✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ বৈরাগ্য ভাব কেমন করে আসতে পারে? ꧂
👇👇👇🙏👇👇👇
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
সকল কিছু লিখনী👇👇🙏👇👇📚 *PDF গ্রন্থ* 📚
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*🌴বৈরাগ্য ভাব কেমন করে আসতে পারে?🌴*
""" """" """"" """"" """"" """"" """""" """"""
*সাধকের প্রথমেই সাংসারিক বিষয় পরিণামে ক্ষতিকর মেনে নিয়ে এবং তা দুঃখরূপ জেনে সযত্নে ত্যাগ করা উচিত। বারংবার বৈরাগ্যের চিন্তা করলে,ত্যাগের মহত্ত্ব মনন করলে,জগতের প্রকৃত অবস্থা ভেবে দেখলে,মৃত ব্যক্তিদের,শূন্য মহল,ভাঙ্গচোরা অট্টালিকা,এইসব দেখলে বা শুনলে প্রাচীন রাজাদের অন্তিম জীবনদশা লক্ষ্য করলে এবং অনাসক্ত,চিন্তাশীল ব্যক্তিদের সঙ্গ করলে,এইরকম চিন্তা স্বতঃই (নিজের) হৃদয়ে জেগে উঠে এবং বিষয়াদির প্রতি বিরাগ উৎপন্ন হয়। পুত্র-পরিবার,অর্থ-সম্পদ,মান-মর্যাদা, কীর্তি-যশ ইত্যাদি সমস্ত পদার্থে নিরন্তর দুঃখ ও দোষ চিন্তা করে তার থেকে মন সরিয়ে নিতে হয়।ভগবান বলেছেন,*
*ইন্দ্রিয়ার্থেষু বৈরাগ্যমনহঙ্কার এব চ।*
*জন্মমৃত্যুজরাব্যাধিদুঃখদোষানুদর্শনম্।।*
*অসক্তিরনভিষ্বঙ্গঃ পুত্রদারগৃহিদিষু।*
*(গীতা=১৩|৮-৯)*
*🍀ইহলোক ও পরলোকের সমস্ত ভোগে আসক্তির অভাব এবং অহঙ্কারেরও অভাব আর জন্ম-মৃত্যু-*জরা-রোগ ইত্যাদিতে বারংবার দুঃখ-শোকের বিচার করা এবং স্ত্রী-পুত্র,গৃহ-সম্পদে আসক্তি ও মমত্ববোধ দূর করা।* *বিচার করলে এমন আরও অনেক প্রমাণ পাওয়া যাবে,যাতে জগতের সমস্ত পদার্থ দুঃখরূপ বলে মনে হয়।*
*🍀যোগদর্শনের সূত্র হল=*
*পরিণামতাপসংস্কারদুঃখৈর্গুণবৃত্তি- বিরোধাচ্চ দুঃখমেব সর্বং বিবেকিনঃ।*
*(সাধনপাদ=১৫)*
*🍀পরিণামদুঃখ,তাপদুঃখ,সংস্কারদুঃখ এবং দুঃখ মিশ্রিত তথা গুণ-বৃত্তি-বিরোধ হওয়ায় বিবেচক মানুষের দৃষ্টিতে সমস্ত বিষয় সুখ দুঃখেরই রূপ হয়ে থাকে।*
*🍀পরিণামদুঃখতা=যে সুখ আরম্ভে সুখের বলে মনে হয় তা পরিণামে মহাদুঃখরূপ হয়,সেই সুখকে পরিণামদুঃখ বলা হয়।* *যেমন আসক্তবশতঃ রোগীর জিভের স্বাদের জন্য কুপথ্য গ্রহণ।চিকিৎসক নিষেধ করলেও ইন্দ্রিয়াসক্ত রোগী আপাত-সুখকর পদার্থ স্বাদবশতঃ খেয়ে শেষকালে কষ্ট পায়,কাঁদে,চিৎকার; তেমনই বিষয়সুখ শুরুতে রমণীয় ও সুখের মনে হলেও পরিণামে মহাদুঃখদায়ক হয়।ভগবান বলেছেন=*
*বিষয়েন্দ্রিয়সংযোগাদ্ যৎ তদগ্রেহমৃতোপমম্।*
*পরিণামে বিষমিব তৎ সুখং রাজসং স্মৃতম্।।*
*গীতা=১৮|৩৮*
