, তাঁর প্রতি ধাবিতা হন, সেজন্য তাঁর নাম রাধা।


  ꧁ভূবৃন্দাবনে শ্রীমতী রাধারাণীর আবির্ভাব ꧂ 

প্রসঙ্গে বিভিন্ন শাস্ত্রে ভিন্ন ভিন্ন বর্ণনা দেখা যায়। এর একটি কারণ হচ্ছে ভিন্ন ভিন্ন কল্পে বিভিন্ন রকমের. আবির্ভাব ঘটেছে। গর্গ মুনির কন্যা গার্গীকে পৌর্ণমাসী দেবী শ্রীমতী রাধারাণীর যে আবির্ভাব-তত্ত্ব বলেছিলেন, সেই তত্ত্ব শ্রীল রূপ গোস্বামী তাঁর শ্রীললিতমাধব গ্রন্থে বিধৃত করেছেন। এই অাবির্ভাব সম্বন্ধে পৌর্ণমাসী বিশদভাবে অবগত ছিলেন, কেনোনা তিনি ভগবানের সকল লীলাবিলাসের আয়োজন ও ব্যবস্থাপনা করেন। তিনি এই তথ্য কেবল যশোদা মাতা ও রোহিণী দেবীকে জানিয়েছিলেন।

 বিন্ধ‍্য পর্বত বিশালায়তন হিমালয় পর্বতের প্রতি ঈশ্বান্বিত ছিলো। কারণ হিমালয় পার্বতীকে তাঁর কন্যা হিসাবে পাওয়ায় মহাদেব শিবকে জামাতা হিসাবে লাভ করার সুযোগ পেয়েছিলেন। বিন্ধ‍্য পর্বত এজন্য এমন একজন সৌভাগ্যবতী কন্যাকে লাভ করতে চেয়েছিলেন, যাঁর স্বামী মহাদেবকেও যুদ্ধে পরান্ত করতে পারবে, এবং এই ভাবে সে রাজেন্দ্র বা রাজাধিরাজ পদ লাভ করতে পারবে। 

 তাঁর এই অভিলাস পুরণের সংকল্প করে বিন্ধ‍্য পর্বত ব্রহ্মাকে সন্তুষ্ট করার জন্য কঠোর তপস্যা করতে থাকে। কিছু কাল পর ব্রহ্মা তাঁর কাছে আবির্ভূত হয়ে তাঁর অভিলাষিত বর প্রার্থনা করতে বলে। কিন্তু "তথান্ত’ বলে বরদানের পর ব্রহ্মা চিন্তা করতে লাগলেন, "এমন কোন ব্যক্তি আছে, যিনি মহাদেবকে যুদ্ধে পারাজিত করতে পারেন? এটি অসম্ভব।"

  কিন্তু বর তিনি ইতিমধ্যেই অনুমোদন করেছেন, সেজন্য তিনি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়লেন। তারপর তিনি উপলদ্ধি করলেন যে, ভূলোকে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অপ্রাকৃত লীলা সংঘটিত করার সময় সমাগত হয়েছেঃ কেবল তিনিই মহাদেবকে রণে পরাভূত করতে পারেন। ব্রহ্মা ভাবলেন, “কৃষ্ণের নিত্য লীলাসঙ্গিনী হচ্ছেন শ্রীমতী রাধারাণী। যদি বিন্ধ‍্য-পর্বত রাধারাণীকে তাঁর কন্যা হিসেবে লাভ করতে পারে, তাহলেই কেবল অামার বর ফলপ্রসূ হতে পারে। শ্রীমতী কীর্তিদা রাধারাণীর নিত্য মাতা। কিভাবে বিন্ধ‍্য তাঁকে কন্যা হিসেবে পেতে পারে?"

 তাঁর বর কিভাবে ফলপ্রসূ হবে তা নিয়ে চিন্তাম্বিত হয়ে ব্রহ্মা শ্রীমতী রাধারাণীকে পরিতুষ্ট করার জন্য কঠোর তপস্যা শুরু করলেন। যখন তিনি তাঁর প্রতিপ্রীত হলেন, তখন ব্রহ্মা তাঁকে বিদ্ধ্য পর্বতের কন্যারূপে আবির্ভূত হতে অনুরোধ জানালেন। রাধারাণী সম্মত হলেন, এবং তখন যোগমায়া দেবী ইতিমধ্যেই রাজা বৃষভানু ও চন্দ্রভানুর স্ত্রীদ্বয়ের গর্ভে থাকা রাধারাণী ও চন্দ্রাবলীকে বিন্ধ্য পর্বতের স্ত্রীর গর্ভে স্থানান্তরিত করার ব্যবস্থা করলেন। এর ফলে বিন্ধ্য-ভার্যা দুটি পরমা সুন্দরী কন্যার জন্মদান করলেন।

 ইতিমধ্যে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ মথুরায় আবির্ভূত হয়েছিলেন। ভগবানের আদেশে বসুদেব শিশুপুত্র কৃষ্ণকে গোকুলে নিয়ে গেলেন এবং সেখানে যশোদার কাছে রাখলেন, যিনি.ইতিমধ্যেই একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দান করেছিলেন। বসুদেব কৃষ্ণকে সেখানে রেখে পরিবর্তে ভগবৎ অাজ্ঞানুসারে যশোদার কন্যাটিকে নিলেন এবং তাঁকে নিয়ে মথুরার কারাগারে ফিরে এলেন, যেখানে তাঁকে ও দেবকীকে কংস বন্দী করে রেখেছিলো।

