✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ *তীর্থযাত্রা পরিশ্রম, কেবল মনের ভ্রম,* ꧂
꧁ *সর্বসিদ্ধি গোবিন্দ চরণ।* ꧂
꧁ *সুদৃঢ় বিশ্বাস করি,মদ মাৎসহ্য পরিহরি,* ꧂
꧁ *সদা কর অনন্য ভজন।।* ꧂
👇👇👇🙏👇👇👇
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
সকল কিছু লিখনী👇👇🙏👇👇📚 *PDF গ্রন্থ* 📚
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*🔔🔔🔔🔔🔔🔔🔔🔔🔔🔔🔔🔔
*তীর্থযাত্রা পরিশ্রম, কেবল মনের ভ্রম,*
*সর্বসিদ্ধি গোবিন্দ চরণ।*
*সুদৃঢ় বিশ্বাস করি,মদ মাৎসহ্য পরিহরি,*
*সদা কর অনন্য ভজন।।*
*🌻ঠাকুরমহাশয় বলছেন,নানাতীর্থে যাতায়াত করে চিত্তচাঞ্চল্য পরিশ্রম ত্যাগ করে স্থিরভাবে শ্রীবৃন্দাবনাদি লীলাধামে সৎসঙ্গে বসবাস করে অনন্য-ভজনের উপদেশ দান করছেন।* *তীর্থযাত্রা পরিশ্রম, কেবল মনের ভ্রম,সর্বসিদ্ধি গোবিন্দ চরণ।এখানে "তীর্থযাত্রা"বলতে শ্রীবৃন্দাবন,নবদ্বীপ,নীলাচলাদি স্বাভীষ্ট-ভাবানুকূল ভগবদ্ধাধাম ব্যতীত অন্যান্য তীর্থযাত্রাই জানতে হবে।* *কারণ চৌষট্টি ভজনাঙ্গের মধ্যে যে পাঁচটি ভজনাঙ্গকে প্রেমপ্রাপ্তির সাতিশয়(অত্যন্ত বেশী) শক্তিশালী সাধন বলে উল্লেখ করা হয়েছে তারমধ্যে "ব্রজবাস"অন্যতম।* *শ্রীচৈতন্য চরিতামৃতে মঃ ২২ পঃ দেখা যায় =*
*সাধুসঙ্গ,নামকীর্তন,ভাগবতশ্রবণ।*
*মথুরাবাস,শ্রীমূর্তির শ্রদ্ধায় সেবন*।।
*সকল সাধন শ্রেষ্ঠ এই পঞ্চ অঙ্গ।*
*কৃষ্ণপ্রেম জন্মায় এই পাঁচের সঙ্গ*।।
*🌻তাৎপর্য্য এই যে,ভগবৎ পাদপদ্মে প্রেমলাভেচ্ছু (রাধাকৃষ্ণের প্রতি যাদের শ্রদ্ধা ও ভালবাসা )রাগানুগা ভাবে নিজের অভিলাষ পূরণের জন্য শ্রীবৃন্দাবন,নবদ্বীপ,নীলাচলাদি ধাম আশ্রয় করে মহদগণের সঙ্গে শ্রবণ,কীর্তন,স্মরণাদি অন্তরঙ্গ ভজনে রত থাকবেন।নানাতীর্থে যাতায়াত পরিশ্রম করে কোন লাভ হবে না,সময় অতিবাহিত হবে।নানাতীর্থে যাতায়াত করলে কেবল মনের একতায় বাধা সৃষ্টি হবে।"স্থানে সতাং নিবাস এবাব্যগ্রতয়া স্থিতাঃ, ন তু তীর্থপর্য্যটনাদি ক্লেশান্ কুর্বন্তঃ অর্থ্যাৎ শ্রীবৃন্দাবনাদি ধামে যেখানে স্বভাবতই বিশিষ্ট মহদ্গণ বসবাস করে থাকেন,সেই জায়গায় স্থিরভাবে অবস্থান করে মহৎসঙ্গে হরিকথায় বৈষ্ণব ভজন-জীবন যাপন করবেন।* *নানাতীর্থ পর্য্যটন করে কষ্টভোগ করবেন না।* *ভজনসাধন বিষয়ে শাস্ত্রবাণীর মতো মহদনুভব একটি বিশেষ প্রমাণ।