শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

৪. নিত্যানন্দ কে ছিলেন? ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/10/blog-post_28.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
          ꧁ *৪. নিত্যানন্দ কে ছিলেন?* ꧂
      এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস  ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
      এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
     ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস  ꧂
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ প্রভু নিত্যানন্দের সংক্ষিপ্ত লীলা 🙏 সূচীপত্র ꧂
      এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*রাঢ় দেশে একচক্রা নামে আছে গ্রাম।*
*যঁহি অবতীর্ণ নিত্যানন্দ__বলরাম।।*
*সমগ্র বাংলায় তখন ব্রাহ্মণ্যবাদের প্রবল প্রতাপ। জাতপাতের বিভেদ, গোঁড়ামি আর কুসংস্কারে পরিপূর্ণ সমাজ। ব্রাহ্মণ্যবাদের প্রবল উৎপীড়নে নিম্নবর্ণের মানুষ নিজেকে মানুষ বলে ভাবতে পারত না, কারণ সমাজে তারা এত অবজ্ঞাত ও অবহেলিত ছিল। তাদের না কোন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার অধিকার ছিল, না সমাজেই কোনো মর্যাদা ছিল।*
 *তারা সমাজে অপাংক্তেয় রূপে পরিগণিত হত। বেদ পাঠে অধিকার ছিল না। প্রণব উচ্চারণ করলে নরকে যেতে হবে ইত্যাদি ভয় দেখানো হত। এই প্রকার বিবিধ প্রতিবন্ধকতায় তারা ছিল জর্জরিত। মনুষ্যত্বের স্বাদ থেকে বঞ্চিত, ধর্ম থেকে অনেক দূরে সরে গিয়ে অতি নিম্নমানের জীবন যাপন করছিল। সমাজ থেকে শোষিত, অবহেলিত, লাঞ্ছিত মানুষ অতীষ্ঠ হয়ে উঠেছিল। কি করবে, কোথায় যাবে, কিভাবে মানব জীবনের আশা আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ হবে, কোথায় আলোর সন্ধান মিলবে, এসব বিবিধ চিন্তায় মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছিল। একদিকে ব্রাহ্মণ্যবাদের নিষ্পেষণ, অপরদিকে মুসলিম শাসনের আগ্ৰাসন।*
 *সে সময় তুর্কি আক্রমনে বিধ্বস্ত বাংলার মেরুদণ্ড। ইসলামী আগ্রাসন ও প্রলোভনে দলে দলে মানুষ ধর্মান্তরিত হয়ে যাচ্ছিল। বাংলার এমনি এক ঘোর সঙ্কটময় সময়ে অন্ধকারাচ্ছন্ন দীর্ঘরাত্রি শেষে প্রভাতের সূর্যের ন্যায় আবির্ভূত হয়েছিলেন জীবদরদী নিত্যানন্দ।*

*ব্রজে যে বিহরে পূর্বে কৃষ্ণ-বলরাম।*
*কোটি সূর্য-চন্দ্র যিনি দোঁহার নিজ ধাম।।*
 *সেই দুই জগতেরে হইয়া সদয়।* *গৌড়দেশ-পূর্বশৈলে করিল উদয়।।*
*বৃন্দাবনের সেই কৃষ্ণ-বলরাম এবারে আসলেন কলিহত পতিত জীবের দুর্গতি দূর করে আলোর সন্ধান দিতে। কৃষ্ণ জন্ম নিলেন নবদ্বীপে নিমাই পণ্ডিত রূপে আর বলরাম জন্মগ্রহণ করলেন একচক্রা তে নিত্যানন্দ রূপে।*
*কোনো জাতির উত্থান হয় তার ইতিহাস ও সংস্কৃতির সমন্বয়ে এবং বিকাশে। সংস্কৃতি বিপন্ন হলে জাতিও হারিয়ে যায় অরাজকতার পঙ্কিল আবর্ত্তে। শ্রীচৈতন্যদেব বুঝেছিলেন বাংলা ও বাঙালি কে বাঁচাতে হলে জোরদার আন্দোলন দরকার। আন্দোলনের গতি নির্ভর করে নেতার সক্রিয়তার উপর। তাই নিত্যানন্দের উপর ভার দিলেন বাংলার ভক্তি-আন্দোলনের গতি নিয়ন্ত্রণ করতে।*
 *সে সময়ে ভক্তি-আন্দোলন করা সহজ কাজ ছিল না।একদিকে প্রবল ব্রাহ্মণ্যবাদ, অন্যদিকে বিজাতীয় শাসন। ভক্তি-আন্দোলনের প্রবাহকে অষ্টপাশের মত চেপে ধরেছিল। নিত্যানন্দ নিজে ছিলেন অত্যন্ত বিচক্ষণ ও দূরদর্শী।তার দার্শনিকতা ছিল প্রখর। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন ধর্মকে কঠোর নিয়ম-নীতির নিগড় থেকে মুক্ত করতে না পারলে জনপ্রিয় করে তোলা যাবে না। জাতিভেদের প্রাচীরকে ধূলিস্যাৎ করতে হবে ভক্তি ধর্মের প্রবল প্রবাহ দ্বারা। যে ধর্ম মানুষকে ঘৃণা করতে শেখায়, সে ধর্ম কখনও সার্বজনীন রূপ লাভ করতে পারে না।*
 *শ্রীচৈতন্য-প্রবর্তিত ভক্তি-ধর্মের মূল কথা হল, "জীবে সম্মান দিবে জানি কৃষ্ণ অধিষ্ঠান।" সে যুগের মানুষের কাছে এই বাণী যেন মৃতসঞ্জীবনী মন্ত্র হয়ে উঠেছিল। এমন কথা তারা আগে কখনও শোনে নি। তাই শ্রীচৈতন্যের ভক্তি-ধর্ম খুব সহজেই বিপন্ন মানুষের আশ্রয় হয়ে উঠল। শুধু আশ্রয়ই নয়, এই নব প্রবর্তিত ধর্ম তাদের ম্লান-মূক মুখে দিল ভাষা, প্রাণে দিল আশা। বহুদিন পর ছিন্নমূল মানুষ আবার নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখতে লাগল। মানুষের সঙ্গে মানুষের বাঁচার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে নিত্যানন্দ খুব অল্পদিনের মধ্যেই বাংলার অবিসংবাদিত নেতা হয়ে উঠলেন। একজন সার্থক বিপ্লবী রূপে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করলেন। তার ভালোবাসায় সকলেই তাঁকে হৃদি সিংহাসনে অধিষ্ঠিত করলেন।।*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*কিন্তু আন্দোলনের গতি নানা প্রতিকূলতায় বাধাপ্রাপ্ত হতে লাগল। প্রতি পদে পদে বিরোধিতার সম্মুখীন হতে হলো নিত্যানন্দ কে । শাসকের রক্তচক্ষু, স্বজাতিদ্রোহ তাঁর চলার পথে বিবিধ ভাবে অন্তরায়ের সৃষ্টি করতে লাগল। গণশক্তিই সব শক্তির থেকে বড় শক্তি, তাই নিত্যানন্দ একেবারে তৃণমূল স্তর থেকেই আন্দোলন শুরু করলেন। সকলকে সঙ্ঘবদ্ধ ও সুসংহত করলেন। প্রকৃত বীর নেতা না হলে আন্দোলনে সাফল্য আসে না। নিত্যানন্দ ছিলেন অকুতোভয়, সত্যবাদী ও জিতেন্দ্রিয়। ভক্তি-আন্দোলন কে সর্বব্যাপী করতে হলে মানুষকেই সঙ্গে নিতে হবে। এই উপলব্ধি থেকে নিত্যানন্দ মানুষে মানুষে ভেদাভেদ দূর করে সকলকে সমান আসন দিলেন। তথাকথিত ব্রাহ্মণ্যধর্মকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ভক্তি-ধর্মকে প্রাধান্য দিতে বদ্ধপরিকর হলেন। সম্মিলিত জনশক্তিই হলো রাষ্ট্রশক্তির আধার। নিত্যানন্দের প্রচেষ্টায় বাংলার বিচ্ছিন্ন জনগোষ্ঠী একত্রিত হল। আর তখনই শুরু হল শক্তির সঙ্গে শক্তির লড়াই। চাঁদ কাজীর পরাজয় তো সম্মিলিত জনশক্তির কাছেই। বোধহয় একেই বলে জাতীয়তাবোধ যে বোধ মানুষকে অকুতোভয় এবং অপ্রতিরোধ্য করে তোলে। সকলকে সঙ্গে নিয়ে একসাথে অনন্তের পথে যাত্রা নিত্যানন্দকে সাম্যবাদী অভিধায় ভূষিত করল।*
 *জননেতা হতে গেলে জনগণের সঙ্গে একাত্ম হতে হয়। মিশে যেতে হয় তাদের সঙ্গে।নিত্যানন্দ মিশে গেলেন আপামর জনসাধারণের সঙ্গে। ভেদ আর আচারের সব বেড়া ভেঙে দিয়ে তিনি সকলকে এক ছত্রতলে একত্রিত করলেন। কঠিন ধর্মতত্ত্বের খোলস থেকে ভক্তি নামক বস্তুটি কে মুক্ত করে তিনি মানুষের মাঝে দিলেন প্রাণের ধন, হৃদয়ের অভিপ্সিত বস্তু করে। শুধু "কৃষ্ণনাম" উচ্চারণ করে মানুষ আধ্যাত্মিক শক্তি বলে বলবান হয়ে উঠল। ধর্মকে এত সহজ করে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার সাফল্যে নিত্যানন্দ বাংলার ইতিহাসে প্রথম সাম্যবাদী নেতা। শুধু মধ্যযুগ কেন, এযুগেও তার মত সফল সাম্যবাদী নেতা বিরল দৃষ্ট।*
*নিত্যানন্দ বঞ্চিত মানবাত্মার নেতা, অধিকারহীন মানুষের পুঞ্জিভূত বিদ্রোহ! আঘাতকারীকে আঘাত দিয়ে নয়, ভালোবাসা আর চৈতন্য দিয়েই তিনি তাদের সুপথে এনেছিলেন। নিজের মাথার রক্ত দিয়েও আঘাতকারী কে বুকে জড়িয়ে ধরে বলেছিলেন* - *একবার কৃষ্ণ বল! শুধুমাত্র একবার কৃষ্ণ বল! তোমার যাবতীয় পাপ-তাপ সব আমায় দিয়ে একবার মাত্র কৃষ্ণ বল!!*
*ইতিহাসের পাতা তন্ন তন্ন করে খুঁজে বিফল মনোরথ হয়ে ফিরে এসেছেন, কিন্তু আজ পর্যন্ত কেউ প্রকাশ করতে পারেন নাই এমন বিরল দৃষ্টান্ত। এমনকি স্বয়ং মহাপ্রভু দণ্ড দিতে উদ্যত হলে তার চরণে ধরে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন আঘাতকারীর জন্য। আমি যদি জীবনে এতটুকু তোমার চরণে ভক্তি করে থাকি, তার বিনিময়ে এদের তুমি ক্ষমা করে দাও। কেউ কখনো শুনেছে এমন দয়ার কথা, এমন করুনার কথা!*
*ন ভূত ন ভবিষ্যতি। একমেব দ্বিতীয় নাস্তি।*
*এমন পরম-করুন প্রেমদাতা হয় নাই আর হবার নয়। তাই সার্থকভাবেই বলা যায় নিত্যানন্দ ছিলেন একজন জনদরদী, সাম্যবাদী, উদার মানসিকতাসম্পন্ন বিপ্লবী নেতা।।*