 বিন্ধ্য পর্বতের স্ত্রী দুই কন্যা সন্তানের জন্মদান করলে। বিন্ধ্য পর্বত শিশুকন্যা দুটির জন্য সংস্কার অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। দুই কন্যাকে যজ্ঞস্থলে রেখে একজন ব্রাহ্মণ যজ্ঞানুষ্ঠান করছিলেন। গগনচারী পুতনা যজ্ঞস্থলে দুই রূপবতী কন্যাকে দেখতে পেয়ে তৎক্ষণাৎ তাঁদেরকে ভূমি থেকে তুলে নিয়ে আকাশ মার্গে উড়ে পালাতে লাগলো। এতে বিন্ধ্যরাজ অত্যন্ত উদ্বিগ্ন হয়ে ব্রাহ্মণকে ঐ রাক্ষসীকে মন্ত্রোচারণ দ্বারা হত্যা করতে বললেন। রাজার আদেশে ব্রাহ্মণ মন্ত্রপাঠ করতে লাগলেন, যার ফলে আকাশচারী পুতনা ক্রমশঃ দুর্বলহয়ে পড়তে লাগলো। দুই শিশুকন্যাকে ধরে রাখা তাঁর পক্ষে অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়লো, এবং তাঁদের একজনকে সে নীচে নদীতে ফেলে দিলেন। ঐ নদী বিদর্ভ রাজ্যের মধ্য দিয়ে প্রবাতি হচ্ছিলো। বিদর্ভরাজ ভীষ্মক এই কন্যাকে পেয়ে পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত তাঁকে নিজের কাছে রাখলেন।
 
  সে সময় জাম্ববান বিন্ধ্য ও গোবর্দ্ধন পর্বতে বাস করছিলেন। বিন্ধ্যরাজের অাদেশে জাম্ববান বিদর্ভ গিয়ে সেই কন্যাকে ফিরিয়ে নিয়ে এলেন। তিনি চন্দ্রাবলী নামে সুবিদিতা হলেন। পুতনা যখন অপর কন্যাটিকে তাঁর বাহুলগ্না করে নিয়ে উড়ে যাচ্ছিলো, মন্ত্র প্রভাবে সে ক্রমশঃ আর শক্তিহীন হয়ে পড়তে লাগলো। ব্রজে পৌছানোর পর পুতনা আর চলতে না পেরে ভূমিতে পতিত হলো। সেই সময় পৌর্ণমাসী দেবী পুতনার কাছ থেকে ঐ শিশু কন্যাকে নিয়ে মুখরার কাছে অর্পণ করে তাঁকে বললেন, “এই কন্যা তোমার জামাতা বৃষ্ণভানুর সন্তান।" যা ভক্তের মনোবাসনা পূরন করবার লাগি নিয়তি কিছু দিনের জন্য কীর্তিদার গর্ভ হইতে এই কন্যাকে স্থানান্তরিত করেছিলেন।
                   ꧁শ্রী রাধা-কৃপা-কাটক্ষ-স্তব꧂ 
मुनीन्द्र–वृन्द–वन्दिते त्रिलोक–शोक–हारिणि
प्रसन्न-वक्त्र-पण्कजे निकुञ्ज-भू-विलासिनि
व्रजेन्द्र–भानु–नन्दिनि व्रजेन्द्र–सूनु–संगते
कदा करिष्यसीह मां कृपाकटाक्ष–भाजनम् ॥१॥

अशोक–वृक्ष–वल्लरी वितान–मण्डप–स्थिते
प्रवालबाल–पल्लव प्रभारुणांघ्रि–कोमले ।
वराभयस्फुरत्करे प्रभूतसम्पदालये
कदा करिष्यसीह मां कृपाकटाक्ष–भाजनम् ॥२॥

अनङ्ग-रण्ग मङ्गल-प्रसङ्ग-भङ्गुर-भ्रुवां
सविभ्रमं ससम्भ्रमं दृगन्त–बाणपातनैः ।
निरन्तरं वशीकृतप्रतीतनन्दनन्दने
कदा करिष्यसीह मां कृपाकटाक्ष–भाजनम् ॥३॥

तडित्–सुवर्ण–चम्पक –प्रदीप्त–गौर–विग्रहे
मुख–प्रभा–परास्त–कोटि–शारदेन्दुमण्डले ।
विचित्र-चित्र सञ्चरच्चकोर-शाव-लोचने
कदा करिष्यसीह मां कृपाकटाक्ष–भाजनम् ॥४॥

मदोन्मदाति–यौवने प्रमोद–मान–मण्डिते
प्रियानुराग–रञ्जिते कला–विलास – पण्डिते ।
अनन्यधन्य–कुञ्जराज्य–कामकेलि–कोविदे
कदा करिष्यसीह मां कृपाकटाक्ष–भाजनम् ॥५॥

अशेष–हावभाव–धीरहीरहार–भूषिते
प्रभूतशातकुम्भ–कुम्भकुम्भि–कुम्भसुस्तनि ।
प्रशस्तमन्द–हास्यचूर्ण पूर्णसौख्य –सागरे
कदा करिष्यसीह मां कृपाकटाक्ष–भाजनम् ॥६॥

मृणाल-वाल-वल्लरी तरङ्ग-रङ्ग-दोर्लते
लताग्र–लास्य–लोल–नील–लोचनावलोकने ।
ललल्लुलन्मिलन्मनोज्ञ–मुग्ध–मोहिनाश्रिते
कदा करिष्यसीह मां कृपाकटाक्ष–भाजनम् ॥७॥