*🍀বিষয় ও ইন্দ্রিয়াদির সংযোগে যে সুখ হয়,ভোগের সময় যদিও তা অমৃতের মতো মনে হয়, কিন্তু পরিণামে তা (বল-বীর্য-অর্থ-উৎসাহ ও পরলোকনাশক হওয়ায়) বিষের মতো হয়।* *তাই একরকম সুখকে রাজসিক সুখ বলা হয়।* *চুলকোনির ঘা চুলকালে তা প্রথমে আরামদায়ক,কিন্তু পরে যখন তাতে জ্বালা ধরে,সেইটাই মহা দুঃখদায়ক হয়ে উঠে।বিষয়-সুখেরও সেই একই পরিণাম দুঃখদায়ক হয়।বহু বহু পূণ্য সঞ্চয় করলে মানুষ স্বর্গলাভ করে কিন্তু ""তে তাং ভুক্তা স্বর্গলোকং বিশালং ক্ষীণে পূণ্যে মর্ত্যলোকং বিশন্তি""।* *অর্থ্যাৎ তাঁর সেই বিশাল স্বর্গলোক ভোগ করে পূণ্য ক্ষয় হলে পুনরায় ইহলোক প্রাপ্ত হন।তাই গোঁসাই তুলসী দাস মহারাজ শ্রীরামচরিত মানসে বলেছেন=*
*এহি তন কর ফল বিষয় ন ভাঈ।*
*স্বর্গউ স্বল্প অন্ত দুখদাউ।।*
*🍀তাপদুঃখরূপ=স্ত্রী-পুত্র-স্বামী-অর্থ-সম্পদ ইত্যাদি সকল পদার্থ সবসময় কষ্ট দেয় জ্বালাতন করে।এমন কোন বিষয় নেই যাকে চিন্তা করলে কষ্টদায়ক মনে হয় না।এছাড়া মানুষ নিজের থেকে অন্য কাউকে কোন বিষয়ে সমৃদ্ধশালী দেখে,তখন নিজের অল্প সুখের জন্য তার হৃদয়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।* *বিষয়-প্রাপ্তি,তার সংরক্ষণ ও নাশ হওয়াতে সর্বদা ক্ষোভ বজায় থাকে।বলা হয় যে------*
*অর্থানামর্জনে দুঃখং তথৈব পরিপালনে।*
*নাশে দুঃখং ব্যয়ে দুঃখং ধিগর্থান্ ক্লেশকারিণঃ।।*
*🍀অর্থ অর্জন করতে কষ্ট,উপার্জন হলে তার সংরক্ষণে কষ্ট,কোথাও কিছুতে নষ্ট না হয়,তারজন্য সর্বদা চিন্তা,খরচ হলে চিন্তা,তা রেখে মরে যেতেও দুশ্চিন্তা,অর্থ্যাৎ এর থেকে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কেবল দুশ্চিন্তায় বজায় থাকে।* *তাই একে ধিক্কার দেওয়া হয়েছে। পুত্র-মান-মর্যাদাও সেই একই ব্যাপার।সমস্ত বিষয়েই প্রাপ্তির ইচ্ছা থেকে বিয়োগ পর্যন্ত সেই একই সন্তাপ বজায় থাকে।এমন কোন বিষয় সুখ নাই যা সন্তাপ প্রদান করে না।*
*🍀সংস্কারদুঃখতা=আজ স্বামী-স্ত্রী, পুত্র-পরিবার,অর্থ-সম্মানের যে বিষয় প্রাপ্ত হয়েছে তার সংস্কার হৃদয়ে অঙ্কিত হয়েছে।তাই সেগুলি না থাকলে সংস্কারের জন্য সেইসব বস্তুর অভাব মহাদুঃখদায়ক।আমি কেমন ছিলাম,আমার পুত্র কত সুন্দর ও অনুগত ছিল, আমার পত্নী কত সুশীলা ছিল, আমার বাবার কাছে আমি কত সুখী ছিলাম,জগতে আমার কত মান-সম্মান ছিল, আমার কত অর্থ সম্পদ ছিল।কিন্তু আজ আমি কি হয়েছি! আমি সবরকমেই দীন-হীন হয়ে গেছি।* *যদিও জগতে তাঁর মতো বহু মানুষ শুরু থেকে এমনই বিষয়রহিত ছিল, কিন্তু তারা এমন দুঃখী নয়।যাঁর বিষয়-ভোগের বাহুল্যতায় সুখের সংস্কার হয়,তাঁরই এমন অভাব প্রতীত হয়।*
