✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ *জয় জয় রাধা নাম, বৃন্দাবন যার ধাম,* ꧂
꧁ *কৃষ্ণসুখ বিলাসের নিধি।* ꧂
꧁ *হেন রাধা-গুণগান,ধা শুনিল মোর কান,* ꧂
꧁ *বজ্ঞিত করিল মেরো বিধি।।* ꧂
👇👇👇🙏👇👇👇
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
সকল কিছু লিখনী👇👇🙏👇👇📚 *PDF গ্রন্থ* 📚
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
*জয় জয় রাধা নাম, বৃন্দাবন যার ধাম,*
*কৃষ্ণসুখ বিলাসের নিধি।*
*হেন রাধা-গুণগান,ধা শুনিল মোর কান,*
*বজ্ঞিত করিল মেরো বিধি।।*
*🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
*🌻শ্রীঠাকুর মহাশয় শ্রীরাধানামের মহিমা প্রকাশ করতে গিয়া বললেন, জয় জয় রাধা ধাম,বৃন্দাবন যার ধাম,কৃষ্ণসুখ বিলাসের নিধি। "জয়" শব্দ উৎকর্ষ বাচক এবং নমস্কার বাচক। "শ্রীরাধানাম" সর্ব উৎকর্ষে বিরাজ করছেন,অতএব শ্রীরাধানামকে পুনঃপুনঃ নমস্কার। শ্রীরাধানামের এত উৎকর্ষ বা মহিমা কেন? শ্রীপ্রবোধানন্দ সরস্বতীপাদ লিখেছেন------,*
*"যজ্জাপঃ সকৃদেব গোকুলপতেরাকর্যকস্তৎক্ষণাদযত্র প্রেমবতাং সমস্তপুরুষার্থেষু স্ফুরেতুচ্ছতা।*
*যন্নামাঙ্কিতমন্ত্রজাপনপরঃ প্রীত্যা স্বয়ং মাধবঃ শ্রীকৃষ্ণোহপি তদদ্ভুতং স্ফুরতু মে রাধেতি বর্ণদ্বয়ম্।।*
*রাধারসসুধানিধি=৯৫*
*🙏অর্থ্যাৎ যা একবার মাত্র জপ করলেই নন্দনন্দন শ্রীকৃষ্ণ তৎক্ষণাৎ আকৃষ্ট হয়ে থাকেন,যাতে প্রীতি সম্পন্ন হলে নিখিল পুরুষার্থে তুচ্ছতা বুদ্ধি উৎপন্ন হয়,স্বয়ং মাধব শ্রীকৃষ্ণও যে নামাঙ্কিত মন্ত্র অতি ভালবাসার সঙ্গে জপ করে থাকেন, সেই "রাধা" এই অদ্ভুত বর্ণদ্বয় আমার জিহ্বায় সতত স্ফুরিত হোক"।* *এই অখিল ব্রহ্মান্ডের পরম আরাধ্যতত্ত্ব স্বয়ং ভগবান ব্রজেন্দ্রনন্দনের পরমাকর্ষক মন্ত্র "রাধানাম", তাই রাধানামের এত উৎকর্ষ বা মহিমা।*
*🌻ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে দেখা যায়,*
"""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
*""রা"" শব্দোচ্চারণাদেব স্ফীতো ভবতি মাধবঃ।*
*""ধা"" শব্দোচ্চারত পশ্চাদ্ধাবত্যেব সসম্ভ্রমঃ।।*
*🙏অর্থ্যাৎ কোন ব্যক্তি যদি "রা" শব্দটি উচ্চারণ করেন,তখনি শ্রীকৃষ্ণ তার কাছে গিয়ে হর্ষোৎফুল্ল হয়ে উঠেন এবং "ধা" শব্দোচ্চারণে সম্ভ্রমের সঙ্গে তৎক্ষণাৎ নাম উচ্চারণকারীর পেছন পেছন অনুসরণ করে থাকেন।*
== === === === ====