ক্রমশ.....
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
      
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
           ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
DEMOCRATIC NITYANANDA (Facebook Group) 👉 https://www.facebook.com/groups/1370545549769377/?ref=share
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


৪. নিত্যানন্দ কে ছিলেন? ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/10/blog-post_28.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
          ꧁ *৪. নিত্যানন্দ কে ছিলেন?* ꧂
      এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস  ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
      এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
     ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস  ꧂
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ প্রভু নিত্যানন্দের সংক্ষিপ্ত লীলা 🙏 সূচীপত্র ꧂
      এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*রাঢ় দেশে একচক্রা নামে আছে গ্রাম।*
*যঁহি অবতীর্ণ নিত্যানন্দ__বলরাম।।*
*সমগ্র বাংলায় তখন ব্রাহ্মণ্যবাদের প্রবল প্রতাপ। জাতপাতের বিভেদ, গোঁড়ামি আর কুসংস্কারে পরিপূর্ণ সমাজ। ব্রাহ্মণ্যবাদের প্রবল উৎপীড়নে নিম্নবর্ণের মানুষ নিজেকে মানুষ বলে ভাবতে পারত না, কারণ সমাজে তারা এত অবজ্ঞাত ও অবহেলিত ছিল। তাদের না কোন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার অধিকার ছিল, না সমাজেই কোনো মর্যাদা ছিল।*
 *তারা সমাজে অপাংক্তেয় রূপে পরিগণিত হত। বেদ পাঠে অধিকার ছিল না। প্রণব উচ্চারণ করলে নরকে যেতে হবে ইত্যাদি ভয় দেখানো হত। এই প্রকার বিবিধ প্রতিবন্ধকতায় তারা ছিল জর্জরিত। মনুষ্যত্বের স্বাদ থেকে বঞ্চিত, ধর্ম থেকে অনেক দূরে সরে গিয়ে অতি নিম্নমানের জীবন যাপন করছিল। সমাজ থেকে শোষিত, অবহেলিত, লাঞ্ছিত মানুষ অতীষ্ঠ হয়ে উঠেছিল। কি করবে, কোথায় যাবে, কিভাবে মানব জীবনের আশা আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ হবে, কোথায় আলোর সন্ধান মিলবে, এসব বিবিধ চিন্তায় মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছিল। একদিকে ব্রাহ্মণ্যবাদের নিষ্পেষণ, অপরদিকে মুসলিম শাসনের আগ্ৰাসন।*
 *সে সময় তুর্কি আক্রমনে বিধ্বস্ত বাংলার মেরুদণ্ড। ইসলামী আগ্রাসন ও প্রলোভনে দলে দলে মানুষ ধর্মান্তরিত হয়ে যাচ্ছিল। বাংলার এমনি এক ঘোর সঙ্কটময় সময়ে অন্ধকারাচ্ছন্ন দীর্ঘরাত্রি শেষে প্রভাতের সূর্যের ন্যায় আবির্ভূত হয়েছিলেন জীবদরদী নিত্যানন্দ।*