*অভাবের প্রতীতিতে (বিশ্বাসে)দুঃখ ভরে থাকে।একেই বলে সংস্কারদুঃখতা।* *এছাড়া সর্বদা একথাও স্মরণে রাখা উচিত যে জগতের সমস্ত বিষয়-সুখ সর্বাবস্থাতে দুঃখমিশ্রিত থাকে।*
*🍀গুণ-বৃত্তির বিরোধজনিত দুঃখ=* *ধরুন,একজন ব্যক্তির কিছু মিথ্যা কথা বললে বা কপটতা ছলনা, বিশ্বাসঘাতকতা করলে অনেক টাকা পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।তখন তাকে তার সাত্ত্বিক বৃত্তি বলে "পাপ করে টাকার দরকার নেই, তার থেকে ভিক্ষা করা বা মরে যাওয়াও ভালো,কিন্তু পাপ করা উচিত নয়।* *অন্যদিকে লোভি রাজসিক বৃত্তি বলে"ক্ষতি কি?* *একবার একটু মিথ্যা বলায় আপত্তি কি?সামান্য ছলনা বা কপট আচরণ ও বিশ্বাসঘাতকতা করলে কী হবে?একবার এই কাজ করে দরিদ্রতা মিটিয়ে নিই,ভবিষ্যতে আর একাজ করব না।এইভাবে সাত্ত্বিক ও রাজসিকের মধ্যে মহাযুদ্ধ বেধে যায়।এতে চিত্ত অন্তত্য ব্যাকুল ও কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে উঠে।* *বিষাদ ও উদ্বিগ্নতার কোন সীমা থাকে না।* *এইভাবে রাজসিক ও তামসিক বৃত্তিরও মতভেদ হয়।একজন মানুষ তাস বা দাবা খেলতে থাকে,ওদিকে সময় মত না যাওয়ায় গৃহের আবশ্যক কর্ম হয় না।কর্মে প্রবৃত্তকারী রাজসিক বৃত্তি বলে।"উঠো,চলো,ঘরের কাজ করো,নাহলে ক্ষতি হয়ে যাবে।* *অন্যদিকে প্রমাদরূপী তামসিক বৃত্তি তাকে বারংবার খেলাতে আকর্ষণ করতে থাকে,সেই বেচারি এই দ্বিধায় পড়ে নানা অশান্তিতে ভোগে।* *উদাহরণের জন্য দুটি দৃষ্টান্তই যথেষ্ট।*
*ক্রমশ*
*🍀এইভাবে বিবেচনা করলে স্পষ্ট বোঝা যায় যে জগতে সবই সুখ ও দুঃখের রূপ। সুতরাং এর থেকে মন সরিয়ে নেবার জন্য খুবই চেষ্টা করতে হবে।উপরোক্ত ভয় ও চিন্তা থেকে হওয়া উভয় প্রকারের বৈরাগ্য লাভ করার এই হল উপায়।* *এই উপায় পূর্বাপেক্ষা উত্তম-শ্রেণীর বৈরাগ্য-সম্পাদনেও অবশ্যই সহায়ক হয়ে থাকে।পরমাত্মার নাম-জপ ও সর্বদা তাঁর স্বরূপ চিন্তা করতে থাকলে হৃদয়ের কলুষ দূর হতে থাকবে।তেমনই তাতে উজ্বলতা আসবে।এইরকম উজ্বল ও শুদ্ধ হৃদয়ে বৈরাগ্যের তরঙ্গ উঠে,যার ফলে বিষয়ানুরাগ স্বতঃই দূর হয়ে যায়।এই অবস্থায় বিশেষ চিন্তা-ভাবনার প্রয়োজন থাকে না।যেমন ধূলি ধূসরিত আয়নাকে কাপড় দিয়ে মুছলে তা যেভাবে পরিস্কার হয়ে চমকিত হতে থাকে এবং তাতে মুখর ছবি স্পষ্ট প্রতিভাত হয়,তেমনই পরমাত্মার ভজন-ধ্যানরূপ কাপড়ের মোছাতে অন্তঃকরণরূপ দর্পণের ময়লা দূর হয়ে তা উজ্বল হয় এবং তাতে সুখস্বরূপ আত্মার প্রতিবিম্ব দেখা যায়।* *এইরকম অবস্থায় যে সামান্য বিষয়-মল থেকে যায়,তা সাধকের মনে শূলের মত বিঁধতে থাকে।