✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ *মনের স্মরণ প্রাণ* ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*মনের স্মরণ প্রাণ*
""""""""""""""""""""""""""""
*মনের স্মরণ প্রাণ,মধুর মধুর ধাম,*
*যুগলবিলাস স্মৃতিসার।*
*সাধ্য সাধন এই,ইহা বই আর নাই,*
*এই তত্ত্ব সর্ববিধি সার।।*
••••• ••••• ••••• ••••• •••••
*শ্রীগ্রন্থকার মহোদয় রাগানুগা ভক্তির মুখ্য-সাধন স্মরণাঙ্গভক্তি কথা বলছেন।প্রথমত বলা হয়েছে, "মনের স্মরণ প্রাণ", মানুষের মন সব ইন্দ্রিয়ের রাজা বা শ্রেষ্ঠ,অর্থ্যাৎ যেদিকে ধাবিত হবে ইন্দ্রিয়গণ সেই পথে চলবে। ইন্দ্রিয়গুলি মনের অধীনে কাজ করে,তারা যেন মনের ক্রীতদাস।রূপ,শব্দ,রস,গন্ধ ও স্পর্শ এইযে পঞ্চতন্মাত্রা যথাক্রমে আমাদের চক্ষু,কর্ণ,জিহ্ব,নাসিকা ও ত্বক্ দ্বারা অনুভূত বা আস্বাদিত হয়,এইগুলি সব মনের বিষয়ীভূত।*
*আগে কোন একটি জিনিস দেখেছি,এইসময় দেখেও বলতে পারি,কারণ সেই জিনিসটি আমাদের মনে অঙ্কিত রয়েছে।* *বিদ্যুৎ চমকানো দেখলেই বজ্রপতন শব্দে আমরা ভয় পাই, কারণ বিদ্যুতের সঙ্গে ঐ শব্দ আগে শুনেছি,তা আমাদের স্মরণে আছে।যে খাবার আগে আস্বাদন করেছি, তা কেমন স্বাদবিশিষ্ট এখন না খেয়েও বলতে পারি, কারণ তার স্বাদ মনে আছে।* *কোন সুন্দর ফুল দেখলেই আমরা বলতে পারি, ফুলটি কিরকম ঘ্রাণযুক্ত,কারণ আগে ঐ ফুলের গন্ধ আমার বেশ ভাল লেগেছিল।* *কোন ছোট অজ্ঞান শিশু আগুনে একবারই হাত দেয়, পরে কিন্তু আর দেয় না।বরং আগুন দেখলেই সরে দাঁড়ায়, কারন সে মনে রাখে যে, তার স্পর্শ গরম এবং কষ্টকর। স্থূল-ইন্দ্রিয়দ্বারা আমরা কোন জিনিস বা বিষয় স্থূলভাবে গ্রহণ বা ব্যবহার করলেও মনসংযোগ ছাড়া তা আমাদের অনুভূতিতে আসে না।* *এইরকম সমস্ত ইন্দ্রিয়ের সমষ্টিভূত কেন্দ্রস্বরূপ যে মন তা অশরীরী হয়েও সকরকম বোধ জন্মাতে সমর্থ।* *অনাদিকাল হতে ভগবদবিমুখ মানুষের মন জড়ীয় বিষয়চিন্তায় এমনি দুষ্ট হয়ে আছে যে, সমুদ্র যেন সবসময় ছোট বড় নানাতরঙ্গে নিরন্তর ঢেউ খেলতে থাকে,তেমনি বিষয়ী মানুষের মন ছোট বড় নানা বিষয়চিন্তার ঢেউএ সবসময় খেলতে থাকে।সব চিন্তা আমাদের "বুদ্ধি" গ্রহণ করতে পারে না,* *বিশেষ বিশেষ চিন্তাগুলিই বুদ্ধির গ্রাহ্য হয়ে থাকে। জাগ্রত দশায় তো বটেই,সুপ্তাবস্থাতেও মন সুপ্ত থাকে বলেই চিন্তাঢেউএর বিরাম হয়ে থাকে।এই মনকে নিয়েই ভক্ত-সাধকের যত কিছু খেলা।* *কেননা মনসংযোগবিহীন যান্ত্রিক ভজনে বহুকালেও ভজনের ফল প্রেমলাভ করা যায় না।*
*ক্রমশ*
