✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ *হরি! হরি! বিফলে জনম গোঙাইনু।* ꧂
꧁ *মনুষ্য জনম পাইয়া, রাধাকৃষ্ণ না ভজিয়া,* ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
*হরি! হরি! বিফলে জনম গোঙাইনু।*
*মনুষ্য জনম পাইয়া, রাধাকৃষ্ণ না ভজিয়া,*
*জানিয়া শুনিয়া বিষ খাইনু।।*
*গোলোকের প্রেমধন, হরিনাম সংকীর্তন,*
*রতি না জন্মিল কেনে তায়।*
*সংসার বিষানলে, দিবানিশি হিয়া জ্বলে,*
*জুড়াইতে না কৈনু উপায়।।*
*ব্রজেন্দনন্দন যেই, শচীসুত হৈল সেই,*
*বলরাম হইল নিতাই।*
*দীন হীন যত ছিল,হরিনামে উদ্ধারিল,*
*তার সাক্ষী জগাই মাধাই।।*
*হা-হা প্রভু!নন্দসুত,বৃষভানুসুতাযুত,*
*করুণা করহ একবার।*
*নরোত্তম দাস কয়,না ঠেলিহ রাঙ্গা পায়,*
*তোমা বিনে কে আছে আমার*।।
*শ্রীঠাকুরমহাশয় অতীব দৈন্যের উদয়ে নিজেকে সাধন-ভজনহীন সাধারণ মানবজ্ঞানে অতিশয় আত্মগ্লানির সঙ্গে যে কথায় আক্ষেপ করছেন, বিশ্বমানবের ইহা মৃতসঞ্জীবনী সুধার মতো পরম হিতকারী।তিনি বলছেন, হরি হরি বিফলে জনম গোঙাইনু।মনুষ্য জনম পাইয়া,রাধাকৃষ্ণ না ভজিয়া, জানিয়া শুনিয়া বিষ খাইনু।। ঠাকুরমহাশয় প্রেমের মূরতি হয়েও সাতিশয়(অত্যন্ত) দৈন্যোদয়ে অতি আক্ষেপের সঙ্গে বলছেন,হায়!হায়!বিফলে জন্ম কাটালাম।দেবদুর্লভ ভজন উপযোগী মনুষ্য জন্ম পেয়েও শ্রীশ্রীরাধাকৃষ্ণের ভজন করলাম না।জেনে শুনে স্বেচ্ছায় অমৃত ত্যাগ করে বিষপান করলাম।অজ্ঞান বা মূঢ়তা হেতু পশু প্রভৃতি তির্যকদেহ (বাঁকাদেহ) অতিশয় ভোগের আবেশ হেতু জ্ঞানসম্পন্ন হলেও দেবদেহ ভজনের উপযোগী নহে, কেবলমাত্র মনুষ্য দেহই ভজনের উপযোগী।এইজন্যই মনুষ্যদেহকে দেবদুর্লভ বলা হয়েছে।
ভাগবতে ৩|১৫|২৪ দেখা যায়,*
*যেহভ্যর্থিতামপি চ নো নৃগতিং প্রপন্না,জ্ঞানঞ্চ তত্ত্ববিষয়ং সহ ধর্ম যত্র।*
*নারাধনং ভগবতো বিতরন্ত্যমুষ্য সম্মোহিতা বিততয়া বত মায়য়া তে।।*
*🌻শ্রীব্রহ্মা দেবগণের প্রতি বললেন,হে দেবগণ!যে মনুষ্যজন্মে ধর্মসাধনার সঙ্গে তত্ত্বজ্ঞান লাভ হয় বলে যা আমাদেরও অতিশয় প্রশংসনীয়,সেই মানবজন্ম পেয়ে যারা শ্রীহরির আরাধনা করেন না,তারাই যথার্থ হরিমায়ায় মোহিত।তারমধ্যে আবার আধ্যাত্মক্ষেত্র ভারতবর্ষে মনুষ্যজন্ম লাভ অতি দুর্লভ। "অভ্যর্থিতামপি চ নো" 'অর্থ্যাৎ মনুষ্যজন্ম আমাদেরও প্রশংসনীয়' এই অংশে বিশ্বনাথ চক্রবর্তীপাদ লিখেছেন=""হা হন্ত ভারতভূমৌ কদা নৃজনুষো ভূত্বা বয়ং কৃষ্ণং ভজন্তঃ ক্ষণমাত্রেণৈব বৈকুন্ঠং প্রাপ্নয়ামেতি"",* *দেবশ্রেষ্ঠ ব্রহ্মা বলছেন,হায়!