✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ বৈষ্ণব-চরণরেণু,ভূষণ করিয়া তনু,*꧂
꧁ *যাহা হৈতে অনুভব হয়।* ꧂
꧁ *মার্জন হয় ভজন,সাধুসঙ্গে অনুক্ষণ,* ꧂
꧁ *অজ্ঞান অবিদ্যা পরাজয়।।* ꧂
👇👇👇🙏👇👇👇
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
সকল কিছু লিখনী👇👇🙏👇👇📚 *PDF গ্রন্থ* 📚
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
*বৈষ্ণব-চরণরেণু,ভূষণ করিয়া তনু,*
*যাহা হৈতে অনুভব হয়।*
*মার্জন হয় ভজন,সাধুসঙ্গে অনুক্ষণ,*
*অজ্ঞান অবিদ্যা পরাজয়।।*
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
*🌼যাহা হৈতে=যস্মাৎ বৈষ্ণবচরণরেণুভূষণাৎ।*
*অজ্ঞান অবিদ্যা=অজ্ঞানং চতুবর্গবাঞ্জা তদ্রূপাবিদ্যা।*
*********************************
*এখানে বৈষ্ণব চরণ ধূলির মহিমা কীর্তন। "বৈষ্ণবচরণরেণু ভূষণ করিয়া তনু,যাহা হৈতে অনুভব হয়"।* *ভক্তিপ্রাপ্তা বা ভজন অনুভব বিষয়ে বৈষ্ণব পদ ধূলির অসাধারণ মহিমা সর্ব শাস্ত্রেই একবাক্যে ঘোষিত হয়েছে।(ভক্ত পদধূলি আর ভক্ত পাদজল।ভক্ত-ভুক্ত-অবশেষ তিন মহাবল।।)*
*🍀এই তিনের সেবা থেকেই কৃষ্ণপ্রেমের উল্লাস।ভক্তপদধূলিতে অভিষিক্ত না হওয়া পর্যন্ত শুধু যাগযজ্ঞ তপস্যা বা বেদপাঠ প্রভৃতি দ্বারা ভগবৎতত্ত্বের জ্ঞানোদয় হয় না।বৈষ্ণবগণের চরণধূলির মধ্য দিয়েই পাওয়া যায় ভগবানের পদস্পর্শ।*
*🍀সর্ববেদান্তসার শ্রীমদ্ভাগবতে ব্রহ্মর্ষি জড়ভরত রহূগণের প্রতি বলেছেন=(ভাগবত,৫|১২|১২).*
*রহূগণৈতত্তপসা ন যাতি ন চেজ্যয়া নির্বপণাদ্ গৃহাদ্ বা।*
*ন চ্ছন্দসা নৈব জলাগ্নিসূর্য্যৈর্বিনা মহৎপাদরজোহভিষেকম্।।*
*অর্থ্যাৎ=হে মহারাজ রহূগণ!মহদগণের পদরজঃ দ্বারা অভিষিক্ত না হলে তপস্যা,বৈদিককর্ম,অন্নাদি দান,গৃহাদি নির্মাণর্থ পরোপকার,বেদাভ্যাস অথবা জল,অগ্নি বা সূর্য্যের উপাসনা প্রভৃতি অপর কোন সাধনার দ্বারাই ভগবততত্ত্বজ্ঞান প্রাপ্ত হওয়া যায় না।*
*🍀পরমভক্ত শ্রীপ্রহ্লাদ মহাশয়ও বলেছেন,(ভাগবত,৭|৫|৩২)তাঁর পিতা হিরণ্যকশিপুর প্রতি।*
*নৈষাং মতিস্তাবদুরুক্রমাঙ্ঘ্রিং স্পৃশত্যনর্থাপগমো যদর্থঃ।*
*মহীয়সাং পাদরজোহভিষেকং নিষ্কিঞ্চনানাং ন বৃণীত যাবৎ।।*
