শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রীকৃষ্ণ ও অর্জুনের সখ‍্যতা কেমন ভাবে হয়েছিল, কারণ কি ❓ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_82.html


   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧        
꧁ শ্রীকৃষ্ণ ও অর্জুনের সখ‍্যতা কেমন ভাবে হয়েছিল, কারণ কি? ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧   
শ্বেতকি নামে এক মহা পরাক্রমশালী রাজা ছিলেন। তিনি যজ্ঞ প্রেমিক, দাতা, ও বুদ্ধিমান ছিলেন।তিনি বড় বড় যজ্ঞ করিতেন যজ্ঞ করতে করতে ঋত্তিকগণ পরিশ্রান্ত হয়ে পড়তেন। কখনো কখনো যজ্ঞ করতে অস্বীকার করতেন। কিন্তু রাজার যজ্ঞ চলতেই থাকত। রাজা বিভিন্ন ঋত্বিক গনকে অনুনয় বিনয় করিয়া এবং দান-দক্ষিণা দিয়ে ব্রাহ্মণদের প্রসন্ন করতেন। শেষে ব্রহ্মণগণ যখন যজ্ঞ করতে হার মেনে গেলেন, তখন রাজা শিবের তপ‍স‍্যায় রত হলেন ও শিব তুষ্ট হলেন এবং তাঁর নির্দেশে দূর্বাসাঋষিকে দিয়ে মহাযজ্ঞ করাইলেন। প্রথমে দ্বাদশ বৎসর এবং পরে একশত বৎসরের মহাযজ্ঞের দক্ষিণাদান করিয়া রাজা ব্রাহ্মণদের তৃপ্ত করেছিলেন। দূর্বাসা প্রসন্ন হলেন। রাজাযজ্ঞের পরে সপরিবারে ঋত্বিকদের সঙ্গে স্বর্গে গমন করলেন। সেই যজ্ঞে দ্বাদশ বৎসর ধরে অগ্নিদেবকে ঘৃতের ধারা নিরবচ্ছিন্ন ভাবে পান করতে হয়েছিল, তাতে তাঁর হজমশক্তি ক্ষীণ হয়ে গিয়েছিল। গাত্রবর্ণ হালকা হয়ে গিয়েছিল, এবং দীপ্তি কমে আসছিল। অজীর্ণতার জন্য যখন তাঁর শরীর খারাপ হতে শুরু করল, তখন তিনি ব্রহ্মার নিকট গিয়ে অনুরোধ করেন যে, আপনি এমন কোনো উপায় বলুন যাতে পূর্বের ন‍্যায় সুস্থ ও সবল হয়ে উঠি। তখন ব্রহ্মা বললেন,অগ্নিদেব!যদি তুমি খান্ডববন পোড়াতে পার, তাহলে তুমি সমহিমায় ফিরে আসবে। অগ্নিদেব সাতবার খান্ডববন পোড়াবার চেষ্টা করেন, কিন্তু ইন্দ্রদেব বারংবার রক্ষা করায় তাঁর চেষ্টা সফল হয়নি। পুনরায় অগ্নিদেব ব্রহ্মার নিকট গিয়ে বললে,ব্রহ্মা বললেন,শ্রীকৃষ্ণ ও অর্জুনের সহায়তায় খান্ডববন পোড়াবার উপায় জানিয়ে দেন। অগ্নিদেব ব্রাহ্মণ বেশ ধারণ করিয়া অর্জুনের কাছে সমস্ত পূর্বের কথা বললেন। অর্জুন বললেন,আমার দিব‍্যাস্ত্রের অভাব নেই, আমি যেকোন সময় ইন্দ্রকে পরাস্ত করতে পারি, কিন্তু আমার কাছে কিন্তু আমার কাছে দিব্য অস্ত্র ধারণ করবার মতো ধনুক নেই এবং সেই অস্ত্রের উপযুক্ত বাণও নেই,বাণের বোঝা বহিবার মত রথও নেই।এই সময় শ্রীকৃষ্ণের কাছেও এমন কোন অস্ত্র নেই যার দ্বারা ইনি নাগেদের এবং পিশাচদের বধ করতে পারেন। বল ও কৌশল আমাদের আছে, যুদ্ধ সামগ্রী আমাদের দিন।তখন অগ্নিদেব জলের দেবতা বরুণদেবকে স্মরণ করলেন, বরুণদেব তৎক্ষণাৎ আবির্ভূত হলেন।