✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ শ্রীগোবিন্দ কবিরাজ বা গোবিন্দ দাস পদকর্তা ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
শ্রীগোবিন্দ কবিরাজ বা গোবিন্দ দাস পদকর্তা।
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
শ্রীগোবিন্দ কবিরাজ -- ইনি মাতামহ শ্রীদামোদর কবিরাজের আলয়ে জন্ম গ্রহণ করেন। গোবিন্দ কবিরাজ মাতৃগর্ভে অতিরিক্ত মাস অবস্থান করার ফলে জননী সুনন্দার অতিশয় কষ্ট হচ্ছিল।দাসী দামোদর কবিরাজকে এসে এই কথা বললেন।তখন দামোদর কবিরাজ দেবীর পূজো করছেন।তজ্জন্য দাসীর সঙ্গে কোন কথা না বলে নয়নে ইঙ্গিত করে বললেন,দেবী যন্ত্রটি সুনন্দাকে দেখাও এখনই পুত্র প্রসব হবে।দাসী ইঙ্গিত না বুঝে দেবী-যন্ত্র ধৌত করে সেই জল সুনন্দাকে পান করাল, তাহাতে তিনি সুখে পুত্র প্রসব করলেন।
(শীঘ্র যন্ত্র-ধৌত করি জল পিয়াইল)
(ভক্তিরত্নাকর=৯|১৪৯)
শ্রীগোবিন্দ কবিরাজের জন্মের পর পিতা চিরঞ্জীব সেন অপ্রকট হন। তখন থেকে শ্রীরামচন্দ্র কবিরাজ ও গোবিন্দ কবিরাজ মাতামহ দামোদরের আলয়ে প্রতিপালিত হন।
দামোদর শাক্ত ছিলেন।মাতামহের সঙ্গ ফলে শ্রীরামচন্দ্র ও গোবিন্দ শাক্ত ভাবাপন্ন হন। শ্রীরামচন্দ্র পরবর্তীকালে শ্রীনিবাস আচার্য্যের অনুগ্রহে বৈষ্ণব ধর্মে দীক্ষিত হন। অপরদিকে গোবিন্দ ঘোরতর শাক্ত হয়ে পড়েন।তিনি ভগবতী ছাড়া অন্য কোন কথা বলতেন না, অন্য কোন পূজাও করতেন না। সকলকে ভগবতী উপাসনার কথাই বলতেন।তখন গীত পদ্যাদি যাহা লিখতেন সমস্তই ভগবতী সম্বন্ধে।
*শ্রীরামচন্দ্র শ্রীআচার্য্য স্থানে শিষ্য হৈতে।
গোবিন্দ একান্তে বসি বিচারয়ে চিতে।।
ভগবতী পাদপদ্ম কৈলে আরাধন।
না হৈত কি এ ভব বন্ধাদি বিমোচন।।
(ভক্তিরত্নাকর=৯|১৫৭-১৫৮)
শ্রীরামচন্দ্র কবিরাজ শ্রীনিবাস আচার্য্যের অনুগ্রহ পাবার পর গোবিন্দ কবিরাজের মতি বৈষ্ণব ধর্মে এসেছিল।সেই সম্বন্ধে বলছেনশ্রীগোবিন্দ কবিরাজ মনে মনে চিন্তা করতে লাগলেন,শক্তি উপাসনা মার্গে ভববন্ধন থেকে কি মুক্তি পাওয়া যায় না? ঠিক এই সময় তিনি দৈববাণী শুনলেন---------------
হেন কালে অলক্ষ্যে কহয়ে ভগবতী।
কৃষ্ণ না ভজিলে কারু না ঘুচে দুর্গতি।
(ভঃরঃ= ৯|১৫৯)
অলক্ষ্যে দেবী যেন বলছেন, শ্রীকৃষ্ণ ভজন ছাড়া কারও ভববন্ধন মোচন হয় না।গোবিন্দ কবিরাজ এই দৈববাণী শুনে বুঝতে পারলেন শ্রীকৃষ্ণ ভজন ছাড়া অন্য কোন মার্গে বা কোন উপাসনার দ্বারা ভববন্ধন থেকে মুক্তি হয় না- ইহা দেবীর উপদেশ। তখন তিনি শ্রীকৃষ্ণ ভজন করবার জন্য দৃঢ় সংকল্প করলেন। গোবিন্দ কবিরাজ শ্রীকৃষ্ণ ভজনের জন্য বড়ই ব্যাকুল হয়ে পড়লেন। বড় ভাই রামচন্দ্র শ্রীনিবাস আচার্য্যের অনুগ্রহে ধন্য হয়েছেন, তিনিও তাই শ্রীআচার্য্যের শ্রীচরণ আশ্রয় করতে উৎসুক হলেন।