*ব্রজে যে বিহরে পূর্বে কৃষ্ণ-বলরাম।*
*কোটি সূর্য-চন্দ্র যিনি দোঁহার নিজ ধাম।।*
 *সেই দুই জগতেরে হইয়া সদয়।* *গৌড়দেশ-পূর্বশৈলে করিল উদয়।।*
*বৃন্দাবনের সেই কৃষ্ণ-বলরাম এবারে আসলেন কলিহত পতিত জীবের দুর্গতি দূর করে আলোর সন্ধান দিতে। কৃষ্ণ জন্ম নিলেন নবদ্বীপে নিমাই পণ্ডিত রূপে আর বলরাম জন্মগ্রহণ করলেন একচক্রা তে নিত্যানন্দ রূপে।*
*কোনো জাতির উত্থান হয় তার ইতিহাস ও সংস্কৃতির সমন্বয়ে এবং বিকাশে। সংস্কৃতি বিপন্ন হলে জাতিও হারিয়ে যায় অরাজকতার পঙ্কিল আবর্ত্তে। শ্রীচৈতন্যদেব বুঝেছিলেন বাংলা ও বাঙালি কে বাঁচাতে হলে জোরদার আন্দোলন দরকার। আন্দোলনের গতি নির্ভর করে নেতার সক্রিয়তার উপর। তাই নিত্যানন্দের উপর ভার দিলেন বাংলার ভক্তি-আন্দোলনের গতি নিয়ন্ত্রণ করতে।*
 *সে সময়ে ভক্তি-আন্দোলন করা সহজ কাজ ছিল না।একদিকে প্রবল ব্রাহ্মণ্যবাদ, অন্যদিকে বিজাতীয় শাসন। ভক্তি-আন্দোলনের প্রবাহকে অষ্টপাশের মত চেপে ধরেছিল। নিত্যানন্দ নিজে ছিলেন অত্যন্ত বিচক্ষণ ও দূরদর্শী।তার দার্শনিকতা ছিল প্রখর। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন ধর্মকে কঠোর নিয়ম-নীতির নিগড় থেকে মুক্ত করতে না পারলে জনপ্রিয় করে তোলা যাবে না। জাতিভেদের প্রাচীরকে ধূলিস্যাৎ করতে হবে ভক্তি ধর্মের প্রবল প্রবাহ দ্বারা। যে ধর্ম মানুষকে ঘৃণা করতে শেখায়, সে ধর্ম কখনও সার্বজনীন রূপ লাভ করতে পারে না।*
 *শ্রীচৈতন্য-প্রবর্তিত ভক্তি-ধর্মের মূল কথা হল, "জীবে সম্মান দিবে জানি কৃষ্ণ অধিষ্ঠান।" সে যুগের মানুষের কাছে এই বাণী যেন মৃতসঞ্জীবনী মন্ত্র হয়ে উঠেছিল। এমন কথা তারা আগে কখনও শোনে নি। তাই শ্রীচৈতন্যের ভক্তি-ধর্ম খুব সহজেই বিপন্ন মানুষের আশ্রয় হয়ে উঠল। শুধু আশ্রয়ই নয়, এই নব প্রবর্তিত ধর্ম তাদের ম্লান-মূক মুখে দিল ভাষা, প্রাণে দিল আশা। বহুদিন পর ছিন্নমূল মানুষ আবার নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখতে লাগল। মানুষের সঙ্গে মানুষের বাঁচার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে নিত্যানন্দ খুব অল্পদিনের মধ্যেই বাংলার অবিসংবাদিত নেতা হয়ে উঠলেন। একজন সার্থক বিপ্লবী রূপে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করলেন। তার ভালোবাসায় সকলেই তাঁকে হৃদি সিংহাসনে অধিষ্ঠিত করলেন।।*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*কিন্তু আন্দোলনের গতি নানা প্রতিকূলতায় বাধাপ্রাপ্ত হতে লাগল। প্রতি পদে পদে বিরোধিতার সম্মুখীন হতে হলো নিত্যানন্দ কে । শাসকের রক্তচক্ষু, স্বজাতিদ্রোহ তাঁর চলার পথে বিবিধ ভাবে অন্তরায়ের সৃষ্টি করতে লাগল। গণশক্তিই সব শক্তির থেকে বড় শক্তি, তাই নিত্যানন্দ একেবারে তৃণমূল স্তর থেকেই আন্দোলন শুরু করলেন। সকলকে সঙ্ঘবদ্ধ ও সুসংহত করলেন। প্রকৃত বীর নেতা না হলে আন্দোলনে সাফল্য আসে না। নিত্যানন্দ ছিলেন অকুতোভয়, সত্যবাদী ও জিতেন্দ্রিয়। ভক্তি-আন্দোলন কে সর্বব্যাপী করতে হলে মানুষকেই সঙ্গে নিতে হবে। এই উপলব্ধি থেকে নিত্যানন্দ মানুষে মানুষে ভেদাভেদ দূর করে সকলকে সমান আসন দিলেন। তথাকথিত ব্রাহ্মণ্যধর্মকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ভক্তি-ধর্মকে প্রাধান্য দিতে বদ্ধপরিকর হলেন। সম্মিলিত জনশক্তিই হলো রাষ্ট্রশক্তির আধার। নিত্যানন্দের প্রচেষ্টায় বাংলার বিচ্ছিন্ন জনগোষ্ঠী একত্রিত হল। আর তখনই শুরু হল শক্তির সঙ্গে শক্তির লড়াই। চাঁদ কাজীর পরাজয় তো সম্মিলিত জনশক্তির কাছেই। বোধহয় একেই বলে জাতীয়তাবোধ যে বোধ মানুষকে অকুতোভয় এবং অপ্রতিরোধ্য করে তোলে। সকলকে সঙ্গে নিয়ে একসাথে অনন্তের পথে যাত্রা নিত্যানন্দকে সাম্যবাদী অভিধায় ভূষিত করল।*
 *জননেতা হতে গেলে জনগণের সঙ্গে একাত্ম হতে হয়। মিশে যেতে হয় তাদের সঙ্গে।নিত্যানন্দ মিশে গেলেন আপামর জনসাধারণের সঙ্গে। ভেদ আর আচারের সব বেড়া ভেঙে দিয়ে তিনি সকলকে এক ছত্রতলে একত্রিত করলেন। কঠিন ধর্মতত্ত্বের খোলস থেকে ভক্তি নামক বস্তুটি কে মুক্ত করে তিনি মানুষের মাঝে দিলেন প্রাণের ধন, হৃদয়ের অভিপ্সিত বস্তু করে। শুধু "কৃষ্ণনাম" উচ্চারণ করে মানুষ আধ্যাত্মিক শক্তি বলে বলবান হয়ে উঠল। ধর্মকে এত সহজ করে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার সাফল্যে নিত্যানন্দ বাংলার ইতিহাসে প্রথম সাম্যবাদী নেতা। শুধু মধ্যযুগ কেন, এযুগেও তার মত সফল সাম্যবাদী নেতা বিরল দৃষ্ট।*
*নিত্যানন্দ বঞ্চিত মানবাত্মার নেতা, অধিকারহীন মানুষের পুঞ্জিভূত বিদ্রোহ! আঘাতকারীকে আঘাত দিয়ে নয়, ভালোবাসা আর চৈতন্য দিয়েই তিনি তাদের সুপথে এনেছিলেন। নিজের মাথার রক্ত দিয়েও আঘাতকারী কে বুকে জড়িয়ে ধরে বলেছিলেন* - *একবার কৃষ্ণ বল! শুধুমাত্র একবার কৃষ্ণ বল! তোমার যাবতীয় পাপ-তাপ সব আমায় দিয়ে একবার মাত্র কৃষ্ণ বল!!*
*ইতিহাসের পাতা তন্ন তন্ন করে খুঁজে বিফল মনোরথ হয়ে ফিরে এসেছেন, কিন্তু আজ পর্যন্ত কেউ প্রকাশ করতে পারেন নাই এমন বিরল দৃষ্টান্ত। এমনকি স্বয়ং মহাপ্রভু দণ্ড দিতে উদ্যত হলে তার চরণে ধরে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন আঘাতকারীর জন্য। আমি যদি জীবনে এতটুকু তোমার চরণে ভক্তি করে থাকি, তার বিনিময়ে এদের তুমি ক্ষমা করে দাও। কেউ কখনো শুনেছে এমন দয়ার কথা, এমন করুনার কথা!*
*ন ভূত ন ভবিষ্যতি। একমেব দ্বিতীয় নাস্তি।*
*এমন পরম-করুন প্রেমদাতা হয় নাই আর হবার নয়। তাই সার্থকভাবেই বলা যায় নিত্যানন্দ ছিলেন একজন জনদরদী, সাম্যবাদী, উদার মানসিকতাসম্পন্ন বিপ্লবী নেতা।।*

ক্রমশ.....
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
      
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
           ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
DEMOCRATIC NITYANANDA (Facebook Group) 👉 https://www.facebook.com/groups/1370545549769377/?ref=share
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