হায়! আমরাও কামনা করি-- কবে ভারতবর্ষে মনুষ্যদেহ পেয়ে যে দেহে ক্ষণকালমাত্রও শ্রীকৃষ্ণের ভজন করলে মায়াতীত চিন্ময় ভগবদধাম পেয়ে ধন্য হব।এই বিশেষ কলিযুগেতে ব্রজের ঠাকুর স্বয়ং ভগবান ব্রজেন্দ্রনন্দন প্রেমময়ী শ্রীরাধারাণীর ভাবকান্তি অঙ্গীকার করে শ্রীগৌরাঙ্গরূপে অবতার হয়ে ব্রজের সর্বোৎকৃষ্ট সাধ্যবস্তু মঞ্জরীভাব সাধনা বা শ্রীরাধাকৃষ্ণের রহস্যময় ভজন আপামরে বিতরণ করলেন।*
*তাই এইযুগে মনুষ্যদেহ পেয়ে বা এইরকম সুবর্ণসুযোগ লাভ করেও যারা অনাদিকালের বিষয় সংস্কারবশত যুগল ভজন না করে ঘৃণ্য বিষয়রসে মজে সুদুর্লভ পরমায়ুকে অতিবাহিত করছে তারা জেনে শুনেই অমৃত ছেড়ে যে বিষভক্ষণ করছে এতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নাই।তাই ঠাকুরমহাশয় বললেন,মনুষ্য জনম পাইয়া,রাধাকৃষ্ণ না ভজিয়া,জানিয়া শুনিয়া বিষ খাইনু।*
*ক্রমশ*
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
*🙏শ্রীমন্মহাপ্রভু যে ব্রজের সর্বোৎকৃষ্ট যুগলভজনই বিতরণ করেছেন তা নয়, পরন্তু সেই সুদুর্লভ ব্রজপ্রেমসম্পদ ও হরিনাম সংকীর্তন যে একই বস্তু তা বিশ্বমানবকে জানিয়েই বিতরণ করেছেন।যতাই ঠাকুরমহাশয় বললেন, "গোলোকের প্রেমধন,হরিনাম সংকীর্তন,রতি না জন্মিল কেনে তায়"।* *কৃষ্ণনাম ও নামী শ্রীকৃষ্ণ অভিন্ন বলেই নাম ও প্রেম একই বস্তু,কেননা শ্রীকৃষ্ণকেও মহতেরা প্রেমস্বরূপই অনুভব করে থাকেন,কোন মহানুভব বলেছেন, "প্রেম হরিকা রূপ হ্যায়,হরি হ্যায় প্রেমস্বরূপ।এক হ্যায়,দো করি লখে,জোঁউ সূরয আউর ধুপ"।।*
*পক্ষান্তরে প্রেম সাধ্য এবং নাম সাধন হলেও নামসাধন অন্যান্য সাধনাঙ্গের মত নহে,নামকীর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নিরপরাধীর চিত্তে তৎক্ষণাৎ প্রেমের সঞ্চার হয় বলিয়া নামকীর্তন ও প্রেমকে অভিন্ন বলা।হয়েছে।শ্রীকৃষ্ণনামের এই মহিমা নিত্যকাল থাকলেও শ্রীমন্মহাপ্রভুই ইহা বিশ্বে প্রচার করেছেন।* *তিনি যে কবল শিক্ষার দ্বারায় ইহা প্রচার করেছেন তা নহে,কিন্তু তিনি সপার্ষদে নামসঙ্কীর্তন নৃত্য কীর্তনরঙ্গে প্রেমরসকে এমনভাবে মূতিমন্ত করে তুলেছেন যে, হরিনাম সংকীর্তনই যে গোলোকের প্রেমধন,ইহা সকলের মর্মে মর্মে অনুভব করিয়েছেন।*
ক্রমশ