(শ্রীআচার্য্য প্রভুর শিষ্য হইব সর্বথা।
তবে সে ঘুচিবে মোর অন্তরের ব্যথা।।)
*আমি নিশ্চয় শ্রীআচার্য্য ঠাকুরের চরণ আশ্রয়ে ধন্য হব।গোবিন্দ এইরূপ বিচার করে যাজিগ্রামে যাবার উদ্যোগ করলেন, এমন সময় শুনলেন শ্রীআচার্য্য বৃন্দাবনে চলে গেছেন। গোবিন্দের মনে বড় খেদ উপস্থিত হল। তখন তিনি মনে মনে বিচার করতে লাগলেন-------------
*বৈষ্ণবগণেও মোর হিত চিন্তা কৈল।
কহিল পিতার বার্তা তাহা না শুনিল।।
মোর পিতা চিরঞ্জীব সেন বিদ্যামান।
চৈতন্যচন্দ্রের ভক্ত, গুণের নিধান।।
এ হেন সন্তান হৈয়া গেলু ছারে খারে
এ কেবল কর্মদোষ,কি বলিব কারে।।
** শ্রীগোবিন্দ কবিরাজ স্বগত ভাবে কৃপাময় বৈষ্ণবগণ পূর্বে আমার হিত চিন্তা করে শ্রীকৃষ্ণ ভজনের কথা বলে ছিলেন।ভাগ্যদোষে তখন তাঁদের কথায় কর্ণপাত করি নাই।
আমার পিতা চিরঞ্জীব সেন শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর পরম অনুগ্রহ পাত্র ছিলেন। তিনি ছিলেন পরম ভাগবত ও সমস্ত গুণের নিধান। হায়! আমি এহেন মানুষের সন্তান হয়ে বৃথা জীবন কাটালাম।এ জগতে দেখছি আমার সমান দুর্ভাগা আর কে আছে?
শ্রীগোবিন্দ কবিরাজ শেষ অংশ -------
*********************************
পুনঃ যদিও দেবী স্বয়ং অহৈতুকী কৃপা করে কৃষ্ণভজন করতে বললেন, তাতে শ্রীকৃষ্ণ ভজনে কিছুটা মতি হল কিন্তু সদ্ গুরু কোথায় পাব? আমি মনে করলাম শ্রীনিবাস আচার্য্যের শ্রীচরণ আশ্রয় করিব, তিনি তো শ্রীবৃন্দাবনে বাস করছেন।
*মোর জ্যেষ্ঠ আচার্য্য প্রভুর দরশনে।
ফিরিল সে মন -- নিষ্ঠা হৈল সে চরণে।।
শ্রীগোবিন্দ কবিরাজ এই সমস্ত কথা বলিয়া যখন খেদ করতে ছিলেন, তখন দৈববাণী শুনলেন-------------
"হেনকালে দৈববাণী হইল আকাশে।
অভিলাষ পূর্ণ হবে অলপ দিবসে।।
** তোমার শীঘ্র অভিলাষ পূর্ণ হবে তুমি ধৈর্য্য ধর।এবার গোবিন্দ কবিরাজ খানিকটা আশ্বস্ত হ'লেন। শ্রীরামচন্দ্র কবিরাজ ছোট ভায়ের সেই সমস্ত চেষ্টা শুনে বড়ই সুখী হলেন। এদিকে শ্রীনিবাস আচার্য্যের জন্য গৌড় দেশবাসী ভক্তগণ বড়ই চঞ্চল হয়ে উঠলেন।আচার্য্যকে বৃন্দাবন হতে আনবার জন্য কাকে পাঠানো হবে ; সকলে মনোনীত করলেন শ্রীরামচন্দ্র কবিরাজকে। রামচন্দ্র বৈষ্ণবগণের আজ্ঞা নিয়ে শুভদিনে বৃন্দাবন যাত্রা করে, তিনি কুমারহট্ট নগরে ছোট ভাই গোবিন্দ কবিরাজের কাছে এলেন।