*ভক্ত ও ভগবানের কৃপামূলা সাধন-ভজনের দ্বারা বিষয়-বাসনায় পঙ্কিল(কাদামাখা)মনকে নির্মল(পরিস্কার)করে কৃষ্ণেতর জড়ীয় বিষয় চিন্তার অভিভূতি(আক্রমণ)ত্যাগ করে নিরবচ্ছিন্ন(নিরন্তর বা সবসময়) শ্রীকৃষ্ণ স্মরণকেই ভাগবতে শুদ্ধা বা নির্গুণাভক্তি বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছে।* *ভাগবত=৩|২৯|১১-১২*
*মদগুণশ্রুতিমাত্রেণ ময়ি সর্বগুহাশয়ে।*
*মনোগতিরবিচ্ছিন্না যথা গঙ্গাম্ভসোহম্বুধৌ।।*
*লক্ষণং ভক্তিযোগস্য নির্গুণস্য হ্যুদাহৃতম্।*
*অহৈতুক্যব্যবহিতা যা ভক্তিঃ পুরুষোত্তমে।।*
*🙏কপিলদেব স্বীয়(নিজ) জননী দেবহুতির প্রতি বলেছিলেন,হে মাতঃ! আমার গুণশ্রবণমাত্রেই সমুদ্রাভিমুখে গঙ্গাধারার মতো সর্বগুহাশয় আমার প্রতি গুণশ্রবণকারীর যে অবিচ্ছিন্না মনোগতি তাই পুরুষোত্তম আমাবিষয়ে অহৈতুকী এবং অব্যহিতা ভক্তি এবং তাই নির্গুণ ভক্তিযোগের লক্ষণরূপে উদাহরণ হয়েছে।* *
*🌻ঠাকুরমহাশয় তাই বলেছেন, ভগবৎ স্মৃতিই ভক্তসাধকের মনের প্রাণ বা জীবনীশক্তি।যে মনে ভগবৎ স্মৃতি নাই,সেই মন প্রাণহীনদেহের মতো নির্জীব বা মৃতপ্রায়।* *নিষ্প্রাণদেহকে যেমন শৃগাল,কুকুরাদি স্বচ্ছন্দে ভক্ষণ করে,তেমনি ভগবৎস্মৃতীবিহীন মনকে কাম,ক্রোধাদি রিপুগণ সবসময় দংশন করতে থাকে।সপ্রাণ বা সজীবদেহ দেখে যেমন শৃগাল কুকুরাদি ভয়ে পালিয়ে যায়,তেমনি হরিস্মৃতিসম্পন্ন সজীব মনকে দেখে কামাদি রিপু দূর হতে পলায়ন করে থাকে।* *সুতরাং কামাদি রিপুগণের নির্যাতন হতে রক্ষা পেয়ে ভজনানন্দ রসাস্বাদন করতে হলে প্রত্যেক ভক্তেরই স্মরণাঙ্গ অবলম্বনীয়।যে কোনরকমে মনের সঙ্গে শ্রীভগবানের সম্বন্ধ হলেই তাকে ""স্মরণ"" বলা হয়।* *শ্রীমৎ জীবগোস্বামীপাদ স্মরণাঙ্গের ক্রমবিকাশের পঞ্চবিধ স্তরের কথা বলেছেন=স্মরণ,ধারণা,ধ্যান,ধ্রুবানুস্মৃতি ও সমাধি। ভগবানের রূপ,গুণ,লীলাদির যৎকিঞ্চিৎ অনুসন্ধানের নাম"স্মরণ"।অন্য সমস্ত বিষয়চিন্তা হতে মনকে আকর্ষণ করে ভগবানের লীলাদিতে সামান্যভাবে মনোধারণের নাম"ধারণা"। বিশেষভাবে রূপাদি চিন্তনই "ধ্যান"। অমৃতধারাবৎ ভগবানের রূপ,গুণ,লীলাদির অবিচ্ছিন্নভাবে স্মরণের নাম"ধ্রুবানুস্মৃতি"। ধ্যেয়মাত্র স্ফুরণকে "সমাধি"বলা হয়।* *এই সমাধি জ্ঞান,যোগাদি সাধনায় লব্ধ অসম্প্রজ্ঞাত সমাধির মত নয়।এতে স্মরণ অতি গাঢ় হয়ে ভগবানের লীলাদির প্রত্যক্ষের মতই স্ফুরণ হয়ে থাকে।* *এই স্মরণাঙ্গের সার যুগলবিলাস স্মৃতি, তাই বলেছেন="যুগলবিলাস স্মৃতিসার"। স্মরণ চারপ্রকার= নামস্মরণ,রূপস্মরণ,গুণস্মরণ ও সপরিকরলীলা স্মরণ।তারমধ্যে লীলাস্মরণই শ্রেষ্ঠ,কারণ লীলাস্মরণে নাম,রূপ,গুণাদির স্মরণও অন্তভুক্ত থাকে।* *আবার অন্যান্য ভগবৎস্বরূপের লীলাস্মরণ অপেক্ষা মাধুর্য্যমূরতি ব্রজেন্দ্রনন্দনের লীলাস্মরণ সর্বশ্রেষ্ঠ।কারণ শ্রীকৃষ্ণের লীলা পরম মাধুর্য্যময়।