অগ্নিদেব বললেন, আপনাকে রাজা সোম অক্ষয় তূণীর, গান্ডীব ধনুক এবং বানর চিহ্নযুক্ত ধ্বজামন্ডিত দিব‍্যরথ দিয়াছেন,সেগুলি আপনি আমাকে দিন, তার সঙ্গে চক্রও দিন। শ্রীকৃষ্ণ ও অর্জুন, চক্র ও গান্ডীব ধনুকের সাহায্যে আমার এই বড় কর্ম সম্পন্ন করবেন। বরুণ অগ্নিদেবের অনুরোধ মেনে নিয়ে অর্জুনকে অক্ষয় তূণীর এবং গান্ডীব ধনুক দিলেন, এই ধনুকের অদ্ভুত মহিমা, কোনো শস্ত্রের সাহায্যেও একে খন্ডিত করা যাবে না।তারপর রত্নজড়িত এক দিব‍্য রথও প্রদান করলেন।সেই রথটি মন ও বায়ুর ন‍্যায় বেগযুক্ত।অগ্নিদেব শ্রীকৃষ্ণকে দিব‍্য চক্র এবং আগ্নেয়াস্ত্র দিয়া বললেন,মধুসূদন!এই চক্রের দ্বারা যাকে খুশি তাকে বধ করতে পারবেন। এই চক্রের সামনে দেবতা, দানব, রাক্ষস,পিশাচ,নাগ ও মানুষের শক্তি তুচ্ছ।এই চক্রটি প্রতিবার প্রয়োগের পর শত্রুনাশ করে ফিরে আসবে।বরুণ শ্রীকৃষ্ণকে দৈত‍্যনাশিনীএবং বজ্রধ্বনির ন‍্যায় শব্দ দ্বারা শত্রুর হৃদয় কম্পমান করবার মতো কৌমোদ গদা অর্পণ করলেন।এবারে শ্রীকৃষ্ণ ও অর্জুন খান্ডববন দহন করতে লাগলেন।আর অগ্নিদেব তেজোময় দাবানলের প্রদীপ্তরূপ ধারণ করে তাঁর সপ্ত অগ্নিশিখার লেলিহানরূপে খান্ডববন ঘিরে প্রলয় দৃশ্য উপস্থিত করে ভস্মস‍্যাৎ করতে আরম্ভ করলেন। বনের শত সহস্র প্রাণী ভস্মীভূত হল,কেহ কেহ বা চি‍ৎকার করতে লাগল,কেহ বা পালিয়ে বাঁচল। খান্ডববনের আগুন এতই জোরে জ্বলতে লাগল যে গগন স্পর্শ করল।দেবতাদের হৃদয় কেঁপে উঠল। ভয়ে দেবতাগণ দেবরাজের কাছে গিয়ে বলতে লাগলেন। ইন্দ্র খান্ডববনকে বাঁচাবার জন্য সমস্ত মেঘ মেঘিনী খান্ডববনের উপর বর্ষণ করতে লাগল।অর্জুন অস্ত্র কৌশলে জলধারা বন্ধ করে দিলেন।এবং সমস্ত বন বাণ দ্বারা এমনভাবে ঘিরে রাখলেন যে কেহ যেন পলায়ন করতে না পারে।সেই সময় নাগরাজ তক্ষক সেখানে ছিলেন না। কুরুক্ষেত্রে গিয়েছিল। তার পুত্র অশ্বসেন খান্ডব বনেই ছিল। অশ্বসেনকে বাঁচানোর জন্য ইন্দ্র বহু চেষ্টা করলেন,ভাগ‍্যক্রমে পালিয়ে বাঁচলেন। তাতে অর্জুন ক্রোধে রক্তবর্ণ হয়ে উঠলেন এবং তীক্ষ্ণ বাণের দ্বারা আকাশ ঢেকে ইন্দ্রকে কোণঠাসা করে দিলেন। তারপর ইন্দ্র শ্বেত ঐরাবতে চড়ে অর্জুন ও কৃষ্ণের সঙ্গে বহু যুদ্ধ করলেন, সেই বিশাল কান্ড।সেই সময় বজ্রগম্ভীর কন্ঠে আকাশবাণী হল,ইন্দ্র তোমার মিত্র কুরুক্ষেত্রে আছে তার কোন ক্ষতি হয়নি আর কৃষ্ণ অর্জুনকে কোনো মতেই হারাতে পারবে না। পরক্ষণেই শ্রীকৃষ্ণ দেখলেন ময়দানব তক্ষকের নিবাসস্থল হতে বেড়িয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। তিনি ময়দানবকে মারবার জন্য অস্ত্র তুললেন, সামনে চক্র ও পেছনে অগ্নি দেখে ময়দানব সামনে অর্জুনের কাছে আত্মসমর্পণ করলে, অর্জুনের কথায় কৃষ্ণ চক্র ফিরিয়ে নিলেন।