सुवर्णमलिकाञ्चित –त्रिरेख–कम्बु–कण्ठगे
त्रिसूत्र–मङ्गली-गुण–त्रिरत्न-दीप्ति–दीधिते ।
सलोल–नीलकुन्तल–प्रसून–गुच्छ–गुम्फिते
कदा करिष्यसीह मां कृपाकटाक्ष–भाजनम् ॥८॥

नितम्ब–बिम्ब–लम्बमान–पुष्पमेखलागुणे
प्रशस्तरत्न-किङ्किणी-कलाप-मध्य मञ्जुले ।
करीन्द्र–शुण्डदण्डिका–वरोहसौभगोरुके
कदा करिष्यसीह मां कृपाकटाक्ष–भाजनम् ॥९॥

अनेक–मन्त्रनाद–मञ्जु नूपुरारव–स्खलत्
समाज–राजहंस–वंश–निक्वणाति–गौरवे ।
विलोलहेम–वल्लरी–विडम्बिचारु–चङ्क्रमे
कदा करिष्यसीह मां कृपाकटाक्ष–भाजनम् ॥१०॥

अनन्त–कोटि–विष्णुलोक–नम्र–पद्मजार्चिते
हिमाद्रिजा–पुलोमजा–विरिञ्चजा-वरप्रदे ।
अपार–सिद्धि–ऋद्धि–दिग्ध–सत्पदाङ्गुली-नखे
कदा करिष्यसीह मां कृपाकटाक्ष–भाजनम् ॥११॥

मखेश्वरि क्रियेश्वरि स्वधेश्वरि सुरेश्वरि
त्रिवेद–भारतीश्वरि प्रमाण–शासनेश्वरि ।
रमेश्वरि क्षमेश्वरि प्रमोद–काननेश्वरि
व्रजेश्वरि व्रजाधिपे श्रीराधिके नमो˜स्तु ते ॥१२॥

इती ममद्भुतं-स्तवं निशम्य भानुनन्दिनी
करोतु सन्ततं जनं कृपाकटाक्ष-भाजनम् ।
भवेत्तदैव सञ्चित त्रिरूप–कर्म नाशनं
लभेत्तदा व्रजेन्द्र–सूनु–मण्डल–प्रवेशनम् ॥१३॥

राकायां च सिताष्टम्यां दशम्यां च विशुद्धधीः ।
एकादश्यां त्रयोदश्यां यः पठेत्साधकः सुधीः ॥१४॥

यं यं कामयते कामं तं तमाप्नोति साधकः ।
राधाकृपाकटाक्षेण भक्तिःस्यात् प्रेमलक्षणा ॥१५॥

ऊरुदघ्ने नाभिदघ्ने हृद्दघ्ने कण्ठदघ्नके ।
राधाकुण्डजले स्थिता यः पठेत् साधकः शतम् ॥१६॥

तस्य सर्वार्थ सिद्धिः स्याद् वाक्सामर्थ्यं तथा लभेत् ।
ऐश्वर्यं च लभेत् साक्षाद्दृशा पश्यति राधिकाम् ॥१७॥

तेन स तत्क्षणादेव तुष्टा दत्ते महावरम् ।
येन पश्यति नेत्राभ्यां तत् प्रियं श्यामसुन्दरम् ॥१८॥

नित्यलीला–प्रवेशं च ददाति श्री-व्रजाधिपः ।
अतः परतरं प्रार्थ्यं वैष्णवस्य न विद्यते ॥१९॥
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






একলা জীবন


একলা জীবন

একলা  মরণ

একলা কিসের ভয়

এই পৃথিবীতে মুখোশে ভরা

কেহতো কাহারো নয়।।

🙏🙏🙏🙏🙏🙏

শ্রী মৃন্ময় নন্দী

শ্রীগুরু বন্দনা 🙏 জয় জয় শ্রীগুরু, প্রেম কল্পতরুঅদ্ভুত যাঁকো প্রকাশ।

  
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                         ꧁ শ্রীগুরু বন্দনা ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
জয় জয় শ্রীগুরু, প্রেম কল্পতরু
অদ্ভুত যাঁকো প্রকাশ।
হিয়ে অজ্ঞান, তিমির বর জ্ঞান
সুচন্দ্র কিরণে করু নাশ।

ইহ লোচন আনন্দধাম
অযাচিত মো হেন, পতিত হেরি যো পঁহু
যাচি দেয়ল হরি নাম।

দুর্মতি অগতি, সতত অসৎ মতি
নাহি সুকৃতি লব লেশ,
শ্রীবৃন্দাবন, যুগল-ভজন ধন
তাহে করতঃ উপদেশ।

নির্মল গৌর, প্রেমরস সিঞ্চনে
পুরল সব মন আশ,
সো চরণাম্বুজে, রতি নাহি হোঁয়ল
রোয়ত বৈষ্ণব দাস।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
             *••••┉━❀꧁ রাধে রাধে ꧂❀━┅••••*
  
