✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ *দেবলোক পিতৃলোক, পায় তারা মহাসুখ,* ꧂
꧁ *সাধু সাধু বলে অনুক্ষণ।* ꧂
꧁ *যুগল ভজন যারা, প্রেমানন্দে ভাসে তারা,* ꧂
꧁ *তাহার নিছনি ত্রিভূবন।।* ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐
*দেবলোক পিতৃলোক, পায় তারা মহাসুখ,*
*সাধু সাধু বলে অনুক্ষণ।*
*যুগল ভজন যারা, প্রেমানন্দে ভাসে তারা,*
*তাহার নিছনি ত্রিভূবন।।*
⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐
*অনন্যভজননিষ্ঠ(যাঁরা একমন ও মুখ নিয়ে শ্রীযুগল শ্রীশ্রীরাধাগোবিন্দ ছাড়া আর অন্য কোন ভজন করেন না)ভগবৎপরায়ণ ভক্ত সবসময় স্বীয়(নিজ)উপাস্য ভগবানের আরাধনায় নিবিষ্ট(মনোযোগী)থাকবেন,কখনই অন্যান্য দেবতার আরাধনা করবেন না; কারণ এতে তাঁদের অনন্যভক্তির ক্ষতির কথা পূর্বে বর্ণিত হয়েছে।এতে অনেকের অনেক মতামত হতে পারে,কিন্তু স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে বলেছিলেন,হে পার্থ!তুমি কেবল আমার প্রতি সবকিছু রেখ,আমাকে পূজো করলেই সকল দেবদেবী সন্তুষ্ট হবেন।আমা হতেই সকলের সৃষ্টি।যাইহোক এক্ষণে পিতৃঋণ এবং দেবঋণ পরিশোধের জন্য যে দেবগণের ও পিতৃগণের আরাধনার কথা শোনা যায়,ভক্তগণের সেই ঋণশোধের উপায় কি?* *অর্থ্যাৎ পিতৃঋণ এই দেহাদি প্রাপ্তির হেতু এবং বৃষ্টি প্রভৃতি দানের দ্বারা দেবগণ দেহরক্ষার হেতু হয়ে থাকেন।* *এইজন্যই তাঁদের আরাধনা অর্থ্যাৎ পিন্ডদানাদির দ্বারা পিতৃগণের এবং যাগযজ্ঞ বা ভোগাদি অর্পণের দ্বারা দেবগণের আরাধনার বিধি শাস্ত্রে দেখা যায়।* *যাঁরা অন্য কোন দেবতার আরাধনা না করে একনিষ্ঠভাবে ভগবৎ-সেবাপরায়ণ হয়েছেন,তাঁদের সেই পিতৃঋণ এবং দেবঋণশোধের উপায় কি?* *এই প্রশ্নের উত্তরে বলা হয়েছে, "দেবলোক পিতৃলোক,পায় তারা মহাসুখ,সাধু সাধু বলে অনুক্ষণ"।🌻বৃক্ষের মূলে জল সেচন করলে যেমন বৃক্ষের শাখা প্রশাখা সব পরম তুষ্টি লাভ করে বা সুখী হয়ে থাকে,তেমনি সর্বদেব ও পিতৃগণের মূলস্বরূপ শ্রীকৃষ্ণের আরাধনায় সমস্ত দেবদেবী ও পিতৃমাতৃলোক পরম সুখ লাভ করে থাকেন।তাই ""কাম ত্যাগি কৃষ্ণভজে শাস্ত্র-আজ্ঞা মানি।দেব-ঋষি-পিত্রাদিকের কভু নহে ঋণী""।* *(চৈঃচঃ)(শ্রীমদ্ভাগত ১১|৫|৪১)মহর্ষি করভাজন নিমি রাজার প্রতি বলেছেন=*
*"দেবর্ষিভূতাপ্তনৃণাং পিতৃণাং ন কিঙ্করো নায়মৃণী চ রাজন। সর্বাত্মনা যঃ শরণং শরণ্যং গতো মুকুন্দং পরিহৃত্য কর্তম।।