*সেই রাধানামের ধাম শ্রীবৃন্দাবন= "বৃন্দাবন যার ধাম"।শ্রীরাধারাণীর পরম মাধুর্য্যময় লীলাভূমি শ্রীবৃন্দাবন মধুরাতিমধুর শ্রীরাধানামেরই ধাম।শ্রীকৃষ্ণের পরম আকর্ষক মন্ত্র বলে শ্রীবৃন্দাবনবাসীর উপাস্য শ্রীরাধানাম,* *কীর্তনীয়,জপ,শ্রোতব্য(শুনবার উপযুক্ত ) ও স্মর্তব্য(স্মরণীয়) শ্রীরাধানাম।* *বৃন্দাবনের সকলের মুখে রাধানাম।পরস্পরের ডাকে,সম্ভাষণে,সম্বর্ধনায়,ক্রয়-বিক্রয়ে*, *সকলের সব কাজেই রাধানাম।* *ঘরের ভিতরে,বাইরে,গাছপালাতে লেখা মধুর-মধুর রাধানাম।কথিত আছে=শ্রীরামচরিতমানস রচয়িতা সুপ্রসিদ্ধ কবি তুলসীদাস বৃন্দাবনে এসে সকলের মুখে রাধানাম শুনে অবাক হয়েছিলেন,তখন শ্রীরামচন্দ্রের ধাম অযোধ্যার কথা তাঁর মনে হয়।তিনি ভাবেন,অযোধ্যায় সবার মুখে রামনাম,সেখানে "সীতা"নাম তো কেহই বলেন না,যদিও বলেন "সীতারাম"।বৃন্দাবনে,একি শুনি,এখানে সব কাজেই সবার মুখে কেবলি "রাধানাম", তাই "জয় জয় রাধানাম,বৃন্দাবন যার ধাম"।*
*🌻🌻🌻ক্রমশ🌻🌻🌻*
*👤একদা কোন একজন বঙ্গবাসী ভদ্রমহিলা শ্রীবৃন্দাবন দর্শনে আসেন,তাঁ নামটি ছিল "রাধা"।তিনি রাস্তার বাহির হলে বৃন্দাবনবাসীগণ পরস্পরকে 'জয়রাধে' 'জয়রাধে' বলে আহ্বান করেন,তখন তিনি চমকিতভাবে সেই দিকে তাকান,কেউ কি তাঁকেই ডাকছেন?পরে তিনি বুঝতে পারলেন,এখানের কি স্ত্রী,কি পুরুষ সকলেই সকলকে "রাধে" "রাধে" বলে ডাকেন এবং সকলেই সবকাজ এবং কথাবার্তা রাধানাম সঙ্কেতে করছেন।* *একদিন তিনি জনৈক মহতের কাছে এর কারণ জিজ্ঞাসা করলে সেই বৈষ্ণব তাঁকে বলেন "মা"! পৃথিবীতে এমন একটি দেশ আছে,সেখানকার নিয়ম হচ্ছে,আগে মধুর কথাটি শুনিয়ে তারপর অন্য কথাবলতে হবে।অর্থ্যাৎ যদি সেখানে কেউ কাউকেও তিরস্কার করতে আসেন,তবু পূর্বে মধুরকথা শুনিয়ে পরে তিরস্কৃত করতে হবে।* *বৃন্দাবন সেইরকম একটি দেশ,এখানে রাধানামের মতো আর মধুর বস্তু কিছুই নাই।তাই প্রথমে সকলে সকলকে রাধানাম শুনিয়ে পরে অন্য কথা বলেন বা অন্যকাজ করেন।সত্যই রাধানামের মতো এত সুন্দর মধুরবস্তু বিশ্বে আর কিছুই নাই।* *🙏শ্রীমৎ রঘুনাথদাস গোস্বামীপাদ বলেছেন=*
*রাধেতি নাম নবসুন্দর সীধুমুগ্ধম্, অর্থ্যাৎ "রাধা" এই নাম অভিনব সুন্দর অমৃত। এইজন্যই বৃন্দাবনবাসীর প্রাণাধিক প্রিয় রাধানাম, "শ্রীরাধানামের ধাম বৃন্দাবন"।*
*🌻তারপর বললেন, "কৃষ্ণসুখ বিলাসের নিধি", শ্রীরাধারাণী শ্রীকৃষ্ণসুখ-বিলাসের নিধি বা সিন্ধুতুল্য।যদিও চন্দ্রাবলী প্রভৃতি অন্য কান্তাতেও শ্রীকৃষ্ণের বিলাস আছে বটে কিন্তু সমুদ্র যেমন নদ,নদী,সরোবর প্রভৃতি সমস্ত জলাশয়ের মূল অধিকরণ বা আশ্রয়,তদ্রুপ শ্রীরাধারাণীই শ্রীকৃষ্ণের সুখবিলাসের মূল আশ্রয়।রাধারাণীর সঙ্গে বিহাররস পরিপুষ্টির জন্যই অন্যান্য গোপী।শ্রীরাধারাণীই শৃঙ্গাররসঘন-মূতরি শ্রীকৃষ্ণের খেলাধূলার অক্ষয় ভান্ডার, "কিম্বা কৃষ্ণক্রীড়া পূজার বসতি নগরী"(চৈঃচঃ),রাধারাণীর নামও তদ্রুপ শ্রীকৃষ্ণসুখ বিলাসের নিধি,কারণ নাম ও নামী অভিন্ন।*