৩. রামায়ণ কথন ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/10/blog-post_81.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                    ꧁ ৩. রামায়ণ কথন 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    ꧁ রামায়ণ কথন অতি সংক্ষেপে 🙏 সূচীপত্র
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
*মহারাজা বুধের পিতা চন্দ্রের উৎপত্তি সমুদ্র-মন্থন হতে।চন্দ্রের পৌত্র পুরূরবা বুধের ঔরসে বৈবস্বত মনুর কন‍্যা ইলার গর্ভজাত সন্তান।শতাবর্তের পুত্রের নাম স্বর্গ।চন্দ্র হতে সৃষ্ট বলিয়া এই বংশের নাম হয় চন্দ্রবংশ।মিথিলার রাজা মিথি এই চন্দ্রবংশীয় সন্তান।ইনি মন্থন হতে জাত বলিয়া ইঁহার নাম হয়েছিল মিথি। বিগতদেহ হতে জাত বলিয়া ইঁহার আরেক নাম বিদেহ এবং জনন হতে জাত বলিয়া ইঁহার অপর নাম জনক।মিথিপুত্র সীরধ্বজ ও কুশধ্বজ ভ্রাতৃদ্বয়ের ভিতর সীরধ্বজ জনক রাজা বলিয়া খ‍্যাত।রামচন্দ্রের পত্নী ইঁহারই পালিতা কন‍্যা।উর্মিলা ইঁহার অপর কন‍্যা এবং রামানুজ লক্ষ্মণের পত্নী।*
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                    ꧁ ৩. রামায়ণ কথন 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*🌻সৃষ্টির আদি পুরুষ নিরঞ্জন ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহেশ্বর নামে তিনপুত্র এবং কন্দিনী নাম্নী এক কন‍্যা সৃষ্টি করেছিলেন।ঋচীক-পুত্র জমদগ্নির সহিত কন্দিনী-কন‍্যা ভানুর বিবাহ হয়েছিল।ব্রহ্মা পুত্রকাঙ্খিনী ভানুর তপস‍্যায় প্রীত হয়ে বর দান করেন।ব্রহ্মার বরে ভানু মারীচি নামে এক পুত্র লাভ করেন।মরিচীর ঔরসে এবং কর্দম-কন‍্যা কলার গর্ভে কশ‍্যপ নামে এক পুত্র জন্মে। ইনি দক্ষ প্রজাপতির তেরটি কন‍্যাকে বিবাহ করেছিলেন।পরে এই কন‍্যাগণই জগৎপ্রসবিনী ত্রয়োদশ কন‍্যা নামে পরিচিত হয়েছিলেন।কশ‍্যপপত্নী দ‍্যৌঃ বা অদিতির গর্ভে সূর্য‍্যের সৃষ্টি। বহু গুণান্বিত রূপবান সুষেণ সূর্য‍্যপুত্র মনুর সন্তান।সুষেণের পৌত্র যুবনাশ্ব অযোধ‍্যার রাজা হয়েছিলেন।তাঁর পিতার নাম প্রসেনজিৎ এবং মাতার নাম গৌরী।মান্ধাতা রাজা যবনাশ্বের ঔরসে এবং কন্দকরাজকন‍্যা কালনিমির গর্ভজাত সন্তান।*
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                    ꧁ ৩. রামায়ণ কথন 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*🌻মান্ধাতার জন্ম কাহিনী বেশ রহস্যজনক।সন্তানহীন রাজা যুবনাশ্ব পুত্রেষ্টি যজ্ঞ আরম্ভ করেছিলেন। কথা ছিল যজ্ঞে নিবেদিত মন্ত্রপুত জল রাণী কালনিমিকেষপান করাইলে তিনি গর্ভধারণ করতে সক্ষম হবেন। কিন্তু দুর্ঘটনাক্রমে রাজা যুবনাশ্ব ঐ জল তৃষ্ণা নিবারণের জন্য পান করে ফেললে তিনি নিজেই গর্ভধারণ করেন।যথাসময়ে যুবনাশ্বের পার্শ্ব ভেদ করে এক পুত্র জন্মগ্রহণ করল। কিন্তু এই পুত্র স্তন পান করবে কোথা হতে=এই চিন্তা রাজা যখন করছিলেন তখন ইন্দ্র এসে রাজাকে এই বলিয়া আশ্বস্ত করলেন= "ধাস‍্যতি মাময়ং" অর্থ‍্যাৎ আমার সাহায্যেই জীবিত থাকবে।এই কারণে ঐ পুত্রের নাম হয়েছিল মান্ধাতা। পরে মান্ধাতার ঔরসে ও শশবিন্দুর কন‍্যা বিন্দুমতীর গর্ভে এঁদের তিন পুত্র, পুরুকুৎস, অম্বরীষ ও মুচুকুন্দ এবং পাঁচ কন‍্যা জন্মগ্রহণ করেন।*
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                    ꧁ ৩. রামায়ণ কথন 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*🌻মান্ধাতার মধ‍্যমপুত্র মুচুকুন্দ দেব সেনাপতি হয়ে অসুরগণকে ধ্বংস করেছিলেন।মহারাজ ইক্ষাকু মুচুকুন্দের পৌত্র এবং পৃথুর পুত্র।ইক্ষাকুর নামানুসারেই বিখ‍্যাত ইক্ষাকু বংশের সৃষ্টি।অযোধ‍্যার রাজা মহারাজ রামচন্দ্র এই বংশেরই সন্তান ছিলেন।ঘোর অত‍্যাচারী রাজা খান্ডপুত্র দন্ড মহারাজা ইক্ষাকুর সপ্তম বংশধর। রাজা দন্ড ভীষণ অত‍্যাচারী ছিলেন।একদা রাজা খান্ড প্রজাকুলের অভিযোগক্রমে দন্ডকে নির্বাসিত করেছিলেন। কিন্তু এই দন্ড নিজ ক্ষমতাবলে অরণ‍্য উৎপাটিত করে দন্ডারণ‍্য নামে এক নগর স্থাপন করে সেখানে পুনরায় প্রজাগণের উপর অত‍্যাচার আরম্ভ করেছিলেন।দন্ডের গুরু শুক্রাচার্য‍্যের কন‍্যা অব্জা দন্ড কর্তৃক ধর্ষিতা হলে আচার্য‍্য শুক্র দন্ডকে এই বলে অভিসম্পাৎ করেন, "সপ্তাহকালমধ‍্যে তোমার রাজ‍্য ধ্বংস হয়ে অরণ‍্যে পরিণত হবে এবং তুমি ভস্মে পরিণত হবে"।এইদিকে দন্ড ও অব্জার অবৈধ মিলনের ফলে হারীত নামে এক পুত্রের জন্ম হয়।মহারাজা হরিশ্চন্দ্র হারীতের পৌত্র।হরিশ্চন্দ্রের পিতার নাম ছিল হরিবীজ।*
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/10/blog-post_81.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*🌻প্রজাবৎসল রাজা হরিশ্চন্দ্র, সোমদত্তের কন‍্যা রূপবতী ও গুণবতী শৈব‍্যাকে পত্নীরূপে লাভ করেছিলেন।একদা কুপিত বিশ্বামিত্র মুনি হরিশ্চন্দ্রের রাজপ্রাসাদে এসে উপস্থিত হলে তিনি তাঁকে মহামূল‍্যবান দান-সামগ্রী প্রদান করে সন্তুষ্ট করতে চেষ্টা করলেন,এতে তিনি আরও কুপিত হয়ে হরিশ্চন্দ্রের দান-দর্প খর্ব করবার অভিপ্রায়ে বিশ্বামিত্র তাঁর কাছে সমস্ত পৃথিবীকে চেয়ে বসলেন।ইহার পর মুনি দানের দক্ষিণাস্বরূপ সাতকোটি স্বর্ণমুদ্রাও চাইলেন।রাজা তখন ভান্ডারীকে স্থর্ণমুদ্রা আনতে আদেশ করলে মুনি বিস্মিত হয়ে হরিশ্চন্দ্রকে জিজ্ঞাসা করলেন, "পৃথিবী যদি দানই করলে,তথাপি পৃথিবীর ভান্ডারে গচ্ছিত স্বর্ণমুদ্রা এখনো তোমার অধিকারে কি করে থাকে?তাহলে তো দান অসম্পূর্ণ রয়ে গেল"।এতক্ষণে হরিশ্চন্দ্র মুনির অভিপ্রায় বুঝতে পারলেন।বিশ্বামিত্র তখন হরিশ্চন্দ্রকে পৃথিবী ছেড়ে যেতে বললেন।কারণ এখন হতে তিনিই এই পৃথিবীর একমাত্র প্রভু।এই ঘটনায় প্রজাসকল সম‍্যক্ অবস্থা উপলব্ধি করে তাঁরা বিশ্বামিত্রের কাছ হতে বারাণসী নামে একখানি নগর ভিক্ষা লইলেন। রাজা হরিশ্চন্দ্র যখন বারাণসীতে যেতে উদ‍্যত এমত সময়ে বিশ্বামিত্র তাঁর পথ অবরোধ করে পূর্ব প্রতিশ্রুতি সাতকোটি স্বর্ণমুদ্রা দক্ষিণাস্বরূপ চেয়ে বসলেন।অনন‍্যোপায় হরিশ্চন্দ্র তখন নিজ পত্নীকে এক ব্রাহ্মণের নিকট বিক্রি করে চারকোটি স্বর্ণমুদ্রা সংগ্রহ করে মুনির নিকট উপস্থাপিত করলে মুনি তাহা প্রত‍্যাখ‍্যান করলেন। কারণ প্রতিশ্রুত অর্থ হতে তা কম ছিল। অগত‍্যা হরিশ্চন্দ্র নিজেকে "কালু" নামে এক চন্ডালের(ডোমের)কাছে তিনকোটি স্বর্ণমুদ্রার বিনিময়ে বিক্রয় করে বিশ্বামিত্রের ঋণ পরিশোধ করলেন।*
বানান ভুল ত্রুটি মার্জনীয়। 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
      
