✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ শ্রীশ্রী অবধূত নিত্যানন্দ প্রভু ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
পঞ্চতত্ত্বাত্মকং কৃষ্ণং ভক্তরূপস্বরূপকম্।
ভক্তিবতারং ভক্তাখ্যং নমামি ভক্তশক্তিকম্।।
(১) ভক্তরূপে - স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভু।
(২) ভক্তস্বরূপ - শ্রী নিত্যানন্দ।
(৩) ভক্তাবতার - শ্রী অদ্বৈত আচার্য।
(৪) ভক্তশক্তি - শ্রীগদাধর।
(৫) ভক্তাখ্য বা শুদ্ধভক্ত - শ্রীবাসাদি।
শ্রীগৌরাঙ্গ প্রথম তত্ত্ব বুঝিতেই হয়।
নিত্যানন্দ তাঁর পরে সদা মনে রয়।।
তৃতীয়তে শ্রীঅদ্বৈত তত্ত্ব বুঝ সবে।
গদাধর পণ্ডিতেরে চতুর্থ ধরিবে।।
শ্রীবাস পঞ্চতত্ত্ব নাহি কেহ আর।
কেশবের পঞ্চতত্ত্ব ইহা জেন সার।।
স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণের অনন্ত শক্তির মধ্যে তিনটি প্রধান শক্তি চিচ্ছক্তি, জীবশক্তি ও মায়াশক্তি। চিছক্তি হল শ্রীভগবানের অন্তরঙ্গা বা স্বরুপশক্তি। জীবশক্তির অন্য নাম তটস্থাশক্তি এবং মায়াশক্তিকে বলে জড়শক্তি বা বহিরাঙ্গশক্তি। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আদেশে বা ইঙ্গিতে শ্রীনিত্যানন্দ বা শ্রীবলরামই কারণার্ণবশায়ীরূপে মায়াকে নিয়ন্ত্রণ করে সৃষ্টি কার্য পরিচালন করেন। সুতরাং সাক্ষাৎ সম্বন্ধে কারণার্ণবশায়ী পূরুষই হলেন মায়ার অধীশ্বর। সৃষ্টির প্রারম্ভে কারণার্ণবশায়ী পুরুষ দৃষ্টি দ্বারাই মায়াতে সৃষ্ঠি করিনী শক্তি সঞ্চারিত করেন এবং তারই শক্তির ফলে মায়ার সহতায় সৃষ্ঠি হয় অনন্ত ব্রহ্মান্ডের । এই অনন্ত ব্রহ্মান্ডকে এই কারণার্ণবশায়ী পুরুষ নিজ দেহে ধারণ করেন। যার অঙ্গ অনন্ত ব্রহ্মান্ড সমূহের আশ্রয় , যিনি মায়ার সাক্ষাৎ অধীশ্বর এবং যিনি কারণ সমুদ্রে শায়িত আছেন। সেই আদি-অবতার প্রথম পুরুষ মহাবিষ্ণু যার একটি অংশ আমি সেই নিত্যানন্দ নামক বলরাম কে আশ্রয় গ্রহন করি।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
বৃন্দাবন দাস ঠাকুর লিখেছেন----------–
"মহাবধূত বেশ প্রকাণ্ড শরীর।
নিরবধি ভক্তিরসে দেখি মহা ধীর।।
অহর্নিশ বদনে বোলয়ে কৃষ্ণনাম।
ত্রিভুবনে অদ্বিতীয় চৈতন্যের ধাম।
নিজানন্দে ক্ষণে ক্ষণে করয়ে হুঙ্কার।
মহামত্ত যেন বলরাম অবতার।।"
শ্রীনিত্যানন্দ প্রভুকে অবধূত বলে অভিহিত করা হয়, অবধূত বলতে বোঝানো হয় শাক্ত তান্ত্রিক সন্ন্যাসী কে। শ্রীমন্ নিত্যানন্দ প্রভু ছিলেন ত্রিপুরাসুন্দরীর সেবক। তিনি বীরভূম জেলার একচক্রা গ্রামে হাড়াই পণ্ডিতের ঘরে জন্মগ্রহণ করেন।আবির্ভাব কাল আনুমানিক ১৪৭৬-৭৭ সালের মাঘমাসের শুক্লা ত্রয়োদশী তিথিতে। এ বিষয়ে বৃন্দাবন দাস শ্রীশ্রীচৈতন্য ভাগবতে বর্ণনা করেছেন -------
"মাঘমাসে শুক্লা ত্রয়োদশী শুভদিনে।
পদ্মাবতী গর্ভে একচাকা নামে গ্রামে।।"
শ্ৰীনিত্যানন্দ লীলামৃত গ্রন্থে আছে--------
“রাঢ় দেশে একচক্র গ্রাম মনোহর।
ভারতের উচ্চভূমি অতিশোভাকর ॥"