অর্থ্যাৎ হে রজন!যিনি সর্ববিধ কৃত্যকর্ম পরিহার (সবরকম অন্যান্য কর্ম বাদ দিয়ে) সর্বতোভাবে শরণাগত পালক শ্রীমুকুন্দের শরণ গ্রহণ করেছেন, তিনি আর দেবতা,ঋষি,পোষ্য-কুটুম্বাদি বা পিতৃগণের নিকট ঋণী থাকেন না, সুতরাং তিনি তাঁদের কিঙ্করও বা চাকরও নহেন।* *(এই শ্লোকের টীকায় শ্রীধরস্বামী লিখেছেন)"ভক্তস্য বিধিনিষেধনিবৃতেঃ কৃতকৃত্যতামাহ দেবর্ষীতি।আপ্তাঃ পোষ্যাঃ কুটুম্বিনঃ ইতরে দেবাদয়ঃ পঞ্চযজ্ঞদেবতাঃ এতেষাং যথা অভক্ত ঋণী অতএব তেষাং কিঙ্করস্তদর্থং নিত্যং পরিত্যজ্য।...............অয়ন্তু ন তথা। কোহস্য যঃ সর্বভাবেন শ্রীমুকুন্দং শরণং গতঃ।কর্তং কৃত্যং পরিত্যজ্য।যদ্বা কর্তং ভেদং পরিহৃত্য।কৃতীছেদন ইত্যস্মাৎ।বাসুদেবঃ সর্বমিতি বুদ্ধ্যেত্যর্থঃ""। অর্থ্যাৎ ""ভক্তের বিধিনিষেধ স্বতঃই(নিজ হতেই)নিবৃত্ত(বিরত)হওয়ায় তাঁদের কৃতকৃত্যতা (আরম্ভ কিন্তু অসম্পন্ন)বা কৃতার্থতা এই শ্লোকে বলা হয়েছে।"আপ্তা"শব্দের অর্থ পোষ্যজন বা কুটুম্ব সকল।অন্যান্য যে দেবাদি অর্থ্যাৎ পঞ্চ যজ্ঞদেবতা, বিষ্ণুভক্তিহীন সাধারণ মানুষ যেমন এঁদের নিকট ঋণী ; অতএব এঁদের কিঙ্করও,এইজন্যই এরা নিত্য পঞ্চবিধ যজ্ঞ করে থাকেন।যাঁরা সর্বতোভাবে শ্রীমুকুন্দের শরণাগত হয়েছেন,তাঁরা এঁদের মতো নহেন।কি ভাবে শরণাগত হয়েছেন? না,সর্ববিধ কৃত্যাকৃত্যকর্ম বা ভেদ পরিত্যাগ অর্থ্যাৎ সবই শ্রীবাসুদেব এই বুদ্ধিতে""।* *সকলের মূল বাসুদেব সন্তুষ্ট হলে (বৃক্ষমূলে জলসেচনে শাখা-প্রশাখাদির মতো)স্বতঃই অন্যান্য দেবতা,পিতৃগণ, ভূতগণ সকলেই তাঁদের নিজ সেবন অপেক্ষা হাজার গুণ আনন্দ লাভ করে থাকেন।* *তাই কুলে বৈষ্ণব জন্ম হলে পরলোকে পূর্বপুরুষেরা মহাসুখে নৃত্য করে থাকেন।তাঁরা মনে করে থাকেন "ইনিই আমাদের কুলের পরিত্রাণ-কর্তা হবেন। "নৃত্যন্তি পিতরঃ সর্বে নৃত্যন্তি চ পিতামহাঃ।মদ্বংশে বৈষ্ণবো জাতঃ স মে ত্রাতা ভবিষ্যতি।। শ্রীকৃষ্ণভজনকারী ভক্তগণের প্রতি পরম প্রসন্ন হয়ে সকলেই "সাধু সাধু"বলে সবসময় তাঁদের ভূয়সী প্রশংসা করে থাকেন।*
ক্রমশ
*তারপর বললেন,"যুগল ভজন যারা, প্রেমানন্দে ভাসে তারা,তাহার নিছনি ত্রিভূবন"।যাঁরা শ্রীশ্রীরাধাকৃষ্ণের ভজন করেন,তাঁরা প্রেমানন্দে রসসায়রে ভাসমান হয়ে থাকেন, ত্রিভূবনের জনগণ পরম ভক্তিভরে তাঁদেরকে নির্মঞ্জন(আরাধনা বা আরতি)করে থাকেন।অতি রহস্যময় ও বেদগোপ্য এই যুগল উপাসনা,এই বিশেষ কলিতে শ্রীগৌরাঙ্গমহাপ্রভুর অনর্পিতচরী করুণার অবদান এবং তাঁর শ্রীচরণাশ্রিত আচার্য্যপাদগণ কর্তৃক জীবগোস্বামীপাদ তাঁর তত্ত্ব,পরমাত্ম,ভগবৎ ও শ্রীকৃষ্ণ এই চারটি সন্দর্ভে সম্বন্ধতত্ত্ব নিরূপণ করে সর্বশেষ বলেছেন,""তদেবং সন্দর্ভচতুষ্টয়েন সম্বন্ধেো ব্যাখ্যাতঃ। তস্মিন্নপি সম্বন্ধে শ্রীরাধামাধবরূপেণৈব প্রাদুর্ভাবস্তস্য সম্বন্ধিনঃ পরমঃ প্রকর্ষঃ। তদুক্তং শ্রুত্যা 'রাধয়া মাধবো দেব' ইতি। এদর্থমেব ব্যতানিষমিমাঃ সর্বা অপি পরিপাটীরীতি পূর্ণঃ সম্বন্ধঃ।।