*(🌼দীনভাবাপন্ন চিত্তই সাধুগুরুর করুণার যথাযোগ্য আধার।মহৎ-কৃপা সম্বন্ধে শ্রীমৎ জীবগোস্বামীপাদ লিখেছেন,*
*সতাং কৃপা চ দুরবস্থাদর্শনমাত্রোদ্ভবা ন স্বোপাসনাদ্যপেক্ষা,যথা শ্রীনারদস্য নলকুবর-মণিগ্রীবয়োঃ।(ভক্তিসন্দর্ভ ১৯৩ অনু)।*
*অর্থ্যাৎ জীবের দূরবস্থা বা দুঃখ-দুর্দশাদি দর্শনেই সাধুগণের কৃপা তাঁদের প্রতি বর্ষিত হয়,জীবের পক্ষে সাধুগণের উপাসনাদির কোন অপেক্ষা নাই। যেমন নলকুবর-মণিগীবের দূরবস্থা দর্শনেই তাদের প্রতি শ্রীনারদের করুণা হয়েছিল।*
*শ্রীগুরু কৃপা সম্বন্ধেও তা জানতে হবে।কেউ কেউ ধন,জন,আভিজাত্য আদির অভিমানে মত্ত হয়ে অর্থ,সম্পদাদি দানে যথাসম্ভব শ্রীগুরুদেবের সেবা করে সদানন্দ মূর্তি শ্রীগুরুর স্বাভাবিক প্রসন্নাদি দর্শনে মনে করে থাকেন যে,তিনি যথেষ্ট গুরুকৃপা লাভ করে ধন্য হয়েছেন।সুতরাং তিনি যতই ভোগ- সম্পদাদিতে মত্ত থাকুন না কেন,গুরুকৃপা তাঁকে একদিন ভগবানের চরণতলে নিয়ে যাবেনই।*
*🍀যারা এই ভাবনা দ্বারা রয়েছেন,তাদের উদ্দেশ্যে নরোত্তম দাস ঠাকুরের এই মহাবাণীর প্রতি লক্ষ্য রাখবেন।""গুরু,অধম জনার বন্ধু"", এই অধম,অপকৃষ্ট,দীনভাবাপন্ন চিত্তই শ্রীগুরুদেবের করুণার যথার্থ নিশ্ছিদ্র ভাজন।গুরুকৃপা কখনই কৃপাপাত্রকে অত্যুৎকট (অতিশয় তীব্র )নারকীয় গন্ধপূর্ণ বিষয়গর্তে ফেলে রাখেন না।যথার্থ কৃপাপ্রাপ্ত ব্যক্তি "হা হা গুরুকৃপা"!বলতে বলতে বিভোর হয়ে থাকেন।কৃপাই তাঁর চিত্তে সবসময় দৈন্য ভাবে ভক্তিরস সুধাধারায় তাঁকে অভিষিক্ত করে, শ্রীগুরু পাদপদ্মে সবসময় নিবিষ্ট(মনোযোগী)করে রাখেন।* *তাই বলেছেন শ্রীগুরুদেব অধম জনার বন্ধু।)*
= = = = = = = = =
*🍀শ্রীপ্রহ্লাদ মহাশয়ের শ্লোকে আসি।*
*যে পর্যন্ত বিষয় অভিমান শূন্য মহদগণের শ্রীচরণধূলি দ্বারা অভিষেক(স্নান বা অবগাহন)না হয়,সে পর্যন্ত বিশ্বমানবের মতি শ্রীভগবচ্চরণকে স্পর্শ করতে পারে না,অর্থ্যাৎ শ্রীকৃষ্ণ পাদপদ্মে কারো মতি জাত না হতে পারে না।যাঁর দ্বারা অর্থ্যাৎ শ্রীকৃষ্ণ পাদপদ্মনিষ্ঠ মতির দ্বারা নিখিল অনর্থ স্বতঃই নিবৃত্ত হয়ে যায়।* *(সত্ত্ব পরীক্ষা করবার জন্য ভৃগুমণি নারায়ণের বক্ষে পদাঘাত করলে শ্রীনারায়ণ বলেছিলেন,(ভাঃ--১০|৮৯|১০-১১)*