নিতাই-পদ-কমল, কোটি-চন্দ্র-সুশীতল
যে ছায়ায় জগত জুড়ায়
হেন নিতাই বিনে ভাই, রাধা-কৃষ্ণ পাইতে নাই
দৃঢ করি’ ধর নিতাইর পায়" ------------নরোত্তম দাস ঠাকুর।।
যস্যাংশাংশঃ শ্রীল- গর্ভোদশায়ী যন্নাভ্যব্জং লোকসংঘাতনালম্।
লোকস্রষ্টুঃ সূতিকাধাম ধাতুস্তং শ্রীনিত্যানন্দরামং প্রপদ্যে।। ১০
' পুরুষের লোমকূপে ব্রহ্মান্ডের জালে' ১|৫|৬২
এই কারণার্ণবশায়ী পুরুষ সমগ্র ব্রহ্মান্ডের অন্তর্যামী । ঈশ্বরের যে সমস্ত স্বরুপ সৃষ্ঠি কার্যে নিযুক্ত আছেন, তাদের মধ্যে কারণার্ণবশায়ী পুরুষই সর্বপ্রথম এই সৃষ্ঠি কার্য্য শুরু করেছিলেন বলে তাকে আদি দেব বা আদি অবতার বলা হয়েছে।
শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর ধ্যান: -
বিদ্দ্যামমদাভির্ম্মনরুচি বিস্তীর্ণবক্ষঃস্থলম্। প্রেমৌদঘূর্ণিতলোচনাঞ্চললসৎস্মেরাভিরম্যানম।নানাভূষণভূষিতং সুমনুরং বিভ্র গ্লন্তস্বরম্। নিত্যানন্দবরংভজামি সততং সর্ব্বপ্রির্য় পন্ডিতং।
শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ মন্ত্র -
ক্লীঁ নিত্যানন্দচন্দ্রায় স্বাহা।
শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ গায়ত্রী -
ক্লীঁ নিত্যানন্দায় বিদ্মহে সঙ্কর্ষণায় ধীমহি তন্মো নিত্যানন্দৌ প্রচোদয়াৎ।
শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রণাম মন্ত্র:-
প্রণাম -নিত্যানন্দ নমস্তভ্যং প্রানন্দ প্রদায়িনে। কলৌকল্মষনাশায় জাহ্নবীপতয়ে নমঃ।
শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ তত্ত্ব:-----
সর্ব অবতারী কৃষ্ণ - স্বয়ং ভগবান্।
তাহার দ্বিতীয় দেহ - শ্রী বলরাম।।
একই স্বরূপ দোঁহে ভিন্ন মাত্রা কায়।
আদ্য কায়ব্যৃহ - কৃষ্ণলীলা সহায়।।
সেই কৃষ্ণ নবদ্বীপে শ্রীচৈতন্যচন্দ্র।
সেই বলরাম সঙ্গে নিত্যানন্দ।।
শ্রী বলরাম গোঁসাইঞ্চি মূল সঙ্কর্ষণ।
পঞ্চরূপ ধরি করেন কৃষ্ণের সেবন।।
আপনে করেন কৃষ্ণ লীলার সহায়।
সৃষ্টিলীলা কার্য্য করে ধরি চার কায়।।
সর্ব্বরূপে আস্বাদয়ে কৃষ্ণ-সেবানন্দ।
সেই রাম শ্রীচৈতন্য সঙ্গে নিত্যানন্দ।।
কৃষ্ণ বিগ্রহ যৈছে বিভূতাদি গুণবান।
সেই পরমব্রহ্মে নারায়ণের চারিপাশে।
দ্বারকা চতুর্বূহ দ্বিতীয় প্রকাশে।।
বাসুদেব সংকর্ষণ প্রদ্যুম্ন অনিরুদ্ধ।
দ্বিতীয় চতুব্যুহের এই তুরীয় বিশুদ্ধ।।
তাহা যে রামের রুপ মহাসঙ্কর্ষণ।
চিচ্ছক্তিআশ্রয় তিহোঁ কারণের কারণ।।
চিচ্ছক্তি বিলাসএক শুদ্ধ সত্ত্ব নাম।
শুদ্ধ সত্ত্বময় যত বৈকুন্ঠাদি ধাম।।
ষড়বিধ ঐশ্বর্য তাহা - সকল চিন্ময়।
সঙ্কর্ষণের বিভূতি সব জানিহ নিশ্চয়।।
জীব নাম তটস্হাখ এক শক্তি হয়।
মহাসঙ্কর্ষণ সর্ব জীবের আশ্রয়।।
যাহা হইতে রাষ্টবিশ্বোৎপতি যাহাতে প্রলয়।
সেই পুরুষের সসঙ্কর্ষণ সমাশ্রয়।।
সর্ব্বাশ্র সর্ব্বোদ্ভুত ঐশ্বর্য অপার।
অনন্ত কহিতে নারে মহিমা যাহার।।
তুরীয় বিশুদ্ধ সত্ত্ব সংকর্ষণ নাম।
তিহোঁ যার অংশ সেই নিত্যানন্দ রাম।।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