* *ব্রজধামের রণবাড়ীর সিদ্ধ শ্রীকৃষ্ণদাস বাবাজী মহারাজ চারধামে গমনের বাসনা করলে রাধারাণী তাঁকে স্বপ্নে ব্রজধাম ত্যাগ করে অন্যধামে যেতে নিষেধ করেন।* *শ্রীকৃষ্ণদাস বাবাজী মহারাজ কেবল স্বপ্ন মনে করে চারধামের জন্য বেড়িয়ে পড়লেন এবং দ্বারকায় গিয়া তপ্তমুদ্রা (সোনার মোহর)ধারণ করেন।যেদিন তিনি ব্রজে প্রত্যাবর্তন করেন,সেই রাত্রেই রাধারাণী তাঁকে পুনরায় স্বপ্নাদেশ করেন যে,তিনি দ্বারকাধামে তপ্তমুদ্রা ধারণ করে সত্যভামার গণভুক্ত হয়েছেন,(কারণ তেলে আর জলে মিশে না, দ্বারকা ঐশ্বর্য্য আর ব্রজ মাধুর্য্য) সুতরাং তিনি ব্রজ হতে দ্বারকায় চলে যান।তখন শ্রীকৃষ্ণদাস বাবাজী পূর্বের স্বপ্নকে সত্য বলে মনে করেন এবং অত্যন্ত অনুতপ্ত হয়ে অন্য সিদ্ধ-মহাত্মাগণের নিকট প্রায়শ্চিত্তের প্রার্থনা করেন।রাধারাণীর সাক্ষাৎ আদেশের উপর কেহই কোনরকম প্রায়শ্চিত্তের বিধান দিতে সমর্থ হলেন না,তখন রাধারাণীর বিরহে শ্রীকৃষ্ণদাস বাবাজীর অঙ্গে বিরহানল প্রজ্বলিত হয়ে ওঠে এবং শুকনো কাঠের মতো সেই আগুনে তাঁর দেহ পুড়ে ছাই হয়ে যায়।* *(গৌড়ীয় বৈষ্ণবজীবন, শ্রীহরিদাস দাস,হরিবোলকুটীর নবদ্বীপ হতে প্রকাশিত,দ্বিতীয় খন্ডে রণবাড়ীর সিদ্ধবাবার চরিত্র দ্রষ্টব্য)* *রাধারাণী নিজজনের দ্বারা রাগানুগা সাধকগণকে এই শিক্ষাই প্রদান করেছিলেন যে,স্বাভীষ্টভাবানুকূল (নিজ অভিলাষ পূরণের জন্য )ব্রজধাম ত্যাগ করে অন্যধামে গমন করলে ব্রজরস-সাধকের ভাবের প্রতিকূলই হয়ে থাকে।* *ঠাকুরমহাশয় বললেন,"তীর্থযাত্রা পরিশ্রম,কেবল মনের ভ্রম," বা ভ্রান্তি ছাড়া আর কিছুই নয়।ভক্তিচ্ছু (যাঁরা ভক্তি লাভ করতে ইচ্ছুক)সাধক যদি মনে করেন,নানাতীর্থে যাতায়াতে তাঁর ভক্তি-সিদ্ধি হবে,তাঁর এটি একরকম ভ্রান্তিই বটে,কারণ নানাতীর্থ যাতায়াতে তিনি প্রেমপ্রাপক শ্রীহরির শ্রবণ,কীর্তন,স্মরণাদি অন্তরঙ্গ ভজনাঙ্গগুলি নিষ্ঠার সঙ্গে যাজন করতে সমর্থ হবেন না,কারণ সর্বত্র যাতায়াতে নানাজাতীয় জনসঙ্গে মন চঞ্চল হওয়াটাই স্বাভাবিক।* *যেহেতু ইতস্ততঃ (এদিকওদিক)ছুটোছুটি ত্যাগ করে স্থিরভাবে বৃন্দাবনাদি প্রেমধামে অবস্থান করে কায়মনোবাক্যে নিষ্ঠার সঙ্গে শ্রীরাধাগোবিন্দ পাদপদ্ম ভজনেই সাধক প্রেমসিদ্ধি লাভে ধন্য হতে পারবেন।* *এইজন্যই বলা হয়েছে "সর্বসিদ্ধি গোবিন্দ চরণ"।*
*ক্রমশ*