                 শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।

       *••••┉━❀꧁ জয় শ্রীশ্রীজগন্নাথ ꧂❀━┅••••*

              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥

    *••••┉━❀꧁জয় শ্রীশ্রীরাধাকান্ত꧂ ❀━┅••••*

             শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর নিবাসস্থলী
শ্রীগুরুদেব(আশ্রিত)-বৈষ্ণব কুলতিলক আচার্য্যপ্রবর মহান্ত মহারাজ শ্রীল ধ্যানচন্দ্র দাস গোস্বামী (শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর অপ্রকট লীলায় শ্রীগম্ভীরা মন্দিরে ঊনবিংশ পীঠাচার্য্য, শ্রীশ্রীরাধাকান্ত মঠ - শ্রীশ্রীগম্ভীরা, শ্রীধাম পুরী), মধবাচার্য্য(ব্রহ্ম) সম্প্রদায়,বক্রেশ্বর পরিবার(শ্রীতিলক সেবা- শ্রীশ্রীমহাপ্রভুর শ্রীচরণ), তুঙ্গবিদ্যা সখী,পশ্চিম দ্বার, লবঙ্গ মঞ্জুরী ( সনাতন গোস্বামী)।
*••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••*
শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম।
নিবাস-গিরিরাজ ভবন, উত্তর নারায়নপুর, ভলীয়া, আরামবাগ, হুগলী, পশ্চিমবঙ্গ।
••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••
      📚 *PDF গ্রন্থ* 📚👉 https://drive.google.com/folderview?id=1_2ZHIyZKJeOOLMK0uLv53SkpMNgyi6eR 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

শ্রীমতি রাধিকা (श्री राधा)

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                 ꧁ শ্রীমতি রাধিকা (श्री राधा)꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🏠Home Page🏠👇👇🙏👇👇📚PDF গ্রন্থ📚
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧    
রাধিকা বা রাধারাণী হলেন হিন্দু ভারতীয় বৈষ্ণব সম্প্রদায় দের আরাধ্য দেবী। বৈষ্ণব ভক্তরা তাঁকে বলেন শ্রীমতী। হিন্দুধর্মের বহু গ্রন্থে বিশেষত শাক্ত সম্প্রদায়রা উত্তর ভারতীয় বৈষ্ণব তত্ত্ববিদ্যা অনুসারে, রাধা হলেন পরম সত্ত্বা শ্রীকৃষ্ণের শাশ্বত সঙ্গী বা তাঁর দিব্যলীলার শক্তি ('নাদশক্তি')। রাধা ও কৃষ্ণের যুগলমূর্তিকে 'রাধাকৃষ্ণ রূপে আরাধনা করা হয়। যদিও ভগবানের এই রূপের অনেক প্রাচীর উল্লেখ রয়েছে, কিন্তু দ্বাদশ শতাব্দীতে যখন জয়দেব গোস্বামী সুবিখ্যাত কাব্য গীতগোবিন্দ রচনা করেন, তখন থেকেই দিব্য কৃষ্ণ ও তাঁর পরমাপ্রকৃতি রাধার মধ্যেকার দিব্য ও নিত্য প্রেম সম্বন্ধিত বিষয়টি সমগ্র ভারতবর্ষে আরও বেশি প্রচার হয়।

স্বয়ং ভগবান এর আনন্দদায়ীকা শক্তি হলো আলহাদিনী শক্তির ঘনীভূত বিলাসই হলো প্রেম। স্বরূপত উভয়ই এক আত্মা বা অভিন্ন হয়েও শ্রীগোলক বৃন্দাবনে অনন্ত কাল ধরে দুই দেহ ধারণ করিয়া লীলা বিলাস করে চলেছেন। সেই গোলক বিহারী শ্রীগোবিন্দ ও রাধারাণীর একাত্ম রূপে সয়ং কলিযুগে মানব উদ্ধার এর লাগি শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য নামে প্রকাশ । শ্রীমতি রাধিকা মহাভাব স্বরূপিনী বলে তাকে কৃষ্ণ প্রণয় বিকৃতি বলে ধরা হয়েছে।  

আবার রাধা পূর্ণ শক্তি , কৃষ্ণ পূর্ণ শক্তিমান।

"রাধা পূর্ণশক্তি, কৃষ্ণ পূর্ণ শক্তিমান।
 দুই বস্তু ভেদে নাহি শাস্ত্রের প্রমাণ।"
 (চৈতন্য চরিতামৃত ১/৪/৮৩)

শক্তি ও শক্তিমানের অভেদবসত শ্রী রাধা ও শ্রী কৃষ্ণ কোন ভেদ নেই। তারা এক আত্মা। একটি ভাবের দুটি স্বরূপ।

শ্রীমতী রাধা (দেবনাগরী লিপিতে: श्री राधा) হলেন শ্রী কৃষ্ণের পরমাপ্রকৃতি । অন্যতম অর্থ হল "শক্তিধাত্রী", “সৌভাগ্যদায়িনী"। 

শ্রীমতী রাধা হলেন শ্রী কৃষ্ণের সর্বপ্রিয়া আরাধিকা। "রাধাতন্ত্র" গ্রন্থ অনুসারে দেবী রাধা "ত্রিপুরাসুন্দরী মাতা" রূপে তন্ত্রে পূজিতা হন।

শ্রীকৃষ্ণকে বলা হয় রাসেশ্বর। রাধাকে বলা হয় রাসেশ্বরী।

শ্রীমতী রাধিকা হলেন শ্রীকৃষ্ণের আদিশক্তি, কৃষ্ণার্ধতনু, কৃষ্ণবক্ষস্থলস্থিতা, কৃষ্ণহৃদয়েশ্বরী, তিনিই কৃষ্ণের পরমেশ্বরী, তিনিই আদিমহালক্ষী। "শাক্ত উপনিষদ" মতে দেবী রাধিকা হলেন "কুলকুণ্ডলিনী শক্তি"। 