*শ্রীমৎ রূপগোস্বামীপাদ বিদগ্ধমাধব নাটকের ষষ্ঠঅঙ্কে দেখা যায়, রাধারাণীকে বৃন্দাবনে অন্বেষণ করতে গিয়া শ্রীকৃষ্ণ রাধাভ্রমে যখন স্থলকমলিনী,পীতঝিন্ধি ইত্যাদিকে আলিঙ্গনের জন্য ধাবিত হয়েছিলেন,তখন তাঁর প্রিয়নর্মসখা মধুমঙ্গল কৃষ্ণকে পরিহাস করে তাঁর হাতের মুঠোর মধ্যে রাধারাণীকে দেবার সঙ্কল্প করে একটি পত্রে"রাধা"এই নামটি লিখে এটিই রাধা বলে কৃষ্ণের হাতে সেই নামাক্ষর লিখিত পত্রটি অর্পণ করলেন।কৃষ্ণ "রাধানাম" দেখে মধুমঙ্গলকে বলেছিলেন,সখে!সত্যই আমি তোমার অর্পিত এই বস্তুর দ্বারা পরম তৃপ্তিলাভ করলাম। কারণ--*
*"ক্রমাৎ কক্ষামক্ষ্মোঃ পরিসরভুবং বা শ্রবণয়ো,-র্মনাগধ্যারূঢ়ং প্রণয়িজননামাক্ষরপদম্।*
*কমপ্যন্তস্তোষং বিতরদবিলম্বাদনুপদং, নিসর্গাদ্বিশ্বেষাং হৃদয়পদবীমুৎসুকয়তি।।*
*🙏অর্থ্যাৎ প্রণয়িজনের নামাক্ষর যদি কোনরকমে নয়নগোচর বা শ্রুতিগোচর হয়,তবে স্বভাবতই ঐ নামাক্ষর বিশ্ববাসীর হৃদয়ে সন্তোষ বিধান পূর্বক হৃদয়ে বিপুল ঔৎসুক্য বিধান করে থাকে।*
*🍀শ্রীকৃষ্ণের কথায় মহাজন গেয়েছেন=====*
*শুন রাধে এই রস, আমি যে তোমার বশ,*
*তোমা বিনে নাহি ভায় মনে।*
*জপিতে তোমার নাম,ধৈরজ না ধরে প্রাণ,*
*তুয়া রূপ করিয়ে ধেয়ানে।।*
*শ্রীরাধে শ্রীরাধে বাণী,যেদিকে যার মুখে শুনি,*
*সেইদিকে ধায় মোর মন।*
*চাতক ফুকারে যেন,ঘন চাহে বরিষণ,*
*তেন হরি ও চাঁদবদন।।*
*করেতে মূরলী থাকে,ঘন রাধা বলি ডাকে,*
*যতক্ষণ না পায় দেখিতে।*
*তোমার নূপুর ধ্বনি,আপন শ্রবণে শুনি,*
*তবে মোর ক্ষমা হয় চিতে।।*
*রাধাকৃষ্ণ দুটি নাম,তাহে তুমি আগুয়ান,*
*আমি করি তোমারি ভরসা।*
*তবে সে সফল হব,তুয়া পদ পরশিব,*
*দাস বৃন্দাবনের এ আশা।।*
*🙏সেই পরম মধুর মধুরাতিমধুর সুধাময় রাধানাম অবিরত জিহ্বায় হত থাকুক।এই কামনায় বাঞ্চিত হয়েছে।অতঃপর বললেন,"হেধ রাধা গুণগান,না শুনিল মোর কান,বঞ্চিত করিল মোরে বিধি।।শ্রীঠাকুর মহাশয় রাধাগত প্রাণ হয়েও দৈন্যের আবেগে বা ভক্তির অতৃপ্তিভাববশতঃ বলছেন,যাঁর নামের এত মহিমা,সেই শ্রীরাধার গুণকীর্তন আমার কান শুনলো না!হায়!আমার মতো দুর্ভাগা জীবের প্রতি বিধাতার বিড়ম্বনা ছাড়া আর কিছুই নয়।বস্তুতঃ ঠাকুরমহাশয় বিশ্বসাধকগণকে শিক্ষা দিচ্ছেন, প্রেমের মূর্তিমতী অধিধাষ্ঠীদেবী যাঁর নাম,গুণ,লীলাদি শ্রীকৃষ্ণের পরম আকর্ষক ও মহাবশীকারক,সেই রাধার নাম,গুণাদি শ্রবণ-কীর্তনই সাধকগণের মহাপুরুষার্থ এবং এতেই জিহ্বা,কর্ণাদি ইন্দ্রিয়বর্গের যথার্থ সার্থকতা।রাধারাণীর নাম,গুণ,লীলাদির শ্রবণ-কীর্তনে যিনি বঞ্চিত,বিশ্বে তিনিই প্রকৃত বিধাতাকর্তৃক বিড়ম্বিত জীব বলে জানতে হবে।*
*🙏জয় রাধে,রাধে রাধে🙏*
পরিপূর্ণ রাধানাম
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 👇👇👇
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ📱7001138871꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