আবার তাঁর বাল্য-পৌগন্ডাদি লীলা অপেক্ষা সর্বোৎকৃষ্ট শৃঙ্গাররসে যে কৈশোরলীলা অর্থ্যাৎ রাধারাণীর সঙ্গে বিলাসলীলা তাহাই সকল লীলার শ্রেষ্ঠ।* *সুতরাং যুগলবিলাসই স্মৃতিসার।অর্থ্যাৎ সসখী শ্রীশ্রীরাধাকৃষ্ণের মিলন,কুসুমচয়ন,বংশীহরণ,বনবিহার*, *মধুপান,রহঃকেলি,জলকলি,পাশাখেলা এবং রাসালীলাদি স্মরণই সকল লীলাস্মরণের সার বা শ্রেষ্ঠ।শ্রীগৌড়ীয়বৈষ্ণব সম্প্রদায়ে সপার্ষদ শ্রীগৌরাঙ্গের ও শ্রীরাধামাধবের অষ্টকালীয় বা স্বারসিকী এবং মন্ত্রময়ী বা যোগপীঠ মিলন লীলা স্মৃতির যে পদ্ধতি দেখা যায়,উহাই শ্রেষ্ঠতম স্মরণাঙ্গ ভজন।*
*ক্রমশ*
*স্মরণনিষ্ঠ সাধককে কিন্তু সবসময় লক্ষ্য রাখতে হবে যে স্মরণকালে সসখী শ্রীরাধামাধবের "মধুর মধুর ধাম" বা মধুরাতিমধুর শ্রীবিগ্রহের রূপ,গুণ,লীলাদির মাধুর্য্যের আস্বাদন যেন অন্তরাত্মা পায়। অভীষ্টের মাধুর্য্যাস্বাদন লাভ করাই সাধনার মূল লক্ষ্য।লোভমূলা রাগভক্তিতে স্মরণাঙ্গভজন যদি কেবল বিধিবদ্ধভাবে নিয়মমত অনুষ্ঠিত হয়, স্মরণকালে সাধক শ্রীরাধামাধবের রূপ,গুণাদির কিছুমাত্র মাধুর্য্য আস্বাদনও পারেন না।* *তাহলে তা রাগভক্তি আখ্যা প্রাপ্ত হবে কিরকমে?পক্ষান্তরে রূপাদির মাধুর্য্যাস্বাদন লাভ হলে লীলাস্মরণ অপূর্ণ থাকলেও যথাযথ পূর্ণতা প্রাপ্ত হয়ে থাকে।শ্রীহরিদাস দাসজীকৃত গৌড়ীয়বৈষ্ণবজীবন দ্বিতীয়খন্ডে গোবর্ধন-বাস্তব্য সিদ্ধ শ্রীকৃষ্ণদাস বাবাজী মহারাজের জীবনীতে লিখিত আছে =যাঁরা সিদ্ধবাবার কাছে ভজন শিক্ষা করতেন,প্রতিরাত্রিতে তাঁদের সকলকে একত্রিত করে কে কিরকম ভজন করছেন সিদ্ধবাবা তা শুনতেন এবং ভুল ভ্রান্তি সংশোধন করে দিতেন।* *একদিন জনৈক বৈষ্ণবমাহাত্মা কিছু না বলে কেবল কাঁদতে লাগলেন।বাবাজী মহারাজ তাঁকে উৎসাহ ও সান্ত্বনা দিয়ে কান্নার কারণ জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন "আজ আমি কিছুই ভজন করতে পারিনি।সকালে শ্রীপ্রাণেশ্বরীর(রাধারাণীর) দক্ষিণহস্তে অলংকার পরাতে গিয়ে হাতের যে শোভা মনে লেগে গেল, আমি সমস্তদিন সেখান হতে মনকে সরাতে পারিনি।সিদ্ধবাবা তাঁকে উৎসাহ দিয়ে বললেন, তোমারই যথার্থ ভজন হয়েছে! (🌻কোন কোন গ্রন্থে "মনের স্মরণ প্রাণ,মধুর মধুর নাম,এইরকমও পাঠ দেখা যায়।এর অর্থ এইরকম যে,মনের প্রাণ যে স্মরণ,তা মধুরাদপিমধুর শ্রীনামের আশ্রয়েই করতে হবে।কারণ স্মরণাঙ্গ ভজনটি চিত্তশুদ্ধির অপেক্ষা রাখে,শ্রীমৎ জীবগোস্বামীপাদ লিখেছেন, "স্মরণন্তু শুদ্ধান্তঃকরণতামপেক্ষতে"(ভক্তিসন্দর্ভ ২৭৬),* *অশুদ্ধমনে বা বিষয়-বাসনা মলিনচিত্তে মনসংযোগ হয় না, সুতরাং স্মরণাঙ্গ ভজনও সম্পন্ন হয় না।নামকীর্তন কিন্তু চিত্তশুদ্ধির অপেক্ষারহিত,অশুদ্ধচিত্তেও নামকীর্তন হওয়ার বাধা নাই।যেহেতু নামকীর্তনের দ্বারা চিত্তশুদ্ধি হলে স্মরণাঙ্গ ভজনটি সুচারু ভাবে সম্পন্ন হয়ে থাকে।🌻*