(শ্রীকৃষ্ণসন্দর্ভঃ=১৮৯ অনুচ্ছেদ), তাৎপয্য এই যে, "শ্রীভগবৎসন্দর্ভের চারটি সন্দর্ভে সম্বন্ধতত্ত্ব বা উপাস্যতত্ত্ব ব্যাখ্যাত হয়েছে।সম্বন্ধতত্ত্ব ভগবানের বহুবিধ প্রকাশ।তারমধ্যে শ্রীরাধামাধবরূপে যে প্রাদুর্ভাব(আবির্ভাব),তাতেই পরম উৎকর্ষ বিদ্যমান।তার করণ এই যে,শ্রীকৃষ্ণ স্বয়ং ভগবান =বিশ্ব ভগবৎস্বরূপের মূলতত্ত্ব।ঐশ্বর্য্যে,ভগবত্তায়,পরিপূর্ণতম তত্ত্ব হয়েও সাক্ষাৎ মাধুর্য্যেরই মূর্তি।এইরকম অধরবিম্বে মধুর,মন্দহাস্যে মঞ্জুল,(সৌন্দর্য্যতা),অমৃতনাদে শিশির,দৃষ্টিপাতে শীতল,বেণুনাদে বিশ্রুত ভগবৎস্বরূপ আর অন্য কেউ নাই।(বিশ্রুত=অতীব মধুর ধ্বনি)* *আবার মাদনাখ্য মহাভাববতী রাধারাণীর সন্নিধ্যে (কাছে) শ্রীকৃষ্ণমাধুর্য্যসিন্ধু সবসময় উত্তাল হয়ে উঠে।তাই শ্রুতি বলেছেন="রাধাদ্বারা মাধব দীপ্তিমান"ইত্যাদি।শ্রীরাধামাধবের পরম উৎকর্ষ খ্যাপনের(গুণকীর্তন)জন্য এই সকল বিচার-পরিপাটী উপস্থিত করা হয়েছিল, এক্ষণে বৃন্দাবনে যুগলিত(কুঞ্জবিহার পরায়ণ) শ্রীশ্রীরাধামাধব পরমস্বরূপ ও পরমতত্ত্বের চরম সীমারূপে নিশ্চিত হওয়ায় এই সম্বন্ধ বিচার সম্পূর্ণ হল।* *শ্রীঠাকুরমহাশয় বলছেন,যাঁরা যুগলভজন করেন,তাঁরা প্রেমানন্দে ভাসিয়া থাকেন।স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণের যে ভগবৎ-স্বরূপ যাদৃশ (অর্থ্যাৎ যে পরিমাণ অংশ ও কলা সেই স্বরূপের ভক্তগণের মধ্যে তাদৃশ পরিমাণেই প্রেমের আংশিক অভিব্যক্তি হয়।* *ব্রজের শুদ্ধ মাধুর্য্য উপাসক সখ্য ও বাৎসল্যেরসের ভক্তগণের মধ্যে নিরতিশয় প্রেমরসের প্রকাশ হলেও পরতত্ত্বের পরাকাষ্ঠা সর্বাতিশায়ী অসমোর্ধ সৌন্দর্য মাধুর্য্য পারাবার শ্রীশ্রীরাধামাধবের সখী মঞ্জরীর মধ্যেই প্রেম পূর্ণতমরূপে প্রকাশ পেয়ে থাকে।সর্বোপরি রাধার কিঙ্করী মঞ্জরীগণেরই প্রেমরসাস্বাদনের পরাকাষ্ঠা।এই মঞ্জরীভাবসাধনায় শ্রীমন্মহাপ্রভুর যুগে তাঁর শ্রীচরণাশ্রিত গৌড়ীয় বৈষ্ণবগণের সাধ্যবস্তু।* *তাই বলা হয়েছে,যুগলভজনকারী মঞ্জরীভাবের সাধক প্রেমানন্দ-রসতরঙ্গণীতে ভাসতে ভাসতে শ্যামরসসিন্ধু ও রাধা প্রেমসিন্ধুর মিলন কেন্দ্রে অর্থ্যাৎ ব্রজের নিকুঞ্জে অবগহন(স্নান)করে ধন্যাতিধন্য হয়ে থাকেন।ত্রিভূবনের জনগণ তাই তাঁদের সর্বদা নির্মঞ্জন বা আরাত্রিক করে নিজেদেরও ধন্য বলে মনে করে থাকেন।*
*🙏বানান,ভুল ক্ষমা করবেন🙏*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
🌐
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ📱7001138871꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