*🙏শ্রীমন্মহাপ্রভুর পুরীধামে রথাগ্রে সপার্ষদ নৃত্যকীর্তন বর্ণনায় শ্রীকবিরাজ গোস্বামীপাদ লিখেছেন=*
*সাত সম্প্রদায়ে বাজে চৌদ্দমাদল*।
*যার ধ্বনি শুনি বৈষ্ণব হইল পাগল।।*
*শ্রীবৈষ্ণব-ঘটামেঘে হইল বাদল।*
*সঙ্কীর্তনামৃতসহ বর্ষে নেত্রজল।।*
*ত্রিভূবন ভরি উঠি সঙ্কীর্তনধ্বনি।*
*অন্য বদ্যাদির ধ্বনি কিছুই না শুনি।।*
*সাত ঠাঞি বুলে প্রভু 'হরিহরি'বলি।*
*জয় জয় জগন্নাথ কহে হস্ত তুলি*।।
••••••• ••••••• •••••• •••••
••••••• ••••••• •••••• ••••••
*উদ্দন্ড নৃত্যে প্রভু করিয়া হুঙ্কার।*
*চক্রভ্রমি ভ্রমে যৈছে আলাত-আকার।।*
*নৃত্যে প্রভুর যাঁহা যাঁহা পড়ে পদতল।*
*সসাগর শৈল মহী করে টলমল।।*
*স্তম্ভ স্বেদ পুলকাশ্রু কম্প বৈবর্ণ।*
*নানাভাবে বিবশতা গর্ব হর্ষ দৈন্য*।।
*আছাড় খাইয়া পড়ি ভূমি গড়ি যায়।*
*সুবর্ণপর্বত যেন ভূমিতে লোটায়।।*
*নিত্যানন্দপ্রভু দুই হস্ত প্রসারিয়া।*
*প্রভুকে ধরিতে বুলে আশে পাশে ধাঞা।।*
*প্রভু পাছে বুলে আচার্য্য করিয়া হুঙ্কার।*
*হরিদাস"হরিবোল"বোলে বারবার।।*
*(চৈঃ চরিতামৃত মধ্য=১৩শ পরিচ্ছদ)*
*🙏এই অদ্ভুত দৃশ্য নয়নে দর্শন দূরে থাকুক-- ইঁহার কীর্তনে স্মরণেও যে প্রেমের সঞ্চার হবে,তা বলাই বাহুল্য। ঠাকুরমহাশয় খুব আক্ষেপের সঙ্গে বলেছেন,""রতি না জন্মিল কেনে তায়""।* *সংসার বিষানলে,দিবানিশি হিয়া জ্বলে, জুড়াইতে না কৈনু উপায়।* *অহো!এইরকম প্রেমময় হরিনাম-সঙ্কীর্তনে আমার রতি জন্মিল না।দেহ-দৈহিকাদি বস্তুতে আসক্তিরূপ বিষানলে হিয়া বা চিত্ত-মন সবসময় দগ্ধ হচ্ছে, এই বিষানলের জ্বালা জুড়াবার কোন উপায় করলাম না।* *ঠাকুরমহাশয় প্রেমময় বিগ্রহ হয়েও যে দৈন্যের সঙ্গে আক্ষেপ করছেন।প্রীতির সঙ্গে নামকীর্তনে সহসা প্রেমলাভ এবং অভীষ্ট ভগবৎসেবালাভ হয়ে থাকে।কৃষ্ণেতর জড়ীয় বস্তুর অভিনিবেশে (মনোযোগে) জীবের হৃদয়কে বিষানলের জ্বালার মতো দিনরাত দগ্ধ করে থাকে।* *বিষানলের জ্বালা বলতে ভিতর বাহির অসহনীয় জ্বালা বুঝা যাচ্ছে।অতি বিষধর সাপ দংশন করলে যেমন দেহটি মনে হয় পুড়ে যাচ্ছে,বোধ হয়,তার ভিতর বাহিরে যে জ্বালার অনুভব হয়,সংসারে আসক্ত জীবকে অনাদিকাল হতে ভোগ করতে হচ্ছে।* *মহদ আশ্রয়ে শ্রীহরির চরণে শরণাগত হয়ে ভজন-সাধনই এই সংসারবিষানলের জ্বালা জুড়াবার একমাত্র উপায়।*