গোবিন্দের কৃষ্ণ ভজন উৎকণ্ঠা দেখে তিনি খুবই সুখী হলেন এবং আচার্য্যপাদ এলেই তাঁর সব বাসনা সিদ্ধ হবে জানালেন। এ সময় তিনি শ্রীগোবিন্দ কবিরাজকে
কুমার নগর থেকে তেলিয়া বুধরি গ্রামে গিয়ে বাস করতে বললেন। শ্রী রামচন্দ্র কবিরাজ বৃন্দাবনে যাবার পর শ্রী গোবিন্দ কবিরাজ তেলিয়া বুড়ি গ্রামে এসে বসতবাটি নির্মাণ করেন। ভক্তগনের ইচ্ছাই শ্রীনিবাস আচার্য গৌড় দেশে এলেন এবং বিভিন্ন স্থানে ভক্তসঙ্গে সুখে হরিকথা কীর্তন পূর্বক ভ্রমণ করতে লাগলেন। তার শুভাগমনে গৌড় দেশে শ্রী হরি সংকীর্তন বন্যা আরম্ভ হল। শ্রী নরোত্তম দাস ঠাকুর ও শ্রী শ্যামানন্দ প্রভু তাঁর সঙ্গে অবস্থান করছিলেন।
অতঃপর ভক্তগণ সঙ্গে শ্রী আচার্য তেলিয়া বুধরিতে এলেন। গোবিন্দ কবিরাজ অতিশয় ভক্তিপূত হৃদয়ে দৈন ভরে শ্রী আচার্যকে আমন্ত্রণ করিয়া স্বগৃহে আনলেন। অতি ভক্তি ভরে তার সেবাদি করতে লাগলেন। বুধ হরি গ্রামবাসী শ্রীনিবাস আচার্য দর্শনে পরমানন্দিত হলেন। এই সময়
গোবিন্দ কবিরাজ শ্রীনিবাস আচার্য শ্রীচরনে পরিয়া কৃপা প্রার্থনা করলেন। করুণাময় শ্রী আচার্য ঠাকুর তাকে শ্রীশ্রী রাধা কৃষ্ণ যুগল মন্ত্রে দীক্ষিত করিলেন।
** রাধাকৃষ্ণ মন্ত্রদীক্ষা দিলেন গোবিন্দে**
গোবিন্দ কবিরাজ শ্রীনিবাস আচার্য চরণে আত্মসমর্পণ করলেন। তার ভক্তি দর্শনে বৈষ্ণবদের আনন্দের সীমা রইল না। এইসময় গৌড় দেশে কোন প্রেমভক্তি বন্যা প্রবাহিত হলো। গৌড় দেশে গোবিন্দ কবিরাজ মহাকবি বলিয়া বিখ্যাত হলেন। তার বিদ্যা প্রতিভা অত্যদ্ভূত ছিল।
তিনি সংগীত মাধব নামে একখানি মহা নাটক রচনা করেন। তার আরো কয়েক খানি রচিত গ্রন্থ বঙ্গসাহিত্যে সুপ্রসিদ্ধ আছে। যেমন ছিল তার সঙ্গীত রচনা শক্তি,তেমনি ছিলেন তিনি সুকণ্ঠ গায়ক। শ্রীপাদ জীব গোস্বামী শ্রীনিবাস আচার্য শ্রীজাহ্নবা মাতা গোস্বামিনী প্রভৃতি তাঁর ভক্তিময়ী সঙ্গীত শ্রবণে পরম সুখী হয়ে তাঁকে কবিরাজ উপাধিতে ভূষিত করেন। তিনি শ্রীবিদ্যাপতির মৈথিল ভাষাযুক্ত পদাবলীর অনুসরণে গীত রচনা করেন।