বৃন্দাবনে সম্পূর্ণরূপে বিরাজিতা, এই অর্থে বৃন্দাবনী।

 দেবী রাধিকার অন্যান্য নাম হল রাধা, বার্ষভানবী, সর্বেশ্বরী, মহালক্ষী, বৈকুন্ঠেশ্বরী, মানিনী, মালিনী, বৃন্দাবনেশ্বরী, মথুরেশ্বরী, কৃষ্ণময়ী, মাধবী, কেশবি, রাহী, শ্যামা, কৃষ্ণা, রাই, কিশোরী, শ্রী, কৃষ্ণাত্মিকা, ব্রজেশ্বরী, বিনোদিনী, বনলক্ষী, গোবিন্দমোহিনী আরও অনেক।

শ্রীরাধিকা হলেন শ্রীকৃষ্ণের প্রাণাধিকা প্রেয়সী, এই অর্থে তিনি কৃষ্ণপ্রাণাধিকা।

ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ অনুযায়ী, তিনি হলেন গোকুলনিবাসী বৃষভানু ও কলাবতীর (কীর্তিদা) কন্যা। ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ ও দেবীভাগবতের মতে, রাধার সৃষ্টি ভগবান কৃষ্ণের শরীরের বামভাগ থেকে হয় এবং সেই রাধাই দ্বাপর যুগে বৃষভানুর পুত্রী রুপে আবির্ভূত হয়েছিলেন। রাধা শ্রীকৃষ্ণের সহস্রাধিক গোপিকা দের মধ্যে শ্রীমতী রাধা গোপী শিরোমণি।
 
পূর্বে শ্রীমতী রাধারাণীকে শুধু মাত্র একজন শ্রেষ্ঠ প্রেমিকা বলে ভক্ত সমাজে অবিহিত ছিলো , কিন্তু শ্রীমান মহাপ্রভু শাস্ত্র হইতে শ্রী রাধারানীর মূল তত্ব প্রকাশ করেন। তারপর হইতে ভক্ত সমাজ শ্রীরাধারাণীকে শ্রীকৃষ্ণের মূল শক্তি রূপে স্বীকার করেন এবং কৃষ্ণ বিগ্রহের বাম পাশে শ্রীরাধারানীর বিগ্রহ প্রতিষ্ঠিত করেন।

            ꧁গোলক বৃন্দাবনে শ্রীরাধার আবির্ভাব"꧂

 পরমেশ্বর ভগবানের দিব্য লীলাপীঠ গোলোক বৃন্দাবন ধামে রাসমণ্ডল নামে একটি স্থান বিদ্যমান। রাসমণ্ডলে একদিকে শতশৃঙ্গ নামে একটি পর্বত বিরাজিত। এই শতশৃঙ্গ পর্বতই ভূলোকে গিরিগোবর্ধন রূপে আবির্ভূত হয়েছেন। বৃন্দাবনে মালতী ও মল্লিকা ফুলের একটি অত্যন্ত মনোহর কানন বিদ্যমান। যাঁর ইচ্ছামাত্রে সবকিছু সংঘটিত হয়, সেই জগতপতি ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ঐ পুষ্পোদ্যানে একটি সুন্দর রত্নসিংহাসনে বিরাজ করছিলেন।

 তাঁর চিত্তে লীলাবিলাস উপভোগের বাসনা উদিত হল; আর তাঁর এই লীলানন্দ সুখ সম্ভোগের অভিলাষ হওয়া মাত্রই তাঁর চিন্ময় শ্রীবিগ্রহের বামভাগ হতে এক পরম রূপশালিনী দেবী আবির্ভূতা হলেন। তিনি ছিলেন সর্বাভরণ-ভূষিতা এবং শুদ্ধ ক্ষৌমবসন পরিহিতা। তপ্তকাঞ্চনকান্তি এই দেবী কোটি চন্দ্রের প্রভার ন্যায় দ্যুতি বিকিরণ করছিলেন। তাঁর অঙ্গপ্রভায় সবকিছু উদ্ভাসিত হয়ে উঠেছিল।

 তাঁর স্মিতহাস্য বিভাসিত মুখে মুক্তাধবল মনোহর দন্তপংক্তি শোভা পাচ্ছিলো। তাঁর মুখমণ্ডল শরৎকালীন সরোজের সৌন্দর্যকে পরাভূত করছিল। তাঁর গলদেশে শোভিত ছিল মালতী পুষ্পের মালা ও হীরক-হার। যেহেতু তিনি রাসমণ্ডলে আবির্ভূত হন এবং তৎক্ষণাৎ তিনি শ্রীহরির সেবার্থে পুষ্পচয়নে ধাবিতা হন, সেজন্য তিনি "রাধা" নামে বিদিতা হন। "রা" শব্দাংশ রাসমণ্ডলের নির্দেশক এবং "ধা" শব্দাংশ ধাবমান, অর্থাৎ ধাবিত হওয়াকে নির্দেশ করে।

 যেহেতু শ্রীমতি রাধিকা রাসমণ্ডলে আবির্ভূতা হন এবং প্রভুকে রমণাভিলাষী দর্শন করে, তাঁর প্রতি ধাবিতা হন, সেজন্য তাঁর নাম রাধা।