*পুনীহি সহলোকং মাং লোকপালাংশ্চ মদগতান্।*
*পাদোদকেন ভবতস্তীর্থানাং তীর্থকারিণা।।*
*অদ্যাহং ভগবন্!লক্ষ্ম্যা আসমেকান্তভাজনম্।*
*বৎস্যত্যুরসি মে ভূতির্ভবৎপাদহতাংহসঃ।।*
*🍀আবার শ্রীনারায়ণ বাণী,শ্রীবৃন্দাবনদাস ঠাকুর শ্রীচৈতন্য ভাগবতে এই শ্লোকদ্বয়ের অতিসুন্দর পদ্যানুবাদ করেছেন।🍀*
*এইযে তোমার পাদোদক পূণ্যজল।*
*তীর্থেরে করয়ে তীর্থ হেন সুনির্মল।।*
*যতেক ব্রহ্মান্ড বৈসে আমার দেহেতে।*
*যত লোকপাল সব আমার সহিতে।।*
*পাদোদক দিয়া আজি করিলা পবিত্র।*
*অক্ষয় হইয়া রহু তোমার চরিত্র।।*
*এইযে তোমার শ্রীচরণচিহ্নধূলি।*
*বক্ষে রাখিলাম আমি হই কুতূহলী।।*
*লক্ষ্মীসঙ্গে নিজবক্ষে দিল আমি স্থান।*
*বেদে যেন শ্রীবৎস-লাঞ্জন বলে নাম।।*
*🌼স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ উদ্ধবের প্রতি বলেছেন, "অনুব্রজাম্যহং নিত্যং পূয়েয়েত্যঙ্ঘ্রিরেণুভিঃ" (ভাঃ ১১|১৪|১৬) হে উদ্ধব!আমি ভক্তের চরণধূলি দ্বারা ভক্তিপ্রাপ্ত করাইয়া ব্রহ্মান্ডকে পবিত্র করব বলে ভক্তের অনুগমন করে থাকি।*
*🍀শ্রীধরস্বামীর ব্যাখ্যা=ইদানিং এই বিশেষ কলিযুগেতে শ্রীরাধাকৃষ্ণ মিলিত তনু শ্রীমন্মহাপ্রভু ভক্তিরস আস্বাদনের লালসায় বৈষ্ণবগণের পদরেণু গ্রহণ করেছেন, "সবার চরণধূলি লয় বিশ্বম্ভর"(চৈঃভাঃ)* *শ্রীকৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামীপাদ লিখেছেন=*
*ভক্তপদধূলি আর ভক্তপাদজল।*
*ভক্ত-ভুক্ত-অবশেষ -- তিন মহাবল।।*
*এই তিন সেবা হৈতে কৃষ্ণপ্রেমা হয়।*
*পুনঃপুনঃ সর্বশাস্ত্রে ফুকারিয়া কয়।।*
*ক্রমশ*
*🌼শ্রীঠাকুর মহাশয় বৈষ্ণব চরণধূলি দ্বারা দেহকে ভূষিত করবার কথা বলেছেন,"বৈষ্ণবচরণরেণু ভূষণ করিয়া তনু" অর্থ্যাৎ জগতের নরনারী যেমন দেহকে অলঙ্কৃত করবার জন্য অতি সযত্নে ভূষণাদি ধারণ করে থাকেন ; তদ্রূপ স্বীয়(নিজ)আত্মাকে অলঙ্কৃত করবার জন্য অতি সযত্নে বা ভক্তিভরে বৈষ্ণব চরণধূলির নিষেবণ (সেবা পরিচর্য্যা)করতে হবে।এই দিয়েই বৈষ্ণবের প্রতি পরমভক্তিই উপদিষ্ট(উপদেশ) হয়েছে।"বৈষ্ণবাণাং পরাভক্তিঃ(নারদ পঞ্চরাত্র)অর্থ্যাৎ বৈষ্ণবগণের প্রতি পরমা ভক্তি করবে।* *ভক্তিমার্গের সাধকগণের নিকট বৈষ্ণবগণ শ্রীবিষ্ণুর মতোই পূজ্য "বৈষ্ণবা বিষ্ণুবৎ পূজ্যাঃ"।বৈষ্ণব আদর গুণ ভক্তসাধকে না থাকলে তাঁর সাধন ভজনে ভগবান কখনই প্রসন্ন হন না।*