*🌻বিবিধ ফললাভেচ্ছু বা পূণ্য-কামী ব্যক্তিগণ যদি মনে করেন,নানাতীর্থ ভ্রমণ করে আমার মনের বাসনা পূর্ণ হবে, তাঁদেরকে ঠাকুরমহাশয় বলছেন,এটি তাঁদের মনের ভ্রমমাত্র।যেহেতু শ্রীগোবিন্দ-চরণেই নিখিল তীর্থযাত্রার সিদ্ধি অবস্থান করে থাকে।তাঁরা যদি নানাতীর্থের ফলসিদ্ধির জন্য তীর্থযাত্রা পরিশ্রম ত্যাগ করে শ্রীগোবিন্দচরণ ভজন করেন,তাঁর অনায়াসেই নিজ বাসনা পূর্ণ হবে, এবং সৌভাগ্য লাভ করবেন। শ্রীকৃষ্ণ নিজগুণে বা নিজ কারুণ্যে তাঁদের প্রেমভক্তিদানে ধন্য করবেন।*
*🌻শ্রীচৈতন্য চরিতামৃতে ২২পরিচ্ছেদে দেখা যায় =*
*অন্যকামী করে যদি কৃষ্ণের ভজন।*
*না মাগিলেও কৃষ্ণ তারে দেন স্বচরণ।।*
*কৃষ্ণ কহে-- আমায় ভজে,মাগে বিষয়সুখ।*
*অমৃত ছাড়ি বিষ মাগে,এই বড় মূর্খ।।*
*আমি বিজ্ঞ এই মূর্খে বিষয় কেনে দিব।*
*স্বচরণামৃত দিয়া বিষয় ভুলাইব।।*
*কাম লাগি কৃষ্ণ ভজে পায় কৃষ্ণরসে।*
*কাম ছাড়ি দাস হৈতে হয় অভিলাষে।।*
*🌻অতঃপর বললেন,"সুদৃঢ় বিশ্বাস করি,মদ মাৎসহ্য পরিহরি,সদা কর অনন্য ভজন"।* *ইতিপূর্বে যেসব ভজনের সিদ্ধান্ত বর্ণিত হয়েছে,বৈষ্ণব সাধকগণকে তাতে সুদৃঢ় বিশ্বাস রেখে ভজন করতে হবে।ভক্তিসাধনা বা ভজনের অধিকার আনয়ন করে যে শ্রদ্ধা,তা বিশ্বাসমূলক।* *"শ্রদ্ধা শব্দে বিশ্বাস কহে,সুদৃঢ় নিশ্চয়"। সাধু,শাস্ত্র ও গুরুবাক্যে বিশ্বাসের নামই শ্রদ্ধা।সুদৃঢ় বিশ্বাস সম্পন্ন ব্যক্তিই শ্রেষ্ঠ শ্রদ্ধাবান বা ভজনের উত্তমাধিকারী।আবার ভজনকারী ভক্তকে মদ ও মাৎসহ্যাদি ত্যাগ করতেই হবে,কারণ এরাই ভক্তির অত্যন্ত ব্যাঘাত ঘটায়।পরমার্থ লাভ করতে হলে দম্ভ,অহঙ্কারাদি অবশ্যই বর্জন করতে হবে।বিচার করলে দেখা যায়,আমরা অনিত্য বস্তুকে দেহ-দৈহিকাদিকেই ""আমি"" "আমার"বলে মনে করে থাকি।ইহা থেকেই মদ বা অভিমানের উদয় হয়।* *বস্তুতত্ত্বের জ্ঞান হলে নিজের কর্তৃত্ব অভিমান আপনা আপনি সরে যায়।জীবের স্বরূপ শুদ্ধ চিদাত্মা,সুতরাং প্রাকৃতিক সব বিষয়ে নির্লিপ্ত এবং জগতের সমস্ত কাজই প্রকৃতির গুণকর্তৃক সম্পন্ন হয়। "প্রকৃতেঃ ক্রিয়মাণানি গুণৈঃ কর্মাণি সর্বশঃ। (গীতা=৩|২৭) এটি মনে করলে স্বভাবতই ভগবচ্চরণে প্রপন্নতা আসে এবং সর্ববিষয়ে নিজেকে অসমর্থ বলে বোধ হয়।* *তখন মদ বা অহঙ্কারের মূল পর্যন্ত হৃদয় হতে উৎখাত হয়ে যায় এবং দৈন্য নিজের মধুময় রূপ প্রকাশ করে সেই হৃদয়কে সুশোভিত করে।*
*ক্রমশ*