           ꧁ভূবৃন্দাবনে শ্রীমতী রাধারাণীর আবির্ভাব ꧂ 

প্রসঙ্গে বিভিন্ন শাস্ত্রে ভিন্ন ভিন্ন বর্ণনা দেখা যায়। এর একটি কারণ হচ্ছে ভিন্ন ভিন্ন কল্পে বিভিন্ন রকমের. আবির্ভাব ঘটেছে। গর্গ মুনির কন্যা গার্গীকে পৌর্ণমাসী দেবী শ্রীমতী রাধারাণীর যে আবির্ভাব-তত্ত্ব বলেছিলেন, সেই তত্ত্ব শ্রীল রূপ গোস্বামী তাঁর শ্রীললিতমাধব গ্রন্থে বিধৃত করেছেন। এই অাবির্ভাব সম্বন্ধে পৌর্ণমাসী বিশদভাবে অবগত ছিলেন, কেনোনা তিনি ভগবানের সকল লীলাবিলাসের আয়োজন ও ব্যবস্থাপনা করেন। তিনি এই তথ্য কেবল যশোদা মাতা ও রোহিণী দেবীকে জানিয়েছিলেন।

 বিন্ধ‍্য পর্বত বিশালায়তন হিমালয় পর্বতের প্রতি ঈশ্বান্বিত ছিলো। কারণ হিমালয় পার্বতীকে তাঁর কন্যা হিসাবে পাওয়ায় মহাদেব শিবকে জামাতা হিসাবে লাভ করার সুযোগ পেয়েছিলেন। বিন্ধ‍্য পর্বত এজন্য এমন একজন সৌভাগ্যবতী কন্যাকে লাভ করতে চেয়েছিলেন, যাঁর স্বামী মহাদেবকেও যুদ্ধে পরান্ত করতে পারবে, এবং এই ভাবে সে রাজেন্দ্র বা রাজাধিরাজ পদ লাভ করতে পারবে। 

 তাঁর এই অভিলাস পুরণের সংকল্প করে বিন্ধ‍্য পর্বত ব্রহ্মাকে সন্তুষ্ট করার জন্য কঠোর তপস্যা করতে থাকে। কিছু কাল পর ব্রহ্মা তাঁর কাছে আবির্ভূত হয়ে তাঁর অভিলাষিত বর প্রার্থনা করতে বলে। কিন্তু "তথান্ত’ বলে বরদানের পর ব্রহ্মা চিন্তা করতে লাগলেন, "এমন কোন ব্যক্তি আছে, যিনি মহাদেবকে যুদ্ধে পারাজিত করতে পারেন? এটি অসম্ভব।"

  কিন্তু বর তিনি ইতিমধ্যেই অনুমোদন করেছেন, সেজন্য তিনি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়লেন। তারপর তিনি উপলদ্ধি করলেন যে, ভূলোকে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অপ্রাকৃত লীলা সংঘটিত করার সময় সমাগত হয়েছেঃ কেবল তিনিই মহাদেবকে রণে পরাভূত করতে পারেন। ব্রহ্মা ভাবলেন, “কৃষ্ণের নিত্য লীলাসঙ্গিনী হচ্ছেন শ্রীমতী রাধারাণী। যদি বিন্ধ‍্য-পর্বত রাধারাণীকে তাঁর কন্যা হিসেবে লাভ করতে পারে, তাহলেই কেবল অামার বর ফলপ্রসূ হতে পারে। শ্রীমতী কীর্তিদা রাধারাণীর নিত্য মাতা। কিভাবে বিন্ধ‍্য তাঁকে কন্যা হিসেবে পেতে পারে?"

 তাঁর বর কিভাবে ফলপ্রসূ হবে তা নিয়ে চিন্তাম্বিত হয়ে ব্রহ্মা শ্রীমতী রাধারাণীকে পরিতুষ্ট করার জন্য কঠোর তপস্যা শুরু করলেন। যখন তিনি তাঁর প্রতিপ্রীত হলেন, তখন ব্রহ্মা তাঁকে বিদ্ধ্য পর্বতের কন্যারূপে আবির্ভূত হতে অনুরোধ জানালেন। রাধারাণী সম্মত হলেন, এবং তখন যোগমায়া দেবী ইতিমধ্যেই রাজা বৃষভানু ও চন্দ্রভানুর স্ত্রীদ্বয়ের গর্ভে থাকা রাধারাণী ও চন্দ্রাবলীকে বিন্ধ্য পর্বতের স্ত্রীর গর্ভে স্থানান্তরিত করার ব্যবস্থা করলেন। এর ফলে বিন্ধ্য-ভার্যা দুটি পরমা সুন্দরী কন্যার জন্মদান করলেন।

 ইতিমধ্যে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ মথুরায় আবির্ভূত হয়েছিলেন। ভগবানের আদেশে বসুদেব শিশুপুত্র কৃষ্ণকে গোকুলে নিয়ে গেলেন এবং সেখানে যশোদার কাছে রাখলেন, যিনি.ইতিমধ্যেই একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দান করেছিলেন। বসুদেব কৃষ্ণকে সেখানে রেখে পরিবর্তে ভগবৎ অাজ্ঞানুসারে যশোদার কন্যাটিকে নিলেন এবং তাঁকে নিয়ে মথুরার কারাগারে ফিরে এলেন, যেখানে তাঁকে ও দেবকীকে কংস বন্দী করে রেখেছিলো।