তিনি শ্রীপাদ রূপ গোস্বামীর ভক্তিরসামৃত সিন্ধু ও উজ্জ্বল নীলমণির শান্ত,দাস্য,সখ্য, বাৎসল্য ও মধুর ভাব সম্বলিত গীত রচনা করেন। তাঁর গীতে এত অনুপ্রাস,এত সরল সহজ ভাষা গম্ভীর ভাব যুক্ত, যে শ্রোতার হৃদয় সহজেই জয় করে তোলে। গৌড়ীয় বৈষ্ণব রস সাহিত্য হিসাবে গোবিন্দ কবিরাজের সমস্ত গীতি অনুপম। স্বয়ং শ্রীপাদ জীব গোস্বামী গোবিন্দ কবিরাজের পদ সমূহ শ্রবণে সন্তুষ্ট হয়ে তাঁকে "কবিরাজ" আখ্যা প্রদান করেছিলেন। গোবিন্দ কবিরাজের পদাবলী গীত সংখ্যা পদকল্পতরুতে ৪৬০ টি আছে। গোবিন্দ কবিরাজের জন্ম ১৪৫৯ শকে,অপ্রকট ১৫৩৫ শকে,আশ্বিন মাসের শুক্ল প্রতিপদে।তাঁর পত্নীর নাম মহামায়া। পুত্রের নাম শ্রীদিব্যসিংহ। দিব্যসিংহের পুত্রের নাম কবি ঘনশ্যাম।
দাক্ষিণাত্য পর্যটনের সময় দক্ষিণ-
মথুরাতে এক রামভক্ত ব্রাহ্মণের সহিত দেখা হল গৌরহরির। সেই ব্রাহ্মণ মহাপ্রভুকে নিমন্ত্রণ করলেন মধ্যাহ্ন ভোজনের জন্য। মহাপ্রভু কৃতমালায় স্নানাদি সম্পন্ন করিয়া সেই বিপ্রের ঘরে এসে উপস্থিত হলেন মধ্যাহ্নকাল,তবু বিপ্রের ঘরে রন্ধনের কোন আয়োজন নেই। এ কেমনতরো
নিমন্ত্রণ? এবারে মহাপ্রভু জিজ্ঞাসা করলেন দুপুর হয়ে গেল, রন্ধনাদির দ্রব্য কোথায়? রামদাস বিপ্র বললেন, আমি বনবাসে আছি, বনে রান্নার সামগ্রী সম্প্রতি দুর্লভ। লক্ষ্মণ বন্য অন্ন-শাক-ফল আনতে গেছে।সে ফিরে এলে সীতাদেবী রন্ধনের যোগাড় করবেন।বিপ্রের উপাসনার ভাবটি মহাপ্রভুর বুঝে নিলেন,আর আনন্দে ভরে উঠলেন।এমন লীলাস্মরণের ভক্তও এই জগতে দেখা যায়? প্রায় তৃতীয় প্রহরে বিপ্রের আবেশ তিরোহিত হল।তখন অতি যত্ন
সহকারে মহাপ্রভুকে ভিক্ষা দিলেন। কিন্তু নিজে কিছুই সেবা নিলেন না। বিষন্ন মনে বসে আছেন, মহাপ্রভু বললেন,একি! তুমি সেবা নেবে না? তোমার কি হয়েছে? তখন রামদাস বললেন,আমার আর প্রয়োজন নেই,আমি দেহত্যাগ করব। মহাপ্রভু বললেন,কেন? তোমার কিসের দুঃখ? তখন রামদাস বললেন, রাক্ষস জগন্মাতা সীতা ঠাকুরাণীকে ধরেছে, এই বলিয়া কাঁদতে লাগলেন। আর বললেন এই দুঃখে আমার দেহ জ্বলে পুড়ে যাচ্ছে, এই দেহকে আর খাদ্য দিয়ে বাঁচিয়ে রাখতে ইচ্ছে হচ্ছে না। মহাপ্রভু বললেন,তুমি অমন চিন্তা মনেও স্থান দিও না। সীতা ঈশ্বরপ্রেয়সী, চিদানন্দ-মূর্তি।প্রাকৃতর হাত তাঁকে ছুঁইতে পারে না, এবং এই প্রাকৃত চোখ দেখতেও পাই না।রাবণের কি সাধ্য তাঁকে দেখে,তাঁকে ছোঁয়! রাবণকে কুটিরদ্বারে আসতে দেখেই মায়া-সীতাকে রেখে সীতাদেবী অন্তর্হিত হলেন। তুমি দুর্ভাবনা করো না, আমাকে বিশ্বাস করো সত্যি বলছি।"অপ্রাকৃতবস্তু নহে প্রাকৃত গোচর। মহাপ্রভুর বাক্যে রামদাসের বিশ্বাস হল। এবং আহার গ্রহণ করলেন।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ📱7001138871꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