*যে মে ভক্তজনাঃ পার্থ ন মে ভক্তাশ্চ তে জনাঃ।*
*মদ্ভাক্তানাঞ্চ যে ভক্তা স্তে মে ভক্ততমা মতাঃ।।*
*তস্মাদ্বিষ্ণুপ্রসাদায় বৈষ্ণবান্ পরিতোষয়েৎ।*
*প্রসাদসুমুখো বিষ্ণুস্তেনৈব স্যান্ন সংশয়ঃ।।*
*(আদি পুরাণ)*
*🍀শ্রীভগবান অর্জুনের প্রতি বলেছেন,হে পার্থ!যাঁরা কেবল আমায় ভক্তি করেন তাঁরা আমার যথার্থ ভক্ত নয়,যাঁরা আমার ভক্তগণের ভক্ত,তাঁরাই আমার সর্বোৎকৃষ্টভক্ত বলে পরিগণিত। সুতরাং বিষ্ণুর প্রসন্নতার জন্য সর্বতোভাবে বৈষ্ণবের সন্তোষ বিধান করবে।বৈষ্ণব প্রসন্ন হলেই বিষ্ণু প্রসন্ন হবেন,এতে কিছুমাত্র সংশয় নাই। পক্ষান্তরে বৈষ্ণব যদি কিঞ্চিৎমাত্র অপমানিত হন,তাহলে বিশ্বাত্মা শ্রীবিষ্ণু শত শত পূজিত হলেও প্রসন্ন হন না।* *""প্রসীদতি ন বিশ্বাত্মা বৈষ্ণবে চাপমানিতে""।তাই ভগবান উদ্ধবের প্রতি নিজমুখে বলেছেন,""মদ্ভক্তপূজাভ্যধিকা""(ভাঃ১১|১৯|২১) "অভ্যধিকা মৎপূজাতোহপি তএ মম সন্তোষবিশেষাৎ""(ঐ টীকা শ্রীজীব গোস্বামীপাদের) আমার ভক্তের পূজায় আমার পূজো অপেক্ষাও আমার অধিক সন্তোষ হয় জানিয়া ভক্তের সমধিক পূজা করবে।* *তাই বলেছেন,যাহা হৈতে অনুভব হয়, অর্থ্যাৎ বৈষ্ণব চরণধূলির দ্বারা দেহ ভূষিত হলে সাধ্য-সাধন বিষয়ে বা সম্বন্ধ অভিধেয় জেনে প্রয়োজন বিষয়ে সাধকের অনুভব বা অভিজ্ঞান জন্মে থাকে।*
*🍀মার্জন হয় ভজন,সাধুসঙ্গে অনুক্ষণ,অজ্ঞান অবিদ্যা পরাজয়।অর্থ্যাৎ বৈষ্ণব চরণধূলি দেহের বিভূষণ করলে বা পরম শ্রদ্ধাভক্তির সঙ্গে সর্বার্থ-সাধক-জ্ঞানে বৈষ্ণব চরণধূলি দেহে অথবা মস্তকে ধারণ করলে,সবসময় সাধুসঙ্গের সৌভাগ্য লাভ হয় এবং অনুক্ষণ (সবসময়)সাধুসঙ্গে ভজন সুমার্জিত হয় ও সাধুসঙ্গের আনুষাঙ্গিকফলেই অজ্ঞান অবিদ্যা বিনাশ হয়ে থাকে।* *সাধুসঙ্গের মহিমা বিষয়ে শ্রীমদ্ভাগবতে ১১|২৬|৩১ দেখা যায়, ""যথোপশ্রয়মাণস্য ভগবন্তং বিভাবসুম্। শীতং ভয়ং তমোহপ্যেতি সাধূন্ সংসেবতস্তর্থ!""