*প্রশ্ন হতে পারে,তাহলে শুদ্ধান্তঃকরণ না হওয়া পযর্ন্ত নামকীর্তনের অনুষ্ঠান করা হোক, শুদ্ধান্তঃকরণে স্মরণাঙ্গে মনঃসংযোগ হলে আর নামকীর্তনের প্রয়োজন কি?এবিষয়ে শ্রীবৃহদ্ভাগবতামৃতে শ্রীমৎ সনাতন গোস্বামীপাদ সিদ্ধান্ত করেছেন যে, নামকীর্তনে স্মরণাঙ্গ আস্বাদনের পরিপুষ্টি সাধিত হয় এবং স্মরণ বা ধ্যানের দ্বারাও নামরসাস্বাদনের পুষ্টি সাধিত হয়ে থাকে।উভয়েই উভয়ের পরিপোষক বলে কখনই নামকীর্তনকে বাদ দিয়ে স্মরণাঙ্গভজনের কথা বলা হয় নাই।* *শ্রীমৎ জীবগোস্বামীপাদ লিখেছেন= "শুদ্ধান্তঃকরণশ্চেৎ নামকীর্তনাপরিত্যাগেন স্মরণং কুর্য্যাৎ" (ভক্তিসন্দর্ভ=২৭৫)অর্থ্যাৎ শুদ্ধান্তঃকরণ সাধক নামকীর্তনের সহযোগেই স্মরণ করবেন।* *তারপর বললেন, "সাধ্য সাধন এই, ইহা বই আর নাই,এই তত্ত্ব সর্ববিধিসার"। সাধ্যবস্তু লাভের জন্য যে উপায় অবলম্বন করা হয়,তাকে বলা হয় "সাধনা" এবং সেই সাধনা বা উপায়ের দ্বারা যে বস্তু পাওয়া যায়,সেই উপেয়বস্তুকেই বলা হয় "সাধ্য"।*
*জ্ঞান,যোগাদি সাধনায় সাধন ও সাধ্য পৃথকবস্তু, কিন্তু ভক্তিতে যা সাধ্য তাহাই সাধনা।জ্ঞান,যোগাদি হতে ভক্তিসাধনার ইহাই মহান্ বৈলক্ষণ্য।সাধনভক্তি,ভাবভক্তি এবং প্রেমভক্তি একই বস্তুর "তর" ও "তম" অবস্থা।সাধনে যা অপক্ক, সিদ্ধিতে তাহাই পরিপক্ক। সুতরাং সাধনে যাঁরা লীলাস্মরণাঙ্গে চিত্তকে অভিনিবিষ্ট করতে পারবেন,সিদ্ধিতে তাঁরা সেই লীলার মধ্যেই স্মরণীয় সেবা সাক্ষাৎ প্রাপ্ত হয়ে ধন্য হবেন।* *অতএব ইহা হতে যে সাধ্যবস্তু আরও কোন পৃথক আছে,তা নয় "ইহা বই আর নাই"।*
*এইজন্য বিশ্ব শাস্ত্রে জীবের জন্য কর্তব্যের যে সকল উপদেশ দেওয়া হয়েছে,সব উপদেশে এই সারমর্ম, এই তত্ত্ব "সর্ববিধিসার", শ্রীপদ্মপুরাণে দেখা যায় = "স্মর্তব্যঃ সততং বিষ্ণুর্বিস্মর্তব্যো ন জাতুচিৎ।সর্বে বিধিনিষেধাঃ স্যুরেতয়োরেব কিঙ্করাঃ"।। অর্থ্যাৎ "সর্বদা ভগবানকে স্মরণ করবে,কখনই তাঁকে ভুলে যাবে না,বিশ্বশাস্ত্রে যত বিধি ও নিষেধ উপদেশ দেওয়া হয়েছে, সববিধিই বিষ্ণু স্মরণের এবং সব নিষেধই বিষ্ণুর বিস্মরণের কিঙ্কর বা অনুবর্তী। তাই বলা হয়েছে =দস্যুগণ কর্তৃক সর্বস্ত চুরি হলে বিষয়ী মানুষ যেমন উচ্চৈঃস্বরে রোদন করে থাকে,তেমনি এক মুহূর্তকালও শ্রীহরির বিস্মৃতি ঘটলে ভক্তকে উচ্চৈঃস্বরে রোদন করা উচিত।*
*🙏বানান,ভুল মার্জনীয়🙏*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ📱7001138871꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