*🌻যদি আমাদের মনে হয়,অনাদিকাল হতে মায়াবন্ধনে বদ্ধ, অতি অধম,দুরাচারী,সংসারাসক্ত মানবের পক্ষে সংসারাসক্তি ত্যাগ করে ভজনপথাশ্রয় করা কি সম্ভব?* *তাই ঠাকুরমহাশয় দীন হীন পতিতজীবের প্রাণে আশার আলো সঞ্চার করে বললেন,ব্রজেন্দ্রনন্দন যেই,শচীসুত হৈল সেই,বলরাম হইল নিতাই।* *দীন হীন যত ছিল,হরিনামে উদ্ধারিল,তার সাক্ষী জগাই মাধাই।।* *এই কলিতে কলিহত দীনহীন পতিতপামর জীবকুলকে উদ্ধার করে প্রেমদানে ধন্য করবার জন্যই পতিতপাবন শ্রীশীনিতাই-গৌরের অবতার।এইজন্য ব্রজেন্দ্রনন্দন শ্রীকৃষ্ণ শচীরনন্দন এবং বলরাম নিতাইচাঁদ হয়েছেন।*
*🌻শ্রীচৈতন্য ভাগবতে (মধ্য ৬ষ্ঠ অধ্যায়ে) শ্রীমন্মহাপ্রভুর গৌর-আনা ঠাকুর শ্রীঅদ্বৈতাচার্য্যপ্রভুকে বর দান প্রসঙ্গে ব্যাসাবতার শ্রীবৃন্দাবন দাস ঠাকুর লিখেছেন,*
*আপন গলার মালা অদ্বৈতেরে দিয়া।*
*বর মাগ বর মাগ - বলেন হাসিয়া*।।
*শুনিয়া অদ্বৈত কিছু না করে উত্তর।*
*মাগ মাগ' পুনঃপুনঃ বলে বিশ্বম্ভর।।*
••••••••• •••••••• ••••••••
•••••••••• ••••••••• •••••••••
*মাথা ঢুলাইয়া বলে প্রভু বিশ্বম্ভর।*
*তোমার নিমিত্তে আমি হইনু গোচর।।*
*ঘরে ঘরে করিমু কীর্তন পরচার।*
*মোর যশে নাচে যেন সকল সংসার।।*
*ব্রহ্মা-শিব-নারদাদি যাহা বাঞ্জা করে।*
*হেন ভক্তি বিলাইমু বলিনু তোমারে।।*
*অদ্বৈত বলয়ে 'যদি ভক্তি বিলাইবা।*
*স্ত্রী,শূদ্র আদি যত মূর্খেরে সে দিবা।।*
*বিদ্যা ধন কুল আদি তপস্যার মদে।*
*তোর ভক্ত তোর ভক্তি যে যে জন বাধে।।*
*সে পাপিষ্ঠ সব দেখি মরুক পুড়িয়া।*
*চন্ডালো নাচুক তোর নাম গুণ গাইয়া।।*
*অদ্বৈতের বাক্য শুনি করিলা হুঙ্কার।*
*প্রভুবলে সত্য সে তোমার অঙ্গীকার।।*
*🌻ঠাকুরমহাশয় "ব্রজেন্দ্রনন্দন" বলে শ্রীকৃষ্ণের পিতৃনামের পরিচয় দিয়া "শচীসুত"বলে মাতৃনামে মহাপ্রভুর পরিচয় প্রদান করলেন,এতে শ্রীকৃষ্ণ অপেক্ষা মহাপ্রভুতে যে দীন হীন জীবের প্রতি মাতৃজনোচিত সমধিক করুণার বিকাশ হয়েছে, ইহা প্রতিপাদন করলেন।* *পরম কারুণ্য ঘনবিগ্রহ প্রভু নিতাইচাঁদ আবার পতিত উদ্ধারণ লীলায় কারুণ্যে সাক্ষাৎ শ্রীমন্মহাপ্রভুকেও যে অতিক্রম করেছেন,তার সাক্ষী জগাই মাধাই।* *সর্বজন জানেন,জগাই মাধাই উদ্ধার লীলায় শ্রীশ্রীগৌরনিতাইয়ের দীনহীন পতিতজনকে হরিনামে উদ্ধারের জ্বলন্ত সাক্ষী।*
*ক্রমশ*