খান্ডববন পনেরদিন ধরে জ্বলতে লাগল। এই ভীষণ অগ্নিকান্ডে ছয়টি প্রাণীই কেবল বেঁচে গিয়েছিল, অশ্বসেন সর্প,ময়দানব এবং চার শাঙ্গপক্ষী। শাঙ্গপক্ষীদের পিতা মন্দপাল অগ্নিদেব, শ্রীকৃষ্ণ ও অর্জুনের সাহায্যে খান্ডববনকে দহন করতে সক্ষম হলেন।তারপর ব্রাহ্মণের রূপ ধরে তাঁদের সামনে উপস্থিত হলেন। দেবরাজ ইন্দ্রও দেবতাদের সঙ্গে সেখানে এলেন।ইন্দ্র বললেন আপনারা যে অসম্ভব কর্ম সম্ভব করেছেন তাহা দেবতাদের অসাধ‍্য। আমি তুষ্ট হয়েছি, অর্জুন বললেন,আপনি আমাকে সর্বপ্রকার অস্ত্র প্রদান করুন।ইন্দ্র বললেন,অর্জুন, মহাদেব যখন তোমার প্রতি প্রসন্ন হবেন, তখন তোমার তপস‍্যার প্রভাবে আমি তোমাকে আমার সমস্ত অস্ত্র দিয়ে দিব। কৃষ্ণ তখন বললেন, দেবরাজ!আপনি আমাকে এই বর দিন যাহাতে অর্জুন আর আমার বন্ধুত্ব অটুট থাকে। কখনো যেন বিচ্ছেদ না ঘটে।ইন্দ্র বললেন,""এবমস্তু""" বেশ তাই হবে।কৃষ্ণ ও অর্জুন এবং ময়দানব যমুনার পবিত্র তীরে এসে উপবিষ্ট হলেন।
🌻🌻 জয় নিতাই গৌর হরিবল🌻🌻
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
             ꧁লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা-ইংরেজ বাজার, জেলা-মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ-৭৩২১০১
লীলা কীর্তন PDF 📚 ভবিষ্যতে আরো PDF এই লিঙ্কে আপলোড করা হবে।👉 https://drive.google.com/drive/folders/1j7S6jqXPssNeUbC2Fq9lPJbN2vFwfWn3
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম।
ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧                      *••••┉━❀꧁ রাধে রাধে ꧂❀━┅••••* 
                     শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
       *••••┉━❀꧁ জয় শ্রীশ্রীজগন্নাথ ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
    *••••┉━❀꧁জয় শ্রীশ্রীরাধাকান্ত꧂ ❀━┅••••*
             শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর নিবাসস্থলী
শ্রীগুরুদেব(আশ্রিত)-বৈষ্ণব কুলতিলক আচার্য্যপ্রবর মহান্ত মহারাজ শ্রীল ধ্যানচন্দ্র দাস গোস্বামী (শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর অপ্রকট লীলায় শ্রীগম্ভীরা মন্দিরে ঊনবিংশ পীঠাচার্য্য, শ্রীশ্রীরাধাকান্ত মঠ - শ্রীশ্রীগম্ভীরা, শ্রীধাম পুরী), মধবাচার্য্য(ব্রহ্ম) সম্প্রদায়,বক্রেশ্বর পরিবার(শ্রীতিলক সেবা- শ্রীশ্রীমহাপ্রভুর শ্রীচরণ), তুঙ্গবিদ্যা সখী,পশ্চিম দ্বার, লবঙ্গ মঞ্জুরী ( সনাতন গোস্বামী)।
*••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••*
শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম।
নিবাস-গিরিরাজ ভবন, উত্তর নারায়নপুর, ভালীয়া, আরামবাগ, পশ্চিমবঙ্গ।
••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••
      📚 *PDF গ্রন্থ* 📚
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


adds