 বিন্ধ্য পর্বতের স্ত্রী দুই কন্যা সন্তানের জন্মদান করলে। বিন্ধ্য পর্বত শিশুকন্যা দুটির জন্য সংস্কার অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। দুই কন্যাকে যজ্ঞস্থলে রেখে একজন ব্রাহ্মণ যজ্ঞানুষ্ঠান করছিলেন। গগনচারী পুতনা যজ্ঞস্থলে দুই রূপবতী কন্যাকে দেখতে পেয়ে তৎক্ষণাৎ তাঁদেরকে ভূমি থেকে তুলে নিয়ে আকাশ মার্গে উড়ে পালাতে লাগলো। এতে বিন্ধ্যরাজ অত্যন্ত উদ্বিগ্ন হয়ে ব্রাহ্মণকে ঐ রাক্ষসীকে মন্ত্রোচারণ দ্বারা হত্যা করতে বললেন। রাজার আদেশে ব্রাহ্মণ মন্ত্রপাঠ করতে লাগলেন, যার ফলে আকাশচারী পুতনা ক্রমশঃ দুর্বলহয়ে পড়তে লাগলো। দুই শিশুকন্যাকে ধরে রাখা তাঁর পক্ষে অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়লো, এবং তাঁদের একজনকে সে নীচে নদীতে ফেলে দিলেন। ঐ নদী বিদর্ভ রাজ্যের মধ্য দিয়ে প্রবাতি হচ্ছিলো। বিদর্ভরাজ ভীষ্মক এই কন্যাকে পেয়ে পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত তাঁকে নিজের কাছে রাখলেন।
 
  সে সময় জাম্ববান বিন্ধ্য ও গোবর্দ্ধন পর্বতে বাস করছিলেন। বিন্ধ্যরাজের অাদেশে জাম্ববান বিদর্ভ গিয়ে সেই কন্যাকে ফিরিয়ে নিয়ে এলেন। তিনি চন্দ্রাবলী নামে সুবিদিতা হলেন। পুতনা যখন অপর কন্যাটিকে তাঁর বাহুলগ্না করে নিয়ে উড়ে যাচ্ছিলো, মন্ত্র প্রভাবে সে ক্রমশঃ আর শক্তিহীন হয়ে পড়তে লাগলো। ব্রজে পৌছানোর পর পুতনা আর চলতে না পেরে ভূমিতে পতিত হলো। সেই সময় পৌর্ণমাসী দেবী পুতনার কাছ থেকে ঐ শিশু কন্যাকে নিয়ে মুখরার কাছে অর্পণ করে তাঁকে বললেন, “এই কন্যা তোমার জামাতা বৃষ্ণভানুর সন্তান।" যা ভক্তের মনোবাসনা পূরন করবার লাগি নিয়তি কিছু দিনের জন্য কীর্তিদার গর্ভ হইতে এই কন্যাকে স্থানান্তরিত করেছিলেন।
                   ꧁শ্রী রাধা-কৃপা-কাটক্ষ-স্তব꧂ 
मुनीन्द्र–वृन्द–वन्दिते त्रिलोक–शोक–हारिणि
प्रसन्न-वक्त्र-पण्कजे निकुञ्ज-भू-विलासिनि
व्रजेन्द्र–भानु–नन्दिनि व्रजेन्द्र–सूनु–संगते
कदा करिष्यसीह मां कृपाकटाक्ष–भाजनम् ॥१॥

अशोक–वृक्ष–वल्लरी वितान–मण्डप–स्थिते
प्रवालबाल–पल्लव प्रभारुणांघ्रि–कोमले ।
वराभयस्फुरत्करे प्रभूतसम्पदालये
कदा करिष्यसीह मां कृपाकटाक्ष–भाजनम् ॥२॥

अनङ्ग-रण्ग मङ्गल-प्रसङ्ग-भङ्गुर-भ्रुवां
सविभ्रमं ससम्भ्रमं दृगन्त–बाणपातनैः ।
निरन्तरं वशीकृतप्रतीतनन्दनन्दने
कदा करिष्यसीह मां कृपाकटाक्ष–भाजनम् ॥३॥

तडित्–सुवर्ण–चम्पक –प्रदीप्त–गौर–विग्रहे
मुख–प्रभा–परास्त–कोटि–शारदेन्दुमण्डले ।
विचित्र-चित्र सञ्चरच्चकोर-शाव-लोचने
कदा करिष्यसीह मां कृपाकटाक्ष–भाजनम् ॥४॥

मदोन्मदाति–यौवने प्रमोद–मान–मण्डिते
प्रियानुराग–रञ्जिते कला–विलास – पण्डिते ।
अनन्यधन्य–कुञ्जराज्य–कामकेलि–कोविदे
कदा करिष्यसीह मां कृपाकटाक्ष–भाजनम् ॥५॥

अशेष–हावभाव–धीरहीरहार–भूषिते
प्रभूतशातकुम्भ–कुम्भकुम्भि–कुम्भसुस्तनि ।
प्रशस्तमन्द–हास्यचूर्ण पूर्णसौख्य –सागरे
कदा करिष्यसीह मां कृपाकटाक्ष–भाजनम् ॥६॥

मृणाल-वाल-वल्लरी तरङ्ग-रङ्ग-दोर्लते
लताग्र–लास्य–लोल–नील–लोचनावलोकने ।
ललल्लुलन्मिलन्मनोज्ञ–मुग्ध–मोहिनाश्रिते
कदा करिष्यसीह मां कृपाकटाक्ष–भाजनम् ॥७॥

सुवर्णमलिकाञ्चित –त्रिरेख–कम्बु–कण्ठगे
त्रिसूत्र–मङ्गली-गुण–त्रिरत्न-दीप्ति–दीधिते ।
सलोल–नीलकुन्तल–प्रसून–गुच्छ–गुम्फिते
कदा करिष्यसीह मां कृपाकटाक्ष–भाजनम् ॥८॥