* *তখন সাধক সেই বিষয়-মলদাগ দূর করার জন্য ভজন-ধ্যানে যেমন যেমন অন্তরের দর্পণ পরিস্কার হয়,সাধকের আশা ও উৎসাহ তেমনই বৃদ্ধি পেতে থাকে।* *যেসব ব্যক্তি ভজন-ধ্যানরূপ সাধন-তত্ত্ব বোঝেন না তাঁদের কাছে এগুলি ভার বলে বিশ্বাস হয়।* *যাঁর এই তত্ত্ব-জ্ঞান হতে থাকে,তিনি উত্তরোত্তর এই আনন্দ উপলব্ধি করে পূর্ণানন্দ লাভের জন্য ভজন-ধ্যানের বৃদ্ধি করতে থাকেন।* *তাঁর দৃষ্টিতে বিষয়াদিতে প্রতিভাত হওয়া বিষয়-সুখের কোন অস্তিত্বই থাকে না।* *ফলে তিনি অত্যন্ত শীঘ্রই দৃঢ় বৈরাগ্য লাভ করেন। ভগবান এই দৃঢ় অস্ত্রের সাহায্যে অহং,মমত্ব ও বাসনারূপ দৃঢ় মূলসম্পন্ন সংসাররূপ অশ্বত্থবৃক্ষকে ছেদন করতে বলেছেন।*
*ক্রমশ*
*বৈরাগ্য, পরের অংশ*
++++++++++++++++
*অশ্বত্থমেনং সুবিরূঢ়মূলমসঙ্গশস্ত্রেণ দৃঢ়েন ছিত্ত্বা।* *(গীতা=১৫|৩*
*🍀সাংসারিক চিত্র সর্বতোভাবে দূর করাই হল এই অশ্বত্থ-বৃক্ষ ছেদন করা।দৃঢ় বৈরাগ্যের সাহায্যে এ কাজ সহজেই হতে পারে।*
÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷
*শ্রীভগবান বলেছেন-------*
*ততঃ পদং তৎ পরিমার্গিতব্যং যস্মিন্ গতা ন নিবর্তন্তি ভূয়ঃ।*
*তমেব চাদ্যং পুরুষং প্রপদ্যে যতঃ প্রবৃত্তিঃ প্রসৃতা পুরাণী।।*
*(গীতা=১৫|৪*
*🍀এর পরে যে পরমপদরূপ পরমেশ্বরকে ভালো ভাবে অনুসন্ধান করা উচিত (সেই পরমাত্মার বিজ্ঞান আনন্দঘন "সত্যং জ্ঞানমনন্তং ব্রহ্ম" এর বারংবার চিন্তা করাই হল তাঁর অনুসন্ধান করা)* *যাতে যাওয়ার পর পুরুষ আর সংসারে পুনরাবর্তন করেন না এবং যে পরমেশ্বর দ্বারা এই পুরাতন সংসার বৃক্ষের প্রবৃত্তি বিস্তার লাভ করেছে।* *আমি সেই আদি পুরুষ নারায়ণের শরণাগত (সেই পরমপদের স্বরূপকে চেনা-- তাতে স্থিত হয়ে যাওয়াই হল তাঁর শরণগ্রহণ করা)এইভাবে শরণ নিলে*-----
*নির্মানমোহা জিতসঙ্গদোষা অধ্যাত্মনিত্যা বিনিবৃত্তকামাঃ।*
*দ্বন্দৈর্বিমুক্তাঃ সুখদুঃখসংজ্ঞৈর্গচ্ছন্ত্যমূঢ়াঃ পদমব্যয়ং তৎ।।* *গীঃ=১৫|৫*
*🍀মান এবং মোহ যাঁরা জয় করেছেন,আসক্তি জয় করে যাঁরা পরমাত্মার স্বরূপে নিত্য স্থিতি লাভ করেছেন,যাঁদের কামনা সম্পূর্ণভাবে নাশপ্রাপ্ত হয়েছে,সেই সব সুখ- দুঃখ- দ্বন্দ্ব বিমুক্ত জ্ঞানী ব্যক্তি এই অবিনাশী পরমপদ প্রাপ্ত হন।*
*🍀বৈরাগ্য বিষয়ে আরও কিছু আছে,এখানেই রাখলাম।🍀*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 👇👇👇
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ📱7001138871꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