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


৩. রামায়ণ কথন ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/10/blog-post_81.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                    ꧁ ৩. রামায়ণ কথন 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    ꧁ রামায়ণ কথন অতি সংক্ষেপে 🙏 সূচীপত্র
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
*মহারাজা বুধের পিতা চন্দ্রের উৎপত্তি সমুদ্র-মন্থন হতে।চন্দ্রের পৌত্র পুরূরবা বুধের ঔরসে বৈবস্বত মনুর কন‍্যা ইলার গর্ভজাত সন্তান।শতাবর্তের পুত্রের নাম স্বর্গ।চন্দ্র হতে সৃষ্ট বলিয়া এই বংশের নাম হয় চন্দ্রবংশ।মিথিলার রাজা মিথি এই চন্দ্রবংশীয় সন্তান।ইনি মন্থন হতে জাত বলিয়া ইঁহার নাম হয়েছিল মিথি। বিগতদেহ হতে জাত বলিয়া ইঁহার আরেক নাম বিদেহ এবং জনন হতে জাত বলিয়া ইঁহার অপর নাম জনক।মিথিপুত্র সীরধ্বজ ও কুশধ্বজ ভ্রাতৃদ্বয়ের ভিতর সীরধ্বজ জনক রাজা বলিয়া খ‍্যাত।রামচন্দ্রের পত্নী ইঁহারই পালিতা কন‍্যা।উর্মিলা ইঁহার অপর কন‍্যা এবং রামানুজ লক্ষ্মণের পত্নী।*
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                    ꧁ ৩. রামায়ণ কথন 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*🌻সৃষ্টির আদি পুরুষ নিরঞ্জন ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহেশ্বর নামে তিনপুত্র এবং কন্দিনী নাম্নী এক কন‍্যা সৃষ্টি করেছিলেন।ঋচীক-পুত্র জমদগ্নির সহিত কন্দিনী-কন‍্যা ভানুর বিবাহ হয়েছিল।ব্রহ্মা পুত্রকাঙ্খিনী ভানুর তপস‍্যায় প্রীত হয়ে বর দান করেন।ব্রহ্মার বরে ভানু মারীচি নামে এক পুত্র লাভ করেন।মরিচীর ঔরসে এবং কর্দম-কন‍্যা কলার গর্ভে কশ‍্যপ নামে এক পুত্র জন্মে। ইনি দক্ষ প্রজাপতির তেরটি কন‍্যাকে বিবাহ করেছিলেন।পরে এই কন‍্যাগণই জগৎপ্রসবিনী ত্রয়োদশ কন‍্যা নামে পরিচিত হয়েছিলেন।কশ‍্যপপত্নী দ‍্যৌঃ বা অদিতির গর্ভে সূর্য‍্যের সৃষ্টি। বহু গুণান্বিত রূপবান সুষেণ সূর্য‍্যপুত্র মনুর সন্তান।সুষেণের পৌত্র যুবনাশ্ব অযোধ‍্যার রাজা হয়েছিলেন।তাঁর পিতার নাম প্রসেনজিৎ এবং মাতার নাম গৌরী।মান্ধাতা রাজা যবনাশ্বের ঔরসে এবং কন্দকরাজকন‍্যা কালনিমির গর্ভজাত সন্তান।*
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                    ꧁ ৩. রামায়ণ কথন 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*🌻মান্ধাতার জন্ম কাহিনী বেশ রহস্যজনক।সন্তানহীন রাজা যুবনাশ্ব পুত্রেষ্টি যজ্ঞ আরম্ভ করেছিলেন। কথা ছিল যজ্ঞে নিবেদিত মন্ত্রপুত জল রাণী কালনিমিকেষপান করাইলে তিনি গর্ভধারণ করতে সক্ষম হবেন। কিন্তু দুর্ঘটনাক্রমে রাজা যুবনাশ্ব ঐ জল তৃষ্ণা নিবারণের জন্য পান করে ফেললে তিনি নিজেই গর্ভধারণ করেন।যথাসময়ে যুবনাশ্বের পার্শ্ব ভেদ করে এক পুত্র জন্মগ্রহণ করল। কিন্তু এই পুত্র স্তন পান করবে কোথা হতে=এই চিন্তা রাজা যখন করছিলেন তখন ইন্দ্র এসে রাজাকে এই বলিয়া আশ্বস্ত করলেন= "ধাস‍্যতি মাময়ং" অর্থ‍্যাৎ আমার সাহায্যেই জীবিত থাকবে।এই কারণে ঐ পুত্রের নাম হয়েছিল মান্ধাতা। পরে মান্ধাতার ঔরসে ও শশবিন্দুর কন‍্যা বিন্দুমতীর গর্ভে এঁদের তিন পুত্র, পুরুকুৎস, অম্বরীষ ও মুচুকুন্দ এবং পাঁচ কন‍্যা জন্মগ্রহণ করেন।*
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                    ꧁ ৩. রামায়ণ কথন 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*🌻মান্ধাতার মধ‍্যমপুত্র মুচুকুন্দ দেব সেনাপতি হয়ে অসুরগণকে ধ্বংস করেছিলেন।মহারাজ ইক্ষাকু মুচুকুন্দের পৌত্র এবং পৃথুর পুত্র।ইক্ষাকুর নামানুসারেই বিখ‍্যাত ইক্ষাকু বংশের সৃষ্টি।অযোধ‍্যার রাজা মহারাজ রামচন্দ্র এই বংশেরই সন্তান ছিলেন।ঘোর অত‍্যাচারী রাজা খান্ডপুত্র দন্ড মহারাজা ইক্ষাকুর সপ্তম বংশধর। রাজা দন্ড ভীষণ অত‍্যাচারী ছিলেন।একদা রাজা খান্ড প্রজাকুলের অভিযোগক্রমে দন্ডকে নির্বাসিত করেছিলেন। কিন্তু এই দন্ড নিজ ক্ষমতাবলে অরণ‍্য উৎপাটিত করে দন্ডারণ‍্য নামে এক নগর স্থাপন করে সেখানে পুনরায় প্রজাগণের উপর অত‍্যাচার আরম্ভ করেছিলেন।দন্ডের গুরু শুক্রাচার্য‍্যের কন‍্যা অব্জা দন্ড কর্তৃক ধর্ষিতা হলে আচার্য‍্য শুক্র দন্ডকে এই বলে অভিসম্পাৎ করেন, "সপ্তাহকালমধ‍্যে তোমার রাজ‍্য ধ্বংস হয়ে অরণ‍্যে পরিণত হবে এবং তুমি ভস্মে পরিণত হবে"।এইদিকে দন্ড ও অব্জার অবৈধ মিলনের ফলে হারীত নামে এক পুত্রের জন্ম হয়।মহারাজা হরিশ্চন্দ্র হারীতের পৌত্র।হরিশ্চন্দ্রের পিতার নাম ছিল হরিবীজ।*
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/10/blog-post_81.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*🌻প্রজাবৎসল রাজা হরিশ্চন্দ্র, সোমদত্তের কন‍্যা রূপবতী ও গুণবতী শৈব‍্যাকে পত্নীরূপে লাভ করেছিলেন।একদা কুপিত বিশ্বামিত্র মুনি হরিশ্চন্দ্রের রাজপ্রাসাদে এসে উপস্থিত হলে তিনি তাঁকে মহামূল‍্যবান দান-সামগ্রী প্রদান করে সন্তুষ্ট করতে চেষ্টা করলেন,এতে তিনি আরও কুপিত হয়ে হরিশ্চন্দ্রের দান-দর্প খর্ব করবার অভিপ্রায়ে বিশ্বামিত্র তাঁর কাছে সমস্ত পৃথিবীকে চেয়ে বসলেন।ইহার পর মুনি দানের দক্ষিণাস্বরূপ সাতকোটি স্বর্ণমুদ্রাও চাইলেন।রাজা তখন ভান্ডারীকে স্থর্ণমুদ্রা আনতে আদেশ করলে মুনি বিস্মিত হয়ে হরিশ্চন্দ্রকে জিজ্ঞাসা করলেন, "পৃথিবী যদি দানই করলে,তথাপি পৃথিবীর ভান্ডারে গচ্ছিত স্বর্ণমুদ্রা এখনো তোমার অধিকারে কি করে থাকে?তাহলে তো দান অসম্পূর্ণ রয়ে গেল"।এতক্ষণে হরিশ্চন্দ্র মুনির অভিপ্রায় বুঝতে পারলেন।বিশ্বামিত্র তখন হরিশ্চন্দ্রকে পৃথিবী ছেড়ে যেতে বললেন।কারণ এখন হতে তিনিই এই পৃথিবীর একমাত্র প্রভু।এই ঘটনায় প্রজাসকল সম‍্যক্ অবস্থা উপলব্ধি করে তাঁরা বিশ্বামিত্রের কাছ হতে বারাণসী নামে একখানি নগর ভিক্ষা লইলেন। রাজা হরিশ্চন্দ্র যখন বারাণসীতে যেতে উদ‍্যত এমত সময়ে বিশ্বামিত্র তাঁর পথ অবরোধ করে পূর্ব প্রতিশ্রুতি সাতকোটি স্বর্ণমুদ্রা দক্ষিণাস্বরূপ চেয়ে বসলেন।অনন‍্যোপায় হরিশ্চন্দ্র তখন নিজ পত্নীকে এক ব্রাহ্মণের নিকট বিক্রি করে চারকোটি স্বর্ণমুদ্রা সংগ্রহ করে মুনির নিকট উপস্থাপিত করলে মুনি তাহা প্রত‍্যাখ‍্যান করলেন। কারণ প্রতিশ্রুত অর্থ হতে তা কম ছিল। অগত‍্যা হরিশ্চন্দ্র নিজেকে "কালু" নামে এক চন্ডালের(ডোমের)কাছে তিনকোটি স্বর্ণমুদ্রার বিনিময়ে বিক্রয় করে বিশ্বামিত্রের ঋণ পরিশোধ করলেন।*
বানান ভুল ত্রুটি মার্জনীয়। 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
      