*তারপর বললেন,"হা হা প্রভু নন্দসুত,বৃষভানু সুতাযুত,করুণা করহ এইবার",শ্রীবৃষভানুনন্দিনীর সঙ্গে শ্রীকৃষ্ণের করুণা কামনা করছেন পূজ্যপাদ ঠাকুরমহাশয়।শ্রীশ্রীযুগলমাধুরীই গৌড়ীয় বৈষ্ণবগণের উপাস্য।শ্রীরাধারাণীর সঙ্গে শ্রীকৃষ্ণ-উপাসনা ছাড়া যে শ্রীকৃষ্ণমাধুরী আস্বাদনের কোন উপায় নেই,ইহা শ্রীগোস্বামীপাদগণ নানা জায়গায় নানাভাবে বর্ণনা করেছেন।* *শ্রীমৎ জীবগোস্বামীপাদ তাই "শ্রীশ্রীরাধাকৃষ্ণার্চন-দীপিকার" উপসংহারে লিখেছেন=*
*রাধা বৃন্দাবনে যদ্বত্তদ্বদদামোদরো হরিঃ।*
*দর্শিতেষু চ শাস্ত্রেষু তদযুগ্মং তত্তদীশিতুঃ।।*
*রাধায়া-মাধবো দেবো মাধবেনৈব রাধিকা।*
*বিভ্রাজন্তে জনেষ্বেতি পরিশিষ্ট বচস্তথা।।*
*কার্তিকব্রতচর্য্যায়ামতস্তে যুগ্মদেবতে।*
*রাধাদামোদরভিখ্যে বীক্ষ্যেতে লোক শাস্ত্রয়োঃ।।*
*কিং বহূক্ত্যা কুন্ডযুগ্মং তয়োর্যুগ্মেন বক্ষ্যতে।*
*শাস্ত্রে চ দর্শিতা তস্মাৎ কৈমুত্যাদযুগ্মতা তয়োঃ।।*
*উমা-মহেশ্বরৌ কেচিৎ লক্ষ্মী-নারায়ণৌ পরে।*
*তে ভজন্তাং ভজামস্তু রাধাদামোদরৌ বয়ম্।।*
*🙏তাৎপর্য্য এই যে,শ্রীবৃন্দাবনে শ্রীরাধারাণীর নিত্যবাসের মতো শ্রীদামোদর শ্রীকৃষ্ণের নিত্য বাস শাস্ত্র প্রমাণে জানা যায়।* *ঋক্ পরিশিষ্টে শ্রীরাধারাণীর সঙ্গে লীলাময় শ্রীমাধব এবং মাধবের সঙ্গে শ্রীরাধা বৃন্দাবনে লোকসমাজে দেদীপ্যমান(প্রজ্বলিত,বা প্রদীপ্ত) আছেন বলে শ্রীরাধামাধবের উপাসনার সুস্পষ্ট বর্ণনা পাওয়া যায়।* *কার্তিক-ব্রতাচরণেও শ্রীরাধা দামোদরের যুগ্ম(যুগল)দেবতারূপে লোকতঃ এবং শাস্ত্রতঃ প্রসিদ্ধি রয়েছে।*
*বেশী কি আর বলা যাবে ব্রজমন্ডলে শ্রীরাধাকুন্ড এবং শ্রীশ্যামকুন্ডদ্বয় যুগ্মরূপে আবহমান কাল হতে বিরাজ করছেন।* *সুতরাং শ্রীরাধার সঙ্গে শ্রীকৃষ্ণের নিত্যযুগ্ম অবস্থান বুঝা যায়।কেউ উমা-মহেশ্বর,কেউ বা লক্ষ্মী-নারায়ণ যুগ্মরূপের উপাসনা করেন,তেমনি আমরা শ্রীশ্রীরাধাদামোদরের যুগ্মরূপে উপাসনা করে থাকি।* *অথবা প্রকরণানুসারে (কার্য্যানুসারে)এই অংশের এইপ্রকার ব্যাখ্যাও হতে পারে যে,হে বৃষভানুসুতা শ্রীরাধারাণীর সঙ্গে একাত্মতা পেয়ে স্বয়ং ভগবান নন্দনন্দন শ্রীমন্মহাপ্রভু।* *"তুমি এইবার আমার প্রতি কৃপাদৃষ্টিপাত কর"।তোমা'বিনা বিশ্বে আমার আর কেউ নেই,অতএব রাঙ্গাচরণে ঠেলিয়া দিও না,নিজগুণে শ্রীচরণে স্থান দিয়ে ধন্য কর", "নরোত্তম দাস কয়,না ঠেলিহ রাঙ্গাপায়,তোমা বিনা কে আছে আমার"।*
*🙏বানান,ভুল ক্ষমা করবেন🙏*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
🌐
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ📱7001138871꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