* *অর্থ্যাৎ ভগবান অগ্নিদেবতার আশ্রয়ে যেমন শীত,ভয় ও অন্ধকার নষ্ট হয়,সেইরকম সাধুগণের আশ্রয়ে জীবের কর্মজড়তা, সংসার ভয় ও সংসারমূলক অজ্ঞান বা অবিদ্যা নষ্ট হয় থাকে।(এই শ্লোকের টীকায় শ্রীপাদ বিশ্বনাথ চক্রবর্তী লিখেছেন*, *""স্বীয়ৌদনসিদ্ধ্যর্থমুপাশ্রয়মাণস্য অপ্যেতি নশ্যতি।তথৈব ভজনসিদ্ধ্যর্থং সাধূন্ সংসেব্যমানস্য কর্মাদিজাড্যং সংসারভয়ং ভজনবিঘ্নশ্চ।।* *অর্থ্যাৎ যেমন অন্ন ব্যঞ্জনাদির সিদ্ধর জন্য উনানে আগুন জ্বালাতে হয় এবং অন্নাদির রানা ব্যতীতও আনুষঙ্গিক ভাবে শীত,ভয় ও অন্ধকার নাশ হয়ে থাকে,সেইরকম ভজনসিদ্ধির জন্য সাধুসঙ্গ এবং সাধুসেবা করলে ভজনসিদ্ধির আনুসঙ্গিক ভাবেই কর্মজড়তা,সংসারভয় ও অজ্ঞান অবিদ্যা ভজনবিঘ্ন নাশ হয়ে থাকে।* *🍀সৎসঙ্গই সাক্ষাৎ ভক্তি🍀*
*অথৈতৎ পরমং গুহ্যং শৃণ্বতো যদুনন্দন।*
*সুগোপ্যমপি বক্ষ্যামি ত্বং মে ভৃত্যঃ সুহৃদসখা।*
*ভাঃ ১১|১১|৪৯*
*ন রোধয়তি মাং যোগো ন সাংখ্যং ধর্ম এব চ।*
*ন স্বাধ্যায়স্তপস্ত্যাগো নেষ্টাপূর্তং ন দক্ষিণা।।*
*ব্রতানি যজ্ঞশ্ছন্দাংসি তীর্থানি নিয়মা যমাঃ।*
*যথাবরুদ্ধে সৎসঙ্গঃ সর্বসঙ্গাপহো হি মাম্।।*
*ভাঃ ১১|১২|১-২*
*🌼ভগবান উদ্ধবের প্রতি বললেন,* *হে যদুনন্দন! তুমি আমার পরম সুহৃদ,ভৃত্য এবং সখা অতএব অতি গোপন তত্ত্বও তোমায় বলছি শুন।অষ্টাঙ্গযোগ,তত্ত্ববিবেকরূপ সাংখ্য অহিংসাদিধর্ম বা বর্ণাশ্রমধর্ম, বেদপাঠ,তপস্যা,সন্ন্যাস, ইষ্টাপূর্ত অর্থ্যাৎ অগ্নিষ্টোমযাগ ও কূপারামাদি নির্মাণ,দান,ব্রত,দেবপূজা,মন্ত্র,তীর্থ, নিয়ম এবং হোম আদি আমায় বশীভূত করতে পারে না,সর্বসঙ্কের অপহারক সাধুসঙ্গ আমায় যেমন বশীভূত করে।* *তাই ভাগবতে বলেছেন="অয়ং হি পরমো লাভো নৃণাং সাধুসমাগমঃ।(ভাঃ ১২|১০|০৭)* *এই সাধুসঙ্গই সকলের পক্ষে পরম লাভ।এই রকম সৎসঙ্গের বহু শাস্ত্র ব্যাখা রয়েছে।*
*সাধ
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 👇👇👇
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ📱7001138871꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