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


৩. প্রভু নিত্যানন্দ 🙏 প্রভু নিত্যান্দের জন্ম কোথায় হয়েছিল❓✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 🔀 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/10/home-page-pdf-httpsmrinmoynandy_79.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
             ꧁ ❤️ ৩. প্রভু নিত্যানন্দ ❤️ ꧂
      এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস  ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
      এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
     ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস  ꧂
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ প্রভু নিত্যানন্দের সংক্ষিপ্ত লীলা 🙏 সূচীপত্র ꧂
      এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*প্রভু নিত্যান্দের জন্ম কোথায় হয়েছিল?* 
*অনেকেই বলেন নিতাই গৌরের বাড়ি নবদ্বীপে। সেজন্য এস্থানে একটু আলোচনা তার জন্মস্থান সম্বন্ধে।*
❤️ *তারা কয় ভাই ছিলেন?*❤️

রাজা মুকুটনারায়ন রায় বাস করতেন ময়ূরেশ্বর গ্রামে। তাঁর একমাত্র কন্যা শ্রীমতী পদ্মাবতীদেবীর সঙ্গে এই মুকুন্দের বিবাহ হয়। তাঁর বাবা মুরারি এ বিবাহে কোন যৌতুক গ্রহণ করেন নাই। তাই রাজা মুকুটনারায়ণ রায় নিজ কন্যার নাম অনুসারে একটি পুকুর খনন করে দেন। বর্তমানে তার নাম পদ্মাবতী পুকুর বা পদ্মাপুকুর। এখানে নিত্যানন্দ প্রভু স্নান ও জল বিহার করতেন।
 যেখানে নিতাই এর জন্ম হয়েছিল সেই জায়গাটির নাম বর্তমানে *"সূতিকা মন্দির"* 
*এটি বীরচন্দ্রপুরের শামিল একচক্রা গর্ভবাস নামে খ্যাত। বীরভূম জেলায় অবস্থিত।*
*মাতৃসাধক বামাক্ষ্যাপার সাধনপীঠ, তারাপীঠ থেকে আট কিলোমিটার দূরে অবস্থিত স্থানটি।*

 *শ্রীমন্নিত্যানন্দ প্রভু যেই স্থানে জন্মগ্রহন করেছিলেন সে স্থানটি এখনও, ঠিক তেমনিভাবেই বিদ্যমান । ঠিক সেই স্থানটির উপরই বিরাজিত একটি স্মারক-মন্দিরকে সকলে *সূতিকা মন্দির* বলে।
এই কুণ্ডে নিতাই ছেলেবেলায় স্নান-পান করতেন এবং সাঁতার কাটতেন। সেই পুকুরটির নাম বর্তমানে "নিতাই কুণ্ড"। পারিবারিক ব্যবহারের পুকুর, নিতাইচাঁদ এখানে জলবিহার করতেন।তাদের ব্যবর্হিত ও স্মৃতিপূত এই কুণ্ডটি, ব্রজমণ্ডলস্থ শ্রীরাধাকুণ্ডবৎ ভক্তের মনে স্মরণ সুন্দর হয়ে আছে।কুণ্ডের চারিধারে নারিকেল, স্বর্ণচাপা, শেফালি ,শ্রীফল (বেল), গোকর্ণবট গাছে ঘেরা।শীতল কালো জল।
বালকসুলভ চেষ্টায় সকলকে আনন্দ দিয়ে কুবের বড় হতে লাগলেন, এই মুকুন্দ আলয় বা হাড়াই পণ্ডিত ভবনে।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
হাড়াই পণ্ডিতের সাত পুত্র ছিল।
 1.নিত্যানন্দ
2.কৃষ্ণানন্দ
3.সর্বানন্দ
4.ব্রহ্মানন্দ
5.পূর্ণানন্দ
6.প্রেমানন্দ
7.বিশুদ্ধানন্দ।

সকলের বড় ছিল এই কুবের।

*ছোট থেকেই কুবেরের খেলাধুলায় খুব সখ। সমবয়সী শিশুদের নিয়ে দিনরাত খেলায় মেতে থাকতেন ।তার খেলাগুলি ছিল ভগবান কে নিয়ে। কোনদিন কৃষ্ণলীলা, কোনদিন রামলীলা তো কোনদিন ভক্ত লীলা। চারপাশে এমন কোন স্থান নেই যেখানে কুবের কোন লীলা-খেলা করেন নাই।*

তথ্যসূত্র __*শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ জন্মস্থান গ্রন্থ হতে।*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
           ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
DEMOCRATIC NITYANANDA (Facebook Group) 👉 https://www.facebook.com/groups/1370545549769377/?ref=share
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


৩. প্রভু নিত্যানন্দ 🙏 প্রভু নিত্যান্দের জন্ম কোথায় হয়েছিল❓✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 🔀 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/10/home-page-pdf-httpsmrinmoynandy_79.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
             ꧁ ❤️ ৩. প্রভু নিত্যানন্দ ❤️ ꧂
      এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস  ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
      এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
     ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস  ꧂
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ প্রভু নিত্যানন্দের সংক্ষিপ্ত লীলা 🙏 সূচীপত্র ꧂
      এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*প্রভু নিত্যান্দের জন্ম কোথায় হয়েছিল?* 
*অনেকেই বলেন নিতাই গৌরের বাড়ি নবদ্বীপে। সেজন্য এস্থানে একটু আলোচনা তার জন্মস্থান সম্বন্ধে।*
❤️ *তারা কয় ভাই ছিলেন?*❤️

রাজা মুকুটনারায়ন রায় বাস করতেন ময়ূরেশ্বর গ্রামে। তাঁর একমাত্র কন্যা শ্রীমতী পদ্মাবতীদেবীর সঙ্গে এই মুকুন্দের বিবাহ হয়। তাঁর বাবা মুরারি এ বিবাহে কোন যৌতুক গ্রহণ করেন নাই। তাই রাজা মুকুটনারায়ণ রায় নিজ কন্যার নাম অনুসারে একটি পুকুর খনন করে দেন। বর্তমানে তার নাম পদ্মাবতী পুকুর বা পদ্মাপুকুর। এখানে নিত্যানন্দ প্রভু স্নান ও জল বিহার করতেন।
 যেখানে নিতাই এর জন্ম হয়েছিল সেই জায়গাটির নাম বর্তমানে *"সূতিকা মন্দির"* 
*এটি বীরচন্দ্রপুরের শামিল একচক্রা গর্ভবাস নামে খ্যাত। বীরভূম জেলায় অবস্থিত।*
*মাতৃসাধক বামাক্ষ্যাপার সাধনপীঠ, তারাপীঠ থেকে আট কিলোমিটার দূরে অবস্থিত স্থানটি।*