नितम्ब–बिम्ब–लम्बमान–पुष्पमेखलागुणे
प्रशस्तरत्न-किङ्किणी-कलाप-मध्य मञ्जुले ।
करीन्द्र–शुण्डदण्डिका–वरोहसौभगोरुके
कदा करिष्यसीह मां कृपाकटाक्ष–भाजनम् ॥९॥

अनेक–मन्त्रनाद–मञ्जु नूपुरारव–स्खलत्
समाज–राजहंस–वंश–निक्वणाति–गौरवे ।
विलोलहेम–वल्लरी–विडम्बिचारु–चङ्क्रमे
कदा करिष्यसीह मां कृपाकटाक्ष–भाजनम् ॥१०॥

अनन्त–कोटि–विष्णुलोक–नम्र–पद्मजार्चिते
हिमाद्रिजा–पुलोमजा–विरिञ्चजा-वरप्रदे ।
अपार–सिद्धि–ऋद्धि–दिग्ध–सत्पदाङ्गुली-नखे
कदा करिष्यसीह मां कृपाकटाक्ष–भाजनम् ॥११॥

मखेश्वरि क्रियेश्वरि स्वधेश्वरि सुरेश्वरि
त्रिवेद–भारतीश्वरि प्रमाण–शासनेश्वरि ।
रमेश्वरि क्षमेश्वरि प्रमोद–काननेश्वरि
व्रजेश्वरि व्रजाधिपे श्रीराधिके नमो˜स्तु ते ॥१२॥

इती ममद्भुतं-स्तवं निशम्य भानुनन्दिनी
करोतु सन्ततं जनं कृपाकटाक्ष-भाजनम् ।
भवेत्तदैव सञ्चित त्रिरूप–कर्म नाशनं
लभेत्तदा व्रजेन्द्र–सूनु–मण्डल–प्रवेशनम् ॥१३॥

राकायां च सिताष्टम्यां दशम्यां च विशुद्धधीः ।
एकादश्यां त्रयोदश्यां यः पठेत्साधकः सुधीः ॥१४॥

यं यं कामयते कामं तं तमाप्नोति साधकः ।
राधाकृपाकटाक्षेण भक्तिःस्यात् प्रेमलक्षणा ॥१५॥

ऊरुदघ्ने नाभिदघ्ने हृद्दघ्ने कण्ठदघ्नके ।
राधाकुण्डजले स्थिता यः पठेत् साधकः शतम् ॥१६॥

तस्य सर्वार्थ सिद्धिः स्याद् वाक्सामर्थ्यं तथा लभेत् ।
ऐश्वर्यं च लभेत् साक्षाद्दृशा पश्यति राधिकाम् ॥१७॥

तेन स तत्क्षणादेव तुष्टा दत्ते महावरम् ।
येन पश्यति नेत्राभ्यां तत् प्रियं श्यामसुन्दरम् ॥१८॥

नित्यलीला–प्रवेशं च ददाति श्री-व्रजाधिपः ।
अतः परतरं प्रार्थ्यं वैष्णवस्य न विद्यते ॥१९॥
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






শ্রীকৃষ্ণের এবং রাধিকার পরিবার ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_0.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
           ꧁ শ্রীকৃষ্ণের এবং রাধিকার পরিবার ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
শ্রীকৃষ্ণের পিতামহ= পর্জন‍্য, (নন্দ, উপনন্দ,সুনন্দ, অভিনন্দ,ও নন্দন পাঁচ ভাই। উপনন্দ ও অভিনন্দ নন্দের জ‍্যেষ্ঠ ভ্রাতা, সনন্দ বা সুনন্দ ও নন্দন নন্দের কনিষ্ঠ ভ্রাতা।
শ্রীকৃষ্ণের পিতামহী= বরীয়সী।
শ্রীকৃষ্ণের মাতামহ= সুমুখ।
শ্রীকৃষ্ণের মাতামহী= পাটলা।
চারুমুখ --- সুমুখের কনিষ্ঠ ভ্রাতা, কৃষ্ণের গৌণ মাতামহ।জটিলা= চারুমুখের পত্নী,বর্ণ- কাকের মত।মতান্তরে গোল ঘোষ।
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
           ꧁ শ্রীকৃষ্ণের এবং রাধিকার পরিবার ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
মুখরা-- শ্রীরাধার মাতামহী। ইনি কৃষ্ণের মাতামহী পাটলার প্রিয় সহচরী,পাটলার স্নেহভরে যশোদাকে স্তনদুগ্ধ দান করিতেন। ইঁহাকে কৃষ্ণ *বড়আই* বলিয়া ডাকতেন, ইনি বড়াই বুড়ি।
শ্রীরাধার পিতামহ-- মহিভানু,মাতামহ- বিন্দু,  মাতামহী- মুখরা,পিতামহী- সুখদা,(রত্নভানু,সুভানু ও ভানু,এই তিন জন বৃষভানুর ভ্রাতা।) জ‍্যেষ্ঠ ভ্রাতা- শ্রীদাম, কনিষ্ঠা ভগ্নী-অনঙ্গ মঞ্জরী। দেবর- দুর্মদ, দাসী- রত্নলেখা,কলাকেলি ওমঞ্জুলা।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
⬇️⬇️⬇️এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন ⬇️⬇️⬇️
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


adds