*🌻মাৎসর্য্য=চিত্তে অবস্থান করলে ভগবানের ভজন অধিকার হতে বঞ্চিত হতে হয়।শ্রীমদ্ভাগবতের শুরুতেই ১|১|২ দেখা যায়, নির্মৎসরাণাং সতাম্ অর্থ্যাৎ নির্মৎসর সৎ বা মহৎ জনই ভাগবতধর্মের অধিকারী।"পরোৎকর্ষাহনং মাৎসর্য্যম্" অপরের উৎকর্ষ সহ্য করতে না পারা, ঐসব ভাল না লাগা বা মনটি বিমর্ষ হয়ে আসা,এইরকম অতি হীন,সঙ্কীর্ণ বা কদর্য মনোবৃত্তির নামই মাৎসর্য্য।*
*যারা পরশ্রীকাতরতা বা মাৎসর্য্য পরায়ণ ব্যক্তির নিজ থেকে কোন শ্রেষ্ঠজনের প্রতি দোষারোপ,সমানজনে স্পর্ধা,ছোটকে ঘৃণা বা তাচ্ছিল্য প্রকাশ পেয়ে থাকে। মহৎ ব্যক্তির শ্রেষ্ঠজনে শ্রদ্ধাভক্তি,সমানজনে ভালবাসা,মৈত্রী ও ছোটদের স্নেহ,কৃপার উদয় হয়ে থাকে।*
*মাৎসর্য পরায়ণ জনের হৃদয়ে প্রতিষ্ঠাশার বা যশঃ লাভের বাসনাও উদয় হয়।এই মাৎসর্য নামক চন্ডালের ঔরসে এবং প্রতিষ্ঠাশা নাম্নী পিশাচীর গর্ভে হিংসা ও অসূয়া এই যমজ সন্তানের জন্ম হয়।* *এদের তান্ডব নৃত্যে হৃদয়ের সদবৃত্তিসকল চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যায়।অতএব সাধককে সতত মদ-মাৎসর্যাদি পরিহার করতে হবে।* *তারপর বললেন, "সদা কর অনন্য ভজন", শ্রীমদ্ভাগবতে ৪|৭|৩৮ "অনন্যবৃত্ত্যা"শব্দের টীকায় শ্রীধরস্বামী লিখেছেন= "অনন্যবৃত্ত্যা ভক্ত্যা অব্যভিচারী ভক্ত্যা" অর্থ্যাৎ অনন্যভক্তি বলতে অব্যভিচারী ভক্তি বলেই জানতে হবে। শ্রীকৃষ্ণ সেবা ছাড়া অন্য কোন কামনাই শুদ্ধভক্তির ব্যভিচার,অতএব "অনন্যভজন" বলতে ঐহিক-পারত্রিক (ইহলোক-পরলোক) বিশ্ব কামনা ত্যাগ করে কৃষ্ণসুখের দিকে নজর দিয়ে যে ভজন তাহাই অনন্যভজন বলা হয়।* *শ্রীবিশ্বনাথ চক্রবর্তী পাদ শ্রীমদ্ভাগবদগীতার ৯|৩০ টীকায় " অনন্যভাক্" শব্দের ব্যাখ্যায় লিখেছেন, "অনন্যভাক্ মত্তোহন্যদেবতান্তরং মদ্ভক্তেরন্যৎ কর্মজ্ঞানাদিকম্, মৎকামনাতোহন্যাং রাজ্যাদিকামনাং ন ভজতে স সাধুঃ"* *অর্থ্যাৎ যাঁরা আমাছাড়া অন্যদেবতার ভজন করেন না, আমার ভক্তি ছাড়া কর্ম,জ্ঞানাদির অনুষ্ঠান করেন না, এবং আমার সেবা-কামনা ছাড়া যাঁদের অন্তরে অন্য কামনার অর্থ্যাৎ রাজ্যাদির কামনার স্থান নাই,তাঁরাই অনন্যভজনকারী তাঁরাই যথার্থ সাধু।* *জয় নিতাই গৌর হরিবল*
*🌻এখানেই রহিল ভুল ক্ষমা করবেন🌻*
পরিপূর্ণ
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 👇👇👇
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ📱7001138871꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