 *শ্রীমন্নিত্যানন্দ প্রভু যেই স্থানে জন্মগ্রহন করেছিলেন সে স্থানটি এখনও, ঠিক তেমনিভাবেই বিদ্যমান । ঠিক সেই স্থানটির উপরই বিরাজিত একটি স্মারক-মন্দিরকে সকলে *সূতিকা মন্দির* বলে।
এই কুণ্ডে নিতাই ছেলেবেলায় স্নান-পান করতেন এবং সাঁতার কাটতেন। সেই পুকুরটির নাম বর্তমানে "নিতাই কুণ্ড"। পারিবারিক ব্যবহারের পুকুর, নিতাইচাঁদ এখানে জলবিহার করতেন।তাদের ব্যবর্হিত ও স্মৃতিপূত এই কুণ্ডটি, ব্রজমণ্ডলস্থ শ্রীরাধাকুণ্ডবৎ ভক্তের মনে স্মরণ সুন্দর হয়ে আছে।কুণ্ডের চারিধারে নারিকেল, স্বর্ণচাপা, শেফালি ,শ্রীফল (বেল), গোকর্ণবট গাছে ঘেরা।শীতল কালো জল।
বালকসুলভ চেষ্টায় সকলকে আনন্দ দিয়ে কুবের বড় হতে লাগলেন, এই মুকুন্দ আলয় বা হাড়াই পণ্ডিত ভবনে।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
হাড়াই পণ্ডিতের সাত পুত্র ছিল।
 1.নিত্যানন্দ
2.কৃষ্ণানন্দ
3.সর্বানন্দ
4.ব্রহ্মানন্দ
5.পূর্ণানন্দ
6.প্রেমানন্দ
7.বিশুদ্ধানন্দ।

সকলের বড় ছিল এই কুবের।

*ছোট থেকেই কুবেরের খেলাধুলায় খুব সখ। সমবয়সী শিশুদের নিয়ে দিনরাত খেলায় মেতে থাকতেন ।তার খেলাগুলি ছিল ভগবান কে নিয়ে। কোনদিন কৃষ্ণলীলা, কোনদিন রামলীলা তো কোনদিন ভক্ত লীলা। চারপাশে এমন কোন স্থান নেই যেখানে কুবের কোন লীলা-খেলা করেন নাই।*

তথ্যসূত্র __*শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ জন্মস্থান গ্রন্থ হতে।*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
           ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
DEMOCRATIC NITYANANDA (Facebook Group) 👉 https://www.facebook.com/groups/1370545549769377/?ref=share
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


গোপেশ্বর মহাদেব মন্দির 🙏 শ্রীধাম বৃন্দাবন 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/10/home-page-pdf-httpsmrinmoynandy_27.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ গোপেশ্বর মহাদেব মন্দির 🙏 শ্রীধাম বৃন্দাবন ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
         ꧁ 👇 শ্রীধাম বৃন্দাবন 🙏 সূচীপত্র👇 ꧂
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
বৃন্দাবনের গোপীরা নন্দের নন্দন ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে তাদের স্বামীরুপে পাওয়ার জন্য তাহার বহু উপাসনা করতেন । অবশেষে ভগবান একদিনের জন্য তাহাদের সকলকে কৃপা করেন, তাই শরৎ পুর্ণিমায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বৃন্দাবন হইতে সকল গোপীদের উদ্দেশ্যে বংশী ধ্বনী ব্যাজন করছেন, এই সময় বংশী ধ্বনী শ্রবণ করে গোপীনীগণ আর গৃহে থাকতে পারলেন না, গভীর রাতে সকল কিছু বন্ধন উন্মোচিত করে একিজনার উদ্দেশ্যে ছুটে গিয়েছিলেন তেমনি এই বংশী ধ্বনী শ্রবণ করে বৈষ্ণব চুরামনি মহাদেব কৈলাস হইতে ব্রাজলীলার সর্বশ্রেষ্ট লীলা রাসলীলা দর্শনের নিমিত্তে অপেক্ষা করতে পারেননি, ছুটে আসেন ব্রজে। প্রেমরাজ্যে সদা সর্বদা আহ্বান আছে কখনো কিন্তু বিসর্জন নাই। মহাদেব সীমার মধ্যে অসীমকে পাইবো এই লক্ষে তাহার জন্যই বৃন্দাবনচন্দ্রের রাজ্যে প্রবেশ করেন । মহাদেব রাসলীলা প্রবেশ দ্বারে গোপীরা মহাদেবকে থামিয়ে দিলেন, ঢুকতে দিলেন না রাসস্থলে এবং জানিয়ে দেন "কৃষ্ণ ছাড়া অন্য কোন পুরুষের প্রবেশ নিষেধ এই "রাসস্থলে"। এই কথা শ্রবণ করে মহাদেব গোপী গণের কাছে অনুরোধ করেন এবং কিছু উপায় বলে দিতে বলেন যাহার কারণে রাসস্থলে প্রবেশ করতে পারেন।
ললিতা সখী বলল- হে মহাদেব, আপনি মানস সরোবরে স্নান করে গোপীরূপ ধারন করুন, তাহলে রাসে প্রবেশ করতে পারবেন। তখন মহাদেব অর্ধনারীশ্বর থেকে পুরো নারীরূপ হয়ে গেলেন। শ্রীযমুনা মাতা তাহার সুন্দর শৃঙ্গার করে দিলেন, মহাদেব গোপীরূপ ধারণ করলেন। প্রসন্ন মনে গোপীদের মধ্যে প্রবেশ করেন, প্রবেশ দ্বারে ললিতা সখী গোপীরূপী মহাদেবের কানে যুগলমন্ত্রের উপদেশ দিলেন। কারন ললিতা সখী আদেশ ছাড়া বৃন্দাবন যোগপীঠে প্রবেশ করা যায় না। শ্রীরাসবিহারীর সহিত রাসেশ্বরী, রসময়ী শ্রীরাধারানী ও সকল গোপীদের নৃত্য দেখে ভোলেনাথ নিজে নৃত্য করতে লাগলেন।
তখন কৃষ্ণ রাসেশ্বরী শ্রীরাধা ও গোপীদের ছেড়ে ব্রজের বনে লতার মাঝে গোপীরূপধারী গৌরীনাথের হাত ধরে, আর মন্দ মন্দ হেসে খুব আদর করে বললেন, সুস্বাগত, মহারাজ গোপেশ্বর। শ্রীরাধা আদি শ্রীগোপীশ্বর মহাদেবের মোহিনী গোপীর রূপ দেখে আশ্চর্য্য হয়ে গেলেন, শ্রীকৃষ্ণ বললেন, রাধে, ইনি কোন গোপী নয়, ইনি তো সাক্ষাৎ দেবাদিদেব মহাদেব, আমাদের মহারাস দর্শন করতে গোপীরূপ ধারণ করে এসেছেন। তখন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ মহাদেবকে জিজ্ঞাসা করলেন- হে মহাদেব, আপনি গোপীরূপ কেন ধারণ করেছেন? ভগবান শংকর বলল- প্রভু, আপনার দিব্য রসময়ী মহারাস দেখার জন্য গোপীরূপ ধারণ করলাম।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/10/home-page-pdf-httpsmrinmoynandy_27.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
মহাদেবের এই কথায় প্রসন্ন হয়ে রাসেশ্বরী বর চাইতে বললেন, তখন মহাদেব বললেন, আমি কি আর চাই শুধুমাএ আপনাদের চরণকমলে সদাই আমি থাকতে পারি। আপনাদের চরণ কমল ছাড়া অন্য কিছু চাই না।

এই কথা শুনে শ্রীকৃষ্ণ তথাস্তু বলে যমুনার নিকটে বংশীবটে নিকটস্থ মহাদেবকে গোপীশ্বর মহাদেবরূপে সর্ব্বকালীন সময়ের জন্য বিরাজিত করে দিলেন এবং রাসস্থলের দ্বার রক্ষকের আসন দিলেন। 

প্রতিদিন শিবলিঙ্গকে পঞ্চামৃত ( দুধ , দই , ঘৃত , মধু আর চিনি ) দিয়ে রুদ্রাভিষেক আর পূজা-অর্চনা হয়। সন্ধ্যাকালে নিত্য শিবলিঙ্গকে গোপীরূপে শৃঙ্গার করা হয়। এই মন্দিরে পার্বতী, গণেশ এবং নন্দীকে সাথে নিয়ে গোপেশ্বর মহাদেব বিরাজ করছেন। 
গোপেশ্বর মহাদেবের শৃঙ্গার রূপ:- দিগ্ংবর আর বাঘংবর বেশে, এখানে লহংগা, আড়নী, ব্লাউজ, কানের দুল, টীকা, কাজল, টিপ, নিয়ে নিত্য শিবলিঙ্গকে গোপীরূপে শৃঙ্গার করা হয়। 

গোপেশ্বর মহাদেবকে সকালে শিবলিঙ্গ রূপে পূজা করা হয় এবং সন্ধ্যায় গোপী হিসাবে পোষাক ও পূজা করা হয়।গোপেশ্বর মহাদেবকে ব্রজের গোপীদের অভিভাবক বলা হয়। 

ভগবান শ্রীকৃষ্ণের বড়ো ছেলে প্রদ্যুম্ন এবং তাহার সুচিহ্নিত সন্তান অনিরুদ্ধ এবং তাহার সন্তান ব্রজনাভ (শ্রীকৃষ্ণ প্রপৌত্র) কর্ত্তৃক মন্দিরের পুনঃ প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেন।      
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



গোপেশ্বর মহাদেব মন্দির 🙏 শ্রীধাম বৃন্দাবন 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/10/home-page-pdf-httpsmrinmoynandy_27.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ গোপেশ্বর মহাদেব মন্দির 🙏 শ্রীধাম বৃন্দাবন ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
         ꧁ 👇 শ্রীধাম বৃন্দাবন 🙏 সূচীপত্র👇 ꧂
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
বৃন্দাবনের গোপীরা নন্দের নন্দন ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে তাদের স্বামীরুপে পাওয়ার জন্য তাহার বহু উপাসনা করতেন । অবশেষে ভগবান একদিনের জন্য তাহাদের সকলকে কৃপা করেন, তাই শরৎ পুর্ণিমায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বৃন্দাবন হইতে সকল গোপীদের উদ্দেশ্যে বংশী ধ্বনী ব্যাজন করছেন, এই সময় বংশী ধ্বনী শ্রবণ করে গোপীনীগণ আর গৃহে থাকতে পারলেন না, গভীর রাতে সকল কিছু বন্ধন উন্মোচিত করে একিজনার উদ্দেশ্যে ছুটে গিয়েছিলেন তেমনি এই বংশী ধ্বনী শ্রবণ করে বৈষ্ণব চুরামনি মহাদেব কৈলাস হইতে ব্রাজলীলার সর্বশ্রেষ্ট লীলা রাসলীলা দর্শনের নিমিত্তে অপেক্ষা করতে পারেননি, ছুটে আসেন ব্রজে। প্রেমরাজ্যে সদা সর্বদা আহ্বান আছে কখনো কিন্তু বিসর্জন নাই। মহাদেব সীমার মধ্যে অসীমকে পাইবো এই লক্ষে তাহার জন্যই বৃন্দাবনচন্দ্রের রাজ্যে প্রবেশ করেন । মহাদেব রাসলীলা প্রবেশ দ্বারে গোপীরা মহাদেবকে থামিয়ে দিলেন, ঢুকতে দিলেন না রাসস্থলে এবং জানিয়ে দেন "কৃষ্ণ ছাড়া অন্য কোন পুরুষের প্রবেশ নিষেধ এই "রাসস্থলে"। এই কথা শ্রবণ করে মহাদেব গোপী গণের কাছে অনুরোধ করেন এবং কিছু উপায় বলে দিতে বলেন যাহার কারণে রাসস্থলে প্রবেশ করতে পারেন।
ললিতা সখী বলল- হে মহাদেব, আপনি মানস সরোবরে স্নান করে গোপীরূপ ধারন করুন, তাহলে রাসে প্রবেশ করতে পারবেন। তখন মহাদেব অর্ধনারীশ্বর থেকে পুরো নারীরূপ হয়ে গেলেন। শ্রীযমুনা মাতা তাহার সুন্দর শৃঙ্গার করে দিলেন, মহাদেব গোপীরূপ ধারণ করলেন। প্রসন্ন মনে গোপীদের মধ্যে প্রবেশ করেন, প্রবেশ দ্বারে ললিতা সখী গোপীরূপী মহাদেবের কানে যুগলমন্ত্রের উপদেশ দিলেন। কারন ললিতা সখী আদেশ ছাড়া বৃন্দাবন যোগপীঠে প্রবেশ করা যায় না। শ্রীরাসবিহারীর সহিত রাসেশ্বরী, রসময়ী শ্রীরাধারানী ও সকল গোপীদের নৃত্য দেখে ভোলেনাথ নিজে নৃত্য করতে লাগলেন।
তখন কৃষ্ণ রাসেশ্বরী শ্রীরাধা ও গোপীদের ছেড়ে ব্রজের বনে লতার মাঝে গোপীরূপধারী গৌরীনাথের হাত ধরে, আর মন্দ মন্দ হেসে খুব আদর করে বললেন, সুস্বাগত, মহারাজ গোপেশ্বর। শ্রীরাধা আদি শ্রীগোপীশ্বর মহাদেবের মোহিনী গোপীর রূপ দেখে আশ্চর্য্য হয়ে গেলেন, শ্রীকৃষ্ণ বললেন, রাধে, ইনি কোন গোপী নয়, ইনি তো সাক্ষাৎ দেবাদিদেব মহাদেব, আমাদের মহারাস দর্শন করতে গোপীরূপ ধারণ করে এসেছেন। তখন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ মহাদেবকে জিজ্ঞাসা করলেন- হে মহাদেব, আপনি গোপীরূপ কেন ধারণ করেছেন? ভগবান শংকর বলল- প্রভু, আপনার দিব্য রসময়ী মহারাস দেখার জন্য গোপীরূপ ধারণ করলাম।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/10/home-page-pdf-httpsmrinmoynandy_27.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
মহাদেবের এই কথায় প্রসন্ন হয়ে রাসেশ্বরী বর চাইতে বললেন, তখন মহাদেব বললেন, আমি কি আর চাই শুধুমাএ আপনাদের চরণকমলে সদাই আমি থাকতে পারি। আপনাদের চরণ কমল ছাড়া অন্য কিছু চাই না।

এই কথা শুনে শ্রীকৃষ্ণ তথাস্তু বলে যমুনার নিকটে বংশীবটে নিকটস্থ মহাদেবকে গোপীশ্বর মহাদেবরূপে সর্ব্বকালীন সময়ের জন্য বিরাজিত করে দিলেন এবং রাসস্থলের দ্বার রক্ষকের আসন দিলেন। 

প্রতিদিন শিবলিঙ্গকে পঞ্চামৃত ( দুধ , দই , ঘৃত , মধু আর চিনি ) দিয়ে রুদ্রাভিষেক আর পূজা-অর্চনা হয়। সন্ধ্যাকালে নিত্য শিবলিঙ্গকে গোপীরূপে শৃঙ্গার করা হয়। এই মন্দিরে পার্বতী, গণেশ এবং নন্দীকে সাথে নিয়ে গোপেশ্বর মহাদেব বিরাজ করছেন। 
গোপেশ্বর মহাদেবের শৃঙ্গার রূপ:- দিগ্ংবর আর বাঘংবর বেশে, এখানে লহংগা, আড়নী, ব্লাউজ, কানের দুল, টীকা, কাজল, টিপ, নিয়ে নিত্য শিবলিঙ্গকে গোপীরূপে শৃঙ্গার করা হয়। 

গোপেশ্বর মহাদেবকে সকালে শিবলিঙ্গ রূপে পূজা করা হয় এবং সন্ধ্যায় গোপী হিসাবে পোষাক ও পূজা করা হয়।গোপেশ্বর মহাদেবকে ব্রজের গোপীদের অভিভাবক বলা হয়। 

ভগবান শ্রীকৃষ্ণের বড়ো ছেলে প্রদ্যুম্ন এবং তাহার সুচিহ্নিত সন্তান অনিরুদ্ধ এবং তাহার সন্তান ব্রজনাভ (শ্রীকৃষ্ণ প্রপৌত্র) কর্ত্তৃক মন্দিরের পুনঃ প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেন।      
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



adds